শুক্রবার, ৪ এপ্রিল ২০২৫ | ২১ চৈত্র ১৪৩১
Dhaka Prokash

পাখিদের বন্ধু ‘অভয়ারণ্য’

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের গাছে, গাছে অনেক জাতের পাখির বাস। লেকে আসে অতিথি পাখির দল। তাদের জন্য সংগঠন কাজ করছে অভয়ারণ্য’। লিখেছেন ও ছবি তুলেছেন ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি রায়হান মাহবুব

কুয়াশার চাদর ভেদ করে মিষ্টি রোদের কিরণ ছড়াচ্ছে প্রভাতের রবি। জানালার ফাঁক দিয়ে কিরণের আভায় ধীরে, ধীরে আলোকিত হচ্ছে হল রুমের চারপাশ। বাইরের পাখির কলকাকলির মধুর শব্দ শোনা যাচ্ছে কিন্তু কম্বলের নিচে অলস ঘুমে আচ্ছন্ন প্রাণটি তো জাগতেই চায় না। এমন সময় জানালায় কিচিরমিচির শব্দ শুনে চোখ থেকে বিদায় নিল ঘুম। পরম আদরে কেউ যেন সুরে, সুরে বলছে, ‘চোখ খুলে দেখ। দিগন্ত তোমায় ডাকছে।’ ঘুম ছেড়ে জানালার পাশে তাকাতেই দেখলাম, এ তো আর কেউ নয়, আমার পড়শি-রঙ বেরঙের পাখিরা। ওরা আমায় ডাকছে।
ঠিক এভাবেই পাখিদের কলকাকলিতে ঘুম ভাঙছে আমরা ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র, ছাত্রী, শিক্ষকদের। বাংলাদেশে প্রচুর গাছ কেটে ফেলায় প্রকৃতি থেকে বিলুপ্তপ্রায় অনেক পাখি। এমন অনেকের আবাসস্থল এই ক্যাম্পাস। আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হলগুলোর আশপাশে, পাশের এলাকার গাছগাছালি, মেহগনি বনটি ও হলগুলোর জানালার কার্নিশগুলোতে ঘর বাঁধে পাখিরা। ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে আছে মোট ২৫ প্রজাতির পাখি । ওদের মধ্যে চড়ুই, ঘুঘু, শালিক, বুলবুলি, দোয়েল, কাঠঠোকরা, বামুন শালিক ও গোবরে শালিক নিয়মিত। সকাল হলেই তাদের সবার কিচিরমিচিরে মুখরিত হয় হলগুলো। ঘুম থেকে উঠে পাখিদের খুনসুটি দেখে অলস সময় পার করি আমরা সবাই। ক্যাম্পাসের বিভিন্ন গাছের ফলফলাদি খেয়ে জীবনধারণ করে এই পাখিরা। অনেক সময় শিক্ষার্থীরাও আহার দেই পাখিদের। এভাবেই ছাত্র, ছাত্রীসহ সবার প্রতিবেশী হয়ে উঠেছে মন ভোলানো পাখির দল।
পাখিদের নিয়ে অনেক গল্প, অনেক কথামালা আছে। ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের সাদ্দাম হলের আবাসিক ছাত্র ইমরান খান বললেন, ‘পাখিদের সঙ্গে প্রতিবেশীর মতো আমরা বসবাস করছি। সারাদিন ওরা আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ে ঘুরে বেড়ায়। সন্ধ্যায় তাদের কলকাকলিতেই আমরা হল রুমে ফিরি।’
কেবল বাংলাদেশী পাখি নয়, আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ে বাসা বেঁধেছে পরিযায়ীরা। শীতের তীব্রতা যখন বেড়েছে, সুদুর সাইবেরিয়া থেকে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের লেকে প্রতি বছরের মতো আশ্রয় নিয়েছে তারা। ঝাঁকে, ঝাঁকে আসা এই অসম্ভব সুন্দর পাখিরাও আমাদের দেশের পাখিদের মতো। তবে তারা এই ক্যাম্পাসের সুন্দরের ভুবনে আলাদা মাত্রা যোগ করেছে। এই মৌসুমে আমাদের লেকে সবচেয়ে বেশি দেখা মিলছে গিরিয়া হাঁস ও পাতি সারলির।
