বুধবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ | ১৩ ফাল্গুন ১৪৩১
Dhaka Prokash

চেষ্টা সত্ত্বেও কিছু ব্যাংক রক্ষা করা সম্ভব নয়: গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর

গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর। ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর জানিয়েছেন, দেশের ব্যাংক খাতের সমস্যা সবারই জানা। সুশাসন ফিরিয়ে আনতে এবং ব্যাংকগুলোকে পুনর্বাসনের জন্য সরকার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। তবে জোর প্রচেষ্টা সত্ত্বেও কিছু ব্যাংককে বাঁচানো সম্ভব হবে না। কারণ, কিছু ব্যাংক থেকে একটি মাত্র পরিবার বিপুল পরিমাণ ঋণ গ্রহণ করেছে, যার ৮৭ শতাংশই ফেরত আসার সম্ভাবনা নেই।

গতকাল মঙ্গলবার রাজধানীর মহাখালীর ব্র্যাক সেন্টারে সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগ (সিপিডি) আয়োজিত ‘অর্থনৈতিক কৌশল পুনর্নির্ধারণ টাস্কফোর্স’ সম্মেলনের সমাপনী দিনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে গভর্নর এসব কথা বলেন। দুই দিনব্যাপী এ সম্মেলন আয়োজনে সহযোগিতা করে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের অর্থনৈতিক কৌশল পুনর্নির্ধারণ বিষয়ক টাস্কফোর্স।

গভর্নর বলেন, যেসব ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদে সুশাসনের অভাব ছিল, সেগুলোতে পরিবর্তন আনা হয়েছে। এর মধ্যে ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ ও ইউসিবি কিছুটা ঘুরে দাঁড়িয়েছে। ফলে, তাদের ওপর আরোপিত কিছু বিধিনিষেধ শিথিল করা হবে। আকার বিবেচনায় এ দুটি ব্যাংকের উত্তরণ মানে দেশের সংকটে থাকা ব্যাংকগুলোর ৬০ শতাংশ সমস্যার সমাধান।

তিনি আরও বলেন, সমস্যাগ্রস্ত ব্যাংকগুলোর সম্পদের গুণগত মান যাচাই করা হচ্ছে। আগামী এপ্রিলের মাঝামাঝি এ সংক্রান্ত রিপোর্ট পাওয়া যাবে, তারপরই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। আমানতকারীদের স্বার্থ সুরক্ষায় আমানত বীমা স্কিমের আওতায় প্রতিটি আমানতকারীর জন্য অর্থ ফেরতের পরিমাণ ১ লাখ থেকে বাড়িয়ে ২ লাখ টাকা করা হয়েছে। এছাড়া ক্ষুদ্র বিনিয়োগকারীদের রক্ষায় সংকটে থাকা ব্যাংকগুলোর জন্য সাড়ে ২২ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

নতুন আইনের মাধ্যমে ঋণখেলাপিদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার বিধান রাখা হচ্ছে বলে জানান গভর্নর। এর ফলে ঋণখেলাপি কোম্পানিগুলোর নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার ক্ষমতা পাবে ব্যাংকগুলো, যা ঋণগ্রহীতাদের সতর্ক করবে। এছাড়া অর্থঋণ আদালতের সংখ্যা বাড়ানো এবং রিট কমানোর বিষয়ে আলোচনা চলছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে নীতিগত সিদ্ধান্ত হয়েছে বলেও উল্লেখ করেন গভর্নর। তিনি বলেন, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের অপ্রয়োজনীয় কিছু বিভাগ বন্ধ করে দেওয়া হবে এবং আপাতত ডিজিটাল ব্যাংকের লাইসেন্স দেওয়া হবে না।

ব্যাংক খাতের সংকট নিয়ে অনুষ্ঠানে বিভিন্ন বিশ্লেষক ও ব্যবসায়ী নেতারাও মতামত দেন। ন্যাশনাল ব্যাংকের চেয়ারম্যান এবং এফবিসিসিআইয়ের সাবেক সভাপতি আবদুল আউয়াল মিন্টু বলেন, “গভর্নর যখনই বলেন যে কিছু ব্যাংক বন্ধ হয়ে যাবে বা দুর্বল অবস্থায় আছে, তখনই আমানতকারীদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। এটি বন্ধ করতে হবে।”

ব্যাংক উদ্যোক্তাদের সংগঠন বিএবি’র চেয়ারম্যান আব্দুল হাই সরকার বলেন, “যেকোনো নীতি প্রণয়নের আগে সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের সঙ্গে আলোচনা করা উচিত, কিন্তু সেটি হচ্ছে না।”

অধ্যাপক আবু আহমেদ দাবি করেন, “আইএমএফের শর্ত মেনে সংকোচনমূলক মুদ্রানীতি গ্রহণ করা হয়েছে। ৪.৭০ বিলিয়ন ডলারের ঋণের জন্য এত কঠোর শর্ত মানার প্রয়োজন ছিল না, কারণ এটি মাত্র দুই মাসের রেমিট্যান্সের সমান।”

মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের এমডি সৈয়দ মাহবুবুর রহমান মনে করেন, ব্যাংক খাতের সংকট ২০১৭ সালে ইসলামী ব্যাংকের মালিকানা পরিবর্তনের পর থেকেই শুরু হয়েছে। তার মতে, সরকার ঘোষিত খেলাপি ঋণের হার ৩০ শতাংশ বলা হলেও বাস্তবে তা ৫০ শতাংশেরও বেশি।

সিপিডির নির্বাহী পরিচালক ড. ফাহমিদা খাতুন বলেন, “২০১২ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত খেলাপি ঋণ ছয় গুণ বেড়েছে। রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে আইন শিথিল করার সংস্কৃতি থেকে বের হতে না পারলে ব্যাংক খাতের সংকট আরও বাড়বে।”

বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (বিআইডিএস) গবেষণা পরিচালক ড. মনজুর হোসেন বলেন, “অবকাঠামোগত উন্নয়ন জরুরি, তবে এ খাতে অতিরিক্ত ব্যয় ও দুর্নীতির কারণে সামাজিক সুরক্ষায় প্রয়োজনীয় বিনিয়োগ হচ্ছে না।”

ব্যাংক খাতের সংকট কাটিয়ে তুলতে কেন্দ্রীয় ব্যাংক এবং সরকার নানা উদ্যোগ নিলেও বিশ্লেষকরা বলছেন, কাঠামোগত সংস্কার এবং রাজনৈতিক প্রভাব কমানো ছাড়া দীর্ঘমেয়াদে এ সমস্যার সমাধান সম্ভব নয়। সুশাসন নিশ্চিত করা না গেলে ব্যাংক খাতে আরও বড় বিপর্যয় আসতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

Header Ad
Header Ad

শিবিরের গুপ্ত রাজনীতির কারণে অসংখ্য শিক্ষার্থী নির্যাতিত হয়েছে: ছাত্রদল সভাপতি

বক্তব্য রাখছেন ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব। ছবি: সংগৃহীত

ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব বলেছেন, ছাত্রশিবিরকে আমরা দেখেছি তারা ছাত্রলীগের পদ নিয়েছে এবং হলে আরাম আয়েশে জীবনযাপন করেছে। তাদের গুপ্ত রাজনীতির কারণে অসংখ্য সাধারণ শিক্ষার্থী নির্যাতনের শিকার হয়েছে। তাদের এই দায়-দায়িত্ব কে বহন করবে?

বুধবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) জহির রায়হান মিলনায়তনের সেমিনার কক্ষে ছাত্রদলের প্রাথমিক সদস্য ফরম বিতরণ ও নবায়ন কার্যক্রমের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

ছাত্রশিবিরকে উদ্দেশ্যে করে ছাত্রদল সভাপতি বলেন, ‘আপনারা লক্ষ্য করবেন তাদের ক্যাম্পাস কমিটিগুলো হয় দুই-তিন-পাঁচ সদস্য বিশিষ্ট। এখন আমরা তাদের প্রশ্ন করতে চাই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে কী আপনাদের মাত্র ১৫ জন নেতাকর্মী? তিতুমীর কলেজে আপনাদের দুইজন নেতাকর্মী? কিন্তু তারা এর কোনো উত্তর দিতে পারবে না।’

তিনি বলেন, ‘আমাদের অভিজ্ঞতা বলে, তাদের সে ধরনের নৈতিক সৎ সাহস নেই। ছাত্রদলের মতো নৈতিক সৎ সাহস নেই বলেই তারা এখনো গুপ্ত রয়েছে। তারা তাদের আদর্শ নিয়ে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলবে তাতে সমস্যা নাই তবে তাদেরকে স্পষ্ট করতে হবে তারা গণতন্ত্র চায় নাকি ইসলাম কায়েম করতে চায়। তাদের অস্পষ্টার কারণেই তারা এখনো গুপ্ত সংগঠন হিসেবে বিরাজমান।’

তিনি আরো বলেন, ‘জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল আবরার ফাহাদকে হৃদয়ে ধারণ করে। কিন্তু তাকে নিয়েও নানাভাবে বিতর্কিত করার চেষ্টা চালাচ্ছে একটি সংগঠন। তারা ছাত্রদলের মানবিক, ধৈর্য ও সহনশীল ছাত্র রাজনীতিতে বিশ্বাস করতে পারে না। এ কারণে তারা ষড়যন্ত্রকারী রূপে আবির্ভূত হয়েছে। ৫ আগস্টের পর ক্যাম্পাসগুলোতে শোডাউন ও আধিপত্যবাদের রাজনীতির কবর রচনা করেছে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল। ছাত্রদলের এসব ভালো কাজের জন্য তারা গুপ্ত থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।’

ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় কমিটির সিনিয়র সহসভাপতি আবু আফসান মোহাম্মদ ইয়াহইয়া বলেন, ‘ছাত্রদল প্রতিষ্ঠার পর থেকেই সবসময় সাধারণ শিক্ষার্থীদের পাশে থেকে কাজ করেছে। ক্যাম্পাসে গণতান্ত্রিক ধারা চলমান রাখা এবং শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় রাখতেও ছাত্রদল তার প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে কাজ করে যাচ্ছে। তাই আমি তরুণ শিক্ষার্থীদের আহ্বান করতে চাই, যারা শিক্ষার্থী বান্ধব এবং গণতান্ত্রিক ধারার ক্যাম্পাস নির্মাণ করতে চান তারা অবশ্যই ছাত্রদলের পতাকা তলে চলে আসবেন। আপনাদের প্রতিক্ষায় জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল। আপনাদের সাথে নিয়েই আমরা আগামীর সকল চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করবো।’

অনুষ্ঠানে জাবি ছাত্রদলের আহ্বায়ক জহির উদ্দিন মোহাম্মদ বাবরের সভাপতিত্বে ও সদস্য সচিব ওয়াসিম আহমেদ অনীকের সঞ্চালনায় আরও বক্তব্য দেন বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের অধ্যাপক শামীমা সুলতানা, ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সিনিয়র সহ-সভাপতি আবু আফসান মোহাম্মদ ইয়াহইয়া, জাবি ছাত্রদলের সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আফফান আলী প্রমুখ।

Header Ad
Header Ad

ছাত্রদের নতুন সংগঠনের মারামারিতে ২ সমন্বয়ক হাসপাতালে

ছবি: সংগৃহীত

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিনে বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক ছাত্র সংসদ কমিটি গঠনকে কেন্দ্র করে দুই গ্রুপের মধ্যে মারামারির ঘটনা ঘটেছে। এতে মিশু আলি (২৪) ও আকিব আল হাসান (২৩) নামে দুই সমন্বয়ক আহত হয়েছেন।

আরও পড়ুন: নতুন ছাত্র সংগঠন ‘বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক ছাত্রসংসদ’-এর আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে আছে যারা

বুধবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা পৌনে ছয়টার দিকে আহতদের উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেওয়া হয়।

ঢাবি শিক্ষার্থী নাহিদ ইসলাম জানান, নতুন ছাত্র সংগঠনের কমিটি ঘোষণাকে কেন্দ্র করে মধুর ক্যান্টিনে দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এতে বেশ কয়েকজন আহত হন, যাদের মধ্যে মিশু আলি ও আকিব আল হাসানকে ঢাকা মেডিকেলে নেওয়া হয়েছে।

তিনি আরও জানান, সাত কলেজ ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা মনে করেন, নতুন কমিটিতে তাদের প্রতিনিধিত্ব কম রাখা হয়েছে এবং তারা বৈষম্যের শিকার হয়েছেন। আহতদের মধ্যে মিশু আলি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিকতা বিভাগের শিক্ষার্থী এবং আকিব আল হাসান মাস্টার্স প্রিন্টিং অ্যান্ড স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষার্থী।

তবে কারা তাদের ওপর হামলা চালিয়েছে, সে বিষয়ে নিশ্চিত করে কিছু বলতে পারেননি তিনি।

এ বিষয়ে ঢামেক হাসপাতালের পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ পরিদর্শক মো. ফারুক জানান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সংঘর্ষে আহত দুই শিক্ষার্থীকে হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

এর আগে, বুধবার বিকেলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিনে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক ছাত্র সংসদ-এর কেন্দ্রীয় কমিটি ঘোষণা করা হয়। কেন্দ্রীয় কমিটির আহ্বায়ক আবু বাকের মজুমদার, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক তৌহিদ মোহাম্মদ সিয়াম, সদস্য সচিব জাহিদ আহসান, সিনিয়র সদস্য সচিব রিফাত রশীদ, মুখ্য সংগঠক তাহমিদ আল মুদ্দাসসির চৌধুরী এবং মুখপাত্র আশরেফা খাতুন।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কমিটির আহ্বায়ক আব্দুল কাদের, সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক লিমন মাহমুদ হাসান, সদস্য সচিব মহির আলম, সিনিয়র সদস্য সচিব আল আমিন সরকার, মুখ্য সংগঠক হাসিব আল ইসলাম এবং মুখপাত্র রাফিয়া রেহনুমা হৃদি।

নতুন কমিটিতে পদ না পেয়ে একাংশের শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ শুরু করেন এবং নানা স্লোগান দেন। একপর্যায়ে প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে।

শিক্ষার্থীদের চাপের মুখে পড়ে নতুন ছাত্র সংগঠনটি ৮ সদস্যের পরিবর্তে ১২ সদস্যের কমিটি প্রকাশ করে।

জানা যায়, সংগঠনের সমন্বয়ক আবু বাকের মজুমদার যখন দল ঘোষণা করছিলেন, তখন উত্তেজিত হয়ে ওঠেন প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। একপর্যায়ে বাগবিতণ্ডা হাতাহাতিতে রূপ নেয় এবং সংঘর্ষে আহত দুই সমন্বয়ককে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

এ বিষয়ে সংগঠনের সমন্বয়ক হাসিব আল ইসলাম বলেন, "কমিটি নিয়ে দ্বন্দ্বের সঙ্গে যারা জড়িত, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।"

Header Ad
Header Ad

নতুন ছাত্র সংগঠন ‘বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক ছাত্রসংসদ’-এর আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে আছে যারা

ছাত্রদের নতুন সংগঠন ‘বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক ছাত্রসংসদ’ এর কেন্দ্রীয় কমিটি ও ঢাবি কমিটির নেতারা। ছবি: সংগৃহীত

জুলাই অভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপটে সাবেক সমন্বয়কদের নিয়ে গঠিত হয়েছে নতুন ছাত্র সংগঠন ‘বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক ছাত্রসংসদ’। সংগঠনটির আহ্বায়ক হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন আবু বাকের মজুমদার, আর সদস্য সচিব হয়েছেন জাহিদ আহসান।

আরও পড়ুন: ছাত্রদের নতুন সংগঠনের মারামারিতে ২ সমন্বয়ক হাসপাতালে

বুধবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) বিকেল ৩টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) মধুর ক্যান্টিনে আনুষ্ঠানিকভাবে সংগঠনের নাম ঘোষণা করা হয়। একইসঙ্গে কেন্দ্রীয় ও ঢাবির কমিটি প্রকাশ করা হয়। সংগঠনটি শিক্ষা, ঐক্য, মুক্তি এই তিন মূলনীতিকে ধারণ করে গঠিত হয়েছে। ঘোষিত কেন্দ্রীয় কমিটিতে সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক হিসেবে রয়েছেন তৌহিদ মোহাম্মদ সিয়াম, সিনিয়র সদস্য সচিব রিফাত রশীদ, মুখ্য সংগঠক তাহমিদ আল মুদ্দাসসির চৌধুরী এবং মুখপাত্র হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন আশরেফা খাতুন।

 

ছাত্রদের নতুন সংগঠন ‘বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক ছাত্রসংসদ’ এর কেন্দ্রীয় কমিটির নেতারা। ছবি: সংগৃহীত

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কমিটিতে আহ্বায়ক হয়েছেন আব্দুল কাদের এবং সদস্য সচিব হয়েছেন মহির আলম। এছাড়া সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক লিমন মাহমুদ হাসান, সিনিয়র সদস্য সচিব আল আমিন সরকার, মুখ্য সংগঠক হাসিব আল ইসলাম এবং মুখপাত্র রাফিয়া রেহনুমা হৃদি।

 

‘বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক ছাত্রসংসদ’ ঢাবি কমিটির নেতৃবৃন্দ। ছবি: সংগৃহীত

এর আগে, চলতি মাসের ১৭ তারিখে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিনে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে নতুন ছাত্র সংগঠনের প্রতিষ্ঠার ঘোষণা দেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক সমন্বয়ক আবু বাকের মজুমদার। সংগঠনটির স্লোগান নির্ধারণ করা হয়েছে— "স্টুডেন্টস ফার্স্ট, বাংলাদেশ ফার্স্ট"।

Header Ad
Header Ad

সর্বশেষ সংবাদ

শিবিরের গুপ্ত রাজনীতির কারণে অসংখ্য শিক্ষার্থী নির্যাতিত হয়েছে: ছাত্রদল সভাপতি
ছাত্রদের নতুন সংগঠনের মারামারিতে ২ সমন্বয়ক হাসপাতালে
নতুন ছাত্র সংগঠন ‘বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক ছাত্রসংসদ’-এর আত্মপ্রকাশ, নেতৃত্বে আছে যারা
নিরপেক্ষভাবে কাজ করার চেষ্টা করছি: দুদক চেয়ারম্যান
নতুন তথ্য উপদেষ্টা মাহফুজ আলম
মির্জা ফখরুলের সঙ্গে ফ্রান্সের রাষ্ট্রদূতের বৈঠক
ডেভিল হান্টে বড় অপরাধীদের ধরার আহ্বান জয়নুল আবদিনের
প্রথম প্রেমিককে প্রাক্তন মনে করি না, সে আমার শত্রু: প্রভা
ঢাকা এলিভেটেড এক্সপ্রেসওয়ে ব্যবহারের নতুন নির্দেশনা
ডাকসু নির্বাচন করতে চাই, এতে কোনো সন্দেহ নেই: ঢাবি ভিসি
নতুন ছাত্রসংগঠনের আত্মপ্রকাশ ঘিরে পদবঞ্চিতদের বিক্ষোভ, উত্তাল ঢাবি
টাঙ্গাইলে ক্ষুদে শিশুদের পুতুল নাচে মুগ্ধ দর্শক
নতুন ছাত্র সংগঠনের আত্মপ্রকাশ, নাম ‘গণতান্ত্রিক ছাত্র সংসদ’
চেষ্টা সত্ত্বেও কিছু ব্যাংক রক্ষা করা সম্ভব নয়: গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর
বিরামপুরে সাজাপ্রাপ্ত পলাতক আসামি গ্রেফতার
কেউ আইন নিজের হাতে তুলে নিবেন না: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
রমজানে ঢাবির ক্যান্টিনে খাবারের মান বৃদ্ধিতে মনিটরিং সেল গঠনে ছাত্রদলের আবেদন
৬০ কোটি টাকায় মার্কিন নাগরিকত্ব বিক্রি করবেন ট্রাম্প
পরকীয়ার জেরে ভাঙতে যাচ্ছে ৩৭ বছরের সংসার, যা বললেন গোবিন্দ
ছাত্রদের নতুন দল থেকে সরে দাঁড়ালেন নাগরিক কমিটির জুনায়েদ ও রিফাত