শুক্রবার, ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৫ | ১৫ ফাল্গুন ১৪৩১
Dhaka Prokash

সংসদে আইন পাস

চট্টগ্রাম বন্দর এলাকায় দূষণ করলে ২ বছরের জেল

চট্টগ্রাম বন্দর এলাকা দূষণ করলে সর্বোচ্চ দুই বছরের জেল এবং দুই লাখ টাকা জরিমানার বিধান রেখে ‘চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষ বিল-২০২২’ পাস করেছে সংসদ।

মঙ্গলবার (৫ এপ্রিল) নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী বিলটি পাসের জন্য সংসদে তোলেন। স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী বিলের উপর আনিত জনমত যাচাই ও সংশোধনী প্রস্তাব নিষ্পত্তি করেন। এর আগে ২০২১ সালের ১৫ নভেম্বর বিলটি সংসদে তোলেন প্রতিমন্ত্রী। পরে সেটি পরীক্ষা করে সংসদে প্রতিবেদন দেওয়ার জন্য নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটিতে পাঠান হয়। এরপর কমিটি বিলটি চূড়ান্ত করে পাসের জন্য সংসদে পাঠায়।

১৯৭৬ সালের চট্টগ্রাম বন্দর কতৃপক্ষ অধ্যাদেশ বাতিল করে নতুন আইন করতে বিলটি আনা হয়েছে। বিদ্যমান আইনে বন্দর এলাকা দূষণের জন্য সর্বোচ্চ এক লাখ টাকা জরিমানা করার বিধান আছে। প্রস্তাবিত আইনে সেই শাস্তি পরিবেশ সংরক্ষণ আইনের বিধান অনুযায়ী নির্ধারণ করার কথা বলা হয়েছে।

পাস হওয়া আইনে বলা হয়েছে, এই আইনের অধীনে কোনো বিধান লঙ্ঘন করলে (যার শাস্তি উল্লেখ নেই এমন ক্ষেত্রে) সর্বোচ্চ ছয় মাসের দণ্ড এবং দুই লাখ টাকা জরিমানা বা উভয় দণ্ড দেওয়া যাবে।

আইনে বলা হয়েছে, বন্দর এলাকায় কোনো জাহাজ বা যান্ত্রিক উপকরণের কারণে যদি বর্জ্য তৈরি হয়, তাহলে তার মালিককে বা মাস্টারকে বা প্রতিনিধিকে তা অপসারণ করতে হবে।

অপসারণে সময় সীমা অতিক্রম করলে মাশুল দিতে হবে। তখন বন্দর কর্তৃপক্ষ সেই বর্জ্য অপসারণ করবে। এর জন্য যে খরচ হবে তার দ্বিগুণ দিতে হবে দায়ীকে।

কোনো ভাড়া, জরিমানা, ফি, টোল, মাশুল বা ক্ষতিপূরণ অনাদায়ী থাকলে বন্দর কর্তৃপক্ষ তার নিয়ন্ত্রণে থাকা পণ্য নিলাম করে অর্ধ আদায় করতে পারবে।

কোনো জাহাজের মাস্টার, বা জাহাজে কর্মরত কারও অবহেলার কারণে যদি ডক, পিয়ার বা কোনো স্থাপনা বা কর্তৃপক্ষের কোনো ক্ষতি হয়, তাতে ক্ষতিপূরণ আদায় করার সুযোগ রাখা হয়েছে আইনে।

এ আইন হলে বন্দরের ভাড়া ও টোল আদায়ের বিষয়ে তফসিল তৈরি করে সরকারের কাছে অনুমোদন নিতে হবে। তবে ৫ হাজার টাকার কম হলে অনুমোদন নিতে হবে না। বন্দরের উন্নয়ন সম্প্রসারণে একটি তহবিল রাখার কথাও হয়েছে প্রস্তাবিত আইনে।

আইনে বন্দর পরিচালনার জন্য একজন চেয়ারম্যানের নেতৃত্বে সাত সদস্যের একটি পরিচালনা প্রশাসক বোর্ড রাখার কথা বলা হয়েছে, যেখানে বিদ্যমান আইনে এ বোর্ডে সদস্য আছেন চারজন। প্রতি দুই মাসে অন্তত একটি বোর্ড সভা করার বিধান খসড়া আইনে রাখা হয়েছে।

এসএম/এমএমএ/

Header Ad
Header Ad

অবৈধ বাংলাদেশিদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থার নির্দেশ অমিত শাহর

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। ছবি: সংগৃহীত

ভারতে বাংলাদেশি ও রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশকারীদের অবৈধভাবে প্রবেশ, নথিপত্র সংগ্রহ ও বসবাসে সহায়তাকারী নেটওয়ার্কের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন দেশটির স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ।

ভারতীয় বার্তা সংস্থা এএনআইয়ের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বৃহস্পতিবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে এই বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন অমিত শাহ।

দিল্লির আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠকের পর তিনি এই নির্দেশনা দেন। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন নবনির্বাচিত মুখ্যমন্ত্রী রেখা গুপ্ত, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আশীষ সুদ ও দিল্লি পুলিশের কমিশনার সঞ্জয় অরোরা।

বৈঠকে অমিত শাহ বলেন, অবৈধ অনুপ্রবেশ ভারতের জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি এবং এটি কঠোরভাবে মোকাবিলা করা হবে। তিনি অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের শনাক্ত ও প্রত্যাবাসনের নির্দেশও দিয়েছেন।

দিল্লির শালিমার বাঘ থেকে নির্বাচিত বিজেপি বিধায়ক রেখা গুপ্ত মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার কয়েক দিনের মধ্যেই এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। গত ২০ ফেব্রুয়ারি তিনি দিল্লির চতুর্থ নারী মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন।

ভারতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশি ও রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশকারীদের নথিপত্র তৈরি ও বসবাসে সহায়তাকারী পুরো নেটওয়ার্কের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

বৈঠকে অমিত শাহ আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির প্রত্যাশা অনুযায়ী, দিল্লির "ডাবল ইঞ্জিন সরকার" উন্নত ও নিরাপদ রাজধানী গড়তে দ্বিগুণ গতিতে কাজ করবে।

Header Ad
Header Ad

ক্ষমতায় কে যাবে, তা ভারত নয়, নির্ধারণ করবে বাংলাদেশ: হাসনাত

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আহ্বায়ক হাসনাত আব্দুল্লাহ। ছবি: সংগৃহীত

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের আহ্বায়ক হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেছেন, বাংলাদেশের গণভবনে কে যাবে, তা ভারত থেকে নির্ধারিত হবে না, বরং সেটি ঠিক করবে বাংলাদেশের জনগণ। সংসদে কারা যাবেন, মসনদে কে বসবে—এই সিদ্ধান্ত দেশের খেটে খাওয়া মানুষ নেবে।

শুক্রবার বিকেলে রাজধানীর মানিক মিয়া এভিনিউতে জাতীয় নাগরিক পার্টির আত্মপ্রকাশ অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেন, "বাংলাদেশে দীর্ঘদিন ধরে বিভাজনের রাজনীতি জিইয়ে রাখা হয়েছে। কিন্তু আমরা বিভাজনের রাজনীতি নয়, একতার রাজনীতি করব। বাংলাদেশ রাষ্ট্রকে নতুনভাবে গঠন করব।"

তিনি আরও বলেন, "গত ৫৩ বছরে আমরা জাতি হিসেবে গড়ে উঠতে পারিনি। আমাদের প্রতিষ্ঠানগুলো ভেঙে পড়েছে। স্বাধীন পুলিশ, বিচার বিভাগ গড়তে পারিনি। আমরা একটি কার্যকর রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করতে পারিনি। কিন্তু তরুণরা এই বাংলাদেশকে নতুনভাবে গঠন করবে এবং প্রতিষ্ঠানগুলোকে কার্যকরভাবে পরিচালনা করবে।"

বিদেশনীতি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, "বিদেশের সঙ্গে আমাদের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক থাকবে, কিন্তু কোনো দেশের প্রেসক্রিপশনের ওপর নির্ভরশীল থাকব না। আমাদের তরুণরা যখন রক্ত দিতে শিখেছে, তখন তাদের কেউ দমিয়ে রাখতে পারবে না।"

হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেন, "প্রবীণদের অভিজ্ঞতা ও তরুণদের উদ্দীপনা মিলিয়ে আমরা ভবিষ্যৎ বাংলাদেশ গড়ে তুলব। পরিবারতন্ত্রের যুগ শেষ হয়েছে। যোগ্যতার ভিত্তিতেই নেতৃত্ব আসবে। আমরা এমন বাংলাদেশ চাই, যেখানে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা ও ভিন্নমতের প্রতি শ্রদ্ধা থাকবে।"

Header Ad
Header Ad

নতুন দলের সঙ্গে আলোচনার দরজা খোলা থাকবে: জামায়াতের সেক্রেটারি

জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার। ছবি: সংগৃহীত

গণঅভ্যুত্থানে নেতৃত্ব দেওয়া তরুণদের নতুন রাজনৈতিক দলকে স্বাগত জানিয়েছে জামায়াতে ইসলামী। দলটির সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেছেন, নতুন দলের সঙ্গে যেকোনো বিষয়ে আলোচনা ও সংলাপের পথ খোলা থাকবে।

শুক্রবার বিকেলে সংসদ ভবনের সামনে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে নতুন দলের আত্মপ্রকাশ অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন। তাদের মধ্যে ছিলেন নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না, গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি, হেফাজতে ইসলামের নায়েবে আমির আহমেদ আলী কাসেমী, বিকল্পধারার নেতা মেজর (অব.) আব্দুল মান্নান, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মহাসচিব মাওলানা জালালুদ্দীন আহমেদ, লেবার পার্টির একাংশের চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান ইরান, ইসলামী ঐক্য জোটের সহসভাপতি জসিম উদ্দিন, বিএলডিপির চেয়ারম্যান শাহাদাত হোসেন সেলিম, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের মহাসচিব আহমেদ আবদুল কাদের প্রমুখ।

সম্প্রতি জামায়াতে ইসলামী বিভিন্ন দলের সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছে। নতুন দলের সঙ্গে জোট গঠনের সম্ভাবনা রয়েছে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, "আলাপ-আলোচনার পথ সবসময়ই খোলা থাকে। নতুন দলের ক্ষেত্রেও সেই সম্ভাবনা থাকবে।"

Header Ad
Header Ad

সর্বশেষ সংবাদ

অবৈধ বাংলাদেশিদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থার নির্দেশ অমিত শাহর
ক্ষমতায় কে যাবে, তা ভারত নয়, নির্ধারণ করবে বাংলাদেশ: হাসনাত
নতুন দলের সঙ্গে আলোচনার দরজা খোলা থাকবে: জামায়াতের সেক্রেটারি
ভারত-পাকিস্তানপন্থীর কোনো ঠাঁই বাংলাদেশে হবে না: নাহিদ ইসলাম
জাতীয় নির্বাচনের গুরুত্ব অন্তর্বর্তী সরকার বুঝতে পারছে না : দুদু
খালেদা জিয়ার মতো সাজলেন কিশোরী, ছবি তুলতে উৎসুক জনতার ভিড়!
ম্যানসিটিতে যোগ দিলেন নতুন মেসি
একটি দল বেহেশতের টিকিট বিক্রি করছে বলে সতর্ক করেছেন তারেক রহমান
অমর একুশে বইমেলার পর্দা নামছে আজ
নতুন রাজনৈতিক দলের আত্মপ্রকাশ অনুষ্ঠানে বিএনপির দুই নেতা
সরকারি ও আধা-সরকারি চাকরিতে অগ্রাধিকার পাবেন জুলাই শহীদ পরিবারের সদস্যরা
টাঙ্গাইলে প্রথমবার ‘বই বিনিময়’ সংগ্রহ করা যাচ্ছে প্রিয় লেখকের পছন্দের বই
বর্তমান সংবিধান ফেলে দিয়ে নতুন সংবিধান গ্রহণযোগ্য নয়: ড. কামাল হোসেন
জাতীয় নাগরিক পার্টির শীর্ষ ১০টি পদ চূড়ান্ত, থাকছেন যারা
দলে দলে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউতে আসছেন ছাত্র-জনতা
সেপ্টেম্বরে এশিয়া কাপ, ভারত-পাকিস্তানের গ্রুপে থাকবে না বাংলাদেশ
বাংলাদেশ থেকে ইলিশ নিতে চায় চীন
ভারতে পাচারকালে চুয়াডাঙ্গা সীমান্তে আড়াই কোটি টাকার স্বর্ণ জব্দ
ভাঙ্গা থানার ওসি শফিকুল ইসলামসহ ৪ পুলিশ সদস্য গ্রেফতার
নতুন দলের আত্মপ্রকাশ অনুষ্ঠানে আওয়ামী লীগ ও জাপা বাদে সব দল আমন্ত্রিত