শুক্রবার, ৪ এপ্রিল ২০২৫ | ২১ চৈত্র ১৪৩১
Dhaka Prokash

শিশুর কন্ডাক্ট ডিসঅর্ডার (বিশৃঙ্খল আচরণ)

শিশুরা তাদের সমস্যাগুলো সাধারণত আচরণের মধ্য দিয়ে প্রকাশ করে থাকে। যা বাবা-মায়ের জন্য অনেক দুশ্চিন্তার কারণ হয়। দেখা যায়, অনেক সময় অভিভাবকরা তাদের সন্তানের আচরণ নিয়ে ভীষণ সমস্যায় পরে যান। যেমন— সন্তান তাদের কথা শুনছে না, মিথ্যা কথা বলছে, ঘর থেকে জিনিসপত্র চুরি করছে, স্কুল পালাচ্ছে, অভিভাবকের অনুমতি ছাড়া দীর্ঘ সময় বাইরে থাকছে।

ধীরে ধীরে সমস্যাগুলো আরও বাড়ছে। বড় হওয়ার মধ্য দিয়ে তাদের আচরণের ভিন্নতা দেখা যায়। যেমন— মারামারি করা, নিয়ম না মানা, বুলি করা, অন্যকে ভয় দেখানো। এ সব কারণে বাবা-মাকে নালিশ শুনতে হয়। দেখা যায়, এই সব সমস্যার জন্য বাচ্চার মধ্যে কোনো অনুশোচনা দেখা যায় না।

এ সব আচরণগুলো দেখলে বুঝতে হবে আপনার সন্তান হয়ত কন্ডাক্ট ডিসঅর্ডার জনিত সমস্যায় ভুগছে।
কন্ডাক্ট ডিসঅর্ডার এ আচরণের চারটি গ্রুপে সমস্যা দেখা যায়—

আগ্রাসী আচরণ: মারামারি করা, বুলি করা, অন্যকে ভয় দেখানো, অসদাচরণে অন্যকে বাধ্য করা।

ধ্বংসাত্মক আচরণ: জিনিসপত্র ভাঙচুর করা, আগুন লাগানো।

প্রতারনামূলক আচরণ: মিথ্যা বলা, চুরি করা, কর্তব্যবিমুখতা।

নিয়ম ভঙ্গ করা: স্কুল পালানো, অভিভাবকের অনুমতি ছাড়া দীর্ঘ সময় বাড়ির বাইরে থাকা।

উপরোক্ত আচরণগুলো কন্ডাক্ট ডিসঅর্ডারে বেশি দিন ধরে থাকলে শিশুর পারিবারিক, সামাজিক এবং তার পড়াশোনা ও সম্পর্কের অবনতি হয়ে থাকে।

কারো কারো আচরণ আরও সিরিয়াস হয়। যেমন— সিগারেট খাওয়া, মদ-গাঁজা বা অন্য নেশা করা, অল্প বয়সে সেক্সুয়াল বিহেভিয়ার এ জড়িয়ে পড়া।

এই সমস্যা বাচ্চার মধ্যে একদিনে তৈরি হয় না। ১০ থেকে ১২ বছরের স্কুলপড়ুয়া ছেলেদের মধ্যে এই সমস্যা বেশি দেখা দিতে পারে। মেয়েদের মধ্যে আর পরে ১৪-১৬ বছরে দেখা যায়। তুলনামূলকভাবে মেয়েদের চাইতে ছেলেদের মধ্যে কন্টাক্ট ডিসঅর্ডার বেশি দেখা যায়।

বিশেষ করে যে সব বাচ্চাদের সঙ্গে পরিবারের সদস্য বা সমবয়সীদের সম্পর্ক খারাপ থাকে, অথবা যারা আইনি জটিলতায় জড়িয়ে গেছে তাদের মধ্যে সুইসাইড করার প্রবণতাও দেখা যায়।

বিভিন্ন কারণে এই সমস্যা তৈরি হতে পারে—

১. শিশুর প্রতি বাবা মায়ের রুঢ আচরণ, বিশৃঙ্খল বাড়ির পরিবেশ, বিবাহ বিচ্ছেদ শিশুর ভেতর আগ্রাসী আচরণ তৈরি করতে পারে।
২. পরিবারের আর্থিক অস্বচ্ছলতা শিশুর আচরণের উপর প্রভাব পড়ে থাকে।

৩. শিশু যখন বিশৃঙ্খলা ও অবহেলায় বড় হয়, তখন শিশুর অনুভূতি নিয়ন্ত্রণ অস্বাভাবিক হয়। তারা সাধারণত রাগী হয়, পাশাপাশি হতাশা ও অবসাদে ভোগে।