পাখিদের জন্য অনেক কাজ আছে আমাদের। ২০২১ সালের ২৬ অক্টোবর ‘অভয়ারণ্য’ নামের একটি পাখিপ্রেমী সংগঠনের যাত্রা শুরু হয়েছে। তারা ২০১৯ ‘২০ শিক্ষাবর্ষের ছাত্র, ছাত্রী। ‘অভয়ারণ্য’ সভাপতি ইশতিয়াক ফেরদৌস ইমন বলেছেন, ‘আমাদের কাজ পাখিদের অভয়ারণ্য সৃষ্টি করা ও ক্যাম্পাসে সুস্থ-সাংস্কৃতিক চর্চা করা‘। এজন্য সংগঠনটির সদস্যরা বিশ্ববিদ্যালয়ের গাছে, গাছে প্রায় ১শটি মাটির মটকা (হাড়ি) কিনে ঝুলিয়ে দিয়েছেন। সেগুলোতে পাখিরা বাসা বেঁধে থাকছে। এখানে, সেখানে পড়ে থাকা ময়লা, বাতিল প্লাস্টিকের পানির বোতল, জর্দার কৌটা, প্লাস্টিকের বাক্স কুড়িয়ে এনেছেন। সেগুলো পাখিদের পানি ও পোকামাকড় রাখার পাত্র হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। লেকের পশ্চিম পাশটিতে পাখিরা বেশি থাকে বলে সেখানে মটকাগুলো রেখে, ওদের খাবার বেশি সরবরাহ করে অভয়ারণ্য জায়গাটির নাম রেখেছে 'পাখি চত্বর' । ২০২১ সালের ১৪ ডিসেম্বর আমাদের শহীদ বুদ্ধিজীবি দিবসে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন আনুষ্ঠানিকভাবে পাখি চত্বরটির স্বীকৃতি দিয়েছেন। তারা নিয়মিতভাবে চত্বরে পাখিদের খাদ্যের ব্যবস্থা করে দিয়েছেন।
ইশতিয়াক ফেরদৌস ইমন জানিয়েছেন ‘আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি, এই ক্যাম্পাস ও ক্যাম্পাসের বাইরে বিভিন্ন জায়গায় পাখিদের জন্য মানব সচেতনতামূলক পোস্টারিং করব। তাতে মোবাইল ফোনের রেডিয়েশনে পাখিদের যে ক্ষতি হয়, সেটিও থাকবে।’ অভয়ারণ্য জানিয়েছে, তারা ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের কাঠবিড়ালীদের নিয়েও কাজ করছেন। ক্যাম্পাসটির কুকুর ও বিড়ালের হাতে মানুষসহ অন্য কোনো প্রাণী যেন ক্ষতিগ্রস্থ না হন, সেজন্য ওগুলোকে ভ্যাক্সিনেশন দেবারও পরিকল্পনা আছে। ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের বঙ্গবন্ধু হলের পাশের বিরাট পুকুরটি সংরক্ষণ করতেও কাজ করবেন।
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের মেগা প্রকল্পের বাস্তবায়ন চলছে। তাতে অনেকগুলো বিরাট ভবন তৈরি করা হচ্ছে। এই কাজে তিন, চারটি বন কেটে ফেলা হয়েছে। ফলে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রকৃতি ও পরিবেশে মারাত্মক পরিবেশ বিপর্যয়ের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। এই বনগুলোতে শত, শত পাখির চিরকালের আবাস ছিল। তারা বাসা হারিয়ে মারা পড়েছে। বেঁচে থাকা পাখিরা খাবারের অভাবে ভুগছে। পাখিগুলো চরম আবাস সঙ্কটেও রয়েছে। এই অন্যায় কেন করা হলো? আমাদের লেকে ঘুরতে আসা পরিযায়ী পাখিদের নিয়মিতভাবে ঢিল মারে ও শিকার করে বহিরাগত বখাটেদের দল। আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ বিজ্ঞান ও ভূগোল বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক ইনজামুল হক বলেছেন, “করোনাভাইরাসের আক্রমণে আমরা পাখি নিয়ে কাজ করতে পারিনি। তবে এই বিভাগ প্রতিষ্ঠার পর থেকে আমরা ক্যাম্পাস পরিস্কার কার্যক্রমসহ কিছু কাজ করেছি। ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের গাছগুলোর জাতের তালিকা আমরা তৈরি করেছি। ক্যাম্পাসের পাখি সংরক্ষণ নিয়ে আমাদের দীঘমেয়াদী পরিকল্পনা ও বাস্তবায়ন কার্যক্রম রয়েছে। ‘অভয়ারণ্য’ নিয়ে দীর্ঘমেয়াদী চিন্তা-ভাবনা রয়েছে।”

ওএস।

Header Ad
Header Ad

চিত্রনায়িকা পরীমণির বিরুদ্ধে গৃহকর্মীর জিডি

চিত্রনায়িকা পরীমণি। ছবি: সংগৃহীত

চিত্রনায়িকা পরীমণির বিরুদ্ধে গৃহকর্মীকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে। ঢাকার ভাটারা থানায় গৃহকর্মী পিংকি আক্তার এই অভিযোগে একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন।

বৃহস্পতিবার (৩ এপ্রিল) পিংকি আক্তার এ জিডি করেন। অভিযোগে বলা হয়েছে, পরীমণির এক বছরের মেয়ে সন্তানকে খাবার খাওয়ানো নিয়ে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে গৃহকর্মীকে মারধর করা হয়।

 

ছবি: সংগৃহীত

ভাটারা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মাজহারুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, চিত্রনায়িকা পরীমণির বিরুদ্ধে নির্যাতনের অভিযোগে গৃহকর্মী থানায় জিডি করেছেন। পুলিশ ঘটনাটি তদন্ত করে দেখছে।

Header Ad
Header Ad

পেঙ্গুইন ও পাখিদের উপরেও ট্রাম্পের শুল্ক আরোপ!

ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের শুল্ক নীতির বিস্তৃতি এতদূর গিয়েছে যে, জনমানবহীন দ্বীপপুঞ্জও এর আওতায় এসেছে। ভারত মহাসাগরে অবস্থিত অ্যান্টার্কটিকার জনশূন্য হার্ড ও ম্যাকডোনাল্ড দ্বীপপুঞ্জের ওপরও যুক্তরাষ্ট্র শুল্ক আরোপ করেছে।

এই দ্বীপপুঞ্জে মানুষের কোনো বসবাস নেই, সেখানে শুধু পেঙ্গুইন, সিল এবং পরিযায়ী পাখিরা বসবাস করে। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য নীতির অংশ হিসেবে এই দ্বীপপুঞ্জের ওপরও ১০ শতাংশ শুল্ক বসানো হয়েছে। এর পাল্টা হিসেবে দ্বীপগুলোও যুক্তরাষ্ট্রের পণ্যে একই হারে শুল্ক আরোপ করেছে!

অস্ট্রেলিয়ার সরকারের ওয়েবসাইটের তথ্য অনুযায়ী, হার্ড ও ম্যাকডোনাল্ড দ্বীপ বিশ্বের অন্যতম প্রত্যন্ত ও দূরবর্তী জনশূন্য অঞ্চল। আবহাওয়া পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করে অস্ট্রেলিয়ার পশ্চিমাঞ্চলের ফ্রেম্যান্টল বন্দর থেকে সেখানে পৌঁছাতে জাহাজে কমপক্ষে ১০ দিন সময় লাগে। দ্বীপগুলোর বাসিন্দারা শুধুই বিভিন্ন প্রজাতির সংরক্ষিত পাখি, সিল এবং পেঙ্গুইন।

ট্রাম্পের এই শুল্ক নীতির বিস্তার নিয়ে অনেকে বিস্মিত। জনমানবহীন দ্বীপপুঞ্জের সঙ্গে শুল্ক-সংক্রান্ত বিরোধ সত্যিই নজিরবিহীন।

সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান

Header Ad
Header Ad

নেতাকর্মীদের মাঠে নামার নির্দেশ, আবারও শেখ হাসিনার উসকানি!

সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ছবি: সংগৃহীত

সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দলীয় নেতাকর্মীদের বিপদের মুখে ফেলে দিয়ে অতীতে ভারতে পালিয়ে গিয়েছিলেন। এবার তিনি ফের একই কৌশলে মাঠে নেমেছেন। আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয় উদ্ধারের জন্য তিনি নেতাকর্মীদের সংঘবদ্ধ হয়ে রাজপথে নামার নির্দেশ দিয়েছেন।

একটি টেলিফোন কথোপকথনে শেখ হাসিনা স্পষ্টতই বলেছেন, সামনে ও পেছনে দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে মাঠে নামতে হবে। সামনের গ্রুপ আক্রান্ত হলে পেছনের গ্রুপকে প্রতিহত করতে হবে এবং হামলাকারীদের চরম শিক্ষা দিতে হবে।

বুধবার গণমাধ্যমের হাতে আসা একটি ফোনালাপে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয় যে কোনো মূল্যে পুনরুদ্ধারের জন্য নির্দেশ দেন শেখ হাসিনা। দিল্লি থেকে টেলিফোনে যুবলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও ভোলা-৩ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য, বর্তমানে বিদেশে পলাতক নুরুন্নবী চৌধুরী শাওনকে তিনি এই নির্দেশ দেন।

এই নির্দেশনার পর আওয়ামী লীগের ভেতরেই ক্ষোভের সঞ্চার হয়েছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বেশ কয়েকজন নেতা গণমাধ্যমকে জানান, ‘শেখ হাসিনার ভুল সিদ্ধান্ত এবং কিছু হাইব্রিড আওয়ামী লীগারের দুর্নীতির কারণে দল আজ এই পরিস্থিতিতে পড়েছে। অথচ নেত্রীর এবং তার পরিবারের কোনো ক্ষতি হয়নি। তারা নিরাপদে আছেন, কিন্তু সাধারণ নেতাকর্মীরা পথে পথে মার খাচ্ছেন। এখন তিনি আবার তাদের বিপদে ঠেলে দিতে চান।’

টেলিফোন কথোপকথনে শেখ হাসিনাকে বলতে শোনা যায়, ‘তোমরা এত বড় বড় কথা বলো, অথচ এখনো কেন্দ্রীয় কার্যালয় উদ্ধার করতে পারলা না! ৫০ থেকে ১০০ জন লোক গেলে কি তোমাদের সবাইকে মেরে ফেলা হবে? লাখ লাখ লোক ঢাকায় আনার কথা বলো, অথচ একটা অফিস উদ্ধার করতে পারো না! যেভাবেই হোক, দলীয় কার্যালয় পুনরুদ্ধার করতে হবে—এটাই আমার শেষ কথা।’

জবাবে নুরুন্নবী চৌধুরী শাওন জানান, পরিকল্পনা করা হলেও কিছু কারণে সেটি বাস্তবায়ন করা হয়নি। তিনি আরও বলেন, ‘আপনার নির্দেশেই আমরা কাজ করব। শুধু ভোলা থেকেই ২০ লাখ লোক ঢাকায় সমবেত হবে। যখনই আপনার ডাক আসবে, আমরা তিন থেকে চার লাখ লোক নিয়ে ঢাকায় আসব।’

টেলিফোন আলাপে শেখ হাসিনা আরও কিছু নির্দেশনা দেন। তিনি বলেন, ‘ছোট ছোট বিক্ষোভের দরকার নেই, বড় আকারে মিছিল করতে হবে। সামনে একটি গ্রুপ থাকবে, পেছনে আরেকটি গ্রুপ। কেউ হামলা করলে পাল্টা আক্রমণ চালিয়ে তাদের শিক্ষা দিতে হবে। কেউ কাউকে কিছু দেবে না, নিজেদের অধিকার নিজেরাই আদায় করতে হবে।’

ফাঁস হওয়া কথোপকথনে শেখ হাসিনা বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বিরুদ্ধেও ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, ‘ড. ইউনূস সব জায়গায় মিথ্যা কথা বলছে। আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের হত্যা এবং তাদের বাড়িঘরে হামলার তথ্য সংগ্রহ করো। ছবি তোলো, ভিডিও করো এবং ইন্টারন্যাশনাল ক্রিমিনাল কোর্টে মামলা করার প্রস্তুতি নাও।’

