শুক্রবার, ৪ এপ্রিল ২০২৫ | ২০ চৈত্র ১৪৩১
Dhaka Prokash

র‌্যাবের উপর নিষেধাজ্ঞা এবং জঙ্গিবাদের উত্থানের যোগসূত্রতা

মানবাধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগ এনে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটেলিয়নের (র‌্যাব) বেশ কিছু কর্মকর্তার উপর যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা আরোপের ঘটনাটি সাম্প্রতিক সময়ে বেশ আলোচনার মুখ দেখেছে। প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী মানবাধিকার লঙ্ঘনের জন্য বিভিন্ন দেশের ১৫ ব্যক্তি ও ১০ প্রতিষ্ঠানের উপর এই নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে, যার মধ্যে সাত জনই বাংলাদেশের।

স্বাভাবিকভাবেই বাংলাদেশ সরকার এবং সাধারণ জনগণের মনে এই সিদ্ধান্তে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে। এটা যে কোনো স্বাভাবিক সিদ্ধান্ত নয়—সেটি পরিষ্কার উপলব্ধি করা যায়। বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের বিপক্ষে একটি শক্তিশালী গোষ্ঠী সব সময়েই ষড়যন্ত্রে লিপ্ত থাকে—সে কথা নতুন করে বলার প্রয়োজন নেই। আর সেই শক্তি এখন নতুন আঙ্গিকে নতুন কৌশলে ষড়যন্ত্র অব্যাহত রেখেছে। রাজনৈতিক স্থিতিশীল পরিস্থিতিকে কীভাবে অস্থিতিশীল করে রাজনৈতিক উত্তেজনাপূর্ণ ক্ষেত্র হিসেবে বাংলাদেশকে কীভাবে বহিঃর্বিশ্বে তুলে ধরা যায় সে বিষয়ে ক্রমাগত কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র বর্তমানে বিশ্ব পুঁজিবাদ ও সাম্রাজ্যবাদের মোড়লের ভূমিকায় রয়েছে। নিকট অতীতেও দেশটির বিরুদ্ধে অনেক গণতান্ত্রিক সরকারকে উৎখাতে সহযোগিতা কিংবা ইন্ধন দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে। আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধেও মার্কিন ভূমিকা নিয়ে বেশ বিতর্ক রয়েছে। এমতাবস্থায় দেশের অন্যতম এলিট ফোর্স র‌্যাবের সিনিয়র কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে মার্কিন সিদ্ধান্ত যে গভীর রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রের ফলাফল তা বলার অপেক্ষা রাখে না। দেশের বর্তমান পরিস্থিতি এ বিষয়ে বিশ্লেষণের তাগিদ অনুভব করেই লেখাটি শুরু করলাম।

প্রধানমন্ত্রী ঘোষিত ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির আলোকে বাংলাদেশ এখন জঙ্গি দমনে রোল মডেল। প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে র‌্যাব চরমপন্থি, জঙ্গিবাদ, জলদস্যু ও সন্ত্রাস দমন, অবৈধ আগ্নেয়াস্ত্র ও গোলাবারুদ উদ্ধার এবং চাঞ্চল্যকর হত্যাকাণ্ড আসামি গ্রেপ্তারসহ আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় ঈর্ষণীয় ভূমিকা রাখছে র‌্যাব। সরকারের চরম সাহসিকতা এবং দূরদর্শিতায় জঙ্গিবাদের মূলোৎপাটনের ক্ষেত্রে র‌্যাবের ভূমিকা অনন্য। বলা যেতে পারে, র‌্যাব জল, স্থল ও আকাশে অভিযান পরিচালনার সক্ষমতা সম্পন্ন একটি ত্রিমাত্রিক বাহিনীতে পরিণত হয়েছে।

