শুক্রবার, ৪ এপ্রিল ২০২৫ | ২১ চৈত্র ১৪৩১
Dhaka Prokash

নীলাদ্রি লেক মন মাতায়

তাহিরপুরের নীলাদ্রি লেক, শহীদ সিরাজ লেকও। সেখান থেকে টাঙ্গুয়ার রামসার সাইটটি। মাঝে চুনাপাথরের ইতিহাসের গল্প। লিখেছেন ও ছবি তুলেছেন সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিক, ছাত্র ও আলোকচিত্রী রাজিবুল ইসলাম

চিরহরিৎ বৃক্ষের সমারোহ, সুমিষ্ট আবহাওয়া, অসাধারণ রূপময় প্রকৃতি, খরস্রোতা পাহাড়ি নদী, লেক, অপরূপ পরিবেশে গড়ে উঠেছে ‘ভূস্বর্গ কাশ্মীর’। তার সৌন্দর্য্য দেখতে পৃথিবীর বিভিন্ন প্রান্তের মানুষ ছুটে আসেন। এমন একটি ভূস্বর্গ কিন্তু বাংলাদেশেও আছে। ‘বাংলার কাশ্মীর’ খ্যাত ‘নীলাদ্রি’র কথা বলছি।

সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলার টেকেরঘাটে মেঘালয় সীমান্তের উল্টোদিকে আমাদের নীলাদ্রি লেক। আসল নাম ‘শহীদ সিরাজ লেক’। পাশের মাটিতে ঘুমিয়ে আছেন একাত্তরে শহীদ এই বীর মুক্তিযুদ্ধা। তার নামেই এখন নাম রাখা হয়েছে ‘শহীদ সিরাজ লেক’। বেশিরভাগ লোকের চেনা নীলাদ্রি লেক নামে।

‘নীলাদ্রি লেক’ মূলত পরিত্যক্ত একটি লাইমস্টোন বা চুনাপাথরের লেক। নীল স্বচ্ছ জলের চোখ জুড়ানো সৌন্দর্যের দৌলতে ‘নীলাদ্রি লেক’ নামে খ্যাত। নীলাদ্রি লেকের আশপাশে আছে অনেকগুলো পাথুরে টিলা ও পাহাড়ের সমারোহ। তাদের একপাশে নীল জলের স্বচ্ছ লেকটি। আবার স্বচ্ছ জলের বুকে ভেসে থাকতে দেখা যায় ছোট, ছোট ঢিলাগুলো। লেকের তীরে দাঁড়িয়ে চোখে পড়ে অদূরের ভারত সীমান্তে ও সুউচ্চ সুবিশাল সবুজ পাহাড়রাজি। স্বর্গীয় সৌন্দর্য্যরে দারুণ সুষমা। সেখান থেকেও ভেসে আসে পাহাড়ের গায়ে জন্মানো গাছের পাতায় হাওয়ার মিতালিময় সুর ও সঙ্গীত। পাহাড়-টিলা ও লেকের স্বচ্ছ জলের প্রাকৃতিক দৃশ্য প্রাণে বয়ে আনে সবসময় অনাবিল শান্তি।

ইতিহাসের গল্প-সিমেন্টের চাহিদা পূরণ করতে ১৯৪০ সালে সুরমা নদীর তীরে ছাতকে প্রতিষ্ঠা করা হয়েছিল আসাম বেঙ্গল সিমেন্ট ফ্যাক্টরি। আমাদের কাছে ‘ছাতক সিমেন্ট ফ্যাক্টরি’। ভারতের মেঘালয় পাহাড় থেকে চুনাপাথর সংগ্রহ করে আগের আমলে কারখানার সিমেন্ট কাঁচামালের চাহিদাটি মেটানো হতো। ১৯৪৭ সালে দেশভাগের পর থেকে নানা সমস্যা ও ব্যয় বাড়ায় এবং পাসপোটের ঘেরাটোপে ভারত থেকে চুনাপাথর সংগ্রহ বন্ধ হয়ে গেল। ফলে ছাতক সিমেন্ট ফ্যাক্টরি চালু রাখতে নিজস্ব ব্যবস্থায় চুনাপাথর উত্তোলন শুরু করতে হলো। এজন্য ১৯৬১ সালে ভূতাত্বিক জরিপ সুনামগঞ্জের তাহিরপুরের ভাঙ্গারঘাট ও সীমান্তের কাছে টেকেরঘাটের ৫টি চুনাপাথরের কূপে চালানো হয়। মোট ১৩ কোটি ২৫ লাখ ৫৬ হাজার ৫ শ ৩৪ মেট্রিক টন চুনাপাথর মজুদ আছে বলে নিশ্চিত হন বিসিআইসি। ১৯৬৫-৬৬ সালে টেকেরঘাট খনিজ প্রকল্পে ৩ শ ২৭ একরে চুনাপাথর খনিজ পদাথ আছে বলে জানান তারা। ৭০ দশমিক ৬৯ একর ও ৯২ দশমিক ২৫ একর এলাকায় মোট ২টি খনি আছে। তবে সেই থেকে ১৯৮০ সাল পর্যন্ত মোটে ১৬ লাখ ৬৩ হাজার ৭শত ৮৩ মেট্রিক টন চুনাপাথর উত্তোলন করা গিয়েছে। অভিযোগ, বিসিআইসির কর্মকর্তা-কর্মচারী ও শ্রমিক সংগঠনের কিছু লোকের কারণে লাভের প্রকল্পটি হঠাৎ লোকসানী প্রতিষ্ঠানে পরিণত হয়েছে। ছাতক সিমেন্ট ফ্যাক্টরিও বিসিআইসির অধীনে চলে গেল। এরপর ১৯৯৬ সালের দিকে খনিজ প্রকল্পটিকে বন্ধ করে দেওয়া হলো। প্রায় ৪ শ শ্রমিক-কর্মচারীকে বিসিআইসির অন্য প্রতিষ্ঠানগুলোতে বদলি করা হলো।

দীর্ঘদিন ধরে খোলা আকাশের নিচে পড়ে আছে কারখানার যন্ত্রপাতি। অযত্ন, অবহেলায় এভাবে নষ্ট হচ্ছে ৬০ কোটির বেশি টাকার যন্ত্র। বেশিরভাগ এখন অকেজো হয়ে গেছে। চুরিও হয়েছে ২০ কেটি টাকার মূল্যবান যন্ত্রাংশ।

এই তাহিরপুর সীমান্তে দৃষ্টিনন্দন পাথর কোয়ারিটি। তবে যোগাযোগ ব্যবস্থা ভালো না। পর্যটকদের কাছে অধরাই ছিল লেকের সৌন্দর্য। তারপর হঠাৎ ভ্রমণ পিপাসুদের কাছে আকর্ষণীয় হয়ে ওঠে শহীদ সিরাজ লেক। ততদিনে লেকের চেহারা ফিরেছে। সুনামগঞ্জ জেলা প্রশাসন লেকের আশপাশে পর্যটকদের জন্য ৪৬ লাখ ৯৭ হাজার ৫৯৩ টাকায় নৌকা ঘাট, শৌচাগার, ৫টি বিশ্রাম ছাতা, সীমানা, বেঞ্চ, গোলঘর, রাত্রি যাপন কেন্দ্রসহ থাকা-খাওয়ার ভালো ব্যবস্থা করছেন। অনেক কাজ সম্পন্ন।

তাহিরপুর থেকে ইঞ্জিনের ছোট, বড় নৌকায় ‘পাটলাই নদী’তে পৌঁছানো যায়। সেখান থেকে নদী পথে ‘বাংলাদেশের দ্বিতীয় রামসার সাইট’ ভুবনবিখ্যাত টাঙ্গুয়ার হওর। অপরূপ সৌন্দর্য্য দেখতে, দেখতে অসাধারণ জলমগ্ন ভুবনে ডুবে যেতে পারেন। পাটলাই নদীর দুই ধারে আছে করচ গাছ। পর্যটকদের দৃষ্টি ও হৃদয় কাড়ে। নৌকায় বসেও ভারতের মেঘালয় পাহাড়ের ডাক কানে আসে।

হাওড় টাঙ্গুয়ায় ঢুকলেই তো চোখে পড়ে বিশাল ওয়াচ টাওয়ার, নিচেই সুবিশাল চির সবুজের বেষ্টনী। সারি, সারি হিজল, করচ গাছ, নলখাগড়া হাওরের বুক মায়ের স্নেহে আগলে রেখেছে। টাঙ্গুয়ায় শীত মৌসুমে সাইবেরিয়া, চীন, মঙ্গোলিয়া, নেপাল, ভুটান, ভারতসহ নানা দেশের হাজার মাইল পাড়ি দিয়ে আসা বিভিন্ন প্রজাতির অতিথি পাখির কলকাকলিতে মুখরিত আঙিনা।

ওএফএস।

Header Ad
Header Ad

চিত্রনায়িকা পরীমণির বিরুদ্ধে গৃহকর্মীর জিডি

চিত্রনায়িকা পরীমণি। ছবি: সংগৃহীত

চিত্রনায়িকা পরীমণির বিরুদ্ধে গৃহকর্মীকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে। ঢাকার ভাটারা থানায় গৃহকর্মী পিংকি আক্তার এই অভিযোগে একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন।

বৃহস্পতিবার (৩ এপ্রিল) পিংকি আক্তার এ জিডি করেন। অভিযোগে বলা হয়েছে, পরীমণির এক বছরের মেয়ে সন্তানকে খাবার খাওয়ানো নিয়ে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে গৃহকর্মীকে মারধর করা হয়।

 

ছবি: সংগৃহীত

ভাটারা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মাজহারুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, চিত্রনায়িকা পরীমণির বিরুদ্ধে নির্যাতনের অভিযোগে গৃহকর্মী থানায় জিডি করেছেন। পুলিশ ঘটনাটি তদন্ত করে দেখছে।

Header Ad
Header Ad

পেঙ্গুইন ও পাখিদের উপরেও ট্রাম্পের শুল্ক আরোপ!

ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের শুল্ক নীতির বিস্তৃতি এতদূর গিয়েছে যে, জনমানবহীন দ্বীপপুঞ্জও এর আওতায় এসেছে। ভারত মহাসাগরে অবস্থিত অ্যান্টার্কটিকার জনশূন্য হার্ড ও ম্যাকডোনাল্ড দ্বীপপুঞ্জের ওপরও যুক্তরাষ্ট্র শুল্ক আরোপ করেছে।

এই দ্বীপপুঞ্জে মানুষের কোনো বসবাস নেই, সেখানে শুধু পেঙ্গুইন, সিল এবং পরিযায়ী পাখিরা বসবাস করে। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য নীতির অংশ হিসেবে এই দ্বীপপুঞ্জের ওপরও ১০ শতাংশ শুল্ক বসানো হয়েছে। এর পাল্টা হিসেবে দ্বীপগুলোও যুক্তরাষ্ট্রের পণ্যে একই হারে শুল্ক আরোপ করেছে!

অস্ট্রেলিয়ার সরকারের ওয়েবসাইটের তথ্য অনুযায়ী, হার্ড ও ম্যাকডোনাল্ড দ্বীপ বিশ্বের অন্যতম প্রত্যন্ত ও দূরবর্তী জনশূন্য অঞ্চল। আবহাওয়া পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করে অস্ট্রেলিয়ার পশ্চিমাঞ্চলের ফ্রেম্যান্টল বন্দর থেকে সেখানে পৌঁছাতে জাহাজে কমপক্ষে ১০ দিন সময় লাগে। দ্বীপগুলোর বাসিন্দারা শুধুই বিভিন্ন প্রজাতির সংরক্ষিত পাখি, সিল এবং পেঙ্গুইন।

ট্রাম্পের এই শুল্ক নীতির বিস্তার নিয়ে অনেকে বিস্মিত। জনমানবহীন দ্বীপপুঞ্জের সঙ্গে শুল্ক-সংক্রান্ত বিরোধ সত্যিই নজিরবিহীন।

সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান

Header Ad
Header Ad

নেতাকর্মীদের মাঠে নামার নির্দেশ, আবারও শেখ হাসিনার উসকানি!

সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ছবি: সংগৃহীত

সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দলীয় নেতাকর্মীদের বিপদের মুখে ফেলে দিয়ে অতীতে ভারতে পালিয়ে গিয়েছিলেন। এবার তিনি ফের একই কৌশলে মাঠে নেমেছেন। আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয় উদ্ধারের জন্য তিনি নেতাকর্মীদের সংঘবদ্ধ হয়ে রাজপথে নামার নির্দেশ দিয়েছেন।

একটি টেলিফোন কথোপকথনে শেখ হাসিনা স্পষ্টতই বলেছেন, সামনে ও পেছনে দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে মাঠে নামতে হবে। সামনের গ্রুপ আক্রান্ত হলে পেছনের গ্রুপকে প্রতিহত করতে হবে এবং হামলাকারীদের চরম শিক্ষা দিতে হবে।

বুধবার গণমাধ্যমের হাতে আসা একটি ফোনালাপে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয় যে কোনো মূল্যে পুনরুদ্ধারের জন্য নির্দেশ দেন শেখ হাসিনা। দিল্লি থেকে টেলিফোনে যুবলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও ভোলা-৩ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য, বর্তমানে বিদেশে পলাতক নুরুন্নবী চৌধুরী শাওনকে তিনি এই নির্দেশ দেন।

এই নির্দেশনার পর আওয়ামী লীগের ভেতরেই ক্ষোভের সঞ্চার হয়েছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বেশ কয়েকজন নেতা গণমাধ্যমকে জানান, ‘শেখ হাসিনার ভুল সিদ্ধান্ত এবং কিছু হাইব্রিড আওয়ামী লীগারের দুর্নীতির কারণে দল আজ এই পরিস্থিতিতে পড়েছে। অথচ নেত্রীর এবং তার পরিবারের কোনো ক্ষতি হয়নি। তারা নিরাপদে আছেন, কিন্তু সাধারণ নেতাকর্মীরা পথে পথে মার খাচ্ছেন। এখন তিনি আবার তাদের বিপদে ঠেলে দিতে চান।’

টেলিফোন কথোপকথনে শেখ হাসিনাকে বলতে শোনা যায়, ‘তোমরা এত বড় বড় কথা বলো, অথচ এখনো কেন্দ্রীয় কার্যালয় উদ্ধার করতে পারলা না! ৫০ থেকে ১০০ জন লোক গেলে কি তোমাদের সবাইকে মেরে ফেলা হবে? লাখ লাখ লোক ঢাকায় আনার কথা বলো, অথচ একটা অফিস উদ্ধার করতে পারো না! যেভাবেই হোক, দলীয় কার্যালয় পুনরুদ্ধার করতে হবে—এটাই আমার শেষ কথা।’

জবাবে নুরুন্নবী চৌধুরী শাওন জানান, পরিকল্পনা করা হলেও কিছু কারণে সেটি বাস্তবায়ন করা হয়নি। তিনি আরও বলেন, ‘আপনার নির্দেশেই আমরা কাজ করব। শুধু ভোলা থেকেই ২০ লাখ লোক ঢাকায় সমবেত হবে। যখনই আপনার ডাক আসবে, আমরা তিন থেকে চার লাখ লোক নিয়ে ঢাকায় আসব।’

টেলিফোন আলাপে শেখ হাসিনা আরও কিছু নির্দেশনা দেন। তিনি বলেন, ‘ছোট ছোট বিক্ষোভের দরকার নেই, বড় আকারে মিছিল করতে হবে। সামনে একটি গ্রুপ থাকবে, পেছনে আরেকটি গ্রুপ। কেউ হামলা করলে পাল্টা আক্রমণ চালিয়ে তাদের শিক্ষা দিতে হবে। কেউ কাউকে কিছু দেবে না, নিজেদের অধিকার নিজেরাই আদায় করতে হবে।’

ফাঁস হওয়া কথোপকথনে শেখ হাসিনা বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বিরুদ্ধেও ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, ‘ড. ইউনূস সব জায়গায় মিথ্যা কথা বলছে। আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের হত্যা এবং তাদের বাড়িঘরে হামলার তথ্য সংগ্রহ করো। ছবি তোলো, ভিডিও করো এবং ইন্টারন্যাশনাল ক্রিমিনাল কোর্টে মামলা করার প্রস্তুতি নাও।’

