শুক্রবার, ২৮ মার্চ ২০২৫ | ১৪ চৈত্র ১৪৩১
Dhaka Prokash

২০০৭ সালে চাকরিচ্যুত ৮৫ নির্বাচন কর্মকর্তার চাকরি ফেরত দেওয়ার নির্দেশ  

ছবিঃ সংগৃহীত

২০০৭ সালে চাকরিচ্যুত ৮৫ জন উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তাকে চাকরি ফেরত দিতে নির্দেশ দিয়েছেন আপিল বিভাগ। রায়ে চাকরিতে বহাল করে তাদের সব সুযোগ-সুবিধা দিতে বলা হয়েছে। এদের মধ্যে যেই তিন কর্মকর্তা মারা গেছেন মামলা চলাবস্থায় তাদের পরিবারকেও সুযোগ সুবিধা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগের পাঁচ বিচারপতির বেঞ্চ এ রায় দেন।

এর আগে গত ২০ ফেব্রুয়ারি পৃথক আবেদনের শুনানি শেষে চাকরিচ্যুত ৮৫ উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তাকে পুনর্বহাল করা হবে কিনা, সে বিষয়ে রায়ের জন্য আজকের দিন ধার্য করেন আদালত।

আদালতে আপিলকারী পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী সালাহ উদ্দিন দোলন এবং প্রশাসনিক আপিল ট্রাইব্যুনালের রায় (রিভিউ) পুনর্বিবেচনা চেয়ে করা আবেদনের পক্ষে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী প্রবীর নিয়োগী ও মো. রুহুল কুদ্দুস।

রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল অনীক আর হক এবং নির্বাচন কমিশনের (ইসি) পক্ষে আইনজীবী মোহাম্মদ খালেকুজ্জামান ভূঁইয়া। মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০০৫ সালের ৩ সেপ্টেম্বর সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) মাধ্যমে ৩২৭ জনকে উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা হিসেবে অস্থায়ীভাবে নির্বাচিত করা হয়।

চার দলীয় বিএনপি–জামায়াত জোট সরকারের আমলে এই নিয়োগ নিয়ে তখন বিতর্ক দেখা দেয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে ২০০৭ সালের তত্ত্বাবধায়ক সরকার আমলে ৩২৭ জনের মূল্যায়ন পরীক্ষা নেওয়া হয়। তাদের মধ্যে ৮৫ জনকে ওই বছরের ৩ সেপ্টেম্বর চাকরিচ্যুত করা হয়। এর বিরুদ্ধে চাকরিচ্যুত প্রার্থীরা মামলা করলে ২০০৯ সালের ২৩ মার্চ তা খারিজ করে রায় দেন প্রশাসনিক ট্রাইব্যুনাল। এর বিরুদ্ধে তারা আপিল করেন। এই আপিল মঞ্জুর করে প্রশাসনিক আপিল ট্রাইব্যুনাল ২০১০ সালের ১২ এপ্রিল আপিল মঞ্জুর করে চাকরিতে পুনর্বহালের পক্ষে রায় দেন।

এই রায়ের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষ পৃথক চারটি লিভ টু আপিল (আপিলের অনুমতি চেয়ে আবেদন) করা হয়। এরপর ২০১০ সালের ২৯ এপ্রিল আপিল বিভাগের চোম্বার বিচারপতির আদালত প্রশাসনিক আপিল ট্রাইব্যুনালের রায়ের কার্যকারিতা স্থগিত করেন। পাশাপাশি বিষয়টি আপিল বিভাগের নিয়মিত বেঞ্চে শুনানির জন্য পাঠান। এর ধারাবাহিকতায় ২০১১ সালে সরকারপক্ষ পৃথক আপিল করে।

২০২২ সালের ১ সেপ্টেম্বর পুনর্বহাল করতে প্রায় এক যুগ আগে প্রশাসনিক আপিল ট্রাইব্যুনালের দেওয়া সিদ্ধান্ত বাতিল করেন আপিল বিভাগ। ফলে তাদের চাকরিতে ফেরত আটকে যায়। পরে ২০২৩ সালে আপিল বিভাগের রায় রিভিউ চেয়ে তারা আবেদন করেন। এরই ধারাবাহিকতায় গতকাল রিভিউ আবেদনের শুনানি শেষে রায়ের দিন ধার্য করেন আপিল বিভাগ।

Header Ad
Header Ad

বাংলাদেশের জন্য ৫০ বছরের পানি ব্যবস্থাপনার মাস্টারপ্ল্যান চাইলেন অধ্যাপক ইউনূস

বাংলাদেশের জন্য ৫০ বছরের পানি ব্যবস্থাপনার মাস্টারপ্ল্যান চাইলেন অধ্যাপক ইউনূস। ছবি: সংগৃহীত

শত শত বিস্তৃত নদী ও সুসংগঠিত পানি ব্যবস্থাপনার লক্ষ্যে চীন থেকে ৫০ বছরের একটি মাস্টারপ্ল্যান চেয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস। শুক্রবার (২৮ মার্চ) বেইজিংয়ের রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবনে চীনের পানি সম্পদ মন্ত্রী লি গোইয়িং-এর সঙ্গে বৈঠকের সময় তিনি এই অনুরোধ জানান।

বৈঠকে অধ্যাপক ইউনূস চীনের পানি ও বন্যা ব্যবস্থাপনার প্রশংসা করে বলেন, চীন এই খাতে অভূতপূর্ব সাফল্য অর্জন করেছে। তিনি চীনা মন্ত্রীকে বলেন, "আপনাদের যে সমস্যা রয়েছে, আমাদেরও সেই একই সমস্যা। তাই, যদি আপনারা আপনাদের অভিজ্ঞতা আমাদের সঙ্গে ভাগ করে নেন, তাহলে আমরা খুশি হব।"

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, বাংলাদেশ একটি বদ্বীপ অঞ্চল, যা শত শত নদী দ্বারা পরিবেষ্টিত। পানি কখনো জীবন বয়ে আনে, আবার কখনো তা শত্রু হয়ে ওঠে। জনসংখ্যা বৃদ্ধির ফলে নদীগুলোর ওপর চাপ বেড়েছে, যা পরিবেশের ক্ষতির কারণ হতে পারে। চীনকে "পানি ব্যবস্থাপনার মাস্টার" আখ্যা দিয়ে তিনি বলেন, বাংলাদেশ চীনের অভিজ্ঞতা থেকে অনেক কিছু শিখতে পারে এবং চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের পানি ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত দৃষ্টিভঙ্গি বাংলাদেশকে সহায়তা করতে পারে।

প্রধান উপদেষ্টা আরও বলেন, "আমরা আপনাদের কাছ থেকে শেখার জন্য এখানে এসেছি। কীভাবে আমরা পানি সম্পদকে জনগণের জন্য আরও উপযোগী করে তুলতে পারি, তা জানতে চাই।"

তিনি উল্লেখ করেন, নদীর তীরবর্তী ভূমিগুলো জনসংখ্যা বৃদ্ধি ও উন্নয়নের কারণে দখল হয়ে যাচ্ছে। একই পরিস্থিতি ভারতের উজান অঞ্চলেও দেখা যাচ্ছে। এছাড়া, পলি জমার কারণে নদীর মাঝখানে নতুন নতুন চর জেগে উঠছে, যা নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ ব্যাহত করছে।

চীনের পানি সম্পদ মন্ত্রী লি গোইয়িং স্বীকার করেন যে, বাংলাদেশ ও চীন একই ধরনের পানি ব্যবস্থাপনার চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি। তিনি বাংলাদেশকে প্রযুক্তিগত সহায়তা ও বিশেষজ্ঞ পরামর্শ দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেন।

মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের ৮৫ শতাংশ মানুষ বন্যাপ্রবণ এলাকায় বসবাস করে, যা পানি ব্যবস্থাপনাকে আরও কঠিন করে তুলেছে। তিনি উল্লেখ করেন, প্রেসিডেন্ট শি চীনের জন্য একটি মাস্টারপ্ল্যান তৈরি করেছেন, যা চীনের পানি ব্যবস্থাপনার চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

এ সময় অধ্যাপক ইউনূস বলেন, "আমাদের জন্যও একটি দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা প্রণয়নে আমরা আপনাদের সহায়তা চাই।" তিনি বিশেষভাবে তিস্তা নদী ব্যবস্থাপনা এবং ঢাকার চারপাশের দূষিত পানি পরিশোধনের ক্ষেত্রে চীনের সহায়তা প্রয়োজন বলে উল্লেখ করেন।

উল্লেখ্য, অধ্যাপক ইউনূস বর্তমানে চার দিনের চীন সফরে রয়েছেন। সফরকালে তিনি চীনা নেতৃবৃন্দ ও বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে বৈঠক করে পারস্পরিক সহযোগিতা জোরদারের চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।

Header Ad
Header Ad

হাসপাতাল ছেড়ে বাসায় ফিরলেন তামিম ইকবাল

জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক তামিম ইকবাল। ছবি: সংগৃহীত

জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক তামিম ইকবাল হাসপাতালে কয়েকদিন চিকিৎসা নেওয়ার পর বাসায় ফিরেছেন। ঢাকার এভারকেয়ার হাসপাতাল থেকে আজ (শনিবার) তাকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

গত ২৪ মার্চ বিকেএসপিতে অনুশীলনের সময় হার্ট অ্যাটাকের শিকার হন তামিম। ২২ মিনিট অচেতন থাকার পর তাকে দ্রুত কেপিজে স্পেশালাইজড হাসপাতালে নেওয়া হয়, যেখানে তার হার্টে ব্লক ধরা পড়ে। চিকিৎসকরা দ্রুত অ্যাঞ্জিওপ্লাস্টি করে একটি রিং পরিয়ে দেন। এরপর উন্নত চিকিৎসার জন্য ২৬ মার্চ তাকে ঢাকার এভারকেয়ার হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।

হাসপাতাল ছাড়লেও তামিমের সামনে এখন কঠিন চ্যালেঞ্জ। তাকে নিয়মিত পর্যবেক্ষণে থাকতে হবে, লাইফস্টাইল পরিবর্তন করতে হবে এবং কঠোর নিয়ম মেনে চলতে হবে বলে জানিয়েছেন মেডিক্যাল বোর্ডপ্রধান অধ্যাপক শাহাবউদ্দিন তালুকদার। তিনি বলেন, “এমন হার্ট অ্যাটাকের পর রোগীদের সতর্কতার সঙ্গে পর্যবেক্ষণে রাখা জরুরি। তার আবারও সমস্যা হতে পারে, এমনকি ব্লক ছাড়াও ঝুঁকি রয়েছে। তাই নিয়মিত ফলোআপ করতে হবে, জীবনযাত্রায় পরিবর্তন আনতে হবে এবং মানসিকভাবে প্রস্তুত থাকতে হবে।”

এদিকে, তামিম কবে খেলায় ফিরতে পারবেন, সে বিষয়ে এখনো স্পষ্ট কোনো তথ্য দিতে পারেননি চিকিৎসকরা। তার সুস্থতার ওপর নির্ভর করেই ভবিষ্যতে এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

Header Ad
Header Ad

চুয়াডাঙ্গায় সর্বোচ্চ ৩৯.৮ ডিগ্রি তাপমাত্রা রেকর্ড, সহজে মিলছে না বৃষ্টি

ছবি : ঢাকাপ্রকাশ

চুয়াডাঙ্গায় তাপপ্রবাহে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে উঠেছে। এ জেলায় চলছে মাঝারি মাত্রার তাপপ্রবাহ, যা রোজাদারদের জন্য আরও কঠিন পরিস্থিতি সৃষ্টি করেছে। আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, আপাতত বৃষ্টির কোনো সম্ভাবনা নেই।

শুক্রবার (২৮ মার্চ) বিকেল ৩টায় চুয়াডাঙ্গা আঞ্চলিক আবহাওয়া পর্যবেক্ষণাগার কেন্দ্র জেলার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করেছে ৩৯.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যেখানে বাতাসের আর্দ্রতা ছিল মাত্র ১৮%। কেন্দ্রের ইনচার্জ জামিনুর রহমান জানান, গতকাল ছিল মৃদু তাপপ্রবাহ, যা আজ থেকে মাঝারি তাপপ্রবাহে রূপ নিয়েছে। আগামী কয়েকদিন এই তাপপ্রবাহ অব্যাহত থাকবে, তারপর কিছুটা কমতে পারে।

 

ছবি : ঢাকাপ্রকাশ

সকালে সূর্য ওঠার সঙ্গে সঙ্গেই প্রচণ্ড রোদ শুরু হয়, যা বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে আরও তীব্র হয়ে ওঠে। দুপুরের পর গরম অসহনীয় পর্যায়ে পৌঁছে যায়, ফলে বাইরে বের হওয়া কষ্টকর হয়ে পড়েছে। সূর্য ডোবার আগ পর্যন্ত এই তাপদাহ অব্যাহত থাকে।

চলমান তাপপ্রবাহে সবচেয়ে বেশি ভুগছেন খেটে খাওয়া মানুষ, দিনমজুর, রিকশা-ভ্যান চালক ও কৃষকরা। প্রচণ্ড রোদে মাঠে কাজ করতে পারছেন না কৃষকেরা, আবার রাস্তায় চলতে হিমশিম খাচ্ছেন রিকশা-ভ্যান চালকেরাও।

বাইসাইকেলে করে গ্রামে কাপড় বিক্রি করা বৃদ্ধ দবির আলী দুপুরের গরমে ক্লান্ত হয়ে একটি দোকানের চৌকিতে ঘুমিয়ে পড়েছেন। ধানচাষি রাসেল বলেন, "বোরোর ভরা মৌসুমে তীব্র খরা চলছে। প্রতিদিন ধানে সেচ দিতে হচ্ছে, কিন্তু বৃষ্টি নেই। ডিজেলের দাম বেশি, তাই চরম বিপাকে আছি।"

 

ছবি : ঢাকাপ্রকাশ

ভ্যান চালক বাদশা জানান, "সকালে কিছু ভাড়া পাওয়া গেলেও, রোদ বাড়ার পর আর ভাড়া হচ্ছে না। বসে থাকতে হচ্ছে, অথচ সামনে ঈদ, পরিবার নিয়ে খুব কষ্টে আছি।"

দিনমজুর পিন্টু মিয়া বলেন, "রোদে মাঠে দাঁড়ানো যাচ্ছে না। কিছুক্ষণ কাজ করার পর গাছের নিচে এসে বিশ্রাম নিতে হচ্ছে।"

গত কয়েকদিন ধরে চুয়াডাঙ্গায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৪ থেকে ৩৮.৫ ডিগ্রির মধ্যে ছিল। তবে আজ শুক্রবার (২৮ মার্চ) তা বেড়ে ৩৯.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসে পৌঁছেছে, যা চলমান গরমের চরম রূপ ফুটিয়ে তুলছে।

Header Ad
Header Ad

সর্বশেষ সংবাদ

বাংলাদেশের জন্য ৫০ বছরের পানি ব্যবস্থাপনার মাস্টারপ্ল্যান চাইলেন অধ্যাপক ইউনূস
হাসপাতাল ছেড়ে বাসায় ফিরলেন তামিম ইকবাল
চুয়াডাঙ্গায় সর্বোচ্চ ৩৯.৮ ডিগ্রি তাপমাত্রা রেকর্ড, সহজে মিলছে না বৃষ্টি
জেলা প্রশাসকদের প্রতি ১২ নির্দেশনা দিলেন প্রধান উপদেষ্টা
জুমার নামাজের সময় শক্তিশালী ভূমিকম্প, মিয়ানমারে মসজিদ ধসে নিহত অন্তত ২০
ঈদে রাজধানীর নিরাপত্তায় ৪২৬ জন ‘অক্সিলারি ফোর্স’ নিয়োগ
যমুনা সেতু মহাসড়কে নেই যানজট, নির্বিঘ্নে বাড়ি ফিরছে উত্তরের মানুষ (ভিডিও)
টাঙ্গাইলে ৪০ দিন জামাতে নামাজ আদায় করে পুরস্কৃত ২১ কিশোর-তরুণ
থাইল্যান্ডে ভূমিকম্প: মুহূর্তেই ধসে পড়ল নির্মাণাধীন বহুতল ভবন
মিয়ানমারে ভয়াবহ ভূমিকম্প, ধসে পড়ল ভবন ও সেতু
ঢাকা-বেইজিংয়ের মধ্যে ৯ চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর
সমালোচনার মুখে প্রসিকিউটর আফরোজ পারভীন সিলভিয়ার নিয়োগ বাতিল
ঢাকা-চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ভূমিকম্প
মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয়ের অধীনে জুলাই অভ্যুত্থান অধিদপ্তর গঠন
‘ইদ’ থেকে ‘ঈদ’ বানানে ফিরছে বাংলা একাডেমি: আসিফ মাহমুদ
গাজীপুরে দাঁড়িয়ে থাকা ট্রাকে পিকআপের ধাক্কা, নিহত ২
কাশ্মিরে বিচ্ছিন্নতাবাদীদের হামলায় ৪ ভারতীয় পুলিশ সদস্য নিহত
সফল বৈঠক, ড. ইউনূসকে দৃঢ় সমর্থন চীনা প্রেসিডেন্টের
আজ পবিত্র জুমাতুল বিদা: রমজানের শেষ জুমার তাৎপর্য
যমুনা সেতুতে ২৪ ঘণ্টায় ৩৫ হাজার যানবাহন পারাপার, কমছে টোল আদায়ের হার