শুক্রবার, ৪ এপ্রিল ২০২৫ | ২১ চৈত্র ১৪৩১
Dhaka Prokash

জ্বালানিতে ভর্তুকি কমাতে সরকারের যত উদ্যোগ, নানা আশঙ্কা

তেলসহ সব ধরনের জ্বালানির উপর থেকে ভর্তুকি তুলে নিতে নানা ধরনের উদ্যোগ নেওয়ার পরিকল্পনা করছে সরকার। তিন মাস পর পর দাম সমন্বয়, আমদানি ও বিপণনে বেসরকারি খাতকে সম্পৃক্ত করা এবং নিজস্ব গ্যাসের সর্বোচ্চ উৎপাদন বাড়ানোর মতো পদক্ষেপের কথা চিন্তা করছে সরকার।

তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলো ইচ্ছামতো দাম বাড়াতে চাইবে অধিক মুনাফার জন্য। সরকারি নিয়ন্ত্রণ সেই মাত্রায় নাম থাকলে সাধারণ মানুষ অসুবিধায় পড়বে।

অর্থ মন্ত্রণালয়ে মঙ্গলবার (২০ ডিসেম্বর) অনুষ্ঠিত এক বৈঠকেও অন্যান্য এজেন্ডার পাশাপাশি জ্বালানিতে ভর্তুকির বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয়। বৈঠকে অভিমত দেওয়া হয় যে, জ্বালানিতে বিশাল ভর্তুকি পরিমাপ করতে আগামী তিন মাসের মধ্যে বিশ্ব বাজারের সঙ্গে দাম সমন্বয় করা উচিত।

বৈঠকে অর্থ মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ ব্যাংকসহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। অর্থমন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন।

বৈঠক সূত্র জানায়, আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে তাল মিলিয়ে জ্বালানি তেলের দাম এখন থেকে প্রতি তিন মাস পর পর বাড়বে বা কমবে বলে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এতে জ্বালানি তেলে ভর্তুকির বোঝা কমবে বলে মনে করা হচ্ছে।

জ্বালানি তেল আমদানি করতে পারবে বেসরকারি প্রতিষ্ঠান

বর্তমানে জ্বালানি তেল আমদানি করে রাষ্ট্রায়াত্ব প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশন (বিপিসি)। কিন্তু সম্প্রতি সরকার পরিকল্পনা করছে আমদানিতে বেসরকারি খাতকে অন্তর্ভূক্ত করার। এটি বাস্তবে রূপ নিলে জ্বালানি তেল আমদানি করে ভোক্তার কাছে বিক্রি করতে পারবে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানও।

বিশ্ব বাজারে জ্বালানি তেলের দর বৃদ্ধি আর বাংলাদেশে বৈদেশিক মুদ্রা সংকটের কারণে বহুদিন ধরেই জ্বালানি তেলের আমদানি ও বিক্রিতে বেসরকারি খাতকে যুক্ত করার বিষয়ে পরামর্শ দিয়ে আসছেন অর্থনীতিবিদরা। আইএমএফের ঋণ পেতে যেসব শর্ত দেওয়া হয়েছে তার মধ্যে অন্যতম জ্বালানি তেলের উপর ভর্তুকি কমিয়ে আনা। জ্বালানির মূল্য-নির্ধারণ পদ্ধতি বাজারের উপর ছেড়ে দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছে আইএমএফ।

এ প্রসঙ্গে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বলছেন, বিদ্যুৎ ও জ্বালানির দাম খোলাবাজারের উপর ছেড়ে দেওয়ার পরিকল্পনা করা হয়েছে। বিশ্ববাজারের সঙ্গে তাল মিলিয়ে এ দাম সমন্বয় হবে। যেমনটা আমরা এখন এলপিজির দাম প্রতি মাসে সমন্বয় করি।

বেসরকারি খাতকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারা নিয়ে সংশয়

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এখন বিপিসি আমদানি করছে। তারা ভর্তুকি দিচ্ছে। লাভ করছে না বেশিরভাগ সময়েই। কিন্তু বেসরকারি খাতে দিয়ে দিলে তারা তো আর মানুষের সুবিধা-অসুবিধা দেখবে না। তারা চাইবে মুনাফা করতে।

এখন সরকার এ সব বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের উপর কতটুকু নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখতে পারবে সেটা দেখার বিষয়।এই নিয়ন্ত্রণ আলগা হয়ে গেলে বেসরকারি প্রতিষ্ঠান নানাভাবে দাম বাড়াতে চাইবে। ফলে সাধারণ মানুষ অসুবিধায় পড়বে।

বর্তমানে লিকুইড পেট্রোলিয়াম গ্যাস বা এলপি গ্যাসের দাম সরকারিভাবে বেঁধে দেওয়া হয়। আন্তর্জাতিক বাজারের দর, আমদানি ও পরিবহন খরচ, মুনাফা ইত্যাদি বিবেচনায় রেখে প্রতিমাসে একবার এলপি গ্যাসের দাম নির্ধারণ করে দেয় নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থা বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)।

জ্বালানি তেল আমদানি ও বিক্রিতে বেসরকারি খাত যুক্ত করা হলেও দাম নির্ধারণে এ ধরনের পদ্ধতি অনুসরণ করার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। জ্বালানি বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক বদরুল ইমাম বলছেন, প্রাইভেট সেক্টরে গেলেও দামটা যেন তাদের ইচ্ছামতো নির্ধারণ করা না হয়, সেখানে যেন নিয়মনীতি ও নজরদারি থাকে।

গ্যাসের সর্বোচ্চ উৎপাদন বাড়ানোর পরিকল্পনা

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, নরওয়ে এবং অস্ট্রেলিয়ার তুলনায় বাংলাদেশ তার মজুদ খুঁজে বের করতে এবং ট্যাপ করার ক্ষেত্রে পিছিয়ে রয়েছে। শুধু তাই নয় ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের তুলনায়ও বাংলাদেশ অনুসন্ধান কূপ খনন করেছে কম। ত্রিপুরার মতো ছোট্ট একটি রাজ্য যেখানে ১৫০টি অনুসন্ধান কূপ খনন করেছে সেখানে বাংলাদেশ এ পর্যন্ত প্রায় ১০০টি অনুসন্ধান কূপ খনন করেছে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বাংলাদেশ বিশ্বের সবচেয়ে কম অনুসন্ধানকারী দেশের তালিকায় অন্তর্ভূক্ত। বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চলের মাত্র এক তৃতীয়াংশ গ্যাস অনুসন্ধান করা হয়েছে। গ্যাস আবিষ্কারের সাফল্য যদিও এখানে বৈশ্বিক গড় থেকে অনেক বেশি, তারপরও এখানে অনুসন্ধান কমই হয়েছে।

এ ছাড়া, গ্যাস অনুসন্ধানের জন্য বাংলাদেশের বিশাল সমুদ্রসীমা রয়েছে যেটা ২৬টি ব্লকে বিভক্ত। এর মধ্যে ২৩টিই এখনো উন্মুক্ত। মাত্র তিনটি ব্লকে ভারত ও সিঙ্গাপুরের তেল কোম্পানি অনুসন্ধান চালাচ্ছে।

অথচ ২০১২ সালে মিয়ানমার ও ভারতের সঙ্গে সমুদ্র বিরোধ মিটে যাওয়ার পর দুটি দেশই তাদের সমুদ্রসীমা দ্রুত অনুসন্ধান চালিয়ে গ্যাস আবিষ্কারও করেছে। মিয়ানমার তার আবিষ্কৃত গ্যাসক্ষেত্র থেকে গ্যাস উত্তোলন ইতোমধ্যে শুরু করেছে। ভারত ২০২৩ সাল থেকে উত্তোলন শুরু করবে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বর্তমান সংকটকে রাশিয়াা-ইউক্রেন যুদ্ধের ফলাফল হিসেবে দাবি করা হলেও তা আংশিক সত্য। মাটির নিচ থেকে গ্যাস উত্তোলনে কাজ না করা এই সংকটের অন্যতম কারণ।

পরিস্থিতি জটিল হওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে অবশেষে সরকার নিজস্ব অনুসন্ধানে মনোযোগ বাড়িয়েছে। সম্প্রতি ৪৬টি কূপ খননের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বিদ্যুৎ ও জ্বালানি বিভাগ বলছে, এখান থেকে জাতীয় গ্রিডে ভালো পরিমাণে গ্যাস যুক্ত করা সম্ভব হবে।

সম্প্রতি বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ এক বিবৃতিতে জানান, নিজস্ব জ্বালানির অনুসন্ধান, উৎপাদন বৃদ্ধি ও কূপগুলোর আরও গভীরে খনন করার জন্য গ্যাসের অনুসন্ধান কাজ চালাচ্ছে সরকার। আগামী তিন বছরের জন্য একটা আপগ্রেডেশন, ওয়ার্কওভারের স্বল্পমেয়াদি পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। ৪৬টি কূপ থেকে দৈনিক ৬১৮ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস জাতীয় গ্রিডে যুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে।

আরইউ/আরএ/

Header Ad
Header Ad

পেঙ্গুইন ও পাখিদের উপরেও ট্রাম্পের শুল্ক আরোপ!

ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের শুল্ক নীতির বিস্তৃতি এতদূর গিয়েছে যে, জনমানবহীন দ্বীপপুঞ্জও এর আওতায় এসেছে। ভারত মহাসাগরে অবস্থিত অ্যান্টার্কটিকার জনশূন্য হার্ড ও ম্যাকডোনাল্ড দ্বীপপুঞ্জের ওপরও যুক্তরাষ্ট্র শুল্ক আরোপ করেছে।

এই দ্বীপপুঞ্জে মানুষের কোনো বসবাস নেই, সেখানে শুধু পেঙ্গুইন, সিল এবং পরিযায়ী পাখিরা বসবাস করে। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য নীতির অংশ হিসেবে এই দ্বীপপুঞ্জের ওপরও ১০ শতাংশ শুল্ক বসানো হয়েছে। এর পাল্টা হিসেবে দ্বীপগুলোও যুক্তরাষ্ট্রের পণ্যে একই হারে শুল্ক আরোপ করেছে!

অস্ট্রেলিয়ার সরকারের ওয়েবসাইটের তথ্য অনুযায়ী, হার্ড ও ম্যাকডোনাল্ড দ্বীপ বিশ্বের অন্যতম প্রত্যন্ত ও দূরবর্তী জনশূন্য অঞ্চল। আবহাওয়া পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করে অস্ট্রেলিয়ার পশ্চিমাঞ্চলের ফ্রেম্যান্টল বন্দর থেকে সেখানে পৌঁছাতে জাহাজে কমপক্ষে ১০ দিন সময় লাগে। দ্বীপগুলোর বাসিন্দারা শুধুই বিভিন্ন প্রজাতির সংরক্ষিত পাখি, সিল এবং পেঙ্গুইন।

ট্রাম্পের এই শুল্ক নীতির বিস্তার নিয়ে অনেকে বিস্মিত। জনমানবহীন দ্বীপপুঞ্জের সঙ্গে শুল্ক-সংক্রান্ত বিরোধ সত্যিই নজিরবিহীন।

সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান

Header Ad
Header Ad

নেতাকর্মীদের মাঠে নামার নির্দেশ, আবারও শেখ হাসিনার উসকানি!

সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ছবি: সংগৃহীত

সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দলীয় নেতাকর্মীদের বিপদের মুখে ফেলে দিয়ে অতীতে ভারতে পালিয়ে গিয়েছিলেন। এবার তিনি ফের একই কৌশলে মাঠে নেমেছেন। আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয় উদ্ধারের জন্য তিনি নেতাকর্মীদের সংঘবদ্ধ হয়ে রাজপথে নামার নির্দেশ দিয়েছেন।

একটি টেলিফোন কথোপকথনে শেখ হাসিনা স্পষ্টতই বলেছেন, সামনে ও পেছনে দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে মাঠে নামতে হবে। সামনের গ্রুপ আক্রান্ত হলে পেছনের গ্রুপকে প্রতিহত করতে হবে এবং হামলাকারীদের চরম শিক্ষা দিতে হবে।

বুধবার গণমাধ্যমের হাতে আসা একটি ফোনালাপে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয় যে কোনো মূল্যে পুনরুদ্ধারের জন্য নির্দেশ দেন শেখ হাসিনা। দিল্লি থেকে টেলিফোনে যুবলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও ভোলা-৩ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য, বর্তমানে বিদেশে পলাতক নুরুন্নবী চৌধুরী শাওনকে তিনি এই নির্দেশ দেন।

এই নির্দেশনার পর আওয়ামী লীগের ভেতরেই ক্ষোভের সঞ্চার হয়েছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বেশ কয়েকজন নেতা গণমাধ্যমকে জানান, ‘শেখ হাসিনার ভুল সিদ্ধান্ত এবং কিছু হাইব্রিড আওয়ামী লীগারের দুর্নীতির কারণে দল আজ এই পরিস্থিতিতে পড়েছে। অথচ নেত্রীর এবং তার পরিবারের কোনো ক্ষতি হয়নি। তারা নিরাপদে আছেন, কিন্তু সাধারণ নেতাকর্মীরা পথে পথে মার খাচ্ছেন। এখন তিনি আবার তাদের বিপদে ঠেলে দিতে চান।’

টেলিফোন কথোপকথনে শেখ হাসিনাকে বলতে শোনা যায়, ‘তোমরা এত বড় বড় কথা বলো, অথচ এখনো কেন্দ্রীয় কার্যালয় উদ্ধার করতে পারলা না! ৫০ থেকে ১০০ জন লোক গেলে কি তোমাদের সবাইকে মেরে ফেলা হবে? লাখ লাখ লোক ঢাকায় আনার কথা বলো, অথচ একটা অফিস উদ্ধার করতে পারো না! যেভাবেই হোক, দলীয় কার্যালয় পুনরুদ্ধার করতে হবে—এটাই আমার শেষ কথা।’

জবাবে নুরুন্নবী চৌধুরী শাওন জানান, পরিকল্পনা করা হলেও কিছু কারণে সেটি বাস্তবায়ন করা হয়নি। তিনি আরও বলেন, ‘আপনার নির্দেশেই আমরা কাজ করব। শুধু ভোলা থেকেই ২০ লাখ লোক ঢাকায় সমবেত হবে। যখনই আপনার ডাক আসবে, আমরা তিন থেকে চার লাখ লোক নিয়ে ঢাকায় আসব।’

টেলিফোন আলাপে শেখ হাসিনা আরও কিছু নির্দেশনা দেন। তিনি বলেন, ‘ছোট ছোট বিক্ষোভের দরকার নেই, বড় আকারে মিছিল করতে হবে। সামনে একটি গ্রুপ থাকবে, পেছনে আরেকটি গ্রুপ। কেউ হামলা করলে পাল্টা আক্রমণ চালিয়ে তাদের শিক্ষা দিতে হবে। কেউ কাউকে কিছু দেবে না, নিজেদের অধিকার নিজেরাই আদায় করতে হবে।’

ফাঁস হওয়া কথোপকথনে শেখ হাসিনা বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বিরুদ্ধেও ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, ‘ড. ইউনূস সব জায়গায় মিথ্যা কথা বলছে। আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের হত্যা এবং তাদের বাড়িঘরে হামলার তথ্য সংগ্রহ করো। ছবি তোলো, ভিডিও করো এবং ইন্টারন্যাশনাল ক্রিমিনাল কোর্টে মামলা করার প্রস্তুতি নাও।’

জবাবে নুরুন্নবী চৌধুরী শাওন জানান, ইতোমধ্যে কিছু তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে, এবং এ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

গণতন্ত্র মঞ্চের অন্যতম নেতা ও বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক বলেন, ‘শেখ হাসিনা ও তার পরিবারের বেশির ভাগ সদস্য এবং আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতারা এখন বিদেশে আরামে আছেন। অথচ তারা দেশে থাকা নেতাকর্মীদের উসকানি দিচ্ছেন, যাতে তারা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ফের রাস্তায় নামে। কিন্তু একজন দুর্নীতিবাজ নেত্রীর জন্য সাধারণ নেতাকর্মীরা কেন ঝুঁকি নেবে?’

তিনি আরও বলেন, ‘আওয়ামী লীগ যে কৌশলে রাজনীতিতে ফেরার চেষ্টা করছে, সেটি সফল হবে বলে মনে হয় না। সাড়ে ১৫ বছরের অপশাসন, দুর্নীতি, লুটপাট, খুন-গুমের কোনো অনুশোচনা তাদের মধ্যে নেই। বরং তারা নিজেদের শাসনামলকে গৌরবান্বিত করার চেষ্টা করছে।’

উল্লেখ্য, ছাত্র-জনতার ব্যাপক গণ-অভ্যুত্থানের মুখে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা ক্ষমতাচ্যুত হন এবং দিল্লিতে পালিয়ে যান। সেখান থেকেই তিনি বিভিন্ন সময়ে দলের নেতাকর্মীদের টেলিফোনে নির্দেশনা দিচ্ছেন। সম্প্রতি তার একাধিক ফোনালাপ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে, যা নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা চলছে।

Header Ad
Header Ad

টাঙ্গাইলে ট্রাকচাপায় আনসার কমান্ডার নিহত

নিহত শফিউল্লাহ মিয়া। ছবি: ঢাকাপ্রকাশ

টাঙ্গাইলের দেলদুয়ারে ট্রাক চাপায় শফিউল্লাহ মিয়া (৪৭) নামে এক আনসার সদস্য (কমান্ডার) সদস্য নিহত হয়েছেন। শুক্রবার (৪ এপ্রিল) ভোরে উপজেলা হাসপাতালের সামনে এ ঘটনা ঘটে।

শফিউল্লাহ মিয়া উপজেলার মৌলভীপাড়া গ্রামের মরহুম হাবিবুল্লাহ ওরফে মজনু মিয়ার ছেলে। তিনি কুমিল্লার মনোহরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা আনসার সদস্যদের কমান্ডার (পিসি) হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

প্রত্যক্ষদর্শী ও পরিবার সূত্রে জানা যায, ঈদের ছুটিতে গত ২৮ মার্চ বাড়িতে এসেছিলেন তিনি। ছুটি শেষে শুক্রবার কর্মস্থলে ফেরার কথা ছিল শফিউল্লাহর। শুক্রবার ভোরে হাঁটতে বেরিয়ে ছিলেন তিনি।

এ সময় দেলদুয়ার সড়কে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ট্রাক বৈদ্যুতিক খুঁটিতে ধাক্কা দেয়। এতে বৈদ্যুতিক খুঁটিটি ভেঙে শফিউল্লাহর মাথায় পড়ে। এরপর তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়া হলে সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

এ ঘটনায় দেলদুয়ার থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) শোয়েব আহমেদ বলেন, ঈদের ছুটিতে বাড়ি এসেছিলেন শফিউল্লাহ। শুক্রবার ভোরে তিনি নামাজ পরে হাঁটতে বের হন। হাঁটার একপর্যায়ে হাসপাতালের সামনে এলে মাটি বহনকারীর ড্রাম ট্রাক তাকে চাপা দিয়ে খুঁটির সঙ্গে ধাক্কা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় তার।

Header Ad
Header Ad

সর্বশেষ সংবাদ

পেঙ্গুইন ও পাখিদের উপরেও ট্রাম্পের শুল্ক আরোপ!
নেতাকর্মীদের মাঠে নামার নির্দেশ, আবারও শেখ হাসিনার উসকানি!
টাঙ্গাইলে ট্রাকচাপায় আনসার কমান্ডার নিহত
লোহাগাড়ায় সড়ক দুর্ঘটনা: না ফেরার দেশে প্রেমা, নিহত বেড়ে ১১
নিষেধাজ্ঞায় পড়লেন মেসির দেহরক্ষী, ঢুকতে পারবেন না মাঠে
শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ চাইলো বাংলাদেশ
ঈদ আনন্দে মুখরিত রংপুরের বিনোদন কেন্দ্রগুলো
লুটপাটের পর পুড়িয়ে দেওয়া হলো বিএনপি সমর্থকের বসতবাড়ি, গ্রেপ্তার ৯
ব্যাংককে ড. ইউনূস ও নরেন্দ্র মোদির দ্বিপক্ষীয় বৈঠক শুরু
দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট ইউন সুক ইওলকে অপসারণ করল আদালত
গাইবান্ধায় আওয়ামী লীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগের দুই নেতা গ্রেপ্তার
সংস্কার শেষে অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন আয়োজন করাই প্রধান লক্ষ্য: প্রধান উপদেষ্টা
নির্বাচন দিয়ে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত করতে হবে: টুকু
যৌথবাহিনীর অভিযান: ৭ দিনে গ্রেপ্তার ৩৪১
রাজধানীতে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার ধাক্কায় প্রাণ গেলো নারীর
ঈদের ছুটিতে কক্সবাজারে পর্যটকের ঢল, হোটেলে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগ
ব্যাংককে ড. মুহাম্মদ ইউনূস-নরেন্দ্র মোদির বৈঠক আজ
রাশিয়ার হয়ে ইউক্রেন যুদ্ধে অংশ নেওয়া ময়মনসিংহের ইয়াসিন নিহত
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে শুল্ক ইস্যুর ইতিবাচক সমাধান হবে: প্রধান উপদেষ্টা
অতিরিক্ত গতি নিয়ন্ত্রণে ঠাকুরগাঁওয়ে প্রশাসন, পুলিশ ও বিআরটিএ'র বিশেষ অভিযান