৪. শিশুরা যখন খুব অল্প বয়স থেকে পরিবারের অথবা অন্য কোনো জায়গায় ভায়োলেন্ট ব্যবহার দেখে এবং শারীরিক ও সেক্সুয়াল অ্যাবিউজের শিকার হয়, তখন তাদের মধ্যে এই ধরনের আচরণ দেখা দিতে পার।

৫. ব্রেইনের frontal lobe এর কাজে বিঘ্ন ঘটলে শিশুরা নেতিবাচক অভিজ্ঞতা থেকে কিছু শেখা, পরিকল্পনা করা, নিজের নিরাপত্তা বজায় রাখতে পারে না।

৬. কঠিন মেজাজের (difficult temperament) শিশুরা কন্ডাক্ট ডিসঅর্ডারের জন্য হাই রিস্ক থাকে।

৭. literature review তে দেখা গেছে violent game এর সঙ্গে শিশুদের শারীরিক অস্থিরতা, আগ্রাসী মনোভাব এবং ব্যবহারের সম্পর্ক আছে।

শিশুদের কিছু মানসিক সমস্যার সঙ্গে কন্ডাক্ট ডিজঅর্ডার ডেভেলপ করার প্রবণতা থাকে। যেমন— মুড এবং অ্যাংজাইটি, পিটিএসডি, সাবস্টেন্স অ্যাবিউজ, এডিএসডি, লার্নিং ডিসঅর্ডার।

পরিবারে কোনো শিশু যদি এই সমস্যায় ভোগে। অভিভাকরা দেরি না করে অবশ্যই মানসিক চিকিৎসক/কাউন্সিলরের সঙ্গে যোগাযোগ করবেন।

এই সমস্যা প্রতিরোধ করার জন্য অভিভাবকরা ‘পজেটিভ প্যারেন্টিং’ শিখবেন। তাহলে বাবা মায়ের সঙ্গে শিশুর ভালো সম্পর্ক তৈরি হবে এবং পরিবারে শিশুর জন্য নিরাপদ ও স্থিতিশীল পরিবেশ গড়ে উঠবে।

লেখক: অ্যাডাল্ট অ্যান্ড চাইল্ড সাইকিয়াট্রিস্ট, এভার কেয়ার হাসপাতাল

আরএ/

Header Ad
Header Ad

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে শুল্ক ইস্যুর ইতিবাচক সমাধান হবে: প্রধান উপদেষ্টা

প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস। ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস দৃঢ় আশা প্রকাশ করেছেন যে, যুক্তরাষ্ট্র সরকারের সঙ্গে আলোচনা করে শুল্ক ইস্যুর একটি ইতিবাচক সমাধানে পৌঁছানো সম্ভব হবে।

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, "আমরা বিষয়টি পর্যালোচনা করছি। যেহেতু এটি আলোচনাযোগ্য, তাই আমরা আলোচনা করব এবং আমি নিশ্চিত যে আমরা সর্বোত্তম সমাধানে পৌঁছাতে পারব।"

বৃহস্পতিবার (৩ এপ্রিল) ব্যাংককে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম অধ্যাপক ইউনূসের বরাত দিয়ে বাসসকে এ কথা বলেন।

যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশি পণ্য আমদানির ওপর ৩৭ শতাংশ শুল্ক আরোপের বিষয়ে শফিকুল আলম বলেন, ‘এখনো পুরো বিষয়টি আলোচনা শুরুর পর্যায়ে রয়েছে। আমরা এটা পর্যালোচনা করছি এবং আমরা যেসব পদক্ষেপ গ্রহণ করছি, তাতে আশাবাদী সামনের দিনগুলোতে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হবে। আমরা এমন একটা সমাধানের দিকে যেতে পারব, যাতে উভয় পক্ষের জন্য উইন উইন সিচুয়েশন হয়।’

প্রেস সচিব দূঢ় আশাবাদ প্রকাশ করে বলেন, আমরা এমন কিছু করবো যাতে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশ উভয়ের স্বার্থ সংরক্ষণ হয়। এ লক্ষ্যে বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যোগাযোগ অব্যাহত রাখছে বলে জানান তিনি।

এর আগে বৃহস্পতিবার (৩ এপ্রিল) সকালে শফিকুল আলম তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে লেখেন, "বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্র থেকে আমদানি করা পণ্যের ওপর আরোপিত শুল্ক পর্যালোচনা করছে। শুল্ক আরও যুক্তিসংগত করার উপায় খুঁজে বের করতে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) দ্রুত ও কার্যকরভাবে কাজ করছে। যাতে শুল্কবিষয়ক জটিলতা নিরসন হয়।"

প্রেস সচিব আরও জানান, "যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের ঘনিষ্ঠ বন্ধু এবং আমাদের বৃহত্তম রপ্তানি গন্তব্য। ট্রাম্প প্রশাসন দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে আমরা দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সহযোগিতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে একসঙ্গে কাজ করে আসছি।"

