রবিবার, ২৩ জুন ২০২৪ | ৯ আষাঢ় ১৪৩১
Dhaka Prokash

মালয়েশিয়ায় ২ লাখ টাকায় বিক্রি হওয়ার অভিজ্ঞতা জানালেন বাংলাদেশি শ্রমিক

ছবি: সংগৃহীত

ঢাকা থেকে আট মাস আগে মালয়েশিয়া গিয়েছিলেন মান্নান মিয়া (ছদ্ম নাম)। তার সঙ্গে একই ফ্লাইটে একই কোম্পানির অধীনে দেশটিতে যান আরও ৩৫ জন। যাওয়ার আগে রিক্রুটিং এজেন্সির সঙ্গে তাদের চুক্তি হয়েছিল। যেখানে বেতন এবং চাকরিদাতা কোম্পানির নাম উল্লেখ করা হয়।

কিন্তু মালয়েশিয়ায় যাওয়ার পর সেই চুক্তি আর কার্যকর হয়নি। বরং মান্নান মিয়ার দাবি, মাথাপিছু প্রায় দুই লাখ টাকা দরে তাদের প্রত্যেককে বিক্রি করে দেওয়া হয় ভিন্ন এক কোম্পানির কাছে। যেখানে কাজ দেওয়া হয় প্রতিশ্রুত বেতনের অর্ধেকেরও কমে। মালয়েশিয়াতে বাংলাদেশি শ্রমিকদের নিয়ে করা বিবিসির একটি প্রতিবেদনে শ্রমিকদের বিক্রির বিষয়টি এভাবেই উঠে এসেছে।

মান্নান মিয়া বিবিসি বাংলাকে বলেন, আমাদের বেতন ছিল বাংলাদেশি টাকায় ২৫ হাজার টাকা। অথচ বেতন হওয়ার কথা পঞ্চাশ হাজারের বেশি। তিন মাসের মাথায় আমরা কোম্পানির সুপারভাইজারকে বললাম যে, আমাদের ওভারটাইম দেন। তো বেতন-ভাতার কথা তুলতেই সুপারভাইজার রড নিয়ে এসে বেধড়ক মারধর করছে আমাদের সবাইকে। প্রচুর মেরেছে। পরে বলেছে যে, মারধরের কথা বাইরে কেউ জানলে মেরে ফেলবে, দেশে ফেরত পাঠিয়ে দেবে ইত্যাদি।

মান্নান মিয়াসহ ৭ জন পরে সেই কোম্পানি থেকে পালিয়ে ভিন্ন একটা কোম্পানিতে কাজ নেন। কিন্তু তাদের হাতে এখন কোনো কাজের বৈধ অনুমতিপত্র নেই। ফলে তারা দিন কাটাচ্ছেন পুলিশের হাতে গ্রেপ্তারের আতঙ্ক নিয়ে।

মালয়েশিয়াতে থাকা একজন বাংলাদেশি শ্রমিক কথা বলেছেন বিবিসির সঙ্গে। তিনি বলেন, আসলে এখানে কাজ নেই। কিন্তু সবাই শ্রমিক আনছে। যারা শ্রমিক নিয়ে আসার অনুমোদন পেয়েছে, বাংলাদেশ এবং মালয়েশিয়ার কোম্পানি, এদের কাছে এটা ব্যবসা। যে ৫০ জনের চাকরি দিতে পারবে সে আনছে সাতশত শ্রমিক। এটা কীভাবে সম্ভব? কীভাবে তারা অনুমোদন পাচ্ছে? কেন যাচাই হচ্ছে না তাদের সক্ষমতা? আসলে এখানে আমরা সবাই জিম্মি।

তিনি নিজেই চুক্তি অনুযায়ী নির্দিষ্ট কোম্পানিতে চাকরি পাননি। তাকে কাজ দেওয়া হয়েছে অন্য কোম্পানিতে। কিন্তু মালয়েশিয়ার আইনে এটি বৈধ না। ফলে তিনি এখন অবৈধ অবস্থাতেই একরকম ‘জিম্মি দশায়’ আছেন।

তিনি আরও বলেন, এখানে আসতে আমার খরচ হয়েছে প্রায় ৬ লাখ টাকা। এখন যেখানে আছি, সেখানে থাকলে টাকা জমানো তো দূরের কথা, পরিবারের খরচ দিয়ে বেঁচে থাকাই সম্ভব না। বাধ্য হয়েই এখান থেকে পালানো ছাড়া উপায় নেই। আর না পালালে শেষ উপায় হচ্ছে দেশে চলে যাওয়া। কিন্তু সেটাও সম্ভব না। কারণ দেশে গিয়ে ঋণের বোঝা কে টানবে?

Header Ad

আইনের ভিত্তিতে খালেদা জিয়াকে বিদেশে পাঠানোর অনুমতি নেই: আইনমন্ত্রী

সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তর দিচ্ছেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক। ছবি: সংগৃহীত

বিদ্যমান আইনে খালেদা জিয়াকে বিদেশে পাঠানোর সুযোগ নেই বলে জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক। চিকিৎসার জন্য বিদেশে নিতে নতুন করে কোনো আবেদন আসেনি বলেও জানান তিনি।

রবিবার (২৩ জুন) জুডিশিয়াল অ্যাডমিনিস্ট্রেশন ট্রেনিং ইনস্টিটিউটে সিনিয়র সহকারী জজের ১৫২তম রিফ্রেশার কোর্সের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে খালেদা জিয়ার সাজা স্থগিত রাখা হয়েছে। এখন পর্যন্ত তার ইচ্ছে মতো চিকিৎসা দেয়া হয়েছে। বিদেশে ডাক্তার এনেও চিকিৎসা দেয়া হয়েছে। এ আইনি ব্যবস্থায় তাকে বিদেশে যেতে দেয়ার সম্ভাবনা নেই।

বেনজীর ইস্যুতে প্রশ্নের উত্তরে মন্ত্রী বলেন, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা সময়ে সময়ে সম্পদের হিসাব দিয়ে থাকে। নতুন আইনের প্রয়োজন নেই। এখন আইনি প্রক্রিয়া চলছে।

তিনি আরও বলেন, কিছু কিছু সৎ মানুষের ব্যাপারেও এখন লেখালেখি হচ্ছে। আমি আপনাদের অনুরোধ করব, সত্য ও তথ্যভিত্তিক সংবাদ প্রচার করুন। দুর্নীতি নিয়ে স্পেসিফিক তথ্য থাকলে সংবাদ করেন। কিন্তু মিথ্যা বা ভুল তথ্য দিয়ে কিছু করবেন না।

প্রসঙ্গত, দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন জটিল রোগে ভুগছেন খালেদা জিয়া। এ অবস্থায় গত শুক্রবার রাতে ফের হঠাৎ করে তার শারীরিক অবস্থার অবনতি হয়। শারীরিক অসুস্থতার কারণে ভোরেই অ্যাম্বুলেন্সে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় তাকে। বর্তমানে তিনি হাসপাতালের ক্রিটিকাল কেয়ার ইউনিটে (সিসিইউ) ভর্তি রয়েছেন।

রক্তাক্ত ফিলিস্তিনিকে জিপের সামনে বেঁধে নিয়ে গেল ইসরায়েলি বাহিনী

রক্তাক্ত এক ফিলিস্তিনিকে জিপের সামনে বেঁধে নিয়ে যাচ্ছে ইসরায়েলি বাহিনী। ছবি: সংগৃহীত

ফিলিস্তিনে কিছুতেই যেন থামছে না ইসরায়েলি তাণ্ডব। বর্বরতা ক্রমশ বেড়েই চলেছে দেশটিতে। এবার ফিলিস্তিনের পশ্চিম তীরের জেনিন শহরে অভিযান চালানোর সময় এক ফিলিস্তিনিকে গ্রেপ্তার করে রক্তাক্ত অবস্থায় জিপের বনেটের (গাড়ির সামনের অংশ) সঙ্গে বেঁধে নিয়ে গেছে ইসরায়েলি সেনারা।

রবিবার (২৩ জুন) এক প্রতিবেদনে বিবিসি এ তথ্য জানিয়েছে।

বর্বর এই ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা বাহিনী এ বিষয়ে একটি বিবৃতি দিয়েছে। তারা বলছে, অভিযানের সময় গুলি বিনিময়ে ওই ব্যক্তি আহত হয়েছিলেন। তিনি সন্দেহভাজন ছিলেন।

ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা বাহিনী (আইডিএফ) ঘটনাটির সত্যতা নিশ্চিত করেছে। এক বিবৃতিতে, এ ঘটনায় সামরিক প্রটোকল লঙ্ঘন হয়েছে বলেও স্বীকার করেছে তারা।

প্রত্যক্ষদর্শী এক স্থানীয় ওই ব্যক্তিকে শনাক্ত করেছেন এবং তার নাম মুজাহেদ আজমি বলে বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে জানিয়েছেন।

আইডিএফ জানিয়েছে, শনিবার সকালে ওয়াদি বুরকিন এলাকায় গ্রেফতার অভিযানের সময় গুলি বিনিময়ে সন্দেহভাজন ওই ব্যক্তি আহত হন।

আহতের পরিবার জানিয়েছে, অভিযানের সময় আজমি আহত হলে অ্যাম্বুলেন্স ডাকতে চেয়েছিলেন। কিন্তু আইডিএফ তাকে জিপের বনেটের সঙ্গে বেঁধে নিয়ে যায়।

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ঘটনার ভিডিওতে ইসরায়েলি বাহিনীর আচরণ আইডিএফের মূল্যবোধের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ নয়। ঘটনাটি তদন্ত করে সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও জানানো হয়েছে।

গাজায় যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে পশ্চিম তীরে সহিংসতা বেড়েছে। জাতিসংঘ বলেছে, গত ৭ অক্টোবরের পর পূর্ব জেরুজালেম ও পশ্চিম তীরে সংঘাত-সম্পর্কিত ঘটনায় সশস্ত্র গোষ্ঠীর সদস্য ও বেসামরিক নাগরিকসহ অন্তত ৪৮০ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে।

বর্ণচোরা বিএনপি আমাদের চলার পথে প্রধান বাধা: ওবায়দুল কাদের

বক্তব্য রাখছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। ছবি: সংগৃহীত

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, বর্ণচোরা বিএনপি আমাদের চলার পথে প্রধান বাধা। এ অপশক্তিকে প্রতিহত করাই আওয়ামী লীগের আগামী দিনের চ্যালেঞ্জ।

রবিবার (২৩ জুন) দলের ৭৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে রাজধানীর ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে জাতির পিতার প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে তিনি এসব কথা বলেন।

ওবায়দুল কাদের বলেন, আমাদের দলের জন্মদিনে আমাদের অঙ্গীকার হচ্ছে— আমাদের রক্তমূল্যে অর্জিত বিজয়কে সুসংহত করব। আমাদের চলার পথে প্রধান বাধা বর্ণচোরা বিএনপি। মুক্তিযুদ্ধের নামে এ বর্ণচোরারা ভাঁওতাবাজি করে। সাম্প্রদায়িক ও জঙ্গিবাদী শত্রু আজ আমাদের অভিন্ন শত্রু।

তিনি আরও বলেন, আজ আমাদের অঙ্গীকার— আমাদের আজ শপথ এ অপশক্তিকে পরাজিত করতে হবে। বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে স্মার্ট বাংলাদেশ নির্মাণ করব। এটাই আজকের দিনের শপথ।

এর আগে সকাল ৭টায় আওয়ামী লীগের ৭৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষ্যে ধানমন্ডিতে জাতির জনকের প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন দলটির সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এরপর কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন শেখ হাসিনা। পরে দলের অন্যান্য নেতাও শ্রদ্ধা জানান।

সর্বশেষ সংবাদ

আইনের ভিত্তিতে খালেদা জিয়াকে বিদেশে পাঠানোর অনুমতি নেই: আইনমন্ত্রী
রক্তাক্ত ফিলিস্তিনিকে জিপের সামনে বেঁধে নিয়ে গেল ইসরায়েলি বাহিনী
বর্ণচোরা বিএনপি আমাদের চলার পথে প্রধান বাধা: ওবায়দুল কাদের
৩টা জিতেছি, ৩টা হেরেছি, খুব একটা খারাপ নয়: সাকিব
ছাগলকাণ্ডে এনবিআর কর্মকর্তা মতিউরকে ওএসডি করা হয়েছে
একাদশে ভর্তিতে প্রথম ধাপের ফল প্রকাশ আজ
আবাসিক হোটেলে অসামাজিক কার্যকলাপ, ২০ নারী-পুরুষ আটক
সিভিল এভিয়েশনের গলার কাঁটা হোটেল শেরাটন, বিমান চলাচলে ঝুঁকি!
রোনালদোর রেকর্ডের রাতে তুরস্ককে উড়িয়ে দিয়ে নকআউটে পর্তুগাল
অস্ট্রেলিয়াকে হারিয়ে সেমির স্বপ্ন বাঁচিয়ে রাখল আফগানিস্তান
আওয়ামী লীগের প্লাটিনাম জয়ন্তীতে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা
গাজায় ইসরায়েলি হামলা, নিহত আরও শতাধিক
আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ঘিরে বন্ধ থাকবে যেসব সড়ক
ভারতের কাছে হেরে সেমিফাইনালের স্বপ্নভঙ্গ বাংলাদেশের
আওয়ামী লীগের প্লাটিনাম জয়ন্তী আজ
কেটে ফেলা হলো গোপালগঞ্জের সেই কথা বলা আলোচিত গাছ
ইরানে জনপ্রিয় গায়কের মৃত্যুদণ্ড বাতিল
দিল্লি সফর শেষে দেশে ফিরেছেন প্রধানমন্ত্রী
নওগাঁয় বিষধর সাপের কামড়ে প্রাণ গেল কৃষকের
হাসপাতালগুলোতে পর্যাপ্ত অ্যান্টিভেনম মজুদ আছে : স্বাস্থ্যমন্ত্রী