শনিবার, ৫ এপ্রিল ২০২৫ | ২১ চৈত্র ১৪৩১
Dhaka Prokash

৯ বছরেও শেষ হয়নি উপকূল রক্ষা বাঁধের কাজ, ব্যয় বাড়ানোর প্রস্তাব!

ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাস হলেই ভেসে যায় উপকূলীয় অঞ্চল। এতে প্রাণহানির ঘটনা কমে এলেও ফসল এবং ঘর-বাড়ি ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। সর্বশেষ ঘূর্ণিঝড় সিত্রাংয়ের আঘাতে উপকূলীয় ১৩ জেলায় ১০ হাজারের বেশি ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ফসলের ক্ষতি হয়েছে ছয় হাজার হেক্টরেরও বেশি জমির। আর এক হাজার খামারের মাছ ভেসে গেছে।

উপকূলের মানুষকে ঝড়-জলোচ্ছ্বাস, লবণ পানি, বন্যা আর ভাঙনের হাত থেকে রক্ষা করতে সরকার ২০১৩ সালে একটি প্রকল্পের অনুমোদন দিয়েছিল। পটুয়াখালীসহ ছয় জেলার জীবন, ফসল ও প্রাণিসম্পদ রক্ষা করার এ প্রকল্পটির কাজ গত নয় বছরেও শেষ হয়নি। অথচ এটি শেষ করার কথা ছিল ২০২০ সালে। প্রকল্পের মেয়াদ শেষ হয়ে গেলেও প্রকল্পের কাজ শেষ না হওয়ায় প্রকল্পটি সংশোধন করে গত জুনে শেষ করার কথা ছিল। সেটিও সম্ভব হয়নি। তবে দীর্ঘ নয় বছরে প্রকল্পের সাত জন প্রকল্প কর্মকর্তা (পিডি) বদল হয়েছে। আর কাজের অগ্রগতি হয়েছে ৮৫ শতাংশ ও আর্থিক অগ্রগতি ৭৫ শতাংশ। এই অবস্থায় প্রকল্পের মেয়াদ আরও দেড় বছর বাড়ানো হচ্ছে। একইসঙ্গে শেষ সময়ে এসে পরামর্শকের ব্যয় ১৫ কোটি টাকা বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছে। অবশ্য পরিকল্পনা কমিশন এতে আপত্তি জানিয়েছে।

পরিকল্পনা কমিশন সূত্রে প্রকল্পের সর্বশেষ অবস্থা সম্পর্কে এ সব তথ্য জানা গেছে।

জানা যায়, তিন হাজার কোটি টাকারও বেশি ব্যয়ে ‘উপকূলীয় বাঁধ উন্নয়ন প্রকল্প প্রথম পর্যায়-১ (সিইআইপি) শীর্ষক প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করছে বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড। প্রকল্পে অর্থায়ন করছে বিশ্বব্যাংক।

সিইআইপি প্রকল্পের প্রথম প্রকল্প পরিচালক ছিলেন সারাফাত খান। এরপর পিডির দায়িত্ব নিয়েছেন ছয় জন। ৭ম প্রকল্প পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী সাইদ হাসান ইমাম।

সর্বশেষ অবস্থা সম্পর্কে জানতে চাইলে প্রকৌশলী সাইদ হাসান ইমাম ঢাকাপ্রকাশ-কে বলেন, ‘প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে। টিম লিডার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছে বিদেশি প্রকৌশলী ও পরামর্শক। ১৭টি পোল্ডারের মধ্যে ১০টির কাজ চলছে। আগামী জুনে পুরো কাজ শেষ হয়ে যাবে।’

প্রকল্পের কাজ শেষ করতে এত দেরি কেন—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘আসলে আমি সাত নম্বর পিডি। এর আগে ছয় জন দায়িত্ব পালন করেছেন। দেরির কারণ তারা বলতে পারবেন। আমি এক বছর হলো দায়িত্ব নিয়েছি। আসলে পিডি হিসেবে তেমন কাজ নেই। টিম লিডারের কাজই প্রধান। বিশ্ব ব্যাংকের শর্ত মোতাবেক পরামর্শক প্রতিষ্ঠানই সেই দায়িত্ব পালন করছে।’

অপর এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘আসলে ঘন ঘন পিডি বদলের কারণে প্রকল্পের কাজ পিছিয়েছে বিষয়টি তা না। কারণ কারো পদোন্নতি হয়, অনেকের চাকরির মেয়াদও শেষ হয়ে যায়। দেরির কারণ মূলত ভূমি অধিগ্রহণে জটিলতা। অধিগ্রহণকৃত জমি জেলা প্রশাসন থেকে ঠিকমতো বুঝিয়ে দিতে পারেনি। করোনাকালে কাজও হয়নি। এ জন্য কিছুটা দেরি হয়েছে। আশা করি, এবার সংশোধন করে সময় বৃদ্ধি করা হচ্ছে, তাতে কাজ শেষ হয়ে যাবে। আবার ফেজ-২ নামে আরও একটা প্রকল্প হাতে নেওয়া হবে। এজন্য ফিজিবিলিটি স্টাডির কাজও করা হচ্ছে।’

পরিকল্পনা কমিশন ও পানি সম্পদ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, উপকূলীয় অঞ্চলের উন্নয়নে বিশ্ব ব্যাংকের অর্থায়নে তিন হাজার ২৮০ কোটি টাকা সরকার ২০১৩ সালের অক্টোবরে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি (একনেক) সভায় এই প্রকল্পের অনুমোদন দেয়। ২০২০ সালের জুনে শেষ করার কথা ছিল। বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে যেসব প্রকল্প বাস্তবায়িত হয়েছে তার মধ্যে এটি মেগা প্রকল্প।

উপকূলীয় জেলা খুলনা, সাতক্ষীরা, বাগেরহাট, পিরোজপুর, বরগুনা, পটুয়াখালি জেলার ১৭টি স্থানে পোল্ডার নির্মাণ করে বসবাসের উপযোগী করা ছাড়াও চাষাবাদযোগ্য রক্ষার কথা বলা হয়েছিল। পোল্ডার এলাকা নির্বাচন করা হয়েছে কারিগরি দিক, পরিবেশ, সামাজিক, অর্থনৈতিক এবং ভৌগলিক দিক বিবেচনায় নিয়ে।

এতে খুলনা জেলায় ৬টি, সাতক্ষীরায় ২টি, বাগেরহাটে ৩টি, পিরোজপুরে ১টি, বরগুনায় ২টি এবং পটুয়াখালী জেলায় ৩টিসহ মোট ১৭টি পোল্ডার নির্মাণ করার কথা। যাতে নির্ধারিত উপকূলীয় এলাকার জনবসতির জীবন, সম্পদ প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময়ও রক্ষা পাবে। প্রকল্প এলাকায় বাণিজ্যিক বনায়নেরও পরিকল্পনা নেওয়া হয়। একই সঙ্গে পোল্ডার এলাকায় অগভীর চিংড়ি ঘেরও তৈরি করা হবে।

বাঁধ রক্ষা করাই এ প্রকল্পের প্রধান কাজ। কারণ, পোল্ডার এলাকার বাঁধ রক্ষা না করা গেলে কোনো উন্নয়নমূলক কাজই করা যাবে না। এ ছাড়া ঘূর্ণিঝড়, সিডর, আইলার মতো যেকোনো ধরনের প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় পোল্ডার এলাকাগুলো রক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলা হয়। এ ছাড়াও অপেক্ষাকৃত নিচু উপকূলীয় এলাকাগুলোকে উঁচু করারও সিদ্ধান্ত হয়।

প্রকল্পের প্রধান প্রধান কাজ ধরা হয় ৬টি জেলার উপকূলীয় এলাকায় এক লাখ ৮১৭ হেক্টর জমি নদীর গ্রাসের হাতে থেকে উদ্ধার। ৮০ হাজার ৫৭৪ হেক্টর জমি আবাদযোগ্য করে তোলা ও পোল্ডার এলাকায় প্রায় ৭ লাখ ৬২ হাজার ৯৬০ জনকে পুনর্বাসন। কারণ ২০৫০ সালে উপকূলীয় জনবসতির সংখ্যা দ্বিগুণ ছাড়িয়ে যাবে।

পরিকল্পনা কমিশন সূত্রে জানা গেছে, প্রকল্পটির ২০২০ সালের জুনে শেষ করার কথা থাকলেও সময় করতে না পারায় ব্যয় ঠিক রেখে সংশোধন করে দুই বছর সময় বাড়ানো হয় ২০২১ সালের ১৯ জানুয়ারিতে। সে অনুযায়ী ২০২২ সালের জুনে শেষ করার কথা। কিন্তু তাতেও কাজ শেষ না হওয়ায় এবারও ব্যয় ঠিক রেখে সময় দেড় বছর বাড়ানো হচ্ছে।

প্রস্তাবনাটি যাচাই করতে সম্প্রতি পরিকল্পনা কমিশনে প্রকল্প মূল্যায়ন কমিটির (পিইসি) সভা অনুষ্ঠিত হয়। সরকার বিভিন্ন খাতে ব্যয় কমাতে বললেও পরামর্শক খাতে ব্যয় ৪০৭ কোটি টাকা থেকে বাড়িয়ে ৪২২ কোটি টাকার প্রস্তাব করেছে। অর্থাৎ ১৫ কোটি টাকা ব্যয় বাড়ছে। এই ব্যয় অত্যধিক বলে পিইসি সভায় আপত্তি তুলে ব্যয় যৌক্তিক পর্যায়ে আনতে বলা হয়েছে। একই সঙ্গে ব্যয় কমিয়ে কুয়াকাটার জিরো পয়েন্ট পর্যন্ত এক কিলোমিটার বাঁধ উন্নয়নের কাজ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পিইসি বলেছে, এ সব সংশোধন করা হলে প্রকল্পটির চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হবে।

এনএইচবি/আরএ/

Header Ad
Header Ad

এক দিনেই পাঁচ রাষ্ট্রপ্রধানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন ড. ইউনূস

শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রী হরিনি অমরসুরিয়ার সঙ্গেও বৈঠক করছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। ছবি: সংগৃহীত

বঙ্গোপসাগরীয় দেশগুলোর আঞ্চলিক সহযোগিতা জোট বিমসটেকের দ্বিতীয় দিনে পাঁচ রাষ্ট্রপ্রধানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। শুক্রবার (৪ এপ্রিল) বিমসটেক সম্মেলন শেষে প্রথমে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে বৈঠক করেন তিনি।

এরপর থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী পেতংতার্নের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে মিলিত হন ড. ইউনূস। থাই প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশকে দুই বছরের জন্য বিমসটেকের সভাপতি নির্বাচিত হওয়ায় অভিনন্দন জানান এবং পারস্পরিক সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

পরে ভুটানের প্রধানমন্ত্রী শেরিং তোবগের সঙ্গে বৈঠকে বসেন ড. ইউনূস। আঞ্চলিক উন্নয়ন ও পারস্পরিক সহায়তা নিয়ে আলোচনা করেন তারা। একই দিন শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রী হরিনি অমরসুরিয়ার সঙ্গে হোটেল সাংগ্রিলায় বৈঠক করেন ড. ইউনূস, যেখানে অর্থনৈতিক উন্নয়নে সহযোগিতার বিষয়টি উঠে আসে।

বিকেলে মিয়ানমারের সরকার প্রধানের সঙ্গে হেঁটে হেঁটে বিভিন্ন ইস্যুতে আলাপ করেন ড. ইউনূস।

এদিকে, বৈঠকের পর নরেন্দ্র মোদি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে পোস্ট করেন—“বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছি। ভারত বাংলাদেশের সঙ্গে গঠনমূলক ও জনকেন্দ্রিক সম্পর্কের প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।” তিনি আরও বলেন, “বাংলাদেশে শান্তি, স্থিতিশীলতা, অন্তর্ভুক্তি ও গণতন্ত্রের প্রতি ভারতের সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেছি। সীমান্ত নিরাপত্তা ও সংখ্যালঘুদের সুরক্ষা নিয়ে আলোচনা করেছি।”

উল্লেখ্য, ১৯৯৭ সালে প্রতিষ্ঠিত বিমসটেক বর্তমানে বাণিজ্য, প্রযুক্তি, পরিবহন, জ্বালানি ও সন্ত্রাসবাদ দমনের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ আন্তঃআঞ্চলিক জোট হিসেবে কাজ করছে।

Header Ad
Header Ad

যুক্তরাষ্ট্র চলতি বছর ৬৮২ ভারতীয়কে ফেরত পাঠিয়েছে

ছবি: সংগৃহীত

চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে মার্চ পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র মোট ৬৮২ জন ভারতীয়কে ফেরত পাঠিয়েছে। এদের মধ্যে অধিকাংশই অবৈধভাবে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের চেষ্টা করেছিলেন। শুক্রবার (৪ এপ্রিল) ভারতের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী কীর্তিবর্ধন সিংহ লোকসভায় এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, সীমান্তে আটক হওয়া ভারতীয়দের নথিপত্র যাচাইয়ের পর যুক্তরাষ্ট্র তাদের প্রত্যাবাসন করে। একই সঙ্গে ভারত সরকার অবৈধ অভিবাসন ও মানব পাচার নিয়ে উদ্বিগ্ন এবং এই সমস্যা মোকাবিলায় মার্কিন প্রশাসনের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রেখে চলছে। অপরাধমূলক অভিবাসন চক্রের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলেও জানান তিনি।

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, শিক্ষার্থী, পর্যটক এবং পেশাদারদের আমেরিকা যাতায়াতে যাতে কোনো সমস্যা না হয়, সেদিকেও নজর দিচ্ছে মোদী সরকার। মার্কিন কর্তৃপক্ষ যে ভারতীয় নাগরিকদের তালিকা পাঠায়, তা গুরুত্ব সহকারে যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়।

এদিকে, জালিয়াতির দায়ে অভিযুক্ত ট্রাভেল এজেন্টদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নিতে সক্রিয় হয়েছে ভারত সরকার। মানব পাচারচক্রের সঙ্গে এজেন্টদের যোগসূত্র রয়েছে কি না, তা-ও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

Header Ad
Header Ad

কাকে বিয়ে করলেন জনপ্রিয় অভিনেতা শামীম?

ছবি: সংগৃহীত

জনপ্রিয় অভিনেতা শামীম হাসান সরকার অবশেষে বিয়ের পিঁড়িতে বসেছেন।

শুক্রবার (৪ এপ্রিল) সন্ধ্যায় নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক প্রোফাইলে একটি পোস্ট দিয়ে বিয়ের খবর জানিয়েছেন তিনি। স্ত্রীর সঙ্গে তোলা একটি ছবি দিয়ে প্রোফাইল পিকচার পরিবর্তন করে ক্যাপশনে লিখেছেন— "আলহামদুলিল্লাহ কবুল। আপনারা আমাদের জন্য দোয়া করবেন।"

এরপর পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে তোলা ছবি কাভার ফটো হিসেবে পোস্ট করেছেন এই অভিনেতা। ছবিতে অন্তর্বর্তী সরকারের রেল উপদেষ্টা ফাওজুল কবির খানকেও দেখা গেছে।

 

তবে স্ত্রীর পরিচয় সম্পর্কে ফেসবুক পোস্টে কিছু উল্লেখ করেননি শামীম।

Header Ad
Header Ad

সর্বশেষ সংবাদ

এক দিনেই পাঁচ রাষ্ট্রপ্রধানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন ড. ইউনূস
যুক্তরাষ্ট্র চলতি বছর ৬৮২ ভারতীয়কে ফেরত পাঠিয়েছে
কাকে বিয়ে করলেন জনপ্রিয় অভিনেতা শামীম?
ঢাকার পথে প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ইউনূস
মানিকগঞ্জে বাঁশঝাড়ে কার্টনে মিললো তরুণীর লাশ
ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ
দেশে তীব্র তাপপ্রবাহ নিয়ে বড় দুঃসংবাদ
হাসিনাকে ফেরানো নিয়ে আলোচনা হয়েছে তবে এ বিষয়ে আর কিছু বলা সম্ভব নয় : বিক্রম মিশ্রি
মার্কিন গাড়ি আমদানিতে ২৫% শুল্ক আরোপের ঘোষণা কানাডার
প্রথম ধাপে ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গাকে ফেরত নেবে মিয়ানমার
বিমসটেকের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব নিল বাংলাদেশ
চিকেনস নেকে ভারী যুদ্ধাস্ত্র মোতায়েন করল ভারত
চিত্রনায়িকা পরীমণির বিরুদ্ধে গৃহকর্মীর জিডি
পেঙ্গুইন ও পাখিদের উপরেও ট্রাম্পের শুল্ক আরোপ!
নেতাকর্মীদের মাঠে নামার নির্দেশ, আবারও শেখ হাসিনার উসকানি!
টাঙ্গাইলে ট্রাকচাপায় আনসার কমান্ডার নিহত
লোহাগাড়ায় সড়ক দুর্ঘটনা: না ফেরার দেশে প্রেমা, নিহত বেড়ে ১১
নিষেধাজ্ঞায় পড়লেন মেসির দেহরক্ষী, ঢুকতে পারবেন না মাঠে
শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ চাইলো বাংলাদেশ
ঈদ আনন্দে মুখরিত রংপুরের বিনোদন কেন্দ্রগুলো