রবিবার, ৬ এপ্রিল ২০২৫ | ২৩ চৈত্র ১৪৩১
Dhaka Prokash

উন্নয়ন প্রকল্পে গলদ-১

১০ মিটারের স্থলে ৪ মিটার বাঁধ দিয়ে টাকা লোপাট

বন্যার পানি থেকে ধানসহ ফসল রক্ষা করার জন্য বাঁধ নির্মাণ করা হয়েছে। কিন্তু বাঁধের উচ্চতা কচি ধানগাছের উচ্চতা থেকেও কম করা হয়েছে। উচ্চতা ৬-১০ মিটার করার কথা থাকলেও বাস্তবে হয়েছে ২-৪ মিটার! চার বছরের কাজ শেষ করতে লেগেছে আট বছর। এই সময়ের মধ্যে প্রকল্প পরিচালক হিসেবে ১৩ জন দায়িত্ব পালন করেছেন। কিন্তু তারপরও সুচারুরূপে কাজ সম্পন্ন হয়নি। অসংখ্য গলদ ধরা পড়ছে। ‘হাওর এলাকায় আগাম বন্যা প্রতিরোধ ও নিষ্কাশন উন্নয়ন’ প্রকল্পে এমনই চিত্র পাওয়া গেছে।

অভিযোগ উঠেছে, যথাযথ যাচাই-বাছাই না করেই এ প্রকল্পের বিভিন্ন কাজ বা অঙ্গগুলো নির্মাণ করা হয়েছে। এর ফলে প্রয়োজনীয় স্থানে দরকারি অঙ্গটি নির্মিত হয়নি। প্রকল্পটি প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের সময় টেকসই ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে কোনো এক্সিট প্লান করা হয়নি। তাইতো প্রকল্পটি তিন বার সংশোধন করেও ৪০ শতাংশ বিভিন্ন অঙ্গের কাজ উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাব (ডিপিপি) অনুযায়ী হয়নি। অর্থাৎ যেসব স্থানে হওয়ায় কথা ছিল ২০টির মধ্যে আটটিতে তা বাস্তবায়িত হয়নি। যেমন, সিলেটের কোম্পানিগঞ্জে একটি রেগুলেটর নির্মাণের কথা থাকলেও তা চাতল হাওরে হয়েছে। এ কাজে অনেক বছর লাগায় বাঁধগুলোর অধিকাংশ নষ্ট ও বিলিন হয়ে গেছে। একইভাবে সিলেটে নির্ধারিত ১৪টি ড্রেনেজ আউটলেটের মধ্যে ১২টি-ই হয়নি। ২২টি ইরিগেশন ইনলেটের মধ্যে সাতটির কাজ হয়নি।

এটি হচ্ছে হাওরের মানুষকে রক্ষা করার তথা জীবনমান উন্নয়ন প্রকল্পটির বাস্তব চিত্র। এটি উঠে এসেছে প্রভাব মূল্যায়ন খসড়া প্রতিবেদনে। সাধারণত কোনো প্রকল্প শেষ হলে তা কতোটুকু কার্যকর হয়েছে তা জানতেই সরকারের অগ্রাধিকার প্রকল্পগুলো নিয়ে ‘পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের বাস্তবায়ন, পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগ’ (আইএমইডি) এই প্রতিবেদন করে থাকে।

‘হাওর এলাকায় আগাম বন্যা প্রতিরোধ ও নিষ্কাশন উন্নয়ন’ প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করেছে পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের আওতায় বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড।

সার্বিক ব্যাপারে জানতে পানি উন্নয়ন বোর্ডের মহাপরিচালক ফজলুর রশিদের সঙ্গে সোমবার ও মঙ্গলবার একাধিকবার যোগাযোগ করা হলেও ফোন না ধরায় তার মন্তব্য জানা সম্ভব হয়নি।

তবে প্রতিষ্ঠানটির প্রকল্প প্রণয়ন ও বাস্তবায়নের দায়িত্বে থাকা অতিরিক্ত মহাপরিচালক ড. জিয়া উদ্দিন বেগের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি ঢাকাপ্রকাশ’কে বলেন, ‘আমি এ প্রকল্পের সঙ্গে যুক্ত না। কিছু জানতে হলে পিডির সঙ্গে কথা বলতে হবে। তারা বলতে পারবে। কিন্তু এ প্রকল্পের পিডি তো ১৩ জন ছিলেন। কার সঙ্গে কথা বলব? এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘আমি মিটিংয়ে আছি। যাকে দরকার মনে করেন তার সঙ্গে কথা বলেন।’

আইএমইডির প্রতিবেদন সূত্রে জানা গেছে, চার বছরের জায়গায় প্রকল্পটি আট বছরে শেষ করা হয়েছে। এরমধ্যে প্রথম ছয় বছরে মাত্র ২৫ শতাংশ বাস্তবায়ন হয়েছে। আর শেষ দুই বছরে অগ্রগতি হয়েছে ৬৭ শতাংশ। এ কাজ করতে প্রকল্প পরিচালক হিসেবে যে ১৩ জন দায়িত্ব পালন করেছেন তার মধ্যে কেউ পূর্ণকালীন ছিলেন না। অতিরিক্ত দায়িত্বপালন করেছেন। ফলে ঠিকমতো তদারকি হয়নি বাঁধের কাজ। এর মধ্যে মাত্র ১৪ দিন দায়িত্ব পালন করেছেন সিলেট পানি উন্নয়ন বোর্ডের অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী মো. ইসমাইল হোসেন। সর্বশেষে অতিরিক্ত প্রধান প্রকৌশলী মো. নিজামুল হক ভূইয়া প্রকল্প পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন আট মাস।

প্রকল্পের প্রধান প্রধান কাজ ছিল এক হাজার ৬৭৪ কিলোমিটার ডুবন্ত বাঁধ আগের অবস্থায় আনা, ২৭ কিলোমিটার কম্পার্টমেন্টাল ডাইক নির্মাণ, ১১টি পানি নিষ্কাশন অবকাঠামো (রেগুলেটর) নির্মাণ, ১৪টি ড্রেনেজ আউটলেট নির্মাণ, ১৩টি কজওয়ে, ২২টি ইরিগেশন ইনলেট ও ১১১টি পুরাতন রেগুলেটর পুনর্বাসন। এ ছাড়া ১৪৬ কিলোমিটার অভ্যন্তরীণ খাল পুন:খনন, ১১৬ কিলোমিটার সুরমা বৌলাই রিভার সিস্টেম ড্রেজিং ও ৪৮ হেক্টর (৩৬০ বিঘা) জমি অধিগ্রহণ।

এ সব কাজের জন্য পেট্রোল ও লুব্রিকেন্ট বাবদ ৬৭ লাখ টাকা। ভ্রমণভাতা হিসেবে প্রকল্প পরিচালকরা নিয়েছেন ৬৭ লাখ টাকা। ১৫টি হাওড়ের এসআইএ স্টাডিতে ৬৯ লাখ, বাঁধ জরিপে ব্যয় করা হয়েছে প্রায় ৫ কোটি টাকা, রিভার ড্রেজিংয়ের জরিপে এক কোটি টাকার বেশি ব্যয় করা হয়েছে।

বাঁধের উচ্চতা ৬-১০ মিটার করার কথা থাকলেও বাস্তবে হয়েছে ২-৪ মিটার। অর্থাৎ বাঁধের উচ্চতা তুলনামূলকভাবে অনেক কম হয়েছে। কোথাও বাঁধ এমনভাবে নির্মাণ করা হয়েছে যা ঘাসের আবরণে ঢেকে যায়। বাজিতপুরের একটি ডুবন্ত বাঁধের উচ্চতা কচি ধানগাছের উচ্চতা থেকেও কম করা হয়েছে। যা ছোট-খাট বন্যায় সহজেই ডুবে যায়। অষ্টগ্রামে রেগুলেটর জ্যাম হয়ে গেছে। এর ফলে দুটি রেগুলেটরের সঙ্গে বাঁধের সংযোগের উচ্চতার চেয়ে প্রায় ৩-৪ ফুট কমে গেছে। অর্থাৎ বাঁধের সঙ্গে যথাযথ সংযোগ নেই।

শুধু তাই নয়, ড্রেনেজ আউটলেট থেকে প্রবাহিত হওয়া পানি পরিবহনের জন্য স্থানও নেই। হবিগঞ্জের নবীগঞ্জ উপজেলায় খালের গভীরতা কমে বর্তমানে ড্রেনের মতো হয়ে গেছে। এ খালের মধ্যে ধান চাষ করা হচ্ছে। অর্থাৎ খালের পাশের বাঁধগুলোর উচ্চতা পাশের ফসলি জমির সমান হয়ে গেছে।

এ ভাবে বিভিন্ন কাজে ৪৮১ কোটি টাকা ব্যয় করা হয়েছে। এসব অর্থ ব্যয় করা হয়েছে ২০১১ সালের জুলাই থেকে ২০১৯ সালের জুন পর্যন্ত। যা ২০১৫ সালে বাস্তবায়ন করার কথা ছিল। সংশোধন করে সময় বাড়ানো হয়েছে চার বছর। সম্পূর্ণ সরকারি অর্থে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হয়েছে। তিনবার সংশোধন করে ব্যয় কমিয়ে ৫৮৭ কোটি টাকা ধরা হয়েছে। তাতে বাস্তবে ব্যয় হয়েছে ৪৮১ কোটি টাকা। আর বাস্তব অগ্রগতি হয়েছে ৯২ শতাংশ। ফলে কাগজে-কলমে প্রকল্প বাস্তবায়িত হলেও প্রকৃত সুফল মিলছে না।

সুনামগঞ্জ উপজেলার চেয়ারম্যান বলেছেন, কোনো রকম দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা ছাড়াই হাওড়ে প্রতিবছর অসংখ্য প্রকল্প বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। যা বছর ঘুরে না আসতেই নিঃশেষ হয়ে যায়। এতে প্রতিবছর লাখ লাখ টাকা খরচ হচ্ছে, সঙ্গে রয়েছে সীমাহীন দুর্নীতি। এসব কারণে কোনো টেকসই ফলাফল পাওয়া যাচ্ছে না।

প্রকল্পের উদ্দেশ্য ছিল—আগাম বন্যার কবল থেকে হাওড় এলাকার বোরো ফসলকে রক্ষা করা, হাওড় এলাকার মূল নদীগুলোর পরিবহন ক্ষমতা বৃদ্ধি করা, অভ্যন্তরীণ খালগুলোর পানি ধারণ ক্ষমতা বৃদ্ধি করা, দেশের উত্তর-পশ্চিম অঞ্চলের নাব্যতা উন্নত করা।

প্রকল্পটির ইতিবাচক দিক হলো—কিশোগঞ্জের ২৮টি হাওড়ে ১৩ কোটি টাকা ব্যয় করে ৯৬ কিলোমিটার বাঁধ নির্মাণ করায় আগাম বন্যার কবল থেকে প্রকল্প এলাকার ৮০ শতাংশ বোরো ফসল রক্ষা পেয়েছে। ওই বছরে এক হাজার কোটি টাকার ধান পাওয়া গেছে।

সিলেট জেলার ছয়টি উপজেলা, সুনামগঞ্জের ১১টি, মৌলভীবাজারের দুটি, হবিগঞ্জের তিনটি, কিশোরগঞ্জের দুটি ও নেত্রকোনার পাঁচটি উপজেলায় প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হয়েছে।

প্রকল্পটিতে বিভিন্ন দ্রুতি-বিচ্যুতি ধরা পড়ায় আইএমইডি দীর্ঘমেয়াদী সুপারিশ করেছে। তাতে বলা হয়েছে হাওড় এলকা ভিন্নধর্মী ভৌগোলিক এলাকা। প্রতি বছরই আগাম বন্যা ঠেকাতে এখানে প্রকল্পের পর প্রকল্প গ্রহণ করা হচ্ছে। কিন্তু কোনো টেকসই বা দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা গ্রহণ করা হচ্ছে না।

জেডএ/আরএ/

Header Ad
Header Ad

আরাফাত রহমান কোকোর শাশুড়ি মুকরেমা রেজা আর নেই

প্রয়াত আরাফাত রহমান কোকোর শাশুড়ি এবং বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার পুত্রবধূ সৈয়দা শামিলা রহমান সিঁথির মা এস ইউ এফ মুকরেমা রেজা ইন্তেকাল করেছেন। ছবি: সংগৃহীত

প্রয়াত আরাফাত রহমান কোকোর শাশুড়ি এবং বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার পুত্রবধূ সৈয়দা শামিলা রহমান সিঁথির মা এস ইউ এফ মুকরেমা রেজা ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। শনিবার রাত ৩টা ৪৫ মিনিটে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৭১ বছর।

পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, শারীরিক নানা জটিলতায় ভুগে এক সপ্তাহ আগে মুকরেমা রেজা হাসপাতালে ভর্তি হন। তাঁর একমাত্র কন্যা শামিলা রহমান গত ৩০ মার্চ লন্ডন থেকে ঢাকায় ফেরেন মায়ের চিকিৎসার জন্য।

আজ রোববার বাদ আসর রাজধানীর বনানী ডিওএইচএস মাঠে মরহুমার জানাজা অনুষ্ঠিত হবে এবং পরে বনানী কবরস্থানে দাফন করা হবে বলে পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। মুকরেমা রেজা দুই পুত্র ও এক কন্যা রেখে গেছেন। তাঁর স্বামী প্রকৌশলী এইচ এম হাসান রেজা রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (সাবেক ডিআইটি) কর্মকর্তা ছিলেন। তিনি ২০১৭ সালের মার্চে ইন্তেকাল করেন।

মুকরেমা রেজার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তাঁরা পৃথক শোকবার্তায় মরহুমার রুহের মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

Header Ad
Header Ad

ইভ্যালির রাসেল-শামীমার ৩ বছরের কারাদণ্ড

ইভ্যালির এমডি মোহাম্মদ রাসেল ও তার স্ত্রী চেয়ারম্যান শামীমা নাসরিন। ছবি: সংগৃহীত

প্রতারণার মামলায় ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ইভ্যালির ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মোহাম্মদ রাসেল ও তার স্ত্রী চেয়ারম্যান শামীমা নাসরিনকে তিন বছর করে সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। দণ্ডের পাশাপাশি প্রত্যেককে ৫ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

রোববার (৬ এপ্রিল) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. মিনহাজুর রহমান এ রায় দেন।

বাদীপক্ষের আইনজীবী সাকিবুল ইসলাম জানান, আসামিরা পলাতক রয়েছেন। আদালত তাদের বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানাসহ গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন।

মামলা সূত্রে জানা গেছে, ইভ্যালি বিভিন্ন মাধ্যমে চমকপ্রদ বিজ্ঞাপন দিয়ে বিভিন্ন পণ্য বিক্রয় করে। এতে আকৃষ্ট হয়ে মুজাহিদ হাসান ফাহিম তাদের প্রতিষ্ঠান থেকে ২০২১ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি ইয়ামাহা আর ওয়ান ফাইভ বাইক অর্ডার করেন। যার মূল্য পরিশোধ করেন। তবে কর্তৃপক্ষ ৪৫ দিনের মধ্যে বাইকটি সরবরাহ করতে ব্যর্থ হয়। পরে তিনি ধানমন্ডি অফিসে যোগাযোগ করেন। কর্তৃপক্ষ পাঁচ লাখ টাকার চেক প্রদান করে। তবে ব্যাংক হিসেবে পর্যাপ্ত পরিমাণ অর্থ না থাকায় চেকটি নির্ধারিত তারিখে ব্যাংকে জমা না দিতে অনুরোধ করেন। আসামিদের কথা বিশ্বাস করে তিনি চেকটি ব্যাংকে জমা দেননি। পরবর্তীতে বাদি টাকা আদায়ের জন্য তাগাদা দিতে থাকেন। তবে তারা কোনো টাকা তাকে ফেরত দেননি। এর পর লিগ্যাল নোটিশ পাঠিয়েও কাজ হয়নি।

এ ঘটনায় মুজাহিদ হাসান ফাহিম ২০২৪ সালের জানুয়ারি মাসে আদালতে রাসেল ও শামীমার বিরুদ্ধে মামলা করেন।

Header Ad
Header Ad

স্ত্রীকে নিয়ে চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুর গেলেন মির্জা ফখরুল

স্ত্রীকে নিয়ে চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুর গেলেন মির্জা ফখরুল। ছবি: সংগৃহীত

চিকিৎসা সংক্রান্ত নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষার অংশ হিসেবে সিঙ্গাপুরে গেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

রোববার (৬ এপ্রিল) সকাল ৮টা ২০ মিনিটে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের একটি ফ্লাইটে তিনি তার স্ত্রীসহ হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে সিঙ্গাপুরের উদ্দেশে রওনা হন।

বিএনপি চেয়ারপারসনের মিডিয়া উইংয়ের সদস্য শায়রুল কবির খান এ তথ্য নিশ্চিত করে জানান, “স্যার এবং ভাবী হেলথ চেকআপ করাতে সিঙ্গাপুর গেছেন। সেখানে একটি ক্লিনিকে কয়েকজন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের সঙ্গে দেখা করবেন। ইতোমধ্যে ডাক্তারদের অ্যাপয়েন্টমেন্ট ঠিক করা হয়েছে।”

তিনি আরও জানান, বিএনপি মহাসচিবের এক সপ্তাহ পর দেশে ফেরার কথা রয়েছে। উল্লেখ্য, এর আগে সর্বশেষ ২০২৪ সালের ১ সেপ্টেম্বর নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য সিঙ্গাপুরে গিয়েছিলেন মির্জা ফখরুল ও তার স্ত্রী।

Header Ad
Header Ad

সর্বশেষ সংবাদ

আরাফাত রহমান কোকোর শাশুড়ি মুকরেমা রেজা আর নেই
ইভ্যালির রাসেল-শামীমার ৩ বছরের কারাদণ্ড
স্ত্রীকে নিয়ে চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুর গেলেন মির্জা ফখরুল
বিশ্বজুড়ে ট্রাম্প-মাস্কবিরোধী বিক্ষোভ, যুক্তরাষ্ট্রসহ ইউরোপের রাজপথে উত্তাল জনতা
চীনের গণমাধ্যমে দেয়া সাক্ষাৎকারে যা বললেন প্রধান উপদেষ্টা
ট্রাম্প প্রশাসনের শুল্কারোপের প্রভাব বড় নয়, সামাল দেয়া সম্ভব: অর্থ উপদেষ্টা
রাশিয়ার দাবি ইউক্রেনে একদিনে ৪৩০ সেনা হতাহত
সরকারি সফরে রাশিয়া ও ক্রোয়েশিয়া গেলেন সেনাপ্রধান
ডিসেম্বরের মধ্যেই নির্বাচন চায় হেফাজত, বিএনপির সঙ্গে একমত
চীনের পাল্টা শুল্কারোপে মার্কিন শেয়ারবাজারে ধস, বিশ্ববাজারে বাড়ছে উত্তেজনা
সাবেক রেলমন্ত্রী মুজিবুল হকের বাড়িতে হামলা ও অগ্নিসংযোগ
পরকীয়া করলে পাথর নিক্ষেপে মৃত্যুদণ্ডের আইন করতেন অপু বিশ্বাস
বিএনপির দল পুনর্গঠনে তরুণ ও শিক্ষিত নেতৃত্বের অগ্রাধিকার
যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের রপ্তানি আরও বাড়বে: প্রেসসচিব
টাঙ্গাইলে ধান ক্ষেতে মিলল ৭০ বছর বয়সী এক বৃদ্ধার মরদেহ
বগুড়ার সাতটি আসনে জামায়াতের প্রার্থী ঘোষণা
রংপুরে বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষে প্রাণহানি, আহত অন্তত ২০
গত ২৫ বছর ‘জয় বাংলা’ বলিনি, এখন থেকে বলব: কাদের সিদ্দিকী
বিরামপুরে ভয়াবহ আগুনে সনাতন পরিবারের সর্বস্ব পুড়ে ছাই
রাতেই ঢাকাসহ ৭ অঞ্চলে ৬০ কিমি বেগে ঝড়-বৃষ্টি হতে পারে