জবাবে নুরুন্নবী চৌধুরী শাওন জানান, ইতোমধ্যে কিছু তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে, এবং এ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

গণতন্ত্র মঞ্চের অন্যতম নেতা ও বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক বলেন, ‘শেখ হাসিনা ও তার পরিবারের বেশির ভাগ সদস্য এবং আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতারা এখন বিদেশে আরামে আছেন। অথচ তারা দেশে থাকা নেতাকর্মীদের উসকানি দিচ্ছেন, যাতে তারা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ফের রাস্তায় নামে। কিন্তু একজন দুর্নীতিবাজ নেত্রীর জন্য সাধারণ নেতাকর্মীরা কেন ঝুঁকি নেবে?’

তিনি আরও বলেন, ‘আওয়ামী লীগ যে কৌশলে রাজনীতিতে ফেরার চেষ্টা করছে, সেটি সফল হবে বলে মনে হয় না। সাড়ে ১৫ বছরের অপশাসন, দুর্নীতি, লুটপাট, খুন-গুমের কোনো অনুশোচনা তাদের মধ্যে নেই। বরং তারা নিজেদের শাসনামলকে গৌরবান্বিত করার চেষ্টা করছে।’

উল্লেখ্য, ছাত্র-জনতার ব্যাপক গণ-অভ্যুত্থানের মুখে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা ক্ষমতাচ্যুত হন এবং দিল্লিতে পালিয়ে যান। সেখান থেকেই তিনি বিভিন্ন সময়ে দলের নেতাকর্মীদের টেলিফোনে নির্দেশনা দিচ্ছেন। সম্প্রতি তার একাধিক ফোনালাপ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে, যা নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা চলছে।

Header Ad
Header Ad

সর্বশেষ সংবাদ

চিত্রনায়িকা পরীমণির বিরুদ্ধে গৃহকর্মীর জিডি
পেঙ্গুইন ও পাখিদের উপরেও ট্রাম্পের শুল্ক আরোপ!
নেতাকর্মীদের মাঠে নামার নির্দেশ, আবারও শেখ হাসিনার উসকানি!
টাঙ্গাইলে ট্রাকচাপায় আনসার কমান্ডার নিহত
লোহাগাড়ায় সড়ক দুর্ঘটনা: না ফেরার দেশে প্রেমা, নিহত বেড়ে ১১
নিষেধাজ্ঞায় পড়লেন মেসির দেহরক্ষী, ঢুকতে পারবেন না মাঠে
শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ চাইলো বাংলাদেশ
ঈদ আনন্দে মুখরিত রংপুরের বিনোদন কেন্দ্রগুলো
লুটপাটের পর পুড়িয়ে দেওয়া হলো বিএনপি সমর্থকের বসতবাড়ি, গ্রেপ্তার ৯
ব্যাংককে ড. ইউনূস ও নরেন্দ্র মোদির দ্বিপক্ষীয় বৈঠক শুরু
দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট ইউন সুক ইওলকে অপসারণ করল আদালত
গাইবান্ধায় আওয়ামী লীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগের দুই নেতা গ্রেপ্তার
সংস্কার শেষে অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন আয়োজন করাই প্রধান লক্ষ্য: প্রধান উপদেষ্টা
নির্বাচন দিয়ে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত করতে হবে: টুকু
যৌথবাহিনীর অভিযান: ৭ দিনে গ্রেপ্তার ৩৪১
রাজধানীতে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার ধাক্কায় প্রাণ গেলো নারীর
ঈদের ছুটিতে কক্সবাজারে পর্যটকের ঢল, হোটেলে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগ
ব্যাংককে ড. মুহাম্মদ ইউনূস-নরেন্দ্র মোদির বৈঠক আজ
রাশিয়ার হয়ে ইউক্রেন যুদ্ধে অংশ নেওয়া ময়মনসিংহের ইয়াসিন নিহত
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে শুল্ক ইস্যুর ইতিবাচক সমাধান হবে: প্রধান উপদেষ্টা