শুক্রবার, ৪ এপ্রিল ২০২৫ | ২১ চৈত্র ১৪৩১
Dhaka Prokash

পুলিশ-র‌্যাবের পরিচয়ে প্রতারণা, ১০ মাসে গ্রেপ্তার ৩৫০

রাজধানীর মোহাম্মদপুরে র‌্যাব ও পুলিশ পরিচয়ে চাঁদা দাবির অভিযোগে সোহান শিকদার (২৪) নামে এক যুবককে ২৮ অক্টোবর গ্রেপ্তার করে র‌্যাব। গ্রেপ্তারের সময় তার পরনে পুলিশের ট্রাকস্যুট, রিফ্লেক্টিং ভেস্ট ছিল।

এর আগে ১৫ অক্টোবর মাসুম কবির নামে আরও একজনকে যাত্রাবাড়ী ট্রাফিক জোনে কর্মরত সার্জেন্ট মো. আল মামুন আটক করেন। ২৫ অক্টোবর আদাবরের সূচনা কমিউনিটি সেন্টার এলাকায় পুলিশ পরিচয়ে চাঁদাবাজি করতে গিয়ে র‌্যাবের হাতে আটক হয়েছেন আসিফ হোসেন নামে এক ব্যক্তি। এসময় তার কাছ থেকে একটি খেলনা পিস্তল, ওয়াকিটকি ও একটি পুলিশের ক্যাপ জব্দ করা হয়।

এ বিষয়ে র‌্যাব-২ এর সহকারী পরিচালক এএসপি শিহাব করিম বলেন, সম্প্রতি আমাদের কাছে অভিযোগ আসে মোহাম্মাদপুর এলাকায় ভুয়া পুলিশ সদস্য ও র‌্যাব পরিচয় দিয়ে চাঁদাবাজি চলছে। পরে অভিযান চালিয়ে কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ ধরনের অপরাধ নিয়ন্ত্রণে আমরা অভিযান অব্যাহত রেখেছি।

র‌্যাব ও পুলিশ সদরদপ্তরের প্রাপ্ত তথ্যে জানা যায়, চলতি বছরের অক্টোবর মাস পর্যন্ত সারা দেশে প্রায় সাড়ে ৩০০ ভুয়া র‌্যাব-পুলিশ গ্রেপ্তার করেছেন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা। ২০১৮ সালের অক্টোবর থেকে ২০২২ সালের ৩১ অক্টোবর পর্যন্ত সারাদেশে র‌্যাব, পুলিশ, এনএসআই ও বিজিবির পরিচয় দিয়ে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে জড়িত প্রায় ২ হাজারের মতো লোককে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এর মধ্যে ২০২১ সালেই এ চক্রের ৩০০ সদস্যকে গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনা হয়েছে। ডিবি পুলিশ বলছে, এই চক্রের সদস্যরা কখনো পুলিশ, কখনো র‌্যাবের পোশাকে ছদ্মবেশ ধারণ করে। আর সঙ্গে থাকে আগ্নেয়াস্ত্র।

চলতি বছরের ২০ অক্টোবর রাজধানীর পূর্ব শেওড়াপাড়া এলাকা থেকে দেশীয় অস্ত্রসহ ডিবি পুলিশ পরিচয়দানকারী ৪ জনকে গ্রেপ্তার করে কাফরুল থানা পুলিশ। গ্রেপ্তাররা হলেন- মো. তানভীর, মো. সাজিদ আহমেদ রাসেল, মো. আফসার হোসেন বাবু ও এনজেল স্যামুয়েল কস্তা। এ সময় তাদের কাছ থেকে তিনটি খাকি রংয়ের ডিবি লেখা জ্যাকেট, একটি হ্যান্ডক্যাপ, একটি ওয়াকিটকি, একটি চাকু, একটি চাপাতি ও ৪টি বাটন মোবাইল উদ্ধার করা হয়।

কাফরুল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হাফিজুর রহমান ঢাকাপ্রকাশ-কে বলেন, ডিবি পুলিশের সদস্য পরিচয় দিয়ে দীর্ঘদিন ধরে মানুষকে জিম্মি করে অর্থ আত্মসাৎ করে আসছিলেন তারা। পরে তাদের নজরদারিতে রেখে গ্রেপ্তার করা হয়। তিনি বলেন, তাদের ধরার পর ডিএমপির সদর দপ্তর থেকে আমাদের নির্দেশনা দেওয়া হয় ভুয়া র‌্যাব-পুলিশ গ্রেপ্তারের অভিযান চলমান রাখতে। এরপর থেকে আমাদের থানা পুলিশ এসব অপরাধ দমনে কাজ করছে।

ওসি হাফিজুর রহমান বলেন, তাদের নামে বিভিন্ন থানায় আগের বেশ কয়েকটি মামলা রয়েছে। এর মধ্যে বাবুর নামে যাত্রাবাড়ী থানায় ডাকাতির প্রস্তুতি, অস্ত্র ও মাদকের তিনটি মামলাসহ কুমিল্লার বুড়িচং থানায় ডাকাতির একটি মামলা ও স্যামুয়েল কস্তার নামে মিরপুর মডেল থানায় মানবপাচারের একটি মামলা রয়েছে।

এর আগেও চলতি বছরের মে মাসে মোহাম্মদপুর থেকে পুলিশের অভিযানে মো. রানা নামে একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তার কাছ থেকে একটি চুরি হওয়া গাড়ি উদ্ধার করা হয় এবং পুলিশের কার্ড পাওয়া যায়।

মোহাম্মদপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবুল কালাম আজাদ ঢাকাপ্রকাশ-কে বলেন, চলতি বছরের শুরু থেকে এ পর্যন্ত এই চক্রের বেশ কয়েকজনকে আটক করা হয়েছে।

র‌্যাব-পুলিশ পরিচয়ে প্রতারণার ঘটনায় ডিএমপির তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই ফারুকুল ইসলাম ঢাকাপ্রকাশ-কে বলেন, অধিকাংশ সময় দেখা গেছে যারা বিভিন্ন বাহিনীতে চাকরি করেছে এবং চাকরিচ্যুত হয়েছে তারাই বেশির ভাগ সময় এসব অপরাধে যুক্ত। পুলিশ পরিচয় দেওয়া মো. সোহেল রানার মামলার তদন্ত করতে গিয়ে আমি বেশ কিছু তথ্য পেয়েছি, সব কিছু ডিএমপি সদর দপ্তরে জমা দিয়েছি। এরপর থেকে আমাদের উপরের কর্মকর্তা ভুয়া র‌্যাব পুলিশ গ্রেপ্তারের অভিযান পরিচালনা করার জন্য নির্দেশনা দিয়েছেন।

গত ৬ মার্চ চাঁপাইনবাবগঞ্জে বিজিবি সদস্য পরিচয় দেওয়া মোহম্মাদ হোসেন নামে এক ব্যক্তিকে আটক করে পুলিশ। পরে জানা যায় তিনি কোনো বাহিনীর সদস্য নয়। ৫ বছরে বিজিবির সদস্য পরিচয়ে বেশ কয়েকজন প্রতারক আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর হাতে আটক হয়েছে।

এ বিষয়ে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিজিবির এক কর্মকর্তা বলেন, যদি বিজিবির কোনো সদস্য অপরাধের সঙ্গে যুক্ত হয় তাহলে তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়। বিজিবির পরিচয়টা তো বড় পরিচয়। তা ছাড়া কোনো বিজিবি সদস্য যদি ভুয়া র‌্যাব বা পুলিশের পরিচয় দেয় তাহলে এটা প্রমাণিত হলে আমরা তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করে থাকি। কিছু কিছু হয়তো বিছিন্ন ঘটনা ঘটতে পারে। তবে প্রযুক্তির যুগে প্রতারকরা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পরিচয় দিয়ে বেশি সুবিধা করতে পারে না।

এসব বিষয়ে গোয়েন্দা পুলিশ বলছে, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কর্মপদ্ধতি অনুকরণ করে পুলিশ-র‌্যাবের পরিচয় দিয়ে আড়ালে গড়ে তুলছে ছিনতাই, ডাকাতি ও অপহরণকারী চক্র। অপরাধীদের পরনে কখনো গোয়েন্দা পুলিশ, কখনো র‌্যাবের পোশাক থাকে। সঙ্গে থাকে আগ্নেয়াস্ত্র। তারা গাড়িতে ব্যবহার করছে বিভিন্ন বাহিনীর লোগো। তাই সাধারণের পক্ষে আসল-নকল চেনা মুশকিল।

এসব অপরাধে গ্রেপ্তার হওয়া আসামিদের জিজ্ঞাসাবাদের বরাদ দিয়ে গোয়েন্দা পুলিশ বলছে, সাধারণত এসব প্রতারকরা দুইভাবে কাজ করে। একদল আর্থিক প্রতিষ্ঠানের সামনেসহ বিভিন্ন স্থানে কথিত অভিযানের নামে নিশানায় থাকা ব্যক্তিকে গাড়িতে তুলে মারধর করে অর্থকড়ি ছিনিয়ে নেয়। আরেকদল ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা সেজে নিয়োগ, বদলি, তদবিরের নামে হাতিয়ে নেয় লাখ লাখ টাকা।

পুলিশ-র‌্যাবের পরিচয় দিয়ে অপরাধের বিষয়ে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের প্রধান ডিআইজি হারুন অর রশিদ ঢাকাপ্রকাশ-কে বলেন, এসব বিষয়ে আমরা সাধারণ মানুষকে অনেকবার সর্তক করেছি। তাদের আমরা বলেছি কাউকে সন্দেহ হলে আপনারা স্থানীয় থানা পুলিশকে জানান। তা ছাড়া এসব অপরাধ দমনের জন্য আমরা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা সমন্বয় করে কাজ করছি।

তিনি আরও বলেন, এসব অপরাধ দমনে আমরা কার্যকরী পদক্ষেপ গ্রহণ করছি এবং আমাদের থানা পুলিশ ও গোয়েন্দারা পুলিশ ও র‌্যাব পরিচয় দেওয়া প্রতারকদের ধরতে তৎপর।

পুলিশ সদর দপ্তরের এআইজি (মিডিয়া) মো. মনজুর রহমান বলেন, পুলিশ-র‌্যাবের পরিচয়ে প্রতারণার বিষয়টি আসলেই বেশ আগে থেকেই রয়েছে। এরা ধরা পড়ার পর জামিনে বের হয়ে আবারও একই অপরাধে যুক্ত হয়। এদের ধরতে বিভিন্ন তথ্য প্রমাণ নিয়ে আমাদের পুলিশ নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করছে।

এসএন

Header Ad
Header Ad

পেঙ্গুইন ও পাখিদের উপরেও ট্রাম্পের শুল্ক আরোপ!

ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের শুল্ক নীতির বিস্তৃতি এতদূর গিয়েছে যে, জনমানবহীন দ্বীপপুঞ্জও এর আওতায় এসেছে। ভারত মহাসাগরে অবস্থিত অ্যান্টার্কটিকার জনশূন্য হার্ড ও ম্যাকডোনাল্ড দ্বীপপুঞ্জের ওপরও যুক্তরাষ্ট্র শুল্ক আরোপ করেছে।

এই দ্বীপপুঞ্জে মানুষের কোনো বসবাস নেই, সেখানে শুধু পেঙ্গুইন, সিল এবং পরিযায়ী পাখিরা বসবাস করে। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য নীতির অংশ হিসেবে এই দ্বীপপুঞ্জের ওপরও ১০ শতাংশ শুল্ক বসানো হয়েছে। এর পাল্টা হিসেবে দ্বীপগুলোও যুক্তরাষ্ট্রের পণ্যে একই হারে শুল্ক আরোপ করেছে!

