বৃহস্পতিবার, ৩ এপ্রিল ২০২৫ | ২০ চৈত্র ১৪৩১
Dhaka Prokash

‘সাক্ষর জাতি এগিয়ে থাকে সময়ের চেয়ে’

‘৮ সেপ্টেম্বর’, ‘আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস’। দিবসটি সারা বিশ্বের জন্য তাৎপর্যপূর্ণ। বাংলাদেশের জন্য আরও বেশি গুরুত্বপূর্ণ। বর্তমান সময়ের সবচেয়ে আলোচিত বিষয়গুলো যেমন-ধর্ম, রাজনীতি, অর্থনীতি এবং সামাজিক যোগাযোগ সাক্ষরতা নিশ্চিতে বাংলাদেশের জন্য দিবসটি অনন্য।

সাক্ষরতা দিবসের ইতিহাস জানা জরুরি। সারা বিশ্বে ইউনেস্কোর নেতৃত্বে ১৯৬৬ সাল থেকে দিবস আকারে পালিত হয়ে আসছে।

দেশ স্বাধীন হওয়ার পরপরই ১৯৭২ সাল থেকে বাংলাদেশে পালিত হয়।

প্রতি বছরই ইউনেস্কো একটি থিম ঘোষণা দিয়ে থাকে। এ বছরের থিম, ‌‘সম্ভাবনা ও সুযোগ অন্বষেণ করে সাক্ষরতা অর্জনের স্থান পরিবর্তন’।

সময় বহমান। সেই বহতায় বদলাচ্ছে সময়। তৈরি করছে নানান সুযোগ ও সম্ভাবনা। কাজে লাগিয়ে সাক্ষরতা অর্জনের পদ্ধতিগুলো পরিবর্তন করা সময়ের দাবি। পরিবর্তনের আগে জানতে হবে সাক্ষরতা বলতে কি বোঝায়? সাক্ষরতা বলতে সাধারণত অক্ষরজ্ঞান সম্পন্নতা বোঝায়।

বাংলাদেশের ভৌগোলিক পরিসরে সাক্ষরতা শব্দের প্রথম উল্লেখ দেখা যায়, ১৯০১ সালে লোক গণনার অফিসিয়াল ডকুমেন্টে। ষাটের দশকে সাক্ষরতা বলতে অক্ষর জ্ঞান সম্পন্নতার পাশাপাশি হিসাব-নিকাশের যোগ্যতাসম্পন্ন মানুষ পরিগণিত হয়েছিলেন।

আশির দশকে লেখাপড়া, হিসাব-নিকাশের পাশাপাশি সচেতনতা ও দৃশ্যমান সামগ্রী পঠনের ক্ষমতা সাক্ষরতা দক্ষতা হিসেবে ধরা হয়েছিল।

সময়ের সাথে সাক্ষরতার সংজ্ঞা পরিবর্তন না হয়ে সংযোজিত হয়েছে নানান শব্দ। দিন, দিন বৃদ্ধি পেয়েছে পরিধি।

১৯৯৩ সালে ইউনেস্কো একে পুণ:সংজ্ঞায়িত করে। শুধু অক্ষর জ্ঞান সম্পন্নতাই সাক্ষরতা বলা হয় না। এর সঙ্গে জীবনধারণ, যোগাযোগ দক্ষতা ও ক্ষমতায়নের দক্ষতা যুক্ত হয়েছে।

বর্তমানের সংজ্ঞায় সাক্ষরতার সঙ্গে যোগাযোগ দক্ষতা, ক্ষমতায়নের দক্ষতা, জীবন নির্বাহী দক্ষতা, প্রতিরক্ষা দক্ষতা ও সাংগঠনিক দক্ষতা সংযোজিত।

বৃহত্তর পরিসরে বলা যায়, স্বাভাবিকভাবে জীবন ধারণের জন্য ধর্মে, রাজনীতিতে, অর্থনীতিতে, সামাজিক যোগাযোগে, আচরণে ও কর্মে মানুষের নির্দেশক হলো সাক্ষরতা।

