শনিবার, ৫ এপ্রিল ২০২৫ | ২১ চৈত্র ১৪৩১
Dhaka Prokash

প্রচেষ্টার এক বছর

ভয়ংকর এক বৈরী পরিবেশে; অনেকটা ঝুঁকি নিয়েই শুরু করেছিলাম। তখনো কভিড-১৯ বা করোনা মহামারির তাণ্ডব বাংলাদেশসহ সারা বিশ্বকে ক্ষতবিক্ষত করছিল। প্রতিটা মুহূর্ত অনিশ্চয়তার মধ্যদিয়ে কাটছিল। কী হবে? কতদিন থাকবে? সামনের দিনগুলি কি আরও ভয়াবহ হবে? কতটা চ্যালেঞ্জিং হবে তা কেউ জানে না। সবার সামনেই অন্ধকারাচ্ছন্ন বন্ধুর পথ! বিশ্বের প্রতিটি দেশই করোনার ধকল সামলাতে কঠিন লড়াইয়ে ব্যস্ত। করোনার ছোবলে অনেক প্রতিষ্ঠিত প্রতিষ্ঠান ইতিমধ্যেই বন্ধ হয়ে গেছে। কোটি কোটি মানুষ চাকরি হারিয়ে দিশেহারা অবস্থা। অসংখ্য পরিবার ভেঙে চুরমার হয়ে গেছে। ভাঙনের মুখে পড়েছে আরো অনেক পরিবার। অনেক স্বপ্ন, অগণিত নতুন উদ্যোগ অঙ্কুরেই বিনষ্ট হয়েছে। এমন কঠিন পরিস্থিতিতে নতুন উদ্যোগ! সবার কাছেই যেন একটা বিস্ময়ের ব্যাপার ছিল!

অনেকেই আমাকে তখন ‘পাগল’ বলে মন্তব্য করেছেন। কাছের মানুষদের অনেকে নিরুৎসাহিত করেছিলেন। বন্ধুরা বলেছেন, অনেক তো হলো! আর কত? সাংবাদিকতা পেশায় ত্রিশ বছর কম সময় নয়। রিপোর্টার থেকে একটি বড় পত্রিকার সম্পাদক হয়েছ। এবার লেখালেখি করো। সেটাই বোধহয় বুদ্ধিমানের কাজ হবে।

সে সময় বেশ কয়েকটি বড় গ্রুপের ‘অফার’ ফিরিয়ে দিয়েছিলাম। দুটি গ্রুপের সঙ্গে চূড়ান্ত বৈঠকের পরও কী মনে করে যেন যোগদানে অনীহা প্রকাশ করলাম।

করোনায় বাসার বাইরে যাওয়ার নিষেধাজ্ঞা বহাল। আমি বাসায় বসে পড়ছি, লিখছি; সিনেমা দেখছি। স্ত্রী ছেলেমেয়েকে সময় দিচ্ছি। সাংবাদিকতা ও লেখালেখির কারণে পরিবারের সদস্যদের সময় দিতে পারিনি। সেই অপরাধবোধও নিজেকে তাড়িত করে। সে সময় অনেক বেকার সাংবাদিক প্রায়ই ফোন করে বলতেন, ভাই আপনার সঙ্গে কাজ করতে চাই। আপনি পত্রিকা করলে আমাকে রাখবেন। কেউ কেউ চাকরি হারিয়েই আমাকে ফোন করে বলতেন, ভাই বেকার হয়ে গেলাম। যদি সুযোগ থাকে আমাকে নেবেন।
বাসায় বসে ভাবি, কি করা যায়? পত্রিকা করার জন্য মোটেই সঠিক সময় নয়। অনলাইন মাল্টিমিডিয়া করা যেতে পারে। তা নিয়েও নানা দুশ্চিন্তা। যেভাবে ঘরে ঘরে ব্যাঙের ছাতার মতো অনলাইন গজিয়ে উঠেছে তাতে এসব করে কী হবে? সাংবাদিকতার নামে যা চলছে সেটাও কোনোভাবেই মেনে নিতে পারছিলাম না। মনপীড়ায় ভুগছিলাম প্রতিনিয়ত। ত্রিশ বছর সাংবাদিকতা করেও মানুষের কাছে পরিচয় দিতে পারি না। মোটকথা, পুরো পরিস্থিতিই বৈরি। তারপরও কাছের মানুষদের সঙ্গে বসলাম। কি করা যায় তা নিয়ে ভাবতে ভাবতেই ঠিক করলাম; কিছু একটা করতে হবে। কিছু মানুষেরও যদি কর্মসংস্থান করা যায়; ক্ষতি কী!

কয়েকজন কাছের মানুষ সহযোগিতার হাত বাড়ালেন। সাহস দিলেন। সেই সাহসের ওপর ভর করেই শুরু করলাম ঢাকাপ্রকাশ, ঢাকাপ্রকাশ২৪ডটকম। এর একটি ইতিহাস আছে। ঢাকাপ্রকাশ ১৮৬১ সালের ৭ মার্চ ঢাকা থেকে প্রকাশিত প্রথম বাংলাভাষার পত্রিকা। ইতিহাস-ঐতিহ্যকে ধরে রাখতেই মূলত ঢাকাপ্রকাশ নিয়ে পথ চলতে শুরু করলাম। শুরুতেই নানামুখি ষড়যন্ত্র হচ্ছিল। প্রধান অতিথি যাতে আমাদের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে না আসেন সেজন্য কানপড়া দেওয়া হয়েছিল। সকল বাধাবিপত্তি উপড়ে ফেলে এগোতে লাগলাম। আমাদের স্লোগান, সততাই শক্তি, সুসাংবাদিকতায় মুক্তি। স্লােগানটি সবাই খুব পছন্দ করল। অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদ স্যারসহ অনেক গুণীজন আমাদের পাশে দাঁড়ালেন। আমাদেরকে উৎসাহ দিলেন। ধীরে ধীরে আমাদের অবস্থান শক্ত হতে লাগল। খুব দ্রুততম সময়ের মধ্যেই আমাদের সঙ্গে যুক্ত হলেন বিশাল পাঠকগোষ্ঠী। তাদের ব্যাপক উৎসাহ ও অনুপ্রেরণা আমাদের চলার পথকে অনেকটাই মসৃণ করেছে।

আমরা এরমধ্যেই দেশ-বিদেশে বিপুল মানুষের সমর্থন ও সহযোগিতা পেয়েছি। আমাদের সাইটে প্রতিনিয়ত নতুন ভিজিটর আসছেন। নতুন ও পুরোনো প্রায় ত্রিশ লাখ পাঠক আমার সাইট ভিজিট করছেন। আমাদের ফেসবুকে ফ্যান-ফলোয়ারের সংখ্যাও আট লাখের বেশি। গুগল, ইউটিউবেও আমরা শক্ত অবস্থান গড়ে তুলতে সক্ষম হয়েছি। আমাদের সাইটে দেশের বিশিষ্টজনেরা নিয়মিত লিখছেন। আমাদের স্লোগানই আমাদের বড় শক্তি। আমরা সব রাজনৈতিক দল, মত ও পথের মানুষের কথাই প্রকাশ করি। কিন্তু কোনো দলের লেজুড়বৃত্তি করি না। আমরা মুক্তিযুদ্ধের চেতনা বুকে ধারণ করে পথ চলি। দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিই। স্বাধীনতাবিরোধী, উগ্রপন্থীদের সঙ্গে কোনো আপস করি না। আমরা সাদাকে সাদা আর কালোকে কালো বলি। আমরা কোনো রক্ত চক্ষুকে ভয় পাই না। কারণ, আমরা ভুল খবর প্রকাশ করি না। মিথ্যার ব্যাসাতি করি না। বিগত এক বছরে কোনো সংবাদ আমাদেরকে প্রত্যাহার করতে হয়নি। অনেকের অনেক ধরনের হুমকি ধমকিও আমরা সহ্য করেছি।

আরও একটি বিষয় না বললেই নয়, আগে দেখতাম, কোনো সংবাদ প্রকাশিত হলে সেটা কারও বিরুদ্ধে গেলে কিংবা মনপূত না হলে প্রতিবাদ পাঠাতেন। আমরা প্রতিবাদ প্রকাশ করতাম। এখন উকিল নোটিশ পাঠানো হয়। উকিল দিয়ে মামলার হুমকি দেওয়া হয়। অন্যায়কারীরা অন্যায় করেই যাবে, আর মিডিয়ার লোকদের তা মুখবুজে সহ্য করতে হবে! আমরা অত্যন্ত ধৈর্যের সঙ্গে বৈরী পরিস্থিতিকে মোকাবিলা করছি। আমরা জানি, আমরা সফল হব; আমরাই জিতব।

আমি শুরুতেই বলেছি, বৈরী পরিবেশে আমি যে লড়াই শুরু করেছি সেটা এগিয়ে নেওয়া খুব সহজ কাজ নয়। অনেকেই হয়তো সঙ্গে থাকবে না। থাকতে পারবে না। সবাই প্রতিষ্ঠানকে নিজের মনে করতে পারে না। আর সমাজে সুযোগ সন্ধানী লোকের অভাব নেই। থাকে বর্ণচোরাও। ভেতরে ঢুকেও কেউ কেউ প্রতিষ্ঠানের ক্ষতি করার চেষ্টা করেছে। নিজের স্বার্থসিদ্ধির হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করতে চেয়েছে। আবার কেউ কেউ আমার বিনয়কে দুর্বলতা ভেবে কুটকৌশলের আশ্রয় নিয়েছে। কিন্তু সফল হয়নি। কুচক্রীরা কখনো সফল হয় না। এটা বারবার প্রমাণিত হয়েছে।

আমি প্রতিজ্ঞা করেছি; পাঁচজনও যদি আমার সঙ্গে থাকে তাদের নিয়েই আমি লড়াই চালিয়ে যাব। আমি বিশ্বাস করি, প্রচেষ্টার মৃত্যু নেই। প্রথম বর্ষপূর্তি উপলক্ষে আমাদের স্লোগান হচ্ছে, ‘এগিয়ে চলার প্রত্যয়, সততা ও সুসাংবাদিকতায়’। গত এক বছর ধরে যারা আমাদের সঙ্গে থেকে উৎসাহ জুগিয়েছেন, নানাভাবে পরামর্শ দিয়ে আমাদের চলার পথকে সহজতর করেছেন, তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাই। কৃতজ্ঞতা ও ধন্যবাদ জানাই প্রিয় পাঠক, শুভাকাক্ষী, শুভানুধ্যায়ী ও বিজ্ঞাপনদাতাসহ সবাইকে। সবাই ভালো থাকুন, সুস্থ্য থাকুন। ঢাকাপ্রকাশ-এর সঙ্গে থাকুন।

লেখক: প্রধান সম্পাদক ঢাকাপ্রকাশ ও সাহিত্যিক

 

Header Ad
Header Ad

এক দিনেই পাঁচ রাষ্ট্রপ্রধানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন ড. ইউনূস

শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রী হরিনি অমরসুরিয়ার সঙ্গেও বৈঠক করছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। ছবি: সংগৃহীত

বঙ্গোপসাগরীয় দেশগুলোর আঞ্চলিক সহযোগিতা জোট বিমসটেকের দ্বিতীয় দিনে পাঁচ রাষ্ট্রপ্রধানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। শুক্রবার (৪ এপ্রিল) বিমসটেক সম্মেলন শেষে প্রথমে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে বৈঠক করেন তিনি।

এরপর থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী পেতংতার্নের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে মিলিত হন ড. ইউনূস। থাই প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশকে দুই বছরের জন্য বিমসটেকের সভাপতি নির্বাচিত হওয়ায় অভিনন্দন জানান এবং পারস্পরিক সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

পরে ভুটানের প্রধানমন্ত্রী শেরিং তোবগের সঙ্গে বৈঠকে বসেন ড. ইউনূস। আঞ্চলিক উন্নয়ন ও পারস্পরিক সহায়তা নিয়ে আলোচনা করেন তারা। একই দিন শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রী হরিনি অমরসুরিয়ার সঙ্গে হোটেল সাংগ্রিলায় বৈঠক করেন ড. ইউনূস, যেখানে অর্থনৈতিক উন্নয়নে সহযোগিতার বিষয়টি উঠে আসে।

বিকেলে মিয়ানমারের সরকার প্রধানের সঙ্গে হেঁটে হেঁটে বিভিন্ন ইস্যুতে আলাপ করেন ড. ইউনূস।

এদিকে, বৈঠকের পর নরেন্দ্র মোদি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে পোস্ট করেন—“বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছি। ভারত বাংলাদেশের সঙ্গে গঠনমূলক ও জনকেন্দ্রিক সম্পর্কের প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।” তিনি আরও বলেন, “বাংলাদেশে শান্তি, স্থিতিশীলতা, অন্তর্ভুক্তি ও গণতন্ত্রের প্রতি ভারতের সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেছি। সীমান্ত নিরাপত্তা ও সংখ্যালঘুদের সুরক্ষা নিয়ে আলোচনা করেছি।”

উল্লেখ্য, ১৯৯৭ সালে প্রতিষ্ঠিত বিমসটেক বর্তমানে বাণিজ্য, প্রযুক্তি, পরিবহন, জ্বালানি ও সন্ত্রাসবাদ দমনের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ আন্তঃআঞ্চলিক জোট হিসেবে কাজ করছে।

Header Ad
Header Ad

যুক্তরাষ্ট্র চলতি বছর ৬৮২ ভারতীয়কে ফেরত পাঠিয়েছে

ছবি: সংগৃহীত

চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে মার্চ পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র মোট ৬৮২ জন ভারতীয়কে ফেরত পাঠিয়েছে। এদের মধ্যে অধিকাংশই অবৈধভাবে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের চেষ্টা করেছিলেন। শুক্রবার (৪ এপ্রিল) ভারতের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী কীর্তিবর্ধন সিংহ লোকসভায় এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, সীমান্তে আটক হওয়া ভারতীয়দের নথিপত্র যাচাইয়ের পর যুক্তরাষ্ট্র তাদের প্রত্যাবাসন করে। একই সঙ্গে ভারত সরকার অবৈধ অভিবাসন ও মানব পাচার নিয়ে উদ্বিগ্ন এবং এই সমস্যা মোকাবিলায় মার্কিন প্রশাসনের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রেখে চলছে। অপরাধমূলক অভিবাসন চক্রের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলেও জানান তিনি।

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, শিক্ষার্থী, পর্যটক এবং পেশাদারদের আমেরিকা যাতায়াতে যাতে কোনো সমস্যা না হয়, সেদিকেও নজর দিচ্ছে মোদী সরকার। মার্কিন কর্তৃপক্ষ যে ভারতীয় নাগরিকদের তালিকা পাঠায়, তা গুরুত্ব সহকারে যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়।

এদিকে, জালিয়াতির দায়ে অভিযুক্ত ট্রাভেল এজেন্টদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নিতে সক্রিয় হয়েছে ভারত সরকার। মানব পাচারচক্রের সঙ্গে এজেন্টদের যোগসূত্র রয়েছে কি না, তা-ও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

Header Ad
Header Ad

কাকে বিয়ে করলেন জনপ্রিয় অভিনেতা শামীম?

ছবি: সংগৃহীত

জনপ্রিয় অভিনেতা শামীম হাসান সরকার অবশেষে বিয়ের পিঁড়িতে বসেছেন।

শুক্রবার (৪ এপ্রিল) সন্ধ্যায় নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক প্রোফাইলে একটি পোস্ট দিয়ে বিয়ের খবর জানিয়েছেন তিনি। স্ত্রীর সঙ্গে তোলা একটি ছবি দিয়ে প্রোফাইল পিকচার পরিবর্তন করে ক্যাপশনে লিখেছেন— "আলহামদুলিল্লাহ কবুল। আপনারা আমাদের জন্য দোয়া করবেন।"

এরপর পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে তোলা ছবি কাভার ফটো হিসেবে পোস্ট করেছেন এই অভিনেতা। ছবিতে অন্তর্বর্তী সরকারের রেল উপদেষ্টা ফাওজুল কবির খানকেও দেখা গেছে।

 

তবে স্ত্রীর পরিচয় সম্পর্কে ফেসবুক পোস্টে কিছু উল্লেখ করেননি শামীম।

Header Ad
Header Ad

সর্বশেষ সংবাদ

এক দিনেই পাঁচ রাষ্ট্রপ্রধানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন ড. ইউনূস
যুক্তরাষ্ট্র চলতি বছর ৬৮২ ভারতীয়কে ফেরত পাঠিয়েছে
কাকে বিয়ে করলেন জনপ্রিয় অভিনেতা শামীম?
ঢাকার পথে প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ইউনূস
মানিকগঞ্জে বাঁশঝাড়ে কার্টনে মিললো তরুণীর লাশ
ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ
দেশে তীব্র তাপপ্রবাহ নিয়ে বড় দুঃসংবাদ
হাসিনাকে ফেরানো নিয়ে আলোচনা হয়েছে তবে এ বিষয়ে আর কিছু বলা সম্ভব নয় : বিক্রম মিশ্রি
মার্কিন গাড়ি আমদানিতে ২৫% শুল্ক আরোপের ঘোষণা কানাডার
প্রথম ধাপে ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গাকে ফেরত নেবে মিয়ানমার
বিমসটেকের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব নিল বাংলাদেশ
চিকেনস নেকে ভারী যুদ্ধাস্ত্র মোতায়েন করল ভারত
চিত্রনায়িকা পরীমণির বিরুদ্ধে গৃহকর্মীর জিডি
পেঙ্গুইন ও পাখিদের উপরেও ট্রাম্পের শুল্ক আরোপ!
নেতাকর্মীদের মাঠে নামার নির্দেশ, আবারও শেখ হাসিনার উসকানি!
টাঙ্গাইলে ট্রাকচাপায় আনসার কমান্ডার নিহত
লোহাগাড়ায় সড়ক দুর্ঘটনা: না ফেরার দেশে প্রেমা, নিহত বেড়ে ১১
নিষেধাজ্ঞায় পড়লেন মেসির দেহরক্ষী, ঢুকতে পারবেন না মাঠে
শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ চাইলো বাংলাদেশ
ঈদ আনন্দে মুখরিত রংপুরের বিনোদন কেন্দ্রগুলো