শুক্রবার, ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ | ১৫ ফাল্গুন ১৪৩১
Dhaka Prokash

এ বছরই পদ্মাসেতু খুলছে: সংসদে প্রধানমন্ত্রী

দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও দারিদ্র্য বিমোচনে অবকাঠামো খাতের গুরুত্ব অপরিসীম তাই বর্তমান সরকার দেশের ভৌত অবকাঠামো উন্নয়নে বিশেষ অগ্রাধিকার দিয়েছে। বর্তমান সরকারের আমলেই গত এক দশকে অবকাঠামো খাতে দৃশ্যমান হয়েছে আমূল পরিবর্তন। দেশ এখন উন্নয়নের মহাসড়কে ধাবমান বলে জানিয়েছেন সংসদ নেতা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘দেশবিরোধী বিশেষ গোষ্ঠীর চক্রান্তে প্রকল্পের কাজ শুরুতেই বাধাগ্রস্ত হয়। তবে বর্তমান সরকারের সাহসী পদক্ষেপের অংশ হিসেবে সকল বাধা-বিপত্তি পেরিয়ে বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশের জন্য পদ্মা সেতু হতে যাচ্ছে এর ইতিহাসের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জিং প্রকল্পসমূহের একটি।’

বুধবার (৬ এপ্রিল) স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে সংসদ অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রীর জন্য নির্ধারিত প্রশ্নোত্তর পর্বে সরকার দলীয় সংসদ সদস্য শহীদুজ্জামান সরকারের এক প্রশ্নের জবাবে সংসদ নেতা এ কথা বলেন। অধিবেশনের শুরুতেই স্পিকার প্রশ্নোত্তর টেবিলে উত্থাপিত বলে ঘোষণা দেন।

পদ্মা বহুমুখী সেতু নির্মাণ প্রকল্প সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘পদ্মা নদীর উপর ৬.১৫ কিলোমিটার দৈর্ঘ্য এবং ১৮.১০ মিটার প্রস্থ বিশিষ্ট নির্মাণাধীন বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় স্বপ্নের পদ্মা সেতু। পদ্মা নদীর উপর নির্মাণাধীন এ বহুমুখী সড়ক ও রেল সেতুটির মাধ্যমে বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিম অংশের সাথে উত্তর পূর্ব অংশের সংযোগ ঘটবে। ১৫০ মিটার দৈর্ঘ্যের ৪১ টি স্প্যানের দুই স্তরবিশিষ্ট স্টিল ও কংক্রিট নির্মিত সেতুটির ওপরে স্তরে থাকবে চার লেনের সড়ক পথ এবং নিচের স্তরটিতে থাকবে একটি একক রেলপথ। প্রকল্পটির প্রথম মেয়াদকাল ছিল জানুয়ারি ২০১৯ থেকে ডিসেম্বর ২০১৫। কিন্তু দেশবিরোধী বিশেষ গোষ্ঠীর চক্রান্তে প্রকল্পের কাজ শুরুতেই বাধাগ্রস্ত হয়। বিশ্ব ব্যাংক মিথ্যা অপবাদ দিয়ে অর্থ সহায়তা বন্ধ করে দেয়। দুর্নীতির অভিযোগ নিয়ে মামলা হয়। কানাডার আদালতে প্রমাণ হয় যে অভিযোগটি ছিল মিথ্যা এবং কোনো দুর্নীতি হয়নি। পরবর্তীতে বাংলাদেশ সরকার নিজস্ব অর্থায়নে ২০১৪ সালে পদ্মা সেতু নির্মাণের কাজ শুরু হয়। প্রকল্পটির সংশোধিত ব্যয় ৩০ হাজার ১৯৩ দশমিক ৩৯ কোটি টাকা।’

তিনি আরও বলেন, ‘বর্তমান সরকারের সাহসী পদক্ষেপের অংশ হিসেবে সকল বাধা-বিপত্তি পেরিয়ে বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল দেশের জন্য পদ্মা সেতু হতে যাচ্ছে এর ইতিহাসের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জিং প্রকল্পসমূহের একটি। ইতিমধ্যে জাজিরা ও মাওয়া প্রান্তে আপ্রোচ রোডের কাজ ও সার্ভিস এরিয়া শতভাগ সম্পন্ন হয়েছে। মূল সেতুর ভৌত অগ্রগতি ৯৬ দশমিক ৫০ শতাংশ । ২০২০ এর ডিসেম্বরে ৪১ তম স্প্যান স্থাপনের মাধ্যমে পদ্মার দুই পাড় সরাসরি যুক্ত হয়েছে। বর্তমানের সেতুতে কার্পেটিং ভায়াডাক্ট কার্পেটিং ওয়াটারপ্রুফ মেমব্রেন, মূল সেতুর মুভমেন্ট জয়েন্ট, ভায়াডাক্ট মুভমেন্ট জয়েন্ট,, ল্যাম্পপোস্টম অ্যালুমিনিয়াম রোলিং, গ্যাস পাইপলাইন, ৪০০ কেভিএ বিদ্যুৎ ও রেল লাইনের কাজ চলমান। পদ্মা সেতুর শরীয়তপুরের জাজিরা নাওডোবা প্রান্তে থেকে জেলা শহর পর্যন্ত ২৭ কিলোমিটার সড়ক নির্মাণ কাজ শুরু হয়েছে। ২০২২ এর শেষ নাগাদ পদ্মা সেতু চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়ার লক্ষ্যে কাজ দ্রুত গতিতে চলছে।’

