শুক্রবার, ২২ নভেম্বর ২০২৪ | ৬ অগ্রহায়ণ ১৪৩১
Dhaka Prokash
Header Ad

মালয়েশিয়ার উন্নতি ও প্রবাসী বাংলাদেশিদের অবস্থা

মালয়েশিয়া ২০৩০ সালের মধ্যে উন্নত রাষ্ট্র ঘোষণার লক্ষ্যে এগিয়ে যাচ্ছে। তবে এরই মধ্যে চোখ ধাঁধানো উন্নয়নের অবকাঠামো, সারি সারি বহুতল ভবন, আর নৈসর্গিক সৌন্দর্য যেমন চোখে পড়ে, তেমনি শতভাগ শিক্ষা ও মাথাপিছু জিডিপি ২৭,৩৭০ ডলারে পৌঁছেছে । আর এই লক্ষ্যের দিকে এগিয়ে চলা সহজ ছিল না। ১৯৫৭ সালের ৩১ আগস্ট বৃটেনের কাছ থেকে স্বাধীনতা অর্জন করে মালয়েশিয়া। কিন্তু পরবর্তী কয়েক দশক সে রকম কোন অর্থনৈতিক অগ্রগতি হয়নি। বেশিরভাগ মানুষ ১৯৭০ সালেও দারিদ্রসীমার নিচে ছিল। মূলত ১৯৮১ সাল থেকে ২০০৩ পর্যন্ত এক টানা ২২ বছর প্রধানমন্ত্রী হিসেবে মাহাথির মোহাম্মদের সফল নেতৃত্ব মালয়েশিয়াকে অভাবনীয় উন্নতির পর্যায়ে নিয়ে আসে।

আর এ সময়ে অর্থনৈতিক অগ্রগতির সাথে সাথে সেখানে বাংলাদেশিদের বিচ্ছিন্নভাবে যা্ওয়াও শুরু হয়। তবে এখান থেকে দলবদ্ধভাবে প্রথম ৫’শ জন অভিবাসী শ্রমিক যায় ১৯৮৬ সালের দিকে। তারা সেখানে যায় বৃক্ষরোপন কাজের জন্য । সরকারিভাবে মালয়েশিয়ার সাথে বাংলাদেশী কর্মী নিয়োগের আনুষ্ঠানিক চুক্তি হয় ১৯৯২ সালে। এর পর থেকে নানা টানাপোড়ের মধ্যে বাংলাদেশ থেকে বৈধ-অবৈধভাবে শ্রমিক যা্ওয়া অব্যাহত আছে। নুতন করে চলতি বছরের মধ্যে শ্রমিক পাঠাতে সরকারি পর্যায়ে দুই দেশের মধ্যে চুক্তির প্রক্রিয়া নিয়ে এখন টানাপোড়েন চলছে।

শ্রমিকের বাইরে নানা শ্রেণি পেশার বহু বাংলাদেশি এখন সেখানে অবস্থান করছে। এর মধ্যে সেকেন্ড হোম কর্মসূচির অধীনে যায় অনেকে। ধনী ব্যবসায়ী ও অবৈধ অর্থের মালিকরা এই সুযোগ নেয়।

সম্প্রতি মালয়েশিয়া ভ্রমণে গিয়ে সেখানে অবস্থানরত অনেক বাংলাদেশির সঙ্গে আলাপ হয়। তারা জানায়, মূলত: বাংলাদেশ থেকে বিমানে মাত্র ৪ ঘণ্টার মধ্যে সহজ যাতায়ত, মুসলিম দেশ হওয়া, প্রাইভেট টিউশনির উপর নির্ভরতা ছাড়া ভালো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সন্তানদের লেখা পড়ার সুযোগ থাকায় তারা এখানে এসেছে । এ ছাড়া তুলনামূলকভাবে উন্নত জীবন যাপন হলেও খরচ কিন্তু বাংলাদেশের তুলনায় বেশি নয়। কোনো কোনো ক্ষেত্রে কমই। সর্বপোরি রয়েছে সবার জন্য নিরাপত্তার নিশ্চয়তা। আইন মেনে চলার সংস্কৃতি। ভেজাল খাবার বা ব্যাংকের ঋণ লোপাট সম্ভব নয়। এখানে যে দুর্নীতি একবারে নেই তা নয়। তবে তা আছে সহনীয় মাত্রায়।

এদিকে সেকেন্ড হোম কর্মসূচির অধীনে যারা সেখানে গিয়েছে তারা সন্তানদের লেখাপড়া নিয়ে কিছুটা বিড়ম্বনায় আছে। মালেয়েশিয়ায় বিদেশিদের ক্ষেত্রে ১৮ বছরের বেশি যাদের বয়স তাদেরকে স্টুডেন্ট ভিসায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভর্তি হতে হয়। তাই সন্তানদের এই সেকেন্ড হোম কর্মসূচি ত্যাগ করে আবার স্টুডেন্ট ভিসায় ভর্তি করা নিয়ে দিতে হয় দৌড় ঝাঁপ। আবার এই কর্মসূচির অধীনে ১০ বছর করে ভিসা রিনিউ করার সুযোগ থাকলেও স্থায়ী নাগরিকত্ব দেওয়া হয় না। তা ছাড়া সরাসরি ব্যবসা প্রতিষ্ঠান খুলে ব্যবসা করারও সুযোগ নেই। মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর মত এখানে স্থানীয় কোনো মালয়ীকে ৫১ শতাংশ শেয়ার দিয়ে ব্যবসা করতে হয়। এক্ষেত্রে সব সময় টেনশনে থাকতে হয় কখন না ওই মালয়ী বিগড়ে বসে। আবার আরব নাগরিকদের মত স্থানয়ীদের বিশ্বাস করাও কঠিন। পশ্চিমের কোনো দেশে এত দিন থাকলে সহজে নাগরিকত্ব পাওয়া সম্ভব। তাই অনেকে ভিন্ন চিন্তা করতে বাধ্য হচ্ছে বলেও জানায়। এ কারণে আবার অনেক বাংলাদেশী স্থানীয় মালয়িদের বিয়ে করে সেখানে স্থায়ী হয়ে যাচ্ছে। জোহরবারুতে দেখেছি, অনেক বাংলাদেশি মালয়ী স্ত্রীর নামে জমি লিজ নিয়ে চাষাবাদ করে, দোকান বা রেস্টুরেন্ট দিয়ে ব্যবসা করছে।মালয়েশিয়ায় বিদেশিদের বাড়ি বা ফ্ল্যাট কেনা বেচা নিয়েও বিড়ম্বনা অনেক। বিদেশিরা মূল কুয়ালালামপুরে ১ মিলিয়ন রিঙ্গিত এবং সংলগ্ন সেলাঙ্গুরসহ অভিজাত এলাকায় ২ মিলিয়ন রিঙ্গিতের কমে কোনো বাড়ি বা ফ্ল্যাট কিনতে পারে না। এতে করে তারা বৈষম্যের শিকার হচ্ছে। এখন কোভিডের কারণে অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত অনেকে ফ্ল্যাট বা বাড়ি বিক্রি করতে চেয়ে এই দামে ক্রেতা পাচ্ছে না। তাই তারা কম দামে বিক্রি করতেও বাধ্য হচ্ছে।

এক প্রবাসী বললেন, মালয়েশিয়া সরকার এমন আইন করেছে যাতে বিদেশ থেকে অবাধে বৈধ অবৈধভাবে ডলার ঢুকলে সমস্যা হবে না। কিন্তু ডলার বাইরে সহজে নেওয়া যাবে না। আর অভিভাসন আইনও এমনভাবে করেছে, যাতে ইচ্ছেমত বৈদেশিক মুদ্রা নিয়ে এসে এখানে আনন্দ ফূর্তি করতে আপত্তি নেই। কিন্তু সহজে নাগরিকত্ব দেওয়া যাবে না। অথচ ৩ লাখ ৩০ বর্গকিলোমিটারের এই দেশের ৩ কোটি ২৯ লাখ জনসংখ্যা বেশি নয়। আর এই জনসংখ্যার ৬০ ভাগ মালয়ী, ২৮ ভাগ চীনা, ৮ ভাগ ভারতীয় ও ৪ ভাগ অন্যান্য নৃতাত্ত্বিক গোষ্ঠি। পাসপোর্টেও তাদের জাতিগত পরিচয় উল্লেখ থাকে।

জীবনমানে পশ্চিমাদের সঙ্গে তুলনীয়। রোজার সময় সেখানে দেখেছি হোটেল, রেস্টুরেন্ট দিনের বেলায়ও খোলা। আমাদের দেশের মত পর্দা দেওয়া নেই। চাইনিজ বা অন্যান্য জাতি গোষ্ঠীর লোকজন অবাধে খাওয়া দাওয়া করছে। কোন বাধা নেই। শুধু মুসলমানদের জন্য একটি আইন আছে। তাহলো রোজার সময় মুসলমানরা দিনের বেলায় প্রকাশ্য খাওয়া দাওয়া করতে পারে না। তবে কিনে নিয়ে যেতে পারে। আর তা তারা মেনে চলে। অপরদিকে বোরকা বা হিজাব পরা মালয়ী মহিলাদের সঙ্গে হাফ প্যান্ট, খোলামেলা পোষাকে চাইনিজ মেয়েরা অবাধে মেলামেশা করছে। কোনো সমস্যা নেই।

মালয়েশিয়ার পথে ঘাটে সব জায়গায় বাংলাদেশি শ্রমিকদের চোখ পড়ে। বিশেষ করে পরিচ্ছন্নতার কাজে। বর্তমানে বেশ কয়েক লাখ বৈধ অবৈধ শ্রমিক সেখানে আছে। বাংলাদেশি শ্রমিকদের মাসিক গড় আয় দুই থেকে তিন হাজার রিঙ্গিত। বাংলাদেশি টাকায় ৪০ থেকে ৬০ হাজার টাকা। যারা অবৈধ, তাদের আয় এর থেকে কম। আর সব শ্রমিকরা কোন প্রতিষ্ঠানে ফ্রি থাকা ও খাওয়া, আবার কোনো প্রতিষ্ঠানে শুধু থাকা বা খাওয়া ফ্রি পায়। সে হিসেবে কেউ কেউ তেমন কোনো অর্থই খরচ করে না। সবই দেশে স্বজনদের কাছে পাঠিয়ে দেয়। আর তাদের পাঠানো হাড়ভাঙা পরিশ্রমের রেমিট্যান্সে আমাদের ডলারের মজুদ বা অর্থনীতি ফুলে ফেঁপে উঠে।

ইব্রাহিম আজাদ: লেখক ও সাংবাদিক

 

Header Ad

খালেদা জিয়ার সঙ্গে কুশল বিনিময় করলেন মাহফুজ-আসিফ-নাহিদ

ছবি: সংগৃহীত

বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সঙ্গে দেখা করে কুশল বিনিময় করেছেন উপদেষ্টা মাহফুজ আলম, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া এবং ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি উপদেষ্টা মো. নাহিদ ইসলাম।

বৃহস্পতিবার (২১ নভেম্বর) বিকেলে সেনাকুঞ্জে সশস্ত্র বাহিনী দিবসের অনুষ্ঠানে তাদের এ কুশল বিনিময় হয়।

সেনাকুঞ্জে খালেদা জিয়া পৌঁছালে উপস্থিত সবাই তাকে স্বাগত জানান। অনুষ্ঠানের এক পর্যায়ে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ৩ সমন্বয়ক ও সরকারের উপদেষ্টা তার পাশে এসে দাঁড়ান এবং শারীরিক খোঁজখবর নেন। এ সময় খালেদা জিয়া তাদের অভিনন্দন জানান এবং দেশকে এগিয়ে নিতে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার পরামর্শ দেন।

এ সময় এই ৩ উপদেষ্টা বিএনপি চেয়ারপারসনের কাছে দোয়া চান এবং সরকারের সংস্কার কাজে তার সর্বাত্মক সহযোগিতা চান।

এদিকে সেনাকুঞ্জে গেলে খালেদা জিয়ার সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের স্ত্রী খালেদা জিয়া এখানে এসেছেন। একযুগ তিনি আসার সুযোগ পাননি। আমরা গর্বিত এই সুযোগ দিতে পেরে। দীর্ঘদিনের অসুস্থতা সত্ত্বেও বিশেষ দিনে সবার সঙ্গে শরিক হওয়ার জন্য আপনাকে আবারও ধন্যবাদ। আপনার আশু রোগমুক্তি কামনা করছি।

Header Ad

দেশের বাজারে আবারও বাড়ল স্বর্ণের দাম

ছবি: সংগৃহীত

আবারও স্বর্ণের দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। এবার ভরিতে ১ হাজার ৯৯৪ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৩৯ হাজার ৪৪৩ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। যা আজকেও ছিল এক লাখ ৩৭ হাজার ৪৪৯ টাকা।

