শুক্রবার, ৪ এপ্রিল ২০২৫ | ২১ চৈত্র ১৪৩১
Dhaka Prokash

একটি খামারে সব

গতকাল ৬২ বছরে পা দিলো দেশের ও দশের প্রধান কৃষিভিত্তিক বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়। দুটি আধুনিক সমন্বিত কৃষি খামারে তাদের মাঠ সফর জানালো কী তাদের ভুবন ও অবদান বিশ্বে? লিখেছেন ও ছবি তুলেছেন রাকিবুল হাসান

দেশের ফসলি জমিতে বিভিন্ন ধরনের কল-কারাখানা, অফিস, আদালত, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান তৈরি হচ্ছে দিনে, দিনে। প্রতিনিয়ত কমছে মোট আবাদযোগ্য জমির পরিমাণ। অথচ জনসংখ্যা দিনে, দিনে বেড়ে চলেছে। তাদের খাদ্যচাহিদা বৃদ্ধি পাচ্ছে। এ অবস্থায় ‘সমন্বিত কৃষি খামার’ গুরত্বপূর্ণ সমাধান। এ হলো এমন এক ব্যবস্থা-যেখানে একই সঙ্গে ফসল, গরু, ছাগল, হাঁস, মুরগী ও মাছ উৎপাদন সম্ভব। ফলে মানুষের খাদ্য, পুষ্টি, জীবনযাত্রা ও অর্থনৈতিক নিরাপত্তা প্রদান সম্ভব। এমন সমন্বিত কৃষি খামার তৈরি করে স্বনির্ভর উদ্যোক্তা হওয়ার স্বপ্ন দেখেন লাখ, লাখ বেকার ও যুবক। বিভিন্ন প্রান্তে কিছু সমন্বিত কৃষি খামার গড়ে উঠেছে। এমনই একটি হলো শেরপুর সদর উপজেলার রৌহা ইউনিয়নের ‘মা-বাবার দোয়া ফ্রুট গার্ডেন নার্সারি অ্যান্ড অ্যাগ্রো ফার্ম’।

বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘অ্যাকোয়াকালচার’র মাস্টার্স প্রথম সেমিস্টারের ছাত্র, ছাত্রী তাদের মাঠ গবেষণায় খামারটিতে কাজ করেছেন। প্রায় ৮০০ একরের বিরাট একটি সমন্বিত কৃষি খামার। ঘুরে দেখালেন ম্যানেজার আবু সাইদ। জানালেন, ‘একই সঙ্গে আমাদের খামারে উৎপাদিত হচ্ছে-মাছ, হাঁস, মুরগি, গরু, ছাগল, বিভিন্ন ধরনের ফল ও সবজি। বাগানে মাল্টা, কমলা, আঙুর, ড্রাগন, লটকন, পেঁপে, পেয়ারা, লেবু, কুল ও সৌদি খেজুর, অ্যাভোকাডো (মেক্সিকোর একটি ফুলজাতীয় ফল), সফেদা, মালবেরি, ত্বীন, আলু বোখারা, ভিয়েতনামের নারিকেল, কিউই, আনার, থাই সরিষাসহ মোট ২শ ৭১টি জাতের ফলের চাষ হচ্ছে। রয়েছে হাঁস, মুরগী, গরু, ছাগল ও নানা জাতের কবুতর। সবচেয়ে বেশী চাষ করি মাল্টা। আমাদের উৎপাদন বিক্রি করে বছরে প্রায় ১৩ কোটি টাকা আয় হয়। ’

গবেষণা কার্যক্রমের অংশ হিসেবে তারা এরপর গিয়েছেন ময়মনসিংহ জেলার তারাকান্দা উপজেলার একটি সমন্বিত কৃষি ফার্মে। সেখানে পুকুরে মাছে, পাড়ে চাষ করা হচ্ছে নানা ধরনের সবজি। রয়েছে ঢেঁড়শ, লাউ, পেঁপে, বাঙ্গি, ডাটা, কলা প্রভৃতি। অ্যাকোয়াকালচার মাস্টার্স প্রথম সেমিস্টারের মোবিন হোসেন সোহান বলেছেন, ‘আমরা বেশিরভাগই অনার্স শেষে সরকারী চাকুরির পেছনে ছুটে বেড়াই। কৃষিতে কারিগরী জ্ঞানকে কাজে লাগিয়ে যদি এমন একটি সমন্বিত কৃষি খামার গড়তে পারি, যেমন নিজেরা সফল হতে পারব, তেমনি অন্যের কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করতে পারব। আমিও স্বপ্ন দেখি একদিন সমন্বিত কৃষি খামারের মালিক হব।’ তার বন্ধু নুসাইফা আহসান জানয়েছেন, ‘আজ এই সমন্বিত খামারটি দেখার পর মনের মধ্যে আমার নতুন স্বপ্নের উদয় হলো। চেষ্টা করব, এমন একটি খামারে বিষমুক্ত মাছ, সবজি ও মাংস উৎপাদনের। দেশের মানুষের খাদ্য নিরাপত্তায় অংশ নেব।’

