রবিবার, ৬ এপ্রিল ২০২৫ | ২৩ চৈত্র ১৪৩১
Dhaka Prokash

মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিতে ঘেরা ‘মরুদ্বীপ-৭১ স্বাধীনতা পার্ক’

মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় কিশোরগঞ্জে গড়ে উঠেছে স্বাধীনতা থিম পার্ক। নতুন প্রজন্মের কাছে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে ফুটিয়ে তুলতে জেলার কটিয়াদী উপজেলার ছায়া সুনিবিড় নিভৃত গ্রামীণ পরিবেশে গড়ে উঠেছে ‘মরুদ্বীপ-৭১ স্বাধীনতা পার্ক’ নামে একটি বিনোদনকেন্দ্র।

কটিয়াদী উপজেলা সদর থেকে প্রায় ১০ কিলোমিটার দক্ষিণে লোহাজুড়ি ইউনিয়নের উত্তর লোহাজুড়ির কুঁড়েরপাড় গ্রামে অবস্থিত দেশের প্রথম মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক বিনোদনকেন্দ্র ‘মরুদ্বীপ-৭১ স্বাধীনতা পার্ক’।

এখানে বাংলার গৌরবময় ইতিহাসকে সাবলীলভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে। মহান ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে একাত্তরের সবকিছুই আগামী প্রজন্মের জন্য তুলে ধরা হয়েছে। বিনোদনের পাশাপাশি দেশের ইতিহাস ও ঐতিহ্যের সঙ্গে কিছু সময় আলিঙ্গন করতে ও সবুজের মাঝে স্বস্তির নিঃশ্বাস নিতেই মনোরম স্থানে এই স্বাধীনতা পার্ক নির্মাণ করা হয়েছে। পার্কের সৌন্দর্য বর্ধনের জন্য ভেতরে রয়েছে ২১০ প্রজাতির দেশি-বিদেশি ফলজ, বনজ, ঔষধি ও ফুলের গাছ।

জানা যায়, ২০০৮ সালে কুঁড়েরপাড় গ্রামে গিয়েছিলেন একুশে পদক প্রাপ্ত ভাষা সৈনিক আব্দুল মতিন এবং বীর প্রতীক খেতাব প্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা তারামন বিবি। তাদের উৎসাহ ও অনুপ্রেরণায় অ্যাড. নুরুজ্জামান ইকবাল ব্যক্তি উদ্যোগে শুরু করেন স্বাধীনতা পার্কের কাজ। একক প্রচেষ্টায় নিজস্ব ২০ একর জমির উপর তিনি গড়ে তুলেছেন পার্কটি। বর্তমানে ৫০ একর জায়গাজুড়ে বিস্তৃত এই পার্ক। সরকারি জমি ও পৈতৃক জমির সমন্বয়ে পার্কটির নান্দনিক চিত্র ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।

স্বাধীনতা পার্কের প্রবেশ পথের শুরুতেই চোখে পড়বে খ্যাতিমান ভাস্কর প্রয়াত মৃণাল হকের তৈরি বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতি। বাংলাদেশের সংগ্রামী মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসের বাস্তব রূপ দেখতে এখানে বিশেষ দিনগুলোতে ভিড় করেন দর্শনার্থীরা। পার্কের ভেতর প্রবেশ করলেই চোখে পড়বে মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী, শেরে বাংলা এ কে ফজলুল হক, হোসেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী, জেনারেল মুহাম্মদ আতাউল গণি ওসমানী, নেতাজি সুভাষ চন্দ্র বসু ও ক্ষুদিরাম বসুর ভাস্কর্য। পার্কের ভেতরে দেয়ালের একপাশে মুক্তিযুদ্ধের সময় দেশের যে ১১টি সেক্টর ছিল সবগুলোর পরিচিতি এলাকাসহ তুলে ধরা হয়েছে। ছবিসহ ৭ বীরশ্রেষ্ঠের পরিচিতিও তুলির রঙে আঁকা রয়েছে।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতি, ভাস্কর্য ও জাতীয় চার নেতার প্রতিকৃতি, সাত বীরশ্রেষ্ঠের ম্যুরাল, অস্ত্রধারী মুক্তিযোদ্ধাদের ভাস্কর্যসহ রয়েছে শিশু পার্ক। দেয়ালে দেয়ালে ঠাঁই পেয়েছে মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক বিভিন্ন কবিতা ও স্বাধীনতার স্লোগান। স্বাধীনতা সংগ্রামে বীর শহীদদের স্মরণে নির্মাণ করা হয়েছে স্মৃতিসৌধ। সুবিশাল জায়গাজুড়ে প্রতিষ্ঠিত পার্কটি বাঙালি জাতির মুক্তির নেপথ্যে পরিশ্রমী নেতাদের ভাস্কর্য ও প্রতিকৃতির মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিগাঁথাকে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।

