বই দিবসের সপ্তাহের আয়োজনে ৩২ হাজারের কাছে পৌঁছালো এশিয়া-জাগো ফাউন্ডেশন

জাতিসংঘের অঙ্গসংস্থা ইউনেসকো প্রতি বছর ২৩ এপ্রিল বিশ্ব সাহিত্যের প্রতীকী তারিখ হিসাবে সাহিত্যের বিশ্বের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে বিশ্ব বই দিবস উদযাপন করে। লেখক, চিত্রকর, অনুবাদক, বই এবং পাঠককে সম্মান জানাতে বিশ্বব্যাপী বিশ্ব বই দিবস পালিত হয়।
আমাদের আরো উচিত, পাঠক হিসাবে শিশুদের বিকাশের জন্য বইয়ের প্রচার করা এবং তাদের মধ্যে সাহিত্যের প্রতি আজীবন ভালবাসা তৈরি।
জাগো ফাউন্ডেশন মানসম্পন্ন শিক্ষার অংশ হিসাবে বই পড়াকে প্রচার করার অব্যাহত প্রতিশ্রুতিতে এশিয়া ফাউন্ডেশনের সঙ্গে একটি মেমোরেন্ডাম অব আন্ডারস্টান্ডিং স্বাক্ষর করেছে। দুটি প্রতিষ্ঠান মিলে টানা সাতদিনের দেশব্যাপী বিশ্ব বই দিবস উদযাপন শুরু করেছে ২২ এপ্রিল থেকে।
আজ তাদের শেষ দিন পালিত হয়েছে।
বাংলাদেশের ৬৪টি জেলায় কমিউনিটিগুলোতে অংশগ্রহণমূলক প্রচারণার আয়োজন করা হয়েছে।
জাগো ফাউন্ডেশনের যুব স্বেচ্ছাসেবকরা ‘লেটস রিড মোবাইল অ্যাপ’, এশিয়া ফাউন্ডেশনের তৈরি শিশুদের জন্য বিনামূল্যের এশিয়ান ডিজিটাল লাইব্রেরিটির প্রচার করেছেন। দুটি সুবিধাই পড়াকে আগের চেয়ে সহজ এবং মজাদার করে তুলছে।
এই প্রচারাভিযানে অরো ছিল ঘরে, ঘরে সচেতনতামূলক কর্মসূচী। উদ্দেশ্য, অভিভাবকদের পড়ার গুরুত্ব সম্পর্কে আরো শিক্ষিত করা ও তাদের সন্তানদের আরো পড়তে অনুপ্রাণিত করতে তাদের এগিয়ে দেওয়া।
স্বেচ্ছাসেবকরা শিশুদের লেটস রিড অ্যাপটি প্রদর্শন করেছেন। স্মার্ট ফোনে কত সহজে ডাউনলোড করা যায় তা দেখিয়েছেন।
এশিয়া ও জাগো ফাউন্ডেশন এই প্রচারাভিযানের মাধ্যমে মোট ১৬ হাজার অভিভাবকের কাছে গিয়েছেন।
পৌঁছেছেন ১৬ হাজার শিশুর কাছে।‘দি এশিয়া ফাউন্ডেশন’র বাংলাদেশ প্রতিনিধি কাজী ফয়সাল বিন সিরাজ বলেছেন, “আমরা জাগো ফাউন্ডেশনের তরুণ, উদ্যমী স্বেচ্ছাসেবকদের সঙ্গে মিলে সারা বাংলাদেশের শিশুদের পড়ার অভ্যাসকে উন্নত করার সুযোগ পেয়ে খুব আনন্দিত। আশা করছি, এশিয়া ফাউন্ডেশনের ‘লেটস রিড প্রোগ্রাম’-এ জাগোর অংশীদারিত্বে উচ্চমানের পড়া ও শেখার উপকরণগুলোতে তাদের বিদ্যার্জনে টেকসই প্রভাব ফেলতে পারবে।”
করভী রাকসান্দ, প্রতিষ্ঠাতা ও নির্বাহী পরিচালক, জাগো ফাউন্ডেশন বলেছেন, “এমন একটি বিশ্বে যেখানে মোবাইলের ব্যবহার ব্যাপক হয়ে উঠেছে। তবে আমাদের অবশ্যই বই পড়ার গুরুত্ব মনে রাখতে হবে। আমাদের দুই প্রতিষ্ঠানের লক্ষ্য, শিশুদের পড়ার প্রতি আরো ভালবাসা তৈরি করতে সাহায্য করা। যাতে তারা শিক্ষা ও মানসিক সুস্থতার মাধ্যমে জীবন আরো ভালো করতে পারে।”
এশিয়া ফাউন্ডেশনের ডিজিটাল লাইব্রেরির লিংক হলো-https://asiafoundation.org/what-we-do/books-for-asia/lets-read/.
ওএস।
