শুক্রবার, ৪ এপ্রিল ২০২৫ | ২১ চৈত্র ১৪৩১
Dhaka Prokash

ধারাবাহিক উপন্যাস: পর্ব-১৯

শরণার্থীর সুবর্ণরেখা

ওরা চলে গেলে ও হাতে ধরা কেক আর শিঙাড়ার পোঁটলা টেবিলের ওপর রেখে কমনরুমের চারপাশে ঘুরে বেড়ায়। কী ভালো লাগছে হাঁটতে। এমন একটি সুন্দর ঘর ও দেখেনি। মাঝে মাঝে ছোট ছোট পা ফেলে দৌড়ায়। কখনো দু’হাত উপরে তুলে নাচতে নাচতে হাঁটে। কখনো চেয়ারে উঠে ধপ করে লাফ দেয়। সময়ের এমন বৈচিত্র্যময় আবেগ ওর শিশু বয়সকে তাড়িত করে। স্মৃতির সঞ্চয়ে চলে যায় দিনের সবটুকু সময়।

একটু পরে ফিরে আসে অঞ্জন।

–কী করছিস রে কুকড়ি?

–খেলছি।

–কী খেলা?

–এমন সুন্দর ঘরের সঙ্গে খেলা। হেঁটেছি, দৌড় দিয়েছি, নাচ করেছি, লাফ দিয়েছি–

–বাহ, দারুণ মেয়ে।

ও আবার দু’হাত উপরে তুলে লাফাতে থাকে। অঞ্জন ওর দিকে তাকিয়ে থাকে। এমন একটি শিশুকে কাছ থেকে দেখা ওর হয়নি। ও কিছু বলে না। চুপচাপ দাঁড়িয়ে থাকে। মনে হয় ওর যতক্ষণ ইচ্ছা লাফালাফি করুক। এটা ওর আনন্দ। বস্তিতে থেকে খেয়ে-না খেয়ে এই আনন্দ ও পায়নি। তখনই ভাবে ওকে বাড়িতে নিয়ে যাবে। যতদিন ওর মা হাসপাতালে থাকবে ততদিন নিজের বাড়িতে মেয়েটিকে রেখে দেওয়ার জন্য বাবা-মাকে রাজি করাবে। মনে মনে ভাবে, বাড়িতে তো আর কোনো শিশু নেই। বাবা-মা ঠিকই রাজি হবে। তারাও শিশুর কাছ থেকে পাওয়া আনন্দ উপভোগ করবে। এটা নিয়ে ওর আর দ্বিধা নেই।

কুকড়ি একসময় লাফালাফি থামিয়ে অঞ্জনকে দু’হাতে জড়িয়ে ধরে। বলে, ভাইয়া আমি এখন কী করব?

–তোকে আমার বাড়িতে নিয়ে যাব।

–আমি কি তোমার বাড়িতে কয়দিন থাকব?

–হ্যাঁ, তোর মা যতদিন হাসপাতালে থাকবে সেই কয়দিন।

–আমি মায়ের কাছে যেতে চাই। মাকে কেক আর সিঙাড়া দেব। আমার মায়ের জন্য আপুরা আমাকে দিয়েছে। আমি খুশি, খুশি।

– চল যাই, হাসপাতালে।

কুকড়ি একছুটে বাইরে চলে যায়। গেটের সামনে গিয়ে দাঁড়ায়। অঞ্জন কাছে গেলে হাত ধরে। দু’জনে হেঁটে চলে আসে হাসপাতালে। ওয়ার্ডে ঢুকে বিছানার কাছে গেলে দেখতে পায় হালিমা খাতুন ঘুমাচ্ছেন। কুকড়ি খাটের ওপর উঠে মায়ের বালিশে মাথা রেখে গলা জড়িয়ে ধরে।

– মা, মা–। ডাকতে থাকে।

চোখ খোলেন না হালিমা খাতুন। অঞ্জন ঘাবড়ে যায়। ভাবে, এমন নিঃসাড় ঘুম তো হওয়ার কথা না। মেয়ের ডাকাডাকিতে চোখ খুলছেন না। মনে হচ্ছে ঘুমিয়ে নেই, অজ্ঞান হয়ে গেছেন নাকি? ও ভয়ে আড়ষ্ট হয়ে থাকে। কুকড়ি আরও কিছুক্ষণ ডাকাডাকি করে। একইভাবে বিছানায় পড়ে থাকেন হালিমা খাতুন।
কুকড়ি কাঁদতে শুরু করে। খাট থেকে নেমে বলে, মায়ের কী হয়েছে ভাইয়া?

– জানি না তো। চল, ওনাদের জিজ্ঞেস করি। অঞ্জন নার্সদের টেবিলের কাছে গিয়ে দাঁড়ায়। নার্স সবিতা বলে, দেখলাম আপনি পাঁচ নম্বর বেডের কাছ থেকে এসেছেন। মহিলা বেশ কিছুক্ষণ ধরে অজ্ঞান হয়ে আছেন। আমরা ডাক্তারকে খবর দিয়েছি। উনি এখনই এসে যাবেন। আপনারা চলে যান।

কুকড়ি কাঁদতে কাঁদতে বলে, আমি মায়ের জন্য কেক আর সিঙাড়া এনেছি।

– তোমার মা এসব খেতে পারবেন না। তুমি নিয়ে যাও। খেয়ে ফেলো।

– মা কবে ভালো হবে?

– হয়ে যাবেন। এখন বাড়ি যাও।

– আমার তো বাড়ি নাই। আমি বস্তিতে থাকি। ভাইয়া আমাকে তার বাড়িতে নিয়ে যাবে।
অঞ্জন সবিতাকে বলে, যাই সিস্টার। খোদা হাফেজ।

– মেয়েটিকে কোথায় পেলেন?

– শহীদ মিনারের কাছে। মা অসুস্থ দেখে ভর্তি করে দিলাম।

– মেয়েটিকে কি এতিমখানায় রাখবেন?

– না, বাড়িতে রাখব। বাবা-মাও রাখতে চাইবেন আমি জানি। স্কুলে ভর্তি করে দেব।

– বাব্বা, আপনি তো একজন মানবিক মানুষ। অনেক বড় দায়িত্ব নিচ্ছেন।

– এই দায়িত্ব পালন করার সাধ্য আমার আছে। তাহলে ওকে পথশিশু বানাব কেন? সবাই মিলে এমন দায়িত্ব নিলে পথশিশু থাকবে না রাস্তায়।

– ঠিক বলেছেন।

অঞ্জন আর কথা বাড়ায় না। কপালে হাত ঠেকিয়ে সবিতাকে সালাম দিয়ে বেরিয়ে আসে।

সিঁড়ির কাছে দাঁড়িয়ে কুকড়ি জিজ্ঞেস করে, আমার মা কি মরে গেছে?

– বাজে কথা বলছিস কেন?

– তাহলে মা আমার দিকে তাকায়নি যে। আদর করেনি যে।

– মা অজ্ঞান হয়ে আছে।

– অজ্ঞান কী?

– অসুখ। চোখ খুলতে না পারার অসুখ।

– ও আচ্ছা।

কুকড়ি লাফিয়ে লাফিয়ে দোতলার সিঁড়ি দিয়ে নেমে যায়। গেটের কাছে একজন বৃদ্ধ ভিক্ষুককে দেখে হাতের পোটলাটা এগিয়ে দিয়ে বলে, দাদু এটা খান।

– কী রে এখানে?

– কেক আর সিঙাড়া।

– দে-দে।

বৃদ্ধ হাত বাড়িয়ে খাবারের পোটলাটা নেয়।

– তোকে অনেক দোয়া করি দাদু।

– হ্যাঁ, আমাকে অনেক দোয়া করবেন। আমি যাই।

অঞ্জন মেয়েটির আচরণে বিস্মিত হয়। এইটুকু মেয়ে এতকিছু ভাবতে পারে তাহলে নিঃসন্দেহে ও একটি মেধাবী মেয়ে। পড়ালেখা করালে ভালোভাবে এগোতে পারবে। কুকড়ি এসে ওর হাত ধরে।

– চল যাই।

চলবে....

এসএ/

শরণার্থীর সুবর্ণরেখা: পর্ব ১৮

শরণার্থীর সুবর্ণরেখা: পর্ব ১৭

শরণার্থীর সুবর্ণরেখা: পর্ব ১৬

শরণার্থীর সুবর্ণরেখা: পর্ব ১৫

শরণার্থীর সুবর্ণরেখা: পর্ব ১৪

শরণার্থীর সুবর্ণরেখা: পর্ব ১৩

শরণার্থীর সুবর্ণরেখা: পর্ব ১২

শরণার্থীর সুবর্ণরেখা: পর্ব ১১

শরণার্থীর সুবর্ণরেখা: পর্ব ১০

শরণার্থীর সুবর্ণরেখা: পর্ব ৯

শরণার্থীর সুবর্ণরেখা: পর্ব ৮

শরণার্থীর সুবর্ণরেখা: পর্ব ৭

শরণার্থীর সুবর্ণরেখা: পর্ব ৬

শরণার্থীর সুবর্ণরেখা: পর্ব ৫

শরণার্থীর সুবর্ণরেখা: পর্ব ৪

শরণার্থীর সুবর্ণরেখা: পর্ব ৩

শরণার্থীর সুবর্ণরেখা: পর্ব ২

শরণার্থীর সুবর্ণরেখা: পর্ব ১

Header Ad
Header Ad

চিকেনস নেকে ভারী যুদ্ধাস্ত্র মোতায়েন করল ভারত

ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশ ও চীনকে পৃথক করেছে ভারতের কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ শিলিগুড়ি করিডোর, যা ‘চিকেনস নেক’ নামে পরিচিত। করিডোরের এক পাশে ভারতের মূল ভূখণ্ড থাকলেও অপর পাশে রয়েছে সাতটি রাজ্য, যেগুলোর সঙ্গে কোনো সমুদ্রবন্দর নেই। ফলে এই অঞ্চলের বাণিজ্য ও নিরাপত্তা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই উদ্বেগ রয়েছে ভারতের।

সম্প্রতি (২৮ মার্চ) বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস তার প্রথম চীন সফরের সময় ‘সেভেন সিস্টার্স’ অঞ্চল নিয়ে মন্তব্য করেন। এতে ভারতের উদ্বেগ বহুগুণে বেড়ে যায়। এরই পরিপ্রেক্ষিতে শিলিগুড়ি করিডোরে ভারী যুদ্ধাস্ত্র ও সেনা মোতায়েন করেছে ভারত। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডে বৃহস্পতিবার (৩ এপ্রিল) এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে।

ভারতীয় সেনাবাহিনী শিলিগুড়ি করিডোরকে তাদের সবচেয়ে শক্তিশালী প্রতিরক্ষা লাইন হিসেবে উল্লেখ করেছে। দেশটির সামরিক বাহিনী সেখানে রাফায়েল যুদ্ধবিমান, ব্রহ্মোস সুপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র, এস-৪০০ এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম এবং টি-৯০ ট্যাংক মোতায়েন করেছে। পাশাপাশি করিডোরের নিরাপত্তা বাড়াতে নিয়মিত সামরিক মহড়ার আয়োজন করছে।

পশ্চিমবঙ্গের এই সরু করিডোরের কৌশলগত গুরুত্ব বিবেচনায় ভারত সেখানে বহুমুখী প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা জোরদার করেছে। এতে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে উন্নত সামরিক সরঞ্জাম, বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এবং নিয়মিত সামরিক প্রশিক্ষণ। এরই মধ্যে ভারতীয় সেনাপ্রধান করিডোরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা পর্যালোচনা করেছেন এবং কৌশলগত প্রস্তুতি জোরদারের নির্দেশ দিয়েছেন।

ভারতের প্রতিরক্ষা বিশ্লেষকদের মতে, বাংলাদেশের সঙ্গে চীনের ক্রমবর্ধমান সম্পর্ক ও সাম্প্রতিক ভূ-রাজনৈতিক পরিবর্তনের কারণে শিলিগুড়ি করিডোরের নিরাপত্তা আরও জোরদার করতে চাইছে ভারত। এরই অংশ হিসেবে দেশটি করিডোর অঞ্চলে সামরিক উপস্থিতি বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

Header Ad
Header Ad

চিত্রনায়িকা পরীমণির বিরুদ্ধে গৃহকর্মীর জিডি

চিত্রনায়িকা পরীমণি। ছবি: সংগৃহীত

চিত্রনায়িকা পরীমণির বিরুদ্ধে গৃহকর্মীকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে। ঢাকার ভাটারা থানায় গৃহকর্মী পিংকি আক্তার এই অভিযোগে একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন।

বৃহস্পতিবার (৩ এপ্রিল) পিংকি আক্তার এ জিডি করেন। অভিযোগে বলা হয়েছে, পরীমণির এক বছরের মেয়ে সন্তানকে খাবার খাওয়ানো নিয়ে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে গৃহকর্মীকে মারধর করা হয়।

 

ছবি: সংগৃহীত

ভাটারা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মাজহারুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, চিত্রনায়িকা পরীমণির বিরুদ্ধে নির্যাতনের অভিযোগে গৃহকর্মী থানায় জিডি করেছেন। পুলিশ ঘটনাটি তদন্ত করে দেখছে।

Header Ad
Header Ad

পেঙ্গুইন ও পাখিদের উপরেও ট্রাম্পের শুল্ক আরোপ!

ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের শুল্ক নীতির বিস্তৃতি এতদূর গিয়েছে যে, জনমানবহীন দ্বীপপুঞ্জও এর আওতায় এসেছে। ভারত মহাসাগরে অবস্থিত অ্যান্টার্কটিকার জনশূন্য হার্ড ও ম্যাকডোনাল্ড দ্বীপপুঞ্জের ওপরও যুক্তরাষ্ট্র শুল্ক আরোপ করেছে।

এই দ্বীপপুঞ্জে মানুষের কোনো বসবাস নেই, সেখানে শুধু পেঙ্গুইন, সিল এবং পরিযায়ী পাখিরা বসবাস করে। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য নীতির অংশ হিসেবে এই দ্বীপপুঞ্জের ওপরও ১০ শতাংশ শুল্ক বসানো হয়েছে। এর পাল্টা হিসেবে দ্বীপগুলোও যুক্তরাষ্ট্রের পণ্যে একই হারে শুল্ক আরোপ করেছে!

অস্ট্রেলিয়ার সরকারের ওয়েবসাইটের তথ্য অনুযায়ী, হার্ড ও ম্যাকডোনাল্ড দ্বীপ বিশ্বের অন্যতম প্রত্যন্ত ও দূরবর্তী জনশূন্য অঞ্চল। আবহাওয়া পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করে অস্ট্রেলিয়ার পশ্চিমাঞ্চলের ফ্রেম্যান্টল বন্দর থেকে সেখানে পৌঁছাতে জাহাজে কমপক্ষে ১০ দিন সময় লাগে। দ্বীপগুলোর বাসিন্দারা শুধুই বিভিন্ন প্রজাতির সংরক্ষিত পাখি, সিল এবং পেঙ্গুইন।

ট্রাম্পের এই শুল্ক নীতির বিস্তার নিয়ে অনেকে বিস্মিত। জনমানবহীন দ্বীপপুঞ্জের সঙ্গে শুল্ক-সংক্রান্ত বিরোধ সত্যিই নজিরবিহীন।

সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান

Header Ad
Header Ad

সর্বশেষ সংবাদ

চিকেনস নেকে ভারী যুদ্ধাস্ত্র মোতায়েন করল ভারত
চিত্রনায়িকা পরীমণির বিরুদ্ধে গৃহকর্মীর জিডি
পেঙ্গুইন ও পাখিদের উপরেও ট্রাম্পের শুল্ক আরোপ!
নেতাকর্মীদের মাঠে নামার নির্দেশ, আবারও শেখ হাসিনার উসকানি!
টাঙ্গাইলে ট্রাকচাপায় আনসার কমান্ডার নিহত
লোহাগাড়ায় সড়ক দুর্ঘটনা: না ফেরার দেশে প্রেমা, নিহত বেড়ে ১১
নিষেধাজ্ঞায় পড়লেন মেসির দেহরক্ষী, ঢুকতে পারবেন না মাঠে
শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ চাইলো বাংলাদেশ
ঈদ আনন্দে মুখরিত রংপুরের বিনোদন কেন্দ্রগুলো
লুটপাটের পর পুড়িয়ে দেওয়া হলো বিএনপি সমর্থকের বসতবাড়ি, গ্রেপ্তার ৯
ব্যাংককে ড. ইউনূস ও নরেন্দ্র মোদির দ্বিপক্ষীয় বৈঠক শুরু
দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট ইউন সুক ইওলকে অপসারণ করল আদালত
গাইবান্ধায় আওয়ামী লীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগের দুই নেতা গ্রেপ্তার
সংস্কার শেষে অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন আয়োজন করাই প্রধান লক্ষ্য: প্রধান উপদেষ্টা
নির্বাচন দিয়ে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত করতে হবে: টুকু
যৌথবাহিনীর অভিযান: ৭ দিনে গ্রেপ্তার ৩৪১
রাজধানীতে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার ধাক্কায় প্রাণ গেলো নারীর
ঈদের ছুটিতে কক্সবাজারে পর্যটকের ঢল, হোটেলে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগ
ব্যাংককে ড. মুহাম্মদ ইউনূস-নরেন্দ্র মোদির বৈঠক আজ
রাশিয়ার হয়ে ইউক্রেন যুদ্ধে অংশ নেওয়া ময়মনসিংহের ইয়াসিন নিহত