রবিবার, ৬ এপ্রিল ২০২৫ | ২২ চৈত্র ১৪৩১
Dhaka Prokash

ধারাবাহিক উপন্যাস, পর্ব: ১৩

অঘ্রানের অন্ধকারে

অফিসে ঢুকতেই ধাক্কা খেয়েছি । একজন ছেলে অফিস গেটের সামনে পথ আটকে দাঁড়িয়ে আছে। ছেলেটির দিকে ভালো করে তাকালাম। পরনে জিনসের প্যান্ট। গায়ে ঢোলা শার্ট। পায়ে কমলা রঙের স্নিকার। শুকনো লিকলিকে চেহারা। দুই গাল বসে গর্ত হয়ে গেছে। তাতে গালের দুপাশের হাড় খানিকটা বেখাপ্পা রকমের উঁচু দেখাচ্ছে। চোখ দুটো বড়ো বড়ো। মুখে খোঁচা খোঁচা দাড়ি। তবে তা কয়েকদিন শেভ না করার জন্য নাকি ফ্যাশন বোঝা যাচ্ছে না। এখন তরুণরা ফ্যাশন করে মুখে খোঁচা খোঁচা দাঁড়ি রাখে। সে পরিপাটি করে চুল আঁচড়িয়েছে। ছেলেটির ভেতর অভিজাত ভাব আছে।

ছেলেটি বলল, আমি শাবিন। তুরি আমার স্ত্রী।
তাকে চিনতে পারলাম। অবাক হলাম না। সে আমার কাছে আসবে অনুমান করেছিলাম। বললাম, আমার সঙ্গে এসো।
আপনার সাথে কথা আছে।

তোমাকে আসতে বলেছি।

জানি না শাবিন আমার কাছে কেন এসেছে। সে যেকোনো অস্বত্তিকর অবস্থা তৈরি করে ফেলতে পারে। তাকে অফিসের ভেতর নিয়ে যেতে হবে। তার কথা শোনা দরকার।

শাবিনকে বিভ্রান্ত দেখোচ্ছে। সে বিব্রতকর অবস্থায় পড়ে গেছে। শাবিন হয়তো ভেবেছিল আমি তাকে গুরুত্ব দেব না। কিংবা না চেনার ভান করব। অফিসের গেট থেকে বিদায় করে দেব। সেসব কিছুই করিনি। তাকে সঙ্গে যেতে বলেছি ভেতরে। শাবিন আমার সঙ্গে আমার অফিসরুমের দিকে রওনা হলো।

ঘরে ঢুকে এসি অন করলাম। এসির টেম্পারেচার দিয়েছি ১৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এসির পাখা তিনটা চালু রেখেছি। আমি চাইছি ঘর দ্রুত হিম ঠান্ডা হয়ে যাক। হিম ঠান্ডা পরিবেশে শাবিনের সঙ্গে কথা বলব।

ইউসুফকে ডেকে বেশি চিনি আর দুধ দিয়ে শাবিনের জন্য চা দিতে বলেছি।

শাবিন বলল, বাজারে আপনার বইয়ের কাটতি ভালো। পাবলিক বেশ খায়।

গল্প-উপন্যাস কোনো খাদ্যদ্রব্য না যে সেটা খাওয়া যাবে।

মিডলক্লাস সস্তা সেন্টিমেন্ট নিয়ে গল্প লেখেন। কায়নাত খান এখন একজন জনপ্রিয় লেখক। দেশের গন্ডিতে আপনার জনপ্রিয়তার কাছাকাছি কেউ আসতে পারেনি। আপনি হয়তো হারুকি মুরাকামি কিংবা জন গ্রিসামের জনপ্রিয়তাকে ছুঁতে চাইছেন। তাদের মতো করে লেখেন। আপনি কি জানেন, জনপ্রিয়তা সস্তার খুব কাছাকাছি। আপনি সস্তা হয়ে গেছেন কায়নাত খান, সেটা বুঝতে পারেননি।
হতভম্ব হয়ে গেলাম। বুঝতে পারছি না শাবিন কী বলতে চাইছে। নিজেকে শান্ত রাখলাম। স্থির চোখে শাবিনের দিকে তাকিয়ে বললাম, তুমি কি আমার লেখা নিয়ে আলোচনা করতে এসেছ?