তিনি বলেন, "যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আমাদের চলমান কার্যক্রম শুল্ক সমস্যা সমাধানে সহায়তা করবে বলে আমরা প্রত্যাশা করছি।"

Header Ad
Header Ad

অতিরিক্ত গতি নিয়ন্ত্রণে ঠাকুরগাঁওয়ে প্রশাসন, পুলিশ ও বিআরটিএ'র বিশেষ অভিযান

ছবি: ঢাকাপ্রকাশ

ঈদ পরবর্তী সময়ে যাত্রীসাধারণের নির্বিঘ্ন ও নিরাপদ যাত্রা নিশ্চিত করতে এবং সড়ক দুর্ঘটনা রোধে ঠাকুরগাঁও জেলায় প্রশাসন, পুলিশ ও বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) নানা কার্যক্রম পরিচালনা করছে। অতিরিক্ত গতি নিয়ন্ত্রণে ও সড়কে শৃঙ্খলা নিশ্চিত করতে জেলা প্রশাসন, পুলিশ ও বিআরটিএ ঠাকুরগাঁও সার্কেলের উদ্যোগে ভিজিলেন্স টিম গঠন করা হয়েছে, যা নিয়মিত মনিটরিং ও মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করছে।

জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, কোনো বাস কাউন্টার অতিরিক্ত ভাড়া আদায় বা যাত্রী হয়রানি করলে, তাৎক্ষণিকভাবে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে বেশ কয়েকটি বাস কাউন্টারে অভিযান পরিচালনা করে জরিমানা আদায়সহ সতর্ক করা হয়েছে। এছাড়া, ফিটনেসবিহীন যানবাহন চলাচল বন্ধ, পণ্যবাহী যানবাহনে যাত্রী পরিবহন, হেলমেট ছাড়া মোটরসাইকেল চালনা এবং একাধিক আরোহী বহন রোধে জেলা প্রশাসন, পুলিশ ও বিআরটিএর সমন্বয়ে পলাশ তালুকদার, সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট, ঠাকুরগাঁও এর নেতৃত্বে বিশেষ অভিযান পরিচালিত হচ্ছে। অভিযানে মোট ১৮টি মামলায় ৭০,০০০/ টাকা জরিমানা করা হয়।

বিআরটিএ ঠাকুরগাঁও সার্কেলের সহকারী পরিচালক (ইঞ্জি.) জানান, যাত্রীদের নির্বিঘ্ন ও নিরাপদ যাত্রা নিশ্চিত করতে বিআরটিএ চেয়ারম্যান মহোদয়ের নির্দেশনায় এই কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। তিনি আরও জানান, প্রশাসনের কঠোর নজরদারির ফলে এবারের ঈদে ঠাকুরগাঁও জেলায় সড়ক দুর্ঘটনা ও প্রাণহানির সংখ্যা তুলনামূলকভাবে কম হয়েছে।

Header Ad
Header Ad

শুল্ক আরোপের জেরে বিশ্ববাজারে মার্কিন ডলারের দরপতন

ছবি: সংগৃহীত

শুল্ক আরোপের জেরে বিশ্ববাজারে মার্কিন ডলারের দরপতন ঘটেছে, বিপরীতে বেড়েছে ইউরোর মূল্য। বিনিয়োগকারীরা ইয়েন ও সুইস ফ্রাঙ্কের মতো নিরাপদ আশ্রয়স্থলের দিকে ঝুঁকতে শুরু করেছেন।

রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বহুল প্রতীক্ষিত ট্রাম্পের শুল্ক ঘোষণার পর বৃহস্পতিবার বাজারে ধাক্কা লাগে। বিশ্বব্যাপী শেয়ারবাজারে দরপতন ঘটে এবং বিনিয়োগকারীরা বন্ডের পাশাপাশি স্বর্ণে বিনিয়োগ শুরু করেন।

ট্রাম্প বুধবার ঘোষণা দেন, তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে সমস্ত আমদানির ওপর ১০ শতাংশ বেসলাইন শুল্ক আরোপ করবেন এবং দেশের কিছু বৃহত্তম বাণিজ্যিক অংশীদারের ওপর উচ্চতর শুল্ক বসাবেন। নতুন শুল্ক আরোপের ফলে বাণিজ্য যুদ্ধ তীব্রতর হয়েছে, যা বৈশ্বিক অর্থনৈতিক মন্দা ও জ্বালানি মূল্যস্ফীতির আশঙ্কা বাড়িয়ে তুলেছে।

বৃহস্পতিবার ডলার সূচক ১.৬ শতাংশ কমে ১০২.০৩-এ দাঁড়িয়েছে, যা অক্টোবরের শুরুর পর থেকে সর্বনিম্ন। অন্যদিকে, ইউরো সূচক ১.৫ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ছয় মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ হয়েছে। মার্কিন ডলারের বিপরীতে অস্ট্রেলিয়ান ডলার ০.৫৬ শতাংশ, নিউজিল্যান্ড ডলার ০.৯ শতাংশ, জাপানি ইয়েন ১.৭ শতাংশ এবং সুইস ফ্রাঙ্ক পাঁচ মাসের মধ্যে সবচেয়ে শক্তিশালী অবস্থানে পৌঁছেছে।

ক্যাপিটাল ডটকমের সিনিয়র বাজার বিশ্লেষক ড্যানিয়েলা সাবিন হ্যাথর্ন জানান, ট্রাম্পের নতুন শুল্ক নীতির ফলে ডলার সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তিনি বলেন, “অনিশ্চয়তা এখনও বেশি রয়েছে—যদিও কয়েকদিনের মধ্যে কিছু শুল্ক বাতিল বা সংশোধন হতে পারে। তবে এর অর্থনৈতিক প্রভাব ১৯৩০-এর দশকের স্মুট-হাওলি শুল্ক আইনের চেয়েও বেশি হতে পারে।”

১৯৩০ সালে স্মুট-হাওলি শুল্ক আইন প্রণয়নের ফলে যুক্তরাষ্ট্র আমদানি কর বাড়িয়েছিল, যা বিশ্বব্যাপী প্রতিশোধমূলক শুল্কের সূত্রপাত ঘটায় এবং বৈশ্বিক মহামন্দাকে আরও গভীর করে তোলে।

ড্যানিয়েলা সাবিন হ্যাথর্ন আরও বলেন, ট্রাম্প প্রশাসনের এই পদক্ষেপ কেবল বাণিজ্যের ভারসাম্য রক্ষার কৌশল নয়, বরং যুক্তরাষ্ট্রকে সম্পূর্ণ স্বনির্ভর করার পরিকল্পনার অংশ হতে পারে। তবে, এই স্তরের শুল্ক আরোপের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র নিজেকে বৈশ্বিক বাণিজ্য থেকে বিচ্ছিন্ন করে ফেলতে পারে, যা দীর্ঘমেয়াদে অর্থনীতির জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে।

সূত্র: রয়টার্স, ব্যারন’স, দ্য গার্ডিয়ান

Header Ad
Header Ad

সর্বশেষ সংবাদ

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে শুল্ক ইস্যুর ইতিবাচক সমাধান হবে: প্রধান উপদেষ্টা
অতিরিক্ত গতি নিয়ন্ত্রণে ঠাকুরগাঁওয়ে প্রশাসন, পুলিশ ও বিআরটিএ'র বিশেষ অভিযান
শুল্ক আরোপের জেরে বিশ্ববাজারে মার্কিন ডলারের দরপতন
ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ে বাংলাদেশের উন্নতি, শীর্ষেই আর্জেন্টিনা
পাহাড়ের প্রধান সমস্যা চাঁদাবাজি: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হলেন বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সমন্বয়ক তানিফা
বিমসটেক সম্মেলনে যোগ দিতে ব্যাংকক পৌঁছালেন প্রধান উপদেষ্টা
বঙ্গোপসাগরে দীর্ঘতম উপকূলরেখা ভারতের দাবি জয়শঙ্করের
ট্রাম্পের নতুন শুল্ক পরিকল্পনার ঘোষণার পরপরই স্বর্ণের দাম বৃদ্ধি
গাজীপুরে চলন্ত ট্রেনে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, ঢাকা-ময়মনসিংহ রেল যোগাযোগ বন্ধ
সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে ভারতীয় যুবকের মৃত্যু
গাজার অংশবিশেষ দখল করার ঘোষণা ইসরায়েলের
মিঠাপুকুরে শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে কিশোর গ্রেফতার
এসএসসি পরীক্ষা একমাস পেছানোর দাবিতে শিক্ষার্থীদের অসহযোগ আন্দোলনের ডাক
অ্যাটলেটিকোকে হারিয়ে ফাইনালে রিয়ালের মুখোমুখি বার্সেলোনা
বাংলাদেশি পণ্যের ওপর ৩৭ শতাংশ শুল্ক আরোপ করল যুক্তরাষ্ট্র
বিমসটেক সম্মেলনে যোগ দিতে থাইল্যান্ডের উদ্দেশে ঢাকা ছাড়লেন প্রধান উপদেষ্টা
ব্যাংককে হচ্ছে ইউনূস-মোদির বৈঠক
সাতক্ষীরায় মদপানে দুই যুবকের মৃত্যু, হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ৯
ইরানের ড্রোন-ক্ষেপণাস্ত্র নেটওয়ার্কের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা