রবিবার, ৬ এপ্রিল ২০২৫ | ২৩ চৈত্র ১৪৩১
Dhaka Prokash

সম্ভাবনার নতুন দুয়ার পদ্মা সেতু-৮

সেতু দেখতে যাতায়াতে গুণতে হবে ১৫০০ টাকা

পদ্মা সেতুর দুই পাড়ে যাতায়াতের ক্ষেত্রে এক্সপ্রেসওয়ে ব্যবহারের জন্য টোল গুণতে হবে। প্রস্তাবিত টোল হচ্ছে সর্বনিম্ন ১৫টাকা এবং সর্বোচ্চ ৩৩ টাকা ৭১ পয়সা। এই হিসাবে ঢাকা থেকে পদ্মা সেতু দেখতে গেলে সর্বনিম্ন টোল হিসাবে যাতায়াতে গুণতে হবে ১৫০০ টাকা।

পদ্মা সেতুর উদ্বোধনের পরপরই টোল গুণতে হবে ঢাকা-মাওয়া-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়েতে চলাচলকারী যানবাহনগুলোকে। দেশের প্রথম এক্সপ্রেসওয়ের টোল নির্ধারণের জন্য আগামী ৭ জুন সংশ্লিষ্ট সকল স্টেক হোল্ডারদের নিয়ে বৈঠক করবে সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ। ইতিমধ্যে টোলের হার নিয়ে বেশ কিছু প্রস্তাবনা প্রস্তুত করেছে সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর (সওজ) এবং মন্ত্রণালয়। মন্ত্রণালয় সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

এদিকে ঢাকা-মাওয়া ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়ের টোল আদায় এবং এক্সেপ্রেসওয়ের রক্ষণাবেক্ষণের জন্য সরকার ‘কোরিয়ান এক্সপ্রেসওয়ে করপোরেশন(কেইসি)’কে নিয়োগ দিচ্ছে। এ সংক্রান্ত প্রস্তাব বুধবার জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) বৈঠকে উপস্থাপন করা হবে।

সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, ঢাকা-মাওয়া-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়ে ব্যবহারকারী যানবাহনের জন্য সরকার টোল চূড়ান্ত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এই সড়কটি নির্মাণ করার সময়ই সরকার জানিয়েছিল, ঢাকা-মাওয়া- ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়ে ব্যবহারকারীদের টোল দিতে হবে।

কিন্তু এক্সপ্রেসওয়ের নির্মাণকাজ শেষ হয়ে গেলেও সরকার এতোদিন এক্সপ্রেসওয়েতে টোল নির্ধারণ করেনি। এর কারণ হিসেবে বলা হয়েছিল, পদ্মা সেতুর নির্মাণ কাজ শেষ না হওয়ায় এক্সপ্রেসওয়েতে টোল নেওয়া হবে না। এখন পদ্মা সেতুর নির্মাণকাজ শেষ হয়ে যাওয়ায় সরকার টোল নির্ধারণ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

আগামী ২৫ জুন সকাল ১০টায় উদ্বোধন হবে বাংলাদেশের স্বপ্ন, সমৃদ্ধির প্রতীক, অন্যতম স্থাপনা ‘পদ্মা সেতু’। এই সেতুর মাধ্যমে দেশের মূল ভূখণ্ডের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত হবে ২১ জেলা।

সড়ক ও মহাসড়ক বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, এক্সপ্রেসওয়েতে টোল নির্ধারণের জন্য ইতিমধ্যে সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের (সওজ) এর পক্ষ থেকে একাধিক প্রস্তাবনা মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। এরমধ্যে সরকারের টোল নীতিমালা অনুযায়ী প্রতি কিলোমিটারে ১৮ টাকা ৪০ পয়সা করে টোল আদায়ের একটা প্রস্তাব করা হয়েছে। তবে টোল নীতিমালা সাত বছর পুরনো হওয়ার কারণে প্রতি বছর পাঁচ শতাংশ ধরে গুণিতক আসে এক টাকা ৪১ পয়সা। আর লেভেল অব সার্ভিস গুণিতক ধরা হয়েছে এক টাকা ৫ পাঁচ পয়সা। এই দুই গুণিতক হিসাবের গুণফল অনুযায়ী প্রতি কিলোমিটারে ৩৩ টাকা ৭১ পয়সা করার আরেকটি প্রস্তাব করা হয়েছে সওজ এর পক্ষ থেকে।

অপরদিকে ঢাকা-ভাঙ্গা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়ে নির্মাণের পর অন্তর্বর্তীকালীন টোল নির্ধারণ হয়েছিল প্রতি কিলোমিটারে ১০টাকা হারে। এটিকে ভিত্তি ধরে সড়ক ও মহাসড়ক বিভাগের পক্ষ থেকে টোলের দুটি প্রস্তাব তৈরি করা হয়েছে। এর একটি হচ্ছে ১০ টাকার আড়াইগুণ অর্থাৎ প্রতি কিলোমিটারে ২৫ টাকা। অন্যটি হচ্ছে ১০ টাকার দেড় গুণ ধরে প্রতি কিলোমিটারে ১৫ টাকা।

তবে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের একাধিক সূত্রে জানা গেছে, দেশের প্রথম এক্সপ্রেসওয়ে ব্যবহারকারী যানবাহনের টোল নির্ধারণের জন্য আগামী ৭ জুন সকল স্টেক হোল্ডারদেরকে নিয়ে সচিবালয়ে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সভাকক্ষে বৈঠক করবেন সড়ক বিভাগের সচিব। ওই বৈঠকে টোলের হার কত হবে সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, এক্ষেত্রে সরকারি টোল নীতিমালা অনুযায়ী কিলোমিটার প্রতি ১৮ টাকা ৪০ পয়সা অথবা এক্সপ্রেসওয়ের অন্তর্বর্তীকালীন ১০টাকা কে ভিত্তি ধরে ২৫ টাকা কিংবা ১৫ টাকা করার সম্ভাবনাই বেশি। অবশ্য টোল আদায়ের ক্ষেত্রে পরিবহন ভেদে টোলের পরিমাণ কমবেশি হতে পারে। এব্যাপারে এখনো চূড়ান্ত কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি।

এক্ষেত্রে টোল যদি ১৮ টাকা ৪০ পয়সা নির্ধারণ করা হয় তাহলে ঢাকা থেকে মাওয়া পর্যন্ত পদ্মা সেতু দেখতে গেলে ৫০ কিলোমিটার এক্সপ্রেসওয়ে ব্যবহারের জন্য একটি যানবাহনকে গুণতে হবে ৯২০ টাকা। অর্থাৎ আসা যাওয়ায় ১৮৪০ টাকা। সেতু পার হলে তার জন্য আলাদা টোল দিতে হবে।

মোটরসাইকেলের জন্য টোল দিতে হবে ১০০ টাকা এবং প্রাইভেট কার ও জিপের জন্য ৭৫০ টাকা। মাঝারি বাসের জন্য ২ হাজার টাকা, বড় বাসের জন্য ২ হাজার ৪০০ টাকা টোল নির্ধারণ করা হয়েছে। এছাড়া মিনিবাসকে দিতে হবে ১ হাজার ৪০০ টাকা এবং মাইক্রোবাসকে দিতে হবে ১ হাজার ৩০০ টাকা। ৫ টন পর্যন্ত ট্রাকের জন্য টোল নির্ধারণ করা হয়েছে ১ হাজার ৬০০ টাকা, ৫ থেকে ৮ টনের ট্রাকের জন্য ২ হাজার ১০০ টাকা, ৮ থেকে ১১ টনের ট্রাকের জন্য ২ হাজার ৮০০ টাকা, বড় ট্রাকের জন্য (থ্রি এক্সেল পর্যন্ত) ৫ হাজার ৫০০ টাকা এবং টেইলারের জন্য ৬ হাজার টাকা টোল নির্ধারণ করা হয়েছে।

তবে টোল না দিয়েও মাওয়াতে গিয়ে পদ্মা সেতু দেখা যাবে এবং সে ক্ষেত্রে কেবল সেতুর টোল পরিশোধ করতে হবে। এক্ষেত্রে যানবাহনকে ঢাকা-মাওয়া-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়ের সার্ভিস লেন ব্যবহার করতে হবে।

টোল আদায়ে কোরিয়ান কেইসি
ঢাকা-মাওয়া-ভাঙ্গা এক্সপ্রেসওয়ের টোল আদায় ও রক্ষণাবেক্ষনের জন্য কোরিয়ান প্রতিষ্ঠান ‘কোরিয়ান এক্সপ্রেসওয়ে করপোরেশন’কে দায়িত্ব দিচ্ছে। এ জন্য ভ্যাট-ট্যাক্সসহ সরকারকে পাঁচ বছরের জন্য পরিশোধ করতে হবে ৭১৭ কোটি চার লাখ ৯৯৯ টাকা।

মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, ইতিমধ্যে এ সংক্রান্ত একটি প্রস্তাবনা জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) বৈঠকে উত্থাপনের জন্য মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে পাঠানো হয়েছে। বুধবার একনেক এর বৈঠকে প্রস্তাবনাটি উত্থাপন করা হবে। প্রস্তাবটি অনুমোদন পেলে কেইসি এক্সপ্রেসওয়ের টোল আদায় ও রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব পাবে।

এপি/

Header Ad
Header Ad

আরাফাত রহমান কোকোর শাশুড়ি মুকরেমা রেজা আর নেই

প্রয়াত আরাফাত রহমান কোকোর শাশুড়ি এবং বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার পুত্রবধূ সৈয়দা শামিলা রহমান সিঁথির মা এস ইউ এফ মুকরেমা রেজা ইন্তেকাল করেছেন। ছবি: সংগৃহীত

প্রয়াত আরাফাত রহমান কোকোর শাশুড়ি এবং বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার পুত্রবধূ সৈয়দা শামিলা রহমান সিঁথির মা এস ইউ এফ মুকরেমা রেজা ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। শনিবার রাত ৩টা ৪৫ মিনিটে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৭১ বছর।

পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, শারীরিক নানা জটিলতায় ভুগে এক সপ্তাহ আগে মুকরেমা রেজা হাসপাতালে ভর্তি হন। তাঁর একমাত্র কন্যা শামিলা রহমান গত ৩০ মার্চ লন্ডন থেকে ঢাকায় ফেরেন মায়ের চিকিৎসার জন্য।

আজ রোববার বাদ আসর রাজধানীর বনানী ডিওএইচএস মাঠে মরহুমার জানাজা অনুষ্ঠিত হবে এবং পরে বনানী কবরস্থানে দাফন করা হবে বলে পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। মুকরেমা রেজা দুই পুত্র ও এক কন্যা রেখে গেছেন। তাঁর স্বামী প্রকৌশলী এইচ এম হাসান রেজা রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (সাবেক ডিআইটি) কর্মকর্তা ছিলেন। তিনি ২০১৭ সালের মার্চে ইন্তেকাল করেন।

মুকরেমা রেজার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তাঁরা পৃথক শোকবার্তায় মরহুমার রুহের মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

Header Ad
Header Ad

ইভ্যালির রাসেল-শামীমার ৩ বছরের কারাদণ্ড

ইভ্যালির এমডি মোহাম্মদ রাসেল ও তার স্ত্রী চেয়ারম্যান শামীমা নাসরিন। ছবি: সংগৃহীত

প্রতারণার মামলায় ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ইভ্যালির ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মোহাম্মদ রাসেল ও তার স্ত্রী চেয়ারম্যান শামীমা নাসরিনকে তিন বছর করে সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। দণ্ডের পাশাপাশি প্রত্যেককে ৫ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

রোববার (৬ এপ্রিল) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. মিনহাজুর রহমান এ রায় দেন।

বাদীপক্ষের আইনজীবী সাকিবুল ইসলাম জানান, আসামিরা পলাতক রয়েছেন। আদালত তাদের বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানাসহ গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন।

মামলা সূত্রে জানা গেছে, ইভ্যালি বিভিন্ন মাধ্যমে চমকপ্রদ বিজ্ঞাপন দিয়ে বিভিন্ন পণ্য বিক্রয় করে। এতে আকৃষ্ট হয়ে মুজাহিদ হাসান ফাহিম তাদের প্রতিষ্ঠান থেকে ২০২১ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি ইয়ামাহা আর ওয়ান ফাইভ বাইক অর্ডার করেন। যার মূল্য পরিশোধ করেন। তবে কর্তৃপক্ষ ৪৫ দিনের মধ্যে বাইকটি সরবরাহ করতে ব্যর্থ হয়। পরে তিনি ধানমন্ডি অফিসে যোগাযোগ করেন। কর্তৃপক্ষ পাঁচ লাখ টাকার চেক প্রদান করে। তবে ব্যাংক হিসেবে পর্যাপ্ত পরিমাণ অর্থ না থাকায় চেকটি নির্ধারিত তারিখে ব্যাংকে জমা না দিতে অনুরোধ করেন। আসামিদের কথা বিশ্বাস করে তিনি চেকটি ব্যাংকে জমা দেননি। পরবর্তীতে বাদি টাকা আদায়ের জন্য তাগাদা দিতে থাকেন। তবে তারা কোনো টাকা তাকে ফেরত দেননি। এর পর লিগ্যাল নোটিশ পাঠিয়েও কাজ হয়নি।

এ ঘটনায় মুজাহিদ হাসান ফাহিম ২০২৪ সালের জানুয়ারি মাসে আদালতে রাসেল ও শামীমার বিরুদ্ধে মামলা করেন।

Header Ad
Header Ad

স্ত্রীকে নিয়ে চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুর গেলেন মির্জা ফখরুল

স্ত্রীকে নিয়ে চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুর গেলেন মির্জা ফখরুল। ছবি: সংগৃহীত

চিকিৎসা সংক্রান্ত নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষার অংশ হিসেবে সিঙ্গাপুরে গেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

রোববার (৬ এপ্রিল) সকাল ৮টা ২০ মিনিটে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের একটি ফ্লাইটে তিনি তার স্ত্রীসহ হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে সিঙ্গাপুরের উদ্দেশে রওনা হন।

বিএনপি চেয়ারপারসনের মিডিয়া উইংয়ের সদস্য শায়রুল কবির খান এ তথ্য নিশ্চিত করে জানান, “স্যার এবং ভাবী হেলথ চেকআপ করাতে সিঙ্গাপুর গেছেন। সেখানে একটি ক্লিনিকে কয়েকজন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের সঙ্গে দেখা করবেন। ইতোমধ্যে ডাক্তারদের অ্যাপয়েন্টমেন্ট ঠিক করা হয়েছে।”

তিনি আরও জানান, বিএনপি মহাসচিবের এক সপ্তাহ পর দেশে ফেরার কথা রয়েছে। উল্লেখ্য, এর আগে সর্বশেষ ২০২৪ সালের ১ সেপ্টেম্বর নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য সিঙ্গাপুরে গিয়েছিলেন মির্জা ফখরুল ও তার স্ত্রী।

Header Ad
Header Ad

সর্বশেষ সংবাদ

আরাফাত রহমান কোকোর শাশুড়ি মুকরেমা রেজা আর নেই
ইভ্যালির রাসেল-শামীমার ৩ বছরের কারাদণ্ড
স্ত্রীকে নিয়ে চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুর গেলেন মির্জা ফখরুল
বিশ্বজুড়ে ট্রাম্প-মাস্কবিরোধী বিক্ষোভ, যুক্তরাষ্ট্রসহ ইউরোপের রাজপথে উত্তাল জনতা
চীনের গণমাধ্যমে দেয়া সাক্ষাৎকারে যা বললেন প্রধান উপদেষ্টা
ট্রাম্প প্রশাসনের শুল্কারোপের প্রভাব বড় নয়, সামাল দেয়া সম্ভব: অর্থ উপদেষ্টা
রাশিয়ার দাবি ইউক্রেনে একদিনে ৪৩০ সেনা হতাহত
সরকারি সফরে রাশিয়া ও ক্রোয়েশিয়া গেলেন সেনাপ্রধান
ডিসেম্বরের মধ্যেই নির্বাচন চায় হেফাজত, বিএনপির সঙ্গে একমত
চীনের পাল্টা শুল্কারোপে মার্কিন শেয়ারবাজারে ধস, বিশ্ববাজারে বাড়ছে উত্তেজনা
সাবেক রেলমন্ত্রী মুজিবুল হকের বাড়িতে হামলা ও অগ্নিসংযোগ
পরকীয়া করলে পাথর নিক্ষেপে মৃত্যুদণ্ডের আইন করতেন অপু বিশ্বাস
বিএনপির দল পুনর্গঠনে তরুণ ও শিক্ষিত নেতৃত্বের অগ্রাধিকার
যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের রপ্তানি আরও বাড়বে: প্রেসসচিব
টাঙ্গাইলে ধান ক্ষেতে মিলল ৭০ বছর বয়সী এক বৃদ্ধার মরদেহ
বগুড়ার সাতটি আসনে জামায়াতের প্রার্থী ঘোষণা
রংপুরে বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষে প্রাণহানি, আহত অন্তত ২০
গত ২৫ বছর ‘জয় বাংলা’ বলিনি, এখন থেকে বলব: কাদের সিদ্দিকী
বিরামপুরে ভয়াবহ আগুনে সনাতন পরিবারের সর্বস্ব পুড়ে ছাই
রাতেই ঢাকাসহ ৭ অঞ্চলে ৬০ কিমি বেগে ঝড়-বৃষ্টি হতে পারে