শুক্রবার, ৪ এপ্রিল ২০২৫ | ২১ চৈত্র ১৪৩১
Dhaka Prokash

ধারাবাহিক উপন্যাস: পর্ব ৪

শরণার্থীর সুবর্ণরেখা

গরুর গাড়ির ওপর থেকে ভেসে আসে আসমানীর কান্না। গুনগুন শব্দ চারদিকে ছড়ায়। আকাশী ওর কপালে হাত রেখে বলে, থাম মা। এখন কাঁদিস না। তোর শরীর খারাপ হয়ে যাবে। আমাদের আরও কত পথ হাঁটতে হবে কে জানে, ভারতের সীমান্তে গেলে আমাদের গরুর গাড়ি কি ঢুকতে দেবে?

–আমারও মনে হয় দেবে না। তুমি এখন শান্ত থাক মা। কান্নাকাটি করলে শরীর খারাপ হয়ে যাবে সোনামণি।

–চাচী, আপনি আমাকে অনেক মায়া করেছেন। এই গাড়িতে চড়ে যেতে না পারলে আমার আব্বা-আম্মা আমাকে নিয়ে গাছতলায় বসে থাকত।

–থাক মা, এসব কথা। আমরা বেনাপোল সীমান্তের কাছে এসেছি। আমরা একবার এই পথে কলকাতা ঘুরতে গিয়েছিলাম। রাস্তাটা আমার চেনা। দুপাশের গাছগুলোর দিকে তাকালে মন ভরে যায়। তাকিয়ে দেখ কত বড় গাছ। মনে হয় একশ বছর বয়স হয়েছে এই গাছগুলোর। এই গাছের ছায়ায় আমাদের দিন ভালো কাটবে।

আসমানী গাড়ির উপর উঠে বসে। যশোর রোডের গাছের দিকে তাকিয়ে বুক ভরে যায়। সন্তানের মৃত্যু গাছের ছায়ায় মায়া ছড়ায়। দুঃখ চেপে রেখে মনে জোর ফিরিয়ে আনে। নিজেকে বলে, বেঁচে থাকার কঠিন সময় এখন। এই সময়কে পার করতে হবে। হেরে গেলে চলবে না।
গাড়ি এসে থামে সীমান্তে। মারুফ এগিয়ে এসে শাশুড়িকে ধরে বলে, আমি আপনাকে নামাই আম্মা। আপনি আমার ঘাড়ে হাত রাখেন।

আকাশী ওকে ধরে গরুর গাড়ি থেকে নামে। মারুফ আবার সাফিয়াকে বলে, আপনি আমাকে ধরেন চাচী।

সাফিয়া নেমে বলে, আমরা দুজনে এবার আসমানীকে নামাই।

–আমরা দুজনে ওকে কোলে করে নামাব। তুমি যাও।

মারুফ সরে যায়। আকাশী আর সাফিয়া দুজনে ওকে কোলে নিয়ে নামায়। ওর ব্যবহৃত যেসব কাপড় লাগবে সেই পোটলাটা আকাশী নিজের কাছে রাখে। প্রয়োজনে সেগুলো দিয়ে ওর সেবা করতে হবে। মেয়েটাকে নিয়ে এতবড় একটা বিপদ হতে পারে এটা আকাশীর মাথায় ছিলনা। ওর কষ্টে নিজের বুক তোলপাড় করে। তারপরও দুজনে আসমানীকে নামিয়ে দাঁড় করায়। মেয়ের হাত ধরে পার হয় সীমান্ত। এর আগে মারুফের সঙ্গে সীমান্ত পার হয়ে বড় গাছের ছায়ায় দাঁড়িয়ে আছে বাবুল, নজরুল আর আমিনা। তিনজন লাফালাফি করে বলে, কি সুন্দর, কি সুন্দর!