বৃহস্পতিবার (২১ নভেম্বর) সন্ধ্যায় এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে বাজুস। শুক্রবার (২২ নভেম্বর) থেকেই নতুন এ দাম কার্যকর হবে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) মূল্য বেড়েছে। ফলে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।

নতুন দাম অনুযায়ী, প্রতি ভরি ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম পড়বে ১ লাখ ৩৯ হাজার ৪৪৩ টাকা। এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৩৩ হাজার ৯৮ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ১৪ হাজার ৮৬ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ৯৩ হাজার ৬৭৪ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বাজুস আরও জানায়, স্বর্ণের বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে আবশ্যিকভাবে সরকার-নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট ও বাজুস-নির্ধারিত ন্যূনতম মজুরি ৬ শতাংশ যুক্ত করতে হবে। তবে গয়নার ডিজাইন ও মানভেদে মজুরির তারতম্য হতে পারে।

স্বর্ণের দাম কমানো হলেও দেশের বাজারে অপরিবর্তিত রয়েছে রুপার দাম। দেশে ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপা বিক্রি হচ্ছে ২ হাজার ৫৭৮ টাকায়। এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ হাজার ৪৪৯ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ হাজার ১১১ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপা বিক্রি হচ্ছে ১ হাজার ৫৮৬ টাকায়।

এর আগে, সবশেষ গত ১৯ নভেম্বর দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম সমন্বয় করেছিল বাজুস। সে সময় টানা চার দফা কমার পর ভরিতে ২ হাজার ৯৪০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৩৭ হাজার ৪৪৯ টাকা নির্ধারণ করেছিল সংগঠনটি।

এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৩১ হাজার ১৯৭ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ১২ হাজার ৪৫৩ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ৯২ হাজার ২৮৬ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল। যা কার্যকর হয়েছে গত ২০ নভেম্বর থেকে।

এ নিয়ে চলতি বছরে এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে ৫১ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছে। যেখানে ৩০ বার দাম বাড়ানো হয়েছে, আর কমানো হয়েছে ২১ বার।

Header Ad

‘দেশের মানুষ এখনো কোনো রাজনৈতিক দলকেই বিশ্বাস করতে পারে না’

ছবি: সংগৃহীত

দেশের জনপ্রিয় নির্মাতা আশফাক নিপুন। কাজের পাশাপাশি সামাজিক মাধ্যমেও বেশ সরব তিনি। কথা বলেন নানা ইস্যু নিয়ে। সেই ধারাবাহিকতায় সরকার পতনের পর অন্তবর্তীকালীন সরকার গঠনেও বিভিন্ন সময় নিজের আকাঙ্ক্ষা, প্রত্যাশার কথা জানিয়েছেন। পাশাপাশি রাজনৈতিক দলগুলোর উদ্দেশ্যেও বিভিন্ন বার্তা দিয়েছেন। এবার এমনি একটি বার্তায় দেশের রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতি জনগনের আস্থার বিষয়ে আক্ষেপ জানালেন এই নির্মাতা।

বুধবার (২০ নভেম্বর) আশফাক নিপুন তার ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে লেখেন, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে সর্বস্তরের ছাত্র এবং সাধারণ মানুষ রাস্তায় নেমে এসেছিল, বাসায় বসে বসে দোয়া করেছিল, যার যা সামর্থ্য দিয়ে সহায়তা করেছিল। কারণ, তারা দেখেছিল লড়াইটা আওয়ামী ফ্যাসিস্ট শাসক বনাম সাধারণ ছাত্র-জনতার। এটাও অস্বীকার করার কোনো উপায় নাই যে এই আন্দোলন বেগবান করতে বিরোধী সকল দলের কর্মীদের ভূমিকা অনস্বীকার্য। তাদের সংগ্রামও গত দেড় দশকের। কিন্তু এটা যদি শুধুমাত্র রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যকার লড়াই হতো তাহলে সাধারণ মানুষ এই লড়াই থেকে দূরে থাকত। সেই প্রমাণ বিগত ১৫ বছরে আছে।

‘দেশের মানুষ এখনো কোনো রাজনৈতিক দলকেই বিশ্বাস করতে পারে না’

কারণ হিসেবে তিনি বলেন, দেশের সাধারণ মানুষ এখনো দেশের কোনো রাজনৈতিক দলকেই পুরোপুরি বিশ্বাস করতে পারে না। এটাই বাস্তবতা। এই বাস্তবতা মেনে সকল রাজনৈতিক দলগুলোর উচিত কীভাবে সাধারণ জনগণের ভেতর নিজের দলের প্রতি আস্থা তৈরি করা যায় সেই বিষয়ে নিরলস কাজ করা। এই আস্থা ক্ষমতায় গিয়ে অর্জন করা সম্ভব না। কারণ, সাধারণ মানুষ আজীবন এস্টাবলিশমেন্টের বিপক্ষে। এই আস্থা অর্জন করতে হয় ক্ষমতা বলয়ের বাইরে থেকেই।

নিপুন আরও লিখেন, অরাজনৈতিক সরকার দিয়ে দীর্ঘদিন দেশ চালানো যেমন কাজের কথা না ঠিক তেমনি রাজনৈতিক সরকার হতে চাওয়া সকল রাজনৈতিক দলগুলোর বোঝা উচিত মুক্তিযুদ্ধের পরে বাংলাদেশের ইতিহাসের সবচেয়ে বড় গণঅভ্যুত্থান সংগঠিত হয়েছে সকল প্রকার পূর্বানুমান (যেমন- বর্ষাকালে আন্দোলন হয় না, নির্বাচনের আগেই কেবল জোরেশোরে আন্দোলন হয়, ঘোষণা দিয়ে বিরোধী সকল পক্ষ আন্দোলনে শামিল না হলে সফল হয় না) অগ্রাহ্য করেই। সেটা সম্ভব হয়েছে সাধারণ মানুষের ন্যায্যতার আকাঙ্ক্ষা থেকেই।

সবশেষ এই নির্মাতা লিখেছেন, ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনা সাধারণ মানুষের এই আকাঙ্ক্ষার দুই পয়সার দাম দেন নাই। সাধারণ মানুষের এই আকাঙ্ক্ষা, ইচ্ছা আর দেশপ্রেমকে পুঁজি করে অরাজনৈতিক এবং রাজনৈতিক যারাই রাজনীতি রাজনীতি খেলতে চাইবে, তাদের দশাও কোন একসময় যেন পলাতক শেখ হাসিনার মতো না হয়, সেই বিষয় নিশ্চিত করতে হবে তাদেরকেই।

Header Ad

সর্বশেষ সংবাদ

খালেদা জিয়ার সঙ্গে কুশল বিনিময় করলেন মাহফুজ-আসিফ-নাহিদ
দেশের বাজারে আবারও বাড়ল স্বর্ণের দাম
‘দেশের মানুষ এখনো কোনো রাজনৈতিক দলকেই বিশ্বাস করতে পারে না’
‘বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে সশস্ত্র বাহিনীর অবদান চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে’: প্রধান উপদেষ্টা
নওগাঁ শহরে শৃঙ্খলা ফেরাতে বিশেষ অভিযান শুরু
২০২৬ সালের মাঝামাঝিতে নির্বাচন হতে পারে: উপদেষ্টা সাখাওয়াত
সেনাকুঞ্জে প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে খালেদা জিয়ার শুভেচ্ছা বিনিময়
বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে আহত ৫ জনকে রোবটিক হাত উপহার
সেনাকুঞ্জের পথে খালেদা জিয়া
সুযোগ পেলে শেখ হাসিনার পক্ষে মামলায় লড়ব: জেড আই খান পান্না
নির্বাচন কমিশন গঠন, সিইসি হলেন অবসরপ্রাপ্ত সচিব নাসির উদ্দীন
ডিএনএ টেস্টের ফলাফল: ভিনিসিয়ুসের পূর্বপুরুষ ছিলেন ক্যামেরুনের
জামিন পেলেন সাংবাদিক শফিক রেহমান
বিএনপি ছেড়ে আওয়ামী লীগে আসা সেই শাহজাহান ওমর গ্রেপ্তার
মিরপুর ও মহাখালীতে অটোরিকশা চালকদের সেনাবাহিনীর ধাওয়া
‘শেখ হাসিনা এখনও বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী’, এমন কথা বলেননি ট্রাম্প
লেবাননে ৮ শতাধিক ইসরায়েলি সেনা নিহত
ভারতে সাজাভোগ শেষে দেশে ফিরল ২৪ বাংলাদেশি কিশোর-কিশোরী
ঢাকার বিভিন্ন পয়েন্টে অবরোধ করে ব্যাটারিচালিত রিকশাচালকদের বিক্ষোভ
গাজায় ইসরায়েলের হামলায় আরও ৮৮ ফিলিস্তিনি নিহত