পার্ক কর্তৃপক্ষ জানায়, বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ, রেসকোর্স ময়দানে নিয়াজির আত্মসমর্পণ ইত্যাদিও ভাস্কর্যের মাধ্যমে ফুটিয়ে তোলা হবে। সেই কাজগুলো এখনো বাকি রয়েছে। ২০০৮ সালে যাত্রা শুরু হয় এই পার্কের। বিনোদন পার্কটির বাকি কার্যক্রমগুলো এখনো চলছে ধীরগতিতে। পার্কের পরিপূর্ণরূপ পেতে আরও সময়ের প্রয়োজন।

বিশিষ্ট সাংবাদিক ও লেখক প্রয়াত আব্দুল গাফফার চৌধুরী পার্কের মূল ফটকের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। ২০১০ সালের ৩০ অক্টোবর প্রধানমন্ত্রীর সাবেক স্বাস্থ্য ও সমাজকল্যাণ বিষয়ক উপদেষ্টা অধ্যাপক ডা. সৈয়দ মোদাচ্ছের আলী, প্রয়াত বিচারপতি হাবিবুর রহমান খান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক ও বাংলাদেশ টেলিভিশনের মহাপরিচালক প্রয়াত আবু জাফর সিদ্দিকী এ পার্কের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন।

পার্কের প্রতিষ্ঠাতা অ্যাডভোকেট নুরুজ্জামান ইকবাল জানিয়েছেন, আগামী প্রজন্মের কাছে মুক্তিযুদ্ধের প্রকৃত ইতিহাস ও বাংলাদেশের স্বাধীনতার ইতিহাস-ঐতিহ্য তুলে ধরার উদ্দেশ্যে এই স্বাধীনতা পার্কটি গড়ে তোলা হয়েছে। এ পার্কের মাধ্যমে আগামী প্রজন্ম যেন মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস ও সংগ্রামী, বিপ্লবী, বিশেষ ব্যক্তিদের সম্পর্কে জানতে ও দেখতে পারে সেটাই মূল লক্ষ্য।

এক যুগেরও বেশি সময় ধরে তিল তিল করে গড়ে উঠা পার্কটির অসমাপ্ত কাজগুলো শেষ হলে এটি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে হস্তান্তর করতে চান বলেও জানান নুরুজ্জামান।

এসজি

Header Ad
Header Ad

বিশ্বজুড়ে ট্রাম্প-মাস্কবিরোধী বিক্ষোভ, যুক্তরাষ্ট্রসহ ইউরোপের রাজপথে উত্তাল জনতা

ছবি: সংগৃহীত

বিশ্বব্যাপী রাজনৈতিক অস্থিরতার প্রেক্ষাপটে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং তার উপদেষ্টা ইলন মাস্কের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছে সাধারণ মানুষ। শনিবার (৫ মার্চ) যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, জার্মানি, ফ্রান্স, পর্তুগালসহ ইউরোপের বিভিন্ন শহরে হাজার হাজার মানুষ বিক্ষোভে অংশ নেন।

আয়োজকদের দাবি, ট্রাম্পের নতুন শুল্কনীতি এবং মাস্কের অতিরিক্ত রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা বৈশ্বিক অর্থনীতি ও গণতন্ত্রের জন্য হুমকিস্বরূপ।

ওয়াশিংটনের কানেটিকাট অ্যাভিনিউ ও ন্যাশনাল মল এলাকায় বৃষ্টির মধ্যেও হাজারো বিক্ষোভকারী প্ল্যাকার্ড হাতে জড়ো হন। ‘যুক্তরাষ্ট্রে কোনো রাজা নেই’, ‘মাস্ককে বিতাড়িত করুন’ ইত্যাদি স্লোগানে মুখর ছিল রাজপথ। আয়োজকদের ধারণা, শুধু ওয়াশিংটনেই অংশগ্রহণকারীর সংখ্যা ২০ হাজার ছাড়িয়ে যেতে পারে।

ইউরোপের শহরগুলোতেও ছিল একই দৃশ্য। জার্মানির বার্লিনে টেসলার শোরুমের সামনে এবং ফ্রাঙ্কফুর্টে ‘হ্যান্ডস অফ’ ব্যানারে বিক্ষোভকারীরা ট্রাম্পের পদত্যাগ দাবি করেন। তাদের হাতে ছিল ব্যানার: ‘গণতন্ত্র রক্ষা করুন’, ‘ট্রাম্প চলে যাও’। প্যারিসের প্যালেস দে লা রিপাবলিক এলাকায় মার্কিন অভিবাসীদের উপস্থিতি ছিল লক্ষণীয়, যেখানে ‘আইনের শাসন চাই’, ‘অত্যাচারীকে প্রতিহত করুন’—এমন বার্তাবাহী প্ল্যাকার্ড বহন করা হয়।

লন্ডন, লিসবনসহ আরও বেশ কিছু শহরেও মাস্ক ও ট্রাম্প বিরোধী আন্দোলনের ঝড় উঠে। বার্লিনে “ইলন, তোমাকে কেউ ভোট দেয়নি”—এই স্লোগানটি মাস্কের অগণতান্ত্রিক প্রভাবের বিরুদ্ধে বিক্ষোভকারীদের মনোভাব স্পষ্ট করে তোলে।

বিশ্বব্যাপী এই বিক্ষোভ শুধু রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়া নয়, বরং গণতন্ত্র, জবাবদিহিতা ও সুশাসনের পক্ষে একটি শক্তিশালী বার্তা হিসেবে প্রতিভাত হচ্ছে। আয়োজকরা বলেন, এখনকার বিশ্ব আগের চেয়ে অনেক বেশি আন্তঃসংযুক্ত—একটি দেশের নেতিবাচক সিদ্ধান্তের প্রভাব পড়ে অন্য দেশেও। এই বিক্ষোভ তাই স্বৈরাচার ও অগণতান্ত্রিক নেতৃত্বের বিরুদ্ধে বিশ্বজাগরণের প্রতিচ্ছবি। তথ্যসূত্র: রয়টার্স

Header Ad
Header Ad

চীনের গণমাধ্যমে দেয়া সাক্ষাৎকারে যা বললেন প্রধান উপদেষ্টা

ছবি: সংগৃহীত

চীনের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম সিজিটিএন-কে দেওয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে আন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, চীনের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক আরও গভীর এবং কৌশলগত পর্যায়ে উন্নীত করতে চান তিনি। শনিবার (৫ এপ্রিল) চার মিনিটের সেই ভিডিও সাক্ষাৎকারটি প্রকাশিত হয়।

সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, “বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় পৌঁছাতে পারে। এই সম্পর্ক শুধু বাংলাদেশ নয়, বরং পুরো অঞ্চলের ভূমি পরিবেষ্টিত দেশগুলোর জন্যও উপকার বয়ে আনবে।” তিনি চীনা বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং শিল্প-কারখানা বাংলাদেশে স্থানান্তরের আহ্বান জানান।

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, বাংলাদেশ বর্তমানে স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশের পথে রয়েছে, আর এ যাত্রায় চীনের সহযোগিতা গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে দেশের তরুণ জনগোষ্ঠীর দক্ষতা উন্নয়নে চীনের ভূমিকা হতে পারে উল্লেখযোগ্য। “আমাদের অর্ধেক জনগণের বয়স ২৭ বছরের নিচে। এরা বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ, এবং তাদের অর্থনৈতিক দক্ষতায় পরিণত করতে হবে,” বলেন তিনি।

তিনি বাংলাদেশের আর্থসামাজিক উন্নয়নে চীনের ভূমিকার প্রশংসা করেন এবং বলেন, “বাংলাদেশ ও চীনের ৫০ বছরের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। এই সাফল্য আরও এগিয়ে নিতে সংস্কৃতি ও ভাষা চর্চার উপর গুরুত্ব দিতে হবে।” তিনি বাংলাদেশে চাইনিজ সাংস্কৃতিক কেন্দ্র স্থাপনের প্রস্তাব দেন, যাতে বাংলাদেশের মানুষ চীনা ভাষা ও সংস্কৃতির সঙ্গে আরও ঘনিষ্ঠভাবে পরিচিত হতে পারে।

সাক্ষাৎকারে ড. ইউনূস স্বাস্থ্যসেবা খাতেও চীনের সহায়তার প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, “চীনের স্বাস্থ্য প্রযুক্তি ও পরিষেবা থেকে বাংলাদেশ অনেক কিছু শিখতে পারে। দেশের সাধারণ মানুষ চীনের মানসম্পন্ন স্বাস্থ্যসেবা পেতে আগ্রহী।”

সাক্ষাৎকারের শেষভাগে ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, “শান্তিই একমাত্র সমাধান, যুদ্ধ কোনো পথ নয়। একটি টেকসই, শান্তিপূর্ণ বিশ্ব গড়তে পারস্পরিক সহযোগিতা ও বোঝাপড়ার বিকল্প নেই।”

উল্লেখ্য, গত ২৬ থেকে ২৯ মার্চ ড. মুহাম্মদ ইউনূস দক্ষিণ চীনের হাইনান দ্বীপে আয়োজিত বোয়াও ফোরাম ফর এশিয়ার বার্ষিক সম্মেলনে অংশগ্রহণ করেন এবং পরে বেইজিং সফর করেন। এটি প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে তাঁর প্রথম রাষ্ট্রীয় সফর ছিল।

Header Ad
Header Ad

ট্রাম্প প্রশাসনের শুল্কারোপের প্রভাব বড় নয়, সামাল দেয়া সম্ভব: অর্থ উপদেষ্টা

অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ। ছবি: সংগৃহীত

ট্রাম্প প্রশাসনের শুল্কারোপ নিয়ে বাংলাদেশ উদ্বিগ্ন নয় বলে জানিয়েছেন অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ। রবিবার (৬ এপ্রিল) সচিবালয়ে ঈদ-পরবর্তী প্রথম কর্মদিবসে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি পণ্যের ওপর নতুন করে যেসব শুল্ক আরোপ করা হয়েছে, সেগুলোর প্রভাব মোকাবিলা করা কঠিন হবে না।

তিনি জানান, “ট্রাম্প প্রশাসনের এই সিদ্ধান্ত বাংলাদেশের রপ্তানি খাতে বড় কোনো প্রভাব ফেলবে না। আমাদের রপ্তানি বাজার বহুমুখী, সেই সঙ্গে উৎপাদন খরচ তুলনামূলকভাবে কম হওয়ায় আমরা প্রতিযোগিতামূলক অবস্থানে আছি।”

ঈদের পরবর্তী সামগ্রিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি সম্পর্কে মন্তব্য করতে গিয়ে অর্থ উপদেষ্টা বলেন, “মানুষ এবার ভালোভাবে ঈদ উদযাপন করেছে। মার্চ মাসে ৩ বিলিয়ন ডলারের রেমিট্যান্স এসেছে, যার প্রভাবে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভও বেড়েছে।”

সালেহউদ্দিন আহমেদ আশাবাদ ব্যক্ত করেন, দেশের অর্থনীতি স্থিতিশীল রয়েছে এবং যেকোনো বৈশ্বিক চাপে তা টিকে থাকতে সক্ষম হবে।

 

Header Ad
Header Ad

সর্বশেষ সংবাদ

বিশ্বজুড়ে ট্রাম্প-মাস্কবিরোধী বিক্ষোভ, যুক্তরাষ্ট্রসহ ইউরোপের রাজপথে উত্তাল জনতা
চীনের গণমাধ্যমে দেয়া সাক্ষাৎকারে যা বললেন প্রধান উপদেষ্টা
ট্রাম্প প্রশাসনের শুল্কারোপের প্রভাব বড় নয়, সামাল দেয়া সম্ভব: অর্থ উপদেষ্টা
রাশিয়ার দাবি ইউক্রেনে একদিনে ৪৩০ সেনা হতাহত
সরকারি সফরে রাশিয়া ও ক্রোয়েশিয়া গেলেন সেনাপ্রধান
ডিসেম্বরের মধ্যেই নির্বাচন চায় হেফাজত, বিএনপির সঙ্গে একমত
চীনের পাল্টা শুল্কারোপে মার্কিন শেয়ারবাজারে ধস, বিশ্ববাজারে বাড়ছে উত্তেজনা
সাবেক রেলমন্ত্রী মুজিবুল হকের বাড়িতে হামলা ও অগ্নিসংযোগ
পরকীয়া করলে পাথর নিক্ষেপে মৃত্যুদণ্ডের আইন করতেন অপু বিশ্বাস
বিএনপির দল পুনর্গঠনে তরুণ ও শিক্ষিত নেতৃত্বের অগ্রাধিকার
যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের রপ্তানি আরও বাড়বে: প্রেসসচিব
টাঙ্গাইলে ধান ক্ষেতে মিলল ৭০ বছর বয়সী এক বৃদ্ধার মরদেহ
বগুড়ার সাতটি আসনে জামায়াতের প্রার্থী ঘোষণা
রংপুরে বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষে প্রাণহানি, আহত অন্তত ২০
গত ২৫ বছর ‘জয় বাংলা’ বলিনি, এখন থেকে বলব: কাদের সিদ্দিকী
বিরামপুরে ভয়াবহ আগুনে সনাতন পরিবারের সর্বস্ব পুড়ে ছাই
রাতেই ঢাকাসহ ৭ অঞ্চলে ৬০ কিমি বেগে ঝড়-বৃষ্টি হতে পারে
মোদির প্রতিক্রিয়া শেখ হাসিনার ফেরত নিয়ে নেতিবাচক ছিল না: প্রেস সচিব
নওগাঁ হাসপাতালের পরিচ্ছন্নতা ও সমন্বয়ের বিষয়ে অসোন্তোষ স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক
প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের অধীনে চাকরি, পদ ২৫৫