মারুফ ধমক দিয়ে বলে, এই থাম তোরা। চুপ করে দাঁড়িয়ে থাক।

তিনজন চুপচাপ দাঁড়িয়ে যায়। বাবুল বলে, আমার খিদে পেয়েছে।

–আমারও খিদে পেয়েছে।

–আমরাও। আমিনা চেঁচিয়ে বলে, গরুর গাড়ি থেকে নেমে হাঁটতে হয়েছে সেজন্য বেশি খিদে পেয়েছে।

–ওই যে সবাই আসছে। খাওয়ার ব্যবস্থা হবে।

রবিউল, মোবারক সবাইকে নিয়ে বর্ডার পার হয়। ছেলেমেয়েরা ছুটে আসে, মাগো খিদে পেয়েছে। মাগো ভাত দাও।

আকাশী বলে, আমার হাঁড়িতে ভাত আছে। সবাইকে ভাত দেব।

মারুফ বলে, বাবা-চাচা এই রাস্তার নাম যশোর রোড। এই রাস্তা অনেকদিন ধরে যশোর রোড নামে পরিচিত।

–কিন্তু আমরাতো এখন ভারতে ঢুকেছি?

–ভারতের অংশের নামও যশোর রোড। সামনে তাকিয়ে দেখেন কত শরণার্থী ক্যাম্প হয়েছে। আমরা নিশ্চয় একটা ক্যাম্প পাব। চলেন এগোই।

–গরুর গাড়ি চলে গেছে। দেখ কত লোক হেঁটে হেঁটে আসছে।

–বাব্বা দেখে মনে হচ্ছে হাজার হাজার মানুষ আসছে। এত মানুষকে কোথায় জায়গা দেয়া হবে।

–ইন্দিরা গান্ধী বুঝবেন কি করতে হবে। চল আমরা আগাই। একটা জায়গা খুঁজে নেই। নইলে আবার ফিরে যেতে হবে কিনা কে জানে?

–না, বাবা এভাবে ভাববেন না। আমরা যখন ঢুকেছি আমাদেরকে টিকে থাকতে হবে। বুকের ভেতর কষ্ট একটাই যে ছেলেটা মরে গেল।

দুহাতে চোখ মোছে মারুফ। কাছেই দাঁড়িয়ে আছে আসমানী। কিন্তু মুখে কোনো কথা নেই। ও এখন দরকার ছাড়া একদম কথা বলেনা।

সবাই এগিয়ে গিয়ে একটি বড় গাছের ছায়ায় বসে। শরণার্থীদের সাহায্য করার জন্য যারা আশেপাশে ছিল তারা এগিয়ে আসে। নির্মল বলে, এই গাছের নিচে আপনাদের দুটো তাঁবু করে দিচ্ছি।

–আমরা কি কিছু ভাত পাব?

–পাবেন। ডাল-ভাত-আলু ভর্তা এনে দিচ্ছি। এখানে এর বেশিকিছু খাওয়া হবে না।

–হ্যাঁ, হ্যাঁ, ঠিক বলেছেন। আামদের বেঁচে থাকাটাই দরকার।

–আমাদের প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিল থেকে মালামাল আসে। আমাদের সব সীমান্তে শরণার্থী ভরে গেছে।

–কি করব? পাক সেনারা গুলি ছাড়া আর কিছু বোঝে না। বাড়িঘর পুড়িয়ে দেয়া ছাড়া ওদের আর আনন্দ নেই। ওরা মানুষ চেনেনা। চেনে শুধু নিজেদের ছবি।

নির্মল সঙ্গে সঙ্গে বলে, আচ্ছা, ঠিক আছে চলুন। আপনাদের ব্যবস্থা করে দিচ্ছি।

–আমরা দুটো পরিবার একসঙ্গে এসেছি।

–ঠিক আছে, দুটো ক্যাম্প বানিয়ে দেব।

ওরা তিনজন সামনে হেঁটে যায়। বাকিরা সবাই পেছনে হাঁটে। ওরা সামনে গিয়ে এক জায়গায় থামলে ছেলেমেয়েরা ভাত খাবার জন্য কাঁদতে শুরু করে।

আকাশী বলে, এই তোরা গাছের নিচে বস। আমি তোদের ভাত খাওয়াব। পোটলায় বেঁধে আনা ভাতের হাঁড়ি বের করে ছেলেমেয়েদেরকে থালা দিয়ে বলে, সবাই হাত ধুয়ে নে। আমি ভাত-তরকারি দিচ্ছি।

তারপর আসমানীর দিকে তাকিয়ে বলে, মাগো তুই খেতে আয়। তোর খাওয়া দরকার।

–হ্যাঁ, আমার ভীষণ খিদে পেয়েছে মা।

–আয় বস।

–বসতে কষ্ট হয়। মনে হয় শুয়ে থাকি।

–আমাদেরকে তাঁবু দিলে তোকে শোওয়ার ব্যবস্থা করে দেব। ভাত খেয়ে নে।

আসমানী ঘাসের ওপর বসে এদিক-ওদিকে মোড়ামুড়ি করে। একসময় ভাতের থালা টেনে নেয়।

একটুপরে নির্মল আর যাদব এসে বলে আপনাদের জন্য একটা তাবু ঠিক করেছি। কাছে দাঁড়িয়ে থাকা মারুফ বলে, আমি যাব আপনাদের সঙ্গে। বাবা ও চাচাকে নিয়ে যাব।

–হ্যাঁ, আসুন।

একটু দূরে দাঁড়িয়ে থাকা রবিউল ও মোবারককে নিয়ে মারুফ তাঁবুর কাছে যায়। একই ধরণের তাঁবুর পরিসর। কাছাকাছি করার কোনো সুযোগ নেই।

–বাবা, চাচা আপনারা এখানে থাকেন। আমি সবাইকে নিয়ে আসছি।

যাদব বলে, আপনাদেরকে শরণার্থী কার্ড দেয়া হবে। কাল সকালে নিয়ে আসব আমরা। এখন যাই।

–আচ্ছা বাবারা যাও। কাল দেখা হবে। তোমাদেরকে আশীর্বাদ করি।

নির্মল, যাদব, অসীম হাসতে হাসতে চলে যায়। ছোটদের খাওয়া হলে অবশিষ্ট ভাত সবাই একমুঠো করে খেয়ে ফেলে। তারপর জড়ো হয়ে যে যার তাঁবুর নিচে শুয়ে পড়ে। বেঁচে থাকার স্বস্তিতে আপ্লুত হয় সবাই। শুনতে পায় হেঁটে যাওয়া শরণার্থীর পায়ের শব্দ।

(চলবে)

এসএ/

শরণার্থীর সুবর্ণরেখা: পর্ব ১

শরণার্থীর সুবর্ণরেখা: পর্ব ২

শরণার্থীর সুবর্ণরেখা: পর্ব ৩

Header Ad
Header Ad

রাজধানীতে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার ধাক্কায় প্রাণ গেলো নারীর

প্রতীকী ছবি

রাজধানীর মুগদা মানিকনগর এলাকায় রাস্তা পারাপারের সময় অটোরিকশার ধাক্কায় সুমি আক্তার (২৫) নামে এক গৃহবধূর মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৩ এপ্রিল) দিবাগত রাত সাড়ে ৯টার দিকে মুগদা মানিকনগর ওয়াসা রোডে এই দুর্ঘটনা ঘটে।

গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক রাত সোয়া ১টার দিকে মৃত ঘোষণা করেন।

ওই নারীকে হাসপাতালে নিয়ে আসা প্রতিবেশী মেজবা বলেন, সুমি বিভিন্ন বাসায় টিউশনি করাতেন। গতরাত সাড়ে ৯টার দিকে মানিকনগর ওয়াসা রোড এলাকায় রাস্তা পারাপারের সময় দ্রুতগামী একটি ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা ধাক্কা দেয় তাকে।এতে গুরুতর আহত হলে প্রথমে তাকে উদ্ধার করে মুগদা হাসপাতালে নেওয়া হয়। অবস্থার অবনতি হলে পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেলে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

তিনি আরও বলেন, তার বাসা মানিকনগর ওয়াসা রোড এলাকায়। বাসা নম্বর ৯৮/সি/১। বাবার নাম সাজু মিয়া। স্বামী মাহফুজুর রহমানের সঙ্গে থাকতেন তিনি।

ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ ফারুক মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, মরদেহ মর্গে রাখা হয়েছে। বিষয়টি সংশ্লিষ্ট থানায় জানানো হয়েছে।

Header Ad
Header Ad

ঈদের ছুটিতে কক্সবাজারে পর্যটকের ঢল, হোটেলে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগ

ঈদের ছুটিতে কক্সবাজারে পর্যটকের ঢল। ছবি: সংগৃহীত

ঈদুল ফিতরের ছুটিতে কক্সবাজারে পর্যটকদের ব্যাপক আগমন ঘটেছে। বিশ্বের দীর্ঘতম সমুদ্রসৈকত কক্সবাজারে সকাল থেকে পর্যটকদের ভিড় লক্ষ্য করা গেছে, আর বিশেষ করে সমুদ্রসৈকত এবং জনপ্রিয় বিনোদনকেন্দ্রগুলো ছিল পূর্ণ। ৯ দিনের ঈদের ছুটিতে বেড়াতে আসা পর্যটকদের সংখ্যা বিপুল পরিমাণে বাড়ায়, কক্সবাজারে পর্যটকদের ভিড় ১০ তারিখ পর্যন্ত থাকার সম্ভাবনা রয়েছে, বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

এদিকে পর্যটকদের এই ব্যাপক আগমনকে কাজে লাগিয়ে কিছু মৌসুমী ব্যবসায়ী, মধ্যস্বত্বভোগী এবং অনুমোদনহীন প্রতিষ্ঠানগুলো পর্যটকদের কাছ থেকে অতিরিক্ত অর্থ আদায় করছে। হোটেল, গেস্ট হাউস, রেস্তরাঁ এবং যানবাহনের খরচ বেড়ে যাওয়ার অভিযোগের শিকার হচ্ছেন পর্যটকরা।

ঢাকা থেকে কক্সবাজারে আসা শাহাদাত হোসেন জানান, তিনি কলাতলীর সী মুন হোটেলে নন এসি রুমের জন্য প্রতি রাতের ৬ হাজার টাকা ভাড়া চাওয়ার অভিযোগ করেন। একইভাবে, সুগন্ধা পয়েন্টের লাইট হাউস কটেজে এক রাতের জন্য ৭ হাজার টাকা দাবি করা হয়েছে, যা রুমের মানের তুলনায় অস্বাভাবিক মনে হয়েছে সাবিনা আক্তারের কাছে।

এছাড়া রাজশাহী থেকে আসা সোলেমান জানান, বাস থেকে নামার পর এক অটোচালক তাকে এক হোটেলে নিয়ে যায়, যেখানে এসি রুমের ভাড়া ৮ হাজার টাকা চাওয়া হয়। তবে, তিনি সাড়ে ৬ হাজার টাকায় রুমটি নিতে রাজি হন।

এ বিষয়ে মেরিন ড্রাইভ হোটেল-রেস্তোরাঁ মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মুকিম খান বলেন, ঈদের ছুটিতে কক্সবাজারে বিপুল সংখ্যক পর্যটক আসায় এই সুযোগে কিছু মৌসুমী ব্যবসায়ী এবং অনুমোদনহীন প্রতিষ্ঠান অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করছে। তিনি জানান, বিষয়টি জেলা প্রশাসককে অবহিত করা হয়েছে এবং এ নিয়ে ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য অনুরোধ জানানো হয়েছে।

টুরিস্ট পুলিশের অতিরিক্ত ডিআইজি আপেল মাহমুদ বলেন, পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশ নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। পর্যটক হয়রানির অভিযোগ পাওয়া গেলে দ্রুত অভিযান চালানো হচ্ছে এবং হেল্প ডেস্কে অভিযোগ জানালে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

