শুক্রবার, ৪ এপ্রিল ২০২৫ | ২১ চৈত্র ১৪৩১
Dhaka Prokash

ধারাবাহিক উপন্যাস: পর্ব ৮

শরণার্থীর সুবর্ণরেখা

সবাই মিলে ভদ্রা নদীর দিকে তাকিয়ে থাকে। তিনটি গানবোট নিয়ে পাকিস্তান আর্মির সেনারা যাচ্ছে। হরেন্দ্রনাথের মনে হয় তারা জায়গা জরিপ করছে। এরপরে আক্রমণ করবে। এমন একটি ধারণা নিয়ে হরেন্দ্রনাথ সবাইকে নিয়ে ঘরে যায়। ছেলেদের বলে, তোরা আর কখনো এদিক-ওদিক যাবি না। ওই যে নৌকা দেখেছিস ওর মধ্যে মিলিটারি আছে, বন্দুক আছে। মানুষকে গুলি করে মেরে ফেলবে ওরা।

–কেন? কেন মেরে ফেলবে বাবা? তাহলে আমরা এখন থেকে আর নদীর ধারের দিকে যাবনা। নৌকাতো নদী দিয়ে আসবে।

–ওটা নৌকা না। ওটাকে গানবোট বলা হয়।

–গানবোট? আচ্ছা আমরা মনে রাখব। এখন থেকে গানবোট বলব।

–ঠিক আছে। এটাও একটা শেখা তোদের।

–দিদি আমাদের শেখা হলো না কেন?

–ওরে আমিও জানতামনা। বাবার কাছ থেকে শিখেছি।

–আমরা এখন কি করব?

–চল, রান্নাঘরে যাই আমরা। মায়ের কাছে বসি।

চারজন রান্নাঘরে ঢুকে পিঁড়ি টেনে বসে পড়ে। মায়ারাণী জিজ্ঞেস করে, কিছু খাবি তোরা?

–হ্যাঁ, মা খাব।

–পিঠা ভেজেছি। নে, পিঠা খা।

মায়ারাণী ওদের দিকে ভাজা পিঠার বাটি এগিয়ে দেয়। বীথিকা বাটি হাতে নিয়ে বলে, বাবাকেও ডাকি। বাবাও পিঠা খাবে।

–এখানে ডাকতে হবে না। এখানে বসার জায়গা নাই। তোরা বারান্দায় যা।

–তুমিও চলো মা। আমরা সবাই মিলে খাব। খুব মজা হবে।

–হ্যাঁ, ঠিক, ঠিক।

বলতে বলতে বাটি থেকে একটা পিঠা তুলে একলাফে রান্নাঘর থেকে নেমে যায় নিরঞ্জন। কৃষ্ণপদ আর অমলও তাই করে। তিন ভাই দৌড়ে গিয়ে বারান্দায় বসে। হরেন্দ্রনাথকে ডাকে।

–বাবা, বাবা আমাদের সঙ্গে বসতে আস। আমরা এখন পিঠা খাব। মায়ের বানানো পিঠা আমাদের মন জুড়িয়ে দেয়।

হরেন্দ্রনাথ বারান্দায় এসে বসে।

–কি রে ময়নারা তোরা পিঠা খাওয়ার জন্য।

–পাগল হয়ে গেছি। সবাই মিলে না খেলে মজা লাগেনা। মা আসবে, দিদি আসবে। ততক্ষণে ওরা দেখতে পায় মায়ারাণী আর বীথিকা থালাভর্তি পিঠা নিয়ে আসছে। ছেলেদের সামনে রাখলে ওরা খেতে শুরু করে।

–মজা, মজা। মায়ের আশীর্বাদ। নিরঞ্জন বাবার মুখের কাছে একটি পিঠা ধরে বলে, খাও বাবা। আমার হাতে খাও।

কৃষ্ণপদ মায়ের মুখে দেয়। অমল দেয় বীথিকাকে। ওদের হাত থেকে পিঠা খেয়ে বীথিকা বলে, এবার আমি সবাইকে খাওয়াব। কেউ নিজের হাতে পিঠা তুলবে না।

বীথিকা সবাইকে পিঠা খাইয়ে দিয়ে ভাইদের বলে, চল আমরা বাইরে থেকে হেঁটে আসি।

তিন ভাইকে নিয়ে বেরিয়ে গেলে হরেন্দ্রনাথ চিন্তিত দৃষ্টিতে মায়ারাণীর দিকে তাকায়। মায়ারাণী অবাক হয়ে বলে, তুমি কি ভাবছ গো?

–অবস্থা খুব খারাপের দিকে যাচ্ছে। মিলিটারি গানবোট নিয়ে ঢুকেছে আমাদের এলাকায়। নদীতে ঘোরাঘুরি করে চলে গেছে। কবে আক্রমণ করতে আসবে কে জানে?

–তাহলে আমরা ভারতে যাওয়ার জন্য গুছিয়ে ফেলি। আমরা দুজনে মরে গেলে যাব, কিন্তু ছেলেমেয়েদের মৃত্যু দেখতে পারবনা।

–মায়ারাণী তুমি অনেক বড় কথা বলেছ। চল আমরা শরণার্থী হবো।

বীথিকা আর তিন ছেলে দৌড়ে ঘরে ঢুকে বলতে থাকে, মিলিটারি ঢুকেনি, কিন্তু ঘরে ঘরে আগুন লাগাচ্ছে গ্রামের মানুষেরা। দাউদাউ আগুন জ্বলছে চারদিকে। মাগো কেউ কেউ বলছে, যারা আগুন দিচ্ছে এরা সবাই পাকিস্তানিদের দালাল। ঘরে আগুন দেয়ার আগে ওরা ঘরের জিনিসপত্র লুটপাট করে।

–আমরা কালকেই ভারতে চলে যাব।

হরেন্দ্রনাথ সায় দিয়ে বলে, আমিও তাই চিন্তা করেছি। এখন যাই, একটা নৌকা ঠিক করে আসি। তোমরা খাবারদাবার আর কাপড়-চোপড় গুছিয়ে নাও।

–বাবা, আমরা তোমার সঙ্গে যাব।

–আয়, আমার হাত ধর। এদিক-ওদিক দৌড়াবিনা তোরা।

–না, আমরা দৌড়াবনা বাবা। তোমার হাত ধরেই থাকব। তোমার হাত আমাদের শক্তি।

তিন ভাই একসঙ্গে কথা বলে। খলখলিয়ে হাসে। হাসতে হাসতে ঘাসের ওপর পা দাপায়। হরেন্দ্রনাথ ওদের উচ্ছ্বাস দেখে বেশ আনন্দ পায়। দেশ ছেড়ে ভারতে যেতে হচ্ছে এই চিন্তায় তার মন খারাপ ছিল। ছেলেদের হাসিতে মন ভালো হয়ে যায়।

নদীর ঘাটে দাড়িয়ে একজন মাঝির সঙ্গে কথা হয় হরেন্দ্রনাথের। অজয় মাঝি জিজ্ঞেস করে, কতদূর যাবেন কাকু?

–ভারতে যাব। আমাদের এখানে ঘরবাড়ি জ্বালাও-পোড়াও শুরু হয়েছে।

–হ্যাঁ, চলে যান। দেশ স্বাধীন হলে ফিরবেন। আমি আপনাদের নিয়ে যাব। আপনাদের চারটা নদী পার হতে হবে–ভদ্রা, শিবসা, ইছামতি, বুড়িগোয়ালিনী।

–হ্যাঁ, আমিও জানি চারটা নদী পার হতে হবে।

–কখন রওনা করবেন?

–কালকে সকালে। তুমি এখানে থাকবে। আমরা এখানে আসব।

–আচ্ছা, ঠিক আছে। অজয় মাথা নেড়ে বলে, আমার ভাড়াটা ঠিকমতো দিবেন। আমিতো নৌকার ভাড়া দিয়ে ভাত খাই।

–হ্যাঁ, হ্যাঁ পাবে। ভেবো না। আমি তোমার ভাড়া আলাদা করে রাখব। ভাড়া নিয়ে একটুও চিন্তা করবে না।

–আচ্ছা। আমি সকালে এখানে এসে বসে থাকব।

তিন ছেলে লাফ দিয়ে নৌকায় উঠে বলে, আমাদেরকে একটু ঘুরিয়ে দেন। বাবা টাকা দিয়ে দিবে। অমল বাবার হাত টেনে ধরে বলে, বাবা তুমিও চল।

হরেন্দ্রনাথ ছেলেদের নিয়ে উঠে বসে। ওদের ইচ্ছাপূরণ করতে ভালোবাসে সে। কখনো ছেলেমেয়েদের বিরূপ করেনা। অজয়কে বলে, অল্প একটু ঘুরে তুমি ঘাটে লাগাও।

অজয় এপাশে-ওপাশে চক্কর দিয়ে ঘাটে চলে আসে। তিন ছেলে নৌকা থেকে লাফ দিয়ে নেমে দৌড়াতে শুরু করে। হরেন্দ্রনাথ ওকে পাঁচ টাকা দিয়ে নেমে যায়। ছেলেরা পেছন ফিরে যখন দেখে বাবা অনেকদূরে ওরা আবার দৌড়াতে দৌড়াতে এসে বাবার হাত ধরে।

বাড়ি ফিরে দেখতে পায় মা-মেয়ে কাপড় গুছিয়ে নিয়ে পোটলা বানিয়েছে। পাশে আর একটি পোটলা রাখা আছে। হরেন্দ্রনাথ জিজ্ঞেস করে, এটার মধ্যে কি নিয়েছ?

–শুকনা খাবার। চিড়া-গুড়-মুড়ি এইসব।

–এইরকম আরও দুইটা পোটলা বানাও। আমাদেরতো চার নদী পার হয়ে যেতে হবে। সময় লাগবে। ছেলেরা যেন খিদায় কাঁদে না।

–ঘরে যা ছিল তাই পোটলা বেঁধেছি। তুমি আরও কিছু কিনে আন।

–সন্ধ্যা হয়ে আসছে। এখনই যাই।

(চলবে)

এসএ/

শরণার্থীর সুবর্ণরেখা: পর্ব ৭

শরণার্থীর সুবর্ণরেখা: পর্ব ৬

শরণার্থীর সুবর্ণরেখা: পর্ব ৫

শরণার্থীর সুবর্ণরেখা: পর্ব ৪

শরণার্থীর সুবর্ণরেখা: পর্ব ৩

শরণার্থীর সুবর্ণরেখা: পর্ব ২

শরণার্থীর সুবর্ণরেখা: পর্ব ১

 

Header Ad
Header Ad

রাজধানীতে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার ধাক্কায় প্রাণ গেলো নারীর

প্রতীকী ছবি

রাজধানীর মুগদা মানিকনগর এলাকায় রাস্তা পারাপারের সময় অটোরিকশার ধাক্কায় সুমি আক্তার (২৫) নামে এক গৃহবধূর মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৩ এপ্রিল) দিবাগত রাত সাড়ে ৯টার দিকে মুগদা মানিকনগর ওয়াসা রোডে এই দুর্ঘটনা ঘটে।

গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক রাত সোয়া ১টার দিকে মৃত ঘোষণা করেন।

ওই নারীকে হাসপাতালে নিয়ে আসা প্রতিবেশী মেজবা বলেন, সুমি বিভিন্ন বাসায় টিউশনি করাতেন। গতরাত সাড়ে ৯টার দিকে মানিকনগর ওয়াসা রোড এলাকায় রাস্তা পারাপারের সময় দ্রুতগামী একটি ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা ধাক্কা দেয় তাকে।এতে গুরুতর আহত হলে প্রথমে তাকে উদ্ধার করে মুগদা হাসপাতালে নেওয়া হয়। অবস্থার অবনতি হলে পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেলে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

তিনি আরও বলেন, তার বাসা মানিকনগর ওয়াসা রোড এলাকায়। বাসা নম্বর ৯৮/সি/১। বাবার নাম সাজু মিয়া। স্বামী মাহফুজুর রহমানের সঙ্গে থাকতেন তিনি।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ ফারুক মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, মরদেহ মর্গে রাখা হয়েছে। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট থানায় জানানো হয়েছে।

Header Ad
Header Ad

ঈদের ছুটিতে কক্সবাজারে পর্যটকের ঢল, হোটেলে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগ

ঈদের ছুটিতে কক্সবাজারে পর্যটকের ঢল। ছবি: সংগৃহীত

ঈদুল ফিতরের ছুটিতে কক্সবাজারে পর্যটকদের ব্যাপক আগমন ঘটেছে। বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্রসৈকত কক্সবাজারে সকাল থেকে পর্যটকদের ভিড় লক্ষ্য করা গেছে, আর বিশেষ করে সমুদ্রসৈকত এবং জনপ্রিয় বিনোদনকেন্দ্রগুলো ছিল পূর্ণ। ৯ দিনের ঈদের ছুটিতে বেড়াতে আসা পর্যটকদের সংখ্যা বিপুল পরিমাণে বাড়ায়, কক্সবাজারে পর্যটকদের ভিড় ১০ তারিখ পর্যন্ত থাকার সম্ভাবনা রয়েছে, বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

এদিকে পর্যটকদের এই ব্যাপক আগমনকে কাজে লাগিয়ে কিছু মৌসুমী ব্যবসায়ী, মধ্যস্বত্বভোগী এবং অনুমোদনহীন প্রতিষ্ঠানগুলো পর্যটকদের কাছ থেকে অতিরিক্ত অর্থ আদায় করছে। হোটেল, গেস্ট হাউস, রেস্তরাঁ এবং যানবাহনের খরচ বেড়ে যাওয়ার অভিযোগের শিকার হচ্ছেন পর্যটকরা।

ঢাকা থেকে কক্সবাজারে আসা শাহাদাত হোসেন জানান, তিনি কলাতলীর সী মুন হোটেলে নন এসি রুমের জন্য প্রতি রাতের ৬ হাজার টাকা ভাড়া চাওয়ার অভিযোগ করেন। একইভাবে, সুগন্ধা পয়েন্টের লাইট হাউস কটেজে এক রাতের জন্য ৭ হাজার টাকা দাবি করা হয়েছে, যা রুমের মানের তুলনায় অস্বাভাবিক মনে হয়েছে সাবিনা আক্তারের কাছে।

এছাড়া রাজশাহী থেকে আসা সোলেমান জানান, বাস থেকে নামার পর এক অটোচালক তাকে এক হোটেলে নিয়ে যায়, যেখানে এসি রুমের ভাড়া ৮ হাজার টাকা চাওয়া হয়। তবে, তিনি সাড়ে ৬ হাজার টাকায় রুমটি নিতে রাজি হন।

এ বিষয়ে মেরিন ড্রাইভ হোটেল-রেস্তোরাঁ মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মুকিম খান বলেন, ঈদের ছুটিতে কক্সবাজারে বিপুল সংখ্যক পর্যটক আসায় এই সুযোগে কিছু মৌসুমী ব্যবসায়ী এবং অনুমোদনহীন প্রতিষ্ঠান অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করছে। তিনি জানান, বিষয়টি জেলা প্রশাসককে অবহিত করা হয়েছে এবং এ নিয়ে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে।

টুরিস্ট পুলিশের অতিরিক্ত ডিআইজি আপেল মাহমুদ বলেন, পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশ নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। পর্যটক হয়রানির অভিযোগ পাওয়া গেলে দ্রুত অভিযান চালানো হচ্ছে এবং হেল্প ডেস্কে অভিযোগ জানালে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Header Ad
Header Ad