অস্ট্রেলিয়ার সরকারের ওয়েবসাইটের তথ্য অনুযায়ী, হার্ড ও ম্যাকডোনাল্ড দ্বীপ বিশ্বের অন্যতম প্রত্যন্ত ও দূরবর্তী জনশূন্য অঞ্চল। আবহাওয়া পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করে অস্ট্রেলিয়ার পশ্চিমাঞ্চলের ফ্রেম্যান্টল বন্দর থেকে সেখানে পৌঁছাতে জাহাজে কমপক্ষে ১০ দিন সময় লাগে। দ্বীপগুলোর বাসিন্দারা শুধুই বিভিন্ন প্রজাতির সংরক্ষিত পাখি, সিল এবং পেঙ্গুইন।

ট্রাম্পের এই শুল্ক নীতির বিস্তার নিয়ে অনেকে বিস্মিত। জনমানবহীন দ্বীপপুঞ্জের সঙ্গে শুল্ক-সংক্রান্ত বিরোধ সত্যিই নজিরবিহীন।

সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান

Header Ad
Header Ad

নেতাকর্মীদের মাঠে নামার নির্দেশ, আবারও শেখ হাসিনার উসকানি!

সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ছবি: সংগৃহীত

সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দলীয় নেতাকর্মীদের বিপদের মুখে ফেলে দিয়ে অতীতে ভারতে পালিয়ে গিয়েছিলেন। এবার তিনি ফের একই কৌশলে মাঠে নেমেছেন। আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয় উদ্ধারের জন্য তিনি নেতাকর্মীদের সংঘবদ্ধ হয়ে রাজপথে নামার নির্দেশ দিয়েছেন।

একটি টেলিফোন কথোপকথনে শেখ হাসিনা স্পষ্টতই বলেছেন, সামনে ও পেছনে দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে মাঠে নামতে হবে। সামনের গ্রুপ আক্রান্ত হলে পেছনের গ্রুপকে প্রতিহত করতে হবে এবং হামলাকারীদের চরম শিক্ষা দিতে হবে।

বুধবার গণমাধ্যমের হাতে আসা একটি ফোনালাপে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয় যে কোনো মূল্যে পুনরুদ্ধারের জন্য নির্দেশ দেন শেখ হাসিনা। দিল্লি থেকে টেলিফোনে যুবলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও ভোলা-৩ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য, বর্তমানে বিদেশে পলাতক নুরুন্নবী চৌধুরী শাওনকে তিনি এই নির্দেশ দেন।

এই নির্দেশনার পর আওয়ামী লীগের ভেতরেই ক্ষোভের সঞ্চার হয়েছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বেশ কয়েকজন নেতা গণমাধ্যমকে জানান, ‘শেখ হাসিনার ভুল সিদ্ধান্ত এবং কিছু হাইব্রিড আওয়ামী লীগারের দুর্নীতির কারণে দল আজ এই পরিস্থিতিতে পড়েছে। অথচ নেত্রীর এবং তার পরিবারের কোনো ক্ষতি হয়নি। তারা নিরাপদে আছেন, কিন্তু সাধারণ নেতাকর্মীরা পথে পথে মার খাচ্ছেন। এখন তিনি আবার তাদের বিপদে ঠেলে দিতে চান।’

টেলিফোন কথোপকথনে শেখ হাসিনাকে বলতে শোনা যায়, ‘তোমরা এত বড় বড় কথা বলো, অথচ এখনো কেন্দ্রীয় কার্যালয় উদ্ধার করতে পারলা না! ৫০ থেকে ১০০ জন লোক গেলে কি তোমাদের সবাইকে মেরে ফেলা হবে? লাখ লাখ লোক ঢাকায় আনার কথা বলো, অথচ একটা অফিস উদ্ধার করতে পারো না! যেভাবেই হোক, দলীয় কার্যালয় পুনরুদ্ধার করতে হবে—এটাই আমার শেষ কথা।’

