বুধবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ | ১৩ ফাল্গুন ১৪৩১
Dhaka Prokash

সরকারের দুর্নীতিতেই গ্যাসের মূল্যবৃদ্ধি: ফখরুল

গ্যাসের দাম বৃদ্ধি 'সরকারের দুর্নীতি'র কারণেই বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। সোমবার (৬ জুন) গুলশানে চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে সাংবাদিকদের কাছে এই প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেন। মির্জা ফখরুল বলেন, 'গ্যাসের দাম বাড়ছে কেনো আসলে? গ্যাসের দাম বাড়লো সম্পূর্ণভাবে তাদের দুর্নীতির কারণে। এক হচ্ছে তাদের ম্যানেজমেন্টট, তাদের অযোগ্যতা- এটা তাদের ব্যর্থতা। দুই হচ্ছে গ্যাস তো এখন বিভিন্নভাবে আমদানি করা হচ্ছে। সেখানে তাদের লোকেরাই জড়িত আছে। যেহেতু বিভিন্ন প্রকার গ্যাস তারা আমদানি করছে, বিক্রি করছে। এটাকে মোটামুটি স্টেবল রেখে তাদের মার্কেট যেন ঠিক থাকে। আর সরকারিভাবে গ্যাসের দাম বাড়িয়ে দিয়ে জনগনের সাধারণের পকেট কেটে নিয়ে যাচ্ছে।'

গ্যাসের মূল্য বৃদ্ধির এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের সিদ্ধান্ত প্রত্যাহারের দাবি জানিয়ে বিএনপি মহাসচিব বলেন, 'আমরা কালকেও বলছি, 'কে কার কথা শোনে'। আজকে আবার বলছি, গ্যাসের দাম আগের জায়গায় ফিরে যেতে হবে। প্রত্যেকটি ইউটিলিটি সার্ভিস আছে পানি, গ্যাস, বিদ্যুতের মূল্য জনগনের সহনশীলতার মধ্যে রাখার জন্য আমরা আবেদন জানাচ্ছি।' তিনি বলেন, 'প্রতিদিন মানুষ দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধিতে মানুষ হিমশিম খাচ্ছে। একজন রিকশাওয়ালার একটা বনরুটি খেতে ১৫ টাকা লাগে। তার সাথে এক কাপ চা। তার মানে তার মিনিমাম ২৫ টাকা লাগে একটা খাদ্যদ্রব্যের জন্য। এটা তারা(সরকার) বুঝতে চান না।'

গ্যাসের দাম বৃদ্ধির ফলে সকল পণ্যের মূল্য বৃদ্ধি পাবে উল্লেখ করে মির্জা ফখরুল বলেন, 'গ্যাসের দাম বৃদ্ধির ফলে শিল্প-কলকারখানায় উৎপাদিত প্রত্যেকটা পণ্যের মূল্য আবার বাড়বে। এই মূল্য পারসেনটেইজ আকারে বাড়ছে। এমনিতে একটা মূল্যস্ফীতি নিয়ে হিমসিম খাচ্ছে মানুষ। আমরা শুধু নয়, সকল অর্থনীতিবিদরা বলছেন যে, এটা একটা মেজর ক্রাইসিস। এটা যদি না হেন্ডেল করা যায় তাহলে আমাদের সামনে সমূহবিপদ। প্রায় সব অর্থনীতিবিদরা বলছেন, এরমধ্যে সিপিডিও বলেছে। তারপরেও সেই অবস্থা চিন্তা করলো না তারা। তারা আবার গ্যাসের দাম বাড়িয়ে দিলো।'

মির্জা ফখরুল বলেন, 'তারা( সরকার) শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত কক্ষে বাস করে, ১৫ বছরের ক্ষমতায় থাকার যে একটা আনন্দ-সুখ, সেটাকে তারা সুখময় জীবন-যাপন করছেন। সাধারণ মানুষের যে কষ্ট তা তারা বুঝতে চান না। আমি তো বলি, তারা আসুক এই দুপুরে রোদ্রের মধ্যে সাধারণ মানুষের সাথে গাছের তলায় গিয়ে দোকানে চা খায়, বনরুটি নেয় তখন কী অবস্থা দাঁড়ায় দেখুক। কিন্তু তাদের মনে তা যাবে না। কারণ জনগন থেকে তারা সম্পূর্ণভাবে বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে এবং তারা জনগনের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে। আওয়ামী লীগের চরিত্রটা যখন তারা গণতন্ত্রের জন্য সংগ্রাম করেছে, লড়াই করেছে তখন কিন্তু চরিত্র ছিলো। এখন তারা একটা শোষকের দলে পরিণত হয়েছে। এখন তাদের শোষিতের পক্ষে কথা বলার সুযোগ নাই। কারণ তারা বাংলাদেশকে শোষন করছে।'
এএজেড

Header Ad
Header Ad

চেষ্টা সত্ত্বেও কিছু ব্যাংক রক্ষা করা সম্ভব নয়: গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর

গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর। ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর জানিয়েছেন, দেশের ব্যাংক খাতের সমস্যা সবারই জানা। সুশাসন ফিরিয়ে আনতে এবং ব্যাংকগুলোকে পুনর্বাসনের জন্য সরকার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। তবে জোর প্রচেষ্টা সত্ত্বেও কিছু ব্যাংককে বাঁচানো সম্ভব হবে না। কারণ, কিছু ব্যাংক থেকে একটি মাত্র পরিবার বিপুল পরিমাণ ঋণ গ্রহণ করেছে, যার ৮৭ শতাংশই ফেরত আসার সম্ভাবনা নেই।

গতকাল মঙ্গলবার রাজধানীর মহাখালীর ব্র্যাক সেন্টারে সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি) আয়োজিত ‘অর্থনৈতিক কৌশল পুনর্নির্ধারণ টাস্কফোর্স’ সম্মেলনের সমাপনী দিনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে গভর্নর এসব কথা বলেন। দুই দিনব্যাপী এ সম্মেলন আয়োজনে সহযোগিতা করে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের অর্থনৈতিক কৌশল পুনর্নির্ধারণ বিষয়ক টাস্কফোর্স।

গভর্নর বলেন, যেসব ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদে সুশাসনের অভাব ছিল, সেগুলোতে পরিবর্তন আনা হয়েছে। এর মধ্যে ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ ও ইউসিবি কিছুটা ঘুরে দাঁড়িয়েছে। ফলে, তাদের ওপর আরোপিত কিছু বিধিনিষেধ শিথিল করা হবে। আকার বিবেচনায় এ দুটি ব্যাংকের উত্তরণ মানে দেশের সংকটে থাকা ব্যাংকগুলোর ৬০ শতাংশ সমস্যার সমাধান।

তিনি আরও বলেন, সমস্যাগ্রস্ত ব্যাংকগুলোর সম্পদের গুণগত মান যাচাই করা হচ্ছে। আগামী এপ্রিলের মাঝামাঝি এ সংক্রান্ত রিপোর্ট পাওয়া যাবে, তারপরই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। আমানতকারীদের স্বার্থ সুরক্ষায় আমানত বীমা স্কিমের আওতায় প্রতিটি আমানতকারীর জন্য অর্থ ফেরতের পরিমাণ ১ লাখ থেকে বাড়িয়ে ২ লাখ টাকা করা হয়েছে। এছাড়া ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীদের রক্ষায় সংকটে থাকা ব্যাংকগুলোর জন্য সাড়ে ২২ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

নতুন আইনের মাধ্যমে ঋণখেলাপিদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার বিধান রাখা হচ্ছে বলে জানান গভর্নর। এর ফলে ঋণখেলাপি কোম্পানিগুলোর নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার ক্ষমতা পাবে ব্যাংকগুলো, যা ঋণগ্রহীতাদের সতর্ক করবে। এছাড়া অর্থঋণ আদালতের সংখ্যা বাড়ানো এবং রিট কমানোর বিষয়ে আলোচনা চলছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে নীতিগত সিদ্ধান্ত হয়েছে বলেও উল্লেখ করেন গভর্নর। তিনি বলেন, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের অপ্রয়োজনীয় কিছু বিভাগ বন্ধ করে দেওয়া হবে এবং আপাতত ডিজিটাল ব্যাংকের লাইসেন্স দেওয়া হবে না।