একটা সময় ছিল যখন দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলকে রক্তাক্ত করেছিল চরমপন্থিরা। র‌্যাব সাধারণ মানুষকে সঙ্গে নিয়ে চরম দৌরাত্ম্য নিয়ন্ত্রণ করেছে। দেশে একটি গোষ্ঠীর ছত্রছায়ায় জঙ্গিবাদের বীজ বপন করা হয়েছিল। তারা এ দেশকে একটি ব্যর্থ রাষ্ট্র হিসেবে পরিণত করতে চেয়েছিল। ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট ওই একই গোষ্ঠীর মদদে বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে থামিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছিল। ২০০৫ সালের সিরিজ বোমা হামলা গোটা দেশের মানুষ আতঙ্কিত হয়ে পড়েছিল। সে সব পরিস্থিতি এখন দেশে আর নেই। এক্ষেত্রে আমরা বর্তমান সরকারের নেতৃত্বে র‌্যাবের সাহসী ভূমিকার প্রশংসা করতে পারি নিঃসন্দেহে।

বিভিন্ন সময়ে বোমা হামলা চালিয়ে জঙ্গি সংগঠন জেএমবি তাদের শক্তি জানান দেওয়ার পরপরই তাদের দমনের লক্ষ্যে মাঠে নামেন র‌্যাব সদস্যরা। এরপর গ্রেপ্তার করা হয় জেএমবি প্রধান শায়খ আবদুর রহমান, সিদ্দিকুল ইসলাম ওরফে বাংলাভাই, সামরিক শাখার প্রধান আতাউর রহমান সানিসহ শতশত জঙ্গিকে। এ ছাড়া গুলশানের হলিআর্টিসানে জঙ্গি হামলার পর র‌্যাব অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করলে আইনের আওতায় আনা সক্ষম হয়। সন্ত্রাসী, জঙ্গি ও মাদকসহ বিভিন্ন অভিযান চালাতে গিয়ে এ পর্যন্ত র‌্যাবের প্রায় ৩০ জনের বেশি নিজের জীবন উৎসর্গ করেছেন।

র‌্যাবের এমন হাজারো সাহসিকতার উদাহরণ থাকা সত্ত্বেও হঠাৎ করে এই প্রতিষ্ঠানের কতিপয় কর্তাব্যক্তির উপর একটি দেশের নিষেধাজ্ঞার বিষয়টিকে গভীরভাবে মূল্যায়নের তাগিদ অনুভব করছি। আমরা জানি, অতি সম্প্রতি ইরানে একটি জঙ্গি সংগঠন মসজিদে হামলা চালিয়ে প্রায় ৩০ জনের বেশি মুসল্লিকে হত্যা করেছে। সারা বিশ্বব্যাপী বিভিন্ন স্থানে এমন নানাবিধ জঙ্গি হামলার ঘটনা প্রায়ই গণমাধ্যম সূত্রে আমাদের চোখে পড়ছে। দীর্ঘদিন থেকে বাংলাদেশে জঙ্গি উত্থানের বিষয়টি সাধারণ মানুষের মাথা থেকে প্রায় চলেই গেছে। কিন্তু আগামী নির্বাচনকেন্দ্রীক রাজনৈতিক উত্তেজনা, বিএনপির অগণতান্ত্রিক হুঁশিয়ারি, নির্বাচন কমিশনে জামায়াত নেতাদের দ্বারা গঠিত বিডিপি নামে নতুন একটি রাজনৈতিক দলের আবেদন, আগামী ১০ ডিসেম্বরের বিএনপির সরকার উৎখাতের আলটিমেটাম প্রভৃতি মিলিয়ে দেশের রাজনীতিতে একটি নতুন পরিস্থিতির উদ্ভব ঘটতে যাচ্ছে। আর এ সব পরিস্থিতির সুযোগ নিয়ে যেকোনো সময় জঙ্গিগোষ্ঠীসমূহ মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে পারে। আগামী নির্বাচনে সহিংস পরিস্থিতি সৃষ্টির মাধ্যমে রাজনৈতিক স্বার্থ হাসিলের গভীর ষড়যন্ত্র আমাদের সামনে অনকেটা দৃশ্যমান।

তাত্ত্বিকভাবে আমরা জানি, জঙ্গি সংগঠনগুলো সহিংস তৎপরতার জন্য নির্দিষ্ট সময় ও পরিস্থিতি বেছে নেয়, যা নির্ভর করে কোনো দেশের আভ্যন্তরীণ আর্থসামাজিক-রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং জঙ্গিবাদের বৈশ্বিক প্রবণতার উপর। ইতোমধ্যেই জঙ্গিবাদের যে বৈশ্বিক প্রবণতা আমরা লক্ষ্য করছি, তা সত্যিই আমাদের শঙ্কিত করে তুলছে।

স্বাভাবিক পরিস্থিতিতে জঙ্গিরা সাধারণত প্রচারণা ও কর্মী সংগ্রহের মাধ্যমে সংগঠনের সামর্থ্য বৃদ্ধিতে ব্যস্ত থাকে। এই পর্যায়ে নিবেদিত কিছু কর্মী বাছাই করে তাদের মনস্তাত্ত্বিক ও শারীরিক প্রশিক্ষণের মাধ্যমে কথিত ‘জিহাদের’ জন্য প্রস্তুত করা হয়। অতীতের ঘটনাপ্রবাহ বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, রাজনৈতিক অস্থিরতার সময় মূলত এই অপশক্তি তাদের কার্যক্রমের উপযুক্ত সময় হিসেবে বিবেচনা করে।

কাজেই এই পরিস্থিতির মূল্যায়ন করা যায় যে, জঙ্গি নির্মূলে র‌্যাবের কার্যক্রম মানবাধিকার ইস্যুতে প্রশ্নবিদ্ধ করা কিংবা কোনো রাষ্ট্রের শৃঙ্খলা বাহিনীর উচ্চপদস্থদের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞার বিষয়টি সাধারণ জনগণের নিরাপত্তার সঙ্গে যেমন সম্পৃক্ত তেমনি দেশে নতুন করে জঙ্গি কার্যক্রমের উত্থানের প্রশ্নটিও সামনে চলে আসে।

সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশে সন্ত্রাসী বা জঙ্গি গোষ্ঠীর কোনো বড় কর্মকাণ্ড দেখা যায়নি। আগামীতে বাংলাদেশসহ বিশ্ব একটি কঠিন সময়ের মুখোমুখি হতে পারে। আর সেই পরিস্থিতির সুযোগে জঙ্গি গোষ্ঠীগুলো বিশ্বব্যাপী তাদের কার্যক্রমে সক্রিয় হয়ে উঠতে পারে। বিশেষত জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে কোনো ধরনের রাজনৈতিক টানাপোড়েন, দোষারোপ, নিষেধাজ্ঞা কোনোটিই স্থিতিশীল পরিস্থিতি বজায় রাখার লক্ষণ নয়। কাজেই বাংলাদেশের বিভিন্ন বাহিনীর উপর আন্তর্জাতিক নানা ধরনের নিষেধাজ্ঞা এবং নতুনভাবে তেমন কোনো পরিবেশ সৃষ্টির ষড়যন্ত্র কিংবা সম্ভাবনা তৈরির সব অপশক্তিতে যথাযথভাবে মোকাবিলা করার ক্ষেত্রে দূরদর্শী অবস্থানে থাকার চেষ্টা অব্যাহত রাখতে হবে সবাইকেই।

লেখক: অধ্যাপক, রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগ, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়

আরএ/

 