আপনার লেখা এক একটা বই হাজার হাজার কপি বিক্রি হয়। লক্ষ লক্ষ টাকা রয়্যালটি পান আপনি।
তো?
আমার একান্ত ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে আপনারা গল্প লিখছেন। সেই গল্প বিক্রি করে লাখ লাখ টাকা কামাবেন। আমাকে কিছু ভাগ দেন।
মানে?
হাতে টাকাপয়সা নেই। কিছু টাকা দেন।

তোমার জীবন নিয়ে গল্প লেখা হচ্ছে না। তুরি তার নোটবুকে নিজের কিছু কথা লিখেছে।
তুরির সঙ্গে আপনার কী সম্পর্ক? গল্পকার বানিয়ে দেওয়ার লোভ দেখিয়ে আমার বউকে নিয়ে ঢলাঢলি করছেন। ব্যাপারটা পাবলিক ভালোভাবে নেবে না, কায়নাত খান।

প্রচন্ড মেজাজ খারাপ লাগছে। থাবড়ে এই ছেলের দাঁত ফেলে দিতে ইচ্ছে হচ্ছে। ঠিক করেছি রাগব না। শাবিনকে বোঝার চেষ্টা করলাম। সে উপন্যাসের ভালো চরিত্র হতে পারে। তাকে দরকার আছে।

বললাম, তোমার বউকে নিজের কাছে রাখো। তারসঙ্গে ঘুরতে যাও। ভালোবাসা দাও।
আমাকে কিছু টাকা দেন। আমি চলে যাচ্ছি। তারসঙ্গে আপনার যা ইচ্ছে হয় করুন। কিছু বলব না।
ইউসুফ কফি নিয়ে এসেছে। সঙ্গে স্যান্ডউইচ।

কফি আর স্যান্ডউইচ রেখে ইউসুফ চলে গেল।

শাবিন আরাম করে কফি খাচ্ছে। কফি খেয়ে সে মজা পাচ্ছে। কফিতে চুমুক দিয়ে শাবিন বলল, আপনাকে কথা দিচ্ছি আমি আর কোনোদিন আসব না। তুরি ভালো মেয়ে। সে সুন্দর লেখে। লেখার হাত আমারও ছিল। কবিতা লিখতাম, গান লিখেছি, গল্প-সব। ভালো লেখা, মন্দ লেখা বুঝতে পারি। তুরি আমাকে তার লেখা পড়ে শুনিয়েছে। পুন্নির কথা শুনে রাগ করেনি। আই লাভ পুন্নি। আই লাভ তুরি। আই লাভ বোথ অব দেম।

শাবিন হাতের উলটো পিঠ দিয়ে নাকের সর্দি মুছল। তার দিকে টিস্যুবক্স এগিয়ে দিলাম। সে বক্স থেকে টিস্যু নেয়নি। আবার হাতের উলটো পিঠ দিয়ে নাকের সর্দি মুছে হাত প্যান্টে ঘষে নিয়েছে।

শাবিনের শরীর থিরথির করে কাঁপছে। কফি পুরোটুকু শেষ করতে পারেনি। তার হাতপা শক্ত হয়ে এসেছে। সে হাত মুচড়ে বলল, টাকা দেন। ধার নিচ্ছি। দিয়ে দেব।

বললাম, তোমার সিগারেট খেতে ইচ্ছে হলে বারান্দায় গিয়ে খেতে পারো।
আমার কাছে সিগারেট নেই।

বারান্দায় এসো।
শাবিন বারান্দায় এলো। তার হাতে সিগারেট দিয়ে বললাম, তুমি এখন পরপর দুটো সিগারেট খাবে।
আমার শরীর খারাপ লাগছে। সিগারেটে হবে না। পাউডারের ব্যবস্থা লাগবে। পুন্নি ব্যবস্থা করে ফেলেছে। গাজী শালা এখন বলছে বাকি দেবে না। পুন্নি তার কাছে দাঁড়িয়ে আছে। টাকা দেন। গাজী শালার পুটকির ভেতর টাকা ভরে দিয়ে পুন্নিকে ছাড়িয়ে আনি।
সিগারেট জালাও।

শাবিন সিগারেট জালিয়েছে। সিগারেটে ঘনঘন দুটো টান দিয়ে বলল, শালার বাপ একটা বাইনচোত। আমার বয়স তখন আঠারো বছর। সব বুঝি। আমার বাপ সারাদিন আমার মায়ের সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করে। মা চুপ করে থাকে। একদিন যেই কথা বলেছে অমনি ঠাস ঠাস করে তাকে চড় মারতে থাকল। আমার মনে হলো বাপকে খুন করে ফেলি। মা আমাকে কিছুই করতে দিলো না। কী হলো? মাকে দিয়ে ডিভোর্স নিল। মাকে বলল তাতে আমার ভালো হবে। আমার ভালোর জন্য বাইনচোত বাপ যা বলল মা তাই শুনল। মা আমার বাপকে ডিভোর্স দিলো।

শাবিন একটা সিগারেট থেকে আরেকটা সিগারেট জালাল। তার নাক থেকে সর্দি ঝরছে। সে স্থিরভাবে দাঁড়িয়ে থাকতে পারছে না। এক হাত দিয়ে মাঝেমাঝে পেট চেপে ধরছে। তার পেট ব্যথা শুরু হয়েছে।

শাবিন বলল, প্রথম প্রথম কিছুদিন টাকা দিত। আমি গিয়ে টাকা নিয়ে আসতাম। তারপর সে তার ঠিকানা বদলে ফেলল। এখন তাকে আর কোথাও খুঁজে পাচ্ছি না। একবার তাকে খুঁজে পেলে সবার সামনে দাঁড় করিয়ে বলব, এই ইঞ্জিনিয়ার মারুফ হোসেন আমার বাবা। সে আমার মাকে মেরে তার কাছ থেকে ডিভোর্স নিয়েছে। এখন কারসঙ্গে থাকে আমরা জানি না।

শাবিনের সিগারেট শেষ হয়ে এসেছে। সে সিগারেট ফেলে দিয়ে দুহাত দিয়ে পেট চেপে ধরল। তার হেঁচকি শুরু হয়েছে। পেট চেপে ধরে হিক্কা তুলতে তুলতে শাবিন অফিস থেকে বের হয়ে গেল। আমার ধারণা শাবিন যাচ্ছে পুন্নির কাছে। পুন্নি কোনো এক মাদক বিক্রেতা গাজীর কাছে বসে আছে শাবিন আসবে বলে।

শাবিনকে মাথা থেকে সরিয়ে দিয়ে সিগারেট জালালাম। ইউসুফকে ডেকে বললাম, যে ছেলেটা আমার কাছে এসেছিল সে চলে গেছে কিনা দেখে এসো।

সিগারেট শেষ হওয়ার আগে ইউসুফ এসে জানাল শাবিন চলে গেছে। রিল্যাক্স লাগছে। চেয়ারে গিয়ে বসলাম। কম্পিউটার ওপেন করে আগামীকালের জন্য সম্পাদকীয় লিখতে শুরু করলাম। হেডিং লিখেছি, মাদক ব্যবহার কমানোই যাচ্ছে না।

তারপর লিখলাম, বাংলাদেশের অবস্থান গোল্ডেন ক্রিসেন্ট আর গোল্ডেন ট্রায়াঙ্গলের মাঝামাঝি হওয়ায় বাংলাদেশ মাদকদ্রব্য চোরাচালানের ট্রানজিট পয়েন্ট হিসেবে বেশ সুবিধাজনক। এ ছাড়া বাংলাদেশে আছে প্রচুর নদী আর খাল। এসব নদী গিয়ে পড়েছে দক্ষিণে বঙ্গোপসাগরে। মাদক চোরাকারবারিরা সমুদ্র উপকূল আর জলপথকে তাদের পণ্য পাচারের উপযুক্ত পথ হিসেবে বিবেচনা করে।

(চলবে)

পর্ব ১২অঘ্রানের অন্ধকারে

পর্ব ১১: অঘ্রানের অন্ধকারে

পর্ব ১০: অঘ্রানের অন্ধকারে

পর্ব ৯: অঘ্রানের অন্ধকারে

পর্ব ৮ : অঘ্রানের অন্ধকারে

পর্ব ৭ : অঘ্রানের অন্ধকারে

পর্ব ৬: অঘ্রানের অন্ধকারে

পর্ব ৫: অঘ্রানের অন্ধকারে

পর্ব ৪: অঘ্রানের অন্ধকারে

পর্ব ৩: অঘ্রানের অন্ধকারে

পর্ব ২: অঘ্রানের অন্ধকারে

পর্ব ১: অঘ্রানের অন্ধকারে

 

Header Ad
Header Ad

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের রপ্তানি আরও বাড়বে: প্রেসসচিব

ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের নতুন শুল্কনীতি নিয়ে জরুরি বৈঠক ডেকেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস। শনিবার (৫ এপ্রিল) সন্ধ্যায় রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনার সামনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ তথ্য জানান প্রধান উপদেষ্টার প্রেসসচিব শফিকুল আলম।

তিনি বলেন, “যুক্তরাষ্ট্রের ঘোষিত নতুন শুল্কহার নিয়ে কী ধরনের প্রতিক্রিয়া জানানো হবে, মার্কিন প্রশাসনের কাছে কী বার্তা পাঠানো হবে, সেসব বিষয়েই বৈঠকে আলোচনা হবে।”

প্রেসসচিব আরও বলেন, “আমরা এমন কিছু পদক্ষেপ নিচ্ছি, যাতে যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের রপ্তানি বর্তমানের তুলনায় আরও বাড়ে। আমি নিশ্চিত করে বলতে পারি, রপ্তানি কমবে না বরং বাড়বে। এই উদ্দেশ্যেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে।”

তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করে বলেন, “আজকের বৈঠক থেকে খুবই ইতিবাচক কিছু সিদ্ধান্ত আসবে।”

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি আরও বলেন, “যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের অত্যন্ত ভালো বন্ধু। রপ্তানিবিষয়ক এই ইস্যুতে দুই দেশের সম্পর্ক আরও জোরদার হবে বলেই আমরা আশা করছি।”

বিশ্লেষকদের মতে, রপ্তানিতে যুক্তরাষ্ট্রের বাজার বাংলাদেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। সঠিক কৌশল ও কূটনৈতিক উদ্যোগের মাধ্যমে এ বাজারে আরও প্রবৃদ্ধির সুযোগ রয়েছে।

Header Ad
Header Ad

টাঙ্গাইলে ধান ক্ষেতে মিলল ৭০ বছর বয়সী এক বৃদ্ধার মরদেহ

ছবি : ঢাকাপ্রকাশ

টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে ধান ক্ষেত থেকে ফজিলা বেগম (৭০) নামে এক বৃদ্ধার মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

শনিবার (৫ এপ্রিল) দুপুরে উপজেলার আউলিয়াবাদ গ্রামের মাঝিপাড়ার ধান ক্ষেত থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। ফজিলা বেগম ওই গ্রামের মৃত চান মাহমুদের স্ত্রী।

পুলিশ ও স্থানীয়রা জানায়, গত শুক্রবার ৪ এপ্রিল রাত ৩টার দিকে মেয়েরা ফজিলা বেগমকে ডাকাডাকি করে কোনো সাড়াশব্দ পায়নি। এ সময় বৃদ্ধার বসত ঘরটির দরজা ও জানালা বন্ধ ছিল।

শনিবার সকাল ৮টার দিকে ঘরে না পেয়ে মেয়েরা ওই বৃদ্ধাকে খুঁজতে থাকেন। এক পর্যায়ে বাড়ির পাশের বোরো ধানের জমির পাশে ফজিলা বেগমেরব মরদেহ দেখতে পাওয়া যায়। ফজিলা বেগমের মুখে কাঁদা মাখানো ছিল। তাদের চিৎকারে আশপপাশের লোকজন এগিয়ে আসলে পুলিশে খবর দেওয়া হয়। পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করে।

ফজিলা বেগমের স্বজনদের ধারণা, কোনো সংঘবদ্ধ চক্র ফজিলাকে হত্যা করে তার গলা, কান ও হাতে থাকা স্বর্ণালংকার চুরি করে নিয়ে গেছে।

এ ব্যাপারে কালিহাতী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আবুল কালাম ভূইয়া জানান, ওই বৃদ্ধা নারীর মুখে কাঁদা মাখানো ছিল। তার একটি কান কাটা ও নাক-মুখ দিয়ে রক্ত ঝরছিল। ধারণা, তাকে হত্যা করে গুম করার উদ্দেশ্যে মরদেহটি লুকিয়ে রাখে দুর্বৃত্তরা। মরদেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে।

Header Ad
Header Ad

বগুড়ার সাতটি আসনে জামায়াতের প্রার্থী ঘোষণা

ছবি: সংগৃহীত

আগামী ১৩তম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বগুড়ার সাতটি আসনে দলীয় প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী। শনিবার (৫ এপ্রিল) দুপুরে বগুড়া শহরের শহীদ টিটু মিলনায়তনে ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাবেক কর্মী, সাথী ও সদস্যদের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত এক প্রীতিসভায় এসব প্রার্থীর নাম ঘোষণা করা হয়।

সমাবেশের প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান। তিনি বলেন, দেশের সংকটময় পরিস্থিতিতে সৎ, আদর্শবান ও ইসলামপন্থী প্রার্থীদের জয়ী করে জাতিকে সুশাসনের পথে ফিরিয়ে আনতে হবে।

ঘোষিত প্রার্থীরা হলেন— বগুড়া-১ (সারিয়াকান্দি-সোনাতলা) আসনে অধ্যক্ষ মো. শাহাবুদ্দিন, বগুড়া-২ (শিবগঞ্জ) আসনে অধ্যক্ষ মাওলানা শাহাদাতুজ্জামান, বগুড়া-৩ (দুপচাঁচিয়া-আদমদিঘি) আসনে নূর মোহাম্মদ আবু তাহের, বগুড়া-৪ (কাহালু-নন্দীগ্রাম) আসনে অধ্যক্ষ মাওলানা তায়েব আলী, বগুড়া-৫ (শেরপুর-ধুনট) আসনে আলহাজ দবিবুর রহমান, বগুড়া-৬ (সদর) আসনে আবিদুর রহমান সোহেল এবং বগুড়া-৭ (গাবতলী-শাজাহানপুর) আসনে গোলাম রব্বানী।

বিশেষ অতিথি হিসেবে সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় সহসভাপতি গোলাম রব্বানী, জামায়াতের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের সদস্য অধ্যক্ষ শাহাবুদ্দিন, ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি দেলোয়ার হোসেন সাঈদী এবং আন্তর্জাতিক ছাত্র ও যুব ফেডারেশন (ইফসু)’র সেক্রেটারি জেনারেল ড. মোস্তফা ফয়সাল পারভেজ। এছাড়া জামায়াতের বগুড়া অঞ্চলের টিম সদস্য মাওলানা আব্দুর রহীম ও অধ্যাপক নজরুল ইসলাম আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।

সমাবেশ শেষে এক বর্ণাঢ্য র‌্যালি শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে। র‌্যালিতে ছাত্রশিবিরের দুই হাজারেরও বেশি সাবেক নেতাকর্মী অংশগ্রহণ করেন। এরপর অনুষ্ঠিত হয় এক মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, যেখানে দেশের খ্যাতনামা শিল্পীরা পরিবেশনা করেন।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই আয়োজনের মাধ্যমে জামায়াত নির্বাচনী মাঠে নিজেদের পুনরায় সক্রিয় ও প্রাসঙ্গিক করে তুলতে চাইছে। ছাত্রশিবিরের সাবেকদের অংশগ্রহণ দলটির সাংগঠনিক শক্তি ও মাঠপর্যায়ের প্রস্তুতির একটি ইঙ্গিত বলেও মনে করছেন অনেকে।

Header Ad
Header Ad

সর্বশেষ সংবাদ

যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের রপ্তানি আরও বাড়বে: প্রেসসচিব
টাঙ্গাইলে ধান ক্ষেতে মিলল ৭০ বছর বয়সী এক বৃদ্ধার মরদেহ
বগুড়ার সাতটি আসনে জামায়াতের প্রার্থী ঘোষণা
রংপুরে বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষে প্রাণহানি, আহত অন্তত ২০
গত ২৫ বছর ‘জয় বাংলা’ বলিনি, এখন থেকে বলব: কাদের সিদ্দিকী
বিরামপুরে ভয়াবহ আগুনে সনাতন পরিবারের সর্বস্ব পুড়ে ছাই
রাতেই ঢাকাসহ ৭ অঞ্চলে ৬০ কিমি বেগে ঝড়-বৃষ্টি হতে পারে
মোদির প্রতিক্রিয়া শেখ হাসিনার ফেরত নিয়ে নেতিবাচক ছিল না: প্রেস সচিব
নওগাঁ হাসপাতালের পরিচ্ছন্নতা ও সমন্বয়ের বিষয়ে অসোন্তোষ স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক
প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের অধীনে চাকরি, পদ ২৫৫
‘বিদেশি কিছু গণমাধ্যম অর্থ উপার্জনের উদ্দেশে বাংলাদেশকে নিয়ে মিথ্যা ও উদ্দেশ্যমূলক সংবাদ প্রচার করছে’
সারা দেশে ৩২৯ উপজেলায় হচ্ছে টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ: মহাপরিচালক
২৭৭ জনকে নিয়োগ দেবে পানি উন্নয়ন বোর্ড, এইচএসসি পাসেও আবেদন
ভূমিকম্পে মিয়ানমারে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৩৩৫৪
পাকিস্তানকে হোয়াইটওয়াশের লজ্জায় ডুবালো নিউজিল্যান্ড
স্বর্ণভর্তি ব্যাগ ফেরত দিয়ে সততার দৃষ্টান্ত গড়লেন অটোরিকশাচালক খায়রুল
ঈদের ছুটি শেষে বেনাপোল বন্দরে আমদানি-রপ্তানি শুরু
ঈদের ছুটিতে ঢাকা ছেড়েছেন ১ কোটি ৭ লাখ সিম ব্যবহারকারী
যারা ফ্যাসিবাদ চাপিয়ে দিয়েছে, তারা রাজনীতি করার অধিকার রাখে না
লৌহজংয়ে কার্টনে পাওয়া মরদেহের টুকরোগুলো সাভারের সবুজ মোল্যার