শুক্রবার, ২২ নভেম্বর ২০২৪ | ৬ অগ্রহায়ণ ১৪৩১
Dhaka Prokash
Header Ad

সংখ্যা নয়, ঐক্যমতে হবে জাতীয় ঐক্য

নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকার প্রতিষ্ঠার আন্দোলনকে চূড়ান্ত পথে টেনে নিতে রূপরেখা তৈরি করতে যাচ্ছে বিএনপি। সেই লক্ষে নিবন্ধিত-অনিবন্ধিত সরকারবিরোধী সব রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আনুষ্ঠানিকভাবে সংলাপ শুরু করেছে দলটি।

এখনই জোটবদ্ধ নয়, বরং রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে নিজেদের চিন্তাভাবনা ও দাবির বিষয়ে প্রাথমিকভাবে একটি খসড়া তৈরিতে মাহমুদুর রহমান মান্নার নেতৃত্বাধীন নাগরিক ঐক্যের সঙ্গে বৈঠকের মধ্য দিয়ে এ সংলাপের যাত্রা শুরু করে বিএনপি।

ক্ষমতাসীন সরকারের সঙ্গে জোটবদ্ধ এমন রাজনৈতিক দলগুলো ছাড়া এই মুহূর্তে সরকারবিরোধী প্রায় সব রাজনৈতিক দলের সঙ্গেই আলোচনা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিএনপি হাইকমান্ড। তবে পরিস্থিতি বিবেচনায় ক্ষমতাসীনদের সঙ্গে যুক্ত থাকা অন্যান্য রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গেও আলোচনার দরজা খোলা রাখার বিষয়ে ইতিবাচক মনোভাব বিএনপির। দলটির সর্বোচ্চ নীতি নির্ধারণী ফোরাম স্থায়ী কমিটির একাধিক নেতার সঙ্গে কথা বলে এমনটাই জানা গেছে।

সরকারবিরোধী বিভিন্ন রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আনুষ্ঠানিক প্রাথমিক আলোচনায় বিএনপির মূল যে দাবিগুলো আছে, প্রথম: দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াসহ সমস্ত রাজবন্দিদের মুক্তির দাবি, দুই: বর্তমান আওয়ামী লীগ সরকা্রকে পদত্যাগ করতে হবে, পদত্যাগ করে তাদের নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকারের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করতে হবে, তিন: সংসদ বাতিল করতে হবে এবং তারপরে পুনর্গঠিত নির্বাচন কমিশনের মাধ্যমে সবার কাছে গ্রহণযোগ্য একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন করতে হবে। সেই নির্বাচনের মধ্য দিয়ে সংসদ গঠন হবে, সরকার গঠন হবে।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় ঢাকাপ্রকাশকে বলেন, ‘রাজনীতিতে শেষ বলে কোনো কিছু নেই। আমাদের দীর্ঘপথ পাড়ি দিতে হবে। সবে মাত্র রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে আনুষ্ঠানিকভাবে আলোচনার দ্বার উন্মুখ হয়েছে। তবে অনানুষ্ঠানিকভাবে আলোচনা কিন্তু সব সময়ই হচ্ছে। দাবি আদায়ে এই সরকারের বিরুদ্ধে যে সব রাজনৈতিক দলগুলো ঐক্যেমতে পৌঁছাবে তাদের নিয়ে এক পথে এক সঙ্গে হাটঁতে শুরু করা হবে। যদিও চলার পথে অনেক ষড়যন্ত্র হবে, কেউ কেউ লোভে পড়ে যাত্রা বিরতিতে যাবে, কেউ আবার ঐক্যে ভাঙার দালালিতে জড়িয়ে পড়বে। কাজেই জাতীয় ঐক্যে গঠনে সংখ্যা বিষয় নয়, দেখার বিষয় শেষ পর্যন্ত কারা থাকবে। তখন আমরা যারা একসঙ্গে থাকব তারাদের সবাইকে নিয়ে সরকার গঠন করা হবে। আমাদের দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান যে জাতীয় সরকারের কথা বলেছেন- সেই সরকার গঠন করা হবে। অবশ্য সেই পর্যন্ত সবাইকে ঐক্যে ধরে রাখতে হবে।’

এদিকে, নির্দলীয় সরকারের দাবিতে বিএনপি ২০১৪ সালে ৫ জানুয়ারি দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচন বর্জন করে এবং নির্বাচন প্রতিহত করা হবে বলে ঘোষণা দিয়েছিল। পরবর্তীতে ড.কামাল হোসেনের নেতৃত্বাধীন জাতীয় ঐক্যফন্ট্রের ব্যানারে ২০১৮ সালের ৩০ ডিসেম্বর একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নেয় দলটি। সেই নির্বাচনে ভরাডুবির পরাজয় বরণ করার পরও নির্দলীয় সরকারের দাবি থেকে সরে আসেনি বিএনপির অবস্থান। বরং সরকারবিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোকে আন্দোলন সংগ্রামে পাশে রাখতে দলগুলোর দেওয়া প্রস্তাব জাতীয় সরকার গঠন সেই বিষয়েও সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছে বিএনপির হাইকমান্ডের। যদিও বিএনপির ঘোষিত জাতীয় সরকার ব্যবস্থা ও অন্যান্য রাজনৈতিক দলগুলোর পক্ষ থেকে ঘোষিত জাতীয় সরকার ব্যবস্থার মধ্যে কিছুটা পার্থক্য লক্ষ্যণীয় হয়ে উঠেছে। বিএনপি চাচ্ছে এই সরকারের পতন নিশ্চিত করে নির্দলীয় সরকারের অধীনে জাতীয় নির্বাচন। পরবর্তীতে জাতীয় সরকার গঠন করা হবে। কিন্তু অন্যান্য দলগুলোর মধ্যে কোনো দল চাচ্ছে এক সঙ্গে আন্দোলনে যাওয়ার পূর্বেই জাতীয় সরকার গঠন ব্যবস্থার ধরণ নির্ধারণ করা। অবশ্য জাতীয় সরকার গঠনে ভিন্নমতকে মূলত রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে একে অপরের আস্থাহীনতা-অবিশ্বাস থেকে সৃষ্টি বলেই ধরে নিয়েছে বিএনপির হাইকমান্ড। সেই ধারাবাহিকতায় জাতীয় সরকার গঠনের চেয়ে প্রাধান্য দেওয়া হচ্ছে সরকার পতনে সব রাজনৈতিক দলের পক্ষ থেকে উঠে আসা ঐক্যমতের ভিত্তিতে আন্দোলনে যাওয়ার সিদ্ধান্ত।

বিএনপির নীতিনির্ধারণী নেতাদের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে—দলীয় সরকারের অধীন বিশেষ করে শেখ হাসিনার অধীনে নির্বাচনে অংশ নেবে না বিএনপি। নির্বাচন হতে হবে নির্দলীয় নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে। পক্ষান্তরে ক্ষমতাসীনদের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে—সংবিধান অনুযায়ী দলীয় সরকারের অধীনেই আগামী নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, জাতীয় ঐক্য সৃষ্টির লক্ষ্যে আনুষ্ঠানিকভাবে সব রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে কথা বলব। সেই প্রেক্ষিতে ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের যে রূপরেখা, সেই রূপরেখা তৈরি করা হবে। সেক্ষেত্রে জোটে থাকা জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গেও কথা বলতে হবে। তাদের সঙ্গে কথা না বললে কেমন হবে। সবার সঙ্গেই হবে, অল দ্য পলিটিক্যাল পার্টিস।

তিনি বলেন, আলোচনার মূল্য উদ্দেশ্য গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার এবং এই ফ্যাসিবাদী সরকার যারা মানুষের সমস্ত অধিকার কেড়ে নিয়েছে, মানুষের ভোটের অধিকার কেড়ে নিয়েছে এবং আজকে অর্থনীতি, দেশের সমস্ত যে প্রতিষ্ঠানগুলো আছে সেগুলোকে ধবংস করে ফেলেছে সেই সব প্রতিষ্ঠানগুলোকে ফিরিয়ে নিয়ে আসা, জনগনের অধিকার প্রতিষ্ঠা করা, ভোটের অধিকার প্রতিষ্ঠা করা—এটাই হচ্ছে আমাদের মূল্য লক্ষ্যে। এজন্য আন্দোলন তৈরি করতে হবে। এই আন্দোলন তৈরি করতে ঐক্য সৃষ্টির লক্ষ্যে এই আলোচনার উদ্যোগ আমরা নিয়েছি।

বিএনপির দপ্তর সূত্রে জানা যায়, বিএনপি নেতৃত্বাধীন ২০ দলীয় জোটের বাইরে থাকা সরকারবিরোধী প্রায় সব রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা করার নীতিগত সিদ্ধান্ত বিএনপির। সেক্ষেত্রে আলোচনার প্রাথমিক তালিকায় রয়েছে নাগরিক ঐক্যে, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি, গণসংহতি আন্দোলন, বাংলাদেশ কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল (জেএসডি), গণ অধিকার পরিষদ, গণফোরাম (ড. কামাল), গণফোরাম, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি (বিজেপি), ভাসানী অনুসারী পরিষদ, রাষ্ট্র সংস্কার আন্দোলন, বাংলাদেশ কংগ্রেস, বিবেচনায় রাখা হচ্ছে—বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টি, সমাজতান্ত্রিক দল (ইনু), জাতীয় পার্টিকে (এরশাদ), গণস্বাস্থ্য ট্রাস্টির প্রতিষ্ঠাতা জাফরুল্লাহ চৌধুরী। তবে এখানেই চূড়ান্ত নয়। পরিবেশ পরিস্থিতি বিবেচনায় সংলাপ আলোচনায় ব্যক্তি ও দলের পরিবর্তন হতে পারে বলেও জানা গেছে।

নামপ্রকাশে অনিইচ্ছুক বিএনপির স্থায়ী কমিটির একজন সদস্য ঢাকাপ্রকাশ কে বলেন, জাতীয় ঐক্যে গড়ে তোলা এতো সহজ বিষয় নয়। এটি গড়ে তুলতে অনেক প্রতিবন্ধকতা বিবেচনায় ধীরে চলা নীতি অবলম্বন করা হলে অপেক্ষাকৃত ভালো ফলাফল আসবে। এখানে তড়িঘড়ির কিছু নেই। এটাই হবে সরকারবিরোধী সবশেষ পদক্ষেপ।

তিনি বলেন, মূলত রাজনৈতিক দলগুলোর ইচ্ছাকে মূল্যায়ন জানাতে গিয়ে জাতীয় ঐক্যে গঠনে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আনুষ্ঠানিকভাবে আলোচনা শুরু করা হয়েছে। আপনারা নিশ্চয়ই অবগত সরকারবিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোর পক্ষ থেকে প্রায়ই বলা হয়ে থাকে যে, বিএনপি জাতীয় ঐক্যের কথা সভা-সমাবেশ-সেমিনারে বলছেন অথচ কোনো রাজনৈতিক দলগুলোর কাছে তেমনভাবে আসেন না। তাদের সেই কথা বিবেচনায় নিয়ে প্রাথমিকভাবে আলোচনা শুরু করা হয়েছে। সময় যত যাবে আলোচনায় ঐক্যেমতে হওয়া তত সম্ভবপর হয়ে উঠবে।

এমএইচ/আরএ/

Header Ad

খালেদা জিয়ার সঙ্গে কুশল বিনিময় করলেন মাহফুজ-আসিফ-নাহিদ

ছবি: সংগৃহীত

বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সঙ্গে দেখা করে কুশল বিনিময় করেছেন উপদেষ্টা মাহফুজ আলম, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া এবং ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি উপদেষ্টা মো. নাহিদ ইসলাম।

বৃহস্পতিবার (২১ নভেম্বর) বিকেলে সেনাকুঞ্জে সশস্ত্র বাহিনী দিবসের অনুষ্ঠানে তাদের এ কুশল বিনিময় হয়।

সেনাকুঞ্জে খালেদা জিয়া পৌঁছালে উপস্থিত সবাই তাকে স্বাগত জানান। অনুষ্ঠানের এক পর্যায়ে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ৩ সমন্বয়ক ও সরকারের উপদেষ্টা তার পাশে এসে দাঁড়ান এবং শারীরিক খোঁজখবর নেন। এ সময় খালেদা জিয়া তাদের অভিনন্দন জানান এবং দেশকে এগিয়ে নিতে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার পরামর্শ দেন।

এ সময় এই ৩ উপদেষ্টা বিএনপি চেয়ারপারসনের কাছে দোয়া চান এবং সরকারের সংস্কার কাজে তার সর্বাত্মক সহযোগিতা চান।

এদিকে সেনাকুঞ্জে গেলে খালেদা জিয়ার সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের স্ত্রী খালেদা জিয়া এখানে এসেছেন। একযুগ তিনি আসার সুযোগ পাননি। আমরা গর্বিত এই সুযোগ দিতে পেরে। দীর্ঘদিনের অসুস্থতা সত্ত্বেও বিশেষ দিনে সবার সঙ্গে শরিক হওয়ার জন্য আপনাকে আবারও ধন্যবাদ। আপনার আশু রোগমুক্তি কামনা করছি।

Header Ad

দেশের বাজারে আবারও বাড়ল স্বর্ণের দাম

ছবি: সংগৃহীত

আবারও স্বর্ণের দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। এবার ভরিতে ১ হাজার ৯৯৪ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৩৯ হাজার ৪৪৩ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। যা আজকেও ছিল এক লাখ ৩৭ হাজার ৪৪৯ টাকা।

বৃহস্পতিবার (২১ নভেম্বর) সন্ধ্যায় এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে বাজুস। শুক্রবার (২২ নভেম্বর) থেকেই নতুন এ দাম কার্যকর হবে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) মূল্য বেড়েছে। ফলে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।

নতুন দাম অনুযায়ী, প্রতি ভরি ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম পড়বে ১ লাখ ৩৯ হাজার ৪৪৩ টাকা। এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৩৩ হাজার ৯৮ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ১৪ হাজার ৮৬ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ৯৩ হাজার ৬৭৪ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বাজুস আরও জানায়, স্বর্ণের বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে আবশ্যিকভাবে সরকার-নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট ও বাজুস-নির্ধারিত ন্যূনতম মজুরি ৬ শতাংশ যুক্ত করতে হবে। তবে গয়নার ডিজাইন ও মানভেদে মজুরির তারতম্য হতে পারে।

স্বর্ণের দাম কমানো হলেও দেশের বাজারে অপরিবর্তিত রয়েছে রুপার দাম। দেশে ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপা বিক্রি হচ্ছে ২ হাজার ৫৭৮ টাকায়। এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ হাজার ৪৪৯ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ হাজার ১১১ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপা বিক্রি হচ্ছে ১ হাজার ৫৮৬ টাকায়।

এর আগে, সবশেষ গত ১৯ নভেম্বর দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম সমন্বয় করেছিল বাজুস। সে সময় টানা চার দফা কমার পর ভরিতে ২ হাজার ৯৪০ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৩৭ হাজার ৪৪৯ টাকা নির্ধারণ করেছিল সংগঠনটি।

এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৩১ হাজার ১৯৭ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ১২ হাজার ৪৫৩ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ৯২ হাজার ২৮৬ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল। যা কার্যকর হয়েছে গত ২০ নভেম্বর থেকে।

এ নিয়ে চলতি বছরে এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে ৫১ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছে। যেখানে ৩০ বার দাম বাড়ানো হয়েছে, আর কমানো হয়েছে ২১ বার।

Header Ad

‘দেশের মানুষ এখনো কোনো রাজনৈতিক দলকেই বিশ্বাস করতে পারে না’

ছবি: সংগৃহীত

দেশের জনপ্রিয় নির্মাতা আশফাক নিপুন। কাজের পাশাপাশি সামাজিক মাধ্যমেও বেশ সরব তিনি। কথা বলেন নানা ইস্যু নিয়ে। সেই ধারাবাহিকতায় সরকার পতনের পর অন্তবর্তীকালীন সরকার গঠনেও বিভিন্ন সময় নিজের আকাঙ্ক্ষা, প্রত্যাশার কথা জানিয়েছেন। পাশাপাশি রাজনৈতিক দলগুলোর উদ্দেশ্যেও বিভিন্ন বার্তা দিয়েছেন। এবার এমনি একটি বার্তায় দেশের রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতি জনগনের আস্থার বিষয়ে আক্ষেপ জানালেন এই নির্মাতা।

বুধবার (২০ নভেম্বর) আশফাক নিপুন তার ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে লেখেন, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে সর্বস্তরের ছাত্র এবং সাধারণ মানুষ রাস্তায় নেমে এসেছিল, বাসায় বসে বসে দোয়া করেছিল, যার যা সামর্থ্য দিয়ে সহায়তা করেছিল। কারণ, তারা দেখেছিল লড়াইটা আওয়ামী ফ্যাসিস্ট শাসক বনাম সাধারণ ছাত্র-জনতার। এটাও অস্বীকার করার কোনো উপায় নাই যে এই আন্দোলন বেগবান করতে বিরোধী সকল দলের কর্মীদের ভূমিকা অনস্বীকার্য। তাদের সংগ্রামও গত দেড় দশকের। কিন্তু এটা যদি শুধুমাত্র রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যকার লড়াই হতো তাহলে সাধারণ মানুষ এই লড়াই থেকে দূরে থাকত। সেই প্রমাণ বিগত ১৫ বছরে আছে।

‘দেশের মানুষ এখনো কোনো রাজনৈতিক দলকেই বিশ্বাস করতে পারে না’

কারণ হিসেবে তিনি বলেন, দেশের সাধারণ মানুষ এখনো দেশের কোনো রাজনৈতিক দলকেই পুরোপুরি বিশ্বাস করতে পারে না। এটাই বাস্তবতা। এই বাস্তবতা মেনে সকল রাজনৈতিক দলগুলোর উচিত কীভাবে সাধারণ জনগণের ভেতর নিজের দলের প্রতি আস্থা তৈরি করা যায় সেই বিষয়ে নিরলস কাজ করা। এই আস্থা ক্ষমতায় গিয়ে অর্জন করা সম্ভব না। কারণ, সাধারণ মানুষ আজীবন এস্টাবলিশমেন্টের বিপক্ষে। এই আস্থা অর্জন করতে হয় ক্ষমতা বলয়ের বাইরে থেকেই।

নিপুন আরও লিখেন, অরাজনৈতিক সরকার দিয়ে দীর্ঘদিন দেশ চালানো যেমন কাজের কথা না ঠিক তেমনি রাজনৈতিক সরকার হতে চাওয়া সকল রাজনৈতিক দলগুলোর বোঝা উচিত মুক্তিযুদ্ধের পরে বাংলাদেশের ইতিহাসের সবচেয়ে বড় গণঅভ্যুত্থান সংগঠিত হয়েছে সকল প্রকার পূর্বানুমান (যেমন- বর্ষাকালে আন্দোলন হয় না, নির্বাচনের আগেই কেবল জোরেশোরে আন্দোলন হয়, ঘোষণা দিয়ে বিরোধী সকল পক্ষ আন্দোলনে শামিল না হলে সফল হয় না) অগ্রাহ্য করেই। সেটা সম্ভব হয়েছে সাধারণ মানুষের ন্যায্যতার আকাঙ্ক্ষা থেকেই।

সবশেষ এই নির্মাতা লিখেছেন, ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনা সাধারণ মানুষের এই আকাঙ্ক্ষার দুই পয়সার দাম দেন নাই। সাধারণ মানুষের এই আকাঙ্ক্ষা, ইচ্ছা আর দেশপ্রেমকে পুঁজি করে অরাজনৈতিক এবং রাজনৈতিক যারাই রাজনীতি রাজনীতি খেলতে চাইবে, তাদের দশাও কোন একসময় যেন পলাতক শেখ হাসিনার মতো না হয়, সেই বিষয় নিশ্চিত করতে হবে তাদেরকেই।

Header Ad

সর্বশেষ সংবাদ

খালেদা জিয়ার সঙ্গে কুশল বিনিময় করলেন মাহফুজ-আসিফ-নাহিদ
দেশের বাজারে আবারও বাড়ল স্বর্ণের দাম
‘দেশের মানুষ এখনো কোনো রাজনৈতিক দলকেই বিশ্বাস করতে পারে না’
‘বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে সশস্ত্র বাহিনীর অবদান চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে’: প্রধান উপদেষ্টা
নওগাঁ শহরে শৃঙ্খলা ফেরাতে বিশেষ অভিযান শুরু
২০২৬ সালের মাঝামাঝিতে নির্বাচন হতে পারে: উপদেষ্টা সাখাওয়াত
সেনাকুঞ্জে প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে খালেদা জিয়ার শুভেচ্ছা বিনিময়
বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে আহত ৫ জনকে রোবটিক হাত উপহার
সেনাকুঞ্জের পথে খালেদা জিয়া
সুযোগ পেলে শেখ হাসিনার পক্ষে মামলায় লড়ব: জেড আই খান পান্না
নির্বাচন কমিশন গঠন, সিইসি হলেন অবসরপ্রাপ্ত সচিব নাসির উদ্দীন
ডিএনএ টেস্টের ফলাফল: ভিনিসিয়ুসের পূর্বপুরুষ ছিলেন ক্যামেরুনের
জামিন পেলেন সাংবাদিক শফিক রেহমান
বিএনপি ছেড়ে আওয়ামী লীগে আসা সেই শাহজাহান ওমর গ্রেপ্তার
মিরপুর ও মহাখালীতে অটোরিকশা চালকদের সেনাবাহিনীর ধাওয়া
‘শেখ হাসিনা এখনও বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী’, এমন কথা বলেননি ট্রাম্প
লেবাননে ৮ শতাধিক ইসরায়েলি সেনা নিহত
ভারতে সাজাভোগ শেষে দেশে ফিরল ২৪ বাংলাদেশি কিশোর-কিশোরী
ঢাকার বিভিন্ন পয়েন্টে অবরোধ করে ব্যাটারিচালিত রিকশাচালকদের বিক্ষোভ
গাজায় ইসরায়েলের হামলায় আরও ৮৮ ফিলিস্তিনি নিহত