রবিবার, ৬ এপ্রিল ২০২৫ | ২৩ চৈত্র ১৪৩১
Dhaka Prokash

একান্ত সাক্ষাৎকারে অগ্রণী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক

মামলাজট কমিয়ে খেলাপি ঋণ কমানো হবে

করোনায় অনেক কিছু এলোমেলো হয়ে গেছে। অনেকে ঋণ নিয়ে ঠিক মতো কিস্তি দেননি। হচ্ছে মামলা। তারপর কমছে না খেলাপি ঋণ। তাই মামলার জট কমিয়ে খেলাপি ঋণ কমানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এভাবে বিভিন্ন উদ্যোগ নিয়ে সামনের দিকে এগিয়ে যেতে চান অগ্রণী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও মোহম্মদ শাম্স-উল ইসলাম। সম্প্রতি ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে একান্ত সাক্ষাৎকারে এসব উদ্যোগের কথা বলেছেন তিনি। তার সাক্ষাৎকারটি নিয়েছেন ঢাকাপ্রকাশ-এর সিনিয়র রিপোর্টার জাহাঙ্গীর আলম। ঢাকাপ্রকাশের সঙ্গে অগ্রণী ব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও মোহম্মদ শাম্স-উল ইসলামের আলাপ:

ঢাকাপ্রকাশ: তৃণমূলে ব্যাংকের সেবা পৌঁছে দিতে কী উদ্যোগ নিয়েছেন?

মোহম্মদ শাম্স-উল ইসলাম: অগ্রণী ব্যাংকের অগ্রযাত্রায় আমি বর্তমানে সফটওয়ারে গুরুত্ব দিচ্ছি। তা আপগ্রেডেশন করা হবে। আগের খুবই পুরোনো থেকে লেটেস্ট ভার্সনে আনা হবে। তাই এটাকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। বোর্ড অনুমোদন দিয়েছে। লেটেস্ট ভার্সন, ২০২১ এ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। এতে সব কিছু অটো জেনারেট হবে। শুধু সফটওয়ার নয়, ইন্টারনেট ব্যাংকিং, এজেন্ট ব্যাংকিংসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে যে সমস্যা তা সমাধান করা হবে।

ঢাকাপ্রকাশ: নতুন কী প্রডাক্ট আনার উদ্যোগ নিয়েছেন?

মোহম্মদ শাম্স-উল ইসলাম: আমরা কথার চেয়ে কাজে বিশ্বাসী। তাই মামলা জট থেকে সরে এসে বা মামলা না করে বিকল্প পন্থার চেষ্টা করা হচ্ছে। বিকল্প পথ হিসেবে ঋণ রিকভরি করার জন্য মামলা জট কমানোর চেষ্টা করা হচ্ছে। দেশের অগ্রযাত্রায় অগ্রণী ব্যাংক অগ্রণী ভূমিকায় থাকে। সেই লক্ষ্যে কাজ করা হচ্ছে। আমরা এগিয়ে যাচ্ছি। রোবাস্ট বা ভাইব্রেন্ট ব্যাংক হিসেবে এগিয়ে যাচ্ছি।

ঢাকাপ্রকাশ: প্রবাসীদের জন্য কি কোনো বিশেষ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে?

মোহম্মদ শাম্স-উল ইসলাম: যারা প্রবাস থেকে দেশে ফিরে এসেছে, তাদের জন্য ‘ঘরে ফেরা ঋণ’ কর্মসূচি চালু করেছি। সাত শতাংশ সুদে তিন বছরের জন্য এ ঋণ দেওয়া হচ্ছে। প্রায় এক কোটি লোক বিদেশে আছে। তারা ৪২ বিলিয়ন (চার হাজার ২০০ কোটি) ডলার রিজার্ভে সাহায্য করছে। রিজার্ভ বৃদ্ধিতে সাহায্য করছে। তারাও মালিক ব্যাংকের। তাই তাদের জন্য আমরা নিজেরা আড়াই থেকে দশমিক ৫০ শতাংশ বাড়িয়ে তিন শতাংশ প্রণোদনার ব্যবস্থা করেছি। যেহেতু তারা ফরেন কারেন্সি মানি বিদেশ থেকে আনছে। তারা যেহেতু এ দেশের জনগণ। তাই পহেলা বৈশাখ থেকে শুরু হয়েছে। কারণ ব্যাংকের মালিক জনগণ। সবুজ অর্থায়নেও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। ভর্তুকি অত্যন্ত জোরালো হচ্ছে। রপ্তানিকারকদেরও গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

ঢাকাপ্রকাশ: খেলাপি ঋণ কমাতে কি কোনো বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছেন?

মোহম্মদ শাম্স-উল ইসলাম: ঋণ আদায় করতে চেষ্টা করা হচ্ছে। গুরুতর মামলা জট থেকে বিকল্প পথে আসা হচ্ছে। এজন্য খেলাপী ঋণ আদায়ে সবাইকে লক্ষ্যমাত্রা দেওয়া হয়েছে। যারা ভালো করছে তাদের পুরস্কৃত করা হচ্ছে। যারা খারাপ করছে তাদের কাছে ব্যাখ্যা তলব করে শাস্তির আওতায় আনা হচ্ছে। অটো এনপিএল, নন পাফফর্মিং লোন (অলস ঋণ) এক অংকে আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। ঋণ গ্রহিতার সঙ্গে জামিনদার থেকেও সিআইবি রিপোর্ট নেওয়া হচ্ছে। এটা নেওয়া খারাপ না, ভালো। ঋণীকে ভালো রাখতে জামিনদারের সিআইবি রিপোর্ট নেওয়া ভালো।

ঢাকাপ্রকাশ: গ্রাহক সেবা সহজ করতে কী উদ্যোগ নিয়েছেন?

মোহম্মদ শাম্স-উল ইসলাম: সরকারের নীতি মেনে গ্রাহক সেবা দেওয়া হচ্ছে। গ্রাহক সেবা সহজ করতে ইন্টারনেট ব্যাংকিং তাড়াতাড়ি চালু করা হবে। সব প্রস্তুত। তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রীর উপস্থিতিতে এর উদ্বোধন করা হবে। তখন ঘরে বসেই ই-অগ্রণীর মাধ্যমে সেবা পাওয়া যাবে।

ঢাকাপ্রকাশ: বাণিজ্য ঘাটতি কমাতে কি কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে?

মোহম্মদ শাম্স-উল ইসলাম: হ্যাঁ, অবশ্যই গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। মানসম্পন্ন ব্যবসার দিকে খেয়াল রাখা হচ্ছে। সম্প্রতি রপ্তানি, আমদানি ঘাটতি বাড়ছে। এ অবস্থা থেকে উত্তরণে রেমিট্যান্স বাড়াতে হবে। রপ্তানিও বাড়াতে হবে। তাই রপ্তানিকারকদের উৎসাহিত করতে চা চক্রের ব্যবস্থা করা হয়েছে। তা ছাড়া রেমিট্যান্সে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। এ জন্য প্রবাসীদেরও উৎসাহিত করা হচ্ছে।

ঢাকাপ্রকাশ: সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগে কীভাবে ভূমিকা পালন করছেন?

মোহম্মদ শাম্স-উল ইসলাম: বিভিন্নভাবে সরকার ব্যয় সংকোচ ও প্রণোদনার যে উদ্যোগ নিয়েছে তাতে সর্বোচ্চ ভূমিকা পালন করা হচ্ছে। করোনা মোকাবেলায় সিএসএমইতে প্রধানমন্ত্রী অগ্রাধিকার দিয়ে যে ডাক দিয়েছেন তাতে সাড়া দেওয়া হয়েছে। এ উদ্যোগে আমরা ভালো করছি। এরফলে প্রণোদনা, কৃষি ঋণেও পুরস্কার পেয়েছে। সম্প্রতি বাংলাদেশ ব্যাংক রেমিট্যান্স পুরস্কারও পেয়েছে। এসব ক্ষেত্রে ভালো করা হচ্ছে। শতভাগ লক্ষ্য অর্জনে চেষ্টা করা হচ্ছে। সেই মোতাবেক প্রস্তুতিও নেওয়া হচ্ছে। বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তিতেও (এপিএ) ২০১৯-২০ বছরে প্রথম হয়েছি। এবারও চেষ্টা করা হচ্ছে।

ঢাকাপ্রকাশ: এজেন্ট ব্যাংকিংয়ে কোন পর্যায়ে আসা সম্ভব হয়েছে?

মোহম্মদ শাম্স-উল ইসলাম: সরকার সারাদেশে ব্যাংক সেবা পৌঁছে দেওয়ার যে উদ্যোগ নিয়েছে অগ্রণী ব্যাংকও তাতে অংশ নেওয়ার ব্যবস্থা করছে। অগ্রণী ব্যাংকের শাখা নেই, এসব ইউনিয়নে অগ্রণী দুয়ার ব্যাংকিং নামে এজেন্ট ব্যাংকিং সেবা প্রদান করা হচ্ছে।

সাব-এজেন্ট নিয়োগ করে হিসাব খোলা, টাকা জমা ও উত্তোলন, ক্লিয়ারিং চেক গ্রহণ, ঋণের আবেদন গ্রহণ, বিতরণ ও কিস্তি সংগ্রহ, রেমিট্যান্স বিতরণ, বিদ্যুৎ বিল জমা, ভাতা বিতরণসহ যেকোনো ব্যাংকের হিসাবে টাকা পাঠানো যাচ্ছে। চারটি এজেন্ট ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে সেবা দেওয়া হচ্ছে। আরও ২০০টি শাখার অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। শুধু এক দুয়ারে সীমাবব্ধ থাকব না। যে কেউ চাইলে আসতে পারে। সবার জন্য দুয়ার খোলা। কেউ যাতে মনোপলি করতে না পারে।

জেডএ/এসএন 

Header Ad
Header Ad

আরাফাত রহমান কোকোর শাশুড়ি মুকরেমা রেজা আর নেই

প্রয়াত আরাফাত রহমান কোকোর শাশুড়ি এবং বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার পুত্রবধূ সৈয়দা শামিলা রহমান সিঁথির মা এস ইউ এফ মুকরেমা রেজা ইন্তেকাল করেছেন। ছবি: সংগৃহীত

প্রয়াত আরাফাত রহমান কোকোর শাশুড়ি এবং বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার পুত্রবধূ সৈয়দা শামিলা রহমান সিঁথির মা এস ইউ এফ মুকরেমা রেজা ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। শনিবার রাত ৩টা ৪৫ মিনিটে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৭১ বছর।

পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, শারীরিক নানা জটিলতায় ভুগে এক সপ্তাহ আগে মুকরেমা রেজা হাসপাতালে ভর্তি হন। তাঁর একমাত্র কন্যা শামিলা রহমান গত ৩০ মার্চ লন্ডন থেকে ঢাকায় ফেরেন মায়ের চিকিৎসার জন্য।

আজ রোববার বাদ আসর রাজধানীর বনানী ডিওএইচএস মাঠে মরহুমার জানাজা অনুষ্ঠিত হবে এবং পরে বনানী কবরস্থানে দাফন করা হবে বলে পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। মুকরেমা রেজা দুই পুত্র ও এক কন্যা রেখে গেছেন। তাঁর স্বামী প্রকৌশলী এইচ এম হাসান রেজা রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (সাবেক ডিআইটি) কর্মকর্তা ছিলেন। তিনি ২০১৭ সালের মার্চে ইন্তেকাল করেন।

মুকরেমা রেজার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তাঁরা পৃথক শোকবার্তায় মরহুমার রুহের মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

Header Ad
Header Ad

ইভ্যালির রাসেল-শামীমার ৩ বছরের কারাদণ্ড

ইভ্যালির এমডি মোহাম্মদ রাসেল ও তার স্ত্রী চেয়ারম্যান শামীমা নাসরিন। ছবি: সংগৃহীত

প্রতারণার মামলায় ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ইভ্যালির ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মোহাম্মদ রাসেল ও তার স্ত্রী চেয়ারম্যান শামীমা নাসরিনকে তিন বছর করে সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। দণ্ডের পাশাপাশি প্রত্যেককে ৫ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

রোববার (৬ এপ্রিল) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. মিনহাজুর রহমান এ রায় দেন।

বাদীপক্ষের আইনজীবী সাকিবুল ইসলাম জানান, আসামিরা পলাতক রয়েছেন। আদালত তাদের বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানাসহ গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন।

মামলা সূত্রে জানা গেছে, ইভ্যালি বিভিন্ন মাধ্যমে চমকপ্রদ বিজ্ঞাপন দিয়ে বিভিন্ন পণ্য বিক্রয় করে। এতে আকৃষ্ট হয়ে মুজাহিদ হাসান ফাহিম তাদের প্রতিষ্ঠান থেকে ২০২১ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি ইয়ামাহা আর ওয়ান ফাইভ বাইক অর্ডার করেন। যার মূল্য পরিশোধ করেন। তবে কর্তৃপক্ষ ৪৫ দিনের মধ্যে বাইকটি সরবরাহ করতে ব্যর্থ হয়। পরে তিনি ধানমন্ডি অফিসে যোগাযোগ করেন। কর্তৃপক্ষ পাঁচ লাখ টাকার চেক প্রদান করে। তবে ব্যাংক হিসেবে পর্যাপ্ত পরিমাণ অর্থ না থাকায় চেকটি নির্ধারিত তারিখে ব্যাংকে জমা না দিতে অনুরোধ করেন। আসামিদের কথা বিশ্বাস করে তিনি চেকটি ব্যাংকে জমা দেননি। পরবর্তীতে বাদি টাকা আদায়ের জন্য তাগাদা দিতে থাকেন। তবে তারা কোনো টাকা তাকে ফেরত দেননি। এর পর লিগ্যাল নোটিশ পাঠিয়েও কাজ হয়নি।

এ ঘটনায় মুজাহিদ হাসান ফাহিম ২০২৪ সালের জানুয়ারি মাসে আদালতে রাসেল ও শামীমার বিরুদ্ধে মামলা করেন।

Header Ad
Header Ad

স্ত্রীকে নিয়ে চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুর গেলেন মির্জা ফখরুল

স্ত্রীকে নিয়ে চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুর গেলেন মির্জা ফখরুল। ছবি: সংগৃহীত

চিকিৎসা সংক্রান্ত নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষার অংশ হিসেবে সিঙ্গাপুরে গেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

রোববার (৬ এপ্রিল) সকাল ৮টা ২০ মিনিটে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের একটি ফ্লাইটে তিনি তার স্ত্রীসহ হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে সিঙ্গাপুরের উদ্দেশে রওনা হন।

বিএনপি চেয়ারপারসনের মিডিয়া উইংয়ের সদস্য শায়রুল কবির খান এ তথ্য নিশ্চিত করে জানান, “স্যার এবং ভাবী হেলথ চেকআপ করাতে সিঙ্গাপুর গেছেন। সেখানে একটি ক্লিনিকে কয়েকজন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের সঙ্গে দেখা করবেন। ইতোমধ্যে ডাক্তারদের অ্যাপয়েন্টমেন্ট ঠিক করা হয়েছে।”

তিনি আরও জানান, বিএনপি মহাসচিবের এক সপ্তাহ পর দেশে ফেরার কথা রয়েছে। উল্লেখ্য, এর আগে সর্বশেষ ২০২৪ সালের ১ সেপ্টেম্বর নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য সিঙ্গাপুরে গিয়েছিলেন মির্জা ফখরুল ও তার স্ত্রী।

Header Ad
Header Ad

সর্বশেষ সংবাদ

আরাফাত রহমান কোকোর শাশুড়ি মুকরেমা রেজা আর নেই
ইভ্যালির রাসেল-শামীমার ৩ বছরের কারাদণ্ড
স্ত্রীকে নিয়ে চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুর গেলেন মির্জা ফখরুল
বিশ্বজুড়ে ট্রাম্প-মাস্কবিরোধী বিক্ষোভ, যুক্তরাষ্ট্রসহ ইউরোপের রাজপথে উত্তাল জনতা
চীনের গণমাধ্যমে দেয়া সাক্ষাৎকারে যা বললেন প্রধান উপদেষ্টা
ট্রাম্প প্রশাসনের শুল্কারোপের প্রভাব বড় নয়, সামাল দেয়া সম্ভব: অর্থ উপদেষ্টা
রাশিয়ার দাবি ইউক্রেনে একদিনে ৪৩০ সেনা হতাহত
সরকারি সফরে রাশিয়া ও ক্রোয়েশিয়া গেলেন সেনাপ্রধান
ডিসেম্বরের মধ্যেই নির্বাচন চায় হেফাজত, বিএনপির সঙ্গে একমত
চীনের পাল্টা শুল্কারোপে মার্কিন শেয়ারবাজারে ধস, বিশ্ববাজারে বাড়ছে উত্তেজনা
সাবেক রেলমন্ত্রী মুজিবুল হকের বাড়িতে হামলা ও অগ্নিসংযোগ
পরকীয়া করলে পাথর নিক্ষেপে মৃত্যুদণ্ডের আইন করতেন অপু বিশ্বাস
বিএনপির দল পুনর্গঠনে তরুণ ও শিক্ষিত নেতৃত্বের অগ্রাধিকার
যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের রপ্তানি আরও বাড়বে: প্রেসসচিব
টাঙ্গাইলে ধান ক্ষেতে মিলল ৭০ বছর বয়সী এক বৃদ্ধার মরদেহ
বগুড়ার সাতটি আসনে জামায়াতের প্রার্থী ঘোষণা
রংপুরে বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষে প্রাণহানি, আহত অন্তত ২০
গত ২৫ বছর ‘জয় বাংলা’ বলিনি, এখন থেকে বলব: কাদের সিদ্দিকী
বিরামপুরে ভয়াবহ আগুনে সনাতন পরিবারের সর্বস্ব পুড়ে ছাই
রাতেই ঢাকাসহ ৭ অঞ্চলে ৬০ কিমি বেগে ঝড়-বৃষ্টি হতে পারে