রবিবার, ৬ এপ্রিল ২০২৫ | ২৩ চৈত্র ১৪৩১
Dhaka Prokash

সম্ভাবনার নতুন দুয়ার পদ্মা সেতু-১৩

দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে ঘটতে যাচ্ছে শিল্পবিপ্লব

‘পদ্মা সেতু’ সড়ক ও রেল যোগাযোগ ব্যবস্থায় পদ্মার এপার-ওপার বিপ্লব ঘটাতে যাচ্ছে। একইসঙ্গে দেশের দক্ষিণ এবং দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের জেলাগুলোতে শিল্প কারখানা প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রেও অগ্রণী ভূমিকা রাখবে উদ্বোধনের অপেক্ষায় থাকা এই সেতু।

এক পদ্মা সেতুর কারণেই বদলে যাচ্ছে দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের পিছিয়ে থাকা ২১টি জেলার আর্থ-সামাজিক চিত্র। যোগাযোগের ক্ষেত্রে যেমন পদ্মা সেতু পুরো দেশকে এক সুতোয় বাঁধতে যাচ্ছে, তেমনি দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে জেলাগুলোতে শিল্প-কারখানা গড়ে উঠার অপরা সম্ভাবনা তৈরি করেছে।

আগামী ২৫ জুন সকালে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা উদ্বোধন করবেন ৬ দশমিক ১৫ কিলোমিটার পদ্মা সেতু। নিজস্ব অর্থায়নে নির্মিত দেশের অন্যতম এই স্থাপনা এই

সেতুর কল্যাণেই চেহারা বদলে যাবে খুলনা, বাগেরহাট, যশোর, সাতক্ষীরা, নড়াইল, কুষ্টিয়া, মেহেরপুর, চুয়াডাঙ্গা, ঝিনাইদহ, মাগুরা, বরিশাল, পিরোজপুর, ভোলা, পটুয়াখালী, বরগুনা, ঝালকাঠি, গোপালগঞ্জ, ফরিদপুর, মাদারীপুর, শরীয়তপুর এবং রাজবাড়ী জেলার। এসব জেলায় শুধু যে শিল্প কারখানা হবে তাই নয়, ব্যবসা-বাণিজ্য, পর্যটন খাতেও বড় ধরনের পরিবর্তন আসবে, এমনটাই মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

পদ্মা সেতু হচ্ছে দেখে চট্টগ্রামের কারখানা বিক্রি করে বাগেরহাটে কারখানা করছেন বাগেরহাট চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের সভাপতি লিয়াকত হোসেন লিটন।

তার মতো আরও অনেকেই পদ্মা সেতুর সম্ভাবনা দেখে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ২১ জেলাতেই নতুন নতুন শিল্প কারখানা গড়ে তুলার কাজে হাত দিয়েছেন। শিল্পায়নের নতুন নতুন স্বপ্ন দেখছেন। পদ্মা সেতুর কারণে ওই ২১ জেলায় অনেক উদ্যোক্তা প্রস্তুতি নিচ্ছেন শিল্প কারখানা গড়ে তোলার।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, পদ্মা সেতু যে দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে শিল্পায়নে ভূমিকা রাখছে মংলা বন্দরে তার সুফল এখনই পাওয়া যাচ্ছে। ইতিমধ্যে সেখানে বেশ কয়েকটি সিমেন্ট কারখানা চালু হয়ে গেছে। গার্মেন্টসহ নানা ধরনের রপ্তানীমুখী শিল্পকারখানাও গড়ে উঠতে শুরু করেছে।

জানা যায়, ২০৫ একর জমি নিয়ে বিশেষ অর্থনৈতিক ‍অঞ্চল হচ্ছে মংলায়। ফরিদপুর, মাদারীপুর এবং খুলনার খালিশপুরে ইতিমধ্যে অর্থনৈতিক জোনের সীমানা নির্ধারণ হয়ে গেছে। খুলনায় আবার ঘুরে দাঁড়াচ্ছে ইপিজেডগুলো। চাহিদামতো গ্যাস, বিদ্যুৎসহ অন্যান্য সুযোগ সুবিধা পেলে দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল হবে দেশের সবচেয়ে শক্তিশালী অর্থনৈতিক অঞ্চল।

পদ্মা সেতুর পরামর্শক প্রতিষ্ঠান মনসেল তাদের এক স্টাডি রিপোর্টে বলেছে, সেতুর বোনফিট কস্ট রেশিও (বিসিআর) ১ দশমিক ৭ এবং ইন্টারনাল রেট অব রিটার্ন (ইআরআর) ১৮ শতাংশ। অর্থাৎ প্রতিষ্ঠানটি বলছে, এই সেতু নির্মাণ অর্থনৈতিক বিবেচনায় লাভ হয়েছে।

বিশ্বব্যাংকের এক সমীক্ষা প্রতিবেদনেও বলা হয়েছে, পদ্মা সেতুর অর্থনৈতিক প্রভাবে দক্ষিণাঞ্চলের জিডিপি ২ শতাংশ এবং দেশের সার্বিক জিডিপি ১ শতাংশেরও বেশি বাড়বে।

পদ্মা সেতুর নির্মাণের ফলে দেশের সমন্বিত যোগাযোগ ব্যবস্থারও উন্নতি হবে। সেতুটি ট্রান্স এশিয়ান হাইওয়ে (এন-৮) এবং ট্রান্স এশিয়ান রেলওয়ের সঙ্গে যুক্ত হবে। ফলে সেতুর উভয়পার্শে অর্থনৈতিক অঞ্চল, হাইটেক পার্ক ও প্রাইভেট শিল্পকারখানা গড়ে উঠছে।

মংলা ও পায়রা সমুদ্র বন্দর সেতুর কারণে সচল হবে। পর্যটন শিল্পেরও বিকাশ ঘটবে। কুয়াকাটা সমুদ্র সৈকত, সুন্দরবন, ষাট গম্বুজ মসজিদ, বঙ্গবন্ধুর সমাধিসৌধ, মাওয়া ও জাজিরা পাড়ের রিসোর্টগুলো দেশি-বিদেশি পর্যটকদের পদচারণায় মুখর থাকবে।

সম্প্রতি পদ্মা সেতুর কারণে দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের উন্নয়ন নিয়ে একটি প্রতিবেদন তৈরি করেছে খুলনা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জ্বালানি চাহিদা নিশ্চিত হলে দেশের দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে যুগান্তকারী উন্নয়ন হবে। দ্বিতীয় বৃহত্তম সমুদ্র বন্দর মংলার গতিশীলতা বাড়বে। ফলে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের ব্যবসায়ীরা অল্প সময়ের মধ্যে পণ্য পরিবহন করে এই বন্দরের মাধ্যমে আমদানি-রপ্তানিতে আগ্রহী হবে।

একইভাবে গুরুত্ব বাড়বে পায়রা বন্দরেরও। এই বন্দর দিয়ে ভুটান, নেপাল ও ভারতের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের প্রদেশগুলোর সঙ্গে বাণিজ্য বাড়বে।

খুলনা চেম্বারের প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, দেশের অন্যতম বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনকারী শিল্প হলো হিমায়িত মৎস্য ও পাট। এই খাতের অধিকাংশ পণ্য খুলনা বন্দর দিয়ে রপ্তানি হয়। পদ্মা সেতুতে রেল সেতু চালু হলে গতিশলিতা আরও বাড়বে।

এ প্রসঙ্গে খুলনা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ড্রাস্ট্রিজের সভাপতি কাজী আমিনুল হক ঢাকাপ্রকাশ-কে জানান, পদ্মা সেতুকে ঘিরে দক্ষিণাঞ্চলবাসীর ভাগ্যন্নয়ন ঘটাতে নতুন শিল্পায়নের যে সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হতে যাচ্ছে তার প্রধান বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে গ্যাস ও খানজাহান আলী বিমানবন্দর। গ্যাস ও বিমানবন্দর চালু হলে দক্ষিণাঞ্চলে ব্যাপক শিল্পায়ন হবে। গতি ফিরবে অর্থনীতির।

খুলনা মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এমডি এ বাবুল রানা ঢাকাপ্রকাশ-কে বলেন, পদ্মা সেতুকে ঘিরে গোটা দক্ষিণাঞ্চলে গড়ে উঠছে ছোট-বড় অসংখ্য কল-কারখানা। মংলা বন্দর পর্যন্ত দুইপাশে এখন কোথাও জমি পাওয়া যায় না। পদ্মা সেতুকে কেন্দ্র করে বিভিন্ন শিল্প কারখানার মালিকরা সেখানে জমি কিনে রেখেছেন।

বেসরকারি গবেষণা সংস্থা সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) গবেষণা পরিচালক খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেমও বলছেন, পদ্মা সেতু এই অঞ্চলে বিনিয়োগ, রপ্তানি ও কর্মসংস্থান বাড়াতে সহায়তা করবে। দেশি-বিদেশি বিনিয়োগও বাড়বে।

আরইউ/এনএইচবি/

Header Ad
Header Ad

স্ত্রীকে নিয়ে চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুর গেলেন মির্জা ফখরুল

স্ত্রীকে নিয়ে চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুর গেলেন মির্জা ফখরুল। ছবি: সংগৃহীত

চিকিৎসা সংক্রান্ত নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষার অংশ হিসেবে সিঙ্গাপুরে গেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

রোববার (৬ এপ্রিল) সকাল ৮টা ২০ মিনিটে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের একটি ফ্লাইটে তিনি তার স্ত্রীসহ হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে সিঙ্গাপুরের উদ্দেশে রওনা হন।

বিএনপি চেয়ারপারসনের মিডিয়া উইংয়ের সদস্য শায়রুল কবির খান এ তথ্য নিশ্চিত করে জানান, “স্যার এবং ভাবী হেলথ চেকআপ করাতে সিঙ্গাপুর গেছেন। সেখানে একটি ক্লিনিকে কয়েকজন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের সঙ্গে দেখা করবেন। ইতোমধ্যে ডাক্তারদের অ্যাপয়েন্টমেন্ট ঠিক করা হয়েছে।”

তিনি আরও জানান, বিএনপি মহাসচিবের এক সপ্তাহ পর দেশে ফেরার কথা রয়েছে। উল্লেখ্য, এর আগে সর্বশেষ ২০২৪ সালের ১ সেপ্টেম্বর নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য সিঙ্গাপুরে গিয়েছিলেন মির্জা ফখরুল ও তার স্ত্রী।

Header Ad
Header Ad

বিশ্বজুড়ে ট্রাম্প-মাস্কবিরোধী বিক্ষোভ, যুক্তরাষ্ট্রসহ ইউরোপের রাজপথে উত্তাল জনতা

ছবি: সংগৃহীত

বিশ্বব্যাপী রাজনৈতিক অস্থিরতার প্রেক্ষাপটে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং তার উপদেষ্টা ইলন মাস্কের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছে সাধারণ মানুষ। শনিবার (৫ মার্চ) যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, জার্মানি, ফ্রান্স, পর্তুগালসহ ইউরোপের বিভিন্ন শহরে হাজার হাজার মানুষ বিক্ষোভে অংশ নেন।

আয়োজকদের দাবি, ট্রাম্পের নতুন শুল্কনীতি এবং মাস্কের অতিরিক্ত রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা বৈশ্বিক অর্থনীতি ও গণতন্ত্রের জন্য হুমকিস্বরূপ।

ওয়াশিংটনের কানেটিকাট অ্যাভিনিউ ও ন্যাশনাল মল এলাকায় বৃষ্টির মধ্যেও হাজারো বিক্ষোভকারী প্ল্যাকার্ড হাতে জড়ো হন। ‘যুক্তরাষ্ট্রে কোনো রাজা নেই’, ‘মাস্ককে বিতাড়িত করুন’ ইত্যাদি স্লোগানে মুখর ছিল রাজপথ। আয়োজকদের ধারণা, শুধু ওয়াশিংটনেই অংশগ্রহণকারীর সংখ্যা ২০ হাজার ছাড়িয়ে যেতে পারে।

ইউরোপের শহরগুলোতেও ছিল একই দৃশ্য। জার্মানির বার্লিনে টেসলার শোরুমের সামনে এবং ফ্রাঙ্কফুর্টে ‘হ্যান্ডস অফ’ ব্যানারে বিক্ষোভকারীরা ট্রাম্পের পদত্যাগ দাবি করেন। তাদের হাতে ছিল ব্যানার: ‘গণতন্ত্র রক্ষা করুন’, ‘ট্রাম্প চলে যাও’। প্যারিসের প্যালেস দে লা রিপাবলিক এলাকায় মার্কিন অভিবাসীদের উপস্থিতি ছিল লক্ষণীয়, যেখানে ‘আইনের শাসন চাই’, ‘অত্যাচারীকে প্রতিহত করুন’—এমন বার্তাবাহী প্ল্যাকার্ড বহন করা হয়।

লন্ডন, লিসবনসহ আরও বেশ কিছু শহরেও মাস্ক ও ট্রাম্প বিরোধী আন্দোলনের ঝড় উঠে। বার্লিনে “ইলন, তোমাকে কেউ ভোট দেয়নি”—এই স্লোগানটি মাস্কের অগণতান্ত্রিক প্রভাবের বিরুদ্ধে বিক্ষোভকারীদের মনোভাব স্পষ্ট করে তোলে।

বিশ্বব্যাপী এই বিক্ষোভ শুধু রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়া নয়, বরং গণতন্ত্র, জবাবদিহিতা ও সুশাসনের পক্ষে একটি শক্তিশালী বার্তা হিসেবে প্রতিভাত হচ্ছে। আয়োজকরা বলেন, এখনকার বিশ্ব আগের চেয়ে অনেক বেশি আন্তঃসংযুক্ত—একটি দেশের নেতিবাচক সিদ্ধান্তের প্রভাব পড়ে অন্য দেশেও। এই বিক্ষোভ তাই স্বৈরাচার ও অগণতান্ত্রিক নেতৃত্বের বিরুদ্ধে বিশ্বজাগরণের প্রতিচ্ছবি। তথ্যসূত্র: রয়টার্স

Header Ad
Header Ad

চীনের গণমাধ্যমে দেয়া সাক্ষাৎকারে যা বললেন প্রধান উপদেষ্টা

ছবি: সংগৃহীত

চীনের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম সিজিটিএন-কে দেওয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে আন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, চীনের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক আরও গভীর এবং কৌশলগত পর্যায়ে উন্নীত করতে চান তিনি। শনিবার (৫ এপ্রিল) চার মিনিটের সেই ভিডিও সাক্ষাৎকারটি প্রকাশিত হয়।

সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, “বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় পৌঁছাতে পারে। এই সম্পর্ক শুধু বাংলাদেশ নয়, বরং পুরো অঞ্চলের ভূমি পরিবেষ্টিত দেশগুলোর জন্যও উপকার বয়ে আনবে।” তিনি চীনা বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং শিল্প-কারখানা বাংলাদেশে স্থানান্তরের আহ্বান জানান।

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, বাংলাদেশ বর্তমানে স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশের পথে রয়েছে, আর এ যাত্রায় চীনের সহযোগিতা গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে দেশের তরুণ জনগোষ্ঠীর দক্ষতা উন্নয়নে চীনের ভূমিকা হতে পারে উল্লেখযোগ্য। “আমাদের অর্ধেক জনগণের বয়স ২৭ বছরের নিচে। এরা বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ, এবং তাদের অর্থনৈতিক দক্ষতায় পরিণত করতে হবে,” বলেন তিনি।

তিনি বাংলাদেশের আর্থসামাজিক উন্নয়নে চীনের ভূমিকার প্রশংসা করেন এবং বলেন, “বাংলাদেশ ও চীনের ৫০ বছরের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। এই সাফল্য আরও এগিয়ে নিতে সংস্কৃতি ও ভাষা চর্চার উপর গুরুত্ব দিতে হবে।” তিনি বাংলাদেশে চাইনিজ সাংস্কৃতিক কেন্দ্র স্থাপনের প্রস্তাব দেন, যাতে বাংলাদেশের মানুষ চীনা ভাষা ও সংস্কৃতির সঙ্গে আরও ঘনিষ্ঠভাবে পরিচিত হতে পারে।

সাক্ষাৎকারে ড. ইউনূস স্বাস্থ্যসেবা খাতেও চীনের সহায়তার প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, “চীনের স্বাস্থ্য প্রযুক্তি ও পরিষেবা থেকে বাংলাদেশ অনেক কিছু শিখতে পারে। দেশের সাধারণ মানুষ চীনের মানসম্পন্ন স্বাস্থ্যসেবা পেতে আগ্রহী।”

সাক্ষাৎকারের শেষভাগে ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, “শান্তিই একমাত্র সমাধান, যুদ্ধ কোনো পথ নয়। একটি টেকসই, শান্তিপূর্ণ বিশ্ব গড়তে পারস্পরিক সহযোগিতা ও বোঝাপড়ার বিকল্প নেই।”

উল্লেখ্য, গত ২৬ থেকে ২৯ মার্চ ড. মুহাম্মদ ইউনূস দক্ষিণ চীনের হাইনান দ্বীপে আয়োজিত বোয়াও ফোরাম ফর এশিয়ার বার্ষিক সম্মেলনে অংশগ্রহণ করেন এবং পরে বেইজিং সফর করেন। এটি প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে তাঁর প্রথম রাষ্ট্রীয় সফর ছিল।

Header Ad
Header Ad

সর্বশেষ সংবাদ

স্ত্রীকে নিয়ে চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুর গেলেন মির্জা ফখরুল
বিশ্বজুড়ে ট্রাম্প-মাস্কবিরোধী বিক্ষোভ, যুক্তরাষ্ট্রসহ ইউরোপের রাজপথে উত্তাল জনতা
চীনের গণমাধ্যমে দেয়া সাক্ষাৎকারে যা বললেন প্রধান উপদেষ্টা
ট্রাম্প প্রশাসনের শুল্কারোপের প্রভাব বড় নয়, সামাল দেয়া সম্ভব: অর্থ উপদেষ্টা
রাশিয়ার দাবি ইউক্রেনে একদিনে ৪৩০ সেনা হতাহত
সরকারি সফরে রাশিয়া ও ক্রোয়েশিয়া গেলেন সেনাপ্রধান
ডিসেম্বরের মধ্যেই নির্বাচন চায় হেফাজত, বিএনপির সঙ্গে একমত
চীনের পাল্টা শুল্কারোপে মার্কিন শেয়ারবাজারে ধস, বিশ্ববাজারে বাড়ছে উত্তেজনা
সাবেক রেলমন্ত্রী মুজিবুল হকের বাড়িতে হামলা ও অগ্নিসংযোগ
পরকীয়া করলে পাথর নিক্ষেপে মৃত্যুদণ্ডের আইন করতেন অপু বিশ্বাস
বিএনপির দল পুনর্গঠনে তরুণ ও শিক্ষিত নেতৃত্বের অগ্রাধিকার
যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের রপ্তানি আরও বাড়বে: প্রেসসচিব
টাঙ্গাইলে ধান ক্ষেতে মিলল ৭০ বছর বয়সী এক বৃদ্ধার মরদেহ
বগুড়ার সাতটি আসনে জামায়াতের প্রার্থী ঘোষণা
রংপুরে বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষে প্রাণহানি, আহত অন্তত ২০
গত ২৫ বছর ‘জয় বাংলা’ বলিনি, এখন থেকে বলব: কাদের সিদ্দিকী
বিরামপুরে ভয়াবহ আগুনে সনাতন পরিবারের সর্বস্ব পুড়ে ছাই
রাতেই ঢাকাসহ ৭ অঞ্চলে ৬০ কিমি বেগে ঝড়-বৃষ্টি হতে পারে
মোদির প্রতিক্রিয়া শেখ হাসিনার ফেরত নিয়ে নেতিবাচক ছিল না: প্রেস সচিব
নওগাঁ হাসপাতালের পরিচ্ছন্নতা ও সমন্বয়ের বিষয়ে অসোন্তোষ স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক