শুক্রবার, ২৮ মার্চ ২০২৫ | ১৪ চৈত্র ১৪৩১
Dhaka Prokash

সুন্দরী স্ত্রী থাকতেও কেন পুরুষরা পরকীয়া করে!

ছবি সংগৃহিত

পরকীয়া শব্দটি এখন অতিপরিচিত। প্রতিদিন খবরের কাগজ খুললেই অহরহ শোনা যায় পরকীয়ার ঘটনা।পরকীয়ার জন্য ভেঙে যাচ্ছে সংসার, খুন হচ্ছে সন্তান। তবে অনেকে জানতে চায় কেন এই পরকীয়া।পরকীয়ার জন্য দায়ী কোন বিষয়গুলো দায়ী। নাকি সম্পূর্ণ মনের ব্যাপার এটি।আসলে কী কারণে পরকীয়ার জড়ায় পুরুষ।

পরকীয়া কি?

পরকীয়া হলো বিবাহিত কোনো ব্যক্তির (নারী বা পুরুষ) স্বামী বা স্ত্রী ছাড়া অন্য কোনো ব্যক্তির সঙ্গে বিবাহোত্তর বা বিবাহবহির্ভূত প্রেম, যৌন সম্পর্ক ও যৌন কর্মকাণ্ড। মানবসমাজে এটি লঘু বা গুরুভাবে নেতিবাচক হিসেবে গণ্য।

বিবাহিত জীবনে সুখী না হওয়ার কারণেই নাকি বিবাহিত পুরুষরা পরকীয়ায় জড়ান, এমনটিই জানাচ্ছেন সম্পর্ক বিষারদরা।

এক সমীক্ষায় দেখা গেছে, বিবাহিত পুরুষদের মধ্যে প্রতারণার সম্ভাবনা নারীদের তুলনায় বেশি। একজন বিবাহিত পুরুষ বিভিন্ন কারণে অন্য নারীর প্রতি আকৃষ্ট হতে পারেন।

তার মধ্যে অন্যতম হলো দাম্পত্য জীবনে অসন্তুষ্ট হওয়া। এছাড়া একজন বিবাহিত পুরুষ অন্য নারীর প্রতি অভিকর্ষ বোধ করার অন্যতম কারণ হতে পারে শারীরিক আকর্ষণ।

এমনকি একজন পুরুষ অন্য নারীর প্রতি আকৃষ্ট বোধ করতে পারেন যদি তার মধ্যে এমন গুণ থাকে যা তার স্ত্রীর নেই।

এছাড়া আরও বিভিন্ন কারণে একজন পুরুষ বিবাহিত হয়েও অন্য নারীতে আকৃষ্ট হতে পারে। চলুন তবে জেনে নেওয়া যাক এর সম্ভাব্য কারণগুলো সম্পর্কে-

​পারিবারিক কলহ

আসলে সম্পর্ক বেঁচে থাকে বোঝাপড়ার উপর। আপনি যদি স্ত্রীয়ের সঙ্গে ভালো সময় কাটাতে পারেন, তবে অন্য কারও প্রয়োজন পড়ে না। তবে সেই কাজটা সম্ভব না হলেই মন অন্যদিকে ছুটতে পারে। এই সময়টায় যাঁরা নিজেকে ধরে রাখতে পারেন না, তাঁদের সম্পর্কে জটিলতা দেখা দিতে পারে। তাই এই বিষয়টি মাথায় রাখতে হবে।

​ভালো সময় কাটানো হয় না

একসঙ্গে থাকা মানেই কিন্তু সুখী সংসার নয়। নিজেদের সময় দিতে হবে। সেই সময়টা আনন্দে কাটাতে হবে। যাকে বলে কোয়ালিটি টাইমস। নিজেদের মধ্যে এই সময়টুকু কাটাতে না পারলেই মন অন্য পথে বেঁকে যায়। তখন আর কিছুই মাথায় থাকে না। এবার থেকে এই বিষয়টি মাথায় রাখুন। তবেই নিজেকে আটকে রাখতে পারবেন।

​সময় নেই

ভালো সময় কাটানো বাদ দিন, অনেকের হাতে তো কিছুটা সময়ও নেই। সেই কারণেই সমস্যা তৈরি হয় জীবনে। আসলে এতটা ব্যস্ততা থাকলে সম্পর্ক এগনো যায় না। সময়ের অভাবে রসায়ন তরল হয়ে পড়ে। আকর্ষণ থাকে না। এবার থেকে এই বিষয়টি মাথায় রাখার চেষ্টা আপনাকে করতে হবে। তবেই নিজেদের বাঁচাতে পারবেন।

​আগেও এমন অভ্যাস থাকলে

অনেকে একজনের সঙ্গে বেশিদিন থাকতে পারেন না। তাঁরা একঘেয়ে হয়ে যান গোটা বিষয়টি নিয়ে। এবার এমন পুরুষ কিন্তু বিয়ের পরও অন্য নারীর প্রেমে পড়বেন। এখানে আশ্চর্য হওয়ার কিছুই নেই। বরং এমনটা না হলেই বুঝবেন কিছু একটা বদল ঘটল। তাই এই কারণটা অবশ্যই মাথায় ঢুকিয়ে নিন। তবেই সংসার সামলে নিতে পারবেন।

অপূর্ণ প্রত্যাশা

সঙ্গীর কাছ থেকে অনেক কিছু প্রত্যাশা থাকে নারীর। অনেক আশা করে বিয়ে করেছেন, কিন্তু সেই আশা পূরণ হয়নি। এমন ক্ষেত্রে পুরুষরা শুরু করেন নতুনের খোঁজ।

ডিআরডিফোর জিন

কারো মধ্যে যদি ডিআরডিফোর জিনের উপস্থিতি বেশি হয়, তাদেরও পরকীয়া বা বাড়তি সম্পর্কে জড়ানোর প্রবণতা থাকতে পারে।

মানসিক সমস্যা

মানসিক সমস্যার কারণেও মানুষ পরকীয়ায় জড়াতে পারে। যাদের মধ্যে বাইপোলার মুড ডিজঅর্ডার আছে, তাদের পরকীয়ার সম্পর্কে জড়ানোর প্রবণতা দেখা যায়। তারা কোনো কিছুর মধ্যে স্থিরতা খুঁজে পায় না।

পশ্চিমা সংস্কৃতি

অনেক সময় পশ্চিমা সংস্কৃতির ধাঁচ নিজেদের মধ্যে আনতে চায়, তখন পরকীয়া বাড়ে। এ ছাড়া স্বামী-স্ত্রীর দ্বন্দ্ব, দূরত্ব ইত্যাদির জন্যও অন্যের প্রতি আগ্রহ, আসক্তির ঘটনা ঘটে।

শখ থেকে পরকীয়া

অনেকে শখ থেকেও পরকীয়ায় জড়ায়। অন্য আরেকটি শরীর কেমন, একে জানার একটি আগ্রহ থাকে। অনেকে আবার ভাবে, ‘ওরা কি সুখী! এই মানুষটির সঙ্গে থাকতে পারলে হয়তো আমার অনেক সুখ লাগত।’ এ থেকেও অনেকে ওই ব্যক্তির প্রতি আগ্রহ অনুভব করে।

দূরত্ব ও শূন্যতা

স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে যখন শূন্যতা তৈরি হয়, তখন আরেকজন সেখানে প্রবেশ করে। হয়তো স্বামী বা স্ত্রীর আর আগের মতো করে কথা বলে না বা আদর করে না। যত্ন কম নেয়। এই বিষয়গুলোর কারণে অন্যের প্রতি আসক্তি তৈরি হয়।

স্ত্রী দূরে গেলে

স্ত্রী দূরে থাকলেও এ সমস্যা হতে পারে। শুধু যৌনতায় অংশগ্রহণ নয়, কথাবার্তায়ও বিষয়টি থাকতে হয়। তখন যদি অন্য কেউ সেই কথাগুলো শোনায়, তাহলে তার প্রতি আগ্রহ কাজ করে।

সন্তান হওয়ার পর

সন্তান হওয়ার পর অনেক মেয়ে স্থূল হয়ে যায়। এতে স্ত্রীর প্রতি আগ্রহ কমে যেতে পারে। আবার নারীর বেলায়ও অনেকে হয়তো খুব হ্যান্ডসাম ছেলে পছন্দ করে, যা হয়তো তার স্বামীর সঙ্গে মেলে না।

তবে বেশির ভাগ ক্ষেত্রে মানসিক ও শারীরিক প্রয়োজন মেটানোর বিষয়টিই এখানে মুখ্য হয়। এসব ভাবনা ব্যক্তিকে পরকীয়ার প্রতি আকৃষ্ট করে তোলে।

ইসলামি রাষ্ট্রসমূহে এর জন্য কঠোর শাস্তির বিধান রয়েছে, যা হলো পাথর নিক্ষেপ করে মৃত্যুদণ্ড প্রদান। মনোচিকিৎসায় এ কথা স্বীকৃত যে, বাবা-মার পরকীয়া সন্তানের মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর এবং সামাজিক সম্পর্ক ও যোগাযোগে বিরূপ প্রভাব ফেলে এবং অধিকাংশ ক্ষেত্রেই তা সন্তানের মানসিক বিষণ্ণতার ও আগ্রাসী মনোভাবের জন্ম দেয়।

Header Ad
Header Ad

রাজনৈতিক হয়রানির শিকার ৬৬৮১ মামলা প্রত্যাহারের সুপারিশ

ছবি: সংগৃহীত

রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও হয়রানিমূলক হিসেবে চিহ্নিত ৬ হাজার ৬৮১টি মামলা প্রত্যাহারের সুপারিশ করা হয়েছে। আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. আসিফ নজরুলের সভাপতিত্বে গঠিত মন্ত্রণালয় পর্যায়ের কমিটি এখন পর্যন্ত ৯টি সভা করেছে, যেখানে এসব মামলা প্রত্যাহারের সুপারিশ করা হয়। এ সংক্রান্ত হালনাগাদ তথ্য মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়েছে।

সরকার রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মামলা পর্যালোচনা ও প্রত্যাহারের জন্য জেলা এবং মন্ত্রণালয় পর্যায়ে দুটি পৃথক কমিটি গঠন করেছে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীনে গঠিত এই কমিটিগুলো বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সময়সহ বিভিন্ন সময়ে দায়ের হওয়া হয়রানিমূলক মামলাগুলো তদন্ত ও বিশ্লেষণ করে সিদ্ধান্ত নিচ্ছে।

মন্ত্রণালয় পর্যায়ের কমিটির সভাপতির দায়িত্বে রয়েছেন আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা। এ কমিটির অন্যান্য সদস্যরা হলেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের সিনিয়র সচিব, অতিরিক্ত সচিব (আইন ও শৃঙ্খলা), যুগ্মসচিব (আইন) এবং আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব পর্যায়ের একজন প্রতিনিধি। এ কমিটির সদস্য-সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগের আইন-১ শাখার উপসচিব, সিনিয়র সহকারী সচিব বা সহকারী সচিব।

অন্যদিকে, জেলা পর্যায়ের কমিটির সভাপতির দায়িত্বে রয়েছেন জেলা ম্যাজিস্ট্রেট। এ কমিটির অন্যান্য সদস্যরা হলেন সংশ্লিষ্ট জেলার পুলিশ সুপার (মহানগর এলাকায় ডেপুটি কমিশনার) এবং পাবলিক প্রসিকিউটর (মহানগর মামলার ক্ষেত্রে মহানগর পাবলিক প্রসিকিউটর)। এ কমিটির সদস্য-সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট।

সরকারের এই উদ্যোগের মাধ্যমে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও হয়রানিমূলক মামলাগুলো পর্যালোচনা করে বিচার বিভাগের স্বাধীনতা নিশ্চিত করা এবং সাধারণ মানুষকে আইনি হয়রানি থেকে মুক্তি দেওয়ার পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। সূত্র: বাসস।

Header Ad
Header Ad

শাকিব খানের জন্মদিনে শুভেচ্ছার বন্যা, দুই প্রাক্তনের বার্তায় উত্তাল নেটদুনিয়া

অভিনেতা শাকিব খান, অভিনেত্রী অপু বিশ্বাস ও শবনম বুবলী। ছবি: সংগৃহীত

ঢালিউডের কিংবদন্তি অভিনেতা শাকিব খান আজ ৪৬ পেরিয়ে ৪৭-এ পা রাখলেন। ১৯৭৯ সালের ২৮ মার্চ গোপালগঞ্জে জন্ম নেওয়া এই সুপারস্টার তার শৈশব কাটিয়েছেন নারায়ণগঞ্জে। ক্যারিয়ারের দুই যুগের বেশি সময় পার করেও তিনি রুপালি পর্দার শীর্ষস্থান ধরে রেখেছেন।

শাকিব খানের জন্মদিনে তার ভক্ত-অনুরাগীরা যেমন শুভেচ্ছা জানিয়েছেন, তেমনি ঢালিউড তারকারাও শুভেচ্ছা বার্তা দিয়েছেন। বিশেষ করে তার দুই প্রাক্তন স্ত্রী—অপু বিশ্বাস ও শবনম বুবলীর শুভেচ্ছা বার্তা ঘিরে সামাজিক মাধ্যমে শুরু হয়েছে নানা আলোচনা।

গতকাল মধ্যরাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে শাকিব খানের সঙ্গে অভিনীত একটি সিনেমার দৃশ্য শেয়ার করেন অপু বিশ্বাস। ক্যাপশনে তিনি লেখেন— “শুভ জন্মদিন জীবন্ত মেগাস্টার শাকিব খান।” পাশাপাশি হ্যাশট্যাগ ব্যবহার করে লেখেন, “আমার শাহরুখ খান।”

অন্যদিকে, শবনম বুবলীও একই সময়ে শাকিবের একটি ছবি শেয়ার করে লেখেন— “শুভ জন্মদিন শাকিব খান। বাংলা ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির মহারাজা।”

এই দুই শুভেচ্ছা বার্তা সামনে আসতেই নেটিজেনদের একাংশ নানা ধরনের মন্তব্য করতে শুরু করেন। কেউ কেউ একে ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন, আবার অনেকে সমালোচনা করতেও ছাড়েননি।

 

ছবি: সংগৃহীত

১৯৯৯ সালে সোহানুর রহমান সোহান পরিচালিত ‘অনন্ত ভালোবাসা’ চলচ্চিত্রের মাধ্যমে রুপালি পর্দায় অভিষেক হয় শাকিব খানের। যদিও প্রথম চুক্তিবদ্ধ হওয়া সিনেমা ছিল আফতাব খান পরিচালিত ‘সবাই তো সুখী হতে চায়’। শুরুটা সহজ না হলেও ধীরে ধীরে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেন তিনি।

তার সময়ের অনেক নায়ক রুপালি পর্দা থেকে হারিয়ে গেলেও শাকিব খান এখনো ঢালিউডের সবচেয়ে বড় তারকা। ‘প্রিয়তমা’ সিনেমার মাধ্যমে ২০২৩ সালে আবারও প্রমাণ করেন, তিনি ফুরিয়ে যাননি। এরপর ‘রাজকুমার’ ও ‘তুফান’ মুক্তি পেয়ে বক্স অফিসে দারুণ সাড়া ফেলে। এবারের ঈদুল ফিতরে মুক্তি পেতে যাচ্ছে তার নতুন সিনেমা ‘বরবাদ’, যেখানে দ্বিতীয়বারের মতো তার সঙ্গে জুটি বেঁধেছেন ওপার বাংলার ইধিকা পাল।

দীর্ঘ ক্যারিয়ারে শাকিব খান উপহার দিয়েছেন একের পর এক সুপারহিট সিনেমা। তার জনপ্রিয় সিনেমাগুলোর মধ্যে রয়েছে— ‘মাই নেম ইজ সুলতান’, ‘স্বপ্নের বাসর’, ‘মুখোশধারী’, ‘আমার প্রাণের স্বামী’, ‘ও প্রিয়া তুমি কোথায়’, ‘প্রাণের মানুষ’, ‘সাহসী মানুষ চাই’, ‘বস্তির রানী সুরিয়া’, ‘প্রিয়া আমার প্রিয়া’, ‘দুই পৃথিবী’, ‘আমার স্বপ্ন তুমি’ ইত্যাদি।

অভিনয়ের স্বীকৃতি হিসেবে তিনি পেয়েছেন অসংখ্য সম্মাননা। ২০১২ সালে ‘ভালোবাসলেই ঘর বাঁধা যায় না’, ২০১৪ সালে ‘খোদার পরে মা’, ২০১৬ সালে ‘আরও ভালোবাসব তোমায়’, ২০১৭ সালে ‘সত্তা’ সিনেমার জন্য শ্রেষ্ঠ অভিনেতা হিসেবে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার লাভ করেন।

বয়সের হিসেবে ৪৭-এ পা রাখলেও শাকিব খানের জনপ্রিয়তা আজও আকাশচুম্বী। তার অভিনয়শৈলী ও ক্যারিশমা দর্শকদের মুগ্ধ করে আসছে দুই যুগেরও বেশি সময় ধরে। জন্মদিনে দুই প্রাক্তনের বার্তায় আলোচনা চললেও একথা বলাই যায়— শাকিব খান ঢালিউডের একচ্ছত্র রাজা হিসেবেই রাজত্ব করে যাবেন।

Header Ad
Header Ad

যমুনা সেতু মহাসড়ক: ঈদের ছুটির দ্বিতীয় দিনে রাতে বেড়েছে যানবাহনের চাপ

ছবি : ঢাকাপ্রকাশ

ঈদের ছুটির দ্বিতীয় দিন আজ। পরিবার ও পরিজন নিয়ে ছুটে মানুষ। ফলে এই ঈদকে সামনে রেখে ঢাকা-টাঙ্গাইল-যমুনা সেতু মহাসড়কে আরও অতিরিক্ত যানবাহনের চাপ বেড়েছে।

এই মহাসড়কের এলেঙ্গা থেকে যমুনা সেতু পূর্ব টোলপ্লাজা ১৪ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে যানজট, ভোগান্তি ও দুর্ভোগের শঙ্কা থাকলেও এখন পর্যন্ত এর কোনটাই নেই। স্বাভাবিক গতির তুলনায় কিছুটা কম গতিতে পরিবহনগুলো চলাচল করছে।

শুক্রবার (২৮ মার্চ) সন্ধ্যা থেকে রাত ৮ টা পর্যন্ত মহাসড়কের যমুনা সেতু পূর্ব গোল চত্বর ও সেতু পূর্ব ইব্রাহিমাবাদ রেল স্টেশন এলাকায় এমন চিত্র দেখা যায়।

সরেজমিনে ঘুরে আরও দেখা যায়, সকালের তুলনায় বিকালের পর থেকে আরও অতিরিক্ত যানবাহন চলাচল সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে। তারমধ্যে ব্যক্তিগত যানবাহন, প্রাইভেট ও মোটরসাইকেলের সংখ্যা বেশি চলাচল করছে।

এলেঙ্গা হাইওয়ে পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মোহাম্মদ শরীফ বলেন, মহাসড়কে যানবাহনের চাপ থাকলেও স্বাভাবিক গতিতেই যানবাহন চলাচল করছে। তিনি আশা করছেন ঈদযাত্রা স্বস্তির হবে।

