শনিবার, ৫ এপ্রিল ২০২৫ | ২১ চৈত্র ১৪৩১
Dhaka Prokash

এই ছিল সবচেয়ে সুমধুর সহযোগিতা

লতা মঙ্গেশকর-একটিই কন্ঠ স্বর্গ থেকে নেমে আসা। মদন মোহন জাদু করতে পারতেন এই কনঠেকে, তার সুরগুলো কন্ঠটি থেকেই তো শব্দ হয়ে ঝরতো। যখন তারা হাত মেলাতেন, সৌভাগ্যক্রমে, প্রায়ই ফলাফল হতো নিছক জাদু। লতা ও মদন একত্রে হিন্দি সিনেমাকে সবসময়ের সবচেয়ে ভালো কটি গান উপহার দিয়েছেন। বিপুলভাবে সফল তাদের সহযোগিতা; এমনটি ভারতীয় সিনেমাগুলোর কোনোটিতেই সাধারণত হয় না। কারো মধ্যেও নয়-সঙ্গীত পরিচালক কী গায়ক, গায়িকা। সাধারণত সঙ্গীত পরিচালকেরা তাদের সেরাটি প্রিয় কন্ঠটির জন্য জমা করে রাখেন। যদিও আজকাল ঘন, ঘন হচ্ছে। এখন এমন একটি সময়, যখন গান ও সুর এবং গীতটি যতটুকু অপরিহার্য হবার কথা, সেভাবে ছবিতে ব্যবহার হচ্ছে না। তবে এই ভারতীয় সিনেমাতেই-প্রধানত এবং মূলত হিন্দি ছবিগুলোতে অতি কার্যকর মেলবন্ধন নওশাদ-মোহাম্মেদ রাফি, আর.ডি. বর্মণ-কিশোর কুমার, ও.পি. নাইআর-আশা ভোঁসলে, ইলায়ারাজা-এস.পি. বালাসুব্রাহামানইয়াম, এম.এস.বিশ্বনাথন-পি. সুশীলা. এম.এস বাবুরাজ-এস. জানকী, জি দেবারাজন-ইয়েসুদাস, রাভেনধারণ-ইয়েসুদাস ও এ. আর. রহমান-হরিহরণের মধ্যে আছে। তবে লতা মঙ্গেশকর ও মদন মোহনের মধ্যে যেমন সুরসৃষ্টি করা ধারাবাহিক সহযোগিতা পাওয়া গিয়েছে, তেমনটি খুব কমই হিন্দি ছবিগুলোতে হয়েছে, এখনো তাই হচ্ছে।


তাদের স্টাইক রেট এত বেশি যে, একমাত্র তুলনা ব্রাডম্যান বা শচীনের ব্যাটিংয়ে। তাদের গানগুলো থেকে কোনো পছন্দের তালিকা করারই প্রয়োজন নেই। কেবল একটি গান বেছে নিলেই হলো, ডুবে যাবেন সুর ও কন্ঠের অপূর্ব ভুবনে।


শুরু করতে পারেন, ‘তাক লাগ যা গালে...তে। সম্ভবত তাদের জনপ্রিয় গানগুলোর মধ্যে সেরা। এমন সার্বজনীন রূপ লাভ করেছে ভালোবাসা ও সুরের জাদুতে, খুব বেশি গান স্বয়ং লতাও নেই। যেকোনো সঙ্গীত পরিচালকের জন্য এমন গৌরব অনন্য-২২ লাখ বার গানটি ইউটিউবে ২০১০ সালে তুলে দেবার পর দেখা হয়েছে। যদিও সবার জানা, লতা মঙ্গেশকর আকর্ষণীয় ছিলেন না দেখতে। তাতেই এই। নিজেকে নিয়ে বড়াই কোনোদিনও করেননি ভারতের বলিউডের গানের রাণী। কেবল দিয়ে গিয়েছেন তিনি। এও সবার জানা। এবার আরো চমকে দেবার মতো তথ্যটি-যে ছবির গানটি, বেরিয়েছিল ১৯৬৪ সালে। নামটি ‘ওহ কারণ তুই?’ ইউটিউবে আসার আগে বহু, বহু বছর; ছেলেকে বুড়ো বানিয়ে দেওয়ার সময়কাল ধরে মানুষের মন, সিনেমা হল, রেডিও ও ক্যাসেটে বেজে চলেছে। ফলে আধুনিকতার সঙ্গে পাল্লা দেবার প্রতিযোগিতা তাকে করে যেতে হয়েছে গায়িকার মতোই। গানের সুরগুলো খুঁজে, খুঁজে সুন্দরের উদাহরণ হিসেবে মানুষ লাভ করেছেন। যেভাবে রাণী গেয়েছেন...শুরু থেকেই তিনি হামিং বা গুণ, গুণ করেছেন, গানের ভেতরেই শ্রোতাকে বরশি দিয়ে জীবনের দিকে টেনে নিয়ে এসেছেন। গানটির মধুরতম বিষয় হলো, পুরোটাতেই অনন্যতা তুলে এনেছেন তারা। এগুলো মদন মোহন ও লতা মঙ্গেশকর তাদের কাজে এনে দিয়েছেন। তাহলে এটিই কী তাদের সেরা? সম্ভবত নয়। একটি হলো আরো পুরোনো ছবি ‘জাহান আরা’র ‘ওহ চুপ রাহে তো’, আরেকটি গজল’র ‘নাগমা ও শের কি’। অনায়াসে, সঙ্গে, সঙ্গে মনের মধ্যে প্রতিযোগিতা করে ঢুকে পড়ে। মহান যৌথ সৃষ্টির মধ্যে কটি-‘নয়ন মে বাদরা (মেরা ছায়া)’, ‘আপ কি নাজরন নে (আনফাদাহ)’, ‘মেরি রি ও বাইয়ান না ধারো (দস্তক)’, ‘নায়না বারষে (ওহ কারণ তুই), ইউন হাসরাতুন কে (আদালত)’ ও ‘তেরি আনকারণ কি সিবা (চেরাগ)’।


তারপরও সঙ্গীত ইতিহাসের জন্য দুর্ভাগ্য, অবিশ্বাস্য প্রতিভার বিচ্ছুরণ তৈরি করা গানগুলোর কোনোটিই মদন মোহনকে জীবদ্দশায় সাফল্য এনে দিতে পারেনি। তিনি পয়সার মুখ দেখতে পারেননি তাদের দিয়ে। এমনকী জীবনে ভালোভাবে, যথেষ্ট সমাদৃতও হতে পারেননি। কাজ করতে পারেননি অনেকগুলো বড় বাজেটের ছবিতে, বড় সিনেমাগুলোও তার কাছে খুব আসেনি।


দিন শেষে মদন মোহনের কপালে দামী ও জনপ্রিয় পুরস্কারগুলো জোটেনি। হিন্দি ছবিতে লতা মঙ্গেশকরের প্রিয়তম এই অপরজন মদন মোহন-১৯২৪-১৯৭৫ সাল; এসব নিয়ে যথেষ্ট তিক্ত অভিজ্ঞতা পেয়েছেন । তারপরও এই গানগুলোর ভেতরে নিজের সঙ্গীত জীবন ও প্রতিভা নিয়ে সান্তনা খুঁজে পেয়েছেন। কাজ করে গিয়েছেন এজন্য, যখন আমি লতার মঙ্গেশকরের সঙ্গে জাদু তৈরি করতে বসব, এই ভুবন ও সঙ্গীত শিল্পীদের মধ্যে দশকের পর দশক গানের আনন্দ নিয়ে আসবে ওরা কথা, কন্ঠ ও সৃষ্টিশীলতায়।

(দি হিন্দু থেকে)

 

Header Ad
Header Ad

এক দিনেই পাঁচ রাষ্ট্রপ্রধানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন ড. ইউনূস

শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রী হরিনি অমরসুরিয়ার সঙ্গেও বৈঠক করছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। ছবি: সংগৃহীত

বঙ্গোপসাগরীয় দেশগুলোর আঞ্চলিক সহযোগিতা জোট বিমসটেকের দ্বিতীয় দিনে পাঁচ রাষ্ট্রপ্রধানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। শুক্রবার (৪ এপ্রিল) বিমসটেক সম্মেলন শেষে প্রথমে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে বৈঠক করেন তিনি।

এরপর থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী পেতংতার্নের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে মিলিত হন ড. ইউনূস। থাই প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশকে দুই বছরের জন্য বিমসটেকের সভাপতি নির্বাচিত হওয়ায় অভিনন্দন জানান এবং পারস্পরিক সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

পরে ভুটানের প্রধানমন্ত্রী শেরিং তোবগের সঙ্গে বৈঠকে বসেন ড. ইউনূস। আঞ্চলিক উন্নয়ন ও পারস্পরিক সহায়তা নিয়ে আলোচনা করেন তারা। একই দিন শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রী হরিনি অমরসুরিয়ার সঙ্গে হোটেল সাংগ্রিলায় বৈঠক করেন ড. ইউনূস, যেখানে অর্থনৈতিক উন্নয়নে সহযোগিতার বিষয়টি উঠে আসে।

বিকেলে মিয়ানমারের সরকার প্রধানের সঙ্গে হেঁটে হেঁটে বিভিন্ন ইস্যুতে আলাপ করেন ড. ইউনূস।

এদিকে, বৈঠকের পর নরেন্দ্র মোদি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে পোস্ট করেন—“বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছি। ভারত বাংলাদেশের সঙ্গে গঠনমূলক ও জনকেন্দ্রিক সম্পর্কের প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।” তিনি আরও বলেন, “বাংলাদেশে শান্তি, স্থিতিশীলতা, অন্তর্ভুক্তি ও গণতন্ত্রের প্রতি ভারতের সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেছি। সীমান্ত নিরাপত্তা ও সংখ্যালঘুদের সুরক্ষা নিয়ে আলোচনা করেছি।”

উল্লেখ্য, ১৯৯৭ সালে প্রতিষ্ঠিত বিমসটেক বর্তমানে বাণিজ্য, প্রযুক্তি, পরিবহন, জ্বালানি ও সন্ত্রাসবাদ দমনের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ আন্তঃআঞ্চলিক জোট হিসেবে কাজ করছে।

Header Ad
Header Ad

যুক্তরাষ্ট্র চলতি বছর ৬৮২ ভারতীয়কে ফেরত পাঠিয়েছে

ছবি: সংগৃহীত

চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে মার্চ পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র মোট ৬৮২ জন ভারতীয়কে ফেরত পাঠিয়েছে। এদের মধ্যে অধিকাংশই অবৈধভাবে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের চেষ্টা করেছিলেন। শুক্রবার (৪ এপ্রিল) ভারতের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী কীর্তিবর্ধন সিংহ লোকসভায় এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, সীমান্তে আটক হওয়া ভারতীয়দের নথিপত্র যাচাইয়ের পর যুক্তরাষ্ট্র তাদের প্রত্যাবাসন করে। একই সঙ্গে ভারত সরকার অবৈধ অভিবাসন ও মানব পাচার নিয়ে উদ্বিগ্ন এবং এই সমস্যা মোকাবিলায় মার্কিন প্রশাসনের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রেখে চলছে। অপরাধমূলক অভিবাসন চক্রের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলেও জানান তিনি।

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, শিক্ষার্থী, পর্যটক এবং পেশাদারদের আমেরিকা যাতায়াতে যাতে কোনো সমস্যা না হয়, সেদিকেও নজর দিচ্ছে মোদী সরকার। মার্কিন কর্তৃপক্ষ যে ভারতীয় নাগরিকদের তালিকা পাঠায়, তা গুরুত্ব সহকারে যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়।

এদিকে, জালিয়াতির দায়ে অভিযুক্ত ট্রাভেল এজেন্টদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নিতে সক্রিয় হয়েছে ভারত সরকার। মানব পাচারচক্রের সঙ্গে এজেন্টদের যোগসূত্র রয়েছে কি না, তা-ও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

Header Ad
Header Ad

কাকে বিয়ে করলেন জনপ্রিয় অভিনেতা শামীম?

ছবি: সংগৃহীত

জনপ্রিয় অভিনেতা শামীম হাসান সরকার অবশেষে বিয়ের পিঁড়িতে বসেছেন।

শুক্রবার (৪ এপ্রিল) সন্ধ্যায় নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক প্রোফাইলে একটি পোস্ট দিয়ে বিয়ের খবর জানিয়েছেন তিনি। স্ত্রীর সঙ্গে তোলা একটি ছবি দিয়ে প্রোফাইল পিকচার পরিবর্তন করে ক্যাপশনে লিখেছেন— "আলহামদুলিল্লাহ কবুল। আপনারা আমাদের জন্য দোয়া করবেন।"

এরপর পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে তোলা ছবি কাভার ফটো হিসেবে পোস্ট করেছেন এই অভিনেতা। ছবিতে অন্তর্বর্তী সরকারের রেল উপদেষ্টা ফাওজুল কবির খানকেও দেখা গেছে।

 

তবে স্ত্রীর পরিচয় সম্পর্কে ফেসবুক পোস্টে কিছু উল্লেখ করেননি শামীম।

Header Ad
Header Ad

সর্বশেষ সংবাদ

এক দিনেই পাঁচ রাষ্ট্রপ্রধানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন ড. ইউনূস
যুক্তরাষ্ট্র চলতি বছর ৬৮২ ভারতীয়কে ফেরত পাঠিয়েছে
কাকে বিয়ে করলেন জনপ্রিয় অভিনেতা শামীম?
ঢাকার পথে প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ইউনূস
মানিকগঞ্জে বাঁশঝাড়ে কার্টনে মিললো তরুণীর লাশ
ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ
দেশে তীব্র তাপপ্রবাহ নিয়ে বড় দুঃসংবাদ
হাসিনাকে ফেরানো নিয়ে আলোচনা হয়েছে তবে এ বিষয়ে আর কিছু বলা সম্ভব নয় : বিক্রম মিশ্রি
মার্কিন গাড়ি আমদানিতে ২৫% শুল্ক আরোপের ঘোষণা কানাডার
প্রথম ধাপে ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গাকে ফেরত নেবে মিয়ানমার
বিমসটেকের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব নিল বাংলাদেশ
চিকেনস নেকে ভারী যুদ্ধাস্ত্র মোতায়েন করল ভারত
চিত্রনায়িকা পরীমণির বিরুদ্ধে গৃহকর্মীর জিডি
পেঙ্গুইন ও পাখিদের উপরেও ট্রাম্পের শুল্ক আরোপ!
নেতাকর্মীদের মাঠে নামার নির্দেশ, আবারও শেখ হাসিনার উসকানি!
টাঙ্গাইলে ট্রাকচাপায় আনসার কমান্ডার নিহত
লোহাগাড়ায় সড়ক দুর্ঘটনা: না ফেরার দেশে প্রেমা, নিহত বেড়ে ১১
নিষেধাজ্ঞায় পড়লেন মেসির দেহরক্ষী, ঢুকতে পারবেন না মাঠে
শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ চাইলো বাংলাদেশ
ঈদ আনন্দে মুখরিত রংপুরের বিনোদন কেন্দ্রগুলো