রবিবার, ৬ এপ্রিল ২০২৫ | ২৩ চৈত্র ১৪৩১
Dhaka Prokash

সম্ভাবনার নতুন দুয়ার পদ্মা সেতু-১০

সেতুর সঙ্গে নৌপথের তুলনা কতটুকু যৌক্তিক

দেশের দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের জেলাগুলোর জন্য অপার সম্ভবনার দুয়ার বহুল প্রত্যাশিত পদ্মা সেতু খুলছে আগামী মাসেই। এই সেতু চালু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ২১টি জেলার মানুষের কাছে ঢাকা চলে যাবে আরও নিকটে। ঢাকার সঙ্গে তাদের দূরত্ব কমে যাবে অনেক। পদ্মা সেতু কারও পৌষ মাস কারও সর্বনাশ। সেতু চালু হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে পরিবহন সেক্টরে সম্ভবনার দুয়ার উন্মোচিত হলেও সংকটে পড়বে নৌপরিবহন সেক্টর। বিশেষ করে দক্ষিণ পশ্চিমের জেলাগুলোতে চলাচলকারী লঞ্চ-ফেরি অস্তিত্বের সংকটে পড়বে।

সেতু চালু হওয়ার খবরে লঞ্চ মালিকদের অনেকেই কপালে শনির দশা দেখছেন। এমনিতেই দেশের নৌপথ সংকুচিত হচ্ছে। অন্যদিকে পদ্মা সেতুর মতো বড় বড় ব্রিজ হওয়ায় তাদের জন্য সর্বনাশ হচ্ছে। বিষয়টি নিয়ে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে অনেক লঞ্চ মালিক পথে বসে যাবেন। অনেকে এরইমধ্যে বিকল্প ব্যবসা খুঁজতে শুরু করছেন। তবে কতটা প্রভাব পড়বে সেটা এই মুহুর্তে বিশ্লেষণ করতে পারছেন না সংশ্লিষ্টরা। কারণ তারা মনে করছেন সেতু চালু হওয়ার পর যদি মানুষ নির্বিঘ্নে চলে যেতে পারে তাহলে কেউ নৌপথে আসতে চাইবে না। আর যদি তীব্র যানজট হয় তাহলে হয়তো অনেকেই নৌপথকেই বেছে নেবে। সেটা চালু হওয়ার পর বোঝা যাবে।

তবে সেতু চালু হওয়ার খবরে দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ২১টি জেলার মানুষ স্বপ্ন বুনতে শুরু করছে। অনেকেই বলছেন এখন আর ঘণ্টার পর ঘণ্টা ফেরি ঘাটে বসে থাকতে হবে না। সকালে বাড়ি থেকে বের হয়ে দুপুরেই ঢাকায় পৌঁছাব। এই স্বপ্ন দেখছেন অনেকেই। সেতু চালু হওয়ার কথা শুনে বাগেরহাটের ফয়েজ আহমেদ ঢাকাপ্রকাশ-কে বলেন, ফেরির সঙ্গে সেতুর তুলনা করা ঠিক হবে না। তার যুক্তি আমি যদি বাড়ি থেকে বাঁধাহীন ভাবে দৌলতদিয়া ফেরিঘাটে আসি তাহলে লাগবে ৪ ঘণ্টা, ফেরিঘাটে ফেরি থাকুক আর না থাকুক তাতে ৩ থেকে সাড়ে ৩ ঘণ্টা নষ্ট হবেই। আর যদি বাগেরহাট সদর থেকে গাড়ীতে উঠি তাহলে পদ্মা সেতুর জাজিরাপ্রান্তে আসতে সময় লাগবে আড়াই ঘণ্টা। অর্থাৎ এখানেই সময় কমবে দেড় ঘণ্টা আর ফেরি পার হতে যে তিন থেকে সাড়ে ৩ ঘণ্টা নষ্ট হতো সেটি আর হচ্ছে না। সেতু পার হতে যদি ৭ মিনিট লাগে তাহলে আমি ঢাকায় পৌছাবো সর্বসাকুল্যে ৩ ঘণ্টায়। অর্থাৎ আমি চাইলে সকালে বাড়ি থেকে এসেই অফিস করতে পারব।

এটি শুধু সাধারণ তথ্য। তা ছাড়া ফেরিঘাটে আরও যেসকল দুর্ভোগ রয়েছে। ঝড় উঠলে ফেরি বন্ধ, কুয়াশা হলে ফেরি বন্ধ, স্রোত থাকলে ফেরি বন্ধ, নদী ভাঙন হলে ফেরি বন্ধ। ঘাটে ভিআইপিদের পদচারণা থাকলে ঘাট পাওয়ার বিড়ম্বনা। এরকম শত বিড়ম্বনা রয়েছে। সুতরাং সেতুর সঙ্গে ফেরির তুলনা করা কখনই যৌক্তিক না বলে দাবি করেন ফয়েজ।

শুধু বাগেরহাটের ফয়েজ না শরীয়তপুরের মিজানুর রহমানেরও একই দাবি। তিনি ঢাকাপ্রকাশ-কে বলেন, ফেরি ঘাটের দুর্ভোগের কথা বলে শেষ করা যাবে না। এখানে ঘণ্টার পর ঘণ্টা দুর্ভোগ তো রয়েছেই। তা ছাড়া লঞ্চ ডুবির মতো বড় বড় ঘটনা মাঝে মাঝেই থাকে। সুতরাং ফেরির সঙ্গে সেতুর তুলনা করা নির্বোধের মতো।

যারা নৌপথে ভ্রমণ করতে চাইবে তাদের জন্য হয়তো ফেরি একটা ভ্রমণ বিলাস বাহন হবে। তাছাড়া ফেরিতে কেউ উঠতে চাইবে না। দক্ষিণ পশ্চিমের জেলাগুলোর মানুষ নদী পার হওয়ার জন্য বিগত ৫০ বছরের দুর্ভোগ নিমিষেই শেষ হয়ে যাবে। নদী পার হতে ঘণ্টার পর ঘণ্টা বসে থাকায় অনেক অসুস্থ মানুষ যাত্রাপথেই মারা গেছেন- এমন ঘটনাও কম না। তা ছাড়া জরুরি প্রয়োজনে অনেকে ঢাকা আসতে গিয়ে পড়েছেন বিড়ম্বনায়। সেটি মুহুর্তেই চলে যাবে। এসব দিক বিবেচনা করলে পদ্মা সেতু শুধু অর্থনৈতিক পরিবর্তন নয় মানুষের জীবনযাত্রা পাল্টে দেবে।

এদিকে পদ্মা সেতু চালু হওয়ার খবরে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন লঞ্চ মালিকরা। এ বিষয়ে লঞ্চ মালিক সমিতির সভাপতি মাহবুবউদ্দিন বীরবিক্রম ঢাকাপ্রকাশ-কে বলেন, ‘সেতু চালু হলে কি হবে না হবে সেটা এখনো বলা যাচ্ছে না। যারা যাওয়া আসা করবে তাদের রেসপন্সটা কি হয় তার উপর নির্ভর করবে। তারপর আসা যাওয়ার মধ্যে রাস্তায় যানজট হয় কি না, বাড়ে না কমে অনেক ফ্যাক্টর আছে। ব্রিজে উঠার সময় যদি যানজট হয়, নামার সময় যদি যানজট হয়, লম্বা যানজট যদি হয় তাহলে এক রকম হবে, আর যদি স্মুথ হয়ে যায় তাহলে আরেক রকম হবে। এই মুহুর্তে নির্ণয় করা জটিল।’

সংকট তৈরি হবে কি না জানতে চাইলে বলেন, বড় জাহাজগুলোতে যে ভিআইপি কেবিনে লোকজন আসত সেগুলো তো কমে যাবে। লোকজন কমে গেলে জাহাজের সংখ্যাও ধীরে ধীরে কমে যাবে। সেতু চালু হলে ঘাট পরিবর্তন হবে কি না জানতে চাইলে বলেন, ঘাট পরিবর্তনের ব্যাপার সরকার জানে। পদ্মা সেতু করাই হয়েছে ঘাট যাতে না লাগে। পদ্মা সেতু হলে ঘাট উঠে যাবে এটাই স্বাভাবিক। শিফট হয়ে যাওয়ার মতো জায়গা থাকলে শিফট হবে, না হলে মাঠেই মারা যাবে। কোথাও নতুন পয়েন্ট সৃষ্টি হলে হয় তো ফেরি সেখানে যাবে। তত দিনে জাহাজ নষ্ট হয়ে যাবে। বর্তমানে বেসরকারিভাবে বড় জাহাজ রয়েছে ৬০-৭০ টি।

এছাড়া সরকারিভাবে ৫১ টি ফেরি রয়েছে। এসব ফেরি দিয়ে মাওয়া-জাজিরা ঘাটে যানবাহন পারাপার হতো। সেতু চালু হলে এই সকল ফেরি কোথায় যাবে সেটি এখনও নির্ধারণ করেনি নৌ পরিবহন মন্ত্রণালয়। তবে সেতুর নিচ দিয়ে যেন ফেরি চলাচল করতে না পারে তার জন্য বিধিনিষেধ আছে। তাই অচিরেই ঘাট পরিবর্তন হওয়ার সম্ভবনা রয়েছে।

তা ছাড়া দক্ষিণ পশ্চিমের জেলাগুলোতে বিশেষ করে বরিশাল, মাদারিপুর, গোপালগঞ্জ, শরিয়াতপুর, পিরোজপুর, পুটয়াখালি, ঝালকাঠি, বাগেরহাট, খুলনা, নড়াইল, যশোর, রাজবাড়ীসহ প্রায় ২২ টি জেলার মানুষ উপকৃত হবে। শুধু তাই না মোংলা বন্দরের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ সৃষ্টি হবে। পুরো এলাকার অর্থনৈতিক চিত্র পাল্টে যাবে।

এসএম/এনএইচবি/এমএমএ/

 

Header Ad
Header Ad

স্ত্রীকে নিয়ে চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুর গেলেন মির্জা ফখরুল

স্ত্রীকে নিয়ে চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুর গেলেন মির্জা ফখরুল। ছবি: সংগৃহীত

চিকিৎসা সংক্রান্ত নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষার অংশ হিসেবে সিঙ্গাপুরে গেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

রোববার (৬ এপ্রিল) সকাল ৮টা ২০ মিনিটে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের একটি ফ্লাইটে তিনি তার স্ত্রীসহ হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে সিঙ্গাপুরের উদ্দেশে রওনা হন।

বিএনপি চেয়ারপারসনের মিডিয়া উইংয়ের সদস্য শায়রুল কবির খান এ তথ্য নিশ্চিত করে জানান, “স্যার এবং ভাবী হেলথ চেকআপ করাতে সিঙ্গাপুর গেছেন। সেখানে একটি ক্লিনিকে কয়েকজন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের সঙ্গে দেখা করবেন। ইতোমধ্যে ডাক্তারদের অ্যাপয়েন্টমেন্ট ঠিক করা হয়েছে।”

তিনি আরও জানান, বিএনপি মহাসচিবের এক সপ্তাহ পর দেশে ফেরার কথা রয়েছে। উল্লেখ্য, এর আগে সর্বশেষ ২০২৪ সালের ১ সেপ্টেম্বর নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য সিঙ্গাপুরে গিয়েছিলেন মির্জা ফখরুল ও তার স্ত্রী।

Header Ad
Header Ad

বিশ্বজুড়ে ট্রাম্প-মাস্কবিরোধী বিক্ষোভ, যুক্তরাষ্ট্রসহ ইউরোপের রাজপথে উত্তাল জনতা

ছবি: সংগৃহীত

বিশ্বব্যাপী রাজনৈতিক অস্থিরতার প্রেক্ষাপটে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং তার উপদেষ্টা ইলন মাস্কের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছে সাধারণ মানুষ। শনিবার (৫ মার্চ) যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, জার্মানি, ফ্রান্স, পর্তুগালসহ ইউরোপের বিভিন্ন শহরে হাজার হাজার মানুষ বিক্ষোভে অংশ নেন।

আয়োজকদের দাবি, ট্রাম্পের নতুন শুল্কনীতি এবং মাস্কের অতিরিক্ত রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা বৈশ্বিক অর্থনীতি ও গণতন্ত্রের জন্য হুমকিস্বরূপ।

ওয়াশিংটনের কানেটিকাট অ্যাভিনিউ ও ন্যাশনাল মল এলাকায় বৃষ্টির মধ্যেও হাজারো বিক্ষোভকারী প্ল্যাকার্ড হাতে জড়ো হন। ‘যুক্তরাষ্ট্রে কোনো রাজা নেই’, ‘মাস্ককে বিতাড়িত করুন’ ইত্যাদি স্লোগানে মুখর ছিল রাজপথ। আয়োজকদের ধারণা, শুধু ওয়াশিংটনেই অংশগ্রহণকারীর সংখ্যা ২০ হাজার ছাড়িয়ে যেতে পারে।

ইউরোপের শহরগুলোতেও ছিল একই দৃশ্য। জার্মানির বার্লিনে টেসলার শোরুমের সামনে এবং ফ্রাঙ্কফুর্টে ‘হ্যান্ডস অফ’ ব্যানারে বিক্ষোভকারীরা ট্রাম্পের পদত্যাগ দাবি করেন। তাদের হাতে ছিল ব্যানার: ‘গণতন্ত্র রক্ষা করুন’, ‘ট্রাম্প চলে যাও’। প্যারিসের প্যালেস দে লা রিপাবলিক এলাকায় মার্কিন অভিবাসীদের উপস্থিতি ছিল লক্ষণীয়, যেখানে ‘আইনের শাসন চাই’, ‘অত্যাচারীকে প্রতিহত করুন’—এমন বার্তাবাহী প্ল্যাকার্ড বহন করা হয়।

লন্ডন, লিসবনসহ আরও বেশ কিছু শহরেও মাস্ক ও ট্রাম্প বিরোধী আন্দোলনের ঝড় উঠে। বার্লিনে “ইলন, তোমাকে কেউ ভোট দেয়নি”—এই স্লোগানটি মাস্কের অগণতান্ত্রিক প্রভাবের বিরুদ্ধে বিক্ষোভকারীদের মনোভাব স্পষ্ট করে তোলে।

বিশ্বব্যাপী এই বিক্ষোভ শুধু রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়া নয়, বরং গণতন্ত্র, জবাবদিহিতা ও সুশাসনের পক্ষে একটি শক্তিশালী বার্তা হিসেবে প্রতিভাত হচ্ছে। আয়োজকরা বলেন, এখনকার বিশ্ব আগের চেয়ে অনেক বেশি আন্তঃসংযুক্ত—একটি দেশের নেতিবাচক সিদ্ধান্তের প্রভাব পড়ে অন্য দেশেও। এই বিক্ষোভ তাই স্বৈরাচার ও অগণতান্ত্রিক নেতৃত্বের বিরুদ্ধে বিশ্বজাগরণের প্রতিচ্ছবি। তথ্যসূত্র: রয়টার্স

Header Ad
Header Ad

চীনের গণমাধ্যমে দেয়া সাক্ষাৎকারে যা বললেন প্রধান উপদেষ্টা

ছবি: সংগৃহীত

চীনের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম সিজিটিএন-কে দেওয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে আন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, চীনের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক আরও গভীর এবং কৌশলগত পর্যায়ে উন্নীত করতে চান তিনি। শনিবার (৫ এপ্রিল) চার মিনিটের সেই ভিডিও সাক্ষাৎকারটি প্রকাশিত হয়।

সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, “বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় পৌঁছাতে পারে। এই সম্পর্ক শুধু বাংলাদেশ নয়, বরং পুরো অঞ্চলের ভূমি পরিবেষ্টিত দেশগুলোর জন্যও উপকার বয়ে আনবে।” তিনি চীনা বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং শিল্প-কারখানা বাংলাদেশে স্থানান্তরের আহ্বান জানান।

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, বাংলাদেশ বর্তমানে স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশের পথে রয়েছে, আর এ যাত্রায় চীনের সহযোগিতা গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে দেশের তরুণ জনগোষ্ঠীর দক্ষতা উন্নয়নে চীনের ভূমিকা হতে পারে উল্লেখযোগ্য। “আমাদের অর্ধেক জনগণের বয়স ২৭ বছরের নিচে। এরা বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ, এবং তাদের অর্থনৈতিক দক্ষতায় পরিণত করতে হবে,” বলেন তিনি।

তিনি বাংলাদেশের আর্থসামাজিক উন্নয়নে চীনের ভূমিকার প্রশংসা করেন এবং বলেন, “বাংলাদেশ ও চীনের ৫০ বছরের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। এই সাফল্য আরও এগিয়ে নিতে সংস্কৃতি ও ভাষা চর্চার উপর গুরুত্ব দিতে হবে।” তিনি বাংলাদেশে চাইনিজ সাংস্কৃতিক কেন্দ্র স্থাপনের প্রস্তাব দেন, যাতে বাংলাদেশের মানুষ চীনা ভাষা ও সংস্কৃতির সঙ্গে আরও ঘনিষ্ঠভাবে পরিচিত হতে পারে।

সাক্ষাৎকারে ড. ইউনূস স্বাস্থ্যসেবা খাতেও চীনের সহায়তার প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, “চীনের স্বাস্থ্য প্রযুক্তি ও পরিষেবা থেকে বাংলাদেশ অনেক কিছু শিখতে পারে। দেশের সাধারণ মানুষ চীনের মানসম্পন্ন স্বাস্থ্যসেবা পেতে আগ্রহী।”

সাক্ষাৎকারের শেষভাগে ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, “শান্তিই একমাত্র সমাধান, যুদ্ধ কোনো পথ নয়। একটি টেকসই, শান্তিপূর্ণ বিশ্ব গড়তে পারস্পরিক সহযোগিতা ও বোঝাপড়ার বিকল্প নেই।”

উল্লেখ্য, গত ২৬ থেকে ২৯ মার্চ ড. মুহাম্মদ ইউনূস দক্ষিণ চীনের হাইনান দ্বীপে আয়োজিত বোয়াও ফোরাম ফর এশিয়ার বার্ষিক সম্মেলনে অংশগ্রহণ করেন এবং পরে বেইজিং সফর করেন। এটি প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে তাঁর প্রথম রাষ্ট্রীয় সফর ছিল।

Header Ad
Header Ad

সর্বশেষ সংবাদ

স্ত্রীকে নিয়ে চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুর গেলেন মির্জা ফখরুল
বিশ্বজুড়ে ট্রাম্প-মাস্কবিরোধী বিক্ষোভ, যুক্তরাষ্ট্রসহ ইউরোপের রাজপথে উত্তাল জনতা
চীনের গণমাধ্যমে দেয়া সাক্ষাৎকারে যা বললেন প্রধান উপদেষ্টা
ট্রাম্প প্রশাসনের শুল্কারোপের প্রভাব বড় নয়, সামাল দেয়া সম্ভব: অর্থ উপদেষ্টা
রাশিয়ার দাবি ইউক্রেনে একদিনে ৪৩০ সেনা হতাহত
সরকারি সফরে রাশিয়া ও ক্রোয়েশিয়া গেলেন সেনাপ্রধান
ডিসেম্বরের মধ্যেই নির্বাচন চায় হেফাজত, বিএনপির সঙ্গে একমত
চীনের পাল্টা শুল্কারোপে মার্কিন শেয়ারবাজারে ধস, বিশ্ববাজারে বাড়ছে উত্তেজনা
সাবেক রেলমন্ত্রী মুজিবুল হকের বাড়িতে হামলা ও অগ্নিসংযোগ
পরকীয়া করলে পাথর নিক্ষেপে মৃত্যুদণ্ডের আইন করতেন অপু বিশ্বাস
বিএনপির দল পুনর্গঠনে তরুণ ও শিক্ষিত নেতৃত্বের অগ্রাধিকার
যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের রপ্তানি আরও বাড়বে: প্রেসসচিব
টাঙ্গাইলে ধান ক্ষেতে মিলল ৭০ বছর বয়সী এক বৃদ্ধার মরদেহ
বগুড়ার সাতটি আসনে জামায়াতের প্রার্থী ঘোষণা
রংপুরে বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষে প্রাণহানি, আহত অন্তত ২০
গত ২৫ বছর ‘জয় বাংলা’ বলিনি, এখন থেকে বলব: কাদের সিদ্দিকী
বিরামপুরে ভয়াবহ আগুনে সনাতন পরিবারের সর্বস্ব পুড়ে ছাই
রাতেই ঢাকাসহ ৭ অঞ্চলে ৬০ কিমি বেগে ঝড়-বৃষ্টি হতে পারে
মোদির প্রতিক্রিয়া শেখ হাসিনার ফেরত নিয়ে নেতিবাচক ছিল না: প্রেস সচিব
নওগাঁ হাসপাতালের পরিচ্ছন্নতা ও সমন্বয়ের বিষয়ে অসোন্তোষ স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক