বৃহস্পতিবার, ৩ এপ্রিল ২০২৫ | ২০ চৈত্র ১৪৩১
Dhaka Prokash

নাম না জানা মেয়েটি

কলেজে সবাই আসছে। কিন্তুু কোথায় খুঁজতে লাগলাম। কলেজের স্মৃতিসৌধের কাছে খুলা জায়গায় বসে সবাই সময় কাটাতাম। হয়তো এখানে সবাই। এ দিকে আসতেই কান্নার আওয়াজ শুনতে পেলাম। একটুখানি এগিয়ে গেলাম। অবাক হয়ে ভাবতে লাগলাম।এখানে হচ্ছে কী? কেউ কাঁদে আবার কেউ হাসে। ইচ্ছে হলো ধমক দিয়ে জিজ্ঞেস করি সে কাঁদে আর তোমরা হাসছো কেন?

তাকিয়ে দেখি আমার বন্ধু বান্ধবী কেউ নেই, এরা সবাই স্নাতক সম্মান প্রথম বর্ষের। তাই ক্লাসের দিকে চলে যাচ্ছি। কান্নার আওয়াজটা বেড়েই চলছে। তবুও চলে যাচ্ছি, তবে মন কিছুতেই বসছে না। ভাবতেছি ছোট ভাই বোনদের বিষয়ে জড়ানো কী উচিৎ হবে। এই ভেবে হাঁটতেছি। হঠাৎ হাবিব উল্লাহ পাঠাগারের দিকে যেতে বলল। তর একটা উপন্যাস দেতো পড়ি। তার হাতে উপন্যাস দিয়ে চলে আসছি। কিরে বস এখানে, না তুই পড় আমার একটা কাজ আছে। অহ! কবিদের কত কাজ, আচ্ছা যা সময়মতো চলে আসিস। বারবার মেয়ে টার কান্নার আওয়াজ কানে ভাসছে আর মনে প্রশ্ন জাগছে মেয়েটি কাঁদে আর তার বন্ধু বান্ধবীরা হাসে কেন? অহ! তাতে আমার কী? যায় আসে আমি কেন? এত ভাবছি।মেয়েটিকে প্রশ্ন করলে যদি রেগে যায়, না,না যাব না আর এদিকে। এই ভাবতে ভাবতে মেয়েটার কাছেই চলে গেলাম। নিজেকে সামলাতে না পেরে জিজ্ঞেস করলাম কেন? কাঁদো কী? হলো।
উত্তর নেই। আবার জিজ্ঞেস করলাম, কাঁদছ কেন? কান্না বেড়ে গেল।

মহা মুশকিল, বলো আমায় কাঁদ কেন? আবারও উত্তর দেয়নি। আরে কাঁদো কেন? বলো। কী? সমস্যা বলো যেভাবেই হোক সমস্যা সমাধান করব।তবুও কিছু বলে না শুধু কাঁদে। বিরক্ত হয়ে মনে কষ্ট নিয়ে চলে যেতে লাগলাম। এত আগ্রহ নিয়ে আসলাম আর কী হলো জানতে পারলাম না। ঐ পাশের ছেলে মেয়ে গুলির হাসি আরও বেড়ে গেল।তারা বলতে লাগল দেখ দেখ ভাইয়ার কত মায়া তার জন্য, কিন্তুু সেতো ভাইয়াকে পাত্তাই দিল না।
রাগ এলো বটে তবুও নিজেকে সামাল দিলাম। আগ্রহটা মন থেকে সরছে না কী? হলো কেন? কাঁদে আমার জানতেই হবে। আবার মনে মনে এটাও ভাবি মেয়েটাকে তো আমি কোনো দিন দেখিওনি তাহলে তার কান্নাতে আমার কী? আমার কেন? কষ্ট হচ্ছে। কেন? তার জন্য এত মায়া আমার।
ভাবতে ভাবতে আবার গেলাম।
এই শেষ বার জিজ্ঞেস করছি কী হলো বলো, কেন? কাঁদো।
কাঁদো কাঁদো কাঁপা কন্ঠে বলতে লাগল কেন? আপনারও আমায় নিয়ে হাসার ইচ্ছে হলো।সবাই তো অন্যের সমস্যায় আনন্দ পায়। আচ্ছা হাসেন, এত জনের হাসি সহ্য করতে পারছি আর আপনার হাসি কেন সহ্যতে পারব না।
সামান্য বিষয় হতে পারে কিন্তুু আমার জন্য সেটা অনেক লজ্জার।সবার উচিৎ ছিল আমার পাশে দাঁড়ানো কিন্তু তারা উল্টোটা করল যদিও খুব ভালো বন্ধু বান্ধবী ওরা।আর আপনি ত অপরিচিত। হাসার জন্যই ত বারবার আসছেন হাসেন যত ইচ্ছে আমায় নিয়ে মজা করেন।
একদম না! আমি তোমার কান্না সহ্য করতে না পারায় বারবার আসছি।
আগে বলবা তো কেন? কাঁদো।
ভাইয়া আমার!
বলতেই হঠাৎ বৃষ্টি নেমে আসলো সবাই ছুটা ছুটি করে হলে চলে গেলো। চলো আমরাও কোনো রুমে যায়। না হয় বৃষ্টিতে ভিজে যাব।এক পাও সরছে না। আরে কী? হলো।
ভাইয়া আপনি যান আমি যাব না।
কিন্তুু কেন?এখনি মনে হচ্ছে মুশলধারে বৃষ্টি নেমে আসবে চল।
আমি সবার সামনে এভাবে হাটতে পারব না।