৭৭১ মিলিয়ন নিরক্ষর মানুষ পৃথিবীতে রয়েছে। করোনার পর সারা বিশ্বে প্রায় ২৪ মিলিয়ন শিক্ষার্থী বিদ্যালয়ে ফিরেনি। তাদের ১১ মিলিয়ন নারী। বাংলাদেশেও এই চিত্র ব্যতিক্রম নয়। বর্তমানে বাংলাদেশের সাক্ষরতার হার ৭৫%’র বেশি ( সূত্র-বিবিএস)। শতভাগ সাক্ষরতার নিশ্চিত করার যে প্রচেষ্টা ছিল করোনার ঢেউ এসে তা স্থবির করে দিয়েছে।

করোনার পর বিশ্ব নতুনভাবে ভাবতে বাধ্য হয়েছে। করোনার ধাক্কার পর রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে পুনরায় ভাবতে হচ্ছে বিশ্বকে। আগামীর প্রতিটি চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় থাকতে হচ্ছে চৌকসভাবে। সময়ের সাথে তৈরি হচ্ছে সুযোগ আর অমিত সম্ভাবনা। তাই প্রতিটি সম্ভাবনা এবং সুযোগকে কাজে লাগিয়ে শতভাগ সাক্ষরতা অর্জন করা দরকার।

সাক্ষরতা অর্জনে শেখানোর পদ্ধতিগুলো পরিবর্তন করতে হবে।

সাক্ষরতা দক্ষতা নিয়ে যারা কাজ করেন তাদের ভাবনায় যে বিষয়গুলো রাখা যেতে পারে সেগুলো হলো-গতানুগতিক শেখানো প্রক্রিয়া থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। সাক্ষরতা একটি জীবনব্যাপী প্রক্রিয়া। জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে সাক্ষরতা দক্ষতাগুলো কাজে লাগানো ও শেখানো। ধর্ম পালন করার সময় আচরণীয় বিষয়গুলো কী, কী হবে জানানো। নিজের ধর্ম পালনের মাধ্যমে অন্যের ধর্মের আঘাত যেন না আসে, তা জানাই হলো ধর্মীয় সাক্ষরতা।

যোগাযোগ মাধ্যম চালানোর ক্ষেত্রে ডিজিটাল সাক্ষরতা সম্পর্কে সস্পষ্টভাবে জানানো প্রয়োজন। কোন, কোন বিষয়গুলো পাবলিক করা যাবে তা জানা, ছবি, কন্টেন্ট সম্পর্কে মানসম্মত ধারণা ডিজিটাল সাক্ষরতা।

অর্থনীতিতে হিসাব নিকেশের পাশাপাশি দেশের সামগ্রীক চাহিদার কথা বিবেচনা করে সম্পদ ব্যবহারে ব্যক্তিগত কৃচ্ছতা শেখানো। নাগরিক হিসেবে সারা জীবনব্যাপী পরিবর্তনের সাথে মিলিয়ে সমস্যা সমাধান করে সামনে যাওয়ার প্রক্রিয়াগুলো আয়ত্ত করানো। তবে শেখাতে গিয়ে অবশ্যই সবার কথা বিবেচনা করা এবং বিভিন্ন শ্রেনীর মানুষের কথা বিবেচনা করতে হবে। প্রতিটি মানুষের শেখার ধরন আলাদা, বোঝার চেষ্টা করতে হবে।

সাক্ষরতা অর্জনে সবাইকে সুযোগ তৈরি করে দেওয়া প্রয়োজন।

সাক্ষরতা অর্জনের পদ্ধতিগুলো মানসম্মত ও ন্যায়সঙ্গত হতে হবে।

ডিজিটাল সাক্ষরতার ব্যপ্তি বাড়াতে হবে। ডিজিটাল যন্ত্রের ব্যবহার, ডিজিটাল যন্ত্রের মাধ্যমে সামাজিক যোগাযোগ রক্ষা করার ক্ষেত্রে কার্যকর নীতি ব্যবস্থা করা ও সবার মধ্যে সচেতনতা বাড়াতে হবে।

ডিজিটাল সাক্ষরতার সুযোগের বাইরে ও থাকা মানুষগুলোকে আগামীর কথা বিবেচনা করে ডিজিটাল সাক্ষরতা অর্জনে উৎসাহিত করতে হবে।

সাক্ষরতা নিয়ে কাজ করতে গেলে, মনে রাখতে হবে আনুষ্ঠানিক, অনানুষ্ঠানিক ও উপানুষ্ঠানিক শিক্ষার মধ্যে সমন্বয় নিশ্চিত করার কথা। সাক্ষরতা দক্ষতা অর্জনের ক্ষেত্রে নিজেকে উন্মুক্ত রাখতে হবে। যেকোন পরিবর্তনের সাথে জানতে হবে, শিখতে হবে, মানতে হবে। ধর্ম, রাজনীতি বা সমাজের দোহাই দিয়ে পিছে থাকা যাবে না। যেখানে যে সুযোগ ও সম্ভাবনা পাওয়া যাবে, তাই কুড়িয়ে নিয়ে কাজে লাগাতে হবে। মনে রাখতে হবে সেই দোলনা থেকে মৃত্যু পর্যন্ত শিখতে হবে, জানতে হবে। শিক্ষার কোন বয়স নেই, বিকল্পও নেই।

একটি জাতিকে যেকোন সমস্যা মোকাবেলা করতে হলে তাদের সুযোগ ও সম্ভাবনাগুলো কাজে লাগাতে হয়। সেই সুযোগ ও সম্ভাবনা কাজে লাগিয়ে সফলতা অর্জন করে থাকেন তারা। সফলতাগুলো সাসটেনবল করে রাখতে সকলের সাক্ষরতা দক্ষতার প্রয়োজন অপরিহায। একটি সাক্ষর জাতি এগিয়ে থাকে সময়ের চেয়েও। মননে, মানে ও গুনে বাংলাদেশের সবার সাক্ষরতা অর্জন হোক প্রত্যাশা।

সাইফুল ইসলাম তালুকদার (রনি), জনসংযোগ কর্মকর্তা, আইইবি।
সাবেক ছাত্র, আইইআর, ঢাবি।
ওএফএস।

Header Ad
Header Ad

সাতক্ষীরায় মদপানে দুই যুবকের মৃত্যু, হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ৯

ছবি: সংগৃহীত

সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলায় মদপানের ফলে দুই যুবকের মৃত্যু হয়েছে। একই ঘটনায় আরও ৯ জন গুরুতর অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এদের মধ্যে দুজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে।

মঙ্গলবার (২ এপ্রিল) দিবাগত রাত ১২টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই দুই যুবকের মৃত্যু হয়। এর আগে, ঈদের সন্ধ্যায় তারা মদপান করেন এবং রাতের মধ্যে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন।

মৃতদের মধ্যে রয়েছেন আশাশুনি উপজেলার তেতুলিয়া গ্রামের জাফর আলী খাঁর ছেলে জাকির হোসেন টিটু (৪০) ও সোহরাব গাজীর ছেলে নাজমুল গাজী (২৬)।

এ ঘটনায় অসুস্থদের মধ্যে রয়েছেন ব্রাহ্মণ তেতুলিয়া গ্রামের সাইদ সরদারের ছেলে ফারুক হোসেন, মোকামখালী গ্রামের কুদ্দুস সরদারের ছেলে ইমরান, মিত্র তেতুলিয়ার মর্জিনা খাতুনের ছেলে ইকবাল, কামরুলের ছেলে লিফটন, আজিবার সরদারের ছেলে রবিউল, শহীদ গাজীর ছেলে তুহিন, আনিসের ছেলে নাজমুলসহ আরও কয়েকজন।

গুরুতর অসুস্থদের মধ্যে ফারুক হোসেনকে সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এবং ইমরানকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে।

স্থানীয়রা জানিয়েছেন, ঈদের দিন সন্ধ্যায় আশাশুনির তেতুলিয়া শ্মশানঘাট মাঠে বসে জাকির হোসেন টিটু, নাজমুল গাজীসহ মোট ১১ জন একসঙ্গে মদপান করেন। মদপানের পর তারা বাড়ি ফিরে যান এবং ঘুমিয়ে পড়েন।

এরপর রাত ১২টার দিকে একে একে সবাই মারাত্মক অসুস্থ হয়ে পড়লে তাদের আশাশুনি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় জাকির হোসেন টিটু ও নাজমুল গাজী মারা যান। বাকি ৯ জনের চিকিৎসা চলছে।

আশাশুনি থানার ডিউটি অফিসার এসআই ফিরোজ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, "অতিরিক্ত মদ্যপানের কারণে দুইজনের মৃত্যু হয়েছে। তবে মৃত্যু অন্য কোনো কারণে হয়েছে কিনা, তা ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পাওয়ার পর নিশ্চিত হওয়া যাবে।"

নিহতদের মধ্যে একজনের মরদেহ উদ্ধার করে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় বিস্তারিত তদন্ত চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

Header Ad
Header Ad

ইরানের ড্রোন-ক্ষেপণাস্ত্র নেটওয়ার্কের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা

ছবি: সংগৃহীত

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ইরান, চীন এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের (ইউএই) একাধিক ব্যক্তি ও সংস্থার ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে। ইরানের অস্ত্র সংগ্রহ নেটওয়ার্কের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে স্থানীয় সময় মঙ্গলবার (২ এপ্রিল) মার্কিন ট্রেজারি বিভাগ এই নিষেধাজ্ঞার ঘোষণা দেয়।

এই পদক্ষেপকে ইরানের ওপর আরও চাপ সৃষ্টির একটি অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে। এর আগে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানকে সতর্ক করে বলেছিলেন, নতুন পারমাণবিক চুক্তিতে রাজি না হলে দেশটির ওপর বোমা হামলা চালানো বা নতুন শুল্ক আরোপ করা হতে পারে।

মার্কিন ট্রেজারি বিভাগ ও বিচার বিভাগ যৌথভাবে জানিয়েছে, ইরানের ড্রোন কর্মসূচির অন্যতম প্রধান নির্মাতার জন্য মানববিহীন এয়ার ভেহিকল (ইউএভি)–এর উপকরণ সংগ্রহের সঙ্গে যুক্ত ছয়টি সংস্থা ও দুই ব্যক্তির ওপর নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে।

মার্কিন ট্রেজারি সেক্রেটারি স্কট বেসেন্ট এক বিবৃতিতে বলেন, "ইরান তাদের ড্রোন এবং ক্ষেপণাস্ত্র রাশিয়াসহ তাদের প্রক্সিদের সরবরাহ করছে। রুশ বাহিনী এগুলো ইউক্রেনের বিরুদ্ধে ব্যবহার করছে, যা বেসামরিক নাগরিক, মার্কিন বাহিনী ও মিত্রদের জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে।"

তিনি আরও বলেন, "আমরা ইরানের সামরিক-শিল্প কমপ্লেক্স এবং তাদের ড্রোন, ক্ষেপণাস্ত্র ও প্রচলিত অস্ত্রের বিস্তার ব্যাহত করতে কাজ চালিয়ে যাব।"

মার্কিন ট্রেজারি বিভাগ জানিয়েছে, নতুন নিষেধাজ্ঞার আওতায় এসেছে একটি ইরান-ভিত্তিক সংস্থা, দুইজন ইরানি নাগরিক, একটি চীন-ভিত্তিক সংস্থা এবং চারটি সংযুক্ত আরব আমিরাত-ভিত্তিক সংস্থা।

এ বিষয়ে জাতিসংঘে ইরানের মিশনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলেও তারা তাৎক্ষণিকভাবে কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি।

Header Ad
Header Ad

বিশ্বব্যাপী অপপ্রচার ছড়াচ্ছে আওয়ামী লীগের দোসররা: রিজভী

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী। ছবি: সংগৃহীত

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী অভিযোগ করেছেন, আওয়ামী লীগের দোসররা বিশ্বব্যাপী অপপ্রচার চালিয়ে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার চেষ্টা করছে। তিনি বলেন, "পরাজিত শক্তি নিউইয়র্ক টাইমসে মিথ্যা তথ্য দিয়ে রিপোর্ট করিয়েছে। ফ্যাসিবাদের দোসররা হাজার হাজার কোটি টাকার মালিক হয়ে গেছে। তারা এই অবৈধ টাকা ব্যবহার করে বাংলাদেশকে কলঙ্কিত করতে চায়।"

বুধবার (২ এপ্রিল) সকালে নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব মন্তব্য করেন।

রিজভী আহমেদ অভিযোগ করেন, "শেখ হাসিনা জঙ্গি দমনের নামে একটি নাটক সাজিয়ে বিশ্ববাসীকে বিভ্রান্ত করেছেন। এটি মূলত ক্ষমতায় টিকে থাকার একটি রাজনৈতিক কৌশল ছিল। এমনকি একজন সাবেক আইজিপির বইয়েও এটি উঠে এসেছে।"

তিনি আরও বলেন, "বাংলাদেশে উগ্রবাদের কোনো উত্থান ঘটেনি। বরং বর্তমানে দেশে ফ্যাসিবাদের কোনো ছোবল নেই, মানুষ নির্বিঘ্নে ধর্মপালন করতে পারছে, কথা বলতে পারছে। এবার মানুষ নির্ভয়ে ঈদ উদযাপন করেছে, যা অতীতে সম্ভব হয়নি।"

আওয়ামী লীগ সরকারের কঠোর সমালোচনা করে বিএনপির এই নেতা বলেন, "আওয়ামী লীগ বসে নেই, তারা কালো টাকা ব্যবহার করে দেশের ভাবমূর্তি নষ্ট করছে। তারা অন্তর্ঘাতমূলক কর্মকাণ্ড চালাচ্ছে। বিদেশে পালিয়ে থাকা আওয়ামী লীগের নেতারাই দেশকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করছে।"

তিনি আরও বলেন, "শেখ হাসিনার নির্দেশে মুগ্ধ ফাইয়াজদের গুলি করে হত্যা করা হয়েছে, কিন্তু এ নিয়ে তার কোনো অনুশোচনা নেই। প্রশাসনের চারপাশে আওয়ামী লীগের দোসররা বসে আছে, যার ফলে দেশে গণতন্ত্র ও সুশাসন ভূলুণ্ঠিত হয়েছে।"

রিজভী আহমেদ দ্রুত প্রয়োজনীয় সংস্কার করে একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচন দেওয়ার দাবি জানান। তিনি বলেন, "নির্বাচনী সরকারই হচ্ছে বৈধ সরকার। নির্বাচন নিয়ে গড়িমসি সাধারণ জনগণের কাছে গ্রহণযোগ্য হবে না। নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হলে ধোঁয়াশার সৃষ্টি হবে।"

তিনি নোবেলজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে দ্রুত নির্বাচনের জন্য কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান।

Header Ad
Header Ad

সর্বশেষ সংবাদ

সাতক্ষীরায় মদপানে দুই যুবকের মৃত্যু, হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ৯
ইরানের ড্রোন-ক্ষেপণাস্ত্র নেটওয়ার্কের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা
বিশ্বব্যাপী অপপ্রচার ছড়াচ্ছে আওয়ামী লীগের দোসররা: রিজভী
দায়িত্ব নেওয়ার পর দেশে জঙ্গিবাদের উত্থানের ঘটনা ঘটেনি: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
আখাউড়ায় ট্রেনের ছাদে টিকটক বানাতে গিয়ে দুর্ঘটনা, নিহত ২
বাংলাদেশকে ভেঙে ফেলার আহ্বান ভারতের ত্রিপুরার রাজপরিবার প্রধানের
বিএনপি কখনোই নির্বাচনের পরে সংস্কারের কথা বলেনি: মির্জা ফখরুল
বিরামপুরে জমি নিয়ে বিরোধ, চাঁদা দাবি ও হামলার ঘটনায় আটক ৫
হলিউডের জনপ্রিয় অভিনেতা ভ্যাল কিলমার আর নেই
ময়মনসিংহে সিনেমা হলে যান্ত্রিক ত্রুটির জেরে দর্শকদের ভাঙচুর
সেভেন সিস্টার্স নিয়ে ড. ইউনূসের মন্তব্যে ভারতীয় রাজনীতিবিদদের তীব্র প্রতিক্রিয়া
মিয়ানমারের ভূমিকম্পে এক ইমামের ১৭০ স্বজনের মৃত্যু
ঈদের আনন্দে যমুনার দুর্গম চরে গ্রাম-বাংলার ঘুড়ি উৎসব, আনন্দে মেতে উঠে বিনোদনপ্রেমীরা!
ইমামকে ঘোড়ার গাড়িতে রাজকীয় বিদায়, দেওয়া হলো ৯ লাখ টাকার সংবর্ধনা
লন্ডনে একসঙ্গে দেখা গেলো সাবেক চার আওয়ামী মন্ত্রীকে
ঢাকায় ফিরছে ঈদযাত্রীরা, অনেকে ছুটছেন শহরের বাইরে
চট্টগ্রামের লোহাগাড়ায় আবারও সড়ক দুর্ঘটনা, নিহত ৭
বিটিভিতে আজ প্রচারিত হবে ঈদের বিশেষ ‘ইত্যাদি’
ঈদের ছুটিতে ফাঁকা ঢাকা, নেই যানজটের চিরচেনা দৃশ্য
মাদারীপুরে তিন মোটরসাইকেলের সংঘর্ষে নিহত ৪, আহত ২