শুক্রবার, ৪ এপ্রিল ২০২৫ | ২১ চৈত্র ১৪৩১
Dhaka Prokash

ব্রয়লার মুরগি দ্রুত বড় করতে অ্যান্টিবায়োটিকের বিকল্প নিমের নির্যাস

অধ্যাপক শফিকুল ইসলাম ও তাঁর সহযোগী গবেষক আবু রায়হান । ছবি সংগৃহিত

বর্তমানে দেশে প্রাণিজ আমিষের চাহিদার একটা বড় অংশই পূরণ করে ব্রয়লার মুরগি। কিন্তু মুরগি সুস্থ রাখা ও ওজন বাড়ানোর জন্য অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহারের ফলে অনেক ক্ষেত্রেই এই অ্যান্টিবায়োটিক মানবদেহেও পৌঁছে যাচ্ছে। অনাকাঙ্ক্ষিতভাবে আমাদের শরীরে তৈরি হচ্ছে অ্যান্টিবায়োটিক রেজিস্ট্যান্স (প্রতিরোধী)। এভাবে চলতে থাকলে একসময় অনেক অ্যান্টিবায়োটিকই শরীরে ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ ঠেকাতে ব্যর্থ হবে। স্বাভাবিক রোগ প্রতিরোধক্ষমতাও নষ্ট হয়ে যেতে পারে ধীরে ধীরে।

এ সমস্যা সমাধানের জন্য কাজ করেছেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মাকোলজি বিভাগের অধ্যাপক শফিকুল ইসলাম ও তাঁর সহযোগী গবেষক আবু রায়হান। অ্যান্টিবায়োটিকের বদলে নিমপাতার নির্যাস প্রয়োগ করে নিরাপদ ও দ্রুত বর্ধনশীল ব্রয়লার উৎপাদনে সফল হয়েছেন তাঁরা। দীর্ঘ পাঁচ বছর ধরে অ্যান্টিবায়োটিকের বিকল্প খুঁজছিল এই গবেষক দল।

অ্যান্টিবায়োটিক কী ?:

অ্যান্টিবায়োটিক হল এক ধরনের অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল পদার্থ, যা ব্যাকটেরিয়াকে মেরে ফেলে বা বৃদ্ধিতে বাঁধা দেয়, মানব ও প্রাণীচিকিত্সা উভয় ক্ষেত্রেই সংক্রামক রোগ নিয়ন্ত্রণ এবং প্রতিরোধের জন্য অপরিহার্য। অ্যান্টিবায়োটিক (ইংরেজি: antibiotic) কয়েক ধরনের জৈব-রাসায়নিক ঔষধ যা অণুজীবদের (বিশেষ করে) ব্যাক্টেরিয়া নাশ করে বা বৃদ্ধিরোধ করে।

সাধারানতঃ এক এক অ্যান্টিবায়োটিক এক এক ধরনের প্রক্রিয়ায় অন্যান্য অণুজীবের বিরুদ্ধে কাজ করে। বিভিন্ন ব্যাক্টেরিয়া (Bacteria) ও ছত্রাক (Fungi) থেকে অ্যান্টিবায়োটিক তৈরি করা হয়। "অ্যান্টিবায়োটিক" সাধারণভাবে ব্যাক্টেরিয়ার বিরুদ্ধে ব্যবহার হয়, ভাইরাসের বিরুদ্ধে কাজ করে না।

যেভাবে পাওয়া গেল সমাধান:

২০০০ সালে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে যোগ দেওয়ার পর উচ্চশিক্ষার জন্য একটা দীর্ঘ সময় জাপানে ছিলেন অধ্যাপক শফিকুল ইসলাম। দেশে ফিরে যখন দেখলেন, ব্রয়লার মুরগি উৎপাদনে ব্যাপক হারে অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহার হচ্ছে, নিজের সন্তানদের এই মুরগি খেতে নিরুৎসাহিত করতেন তিনি। কিন্তু ভেবে দেখলেন, এটা তো আদতে সমাধান নয়।

এ সমস্যার সমাধানে প্রাকৃতিক বিভিন্ন উপাদান ব্যবহার করে অ্যান্টিবায়োটিকের বিকল্প খোঁজা শুরু করেন শফিকুল ইসলাম ও আবু রায়হান। শফিকুল বলেন, ‘অ্যান্টিবায়োটিকের বিকল্প উপায়ে নিরাপদ ও দ্রুত বর্ধনশীল ব্রয়লার উৎপাদনের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে আমরা বিভিন্ন ধরনের প্ল্যান্টের নির্যাস, হারবাল নির্যাস ব্যবহার করে পরীক্ষা চালিয়েছি। তবে সলটেক্স পদ্ধতিতে নিমের নির্যাস ব্যবহারের ফলে সবচেয়ে ভালো ফল পেয়েছি। এতে দেখা যায়, অ্যান্টিবায়োটিকের চেয়েও এই নির্যাস ভালো কাজ করে। ব্রয়লারের ওজন তুলনামূলক বেশি পাওয়া গেছে। রোগবালাই ও মৃত্যুর হারও অনেক কম।’

সহযোগী গবেষক আবু রায়হান যোগ করলেন, ‘নির্যাসটি বাণিজ্যিকভাবে উৎপাদন করা সম্ভব হলে বাজারে প্রচলিত অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহারে যা খরচ হয়, তার চেয়ে কম খরচে মুরগি উৎপাদন করা যাবে। আবার অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহার না করার ফলে এই মুরগি যেকোনো সময় বাজারজাত করার উপযোগী থাকে। এর কোনো প্রত্যাহার সময়সীমা নেই।’

রায়হান জানান, স্বাভাবিকভাবে ২৫ দিন বয়সী একটি একটি মুরগির ওজন হয় গড়ে ১ কেজি ২০০ গ্রাম। বাজারে প্রচলিত গ্রোথ প্রোমোটার ব্যবহার করলে একই সময়ে এই মুরগিগুলো ওজন ১ কেজি ৩০০ গ্রামে পৌঁছে যায়। কিন্তু সলটেক্স পদ্ধতিতে নিমের নির্যাস ব্যবহার করে তাঁরা ২৫ দিন বয়সী মুরগির প্রায় ১ কেজি ৪০০ গ্রাম ওজন পেয়েছেন। মুরগির মৃত্যুহারও এ ক্ষেত্রে শূন্যের কাছাকাছি।

সম্ভাবনা ও চ্যালেঞ্জ:

এ গবেষণা বাংলাদেশের পোলট্রি শিল্পে নতুন বিপ্লব আনতে পারে বলে মনে করেন শফিকুল ইসলাম। তিনি বলেন, ‘সবচেয়ে আশার কথা হলো, বাজারে প্রচলিত গ্রোথ প্রোমোটার ও অ্যান্টিবায়োটিকের মাধ্যমে উৎপাদিত মুরগির চেয়েও আমাদের উৎপাদিত মুরগিগুলো বেশি বর্ধনশীল। ফলে প্রান্তিক খামারিরা এই মুরগি উৎপাদনে বেশি আগ্রহী হবেন।’

 

Header Ad
Header Ad

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে শুল্ক ইস্যুর ইতিবাচক সমাধান হবে: প্রধান উপদেষ্টা

প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস। ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস দৃঢ় আশা প্রকাশ করেছেন যে, যুক্তরাষ্ট্র সরকারের সঙ্গে আলোচনা করে শুল্ক ইস্যুর একটি ইতিবাচক সমাধানে পৌঁছানো সম্ভব হবে।

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, "আমরা বিষয়টি পর্যালোচনা করছি। যেহেতু এটি আলোচনাযোগ্য, তাই আমরা আলোচনা করব এবং আমি নিশ্চিত যে আমরা সর্বোত্তম সমাধানে পৌঁছাতে পারব।"

বৃহস্পতিবার (৩ এপ্রিল) ব্যাংককে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম অধ্যাপক ইউনূসের বরাত দিয়ে বাসসকে এ কথা বলেন।

যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশি পণ্য আমদানির ওপর ৩৭ শতাংশ শুল্ক আরোপের বিষয়ে শফিকুল আলম বলেন, ‘এখনো পুরো বিষয়টি আলোচনা শুরুর পর্যায়ে রয়েছে। আমরা এটা পর্যালোচনা করছি এবং আমরা যেসব পদক্ষেপ গ্রহণ করছি, তাতে আশাবাদী সামনের দিনগুলোতে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হবে। আমরা এমন একটা সমাধানের দিকে যেতে পারব, যাতে উভয় পক্ষের জন্য উইন উইন সিচুয়েশন হয়।’

প্রেস সচিব দূঢ় আশাবাদ প্রকাশ করে বলেন, আমরা এমন কিছু করবো যাতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশ উভয়ের স্বার্থ সংরক্ষণ হয়। এ লক্ষ্যে বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যোগাযোগ অব্যাহত রাখছে বলে জানান তিনি।

এর আগে বৃহস্পতিবার (৩ এপ্রিল) সকালে শফিকুল আলম তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে লেখেন, "বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্র থেকে আমদানি করা পণ্যের ওপর আরোপিত শুল্ক পর্যালোচনা করছে। শুল্ক আরও যুক্তিসংগত করার উপায় খুঁজে বের করতে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) দ্রুত ও কার্যকরভাবে কাজ করছে। যাতে শুল্কবিষয়ক জটিলতা নিরসন হয়।"

প্রেস সচিব আরও জানান, "যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের ঘনিষ্ঠ বন্ধু এবং আমাদের বৃহত্তম রপ্তানি গন্তব্য। ট্রাম্প প্রশাসন দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে আমরা দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সহযোগিতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে একসঙ্গে কাজ করে আসছি।"

তিনি বলেন, "যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আমাদের চলমান কার্যক্রম শুল্ক সমস্যা সমাধানে সহায়তা করবে বলে আমরা প্রত্যাশা করছি।"

Header Ad
Header Ad

অতিরিক্ত গতি নিয়ন্ত্রণে ঠাকুরগাঁওয়ে প্রশাসন, পুলিশ ও বিআরটিএ'র বিশেষ অভিযান

ছবি: ঢাকাপ্রকাশ

ঈদ পরবর্তী সময়ে যাত্রীসাধারণের নির্বিঘ্ন ও নিরাপদ যাত্রা নিশ্চিত করতে এবং সড়ক দুর্ঘটনা রোধে ঠাকুরগাঁও জেলায় প্রশাসন, পুলিশ ও বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) নানা কার্যক্রম পরিচালনা করছে। অতিরিক্ত গতি নিয়ন্ত্রণে ও সড়কে শৃঙ্খলা নিশ্চিত করতে জেলা প্রশাসন, পুলিশ ও বিআরটিএ ঠাকুরগাঁও সার্কেলের উদ্যোগে ভিজিলেন্স টিম গঠন করা হয়েছে, যা নিয়মিত মনিটরিং ও মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করছে।

জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, কোনো বাস কাউন্টার অতিরিক্ত ভাড়া আদায় বা যাত্রী হয়রানি করলে, তাৎক্ষণিকভাবে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে বেশ কয়েকটি বাস কাউন্টারে অভিযান পরিচালনা করে জরিমানা আদায়সহ সতর্ক করা হয়েছে। এছাড়া, ফিটনেসবিহীন যানবাহন চলাচল বন্ধ, পণ্যবাহী যানবাহনে যাত্রী পরিবহন, হেলমেট ছাড়া মোটরসাইকেল চালনা এবং একাধিক আরোহী বহন রোধে জেলা প্রশাসন, পুলিশ ও বিআরটিএর সমন্বয়ে পলাশ তালুকদার, সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট, ঠাকুরগাঁও এর নেতৃত্বে বিশেষ অভিযান পরিচালিত হচ্ছে। অভিযানে মোট ১৮টি মামলায় ৭০,০০০/ টাকা জরিমানা করা হয়।

বিআরটিএ ঠাকুরগাঁও সার্কেলের সহকারী পরিচালক (ইঞ্জি.) জানান, যাত্রীদের নির্বিঘ্ন ও নিরাপদ যাত্রা নিশ্চিত করতে বিআরটিএ চেয়ারম্যান মহোদয়ের নির্দেশনায় এই কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। তিনি আরও জানান, প্রশাসনের কঠোর নজরদারির ফলে এবারের ঈদে ঠাকুরগাঁও জেলায় সড়ক দুর্ঘটনা ও প্রাণহানির সংখ্যা তুলনামূলকভাবে কম হয়েছে।

Header Ad
Header Ad

শুল্ক আরোপের জেরে বিশ্ববাজারে মার্কিন ডলারের দরপতন

ছবি: সংগৃহীত

শুল্ক আরোপের জেরে বিশ্ববাজারে মার্কিন ডলারের দরপতন ঘটেছে, বিপরীতে বেড়েছে ইউরোর মূল্য। বিনিয়োগকারীরা ইয়েন ও সুইস ফ্রাঙ্কের মতো নিরাপদ আশ্রয়স্থলের দিকে ঝুঁকতে শুরু করেছেন।

রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বহুল প্রতীক্ষিত ট্রাম্পের শুল্ক ঘোষণার পর বৃহস্পতিবার বাজারে ধাক্কা লাগে। বিশ্বব্যাপী শেয়ারবাজারে দরপতন ঘটে এবং বিনিয়োগকারীরা বন্ডের পাশাপাশি স্বর্ণে বিনিয়োগ শুরু করেন।

ট্রাম্প বুধবার ঘোষণা দেন, তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে সমস্ত আমদানির ওপর ১০ শতাংশ বেসলাইন শুল্ক আরোপ করবেন এবং দেশের কিছু বৃহত্তম বাণিজ্যিক অংশীদারের ওপর উচ্চতর শুল্ক বসাবেন। নতুন শুল্ক আরোপের ফলে বাণিজ্য যুদ্ধ তীব্রতর হয়েছে, যা বৈশ্বিক অর্থনৈতিক মন্দা ও জ্বালানি মূল্যস্ফীতির আশঙ্কা বাড়িয়ে তুলেছে।

বৃহস্পতিবার ডলার সূচক ১.৬ শতাংশ কমে ১০২.০৩-এ দাঁড়িয়েছে, যা অক্টোবরের শুরুর পর থেকে সর্বনিম্ন। অন্যদিকে, ইউরো সূচক ১.৫ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ছয় মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ হয়েছে। মার্কিন ডলারের বিপরীতে অস্ট্রেলিয়ান ডলার ০.৫৬ শতাংশ, নিউজিল্যান্ড ডলার ০.৯ শতাংশ, জাপানি ইয়েন ১.৭ শতাংশ এবং সুইস ফ্রাঙ্ক পাঁচ মাসের মধ্যে সবচেয়ে শক্তিশালী অবস্থানে পৌঁছেছে।

ক্যাপিটাল ডটকমের সিনিয়র বাজার বিশ্লেষক ড্যানিয়েলা সাবিন হ্যাথর্ন জানান, ট্রাম্পের নতুন শুল্ক নীতির ফলে ডলার সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তিনি বলেন, “অনিশ্চয়তা এখনও বেশি রয়েছে—যদিও কয়েকদিনের মধ্যে কিছু শুল্ক বাতিল বা সংশোধন হতে পারে। তবে এর অর্থনৈতিক প্রভাব ১৯৩০-এর দশকের স্মুট-হাওলি শুল্ক আইনের চেয়েও বেশি হতে পারে।”

১৯৩০ সালে স্মুট-হাওলি শুল্ক আইন প্রণয়নের ফলে যুক্তরাষ্ট্র আমদানি কর বাড়িয়েছিল, যা বিশ্বব্যাপী প্রতিশোধমূলক শুল্কের সূত্রপাত ঘটায় এবং বৈশ্বিক মহামন্দাকে আরও গভীর করে তোলে।

ড্যানিয়েলা সাবিন হ্যাথর্ন আরও বলেন, ট্রাম্প প্রশাসনের এই পদক্ষেপ কেবল বাণিজ্যের ভারসাম্য রক্ষার কৌশল নয়, বরং যুক্তরাষ্ট্রকে সম্পূর্ণ স্বনির্ভর করার পরিকল্পনার অংশ হতে পারে। তবে, এই স্তরের শুল্ক আরোপের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র নিজেকে বৈশ্বিক বাণিজ্য থেকে বিচ্ছিন্ন করে ফেলতে পারে, যা দীর্ঘমেয়াদে অর্থনীতির জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে।

সূত্র: রয়টার্স, ব্যারন’স, দ্য গার্ডিয়ান

Header Ad
Header Ad

সর্বশেষ সংবাদ

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে শুল্ক ইস্যুর ইতিবাচক সমাধান হবে: প্রধান উপদেষ্টা
অতিরিক্ত গতি নিয়ন্ত্রণে ঠাকুরগাঁওয়ে প্রশাসন, পুলিশ ও বিআরটিএ'র বিশেষ অভিযান
শুল্ক আরোপের জেরে বিশ্ববাজারে মার্কিন ডলারের দরপতন
ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ে বাংলাদেশের উন্নতি, শীর্ষেই আর্জেন্টিনা
পাহাড়ের প্রধান সমস্যা চাঁদাবাজি: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হলেন বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সমন্বয়ক তানিফা
বিমসটেক সম্মেলনে যোগ দিতে ব্যাংকক পৌঁছালেন প্রধান উপদেষ্টা
বঙ্গোপসাগরে দীর্ঘতম উপকূলরেখা ভারতের দাবি জয়শঙ্করের
ট্রাম্পের নতুন শুল্ক পরিকল্পনার ঘোষণার পরপরই স্বর্ণের দাম বৃদ্ধি
গাজীপুরে চলন্ত ট্রেনে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, ঢাকা-ময়মনসিংহ রেল যোগাযোগ বন্ধ
সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে ভারতীয় যুবকের মৃত্যু
গাজার অংশবিশেষ দখল করার ঘোষণা ইসরায়েলের
মিঠাপুকুরে শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে কিশোর গ্রেফতার
এসএসসি পরীক্ষা একমাস পেছানোর দাবিতে শিক্ষার্থীদের অসহযোগ আন্দোলনের ডাক
অ্যাটলেটিকোকে হারিয়ে ফাইনালে রিয়ালের মুখোমুখি বার্সেলোনা
বাংলাদেশি পণ্যের ওপর ৩৭ শতাংশ শুল্ক আরোপ করল যুক্তরাষ্ট্র
বিমসটেক সম্মেলনে যোগ দিতে থাইল্যান্ডের উদ্দেশে ঢাকা ছাড়লেন প্রধান উপদেষ্টা
ব্যাংককে হচ্ছে ইউনূস-মোদির বৈঠক
সাতক্ষীরায় মদপানে দুই যুবকের মৃত্যু, হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ৯
ইরানের ড্রোন-ক্ষেপণাস্ত্র নেটওয়ার্কের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা