রবিবার, ৬ এপ্রিল ২০২৫ | ২৩ চৈত্র ১৪৩১
Dhaka Prokash

মাগুরার মডেল কৃষক প্রতিবন্ধী আক্কাস

জন্মের পর থেকেই আক্কাসের দুটি পা শুকনো। জন্মগত পঙ্গু হওয়ার ফলে শিশু কাল থেকে আক্কাস হাটতে পারেনি। অন্য মানুষের মতো স্বাভাবিক হাটা-চলা করতে না পারায় বিছানাতেই থাকতে হয়েছে তাকে। তবে থেমে যাননি। কাঠের লাঠি ভর করে স্কুলে যান আক্কাস। তার সহপাঠী ও স্কুলের শিক্ষকরা তাকে অনুপ্রেরণা দেয়। এভাবেই তিনি স্কুল জীবনে এসএসসি পরীক্ষা দেন এবং সাফল্যের সঙ্গে পাশ করেন। এর পাশপাশি তার দুটি পায়ের চিকিৎসার জন্য বাংলাদেশ ও ভারতের বেশ কিছু চিকিৎসকের পরামর্শ নেন। কিন্তু চিকিৎসকরা সর্বশেষ তাকে জানিয়ে দেয় তার পা দুটি আর ভালো হবে না। তবুও দৃঢ় মনোবল ও মনের তীব্র ইচ্ছা শক্তিকে কাজে লাগিয়ে তিনি এখন তার গ্রামের মডেল কৃষক।

মাগুরা সদরের আঠারো ইউনিয়নের নালিয়ার ডাঙ্গা গ্রামে কৃষক আক্কাসের বাড়ি। আক্কাসের মা আলেয়া খাতুন জানান, জন্মগতভাবে আক্কাসের দুটি পা শুকনো। শিশুকাল থেকে তাকে মানুষ করতে আমাদের অনেক কষ্ট সহ্য করতে হয়েছে। চিকিৎসকরা বলেছেন-এটা পোলিও রোগ। কোনও ভাবে তার পা দুটো ভালো হবে না। তারপরও আমরা ভারতেও তাকে দেখিয়েছি কিন্তু সেখানকার চিকিৎসকরা বলেছেন-এটা আর ঠিক হবে না। তাই ছেলের নিজের চেষ্টা ও পরিশ্রমের ফলে আজ সে এলাকার একজন প্ররিশ্রমী কৃষক । অন্যের কাছে হাত না পেতে সে নিজের চেষ্টায় বড় হয়েছে। লাঠি ভর দিয়ে সে মাঠে যায় । কাজ করে ফসল ফলায়, তারপর বিক্রি করে। এই অবস্থার মধ্যে থেকেই তাকে বিয়ে দেওয়া হয়। তার সংসারে দুটো সন্তান । তাদের মুখের দিক তাকিয়ে সে কাজ করে।

সরেজমিনে সদরের নালিয়ার ডাঙ্গা গ্রামে গিয়ে কথা হয় আক্কাসের সঙ্গে। সাহসী ও পরিশ্রমী এই কৃষক বলেন, চিকিৎসকরা যখন বলল পা দুটো আর ভালো হবে না তখন মনোবল পুরোপুরো হারিয়ে ফেলি। পরে পরিবারের সদস্য, বন্ধু ও প্রতিবেশীরা আমাকে নানাভাবে মনোবল দিতে থাকে। স্কুল জীবন থেকে কলেজ জীবনে যাই কিন্তু কলেজ জীবন শেষ করতে পারিনি। এক সময় এক কৃষি কর্মকর্তা আমাকে পরামর্শ দেন তুমি আইপএম কৃষি প্রশিক্ষণ করে কৃষি কাজে মনোযোগ দাও তাহলে ভালো করবা। তার পরামর্শে আমি আইপিএম কৃষি প্রশিক্ষণ সম্পন্ন করি। এরপর ২০১৮ সালে প্রতিবন্ধী ভাতার ৮ হাজার টাকা দিয়ে নিজের সামান্য কিছু জমিতে শুরু করি মিষ্টি কুমড়ো চাষ।

আক্কাস বলেন, মাত্র ২৮০০ টাকা খরচ করে আমি সেই বছর কুমড়ো বিক্রি করি ৪০ হাজার টাকার। বর্তমানে আমি নিজের জমি ছাড়াও অন্যের জমি বর্গা নিয়ে প্রায় ৪০ শতক চাষ করি। প্রতি বছর একই জমিতে আমি ৪ ধরনের ফসল চাষ করি। প্রথমে পাট আবাদ করি। পাট কেটে সেই জমি চাষ দিয়ে লাগাই মিষ্টি কুমড়ো। মিষ্টি কুমড়ো উঠে গেলে জমি প্রস্তুত করে সেখানে খিরা লাগাই। সর্বশেষ জমিতে রোপন করি পেয়াজ। এভাবে আমি নিজে প্ররিশ্রম করে সাফল্য অর্জন করেছি।

তিনি আরও বলেন, চাষবাদে জেলার কৃষি কর্মকর্তারা আমাকে নানা ভাবে সহযোগিতা করছেন। আমি কৃষি বিভাগ থেকে বিনামূল্যে বিভিন্ন মৌসুমী ফসলের বীজ ও সার পাই। কোন ফসল কিভাবে চাষ করতে হয় তার পরামর্শ দেওয়ার জন্য আমি বিভিন্ন সময় কৃষি অফিসে যাই। তারা আমাকে পরামর্শ প্রদান করে থাকেন।

এ ছাড়াও করোনাকালীন সময়ে কালিজিরা চাষ করে সাফল্য অর্জন করেছেন বলে জানান কৃষক আক্কাস। তিনি বলেন, কারণ করোনার সময়ে মানুষ কালিজিরা বেশি ব্যবহার করত। সেই সময় আমি আমাদের গ্রামে প্রথম এ চাষ শুরু করি। আমার দেখাদেখি এলাকার অনেক কৃষক সেই সময় এ চাষ করে। আমার চাষের কাজে কোনও শ্রমিক নেই। নিজেই প্ররিশ্রম করে ফসল উৎপাদন করি। নিজেই মাড়াই করি। নিজেই তা বিক্রি করি। আমার পরিবারের লোকজন আমাকে সহযোগিতা করে এ কাজে। বর্তমানে আমি ৩ একর জমির চাষ করি। এখানে চাষ হয় পাট, ধান, মিষ্টি কুমড়ো, খিরা, বেগুন, ধনিয়া ও মসলা জাতীয় ফসল।

কথা প্রসঙ্গে আক্কাস আরো বলেন, আমি প্রতিবন্ধী হয়েও কোনও কাজ ছোট মনে করি না। নিজের মনোবল ঠিক রেখে প্ররিশ্রম করে যাচ্ছি। আমার কাজ দেখে এলাকার কৃষক আমাকে উৎসাহ প্রদান করে। তাদের ভালোবাসা নিয়েই বেঁচে থাকা। আমি আইপিএম এর সেরা কৃষক, মসলা চাষে সেরা কৃষক ও মাগুরার মডেল কৃষকের পুরস্কার অর্জন করি কৃষি বিভাগ থেকে। বর্তমানে আমি জাতীয় পর্যায়ে সেরা কৃষক ও চ্যানেল আই সেরা কৃষকের পুরস্কার পাওয়ার জন্য আবেদন করেছি।

এ ব্যাপারে মাগুরা সদর উপজেলার কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো. হুমায়ন কবির বলেন, আক্কাস প্রতিবন্ধী হলেও কৃষি কাজ করে বিভিন্ন মসলা ও মৌসুমী ফসল চাষ করে এলাকায় দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে। আমাদের কৃষি বিভাগ থেকে আক্কাসকে সব সময় সহযোগিতা ও পরামর্শ প্রদান করা হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, আক্কাস মাগুরা জেলার একজন মডেল কৃষক। তার সাফল্য দেখে জেলার অনেক কৃষক এখন উদ্ধুদ্ধ হচ্ছে কৃষিকাজ করতে। কোনও কাজই আসলে ছোট নয় আক্কাস তার জ্বলন্ত উদাহরণ। ভবিষ্যতে কৃষি বিভাগ থেকে আক্কাসকে সর্বাত্বক সহযোগিতা করা হবে।

এসআইএইচ

Header Ad
Header Ad

বিশ্বজুড়ে ট্রাম্প-মাস্কবিরোধী বিক্ষোভ, যুক্তরাষ্ট্রসহ ইউরোপের রাজপথে উত্তাল জনতা

ছবি: সংগৃহীত

বিশ্বব্যাপী রাজনৈতিক অস্থিরতার প্রেক্ষাপটে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং তার উপদেষ্টা ইলন মাস্কের বিরুদ্ধে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছে সাধারণ মানুষ। শনিবার (৫ মার্চ) যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, জার্মানি, ফ্রান্স, পর্তুগালসহ ইউরোপের বিভিন্ন শহরে হাজার হাজার মানুষ বিক্ষোভে অংশ নেন।

আয়োজকদের দাবি, ট্রাম্পের নতুন শুল্কনীতি এবং মাস্কের অতিরিক্ত রাজনৈতিক সম্পৃক্ততা বৈশ্বিক অর্থনীতি ও গণতন্ত্রের জন্য হুমকিস্বরূপ।

ওয়াশিংটনের কানেটিকাট অ্যাভিনিউ ও ন্যাশনাল মল এলাকায় বৃষ্টির মধ্যেও হাজারো বিক্ষোভকারী প্ল্যাকার্ড হাতে জড়ো হন। ‘যুক্তরাষ্ট্রে কোনো রাজা নেই’, ‘মাস্ককে বিতাড়িত করুন’ ইত্যাদি স্লোগানে মুখর ছিল রাজপথ। আয়োজকদের ধারণা, শুধু ওয়াশিংটনেই অংশগ্রহণকারীর সংখ্যা ২০ হাজার ছাড়িয়ে যেতে পারে।

ইউরোপের শহরগুলোতেও ছিল একই দৃশ্য। জার্মানির বার্লিনে টেসলার শোরুমের সামনে এবং ফ্রাঙ্কফুর্টে ‘হ্যান্ডস অফ’ ব্যানারে বিক্ষোভকারীরা ট্রাম্পের পদত্যাগ দাবি করেন। তাদের হাতে ছিল ব্যানার: ‘গণতন্ত্র রক্ষা করুন’, ‘ট্রাম্প চলে যাও’। প্যারিসের প্যালেস দে লা রিপাবলিক এলাকায় মার্কিন অভিবাসীদের উপস্থিতি ছিল লক্ষণীয়, যেখানে ‘আইনের শাসন চাই’, ‘অত্যাচারীকে প্রতিহত করুন’—এমন বার্তাবাহী প্ল্যাকার্ড বহন করা হয়।

লন্ডন, লিসবনসহ আরও বেশ কিছু শহরেও মাস্ক ও ট্রাম্প বিরোধী আন্দোলনের ঝড় উঠে। বার্লিনে “ইলন, তোমাকে কেউ ভোট দেয়নি”—এই স্লোগানটি মাস্কের অগণতান্ত্রিক প্রভাবের বিরুদ্ধে বিক্ষোভকারীদের মনোভাব স্পষ্ট করে তোলে।

বিশ্বব্যাপী এই বিক্ষোভ শুধু রাজনৈতিক প্রতিক্রিয়া নয়, বরং গণতন্ত্র, জবাবদিহিতা ও সুশাসনের পক্ষে একটি শক্তিশালী বার্তা হিসেবে প্রতিভাত হচ্ছে। আয়োজকরা বলেন, এখনকার বিশ্ব আগের চেয়ে অনেক বেশি আন্তঃসংযুক্ত—একটি দেশের নেতিবাচক সিদ্ধান্তের প্রভাব পড়ে অন্য দেশেও। এই বিক্ষোভ তাই স্বৈরাচার ও অগণতান্ত্রিক নেতৃত্বের বিরুদ্ধে বিশ্বজাগরণের প্রতিচ্ছবি। তথ্যসূত্র: রয়টার্স

Header Ad
Header Ad

চীনের গণমাধ্যমে দেয়া সাক্ষাৎকারে যা বললেন প্রধান উপদেষ্টা

ছবি: সংগৃহীত

চীনের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম সিজিটিএন-কে দেওয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে আন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, চীনের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক আরও গভীর এবং কৌশলগত পর্যায়ে উন্নীত করতে চান তিনি। শনিবার (৫ এপ্রিল) চার মিনিটের সেই ভিডিও সাক্ষাৎকারটি প্রকাশিত হয়।

সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, “বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক নতুন উচ্চতায় পৌঁছাতে পারে। এই সম্পর্ক শুধু বাংলাদেশ নয়, বরং পুরো অঞ্চলের ভূমি পরিবেষ্টিত দেশগুলোর জন্যও উপকার বয়ে আনবে।” তিনি চীনা বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং শিল্প-কারখানা বাংলাদেশে স্থানান্তরের আহ্বান জানান।

প্রধান উপদেষ্টা বলেন, বাংলাদেশ বর্তমানে স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উন্নয়নশীল দেশের পথে রয়েছে, আর এ যাত্রায় চীনের সহযোগিতা গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে দেশের তরুণ জনগোষ্ঠীর দক্ষতা উন্নয়নে চীনের ভূমিকা হতে পারে উল্লেখযোগ্য। “আমাদের অর্ধেক জনগণের বয়স ২৭ বছরের নিচে। এরা বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ, এবং তাদের অর্থনৈতিক দক্ষতায় পরিণত করতে হবে,” বলেন তিনি।

তিনি বাংলাদেশের আর্থসামাজিক উন্নয়নে চীনের ভূমিকার প্রশংসা করেন এবং বলেন, “বাংলাদেশ ও চীনের ৫০ বছরের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। এই সাফল্য আরও এগিয়ে নিতে সংস্কৃতি ও ভাষা চর্চার উপর গুরুত্ব দিতে হবে।” তিনি বাংলাদেশে চাইনিজ সাংস্কৃতিক কেন্দ্র স্থাপনের প্রস্তাব দেন, যাতে বাংলাদেশের মানুষ চীনা ভাষা ও সংস্কৃতির সঙ্গে আরও ঘনিষ্ঠভাবে পরিচিত হতে পারে।

সাক্ষাৎকারে ড. ইউনূস স্বাস্থ্যসেবা খাতেও চীনের সহায়তার প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, “চীনের স্বাস্থ্য প্রযুক্তি ও পরিষেবা থেকে বাংলাদেশ অনেক কিছু শিখতে পারে। দেশের সাধারণ মানুষ চীনের মানসম্পন্ন স্বাস্থ্যসেবা পেতে আগ্রহী।”

সাক্ষাৎকারের শেষভাগে ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, “শান্তিই একমাত্র সমাধান, যুদ্ধ কোনো পথ নয়। একটি টেকসই, শান্তিপূর্ণ বিশ্ব গড়তে পারস্পরিক সহযোগিতা ও বোঝাপড়ার বিকল্প নেই।”

উল্লেখ্য, গত ২৬ থেকে ২৯ মার্চ ড. মুহাম্মদ ইউনূস দক্ষিণ চীনের হাইনান দ্বীপে আয়োজিত বোয়াও ফোরাম ফর এশিয়ার বার্ষিক সম্মেলনে অংশগ্রহণ করেন এবং পরে বেইজিং সফর করেন। এটি প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে তাঁর প্রথম রাষ্ট্রীয় সফর ছিল।

Header Ad
Header Ad

ট্রাম্প প্রশাসনের শুল্কারোপের প্রভাব বড় নয়, সামাল দেয়া সম্ভব: অর্থ উপদেষ্টা

অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ। ছবি: সংগৃহীত

ট্রাম্প প্রশাসনের শুল্কারোপ নিয়ে বাংলাদেশ উদ্বিগ্ন নয় বলে জানিয়েছেন অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ। রবিবার (৬ এপ্রিল) সচিবালয়ে ঈদ-পরবর্তী প্রথম কর্মদিবসে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি পণ্যের ওপর নতুন করে যেসব শুল্ক আরোপ করা হয়েছে, সেগুলোর প্রভাব মোকাবিলা করা কঠিন হবে না।

তিনি জানান, “ট্রাম্প প্রশাসনের এই সিদ্ধান্ত বাংলাদেশের রপ্তানি খাতে বড় কোনো প্রভাব ফেলবে না। আমাদের রপ্তানি বাজার বহুমুখী, সেই সঙ্গে উৎপাদন খরচ তুলনামূলকভাবে কম হওয়ায় আমরা প্রতিযোগিতামূলক অবস্থানে আছি।”

ঈদের পরবর্তী সামগ্রিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি সম্পর্কে মন্তব্য করতে গিয়ে অর্থ উপদেষ্টা বলেন, “মানুষ এবার ভালোভাবে ঈদ উদযাপন করেছে। মার্চ মাসে ৩ বিলিয়ন ডলারের রেমিট্যান্স এসেছে, যার প্রভাবে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভও বেড়েছে।”

সালেহউদ্দিন আহমেদ আশাবাদ ব্যক্ত করেন, দেশের অর্থনীতি স্থিতিশীল রয়েছে এবং যেকোনো বৈশ্বিক চাপে তা টিকে থাকতে সক্ষম হবে।

 

Header Ad
Header Ad

সর্বশেষ সংবাদ

বিশ্বজুড়ে ট্রাম্প-মাস্কবিরোধী বিক্ষোভ, যুক্তরাষ্ট্রসহ ইউরোপের রাজপথে উত্তাল জনতা
চীনের গণমাধ্যমে দেয়া সাক্ষাৎকারে যা বললেন প্রধান উপদেষ্টা
ট্রাম্প প্রশাসনের শুল্কারোপের প্রভাব বড় নয়, সামাল দেয়া সম্ভব: অর্থ উপদেষ্টা
রাশিয়ার দাবি ইউক্রেনে একদিনে ৪৩০ সেনা হতাহত
সরকারি সফরে রাশিয়া ও ক্রোয়েশিয়া গেলেন সেনাপ্রধান
ডিসেম্বরের মধ্যেই নির্বাচন চায় হেফাজত, বিএনপির সঙ্গে একমত
চীনের পাল্টা শুল্কারোপে মার্কিন শেয়ারবাজারে ধস, বিশ্ববাজারে বাড়ছে উত্তেজনা
সাবেক রেলমন্ত্রী মুজিবুল হকের বাড়িতে হামলা ও অগ্নিসংযোগ
পরকীয়া করলে পাথর নিক্ষেপে মৃত্যুদণ্ডের আইন করতেন অপু বিশ্বাস
বিএনপির দল পুনর্গঠনে তরুণ ও শিক্ষিত নেতৃত্বের অগ্রাধিকার
যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের রপ্তানি আরও বাড়বে: প্রেসসচিব
টাঙ্গাইলে ধান ক্ষেতে মিলল ৭০ বছর বয়সী এক বৃদ্ধার মরদেহ
বগুড়ার সাতটি আসনে জামায়াতের প্রার্থী ঘোষণা
রংপুরে বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষে প্রাণহানি, আহত অন্তত ২০
গত ২৫ বছর ‘জয় বাংলা’ বলিনি, এখন থেকে বলব: কাদের সিদ্দিকী
বিরামপুরে ভয়াবহ আগুনে সনাতন পরিবারের সর্বস্ব পুড়ে ছাই
রাতেই ঢাকাসহ ৭ অঞ্চলে ৬০ কিমি বেগে ঝড়-বৃষ্টি হতে পারে
মোদির প্রতিক্রিয়া শেখ হাসিনার ফেরত নিয়ে নেতিবাচক ছিল না: প্রেস সচিব
নওগাঁ হাসপাতালের পরিচ্ছন্নতা ও সমন্বয়ের বিষয়ে অসোন্তোষ স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক
প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের অধীনে চাকরি, পদ ২৫৫