ব্যাংক খাতের সংকট নিয়ে অনুষ্ঠানে বিভিন্ন বিশ্লেষক ও ব্যবসায়ী নেতারাও মতামত দেন। ন্যাশনাল ব্যাংকের চেয়ারম্যান এবং এফবিসিসিআইয়ের সাবেক সভাপতি আবদুল আউয়াল মিন্টু বলেন, “গভর্নর যখনই বলেন যে কিছু ব্যাংক বন্ধ হয়ে যাবে বা দুর্বল অবস্থায় আছে, তখনই আমানতকারীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। এটি বন্ধ করতে হবে।”

ব্যাংক উদ্যোক্তাদের সংগঠন বিএবি’র চেয়ারম্যান আব্দুল হাই সরকার বলেন, “যেকোনো নীতি প্রণয়নের আগে সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের সঙ্গে আলোচনা করা উচিত, কিন্তু সেটি হচ্ছে না।”

অধ্যাপক আবু আহমেদ দাবি করেন, “আইএমএফের শর্ত মেনে সংকোচনমূলক মুদ্রানীতি গ্রহণ করা হয়েছে। ৪.৭০ বিলিয়ন ডলারের ঋণের জন্য এত কঠোর শর্ত মানার প্রয়োজন ছিল না, কারণ এটি মাত্র দুই মাসের রেমিট্যান্সের সমান।”

মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের এমডি সৈয়দ মাহবুবুর রহমান মনে করেন, ব্যাংক খাতের সংকট ২০১৭ সালে ইসলামী ব্যাংকের মালিকানা পরিবর্তনের পর থেকেই শুরু হয়েছে। তার মতে, সরকার ঘোষিত খেলাপি ঋণের হার ৩০ শতাংশ বলা হলেও বাস্তবে তা ৫০ শতাংশেরও বেশি।

সিপিডির নির্বাহী পরিচালক ড. ফাহমিদা খাতুন বলেন, “২০১২ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত খেলাপি ঋণ ছয় গুণ বেড়েছে। রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে আইন শিথিল করার সংস্কৃতি থেকে বের হতে না পারলে ব্যাংক খাতের সংকট আরও বাড়বে।”

বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (বিআইডিএস) গবেষণা পরিচালক ড. মনজুর হোসেন বলেন, “অবকাঠামোগত উন্নয়ন জরুরি, তবে এ খাতে অতিরিক্ত ব্যয় ও দুর্নীতির কারণে সামাজিক সুরক্ষায় প্রয়োজনীয় বিনিয়োগ হচ্ছে না।”

ব্যাংক খাতের সংকট কাটিয়ে তুলতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক এবং সরকার নানা উদ্যোগ নিলেও বিশ্লেষকরা বলছেন, কাঠামোগত সংস্কার এবং রাজনৈতিক প্রভাব কমানো ছাড়া দীর্ঘমেয়াদে এ সমস্যার সমাধান সম্ভব নয়। সুশাসন নিশ্চিত করা না গেলে ব্যাংক খাতে আরও বড় বিপর্যয় আসতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

Header Ad
Header Ad

বিরামপুরে সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি গ্রেফতার

বিরামপুরে সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি গ্রেফতার। ছবি: সংগৃহীত

দিনাজপুর জেলার বিরামপুর থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে ১৪ বছরের সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি শামসুল আলম ওরফে আলমকে গ্রেফতার করেছে।

গ্রেফতারকৃত সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি শামসুল আলম ওরফে আলম (৫২) বিরামপুর উপজেলা হরিকৃষ্ণপুর (বাধনসখা) গ্রামের মৃত ইসমাইল মোল্লার ছেলে।

থানা সূত্রে জানা যায়, মঙ্গলবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাত আনুমানিক একটার দিকে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে বিরামপুর উপজেলা হরিকৃষ্ণপুর (বাধনসখা) গ্রামে বিরামপুর থানার এএসআই লিটন মিয়ার নেতৃত্বে পুলিশের একটি ফোর্স সাজাপ্রাপ্ত আসামি শামসুল আলম ওরফে আলমের বাড়িতে অভিযান চালান। এসময় স্পেশাল ট্রাইব্যুনাল মামলা ৬৮/৯৪ এর ১৪ বছরের সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি শামসুল আলম ওরফে আলমকে গ্রেফতার করেন।

এ বিষয়ে বিরামপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মমতাজুল হক ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, গ্রেফতারকৃত সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আলমকে বুধবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) সকালে দিনাজপুর আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