তাদের ‘মাঠ সফর’-এ ছিলেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সভাপতি ও বিভাগের অধ্যাপক অধ্যাপক ড. এম এ সালাম, অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ মাহফুজুল হক, হাওর ও চর উন্নয়ন ইনস্টিটিউট, বাকৃবি’র প্রভাষক মোহাম্মদ মাহমুদুল, মো. তরিকুল ইসলাম, উম্মে ওয়াহিদা রহমান এবং শান্তা ইসলাম। ছিলেন পিএইচডির ছাত্র বলরাম মহলদার। অধ্যাপক ড. এম এ সালাম বলেন, ‘সমন্বিত মৎস্য ও কৃষিভিত্তিক খামারগুলো সম্পর্কে তাত্বিককভাবে শিক্ষার্থীদের ক্লাসে পড়াই কিন্তু ব্যবহারিকভাবে আমরা তাদের আধুনিক খামারের যে বিকাশ ঘটেছে, সেগুলো সবসময় দেখাতে নিয়ে যেতে পারি না নানা কারণে। মাঠে এসে শিক্ষার্থীদের এভাবে কাজ করাতে পারলে তাদের শিক্ষার পরিপূর্ণতা আসে।’ অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ মাহফুজুল হক জানিয়েছেন, ‘আমাদের মাস্টার্সের ছাত্র, ছাত্রীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের লেখাপড়ার একেবারেই শেষ প্রান্তে। বেশিরভাগই এখন বিভিন্ন ধরণের কর্মক্ষেত্রে প্রবেশের প্রস্তুতি নিচ্ছে। তাদের অনেকেই স্বপ্ন দেখে, উদ্যোক্তা হবে। সমন্বিত মৎস্যচাষ ও কৃষিভিত্তিক প্রযুক্তি এখন আকৃষ্ট করছে। শহর থেকে গ্রামে এসে আমাদের ছেলে, মেয়েদের অনেকে গড়ে তুলছে বিশ্বমানের সমন্বিত খামার। বৈচিত্র্যময় খাদ্য উৎপাদনের পাশাপাশি সৃষ্টি করছে শত মানুষের কর্মসংস্থান। আধুনিক সমন্বিত খামার দুটিতে শিক্ষার্থীদের সফরের মাধ্যমে অর্জিত জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা ভবিষ্যতে অনেককে উদ্যোক্তা হতে অনুপ্রাণিত করবে।’

ওএফএস।

Header Ad
Header Ad

চিত্রনায়িকা পরীমণির বিরুদ্ধে গৃহকর্মীর জিডি

চিত্রনায়িকা পরীমণি। ছবি: সংগৃহীত

চিত্রনায়িকা পরীমণির বিরুদ্ধে গৃহকর্মীকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে। ঢাকার ভাটারা থানায় গৃহকর্মী পিংকি আক্তার এই অভিযোগে একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন।

বৃহস্পতিবার (৩ এপ্রিল) পিংকি আক্তার এ জিডি করেন। অভিযোগে বলা হয়েছে, পরীমণির এক বছরের মেয়ে সন্তানকে খাবার খাওয়ানো নিয়ে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে গৃহকর্মীকে মারধর করা হয়।

 

ছবি: সংগৃহীত

ভাটারা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মাজহারুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, চিত্রনায়িকা পরীমণির বিরুদ্ধে নির্যাতনের অভিযোগে গৃহকর্মী থানায় জিডি করেছেন। পুলিশ ঘটনাটি তদন্ত করে দেখছে।

Header Ad
Header Ad

পেঙ্গুইন ও পাখিদের উপরেও ট্রাম্পের শুল্ক আরোপ!

ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের শুল্ক নীতির বিস্তৃতি এতদূর গিয়েছে যে, জনমানবহীন দ্বীপপুঞ্জও এর আওতায় এসেছে। ভারত মহাসাগরে অবস্থিত অ্যান্টার্কটিকার জনশূন্য হার্ড ও ম্যাকডোনাল্ড দ্বীপপুঞ্জের ওপরও যুক্তরাষ্ট্র শুল্ক আরোপ করেছে।

এই দ্বীপপুঞ্জে মানুষের কোনো বসবাস নেই, সেখানে শুধু পেঙ্গুইন, সিল এবং পরিযায়ী পাখিরা বসবাস করে। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য নীতির অংশ হিসেবে এই দ্বীপপুঞ্জের ওপরও ১০ শতাংশ শুল্ক বসানো হয়েছে। এর পাল্টা হিসেবে দ্বীপগুলোও যুক্তরাষ্ট্রের পণ্যে একই হারে শুল্ক আরোপ করেছে!