এসএম/এসএ/

Header Ad
Header Ad

অবৈধ বাংলাদেশিদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থার নির্দেশ অমিত শাহর

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। ছবি: সংগৃহীত

ভারতে বাংলাদেশি ও রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশকারীদের অবৈধভাবে প্রবেশ, নথিপত্র সংগ্রহ ও বসবাসে সহায়তাকারী নেটওয়ার্কের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ।

ভারতীয় বার্তা সংস্থা এএনআইয়ের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বৃহস্পতিবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে এই বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন অমিত শাহ।

দিল্লির আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠকের পর তিনি এই নির্দেশনা দেন। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন নবনির্বাচিত মুখ্যমন্ত্রী রেখা গুপ্ত, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আশীষ সুদ ও দিল্লি পুলিশের কমিশনার সঞ্জয় অরোরা।

বৈঠকে অমিত শাহ বলেন, অবৈধ অনুপ্রবেশ ভারতের জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি এবং এটি কঠোরভাবে মোকাবিলা করা হবে। তিনি অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের শনাক্ত ও প্রত্যাবাসনের নির্দেশও দিয়েছেন।

দিল্লির শালিমার বাঘ থেকে নির্বাচিত বিজেপি বিধায়ক রেখা গুপ্ত মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার কয়েক দিনের মধ্যেই এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। গত ২০ ফেব্রুয়ারি তিনি দিল্লির চতুর্থ নারী মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন।

ভারতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশি ও রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশকারীদের নথিপত্র তৈরি ও বসবাসে সহায়তাকারী পুরো নেটওয়ার্কের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বৈঠকে অমিত শাহ আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির প্রত্যাশা অনুযায়ী, দিল্লির "ডাবল ইঞ্জিন সরকার" উন্নত ও নিরাপদ রাজধানী গড়তে দ্বিগুণ গতিতে কাজ করবে।

Header Ad
Header Ad

ক্ষমতায় কে যাবে, তা ভারত নয়, নির্ধারণ করবে বাংলাদেশ: হাসনাত

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আহ্বায়ক হাসনাত আব্দুল্লাহ। ছবি: সংগৃহীত

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আহ্বায়ক হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেছেন, বাংলাদেশের গণভবনে কে যাবে, তা ভারত থেকে নির্ধারিত হবে না, বরং সেটি ঠিক করবে বাংলাদেশের জনগণ। সংসদে কারা যাবেন, মসনদে কে বসবে—এই সিদ্ধান্ত দেশের খেটে খাওয়া মানুষ নেবে।

শুক্রবার বিকেলে রাজধানীর মানিক মিয়া এভিনিউতে জাতীয় নাগরিক পার্টির আত্মপ্রকাশ অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেন, "বাংলাদেশে দীর্ঘদিন ধরে বিভাজনের রাজনীতি জিইয়ে রাখা হয়েছে। কিন্তু আমরা বিভাজনের রাজনীতি নয়, একতার রাজনীতি করব। বাংলাদেশ রাষ্ট্রকে নতুনভাবে গঠন করব।"

তিনি আরও বলেন, "গত ৫৩ বছরে আমরা জাতি হিসেবে গড়ে উঠতে পারিনি। আমাদের প্রতিষ্ঠানগুলো ভেঙে পড়েছে। স্বাধীন পুলিশ, বিচার বিভাগ গড়তে পারিনি। আমরা একটি কার্যকর রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করতে পারিনি। কিন্তু তরুণরা এই বাংলাদেশকে নতুনভাবে গঠন করবে এবং প্রতিষ্ঠানগুলোকে কার্যকরভাবে পরিচালনা করবে।"

বিদেশনীতি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, "বিদেশের সঙ্গে আমাদের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক থাকবে, কিন্তু কোনো দেশের প্রেসক্রিপশনের ওপর নির্ভরশীল থাকব না। আমাদের তরুণরা যখন রক্ত দিতে শিখেছে, তখন তাদের কেউ দমিয়ে রাখতে পারবে না।"

হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেন, "প্রবীণদের অভিজ্ঞতা ও তরুণদের উদ্দীপনা মিলিয়ে আমরা ভবিষ্যৎ বাংলাদেশ গড়ে তুলব। পরিবারতন্ত্রের যুগ শেষ হয়েছে। যোগ্যতার ভিত্তিতেই নেতৃত্ব আসবে। আমরা এমন বাংলাদেশ চাই, যেখানে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও ভিন্নমতের প্রতি শ্রদ্ধা থাকবে।"

Header Ad
Header Ad

নতুন দলের সঙ্গে আলোচনার দরজা খোলা থাকবে: জামায়াতের সেক্রেটারি

জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার। ছবি: সংগৃহীত

গণঅভ্যুত্থানে নেতৃত্ব দেওয়া তরুণদের নতুন রাজনৈতিক দলকে স্বাগত জানিয়েছে জামায়াতে ইসলামী। দলটির সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেছেন, নতুন দলের সঙ্গে যেকোনো বিষয়ে আলোচনা ও সংলাপের পথ খোলা থাকবে।

শুক্রবার বিকেলে সংসদ ভবনের সামনে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে নতুন দলের আত্মপ্রকাশ অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। তাদের মধ্যে ছিলেন নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না, গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি, হেফাজতে ইসলামের নায়েবে আমির আহমেদ আলী কাসেমী, বিকল্পধারার নেতা মেজর (অব.) আব্দুল মান্নান, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মহাসচিব মাওলানা জালালুদ্দীন আহমেদ, লেবার পার্টির একাংশের চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান ইরান, ইসলামী ঐক্য জোটের সহসভাপতি জসিম উদ্দিন, বিএলডিপির চেয়ারম্যান শাহাদাত হোসেন সেলিম, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মহাসচিব আহমেদ আবদুল কাদের প্রমুখ।

সম্প্রতি জামায়াতে ইসলামী বিভিন্ন দলের সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে। নতুন দলের সঙ্গে জোট গঠনের সম্ভাবনা রয়েছে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, "আলাপ-আলোচনার পথ সবসময়ই খোলা থাকে। নতুন দলের ক্ষেত্রেও সেই সম্ভাবনা থাকবে।"

Header Ad
Header Ad

সর্বশেষ সংবাদ

অবৈধ বাংলাদেশিদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থার নির্দেশ অমিত শাহর
ক্ষমতায় কে যাবে, তা ভারত নয়, নির্ধারণ করবে বাংলাদেশ: হাসনাত
নতুন দলের সঙ্গে আলোচনার দরজা খোলা থাকবে: জামায়াতের সেক্রেটারি
ভারত-পাকিস্তানপন্থীর কোনো ঠাঁই বাংলাদেশে হবে না: নাহিদ ইসলাম
জাতীয় নির্বাচনের গুরুত্ব অন্তর্বর্তী সরকার বুঝতে পারছে না : দুদু
খালেদা জিয়ার মতো সাজলেন কিশোরী, ছবি তুলতে উৎসুক জনতার ভিড়!
ম্যানসিটিতে যোগ দিলেন নতুন মেসি
একটি দল বেহেশতের টিকিট বিক্রি করছে বলে সতর্ক করেছেন তারেক রহমান
অমর একুশে বইমেলার পর্দা নামছে আজ
নতুন রাজনৈতিক দলের আত্মপ্রকাশ অনুষ্ঠানে বিএনপির দুই নেতা
সরকারি ও আধা-সরকারি চাকরিতে অগ্রাধিকার পাবেন জুলাই শহীদ পরিবারের সদস্যরা
টাঙ্গাইলে প্রথমবার ‘বই বিনিময়’ সংগ্রহ করা যাচ্ছে প্রিয় লেখকের পছন্দের বই
বর্তমান সংবিধান ফেলে দিয়ে নতুন সংবিধান গ্রহণযোগ্য নয়: ড. কামাল হোসেন
জাতীয় নাগরিক পার্টির শীর্ষ ১০টি পদ চূড়ান্ত, থাকছেন যারা
দলে দলে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে আসছেন ছাত্র-জনতা
সেপ্টেম্বরে এশিয়া কাপ, ভারত-পাকিস্তানের গ্রুপে থাকবে না বাংলাদেশ
বাংলাদেশ থেকে ইলিশ নিতে চায় চীন
ভারতে পাচারকালে চুয়াডাঙ্গা সীমান্তে আড়াই কোটি টাকার স্বর্ণ জব্দ
ভাঙ্গা থানার ওসি শফিকুল ইসলামসহ ৪ পুলিশ সদস্য গ্রেফতার
নতুন দলের আত্মপ্রকাশ অনুষ্ঠানে আওয়ামী লীগ ও জাপা বাদে সব দল আমন্ত্রিত