শনিবার, ৫ এপ্রিল ২০২৫ | ২১ চৈত্র ১৪৩১
Dhaka Prokash

ধারাবাহিক উপন্যাস: পর্ব ২

শরণার্থীর সুবর্ণরেখা

সবাই মিলে পোটলাগুলো মাথায় তুলে হাঁটতে শুরু করে। চারদিকে অনেক লোকজন। রাস্তায় মানুষের লাইন। সবাই তটস্থ হয়ে দ্রুতপায়ে হাঁটছে সীমান্তের দিকে। আসমানীর জন্য দ্রুত হাঁটা হচ্ছেনা ওদের। আকাশীর মনে আতঙ্ক দানা বেঁধে ওঠে। আসমানীর মুখের দিকে তাকালে ভয় পায়। কিছুক্ষণ পরে আসমানী বলে, মাগো আমার পানি ভেঙে গেছে। ব্যাথাও উঠেছে। আমি আর এক পাও হাঁটতে পারবনা। আমি এই বটগাছের নিচে শুয়ে পড়ি।


 কি বলিস মা?
 এটাই কথা, আর অন্য কোনো কথা নাই।
আসমানী বটগাছের নিচে গিয়ে গড়িয়ে পড়ে।
রবিউল জিজ্ঞেস করে, কি হয়েছে ওর?

 বাচ্চাটার জন্ম হবে। মারুফ তুমি ওই পোটলা থেকে দুটো শাড়ি বের করে চারদিক ঘেরাও করে দাও।
মারুফ চারদিকে তাকিয়ে বলে, রাস্তায় লোকজন কমে গেছে। সবাই অনেক এগিয়ে গেছে। আমাদের জন্য ভালো হয়েছে। আমরা কিছুক্ষণ নিরিবিলি থাকতে পারব।

কথা বলতে বলতে মারুফ চারদিকের ছোট ছোট গাছ ধরে শাড়ি পেঁচিয়ে দেয়।

মাটিতে শুয়ে আসমানী কঁ-কঁ শব্দ করছে। আকাশী ওকে একটি শাড়ি বিছিয়ে দিয়ে শুইয়েছে। ওর শব্দ শুনে আকাশী বুঝে যায় যে প্রবল ব্যথা উঠেছে। বাচ্চাটা বোধহয় অল্পক্ষণে বেরিয়ে আসবে। নাড়ি কাটার জন্য বেøডটা হাতে নিয়ে অপেক্ষা করে আকাশী। একসময় ভূমিষ্ঠ হয় শিশু। কান্নার শব্দে জানান দেয় নিজের আগমনের খবর। রবিউল আর মারুফ শাড়ির আড়ালে দাঁড়িয়ে জিজ্ঞেস করে, কি বাচ্চা হলো? ছেলে না মেয়ে?

 ছেলে। বেশ বড়সড় হয়ে জন্মেছে।
 আলহামদুলিল্লাহ। রবিউল দুহাত উপরে তোলে। বলে, আল্লাহমাবুদ আমাদের নাতিটি সুস্থ থাকুক। ওকে কোলে নিয়ে আমরা সীমান্ত পার হব মাবুদ। ওর মাও যেন সুস্থ থাকে মাবুদ। যে ছেলে মুক্তিযুদ্ধকালে রাস্তায় জন্ম নেয় সে আমাদের স্বাধীনতার সৈনিক।
মারুফ বলে, মা আসমানী কি পানি খাবে?
 হ্যাঁ, বাবা দাও।

মারুফ পানি ভর্তি বোতলটা পর্দার নিচ দিয়ে ঢুকিয়ে দেয়। আসমানী মাথাটা সোজা করে খানিকটুকু পানি খায়। ওর মনে হয় উঠে বসারও শক্তি নেই। বাচ্চাটাকে মা ধোয়া-মোছা করছে। কিন্তু ও কেমন জানি নেতিয়ে পড়ছে। চোখ খোলেনা। হাত-পা তেমন করে নাড়াচাড়াও করে না। আকাশী বিষণœ হয়ে যায়। কাউকে কিছু বলতে পারেনা। এই রাস্তায়ওতো চারদিকে মাঠের পরে মাঠ। কোথাও কোন ঘরবাড়ি নেই যে বাচ্চাটাকে সেখানে নিয়ে কোনো ঘরের মাঝে রাখতে পারবে।
হঠাৎ করে ও তীব্রস্বরে কান্না শুরু করে। আকাশী ওকে দুহাতে জড়িয়ে নানাভাবে দোলায়, কিন্তু ওর কান্না থামেনা। ওর কান্নায় আসমানীও কান্না শুরু করে। কাঁদতে কাঁদতে বলে, মাগো ও কি দুধ খাবে?

 খেতে পারে। কান্না থামুক তখন তোর কাছে দেব।
 এখনই দাও মা। ওকে আমি বুকে রাখব।
 নারে, তুই একটু শান্ত থাক মা। ওর কান্না থামুক।
আকাশী অনেক চেষ্টা করে শিশুর কান্না থামাতে পারছে না। ওর নিজেরও মন খারপ হয়ে যায়। আকাশীও কাঁদতে শুরু করে। জন্মের পরে কোনো শিশুকে এভাবে কাঁদতে দেখেনি ও। একটু পরে কান্না থেমে গেলে শিশুটি মাথা কাত করে গড়িয়ে পড়ে ওর কোলের ওপর। চোখ বন্ধ, নাকে নিঃশ^াস নেই। ও বুঝতে পারে মরে গেছে ছেলেটি। চিৎকার করে কাঁদতে শুরু করে আকাশী। রবিউল আর মারুফ জিজ্ঞেস করে, কি হয়েছে?
 মরে গেছে আমাদের নাতি।
 মরে গেছে? মারুফও চিৎকার করে কাঁদতে শুরু করে। রবিউলও। কান্নার ধ্বনি চারদিকে ছড়ায়। আসমানী জ্ঞান হারিয়েছে। রবিউল শাড়ির পর্দা খুলে ফেলে। শাড়ি ভাঁজ করে আসমানীকে ঢেকে দেয়। মাথা খোলা রাখে।
 ওর মাথায় পানি দিতে হবে মারুফ।
 আমিও তাই চিন্তা করছি। আমরাতো ছোট একটা বালতি এনেছি। সামনের এই ডোবা থেকে আমি পানি নিয়ে আসছি।
মারুফ বালতি নিয়ে দৌড়াতে থাকে। রবিউল মেয়ের মাথায় হাত বোলায়। অল্প সময়ে ফিরে আসে মারুফ। রবিউল মেয়ের মাথা উপরে তুলে ধরলে মাথায় পানি দেয় মারুফ। বেশ কিছুক্ষণ পরে চোখ খোলে আসমানী। বাবার দিকে তাকিয়ে চিৎকার করে কাঁদতে শুরু করে।
 কাঁদিসনা মা। আর কাঁদিসনা। ধৈর্য ধর। আমাদের অনেক পথ যেতে হবে।
আসমানী বাবার হাত ছাড়িয়ে উঠে বসে। পেতে দেয়া শাড়ি ভিজে ঘাসের সঙ্গে মিশে আছে। প্রবল অস্বস্তিতে ও চারদিকে তাকায়। দেখতে পায় ওর মায়ের কোলে রাখা মৃত শিশুর দিকে ঘাড় নিচু করে তাকিয়ে আছে ওর মা। আসমানী মাকে বলে, ওকে আমার কোলে দাও মা।
 আকাশী বলে, হ্যাঁ দিচ্ছি। তুই কিছুক্ষণ কোলে রাখ। ওকেতো কবর দেয়ার ব্যবস্থা করতে হবে।
 এই রাস্তার ধারে?
 হ্যাঁ, এখানেই দিতে হবে। আর কোথায় যাব আমরা। মারুফ তুমি কবর খোঁড়ার ব্যবস্থা কর।
মারুফ প্রথমে শব্দ করে কাঁদে। তারপর দুহাতে চোখ মোছে। রবিউল বলে দেয় কোন পোটলায় দা আছে। বিভিন্ন সময়ে দায়ের দরকার হয়। সেজন্য রবিউল পোটলায় ঘরের দাটি ভরে নিয়েছিল। একটি গর্ত করার জন্য দাটির প্রথমেই দরকার হবে, এই ভাবনা তাকে প্রবল কষ্ট দেয়। দুহাতে চোখ মুছতে থাকে। মারুফ ছোট আকারের গর্তটি করা শেষ করলে রবিউল আসমানীর একটি শাড়িতে পেঁচিয়ে গর্তের ভেতর শুইয়ে দেয়। তারপরে সবাই মিলে দোয়া পড়ে। কিচ্ছুক্ষণ দোয়া পড়ার পরে মারুফ মাটি চাপা দিয়ে গর্তের মুখ বন্ধু করে দুহাত দিয়ে মাটি সমান করে দেয়। তারপর চারপাশের বুনো ফুল ছিঁড়ে দেয় সন্তানের কবরের উপর। একমুঠো ফুল আসমানীর হাতে দিয়ে বলে, তুমি ওর কবরের ওপর ছিটিয়ে দাও। ওর স্মরণে আমরা প্রতি বছরে ফুল দিব এখানে এসে।
রবিউল বলে, মনে হয়না পারবে। লোকজন কি রাস্তার ধারে এভাবে রাখতে দেবে? ওর একটা ছবিও রাখতে পারলাম না। পারলে আমরা ওর ছবিতে ফুল দিতাম।

 বাবাগো এইসব কিছু চিন্তা করতে হবে না। আমি এই দিনে ওর জন্য নামাজ পড়ব দোয়া করব।
আসমানী কাঁদতে কাঁদতে বলে। ওর কান্না ফুরোয় না। সবাই বোঝে প্রথম সন্তানের এই মৃত্যু ওকে জীবনভর কষ্ট দেবে। মারুফ এসে ওর পাশে বসে। আকাশী চোখ মুছতে মুছতে উঠে দাঁড়ায়। মুক্তিযুদ্ধের সময়ের এই মৃত্যু শরণার্থী জীবনের বড় দিক। এতদিনে নানাভাবে আশেপাশের মানুষের মৃত্যু দেখেছে, কিন্তু শরণার্থী জীবনের যাত্রায় মৃত সন্তান কোলে নিয়ে বসে থাকার স্মৃতি থেকে ও রেহাই পাবেনা। দেশ স্বাধীন হলে এই মুত্যু ওর সামনে স্বাধীনতার পতাকা হয়ে উড়বে। এই ভাবনায় আকাশীর মন প্রফুল্ল হয়। দুঃখ কাটিয়ে শক্তি সঞ্চয়ের জায়গা পায়। মেয়েটাকে নিয়ে কি করবে এই ভাবনা ওকে আবার আতঙ্কিত করে। আসমানীর পাশে বসে থাকা মারুফ ওর হাত ধরে নাড়াচাড়া করে। একসময় বলে, আমাদের জীবন থেকে শরণার্থী জীবন শেষ হলে আমরা আবার সন্তান নেব। ভালো থাকার চেষ্টা করো। মন ভেঙে ফেলোনা।

আসমানী দুহাতে মুখ ঢােেক। মারুফের কথার কোনো উত্তর দেয়না। মারুফ উঠে দাঁড়ায়। দূরে তাকালে দেখতে পায় একটি গরুর গাড়ি আসছে। রবিউল নাতির কবরের কাছে বসেছিল। মারুফ জোরে জোরে বলে, আব্বা দেখেন একটা গরুর গাড়ি আসছে। ওদেরকে অনুরোধ করব, জায়গা থাকলে ওরা যেন আসমানীকে নেয়। আমরা হেঁটে যাব গরুর গাড়ির সঙ্গে। রবিউল সায় দিয়ে বলে, ভালোই চিন্তা করেছ। আমরা দুজনে গরুর গাড়ির সামনে দাঁড়াব। দেখি ওরা থামে কিনা। আসমানীকে নিলে আমাদের মেয়েটার জন্য চিন্তা করতে হবে না। আকাশী ওদেরকে বলে, তোমরা একটু সামনের দিকে যাও। আমি ওকে পরিষ্কার করি।

(চলবে)

শরণার্থীর সুবর্ণরেখা: পর্ব ১

 

Header Ad
Header Ad

এক দিনেই পাঁচ রাষ্ট্রপ্রধানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন ড. ইউনূস

শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রী হরিনি অমরসুরিয়ার সঙ্গেও বৈঠক করছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। ছবি: সংগৃহীত

বঙ্গোপসাগরীয় দেশগুলোর আঞ্চলিক সহযোগিতা জোট বিমসটেকের দ্বিতীয় দিনে পাঁচ রাষ্ট্রপ্রধানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। শুক্রবার (৪ এপ্রিল) বিমসটেক সম্মেলন শেষে প্রথমে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে বৈঠক করেন তিনি।

এরপর থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী পেতংতার্নের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে মিলিত হন ড. ইউনূস। থাই প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশকে দুই বছরের জন্য বিমসটেকের সভাপতি নির্বাচিত হওয়ায় অভিনন্দন জানান এবং পারস্পরিক সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

পরে ভুটানের প্রধানমন্ত্রী শেরিং তোবগের সঙ্গে বৈঠকে বসেন ড. ইউনূস। আঞ্চলিক উন্নয়ন ও পারস্পরিক সহায়তা নিয়ে আলোচনা করেন তারা। একই দিন শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রী হরিনি অমরসুরিয়ার সঙ্গে হোটেল সাংগ্রিলায় বৈঠক করেন ড. ইউনূস, যেখানে অর্থনৈতিক উন্নয়নে সহযোগিতার বিষয়টি উঠে আসে।

বিকেলে মিয়ানমারের সরকার প্রধানের সঙ্গে হেঁটে হেঁটে বিভিন্ন ইস্যুতে আলাপ করেন ড. ইউনূস।

এদিকে, বৈঠকের পর নরেন্দ্র মোদি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে পোস্ট করেন—“বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছি। ভারত বাংলাদেশের সঙ্গে গঠনমূলক ও জনকেন্দ্রিক সম্পর্কের প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।” তিনি আরও বলেন, “বাংলাদেশে শান্তি, স্থিতিশীলতা, অন্তর্ভুক্তি ও গণতন্ত্রের প্রতি ভারতের সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেছি। সীমান্ত নিরাপত্তা ও সংখ্যালঘুদের সুরক্ষা নিয়ে আলোচনা করেছি।”

উল্লেখ্য, ১৯৯৭ সালে প্রতিষ্ঠিত বিমসটেক বর্তমানে বাণিজ্য, প্রযুক্তি, পরিবহন, জ্বালানি ও সন্ত্রাসবাদ দমনের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ আন্তঃআঞ্চলিক জোট হিসেবে কাজ করছে।

Header Ad
Header Ad

যুক্তরাষ্ট্র চলতি বছর ৬৮২ ভারতীয়কে ফেরত পাঠিয়েছে

ছবি: সংগৃহীত

চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে মার্চ পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র মোট ৬৮২ জন ভারতীয়কে ফেরত পাঠিয়েছে। এদের মধ্যে অধিকাংশই অবৈধভাবে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের চেষ্টা করেছিলেন। শুক্রবার (৪ এপ্রিল) ভারতের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী কীর্তিবর্ধন সিংহ লোকসভায় এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, সীমান্তে আটক হওয়া ভারতীয়দের নথিপত্র যাচাইয়ের পর যুক্তরাষ্ট্র তাদের প্রত্যাবাসন করে। একই সঙ্গে ভারত সরকার অবৈধ অভিবাসন ও মানব পাচার নিয়ে উদ্বিগ্ন এবং এই সমস্যা মোকাবিলায় মার্কিন প্রশাসনের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রেখে চলছে। অপরাধমূলক অভিবাসন চক্রের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলেও জানান তিনি।