জবাবে নুরুন্নবী চৌধুরী শাওন জানান, ইতোমধ্যে কিছু তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে, এবং এ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

গণতন্ত্র মঞ্চের অন্যতম নেতা ও বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক বলেন, ‘শেখ হাসিনা ও তার পরিবারের বেশির ভাগ সদস্য এবং আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতারা এখন বিদেশে আরামে আছেন। অথচ তারা দেশে থাকা নেতাকর্মীদের উসকানি দিচ্ছেন, যাতে তারা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ফের রাস্তায় নামে। কিন্তু একজন দুর্নীতিবাজ নেত্রীর জন্য সাধারণ নেতাকর্মীরা কেন ঝুঁকি নেবে?’

তিনি আরও বলেন, ‘আওয়ামী লীগ যে কৌশলে রাজনীতিতে ফেরার চেষ্টা করছে, সেটি সফল হবে বলে মনে হয় না। সাড়ে ১৫ বছরের অপশাসন, দুর্নীতি, লুটপাট, খুন-গুমের কোনো অনুশোচনা তাদের মধ্যে নেই। বরং তারা নিজেদের শাসনামলকে গৌরবান্বিত করার চেষ্টা করছে।’

উল্লেখ্য, ছাত্র-জনতার ব্যাপক গণ-অভ্যুত্থানের মুখে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা ক্ষমতাচ্যুত হন এবং দিল্লিতে পালিয়ে যান। সেখান থেকেই তিনি বিভিন্ন সময়ে দলের নেতাকর্মীদের টেলিফোনে নির্দেশনা দিচ্ছেন। সম্প্রতি তার একাধিক ফোনালাপ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে, যা নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা চলছে।

Header Ad
Header Ad

সর্বশেষ সংবাদ

চিত্রনায়িকা পরীমণির বিরুদ্ধে গৃহকর্মীর জিডি
পেঙ্গুইন ও পাখিদের উপরেও ট্রাম্পের শুল্ক আরোপ!
নেতাকর্মীদের মাঠে নামার নির্দেশ, আবারও শেখ হাসিনার উসকানি!
টাঙ্গাইলে ট্রাকচাপায় আনসার কমান্ডার নিহত
লোহাগাড়ায় সড়ক দুর্ঘটনা: না ফেরার দেশে প্রেমা, নিহত বেড়ে ১১
নিষেধাজ্ঞায় পড়লেন মেসির দেহরক্ষী, ঢুকতে পারবেন না মাঠে
শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ চাইলো বাংলাদেশ
ঈদ আনন্দে মুখরিত রংপুরের বিনোদন কেন্দ্রগুলো
লুটপাটের পর পুড়িয়ে দেওয়া হলো বিএনপি সমর্থকের বসতবাড়ি, গ্রেপ্তার ৯
ব্যাংককে ড. ইউনূস ও নরেন্দ্র মোদির দ্বিপক্ষীয় বৈঠক শুরু
দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট ইউন সুক ইওলকে অপসারণ করল আদালত
গাইবান্ধায় আওয়ামী লীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগের দুই নেতা গ্রেপ্তার
সংস্কার শেষে অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন আয়োজন করাই প্রধান লক্ষ্য: প্রধান উপদেষ্টা
নির্বাচন দিয়ে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত করতে হবে: টুকু
যৌথবাহিনীর অভিযান: ৭ দিনে গ্রেপ্তার ৩৪১
রাজধানীতে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার ধাক্কায় প্রাণ গেলো নারীর
ঈদের ছুটিতে কক্সবাজারে পর্যটকের ঢল, হোটেলে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগ
ব্যাংককে ড. মুহাম্মদ ইউনূস-নরেন্দ্র মোদির বৈঠক আজ
রাশিয়ার হয়ে ইউক্রেন যুদ্ধে অংশ নেওয়া ময়মনসিংহের ইয়াসিন নিহত
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে শুল্ক ইস্যুর ইতিবাচক সমাধান হবে: প্রধান উপদেষ্টা