Header Ad
Header Ad

ব্যাংককে ড. মুহাম্মদ ইউনূস-নরেন্দ্র মোদির বৈঠক আজ

ড. মুহাম্মদ ইউনূস ও নরেন্দ্র মোদি। ছবি: সংগৃহীত

ব্যাংককে বিমসটেক সম্মেলনের সাইডলাইনে বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির মধ্যে শুক্রবার (৪ এপ্রিল) দ্বিপাক্ষিক বৈঠক হবে।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রথমবারের মতো অধ্যাপক ইউনূসের সঙ্গে নরেন্দ্র মোদির বৈঠক হতে চলেছে।

প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম বলেন, বাংলাদেশ ও ভারত দুই দেশের সরকার প্রধানের মধ্যে শুক্রবার বৈঠক হবে।

তিনি জানান, ব্যাংককে বৃহস্পতিবার (৩ এপ্রিল)  বিমসটেক সম্মেলনের নৈশভোজে দুই নেতার সাক্ষাৎ হয় এবং তারা কুশলাদি বিনিময় করেন। নৈশভোজে উভয় নেতাকে বেশকিছু সময় ধরে ঘনিষ্ঠভাবে কথা বলতে দেখা গেছে।

বঙ্গোপসাগরীয় দেশগুলোর আঞ্চলিক সহযোগিতা জোটের (বিমসটেক) শীর্ষ সম্মেলন উপলক্ষ্যে অধ্যাপক ইউনূস ও নরেন্দ্র মোদি বর্তমানে ব্যাংককে অবস্থান করছেন।

ব্যাংককে ২ এপ্রিল বিমসটেক সম্মেলন শুরু হয়েছে, যা শেষ হবে ৪ এপ্রিল।

Header Ad
Header Ad

সর্বশেষ সংবাদ

রাজধানীতে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার ধাক্কায় প্রাণ গেলো নারীর
ঈদের ছুটিতে কক্সবাজারে পর্যটকের ঢল, হোটেলে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগ
ব্যাংককে ড. মুহাম্মদ ইউনূস-নরেন্দ্র মোদির বৈঠক আজ
রাশিয়ার হয়ে ইউক্রেন যুদ্ধে অংশ নেওয়া ময়মনসিংহের ইয়াসিন নিহত
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে শুল্ক ইস্যুর ইতিবাচক সমাধান হবে: প্রধান উপদেষ্টা
অতিরিক্ত গতি নিয়ন্ত্রণে ঠাকুরগাঁওয়ে প্রশাসন, পুলিশ ও বিআরটিএ'র বিশেষ অভিযান
শুল্ক আরোপের জেরে বিশ্ববাজারে মার্কিন ডলারের দরপতন
ফিফা র‍্যাঙ্কিংয়ে বাংলাদেশের উন্নতি, শীর্ষেই আর্জেন্টিনা
পাহাড়ের প্রধান সমস্যা চাঁদাবাজি: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হলেন বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সমন্বয়ক তানিফা
বিমসটেক সম্মেলনে যোগ দিতে ব্যাংকক পৌঁছালেন প্রধান উপদেষ্টা
বঙ্গোপসাগরে দীর্ঘতম উপকূলরেখা ভারতের দাবি জয়শঙ্করের
ট্রাম্পের নতুন শুল্ক পরিকল্পনার ঘোষণার পরপরই স্বর্ণের দাম বৃদ্ধি
গাজীপুরে চলন্ত ট্রেনে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, ঢাকা-ময়মনসিংহ রেল যোগাযোগ বন্ধ
সীমান্তে বিএসএফের গুলিতে ভারতীয় যুবকের মৃত্যু
গাজার অংশবিশেষ দখল করার ঘোষণা ইসরায়েলের
মিঠাপুকুরে শিশুকে ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে কিশোর গ্রেফতার
এসএসসি পরীক্ষা একমাস পেছানোর দাবিতে শিক্ষার্থীদের অসহযোগ আন্দোলনের ডাক
অ্যাটলেটিকোকে হারিয়ে ফাইনালে রিয়ালের মুখোমুখি বার্সেলোনা
বাংলাদেশি পণ্যের ওপর ৩৭ শতাংশ শুল্ক আরোপ করল যুক্তরাষ্ট্র