Header Ad
Header Ad

অতিরিক্ত গতি নিয়ন্ত্রণে ঠাকুরগাঁওয়ে প্রশাসন, পুলিশ ও বিআরটিএ'র বিশেষ অভিযান

ছবি: ঢাকাপ্রকাশ

ঈদ পরবর্তী সময়ে যাত্রীসাধারণের নির্বিঘ্ন ও নিরাপদ যাত্রা নিশ্চিত করতে এবং সড়ক দুর্ঘটনা রোধে ঠাকুরগাঁও জেলায় প্রশাসন, পুলিশ ও বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) নানা কার্যক্রম পরিচালনা করছে। অতিরিক্ত গতি নিয়ন্ত্রণে ও সড়কে শৃঙ্খলা নিশ্চিত করতে জেলা প্রশাসন, পুলিশ ও বিআরটিএ ঠাকুরগাঁও সার্কেলের উদ্যোগে ভিজিলেন্স টিম গঠন করা হয়েছে, যা নিয়মিত মনিটরিং ও মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করছে।

জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, কোনো বাস কাউন্টার অতিরিক্ত ভাড়া আদায় বা যাত্রী হয়রানি করলে, তাৎক্ষণিকভাবে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে বেশ কয়েকটি বাস কাউন্টারে অভিযান পরিচালনা করে জরিমানা আদায়সহ সতর্ক করা হয়েছে। এছাড়া, ফিটনেসবিহীন যানবাহন চলাচল বন্ধ, পণ্যবাহী যানবাহনে যাত্রী পরিবহন, হেলমেট ছাড়া মোটরসাইকেল চালনা এবং একাধিক আরোহী বহন রোধে জেলা প্রশাসন, পুলিশ ও বিআরটিএর সমন্বয়ে পলাশ তালুকদার, সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট, ঠাকুরগাঁও এর নেতৃত্বে বিশেষ অভিযান পরিচালিত হচ্ছে। অভিযানে মোট ১৮টি মামলায় ৭০,০০০/ টাকা জরিমানা করা হয়।

বিআরটিএ ঠাকুরগাঁও সার্কেলের সহকারী পরিচালক (ইঞ্জি.) জানান, যাত্রীদের নির্বিঘ্ন ও নিরাপদ যাত্রা নিশ্চিত করতে বিআরটিএ চেয়ারম্যান মহোদয়ের নির্দেশনায় এই কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। তিনি আরও জানান, প্রশাসনের কঠোর নজরদারির ফলে এবারের ঈদে ঠাকুরগাঁও জেলায় সড়ক দুর্ঘটনা ও প্রাণহানির সংখ্যা তুলনামূলকভাবে কম হয়েছে।

Header Ad
Header Ad

শুল্ক আরোপের জেরে বিশ্ববাজারে মার্কিন ডলারের দরপতন

ছবি: সংগৃহীত

শুল্ক আরোপের জেরে বিশ্ববাজারে মার্কিন ডলারের দরপতন ঘটেছে, বিপরীতে বেড়েছে ইউরোর মূল্য। বিনিয়োগকারীরা ইয়েন ও সুইস ফ্রাঙ্কের মতো নিরাপদ আশ্রয়স্থলের দিকে ঝুঁকতে শুরু করেছেন।

রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বহুল প্রতীক্ষিত ট্রাম্পের শুল্ক ঘোষণার পর বৃহস্পতিবার বাজারে ধাক্কা লাগে। বিশ্বব্যাপী শেয়ারবাজারে দরপতন ঘটে এবং বিনিয়োগকারীরা বন্ডের পাশাপাশি স্বর্ণে বিনিয়োগ শুরু করেন।

ট্রাম্প বুধবার ঘোষণা দেন, তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে সমস্ত আমদানির ওপর ১০ শতাংশ বেসলাইন শুল্ক আরোপ করবেন এবং দেশের কিছু বৃহত্তম বাণিজ্যিক অংশীদারের ওপর উচ্চতর শুল্ক বসাবেন। নতুন শুল্ক আরোপের ফলে বাণিজ্য যুদ্ধ তীব্রতর হয়েছে, যা বৈশ্বিক অর্থনৈতিক মন্দা ও জ্বালানি মূল্যস্ফীতির আশঙ্কা বাড়িয়ে তুলেছে।

বৃহস্পতিবার ডলার সূচক ১.৬ শতাংশ কমে ১০২.০৩-এ দাঁড়িয়েছে, যা অক্টোবরের শুরুর পর থেকে সর্বনিম্ন। অন্যদিকে, ইউরো সূচক ১.৫ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ছয় মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ হয়েছে। মার্কিন ডলারের বিপরীতে অস্ট্রেলিয়ান ডলার ০.৫৬ শতাংশ, নিউজিল্যান্ড ডলার ০.৯ শতাংশ, জাপানি ইয়েন ১.৭ শতাংশ এবং সুইস ফ্রাঙ্ক পাঁচ মাসের মধ্যে সবচেয়ে শক্তিশালী অবস্থানে পৌঁছেছে।

ক্যাপিটাল ডটকমের সিনিয়র বাজার বিশ্লেষক ড্যানিয়েলা সাবিন হ্যাথর্ন জানান, ট্রাম্পের নতুন শুল্ক নীতির ফলে ডলার সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তিনি বলেন, “অনিশ্চয়তা এখনও বেশি রয়েছে—যদিও কয়েকদিনের মধ্যে কিছু শুল্ক বাতিল বা সংশোধন হতে পারে। তবে এর অর্থনৈতিক প্রভাব ১৯৩০-এর দশকের স্মুট-হাওলি শুল্ক আইনের চেয়েও বেশি হতে পারে।”

১৯৩০ সালে স্মুট-হাওলি শুল্ক আইন প্রণয়নের ফলে যুক্তরাষ্ট্র আমদানি কর বাড়িয়েছিল, যা বিশ্বব্যাপী প্রতিশোধমূলক শুল্কের সূত্রপাত ঘটায় এবং বৈশ্বিক মহামন্দাকে আরও গভীর করে তোলে।

ড্যানিয়েলা সাবিন হ্যাথর্ন আরও বলেন, ট্রাম্প প্রশাসনের এই পদক্ষেপ কেবল বাণিজ্যের ভারসাম্য রক্ষার কৌশল নয়, বরং যুক্তরাষ্ট্রকে সম্পূর্ণ স্বনির্ভর করার পরিকল্পনার অংশ হতে পারে। তবে, এই স্তরের শুল্ক আরোপের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র নিজেকে বৈশ্বিক বাণিজ্য থেকে বিচ্ছিন্ন করে ফেলতে পারে, যা দীর্ঘমেয়াদে অর্থনীতির জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে।

সূত্র: রয়টার্স, ব্যারন’স, দ্য গার্ডিয়ান

Header Ad
Header Ad

ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ে বাংলাদেশের উন্নতি, শীর্ষেই আর্জেন্টিনা

ছবি: সংগৃহীত

গেল মাসে এশিয়ান কাপ বাছাইয়ের তৃতীয় রাউন্ডে ভারতের বিপক্ষে গোলশূন্য ড্র করলেও ফিফা র‍্যাংকিংয়ে দুই ধাপ এগিয়েছে বাংলাদেশ। নতুন র‍্যাংকিং অনুযায়ী, ৯০৪.১৬ পয়েন্ট নিয়ে জামাল ভূঁইয়া, হামজা চৌধুরীরা ১৮৫তম স্থান থেকে উঠে এসেছে ১৮৩তম স্থানে।

এদিকে ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষস্থানটি ধরে রেখেছে আর্জেন্টিনা। উরুগুয়ে ও ব্রাজিলের বিপক্ষে জয় তুলে নিয়ে বর্তমান বিশ্ব চ্যাম্পিয়নদের সংগ্রহ এখন ১৮৮৬.১৬ পয়েন্ট। অন্যদিকে, স্পেন ১৮৫৪.৬৪ পয়েন্ট নিয়ে ফ্রান্সকে টপকে দ্বিতীয় স্থানে উঠে এসেছে। ১৮৫৪.৭১ পয়েন্ট নিয়ে ফরাসিরা নেমে গেছে তিন নম্বরে।

ইংল্যান্ড ১৮১৯.২ পয়েন্ট নিয়ে যথারীতি চারে রয়েছে। ব্রাজিল এক জয় ও এক হারের পরও ১৭৭৬.০৩ পয়েন্ট নিয়ে আগের মতোই পাঁচ নম্বরে রয়েছে। নেদারল্যান্ডস ১৭৫২.৪৪ পয়েন্ট নিয়ে ছয়ে উঠে এসেছে, আর পর্তুগাল এক ধাপ পিছিয়ে ১৭৫০.০৮ পয়েন্ট নিয়ে সাত নম্বরে নেমেছে।

র‍্যাঙ্কিংয়ে যথাক্রমে আট, নয় ও দশ নম্বরে রয়েছে বেলজিয়াম (১৭৩৫.৭৫), ইতালি (১৭১৮.৩১) এবং জার্মানি (১৭১৬.৯৮)। সবচেয়ে বড় লাফ দিয়েছে মিয়ানমার, যারা সাত ধাপ এগিয়ে এখন ১৬২ নম্বরে রয়েছে। অন্যদিকে, আফ্রিকার দেশ গিনি বিসাউ আট ধাপ পিছিয়ে এখন ১২৮ নম্বরে অবস্থান করছে।

এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে সেরা অবস্থানে রয়েছে জাপান। ১৬৫২.৬৪ পয়েন্ট নিয়ে দলটি ১৫তম স্থানে রয়েছে, যা এশিয়ার মধ্যে সর্বোচ্চ।

Header Ad
Header Ad

সর্বশেষ সংবাদ

অতিরিক্ত গতি নিয়ন্ত্রণে ঠাকুরগাঁওয়ে প্রশাসন, পুলিশ ও বিআরটিএ'র বিশেষ অভিযান
শুল্ক আরোপের জেরে বিশ্ববাজারে মার্কিন ডলারের দরপতন
ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ে বাংলাদেশের উন্নতি, শীর্ষেই আর্জেন্টিনা
পাহাড়ের প্রধান সমস্যা চাঁদাবাজি: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হলেন বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সমন্বয়ক তানিফা
বিমসটেক সম্মেলনে যোগ দিতে ব্যাংকক পৌঁছালেন প্রধান উপদেষ্টা
বঙ্গোপসাগরে দীর্ঘতম উপকূলরেখা ভারতের দাবি জয়শঙ্করের
ট্রাম্পের নতুন শুল্ক পরিকল্পনার ঘোষণার পরপরই স্বর্ণের দাম বৃদ্ধি
গাজীপুরে চলন্ত ট্রেনে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, ঢাকা-ময়মনসিংহ রেল যোগাযোগ বন্ধ
সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে ভারতীয় যুবকের মৃত্যু
গাজার অংশবিশেষ দখল করার ঘোষণা ইসরায়েলের
মিঠাপুকুরে শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে কিশোর গ্রেফতার
এসএসসি পরীক্ষা একমাস পেছানোর দাবিতে শিক্ষার্থীদের অসহযোগ আন্দোলনের ডাক
অ্যাটলেটিকোকে হারিয়ে ফাইনালে রিয়ালের মুখোমুখি বার্সেলোনা
বাংলাদেশি পণ্যের ওপর ৩৭ শতাংশ শুল্ক আরোপ করল যুক্তরাষ্ট্র
বিমসটেক সম্মেলনে যোগ দিতে থাইল্যান্ডের উদ্দেশে ঢাকা ছাড়লেন প্রধান উপদেষ্টা
ব্যাংককে হচ্ছে ইউনূস-মোদির বৈঠক
সাতক্ষীরায় মদপানে দুই যুবকের মৃত্যু, হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ৯
ইরানের ড্রোন-ক্ষেপণাস্ত্র নেটওয়ার্কের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা
বিশ্বব্যাপী অপপ্রচার ছড়াচ্ছে আওয়ামী লীগের দোসররা: রিজভী