সঙ্গে সঙ্গেই ভারী বৃষ্টি,তাকে রেখে যেতে পারলাম না। দুজনেই বৃষ্টি ভেজা। আপনি আমার জন্য বৃষ্টিতে ভিজবেন কেন? জানি না তোমায় ছেড়ে যেতে মন চাইছে না। মেয়েটির ব্যাগে ছাতা ছিল। আমায় বলে নেন আপনি ছাতার নিছে দাঁড়ান। না তুমি দাঁড়াও আমার লাগবে না। তাহলে আমার জন্য ভিজতেছেন কেন? আচ্ছা আসেন দুজনেই দাঁড়ায়, একটু সংকোচ হলো তবুও দাঁড়ালাম। কারও কোনো কথা নেই। বৃষ্টি থেমে গেল।
আবার প্রশ্ন আচ্ছা তুমি কাঁদছিলে কেন। কান্না শুরু, কাদো কেন? বলবা তো। আমি কীভাবে বাড়ি যাব।
অসহ্য! হলো কী? বলো আমি বাড়ি যাওয়ার ব্যবস্তা করব।
ভাইয়া আমার না, জুতো ছিঁড়ে গেছে!!!
অহ! নো! এ সামান্য বিষয়ে এত কিছু, কেমন মেয়ে তুমি।
মোটেও সামান্য না। ছেলেদের জন্য সামান্য মেয়েদের জন্য না। ওরা অধিক লজ্জাশীলা হয়, খালি পায়ে বা ছেঁড়া জুতো পায়ে দিয়ে হাঁটতে পারে না। আমি একটু বেশি লজ্জা পাই।
আচ্ছা ঠিক আছে আমার জুতো পায়ে দাও ২০০ টাকা নাও বাজারে যেতে দু মিনিট সময় লাগবে।
জুতো কিনে তারপর আমায় এখান থেকে নিয়ে যেও। অপেক্ষায় রইলাম।
ভাইয়া! মানে। কোনো মানে চলবে না যাওতো।
মেয়েটি চলে গেলে অপেক্ষায় রইলাম, হঠাৎ কল আসলো লজিং হতে, মেয়েটি কে? নাম কী? বাড়ি কোথায় কিছুই জানা হলো না চলে আসতে হলো। বাসায় আসার পর শুরু হলো অস্থিরতা, বারবার মেয়েটির কথা মনে পড়তে লাগল। রাত ২.৫০ মিনিট।

একটুও ঘুম আসেনি চোখে। এ পাশ ওপাশ করতে লাগলাম। মোবাইল সাইলেন্ট আলো ভাসছে ভাবলাম অ্যালার্ম। একবার আলো ভাসার পর মোবাইল হাতে নিয়ে দেখি কল। ৪৫ টা কল,অবাক কাণ্ড কে সে এত রাতে এতগুলো কল দিল। ব্যাক করলাম বন্ধ। ফেসবুক এ ডুকে দেখি ইনবক্সে নক করা, ভাইয়া আপনি কোথায় হারিয়ে গেলেন। সন্ধ্যা নেমে আসল আঁধারে চার দিক ডেকে যাচ্ছে তাই আর অপেক্ষা করতে না পেরে চলে আসলাম। খুব সকাল সকাল কলেজে চলে আসব। আপনি না আসা পর্যন্ত এক পাও নড়ব না। কখন সকাল হবে মেয়েটির সঙ্গে দেখা হবে। আনন্দের বন্যা বয়ে চলছে মনে।সকাল হতেই কলেজে চলে গেলাম।ঠিক আগের জায়গায় মেয়েটি বসা,কাছে যেতেই রেগেমেগে বললো আপনি এত পাষাণ কেন?
ভোর হতেই চলে আসছি আর আপনি এখন আসলেন। আচ্ছা কে তুমি, তোমার নাম কী? আর আমার জন্যই বা এত সকাল কেন? আসছো।
অনেকক্ষণ চুপ করে রইলো, তারপর জানি না বলে দৌড়ে চলে গেলো যেতে যেতে বললো আপনার জুতোটা আর দিবো না।

নিজেকে কত বোকা মনে হচ্ছে কেন? এ প্রশ্ন করলাম সারারাত তো আমারও ঘুম হয়নি। মেয়েটা হয়তো কিছু বলতো।আবার আসলো, একটা ফুল হাতে দিয়ে চলে গেলে। আরে নামটা ত বলে যাও। শুনলই না লাফাতে লাফাতে যেন আনন্দের সাগরে ভাসছে। বিকালে আমার হাত ধরে হাঁটবে, কলেজর পেছনের পুকুরে শাপলা তুলবে, জোনাকি পোকার আলোয় আলোকিত হতে নিশীথে ঝোপের আড়ালে যাবে। আমরা যখন গল্প করতে বসবো কলেজের সব গাছের কচি পাতা আমাদের জন্য নব সাজে সজ্জিত হবে। পাখিরা উরে এসে আমাদের পাশে বসবে। নদীর পানিতে আনন্দের ডেউ আসবে। বাগানে নতুন পাপড়ি ধরবে। চারদিক যেন উল্লাসে ভেসে উঠবে। এই বলে চলে গেল।
দেখা হবে আগামীকাল। পরের দিন সকাল সকাল চলে আসলাম এসে দেখি যেখানে দাঁড়িয়ে কাঁদছিল সেখানে একটা চিরকুট,

ভাইয়া, আপনাকে জানি না কেন এত ভালো লাগে। এটা ভালো লাগা নাকি ভালবাসা বলে, জানি না। যত সময় যাচ্ছে ততই আপনাকে কাছে পেতে মন চাচ্ছে, সারাক্ষণ আপনার ছবি আমার দু-চোখে ভেসে উঠে। আমি জানি আপনারও আমার মতো মনে হচ্ছে যেন, দু-জন সারাক্ষণ এক সঙ্গে থাকি। দূরে যেতে মন মানে না। কিন্তুু আমি আমার অবহেলিত জীবনে আপনাকে জড়াব তা মানতে পারি না। আমি প্রতিনিয়ত নিজের সঙ্গে যুদ্ধ করে বেঁচে আছি। আমার জীবনে আছে শুধু হতাশা, ব্যর্থতা,লাঞ্জনা,যাতনা খুব সাধারণ পরিবারের মেয়ে আমি। আমার এ ব্যর্থ জীবনের সাথে জড়িয়ে আপনার জীবনে হতাশা,ব্যর্থতা নেমে আসুক তা আমি চাই না, তাই কিছু না বলে কলেজ হতে বিদায় নিলাম। হয়তো আর কোনো দিন দেখা হবে না। ভাইয়া, পারলে আমায় মাফ করে দিয়েন।

ইতি, কলেজের নাম না জানা মেয়েটি।

এর পর থেকে আমার মনে নেমে এলো হতাশা, শান্তি নামক জিনিসটা জীবন থেকে হারিয়ে গেল। সারাক্ষণ পাগলপারা হয়ে ঘুরে ফিরি। খোঁজতে থাকি কোথাও যেনো তার দেখা পাই।আর আজও হাঁটছি তার সন্ধানে।

 

Header Ad
Header Ad

অতিরিক্ত গতি নিয়ন্ত্রণে ঠাকুরগাঁওয়ে প্রশাসন, পুলিশ ও বিআরটিএ'র বিশেষ অভিযান

ছবি: ঢাকাপ্রকাশ

ঈদ পরবর্তী সময়ে যাত্রীসাধারণের নির্বিঘ্ন ও নিরাপদ যাত্রা নিশ্চিত করতে এবং সড়ক দুর্ঘটনা রোধে ঠাকুরগাঁও জেলায় প্রশাসন, পুলিশ ও বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) নানা কার্যক্রম পরিচালনা করছে। অতিরিক্ত গতি নিয়ন্ত্রণে ও সড়কে শৃঙ্খলা নিশ্চিত করতে জেলা প্রশাসন, পুলিশ ও বিআরটিএ ঠাকুরগাঁও সার্কেলের উদ্যোগে ভিজিলেন্স টিম গঠন করা হয়েছে, যা নিয়মিত মনিটরিং ও মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করছে।

জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, কোনো বাস কাউন্টার অতিরিক্ত ভাড়া আদায় বা যাত্রী হয়রানি করলে, তাৎক্ষণিকভাবে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে বেশ কয়েকটি বাস কাউন্টারে অভিযান পরিচালনা করে জরিমানা আদায়সহ সতর্ক করা হয়েছে। এছাড়া, ফিটনেসবিহীন যানবাহন চলাচল বন্ধ, পণ্যবাহী যানবাহনে যাত্রী পরিবহন, হেলমেট ছাড়া মোটরসাইকেল চালনা এবং একাধিক আরোহী বহন রোধে জেলা প্রশাসন, পুলিশ ও বিআরটিএর সমন্বয়ে পলাশ তালুকদার, সহকারী কমিশনার ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট, ঠাকুরগাঁও এর নেতৃত্বে বিশেষ অভিযান পরিচালিত হচ্ছে। অভিযানে মোট ১৮টি মামলায় ৭০,০০০/ টাকা জরিমানা করা হয়।

বিআরটিএ ঠাকুরগাঁও সার্কেলের সহকারী পরিচালক (ইঞ্জি.) জানান, যাত্রীদের নির্বিঘ্ন ও নিরাপদ যাত্রা নিশ্চিত করতে বিআরটিএ চেয়ারম্যান মহোদয়ের নির্দেশনায় এই কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। তিনি আরও জানান, প্রশাসনের কঠোর নজরদারির ফলে এবারের ঈদে ঠাকুরগাঁও জেলায় সড়ক দুর্ঘটনা ও প্রাণহানির সংখ্যা তুলনামূলকভাবে কম হয়েছে।

Header Ad
Header Ad

শুল্ক আরোপের জেরে বিশ্ববাজারে মার্কিন ডলারের দরপতন

ছবি: সংগৃহীত

শুল্ক আরোপের জেরে বিশ্ববাজারে মার্কিন ডলারের দরপতন ঘটেছে, বিপরীতে বেড়েছে ইউরোর মূল্য। বিনিয়োগকারীরা ইয়েন ও সুইস ফ্রাঙ্কের মতো নিরাপদ আশ্রয়স্থলের দিকে ঝুঁকতে শুরু করেছেন।

রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বহুল প্রতীক্ষিত ট্রাম্পের শুল্ক ঘোষণার পর বৃহস্পতিবার বাজারে ধাক্কা লাগে। বিশ্বব্যাপী শেয়ারবাজারে দরপতন ঘটে এবং বিনিয়োগকারীরা বন্ডের পাশাপাশি স্বর্ণে বিনিয়োগ শুরু করেন।

ট্রাম্প বুধবার ঘোষণা দেন, তিনি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে সমস্ত আমদানির ওপর ১০ শতাংশ বেসলাইন শুল্ক আরোপ করবেন এবং দেশের কিছু বৃহত্তম বাণিজ্যিক অংশীদারের ওপর উচ্চতর শুল্ক বসাবেন। নতুন শুল্ক আরোপের ফলে বাণিজ্য যুদ্ধ তীব্রতর হয়েছে, যা বৈশ্বিক অর্থনৈতিক মন্দা ও জ্বালানি মূল্যস্ফীতির আশঙ্কা বাড়িয়ে তুলেছে।

বৃহস্পতিবার ডলার সূচক ১.৬ শতাংশ কমে ১০২.০৩-এ দাঁড়িয়েছে, যা অক্টোবরের শুরুর পর থেকে সর্বনিম্ন। অন্যদিকে, ইউরো সূচক ১.৫ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ছয় মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ হয়েছে। মার্কিন ডলারের বিপরীতে অস্ট্রেলিয়ান ডলার ০.৫৬ শতাংশ, নিউজিল্যান্ড ডলার ০.৯ শতাংশ, জাপানি ইয়েন ১.৭ শতাংশ এবং সুইস ফ্রাঙ্ক পাঁচ মাসের মধ্যে সবচেয়ে শক্তিশালী অবস্থানে পৌঁছেছে।

ক্যাপিটাল ডটকমের সিনিয়র বাজার বিশ্লেষক ড্যানিয়েলা সাবিন হ্যাথর্ন জানান, ট্রাম্পের নতুন শুল্ক নীতির ফলে ডলার সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তিনি বলেন, “অনিশ্চয়তা এখনও বেশি রয়েছে—যদিও কয়েকদিনের মধ্যে কিছু শুল্ক বাতিল বা সংশোধন হতে পারে। তবে এর অর্থনৈতিক প্রভাব ১৯৩০-এর দশকের স্মুট-হাওলি শুল্ক আইনের চেয়েও বেশি হতে পারে।”

১৯৩০ সালে স্মুট-হাওলি শুল্ক আইন প্রণয়নের ফলে যুক্তরাষ্ট্র আমদানি কর বাড়িয়েছিল, যা বিশ্বব্যাপী প্রতিশোধমূলক শুল্কের সূত্রপাত ঘটায় এবং বৈশ্বিক মহামন্দাকে আরও গভীর করে তোলে।

ড্যানিয়েলা সাবিন হ্যাথর্ন আরও বলেন, ট্রাম্প প্রশাসনের এই পদক্ষেপ কেবল বাণিজ্যের ভারসাম্য রক্ষার কৌশল নয়, বরং যুক্তরাষ্ট্রকে সম্পূর্ণ স্বনির্ভর করার পরিকল্পনার অংশ হতে পারে। তবে, এই স্তরের শুল্ক আরোপের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র নিজেকে বৈশ্বিক বাণিজ্য থেকে বিচ্ছিন্ন করে ফেলতে পারে, যা দীর্ঘমেয়াদে অর্থনীতির জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে।

সূত্র: রয়টার্স, ব্যারন’স, দ্য গার্ডিয়ান

Header Ad
Header Ad

ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ে বাংলাদেশের উন্নতি, শীর্ষেই আর্জেন্টিনা

ছবি: সংগৃহীত

গেল মাসে এশিয়ান কাপ বাছাইয়ের তৃতীয় রাউন্ডে ভারতের বিপক্ষে গোলশূন্য ড্র করলেও ফিফা র‍্যাংকিংয়ে দুই ধাপ এগিয়েছে বাংলাদেশ। নতুন র‍্যাংকিং অনুযায়ী, ৯০৪.১৬ পয়েন্ট নিয়ে জামাল ভূঁইয়া, হামজা চৌধুরীরা ১৮৫তম স্থান থেকে উঠে এসেছে ১৮৩তম স্থানে।

এদিকে ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষস্থানটি ধরে রেখেছে আর্জেন্টিনা। উরুগুয়ে ও ব্রাজিলের বিপক্ষে জয় তুলে নিয়ে বর্তমান বিশ্ব চ্যাম্পিয়নদের সংগ্রহ এখন ১৮৮৬.১৬ পয়েন্ট। অন্যদিকে, স্পেন ১৮৫৪.৬৪ পয়েন্ট নিয়ে ফ্রান্সকে টপকে দ্বিতীয় স্থানে উঠে এসেছে। ১৮৫৪.৭১ পয়েন্ট নিয়ে ফরাসিরা নেমে গেছে তিন নম্বরে।

ইংল্যান্ড ১৮১৯.২ পয়েন্ট নিয়ে যথারীতি চারে রয়েছে। ব্রাজিল এক জয় ও এক হারের পরও ১৭৭৬.০৩ পয়েন্ট নিয়ে আগের মতোই পাঁচ নম্বরে রয়েছে। নেদারল্যান্ডস ১৭৫২.৪৪ পয়েন্ট নিয়ে ছয়ে উঠে এসেছে, আর পর্তুগাল এক ধাপ পিছিয়ে ১৭৫০.০৮ পয়েন্ট নিয়ে সাত নম্বরে নেমেছে।

র‍্যাঙ্কিংয়ে যথাক্রমে আট, নয় ও দশ নম্বরে রয়েছে বেলজিয়াম (১৭৩৫.৭৫), ইতালি (১৭১৮.৩১) এবং জার্মানি (১৭১৬.৯৮)। সবচেয়ে বড় লাফ দিয়েছে মিয়ানমার, যারা সাত ধাপ এগিয়ে এখন ১৬২ নম্বরে রয়েছে। অন্যদিকে, আফ্রিকার দেশ গিনি বিসাউ আট ধাপ পিছিয়ে এখন ১২৮ নম্বরে অবস্থান করছে।

এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে সেরা অবস্থানে রয়েছে জাপান। ১৬৫২.৬৪ পয়েন্ট নিয়ে দলটি ১৫তম স্থানে রয়েছে, যা এশিয়ার মধ্যে সর্বোচ্চ।

Header Ad
Header Ad

সর্বশেষ সংবাদ

অতিরিক্ত গতি নিয়ন্ত্রণে ঠাকুরগাঁওয়ে প্রশাসন, পুলিশ ও বিআরটিএ'র বিশেষ অভিযান
শুল্ক আরোপের জেরে বিশ্ববাজারে মার্কিন ডলারের দরপতন
ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ে বাংলাদেশের উন্নতি, শীর্ষেই আর্জেন্টিনা
পাহাড়ের প্রধান সমস্যা চাঁদাবাজি: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হলেন বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সমন্বয়ক তানিফা
বিমসটেক সম্মেলনে যোগ দিতে ব্যাংকক পৌঁছালেন প্রধান উপদেষ্টা
বঙ্গোপসাগরে দীর্ঘতম উপকূলরেখা ভারতের দাবি জয়শঙ্করের
ট্রাম্পের নতুন শুল্ক পরিকল্পনার ঘোষণার পরপরই স্বর্ণের দাম বৃদ্ধি
গাজীপুরে চলন্ত ট্রেনে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, ঢাকা-ময়মনসিংহ রেল যোগাযোগ বন্ধ
সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে ভারতীয় যুবকের মৃত্যু
গাজার অংশবিশেষ দখল করার ঘোষণা ইসরায়েলের
মিঠাপুকুরে শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে কিশোর গ্রেফতার
এসএসসি পরীক্ষা একমাস পেছানোর দাবিতে শিক্ষার্থীদের অসহযোগ আন্দোলনের ডাক
অ্যাটলেটিকোকে হারিয়ে ফাইনালে রিয়ালের মুখোমুখি বার্সেলোনা
বাংলাদেশি পণ্যের ওপর ৩৭ শতাংশ শুল্ক আরোপ করল যুক্তরাষ্ট্র
বিমসটেক সম্মেলনে যোগ দিতে থাইল্যান্ডের উদ্দেশে ঢাকা ছাড়লেন প্রধান উপদেষ্টা
ব্যাংককে হচ্ছে ইউনূস-মোদির বৈঠক
সাতক্ষীরায় মদপানে দুই যুবকের মৃত্যু, হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ৯
ইরানের ড্রোন-ক্ষেপণাস্ত্র নেটওয়ার্কের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা
বিশ্বব্যাপী অপপ্রচার ছড়াচ্ছে আওয়ামী লীগের দোসররা: রিজভী