Header Ad
Header Ad

কেউ আইন নিজের হাতে তুলে নিবেন না: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা

স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী। ছবি: সংগৃহীত

স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী জনগণকে আইন নিজের হাতে তুলে না নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেন, "আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে পুলিশকে আরও সক্রিয় হতে হবে। পাশাপাশি, দেশের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে অন্যান্য বাহিনীর সদস্য সংখ্যা দ্রুত বাড়ানো হবে।"

বুধবার সকালে সাভারের রাজালাখ এলাকায় হর্টিকালচার সেন্টারে কৃষকের শীতল ঘর কার্যক্রম এবং বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল (বিএআরসি) কর্তৃক নির্মিত খামারি মোবাইল অ্যাপের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা আরও জানান, সারাদেশে মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশসহ অন্যান্য নিরাপত্তা বাহিনী সমন্বিতভাবে কাজ করছে। বিশেষ করে রাতের বেলা অপরাধ নিয়ন্ত্রণে নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। রাজধানীতে ভোররাতে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড বেড়ে যাওয়ায় তিনি নিজেও রাতে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে বের হয়েছিলেন।

তিনি বলেন, "আশুলিয়া, সাভার ও ধামরাই এলাকায় পুলিশের পাশাপাশি সেনাবাহিনীও দায়িত্ব পালন করছে। এছাড়া কৃষিজমি রক্ষায় সরকার নানা পদক্ষেপ নিয়েছে, যা ভবিষ্যতে আরও শক্তিশালী করা হবে।"

অনুষ্ঠানে কৃষি মন্ত্রণালয়ের সচিব ডা. মোহাম্মদ এমদাদ উল্লাহ মিয়া, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সাভার সার্কেল) শাহীনুর কবিরসহ বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

Header Ad
Header Ad

সর্বশেষ সংবাদ

চেষ্টা সত্ত্বেও কিছু ব্যাংক রক্ষা করা সম্ভব নয়: গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর
বিরামপুরে সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি গ্রেফতার
কেউ আইন নিজের হাতে তুলে নিবেন না: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
রমজানে ঢাবির ক্যান্টিনে খাবারের মান বৃদ্ধিতে মনিটরিং সেল গঠনে ছাত্রদলের আবেদন
৬০ কোটি টাকায় মার্কিন নাগরিকত্ব বিক্রি করবেন ট্রাম্প
পরকীয়ার জেরে ভাঙতে যাচ্ছে ৩৭ বছরের সংসার, যা বললেন গোবিন্দ
ছাত্রদের নতুন দল থেকে সরে দাঁড়ালেন নাগরিক কমিটির জুনায়েদ ও রিফাত
‘শুধু রণাঙ্গণের যোদ্ধারাই হবেন মুক্তিযোদ্ধা, বাকিরা মুক্তিযুদ্ধের সহযোগী’
স্ট্যামফোর্ড ইউনিভার্সিটির আয়োজনে আন্তর্জাতিক ছাত্র সম্মেলন
৬ মাসে যেভাবে অর্থনীতি কামব্যাক করেছে সেটা মিরাকল: প্রেস সচিব
নতুন তথ্য উপদেষ্টা হচ্ছেন মাহফুজ আলম
টাঙ্গাইলে শিক্ষা সফরের ৪ বাসে ডাকাতি, বাঁধা দেওয়ায় শিক্ষকসহ দুইজনকে মারধর
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে খনিজ চুক্তিতে সম্মত ইউক্রেন  
ছোট অপরাধ বাড়লেও কমেছে বড় অপরাধ: আসিফ মাহমুদ  
নায়িকার মামলায় জাজের আজিজের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা  
মধুর ক্যান্টিনে বিকেলে যাত্রা শুরু করবে সমন্বয়কদের নতুন ছাত্রসংগঠন
১৩ মার্চ ঢাকায় আসছেন জাতিসংঘ মহাসচিব  
গোল উৎসবে নিষ্প্রাণ বার্সার রক্ষণ, সেমিফাইনালের প্রথম লেগ ড্র
ইসরায়েলি কারাগারে কমপক্ষে ৫৯ ফিলিস্তিনি বন্দির মৃত্যু  
পল্টনের জামান টাওয়ারের আগুন নিয়ন্ত্রণে