ব্যাংককে ড. মুহাম্মদ ইউনূস-নরেন্দ্র মোদির বৈঠক আজ

ড. মুহাম্মদ ইউনূস ও নরেন্দ্র মোদি। ছবি: সংগৃহীত

ব্যাংককে বিমসটেক সম্মেলনের সাইডলাইনে বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির মধ্যে শুক্রবার (৪ এপ্রিল) দ্বিপাক্ষিক বৈঠক হবে।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রথমবারের মতো অধ্যাপক ইউনূসের সঙ্গে নরেন্দ্র মোদির বৈঠক হতে চলেছে।

প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম বলেন, বাংলাদেশ ও ভারত দুই দেশের সরকার প্রধানের মধ্যে শুক্রবার বৈঠক হবে।

তিনি জানান, ব্যাংককে বৃহস্পতিবার (৩ এপ্রিল)  বিমসটেক সম্মেলনের নৈশভোজে দুই নেতার সাক্ষাৎ হয় এবং তারা কুশলাদি বিনিময় করেন। নৈশভোজে উভয় নেতাকে বেশকিছু সময় ধরে ঘনিষ্ঠভাবে কথা বলতে দেখা গেছে।

বঙ্গোপসাগরীয় দেশগুলোর আঞ্চলিক সহযোগিতা জোটের (বিমসটেক) শীর্ষ সম্মেলন উপলক্ষ্যে অধ্যাপক ইউনূস ও নরেন্দ্র মোদি বর্তমানে ব্যাংককে অবস্থান করছেন।

ব্যাংককে ২ এপ্রিল বিমসটেক সম্মেলন শুরু হয়েছে, যা শেষ হবে ৪ এপ্রিল।

Header Ad
Header Ad

সর্বশেষ সংবাদ

রাজধানীতে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার ধাক্কায় প্রাণ গেলো নারীর
ঈদের ছুটিতে কক্সবাজারে পর্যটকের ঢল, হোটেলে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগ
ব্যাংককে ড. মুহাম্মদ ইউনূস-নরেন্দ্র মোদির বৈঠক আজ
রাশিয়ার হয়ে ইউক্রেন যুদ্ধে অংশ নেওয়া ময়মনসিংহের ইয়াসিন নিহত
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে শুল্ক ইস্যুর ইতিবাচক সমাধান হবে: প্রধান উপদেষ্টা
অতিরিক্ত গতি নিয়ন্ত্রণে ঠাকুরগাঁওয়ে প্রশাসন, পুলিশ ও বিআরটিএ'র বিশেষ অভিযান
শুল্ক আরোপের জেরে বিশ্ববাজারে মার্কিন ডলারের দরপতন
ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ে বাংলাদেশের উন্নতি, শীর্ষেই আর্জেন্টিনা
পাহাড়ের প্রধান সমস্যা চাঁদাবাজি: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হলেন বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সমন্বয়ক তানিফা
বিমসটেক সম্মেলনে যোগ দিতে ব্যাংকক পৌঁছালেন প্রধান উপদেষ্টা
বঙ্গোপসাগরে দীর্ঘতম উপকূলরেখা ভারতের দাবি জয়শঙ্করের
ট্রাম্পের নতুন শুল্ক পরিকল্পনার ঘোষণার পরপরই স্বর্ণের দাম বৃদ্ধি
গাজীপুরে চলন্ত ট্রেনে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, ঢাকা-ময়মনসিংহ রেল যোগাযোগ বন্ধ
সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে ভারতীয় যুবকের মৃত্যু
গাজার অংশবিশেষ দখল করার ঘোষণা ইসরায়েলের
মিঠাপুকুরে শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে কিশোর গ্রেফতার
এসএসসি পরীক্ষা একমাস পেছানোর দাবিতে শিক্ষার্থীদের অসহযোগ আন্দোলনের ডাক
অ্যাটলেটিকোকে হারিয়ে ফাইনালে রিয়ালের মুখোমুখি বার্সেলোনা
বাংলাদেশি পণ্যের ওপর ৩৭ শতাংশ শুল্ক আরোপ করল যুক্তরাষ্ট্র