এদিকে একইচিত্র যমুনা সেতু পূর্ব-ভূঞাপুর-এলেঙ্গা ২৬ কিলোমিটার আঞ্চলিক মহাসড়কটিতেও। মহাসড়কে যানজট না থাকায় বিকল্প এই সড়কটি ব্যবহার করতে হচ্ছে না উত্তরবঙ্গ থেকে ছেড়ে আসা ঢাকাগামী যানবাহনগুলোকে।

এ প্রসঙ্গে ভূঞাপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) একেএম রেজাউল করিম বলেন, এই আঞ্চলিক মহাসড়কেও স্থানীয় যানবাহনগুলো নির্বিঘ্নে যাতায়াত করছে এবং যেকোন অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা এড়াতে পুলিশ সার্বক্ষণিক তৎপর রয়েছে।

টাঙ্গাইল জেলা পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমান বলেন, ঈদযাত্রায় ঘরমুখো মানুষকে স্বস্তি দিতে সাড়ে ৭’শ পুলিশ মহাসড়কের বিভিন্ন পয়েন্টে নিয়োজিত এবং জেলা পুলিশের প্রতিটি সদস্য তীব্র গরমকে উপেক্ষা করতে মহাসড়কে পরিশ্রম করছে।

Header Ad
Header Ad

সর্বশেষ সংবাদ

রাজনৈতিক হয়রানির শিকার ৬৬৮১ মামলা প্রত্যাহারের সুপারিশ
শাকিব খানের জন্মদিনে শুভেচ্ছার বন্যা, দুই প্রাক্তনের বার্তায় উত্তাল নেটদুনিয়া
যমুনা সেতু মহাসড়ক: ঈদের ছুটির দ্বিতীয় দিনে রাতে বেড়েছে যানবাহনের চাপ
মিয়ানমারে ভূমিকম্পে নিহত বেড়ে ১৪৪, আহত ৭৩২
স্বাধীনতার নেতা বঙ্গবন্ধুর কোনও ভুলত্রুটি নেই: বঙ্গবীর কাদের সিদ্দিকী
সুন্দরবনে রেড অ্যালার্ট: ঈদের ছুটি বাতিল, শিকার ও অগ্নিকাণ্ড প্রতিরোধে কঠোর নজরদারি
বাংলাদেশের জন্য চীন থেকে ২.১ বিলিয়ন ডলারের বিনিয়োগ, ঋণ ও অনুদানের প্রতিশ্রুতি
বাংলাদেশের জন্য ৫০ বছরের পানি ব্যবস্থাপনার মাস্টারপ্ল্যান চাইলেন অধ্যাপক ইউনূস
হাসপাতাল ছেড়ে বাসায় ফিরলেন তামিম ইকবাল
চুয়াডাঙ্গায় সর্বোচ্চ ৩৯.৮ ডিগ্রি তাপমাত্রা রেকর্ড, সহজে মিলছে না বৃষ্টি
জেলা প্রশাসকদের প্রতি ১২ নির্দেশনা দিলেন প্রধান উপদেষ্টা
জুমার নামাজের সময় শক্তিশালী ভূমিকম্প, মিয়ানমারে মসজিদ ধসে নিহত অন্তত ২০
ঈদে রাজধানীর নিরাপত্তায় ৪২৬ জন ‘অক্সিলারি ফোর্স’ নিয়োগ
যমুনা সেতু মহাসড়কে নেই যানজট, নির্বিঘ্নে বাড়ি ফিরছে উত্তরের মানুষ (ভিডিও)
টাঙ্গাইলে ৪০ দিন জামাতে নামাজ আদায় করে পুরস্কৃত ২১ কিশোর-তরুণ
থাইল্যান্ডে ভূমিকম্প: মুহূর্তেই ধসে পড়ল নির্মাণাধীন বহুতল ভবন
মিয়ানমারে ভয়াবহ ভূমিকম্প, ধসে পড়ল ভবন ও সেতু
ঢাকা-বেইজিংয়ের মধ্যে ৯ চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর
সমালোচনার মুখে প্রসিকিউটর আফরোজ পারভীন সিলভিয়ার নিয়োগ বাতিল
ঢাকা-চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ভূমিকম্প