রবিবার, ৬ এপ্রিল ২০২৫ | ২৩ চৈত্র ১৪৩১
Dhaka Prokash

নার্সারি নয় যেন ফুলের বাগান

গোলাপ, গাঁদা, ডালিয়া, কসমস, পিটুনিয়া, সেলফিয়া, পিঞ্জি, চন্দ্রমল্লিকা, স্নোবল, ডানিংটাচ, সূর্যমুখী, কোটালিকা, ল্যান্টানা, নয়নতারা, পঞ্চটিয়া, লিলিয়ানসহ বাহারি সব নাম। দেশি-বিদেশি শীতের ফুলগুলোর নামের মতোই তাদের রং-রূপও আলাদা। নার্সারিতে লাল, হলুদ, বেগুনি, সাদা, গোলাপি রঙের যেন মেলা বসছে। শৌখিন ক্রেতারা নার্সারি থেকে ফুলের চারা নিয়ে যাচ্ছেন নিজ বাড়িতে। ঘরের শোভা বাড়াতে এসব নার্সারিতে মধ্যবিত্ত ও শৌখিন মানুষ আসেন ফুলের চারা কিনতে। ফেনীর দাগনভূঞা উপজেলার দুধমুখা নার্সারি ঘুরে এ চিত্র দেখা যায়। এ যেন নার্সারি নয়, ফুলের বাগান।

নার্সারির মালিক হুমায়ুন কবির জানান, ২০২২ সালের মার্চ মাসে ১৪ লাখ টাকা পুঁজি দিয়ে ১০ শতাংশ জায়গার লিজ নিয়ে তিনি এই নার্সারি গড়ে তোলেন। লাভের মুখ দেখতে আরও এক বছর অপেক্ষা করতে হবে বলে জানান তিনি। ফুল ফোঁটা ৮০০ টব ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে এখানে।

তার নার্সারিতে রয়েছে বিভিন্ন প্রজাতির ফুলের গাছ ও চারা- এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলে- পিটুনিয়া, ইনকা গাঁদা, সেলফিয়া, চন্দ্রমল্লিকা, পয়েন সুর্চিয়া, কাটা মুকুট, মালা গাঁদা, কালার বাগান বিলাস, চায়না টগর, কাঠগোলাপ, থাই জবা, চায়না রঙ্গন, জাপানি রঙ্গন, বিভিন্ন জাতের গোলাপ, জুঁই, বেলি, কাশ গাঁদা, পদ্ম, এস্টার, কম্বেশান, রাঁধাচূড়া, কসমস, পিঞ্জি, স্নোবল, ডানিংটাচ, কোটালিকা, ল্যান্টানা, নয়নতারা, পঞ্চটিয়া, লিলিয়ান।

ফলের চারার মধ্যে রয়েছে- মিয়াজাকি আম, কিউজাই আম, ব্রুনাই কিং, থাই কচমিচা, ব্যাল্কস্টোন, আম্রপলি, ব্যানানা মাংগো, বারি-৪, বারি-১, ভিয়েতনাম মাল্টা, পয়সা মাল্টা, থাই জাম্বুরা, থাই পেয়ারা, কাজী পেয়ারা, মাধুরী পেয়ারা, আপেল কুল, থাই কুল, গ্লোবেল কুল, থাই তেতুল, থাই আমড়া, মিষ্টি করমচা, চাইনিজ পেয়ারা, থাই আতা, থাই কাঁঠাল, থাই সফেদা, স্ট্রবেরি পেয়ারা, অ্যাভোকাডো, লংগান, থাই আমলকি, স্টার আপেল।

নার্সারিতে ঢুকতেই দোকানি বলে যাচ্ছিলেন বিভিন্ন ফুল ও ফলের নাম। শীতের ফুল দেখে ক্রেতার মুখে হাসি দেখা দিলেও তা নার্সারির মালিক ও শ্রমিকদের মুখে হাসি ফোটাতে পারছে না। ফুলগুলোকে সুন্দর দেখাতে নিয়মিত পানি দিতে হয়। যত্ন করতে হয়। একবার ফুল ঝরে গেলে তখন সেই চারা বিক্রি হয় না। আবার ফুল ফোটার জন্য অপেক্ষা করতে হয়। কেননা গাছে ফুল না দেখলে ক্রেতাদের মন ভরে না। এত সব করার পরও যে পরিমাণ বিক্রি হয়, তাতে লাভ বেশি থাকে না। কিছু কিছু ফলু শুধু শীতকোলে থাকে। পরে মরে যায়। অথচ অন্যান্য চারা সারা বছর বিক্রি করা যায়। তাই পুরোটাই ‘লস প্রজেক্ট’। এসব চারা ছোট পলি প্যাকে এবং ফুল ফোটাগুলো পাওয়া যায় টবে। বিক্রেতা জানালেন, পলি প্যাকের চারার গড়পড়তা দাম প্রতিটি ২৫ থেকে ৬০ টাকার মধ্যে। বড় চারার দাম ফুল ও ফলের জাত, আকার আকৃতির উপর নির্ভর করে।

দুধমুখা নার্সারির শ্রমিক আবুল হোসেন জানালেন, পঞ্চটিয়া দামি ফুল। সবুজ পাতার ওপরেই লাল রঙের এই ফুল ৫০০-৭০০ টাকাতেও বিক্রি হয় অনেক সময়। এ ছাড়া শীতের সময় গোলাপ, ডালিয়া, চন্দ্রমল্লিকা বেশি বিক্রি হয়।

তিনিও কিছুটা আক্ষেপ নিয়েই বললেন, শীতে ব্যবসা কম হয়। যা বিক্রি করি, তা শ্রমিকদের খরচসহ অন্যান্য খরচ মেটাতেই চলে যায়।

বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কর্মরত ফাতেমা মামুন নার্সারি ঘুরে দেখছিলেন কী কী কেনা যায়। তিনি শুধু শীতের ফুলের চারা কেনার জন্য এ নার্সারিতে এসেছেন। নিজের ঘরের বারান্দা শুধু গাছ দিয়ে সাজিয়েছেন। সেখানে শীতের নতুন ফুল না থাকলে মন ভরে না। তাই খুঁজছেন পছন্দের ফুলটি।

নার্সারিতে ঢুঁ দিয়ে ফুলের চারার পাশাপাশি মরিচ, লেটুসপাতা, বেগুন, কমলা, মালটা, পেঁপেসহ বিভিন্ন চারা কিনেও বাড়ি ফিরছেন অনেকে।

উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা আবদুল খালেক জানান, নার্সারিটি স্থাপনে হুমায়ুন কবিরকে কৃষি বিভাগের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় পরামর্শ দিয়ে সহযোগিতা করা হয়েছে। তার এই নার্সারি, যেন নার্সারি নয়, ফুলের বাগানে পরিণত হয়েছে। দূর-দূরান্ত থেকে মানুষ ফুল ও ফলের চারা কিনতে আসছেন।

উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা আবদুল্লাহ আল-মারুফ জানান, বাংলাদেশের অন্য কোথাও এরকম ফুলে চোখ জুড়ানো নার্সারি আছে কি না আমার জানা নেই। তবে এই উপজেলার অন্য কোথাও কেউ যদি এরকম নার্সারি স্থাপন করতে চান, তাদের কৃষি বিভাগের পক্ষ থেকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করা হবে।

দাগনভূঞা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মহিউদ্দিন মজুমদার জানান, দুধমুখার এই নার্সারিতে বাংলাদেশে একটি মডেল নার্সারি হতে পারে। এখানে যারাই চারা কিনতে আসছেন তারা ফুলের সুবাসে মোহিত হচ্ছেন ও চোখ জুড়াচ্ছেন। সেলফি তুলছেন ও ঘণ্টাখানেক ফুলের নৈসর্গে হারিয়ে যাচ্ছেন।

এসএন

Header Ad
Header Ad

বিশ্বজুড়ে ট্রাম্প-মাস্কবিরোধী বিক্ষোভ, যুক্তরাষ্ট্রসহ ইউরোপের রাজপথে উত্তাল জনতা

ছবি: সংগৃহীত

বিশ্বব্যাপী রাজনৈতিক অস্থিরতার প্রেক্ষাপটে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং তার উপদেষ্টা ইলন মাস্কের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছে সাধারণ মানুষ। শনিবার (৫ মার্চ) যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, জার্মানি, ফ্রান্স, পর্তুগালসহ ইউরোপের বিভিন্ন শহরে হাজার হাজার মানুষ বিক্ষোভে অংশ নেন।

আয়োজকদের দাবি, ট্রাম্পের নতুন শুল্কনীতি এবং মাস্কের অতিরিক্ত রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা বৈশ্বিক অর্থনীতি ও গণতন্ত্রের জন্য হুমকিস্বরূপ।

ওয়াশিংটনের কানেটিকাট অ্যাভিনিউ ও ন্যাশনাল মল এলাকায় বৃষ্টির মধ্যেও হাজারো বিক্ষোভকারী প্ল্যাকার্ড হাতে জড়ো হন। ‘যুক্তরাষ্ট্রে কোনো রাজা নেই’, ‘মাস্ককে বিতাড়িত করুন’ ইত্যাদি স্লোগানে মুখর ছিল রাজপথ। আয়োজকদের ধারণা, শুধু ওয়াশিংটনেই অংশগ্রহণকারীর সংখ্যা ২০ হাজার ছাড়িয়ে যেতে পারে।

ইউরোপের শহরগুলোতেও ছিল একই দৃশ্য। জার্মানির বার্লিনে টেসলার শোরুমের সামনে এবং ফ্রাঙ্কফুর্টে ‘হ্যান্ডস অফ’ ব্যানারে বিক্ষোভকারীরা ট্রাম্পের পদত্যাগ দাবি করেন। তাদের হাতে ছিল ব্যানার: ‘গণতন্ত্র রক্ষা করুন’, ‘ট্রাম্প চলে যাও’। প্যারিসের প্যালেস দে লা রিপাবলিক এলাকায় মার্কিন অভিবাসীদের উপস্থিতি ছিল লক্ষণীয়, যেখানে ‘আইনের শাসন চাই’, ‘অত্যাচারীকে প্রতিহত করুন’—এমন বার্তাবাহী প্ল্যাকার্ড বহন করা হয়।

লন্ডন, লিসবনসহ আরও বেশ কিছু শহরেও মাস্ক ও ট্রাম্প বিরোধী আন্দোলনের ঝড় উঠে। বার্লিনে “ইলন, তোমাকে কেউ ভোট দেয়নি”—এই স্লোগানটি মাস্কের অগণতান্ত্রিক প্রভাবের বিরুদ্ধে বিক্ষোভকারীদের মনোভাব স্পষ্ট করে তোলে।

বিশ্বব্যাপী এই বিক্ষোভ শুধু রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়া নয়, বরং গণতন্ত্র, জবাবদিহিতা ও সুশাসনের পক্ষে একটি শক্তিশালী বার্তা হিসেবে প্রতিভাত হচ্ছে। আয়োজকরা বলেন, এখনকার বিশ্ব আগের চেয়ে অনেক বেশি আন্তঃসংযুক্ত—একটি দেশের নেতিবাচক সিদ্ধান্তের প্রভাব পড়ে অন্য দেশেও। এই বিক্ষোভ তাই স্বৈরাচার ও অগণতান্ত্রিক নেতৃত্বের বিরুদ্ধে বিশ্বজাগরণের প্রতিচ্ছবি। তথ্যসূত্র: রয়টার্স

Header Ad
Header Ad

চীনের গণমাধ্যমে দেয়া সাক্ষাৎকারে যা বললেন প্রধান উপদেষ্টা

ছবি: সংগৃহীত

চীনের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম সিজিটিএন-কে দেওয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে আন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, চীনের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক আরও গভীর এবং কৌশলগত পর্যায়ে উন্নীত করতে চান তিনি। শনিবার (৫ এপ্রিল) চার মিনিটের সেই ভিডিও সাক্ষাৎকারটি প্রকাশিত হয়।

সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, “বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় পৌঁছাতে পারে। এই সম্পর্ক শুধু বাংলাদেশ নয়, বরং পুরো অঞ্চলের ভূমি পরিবেষ্টিত দেশগুলোর জন্যও উপকার বয়ে আনবে।” তিনি চীনা বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং শিল্প-কারখানা বাংলাদেশে স্থানান্তরের আহ্বান জানান।

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, বাংলাদেশ বর্তমানে স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশের পথে রয়েছে, আর এ যাত্রায় চীনের সহযোগিতা গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে দেশের তরুণ জনগোষ্ঠীর দক্ষতা উন্নয়নে চীনের ভূমিকা হতে পারে উল্লেখযোগ্য। “আমাদের অর্ধেক জনগণের বয়স ২৭ বছরের নিচে। এরা বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ, এবং তাদের অর্থনৈতিক দক্ষতায় পরিণত করতে হবে,” বলেন তিনি।

তিনি বাংলাদেশের আর্থসামাজিক উন্নয়নে চীনের ভূমিকার প্রশংসা করেন এবং বলেন, “বাংলাদেশ ও চীনের ৫০ বছরের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। এই সাফল্য আরও এগিয়ে নিতে সংস্কৃতি ও ভাষা চর্চার উপর গুরুত্ব দিতে হবে।” তিনি বাংলাদেশে চাইনিজ সাংস্কৃতিক কেন্দ্র স্থাপনের প্রস্তাব দেন, যাতে বাংলাদেশের মানুষ চীনা ভাষা ও সংস্কৃতির সঙ্গে আরও ঘনিষ্ঠভাবে পরিচিত হতে পারে।

সাক্ষাৎকারে ড. ইউনূস স্বাস্থ্যসেবা খাতেও চীনের সহায়তার প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, “চীনের স্বাস্থ্য প্রযুক্তি ও পরিষেবা থেকে বাংলাদেশ অনেক কিছু শিখতে পারে। দেশের সাধারণ মানুষ চীনের মানসম্পন্ন স্বাস্থ্যসেবা পেতে আগ্রহী।”

সাক্ষাৎকারের শেষভাগে ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, “শান্তিই একমাত্র সমাধান, যুদ্ধ কোনো পথ নয়। একটি টেকসই, শান্তিপূর্ণ বিশ্ব গড়তে পারস্পরিক সহযোগিতা ও বোঝাপড়ার বিকল্প নেই।”

উল্লেখ্য, গত ২৬ থেকে ২৯ মার্চ ড. মুহাম্মদ ইউনূস দক্ষিণ চীনের হাইনান দ্বীপে আয়োজিত বোয়াও ফোরাম ফর এশিয়ার বার্ষিক সম্মেলনে অংশগ্রহণ করেন এবং পরে বেইজিং সফর করেন। এটি প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে তাঁর প্রথম রাষ্ট্রীয় সফর ছিল।

Header Ad
Header Ad

ট্রাম্প প্রশাসনের শুল্কারোপের প্রভাব বড় নয়, সামাল দেয়া সম্ভব: অর্থ উপদেষ্টা

অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ। ছবি: সংগৃহীত

ট্রাম্প প্রশাসনের শুল্কারোপ নিয়ে বাংলাদেশ উদ্বিগ্ন নয় বলে জানিয়েছেন অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ। রবিবার (৬ এপ্রিল) সচিবালয়ে ঈদ-পরবর্তী প্রথম কর্মদিবসে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি পণ্যের ওপর নতুন করে যেসব শুল্ক আরোপ করা হয়েছে, সেগুলোর প্রভাব মোকাবিলা করা কঠিন হবে না।

তিনি জানান, “ট্রাম্প প্রশাসনের এই সিদ্ধান্ত বাংলাদেশের রপ্তানি খাতে বড় কোনো প্রভাব ফেলবে না। আমাদের রপ্তানি বাজার বহুমুখী, সেই সঙ্গে উৎপাদন খরচ তুলনামূলকভাবে কম হওয়ায় আমরা প্রতিযোগিতামূলক অবস্থানে আছি।”

ঈদের পরবর্তী সামগ্রিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি সম্পর্কে মন্তব্য করতে গিয়ে অর্থ উপদেষ্টা বলেন, “মানুষ এবার ভালোভাবে ঈদ উদযাপন করেছে। মার্চ মাসে ৩ বিলিয়ন ডলারের রেমিট্যান্স এসেছে, যার প্রভাবে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভও বেড়েছে।”

সালেহউদ্দিন আহমেদ আশাবাদ ব্যক্ত করেন, দেশের অর্থনীতি স্থিতিশীল রয়েছে এবং যেকোনো বৈশ্বিক চাপে তা টিকে থাকতে সক্ষম হবে।

 

Header Ad
Header Ad

সর্বশেষ সংবাদ

বিশ্বজুড়ে ট্রাম্প-মাস্কবিরোধী বিক্ষোভ, যুক্তরাষ্ট্রসহ ইউরোপের রাজপথে উত্তাল জনতা
চীনের গণমাধ্যমে দেয়া সাক্ষাৎকারে যা বললেন প্রধান উপদেষ্টা
ট্রাম্প প্রশাসনের শুল্কারোপের প্রভাব বড় নয়, সামাল দেয়া সম্ভব: অর্থ উপদেষ্টা
রাশিয়ার দাবি ইউক্রেনে একদিনে ৪৩০ সেনা হতাহত
সরকারি সফরে রাশিয়া ও ক্রোয়েশিয়া গেলেন সেনাপ্রধান
ডিসেম্বরের মধ্যেই নির্বাচন চায় হেফাজত, বিএনপির সঙ্গে একমত
চীনের পাল্টা শুল্কারোপে মার্কিন শেয়ারবাজারে ধস, বিশ্ববাজারে বাড়ছে উত্তেজনা
সাবেক রেলমন্ত্রী মুজিবুল হকের বাড়িতে হামলা ও অগ্নিসংযোগ
পরকীয়া করলে পাথর নিক্ষেপে মৃত্যুদণ্ডের আইন করতেন অপু বিশ্বাস
বিএনপির দল পুনর্গঠনে তরুণ ও শিক্ষিত নেতৃত্বের অগ্রাধিকার
যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের রপ্তানি আরও বাড়বে: প্রেসসচিব
টাঙ্গাইলে ধান ক্ষেতে মিলল ৭০ বছর বয়সী এক বৃদ্ধার মরদেহ
বগুড়ার সাতটি আসনে জামায়াতের প্রার্থী ঘোষণা
রংপুরে বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষে প্রাণহানি, আহত অন্তত ২০
গত ২৫ বছর ‘জয় বাংলা’ বলিনি, এখন থেকে বলব: কাদের সিদ্দিকী
বিরামপুরে ভয়াবহ আগুনে সনাতন পরিবারের সর্বস্ব পুড়ে ছাই
রাতেই ঢাকাসহ ৭ অঞ্চলে ৬০ কিমি বেগে ঝড়-বৃষ্টি হতে পারে
মোদির প্রতিক্রিয়া শেখ হাসিনার ফেরত নিয়ে নেতিবাচক ছিল না: প্রেস সচিব
নওগাঁ হাসপাতালের পরিচ্ছন্নতা ও সমন্বয়ের বিষয়ে অসোন্তোষ স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক
প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের অধীনে চাকরি, পদ ২৫৫