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, শিক্ষার্থী, পর্যটক এবং পেশাদারদের আমেরিকা যাতায়াতে যাতে কোনো সমস্যা না হয়, সেদিকেও নজর দিচ্ছে মোদী সরকার। মার্কিন কর্তৃপক্ষ যে ভারতীয় নাগরিকদের তালিকা পাঠায়, তা গুরুত্ব সহকারে যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়।

এদিকে, জালিয়াতির দায়ে অভিযুক্ত ট্রাভেল এজেন্টদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নিতে সক্রিয় হয়েছে ভারত সরকার। মানব পাচারচক্রের সঙ্গে এজেন্টদের যোগসূত্র রয়েছে কি না, তা-ও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

Header Ad
Header Ad

কাকে বিয়ে করলেন জনপ্রিয় অভিনেতা শামীম?

ছবি: সংগৃহীত

জনপ্রিয় অভিনেতা শামীম হাসান সরকার অবশেষে বিয়ের পিঁড়িতে বসেছেন।

শুক্রবার (৪ এপ্রিল) সন্ধ্যায় নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক প্রোফাইলে একটি পোস্ট দিয়ে বিয়ের খবর জানিয়েছেন তিনি। স্ত্রীর সঙ্গে তোলা একটি ছবি দিয়ে প্রোফাইল পিকচার পরিবর্তন করে ক্যাপশনে লিখেছেন— "আলহামদুলিল্লাহ কবুল। আপনারা আমাদের জন্য দোয়া করবেন।"

এরপর পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে তোলা ছবি কাভার ফটো হিসেবে পোস্ট করেছেন এই অভিনেতা। ছবিতে অন্তর্বর্তী সরকারের রেল উপদেষ্টা ফাওজুল কবির খানকেও দেখা গেছে।

 

তবে স্ত্রীর পরিচয় সম্পর্কে ফেসবুক পোস্টে কিছু উল্লেখ করেননি শামীম।

Header Ad
Header Ad

সর্বশেষ সংবাদ

এক দিনেই পাঁচ রাষ্ট্রপ্রধানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন ড. ইউনূস
যুক্তরাষ্ট্র চলতি বছর ৬৮২ ভারতীয়কে ফেরত পাঠিয়েছে
কাকে বিয়ে করলেন জনপ্রিয় অভিনেতা শামীম?
ঢাকার পথে প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ইউনূস
মানিকগঞ্জে বাঁশঝাড়ে কার্টনে মিললো তরুণীর লাশ
ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ
দেশে তীব্র তাপপ্রবাহ নিয়ে বড় দুঃসংবাদ
হাসিনাকে ফেরানো নিয়ে আলোচনা হয়েছে তবে এ বিষয়ে আর কিছু বলা সম্ভব নয় : বিক্রম মিশ্রি
মার্কিন গাড়ি আমদানিতে ২৫% শুল্ক আরোপের ঘোষণা কানাডার
প্রথম ধাপে ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গাকে ফেরত নেবে মিয়ানমার
বিমসটেকের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব নিল বাংলাদেশ
চিকেনস নেকে ভারী যুদ্ধাস্ত্র মোতায়েন করল ভারত
চিত্রনায়িকা পরীমণির বিরুদ্ধে গৃহকর্মীর জিডি
পেঙ্গুইন ও পাখিদের উপরেও ট্রাম্পের শুল্ক আরোপ!
নেতাকর্মীদের মাঠে নামার নির্দেশ, আবারও শেখ হাসিনার উসকানি!
টাঙ্গাইলে ট্রাকচাপায় আনসার কমান্ডার নিহত
লোহাগাড়ায় সড়ক দুর্ঘটনা: না ফেরার দেশে প্রেমা, নিহত বেড়ে ১১
নিষেধাজ্ঞায় পড়লেন মেসির দেহরক্ষী, ঢুকতে পারবেন না মাঠে
শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ চাইলো বাংলাদেশ
ঈদ আনন্দে মুখরিত রংপুরের বিনোদন কেন্দ্রগুলো