অস্ট্রেলিয়ার সরকারের ওয়েবসাইটের তথ্য অনুযায়ী, হার্ড ও ম্যাকডোনাল্ড দ্বীপ বিশ্বের অন্যতম প্রত্যন্ত ও দূরবর্তী জনশূন্য অঞ্চল। আবহাওয়া পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করে অস্ট্রেলিয়ার পশ্চিমাঞ্চলের ফ্রেম্যান্টল বন্দর থেকে সেখানে পৌঁছাতে জাহাজে কমপক্ষে ১০ দিন সময় লাগে। দ্বীপগুলোর বাসিন্দারা শুধুই বিভিন্ন প্রজাতির সংরক্ষিত পাখি, সিল এবং পেঙ্গুইন।

ট্রাম্পের এই শুল্ক নীতির বিস্তার নিয়ে অনেকে বিস্মিত। জনমানবহীন দ্বীপপুঞ্জের সঙ্গে শুল্ক-সংক্রান্ত বিরোধ সত্যিই নজিরবিহীন।

সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান

Header Ad
Header Ad

নেতাকর্মীদের মাঠে নামার নির্দেশ, আবারও শেখ হাসিনার উসকানি!

সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ছবি: সংগৃহীত

সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দলীয় নেতাকর্মীদের বিপদের মুখে ফেলে দিয়ে অতীতে ভারতে পালিয়ে গিয়েছিলেন। এবার তিনি ফের একই কৌশলে মাঠে নেমেছেন। আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয় উদ্ধারের জন্য তিনি নেতাকর্মীদের সংঘবদ্ধ হয়ে রাজপথে নামার নির্দেশ দিয়েছেন।

একটি টেলিফোন কথোপকথনে শেখ হাসিনা স্পষ্টতই বলেছেন, সামনে ও পেছনে দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে মাঠে নামতে হবে। সামনের গ্রুপ আক্রান্ত হলে পেছনের গ্রুপকে প্রতিহত করতে হবে এবং হামলাকারীদের চরম শিক্ষা দিতে হবে।

বুধবার গণমাধ্যমের হাতে আসা একটি ফোনালাপে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয় যে কোনো মূল্যে পুনরুদ্ধারের জন্য নির্দেশ দেন শেখ হাসিনা। দিল্লি থেকে টেলিফোনে যুবলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও ভোলা-৩ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য, বর্তমানে বিদেশে পলাতক নুরুন্নবী চৌধুরী শাওনকে তিনি এই নির্দেশ দেন।

এই নির্দেশনার পর আওয়ামী লীগের ভেতরেই ক্ষোভের সঞ্চার হয়েছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বেশ কয়েকজন নেতা গণমাধ্যমকে জানান, ‘শেখ হাসিনার ভুল সিদ্ধান্ত এবং কিছু হাইব্রিড আওয়ামী লীগারের দুর্নীতির কারণে দল আজ এই পরিস্থিতিতে পড়েছে। অথচ নেত্রীর এবং তার পরিবারের কোনো ক্ষতি হয়নি। তারা নিরাপদে আছেন, কিন্তু সাধারণ নেতাকর্মীরা পথে পথে মার খাচ্ছেন। এখন তিনি আবার তাদের বিপদে ঠেলে দিতে চান।’

টেলিফোন কথোপকথনে শেখ হাসিনাকে বলতে শোনা যায়, ‘তোমরা এত বড় বড় কথা বলো, অথচ এখনো কেন্দ্রীয় কার্যালয় উদ্ধার করতে পারলা না! ৫০ থেকে ১০০ জন লোক গেলে কি তোমাদের সবাইকে মেরে ফেলা হবে? লাখ লাখ লোক ঢাকায় আনার কথা বলো, অথচ একটা অফিস উদ্ধার করতে পারো না! যেভাবেই হোক, দলীয় কার্যালয় পুনরুদ্ধার করতে হবে—এটাই আমার শেষ কথা।’

জবাবে নুরুন্নবী চৌধুরী শাওন জানান, পরিকল্পনা করা হলেও কিছু কারণে সেটি বাস্তবায়ন করা হয়নি। তিনি আরও বলেন, ‘আপনার নির্দেশেই আমরা কাজ করব। শুধু ভোলা থেকেই ২০ লাখ লোক ঢাকায় সমবেত হবে। যখনই আপনার ডাক আসবে, আমরা তিন থেকে চার লাখ লোক নিয়ে ঢাকায় আসব।’

টেলিফোন আলাপে শেখ হাসিনা আরও কিছু নির্দেশনা দেন। তিনি বলেন, ‘ছোট ছোট বিক্ষোভের দরকার নেই, বড় আকারে মিছিল করতে হবে। সামনে একটি গ্রুপ থাকবে, পেছনে আরেকটি গ্রুপ। কেউ হামলা করলে পাল্টা আক্রমণ চালিয়ে তাদের শিক্ষা দিতে হবে। কেউ কাউকে কিছু দেবে না, নিজেদের অধিকার নিজেরাই আদায় করতে হবে।’

ফাঁস হওয়া কথোপকথনে শেখ হাসিনা বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বিরুদ্ধেও ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, ‘ড. ইউনূস সব জায়গায় মিথ্যা কথা বলছে। আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের হত্যা এবং তাদের বাড়িঘরে হামলার তথ্য সংগ্রহ করো। ছবি তোলো, ভিডিও করো এবং ইন্টারন্যাশনাল ক্রিমিনাল কোর্টে মামলা করার প্রস্তুতি নাও।’

জবাবে নুরুন্নবী চৌধুরী শাওন জানান, ইতোমধ্যে কিছু তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে, এবং এ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

গণতন্ত্র মঞ্চের অন্যতম নেতা ও বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক বলেন, ‘শেখ হাসিনা ও তার পরিবারের বেশির ভাগ সদস্য এবং আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতারা এখন বিদেশে আরামে আছেন। অথচ তারা দেশে থাকা নেতাকর্মীদের উসকানি দিচ্ছেন, যাতে তারা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ফের রাস্তায় নামে। কিন্তু একজন দুর্নীতিবাজ নেত্রীর জন্য সাধারণ নেতাকর্মীরা কেন ঝুঁকি নেবে?’

তিনি আরও বলেন, ‘আওয়ামী লীগ যে কৌশলে রাজনীতিতে ফেরার চেষ্টা করছে, সেটি সফল হবে বলে মনে হয় না। সাড়ে ১৫ বছরের অপশাসন, দুর্নীতি, লুটপাট, খুন-গুমের কোনো অনুশোচনা তাদের মধ্যে নেই। বরং তারা নিজেদের শাসনামলকে গৌরবান্বিত করার চেষ্টা করছে।’

উল্লেখ্য, ছাত্র-জনতার ব্যাপক গণ-অভ্যুত্থানের মুখে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা ক্ষমতাচ্যুত হন এবং দিল্লিতে পালিয়ে যান। সেখান থেকেই তিনি বিভিন্ন সময়ে দলের নেতাকর্মীদের টেলিফোনে নির্দেশনা দিচ্ছেন। সম্প্রতি তার একাধিক ফোনালাপ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে, যা নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা চলছে।

Header Ad
Header Ad

সর্বশেষ সংবাদ

চিত্রনায়িকা পরীমণির বিরুদ্ধে গৃহকর্মীর জিডি
পেঙ্গুইন ও পাখিদের উপরেও ট্রাম্পের শুল্ক আরোপ!
নেতাকর্মীদের মাঠে নামার নির্দেশ, আবারও শেখ হাসিনার উসকানি!
টাঙ্গাইলে ট্রাকচাপায় আনসার কমান্ডার নিহত
লোহাগাড়ায় সড়ক দুর্ঘটনা: না ফেরার দেশে প্রেমা, নিহত বেড়ে ১১
নিষেধাজ্ঞায় পড়লেন মেসির দেহরক্ষী, ঢুকতে পারবেন না মাঠে
শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ চাইলো বাংলাদেশ
ঈদ আনন্দে মুখরিত রংপুরের বিনোদন কেন্দ্রগুলো
লুটপাটের পর পুড়িয়ে দেওয়া হলো বিএনপি সমর্থকের বসতবাড়ি, গ্রেপ্তার ৯
ব্যাংককে ড. ইউনূস ও নরেন্দ্র মোদির দ্বিপক্ষীয় বৈঠক শুরু
দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট ইউন সুক ইওলকে অপসারণ করল আদালত
গাইবান্ধায় আওয়ামী লীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগের দুই নেতা গ্রেপ্তার
সংস্কার শেষে অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন আয়োজন করাই প্রধান লক্ষ্য: প্রধান উপদেষ্টা
নির্বাচন দিয়ে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত করতে হবে: টুকু
যৌথবাহিনীর অভিযান: ৭ দিনে গ্রেপ্তার ৩৪১
রাজধানীতে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার ধাক্কায় প্রাণ গেলো নারীর
ঈদের ছুটিতে কক্সবাজারে পর্যটকের ঢল, হোটেলে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগ
ব্যাংককে ড. মুহাম্মদ ইউনূস-নরেন্দ্র মোদির বৈঠক আজ
রাশিয়ার হয়ে ইউক্রেন যুদ্ধে অংশ নেওয়া ময়মনসিংহের ইয়াসিন নিহত
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে শুল্ক ইস্যুর ইতিবাচক সমাধান হবে: প্রধান উপদেষ্টা