শনিবার, ৫ এপ্রিল ২০২৫ | ২২ চৈত্র ১৪৩১
Dhaka Prokash

জাল স্ট্যাম্পের ছড়াছড়ি

বছরে ৩০ কোটি টাকার রাজস্ব হারাচ্ছে সরকার

ইলেক্ট্রনিক যন্ত্রের মাধ্যমে সুপ্রিম কোর্টের ২১টি মামলার নথির জুডিশিয়াল স্ট্যাম্প (যা ‘কোর্ট ফি’ নামে পরিচিত) পরীক্ষা করা হয়েছিল গত ১৯ মে। এরমধ্যে ২০টিতেই জাল স্ট্যাম্প ধরা পড়ে। অর্থাৎ শতকরা হিসেবে ৯৫ ভাগ জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পই জাল। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সহায়তায় সুপ্রিম কোর্ট এই পরীক্ষা চালায়। তবে জেলা পর্যায়ের আদালতগুলোতে জাল স্ট্যাম্পের উপর পরীক্ষা না হওয়ায় জেলা পর্যায়ের কোনো চিত্র পাওয়া যায়নি।

এর আগে গত এপ্রিল মাসে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এক বৈঠকে সুপ্রিম কোর্টের পাঁচটি মামলায় ব্যবহৃত জুডিশিয়াল স্ট্যাম্প বা কোর্ট ফি পরীক্ষা করে সবকটিই জাল প্রমাণিত হয় বলে জানা গেছে।

সুপ্রিম কোর্ট ও কেন্দ্রীয় ব্যাংক গত মে এবং এপ্রিল মাসে জাল স্ট্যাম্প পরীক্ষা করলেও বছর তিনেক আগে হাইকোর্ট বিভাগের বর্তমান রেজিস্ট্রার মো. গোলাম রব্বানীর নজরে আসে জুডিশিয়াল জাল স্ট্যাম্প ব্যবহারের বিষয়টি। তবে করোনা পরিস্থিতির কারণে এ বিষয়ে তেমন কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।

দেশের সর্বোচ্চ আদালত থেকে নিম্ন আদালত পর্যন্ত বিচারিক সব পর্যায়ে জুডিশিয়াল জাল স্ট্যাম্পের এমন যথেচ্ছ ব্যবহারের কারণে সরকার প্রতি বছর প্রায় ৩০ কোটি টাকার রাজস্ব হারাচ্ছে।

স্বাভাবিক সময়ে সারাদেশে বছরে প্রায় ১৬ লাখ মামলা দায়ের হয়। মামলাপ্রতি ২০০ টাকার স্ট্যাম্প হিসাব করে এরমধ্যে ৯৫ শতাংশ স্ট্যাম্প জাল ধরলে বছরে ৩০ কোটি টাকার একটা পরিসংখ্যান পাওয়া যায়।

এই বিষয়ে জানতে চাইলে, অ্যাটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিন গত মঙ্গলবার (২১ জুন) ঢাকাপ্রকাশ’কে বলেন, সুপ্রিম কোর্টে স্ট্যাম্প এখন মেশিনে পরীক্ষা করা হয়। পরীক্ষায় যে কয়েকজন ধরা পড়েছে তাদের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। মামলা এখন বিচারাধীন। মামলা করেছে সুপ্রিম কোর্ট কর্তৃপক্ষ। আর পুরো বিষয়টি দেখছেও সুপ্রিম কোর্ট কর্তৃপক্ষ। এ সব বিষয় তিনি সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসনের কাছ থেকে জানতে পেরেছেন।

সুপ্রিম কোর্টের মুখপাত্র ও আপিল বিভাগের রেজিস্ট্রার মোহাম্মদ সাইফুর রহমান ঢাকাপ্রকাশ’কে বলেন, সুপ্রিম কোর্টের সংশ্লিষ্ট সব দপ্তরে এখন জুডিশিয়াল স্ট্যাম্প পরীক্ষার ইলেক্ট্রনিক যন্ত্র (মেশিন) সরবরাহ করা হয়েছে। অতিদ্রুত দেশের সব জজ কোর্টেই এই যন্ত্র সরবরাহ করা হবে।

সর্বশেষ গত মাসে ৯৫ শতাংশ জাল কোর্ট ফি শনাক্ত হওয়ার পর প্রধান বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী আপিল বিভাগের অন্যান্য বিচারপতি, অ্যাটর্নি জেনারেল ও সুপ্রিমকোর্ট আইনজীবী সমিতির সভাপতির সঙ্গে বৈঠক করেন। বৈঠকের পর পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) একটি বিশেষজ্ঞ দলের মাধ্যমে আদালত অঙ্গনে অভিযান চালায় সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসন। অভিযানে জাল জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

যেসব স্ট্যাম্প বিচারিক কাজে ব্যবহৃত হয়, সেগুলোকে জুডিশিয়াল স্ট্যাম্প বা কোর্ট ফি বলা হয়। এগুলো আকারে ছোট হয়। নন জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পের তুলনায় জুডিশিয়াল স্ট্যাম্প কম টাকারও হয়ে থাকে। সাধারণত জুডিশিয়াল স্ট্যাম্প দুই, চার, পাঁচ, ১০ ও ২০ টাকার হয়ে থাকে। রাজস্বের অন্যতম উৎস স্ট্যাম্প (জুডিশিয়াল ও নন জুডিশিয়াল) তৈরির আইনগত অধিকার রয়েছে শুধু বিজি প্রেস এবং সিকিউরিটি অ্যান্ড প্রিন্টিং প্রেসের। তবে অসাধু চক্র বিভিন্ন ছাপাখানা থেকে এ সব জাল স্ট্যাম্প তৈরি করে বাজারে ছেড়ে থাকে।

প্রসঙ্গত, সুপ্রিম কোর্টের উভয় (আপিল ও হাইকোর্ট) বিভাগ মিলে প্রতিদিন হাজারখানেক মামলা দায়ের হয়ে থাকে। এ সব মামলা দায়ের থেকে শুরু করে রায় ও আদেশের কপি সরবরাহ পর্যন্ত বিভিন্ন পর্যায়ে জুডিশিয়াল স্ট্যাম্প ব্যবহার করা হয়। একইভাবে অধস্তন আদালতেও বিচারিক বিভিন্ন পর্যায়ে জুডিশিয়াল স্ট্যাম্প ব্যবহার করা হয়।

জানা গেছে, করোনার মধ্যেও গতবছর ২০২১ সালে সারাদেশে প্রায় ১৩ লাখ মামলা দায়ের হয় বলে। বাংলাদেশে করোনা সংক্রমণ শনাক্ত হওয়ার প্রথম বছর ২০২০ সালে সারাদেশে মামলা দায়ের হয় প্রায় ১১ লাখ। তবে দেশে করোনা সংক্রমণ শুরু হওয়ার আগের বছর অর্থাৎ স্বাভাবিক সময়ে ২০১৯ সালে সারাদেশের সব আদালত মিলে মামলা দায়ের হয়েছিল প্রায় ১৬ লাখ।

মামলাগুলোর প্রতিটিতে দেড়শ-দুইশ টাকা থেকে শুরু করে ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত জুডিশিয়াল স্ট্যাম্প ব্যবহৃত হয়। যেহেতু বছরের পর বছর ধরে এভাবে জাল স্ট্যাম্প ব্যবহৃত হয়ে আসছে। স্বাভাবিক বছরের মামলাগুলোতে ২০০ টাকা করে স্ট্যাম্পের হিসাব করলে দেখা যায়, শুধুমাত্র ২০১৬ সালে এক বছরেই জুডিশিয়াল স্ট্যাম্প বিক্রি করে রাষ্ট্রের আয় হওয়ার কথা ছিল ৩২ কোটি টাকা। আর ৯৫ শতাংশ জাল স্ট্যাম্প হিসাব করলে এই ৩২ কোটি টাকার মধ্যে ৩০ কোটি টাকারই রাজস্ব হারিয়েছে সরকার।

এনএইচবি/আরএ/

Header Ad
Header Ad

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের রপ্তানি আরও বাড়বে: প্রেসসচিব

ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের নতুন শুল্কনীতি নিয়ে জরুরি বৈঠক ডেকেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস। শনিবার (৫ এপ্রিল) সন্ধ্যায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনার সামনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ তথ্য জানান প্রধান উপদেষ্টার প্রেসসচিব শফিকুল আলম।

তিনি বলেন, “যুক্তরাষ্ট্রের ঘোষিত নতুন শুল্কহার নিয়ে কী ধরনের প্রতিক্রিয়া জানানো হবে, মার্কিন প্রশাসনের কাছে কী বার্তা পাঠানো হবে, সেসব বিষয়েই বৈঠকে আলোচনা হবে।”

প্রেসসচিব আরও বলেন, “আমরা এমন কিছু পদক্ষেপ নিচ্ছি, যাতে যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের রপ্তানি বর্তমানের তুলনায় আরও বাড়ে। আমি নিশ্চিত করে বলতে পারি, রপ্তানি কমবে না বরং বাড়বে। এই উদ্দেশ্যেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে।”

তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, “আজকের বৈঠক থেকে খুবই ইতিবাচক কিছু সিদ্ধান্ত আসবে।”

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি আরও বলেন, “যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের অত্যন্ত ভালো বন্ধু। রপ্তানিবিষয়ক এই ইস্যুতে দুই দেশের সম্পর্ক আরও জোরদার হবে বলেই আমরা আশা করছি।”

বিশ্লেষকদের মতে, রপ্তানিতে যুক্তরাষ্ট্রের বাজার বাংলাদেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। সঠিক কৌশল ও কূটনৈতিক উদ্যোগের মাধ্যমে এ বাজারে আরও প্রবৃদ্ধির সুযোগ রয়েছে।

Header Ad
Header Ad

টাঙ্গাইলে ধান ক্ষেতে মিলল ৭০ বছর বয়সী এক বৃদ্ধার মরদেহ

ছবি : ঢাকাপ্রকাশ

টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে ধান ক্ষেত থেকে ফজিলা বেগম (৭০) নামে এক বৃদ্ধার মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

শনিবার (৫ এপ্রিল) দুপুরে উপজেলার আউলিয়াবাদ গ্রামের মাঝিপাড়ার ধান ক্ষেত থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ফজিলা বেগম ওই গ্রামের মৃত চান মাহমুদের স্ত্রী।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, গত শুক্রবার ৪ এপ্রিল রাত ৩টার দিকে মেয়েরা ফজিলা বেগমকে ডাকাডাকি করে কোনো সাড়াশব্দ পায়নি। এ সময় বৃদ্ধার বসত ঘরটির দরজা ও জানালা বন্ধ ছিল।

শনিবার সকাল ৮টার দিকে ঘরে না পেয়ে মেয়েরা ওই বৃদ্ধাকে খুঁজতে থাকেন। এক পর্যায়ে বাড়ির পাশের বোরো ধানের জমির পাশে ফজিলা বেগমেরব মরদেহ দেখতে পাওয়া যায়। ফজিলা বেগমের মুখে কাঁদা মাখানো ছিল। তাদের চিৎকারে আশপপাশের লোকজন এগিয়ে আসলে পুলিশে খবর দেওয়া হয়। পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করে।

ফজিলা বেগমের স্বজনদের ধারণা, কোনো সংঘবদ্ধ চক্র ফজিলাকে হত্যা করে তার গলা, কান ও হাতে থাকা স্বর্ণালংকার চুরি করে নিয়ে গেছে।

এ ব্যাপারে কালিহাতী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আবুল কালাম ভূইয়া জানান, ওই বৃদ্ধা নারীর মুখে কাঁদা মাখানো ছিল। তার একটি কান কাটা ও নাক-মুখ দিয়ে রক্ত ঝরছিল। ধারণা, তাকে হত্যা করে গুম করার উদ্দেশ্যে মরদেহটি লুকিয়ে রাখে দুর্বৃত্তরা। মরদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে।

Header Ad
Header Ad

বগুড়ার সাতটি আসনে জামায়াতের প্রার্থী ঘোষণা

ছবি: সংগৃহীত

আগামী ১৩তম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বগুড়ার সাতটি আসনে দলীয় প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। শনিবার (৫ এপ্রিল) দুপুরে বগুড়া শহরের শহীদ টিটু মিলনায়তনে ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাবেক কর্মী, সাথী ও সদস্যদের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত এক প্রীতিসভায় এসব প্রার্থীর নাম ঘোষণা করা হয়।

সমাবেশের প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান। তিনি বলেন, দেশের সংকটময় পরিস্থিতিতে সৎ, আদর্শবান ও ইসলামপন্থী প্রার্থীদের জয়ী করে জাতিকে সুশাসনের পথে ফিরিয়ে আনতে হবে।

ঘোষিত প্রার্থীরা হলেন— বগুড়া-১ (সারিয়াকান্দি-সোনাতলা) আসনে অধ্যক্ষ মো. শাহাবুদ্দিন, বগুড়া-২ (শিবগঞ্জ) আসনে অধ্যক্ষ মাওলানা শাহাদাতুজ্জামান, বগুড়া-৩ (দুপচাঁচিয়া-আদমদিঘি) আসনে নূর মোহাম্মদ আবু তাহের, বগুড়া-৪ (কাহালু-নন্দীগ্রাম) আসনে অধ্যক্ষ মাওলানা তায়েব আলী, বগুড়া-৫ (শেরপুর-ধুনট) আসনে আলহাজ দবিবুর রহমান, বগুড়া-৬ (সদর) আসনে আবিদুর রহমান সোহেল এবং বগুড়া-৭ (গাবতলী-শাজাহানপুর) আসনে গোলাম রব্বানী।

বিশেষ অতিথি হিসেবে সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় সহসভাপতি গোলাম রব্বানী, জামায়াতের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সদস্য অধ্যক্ষ শাহাবুদ্দিন, ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি দেলোয়ার হোসেন সাঈদী এবং আন্তর্জাতিক ছাত্র ও যুব ফেডারেশন (ইফসু)’র সেক্রেটারি জেনারেল ড. মোস্তফা ফয়সাল পারভেজ। এছাড়া জামায়াতের বগুড়া অঞ্চলের টিম সদস্য মাওলানা আব্দুর রহীম ও অধ্যাপক নজরুল ইসলাম আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।

সমাবেশ শেষে এক বর্ণাঢ্য র‌্যালি শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে। র‌্যালিতে ছাত্রশিবিরের দুই হাজারেরও বেশি সাবেক নেতাকর্মী অংশগ্রহণ করেন। এরপর অনুষ্ঠিত হয় এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, যেখানে দেশের খ্যাতনামা শিল্পীরা পরিবেশনা করেন।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই আয়োজনের মাধ্যমে জামায়াত নির্বাচনী মাঠে নিজেদের পুনরায় সক্রিয় ও প্রাসঙ্গিক করে তুলতে চাইছে। ছাত্রশিবিরের সাবেকদের অংশগ্রহণ দলটির সাংগঠনিক শক্তি ও মাঠপর্যায়ের প্রস্তুতির একটি ইঙ্গিত বলেও মনে করছেন অনেকে।

Header Ad
Header Ad

সর্বশেষ সংবাদ

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের রপ্তানি আরও বাড়বে: প্রেসসচিব
টাঙ্গাইলে ধান ক্ষেতে মিলল ৭০ বছর বয়সী এক বৃদ্ধার মরদেহ
বগুড়ার সাতটি আসনে জামায়াতের প্রার্থী ঘোষণা
রংপুরে বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষে প্রাণহানি, আহত অন্তত ২০
গত ২৫ বছর ‘জয় বাংলা’ বলিনি, এখন থেকে বলব: কাদের সিদ্দিকী
বিরামপুরে ভয়াবহ আগুনে সনাতন পরিবারের সর্বস্ব পুড়ে ছাই
রাতেই ঢাকাসহ ৭ অঞ্চলে ৬০ কিমি বেগে ঝড়-বৃষ্টি হতে পারে
মোদির প্রতিক্রিয়া শেখ হাসিনার ফেরত নিয়ে নেতিবাচক ছিল না: প্রেস সচিব
নওগাঁ হাসপাতালের পরিচ্ছন্নতা ও সমন্বয়ের বিষয়ে অসোন্তোষ স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক
প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের অধীনে চাকরি, পদ ২৫৫
‘বিদেশি কিছু গণমাধ্যম অর্থ উপার্জনের উদ্দেশে বাংলাদেশকে নিয়ে মিথ্যা ও উদ্দেশ্যমূলক সংবাদ প্রচার করছে’
সারা দেশে ৩২৯ উপজেলায় হচ্ছে টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ: মহাপরিচালক
২৭৭ জনকে নিয়োগ দেবে পানি উন্নয়ন বোর্ড, এইচএসসি পাসেও আবেদন
ভূমিকম্পে মিয়ানমারে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৩৩৫৪
পাকিস্তানকে হোয়াইটওয়াশের লজ্জায় ডুবালো নিউজিল্যান্ড
স্বর্ণভর্তি ব্যাগ ফেরত দিয়ে সততার দৃষ্টান্ত গড়লেন অটোরিকশাচালক খায়রুল
ঈদের ছুটি শেষে বেনাপোল বন্দরে আমদানি-রপ্তানি শুরু
ঈদের ছুটিতে ঢাকা ছেড়েছেন ১ কোটি ৭ লাখ সিম ব্যবহারকারী
যারা ফ্যাসিবাদ চাপিয়ে দিয়েছে, তারা রাজনীতি করার অধিকার রাখে না
লৌহজংয়ে কার্টনে পাওয়া মরদেহের টুকরোগুলো সাভারের সবুজ মোল্যার