জবাবে নুরুন্নবী চৌধুরী শাওন জানান, পরিকল্পনা করা হলেও কিছু কারণে সেটি বাস্তবায়ন করা হয়নি। তিনি আরও বলেন, ‘আপনার নির্দেশেই আমরা কাজ করব। শুধু ভোলা থেকেই ২০ লাখ লোক ঢাকায় সমবেত হবে। যখনই আপনার ডাক আসবে, আমরা তিন থেকে চার লাখ লোক নিয়ে ঢাকায় আসব।’

টেলিফোন আলাপে শেখ হাসিনা আরও কিছু নির্দেশনা দেন। তিনি বলেন, ‘ছোট ছোট বিক্ষোভের দরকার নেই, বড় আকারে মিছিল করতে হবে। সামনে একটি গ্রুপ থাকবে, পেছনে আরেকটি গ্রুপ। কেউ হামলা করলে পাল্টা আক্রমণ চালিয়ে তাদের শিক্ষা দিতে হবে। কেউ কাউকে কিছু দেবে না, নিজেদের অধিকার নিজেরাই আদায় করতে হবে।’

ফাঁস হওয়া কথোপকথনে শেখ হাসিনা বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বিরুদ্ধেও ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, ‘ড. ইউনূস সব জায়গায় মিথ্যা কথা বলছে। আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের হত্যা এবং তাদের বাড়িঘরে হামলার তথ্য সংগ্রহ করো। ছবি তোলো, ভিডিও করো এবং ইন্টারন্যাশনাল ক্রিমিনাল কোর্টে মামলা করার প্রস্তুতি নাও।’

জবাবে নুরুন্নবী চৌধুরী শাওন জানান, ইতোমধ্যে কিছু তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে, এবং এ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

গণতন্ত্র মঞ্চের অন্যতম নেতা ও বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক বলেন, ‘শেখ হাসিনা ও তার পরিবারের বেশির ভাগ সদস্য এবং আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতারা এখন বিদেশে আরামে আছেন। অথচ তারা দেশে থাকা নেতাকর্মীদের উসকানি দিচ্ছেন, যাতে তারা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ফের রাস্তায় নামে। কিন্তু একজন দুর্নীতিবাজ নেত্রীর জন্য সাধারণ নেতাকর্মীরা কেন ঝুঁকি নেবে?’

তিনি আরও বলেন, ‘আওয়ামী লীগ যে কৌশলে রাজনীতিতে ফেরার চেষ্টা করছে, সেটি সফল হবে বলে মনে হয় না। সাড়ে ১৫ বছরের অপশাসন, দুর্নীতি, লুটপাট, খুন-গুমের কোনো অনুশোচনা তাদের মধ্যে নেই। বরং তারা নিজেদের শাসনামলকে গৌরবান্বিত করার চেষ্টা করছে।’

উল্লেখ্য, ছাত্র-জনতার ব্যাপক গণ-অভ্যুত্থানের মুখে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা ক্ষমতাচ্যুত হন এবং দিল্লিতে পালিয়ে যান। সেখান থেকেই তিনি বিভিন্ন সময়ে দলের নেতাকর্মীদের টেলিফোনে নির্দেশনা দিচ্ছেন। সম্প্রতি তার একাধিক ফোনালাপ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে, যা নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা চলছে।

Header Ad
Header Ad

টাঙ্গাইলে ট্রাকচাপায় আনসার কমান্ডার নিহত

নিহত শফিউল্লাহ মিয়া। ছবি: ঢাকাপ্রকাশ

টাঙ্গাইলের দেলদুয়ারে ট্রাক চাপায় শফিউল্লাহ মিয়া (৪৭) নামে এক আনসার সদস্য (কমান্ডার) সদস্য নিহত হয়েছেন। শুক্রবার (৪ এপ্রিল) ভোরে উপজেলা হাসপাতালের সামনে এ ঘটনা ঘটে।

শফিউল্লাহ মিয়া উপজেলার মৌলভীপাড়া গ্রামের মরহুম হাবিবুল্লাহ ওরফে মজনু মিয়ার ছেলে। তিনি কুমিল্লার মনোহরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা আনসার সদস্যদের কমান্ডার (পিসি) হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

প্রত্যক্ষদর্শী ও পরিবার সূত্রে জানা যায, ঈদের ছুটিতে গত ২৮ মার্চ বাড়িতে এসেছিলেন তিনি। ছুটি শেষে শুক্রবার কর্মস্থলে ফেরার কথা ছিল শফিউল্লাহর। শুক্রবার ভোরে হাঁটতে বেরিয়ে ছিলেন তিনি।

এ সময় দেলদুয়ার সড়কে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ট্রাক বৈদ্যুতিক খুঁটিতে ধাক্কা দেয়। এতে বৈদ্যুতিক খুঁটিটি ভেঙে শফিউল্লাহর মাথায় পড়ে। এরপর তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

এ ঘটনায় দেলদুয়ার থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শোয়েব আহমেদ বলেন, ঈদের ছুটিতে বাড়ি এসেছিলেন শফিউল্লাহ। শুক্রবার ভোরে তিনি নামাজ পরে হাঁটতে বের হন। হাঁটার একপর্যায়ে হাসপাতালের সামনে এলে মাটি বহনকারীর ড্রাম ট্রাক তাকে চাপা দিয়ে খুঁটির সঙ্গে ধাক্কা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় তার।

Header Ad
Header Ad

সর্বশেষ সংবাদ

পেঙ্গুইন ও পাখিদের উপরেও ট্রাম্পের শুল্ক আরোপ!
নেতাকর্মীদের মাঠে নামার নির্দেশ, আবারও শেখ হাসিনার উসকানি!
টাঙ্গাইলে ট্রাকচাপায় আনসার কমান্ডার নিহত
লোহাগাড়ায় সড়ক দুর্ঘটনা: না ফেরার দেশে প্রেমা, নিহত বেড়ে ১১
নিষেধাজ্ঞায় পড়লেন মেসির দেহরক্ষী, ঢুকতে পারবেন না মাঠে
শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ চাইলো বাংলাদেশ
ঈদ আনন্দে মুখরিত রংপুরের বিনোদন কেন্দ্রগুলো
লুটপাটের পর পুড়িয়ে দেওয়া হলো বিএনপি সমর্থকের বসতবাড়ি, গ্রেপ্তার ৯
ব্যাংককে ড. ইউনূস ও নরেন্দ্র মোদির দ্বিপক্ষীয় বৈঠক শুরু
দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট ইউন সুক ইওলকে অপসারণ করল আদালত
গাইবান্ধায় আওয়ামী লীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগের দুই নেতা গ্রেপ্তার
সংস্কার শেষে অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন আয়োজন করাই প্রধান লক্ষ্য: প্রধান উপদেষ্টা
নির্বাচন দিয়ে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত করতে হবে: টুকু
যৌথবাহিনীর অভিযান: ৭ দিনে গ্রেপ্তার ৩৪১
রাজধানীতে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার ধাক্কায় প্রাণ গেলো নারীর
ঈদের ছুটিতে কক্সবাজারে পর্যটকের ঢল, হোটেলে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগ
ব্যাংককে ড. মুহাম্মদ ইউনূস-নরেন্দ্র মোদির বৈঠক আজ
রাশিয়ার হয়ে ইউক্রেন যুদ্ধে অংশ নেওয়া ময়মনসিংহের ইয়াসিন নিহত
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে শুল্ক ইস্যুর ইতিবাচক সমাধান হবে: প্রধান উপদেষ্টা
অতিরিক্ত গতি নিয়ন্ত্রণে ঠাকুরগাঁওয়ে প্রশাসন, পুলিশ ও বিআরটিএ'র বিশেষ অভিযান