শুক্রবার, ৪ এপ্রিল ২০২৫ | ২১ চৈত্র ১৪৩১
Dhaka Prokash

ভোগ বিলাসের ভাগাড়ে স্বার্থহীন এক রাজনীতিবিদ

যখন সবখানে মূল্যবোধের অবক্ষয়, ব্যক্তি স্বার্থের হীন প্রতিযোগিতা, ভোগবিলাসের বাগাড়ম্বর, ঠিক তখন বরগুনার একজন মোতালেব মৃধা চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিয়েছেন ক্ষমতাসীন দলের প্রভাবশালী নেতা হয়েও ব্যক্তি স্বার্থের ঊর্ধে থাকা যায়। উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হয়ে সারা দেশের তরুণ প্রজন্মকে তিনি শিখিয়ে দিয়েছেন- মুখে নয়, বুকেও নয়, বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে ধারণ করতে হয় যাপিত জীবনের সাথে। শুধুই মাঠে আর মঞ্চে নয়, বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে ধারণ করতে হয় ব্যক্তি জীবন থেকে পারিবারিক জীবনেও।

ক্ষমতাসীন দলের প্রভাবশালী নেতা হয়েও সারাটা জীবন বেসরকারি একটি এনজিওর চাকরি করে জীবিকা নির্বাহ করেছেন যিনি। প্রাচুর্যকে পায়ে ঠেলে সাদামাটা জীবনকেই বরণ করে নিয়েছেন যিনি। বঙ্গবন্ধুর আহবানে একাত্তরের রণাঙ্গনে গর্জে উঠেছিল যার হাতিয়ার। পঁচাত্তরের নিথর-নির্বাক-বিরান বাংলাদেশের যিনি ছিলেন প্রথম প্রতিবাদকারী। শৈশব থেকে জীবন সায়াহ্নে এসেও যিনি গেয়ে যান সোনার বাংলার গান।

তিনি বরগুনা জেলা আওয়ামী লীগের জৈষ্ঠ যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, বরগুনা জেলা এনজিও উন্নয়ন ফোরামের সভাপতি, জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ড কাউন্সিলের ডেপুটি কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল মোতালেব মৃধা। সমকালীন প্রেক্ষাপটে ক্ষমতাসীন দলের হাজারো নেতৃবৃন্দের মধ্য থেকে সাহসীকতা, সততা আর ত্যাগের নিক্তিতে যদি মাত্র পাঁচ জন নেতাকেও বাছাই করা হয় তবে সেখানেও বরগুনার মোতালেব মৃধা থাকবেন সর্বাগ্রে।

তারুণ্যের স্বর্ণালী সময়ের সবটুকু সময় যিনি উজার করে দিয়েছেন সুখী সমৃদ্ধ সোনার বাংলা গড়ার প্রত্যয়ে। দেশ-বিদেশের লোভনীয় চাকরি-বাকরি আর ব্যবসা-বাণিজ্যের মোহনীয় হাতছানিকে উপেক্ষা করে যিনি পিছিয়ে পড়া নিজ ইউনিয়নের গরিব দুঃখী মেহনতি মানুষের ভাগ্যন্নোয়নে কাঁধে তুলে নিয়েছিলেন ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যানের দায়িত্ব। সেই থেকে আজ অবধি সুদীর্ঘ এক বর্ণাঢ্য রাজনৈতিক জীবন মোতালেব মৃধার।

মোতালেব মৃধা মনে করেন, রাজনীতি নেশা হতে পারে, তবে কখনোই তা পেশা হতে পারেনা। আর তাই নিজে যেমন সারা জীবন বেসরকারি একটি এনজিওতে চাকরি করে জীবিকা নির্বাহ করেছেন, ঠিক তেমনি নিজের দুই ছেলেকেও গড়ে তুলেছেন তিনি নিজের মত করে। বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে ধারণ করে যারা ছাত্রলীগ আর আওয়ামীলীগের রাজনীতির সাথে জড়িয়ে ছিলেন ওতোপ্রতোভাবে। কিন্তু ব্যক্তি স্বার্থের কলঙ্ক যাদের তিল পরিমান স্পর্শ করতে পারেনি।

উপকূল বাংলাদেশের অবহেলিত জনপদ বরগুনা ও বরগুনাবাসীর উন্নয়নে সকল প্রকার আন্দোলন সংগ্রামে সর্বাগ্রে যাকে দেখা যায় তিনি বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল মোতালেব মৃধা। উপকূলীয় জনপদ বরগুনার সুখ দুঃখের চির সাথী তিনি। সত্তরোর্ধ বয়সের রাজর্ষিক এই নেতার ন্যায়নিষ্ঠতা, বলিষ্ঠ কন্ঠস্বর আর দীর্ঘদেহী সুদর্শন চেহারা যেন তরুণ প্রজন্মের মাঝে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কথাই মনে করিয়ে দেয় বারবার।

সম্প্রতি প্রকাশিত বিভিন্ন সংবাদ প্রতিবেদন সূত্রে জানা গেছে, আসন্ন জেলা পরিষদ নির্বাচনে দলের সৎ, শিক্ষিত, ত্যাগী ও প্রবীণ নেতাদের মূল্যায়ন করবে আওয়ামী লীগ। সেসব বিবেচনায় বরগুনা জেলা পরিষদ নির্বাচনকে ঘিরে দলীয় মনোনয়ন পেতে মোতালেব মৃধাকে কেন্দ্র করেই এখন আশার আলো দেখতে পাচ্ছেন তৃনমুল আওয়ামী লীগের একটি বড় অংশের নেতা কর্মীরা। বিশেষ করে ১৯৭৫-এর পর যাঁরা দুঃসময়ে দলের হাল ধরেছিলেন, এখনো এমপি-মন্ত্রী কিংবা জেলা পরিষদের প্রশাসক এমনকি জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি-সম্পাদকও হতে পারেননি এমন নেতাদের মধ্যে মোতালেব মৃধা অন্যতম প্রধান।

দুই মেয়াদে যাঁরা জেলা পরিষদের দায়িত্বে ছিলেন এবার তাঁদের অধিকাংশই বাদ পড়বেন দলীয় মনোনয়ন থেকে। এবার নতুন মুখ এবং দুঃসময়ের কর্মীদের মূল্যায়ন করতে চান আওয়ামী লীগ সভানেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বিশেষ করে ১৯৮১ সালে আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা দেশে ফিরে আসার পর যখন দেশ চষে বেড়িয়েছেন, তখন যেসব পুরনো নেতা পেয়েছিলেন, যাঁরা এখনো জীবিত, সব ধরনের যোগ্যতা-দক্ষতা থাকার পরেও কিছুই পাননি তাঁদের মধ্যেও বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল মোতালেব মৃধা রয়েছেন সর্বাগ্রে।

জাতির পিতার হত্যার পর যাঁরা দলের হাল ধরে ছিলেন, নির্যাতন, কষ্ট সহ্য করেছেন, দিনের পর দিন বন্দী থেকেছেন কারাগারে, যাঁরা বুকে পাথর বেঁধে দল করেছেন, এখনও জীবিত রয়েছেন এবং শারীরিকভাবে সক্ষম রয়েছেন সেসব নেতার মধ্যেও মোতালেব মৃধা রয়েছেন সর্বাগ্রে। এসব বিবেচনায় বরগুনা জেলা পরিষদ নির্বাচনকে ঘিরে দলীয় মনোনয়ন পেতে মোতালেব মৃধাকে নিয়ে আশায় বুক বেঁধেছেন মোতালেব মৃধা সমর্থিত আওয়ামী লীগ নেতা কর্মীরা।
এএজেড

Header Ad
Header Ad

চিত্রনায়িকা পরীমণির বিরুদ্ধে গৃহকর্মীর জিডি

চিত্রনায়িকা পরীমণি। ছবি: সংগৃহীত

চিত্রনায়িকা পরীমণির বিরুদ্ধে গৃহকর্মীকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে। ঢাকার ভাটারা থানায় গৃহকর্মী পিংকি আক্তার এই অভিযোগে একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন।

বৃহস্পতিবার (৩ এপ্রিল) পিংকি আক্তার এ জিডি করেন। অভিযোগে বলা হয়েছে, পরীমণির এক বছরের মেয়ে সন্তানকে খাবার খাওয়ানো নিয়ে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে গৃহকর্মীকে মারধর করা হয়।

 

ছবি: সংগৃহীত

ভাটারা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মাজহারুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, চিত্রনায়িকা পরীমণির বিরুদ্ধে নির্যাতনের অভিযোগে গৃহকর্মী থানায় জিডি করেছেন। পুলিশ ঘটনাটি তদন্ত করে দেখছে।

Header Ad
Header Ad

পেঙ্গুইন ও পাখিদের উপরেও ট্রাম্পের শুল্ক আরোপ!

ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের শুল্ক নীতির বিস্তৃতি এতদূর গিয়েছে যে, জনমানবহীন দ্বীপপুঞ্জও এর আওতায় এসেছে। ভারত মহাসাগরে অবস্থিত অ্যান্টার্কটিকার জনশূন্য হার্ড ও ম্যাকডোনাল্ড দ্বীপপুঞ্জের ওপরও যুক্তরাষ্ট্র শুল্ক আরোপ করেছে।

এই দ্বীপপুঞ্জে মানুষের কোনো বসবাস নেই, সেখানে শুধু পেঙ্গুইন, সিল এবং পরিযায়ী পাখিরা বসবাস করে। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য নীতির অংশ হিসেবে এই দ্বীপপুঞ্জের ওপরও ১০ শতাংশ শুল্ক বসানো হয়েছে। এর পাল্টা হিসেবে দ্বীপগুলোও যুক্তরাষ্ট্রের পণ্যে একই হারে শুল্ক আরোপ করেছে!

অস্ট্রেলিয়ার সরকারের ওয়েবসাইটের তথ্য অনুযায়ী, হার্ড ও ম্যাকডোনাল্ড দ্বীপ বিশ্বের অন্যতম প্রত্যন্ত ও দূরবর্তী জনশূন্য অঞ্চল। আবহাওয়া পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করে অস্ট্রেলিয়ার পশ্চিমাঞ্চলের ফ্রেম্যান্টল বন্দর থেকে সেখানে পৌঁছাতে জাহাজে কমপক্ষে ১০ দিন সময় লাগে। দ্বীপগুলোর বাসিন্দারা শুধুই বিভিন্ন প্রজাতির সংরক্ষিত পাখি, সিল এবং পেঙ্গুইন।

ট্রাম্পের এই শুল্ক নীতির বিস্তার নিয়ে অনেকে বিস্মিত। জনমানবহীন দ্বীপপুঞ্জের সঙ্গে শুল্ক-সংক্রান্ত বিরোধ সত্যিই নজিরবিহীন।

সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান

Header Ad
Header Ad

নেতাকর্মীদের মাঠে নামার নির্দেশ, আবারও শেখ হাসিনার উসকানি!

সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ছবি: সংগৃহীত

সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দলীয় নেতাকর্মীদের বিপদের মুখে ফেলে দিয়ে অতীতে ভারতে পালিয়ে গিয়েছিলেন। এবার তিনি ফের একই কৌশলে মাঠে নেমেছেন। আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয় উদ্ধারের জন্য তিনি নেতাকর্মীদের সংঘবদ্ধ হয়ে রাজপথে নামার নির্দেশ দিয়েছেন।

একটি টেলিফোন কথোপকথনে শেখ হাসিনা স্পষ্টতই বলেছেন, সামনে ও পেছনে দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে মাঠে নামতে হবে। সামনের গ্রুপ আক্রান্ত হলে পেছনের গ্রুপকে প্রতিহত করতে হবে এবং হামলাকারীদের চরম শিক্ষা দিতে হবে।

বুধবার গণমাধ্যমের হাতে আসা একটি ফোনালাপে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয় যে কোনো মূল্যে পুনরুদ্ধারের জন্য নির্দেশ দেন শেখ হাসিনা। দিল্লি থেকে টেলিফোনে যুবলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও ভোলা-৩ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য, বর্তমানে বিদেশে পলাতক নুরুন্নবী চৌধুরী শাওনকে তিনি এই নির্দেশ দেন।

এই নির্দেশনার পর আওয়ামী লীগের ভেতরেই ক্ষোভের সঞ্চার হয়েছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বেশ কয়েকজন নেতা গণমাধ্যমকে জানান, ‘শেখ হাসিনার ভুল সিদ্ধান্ত এবং কিছু হাইব্রিড আওয়ামী লীগারের দুর্নীতির কারণে দল আজ এই পরিস্থিতিতে পড়েছে। অথচ নেত্রীর এবং তার পরিবারের কোনো ক্ষতি হয়নি। তারা নিরাপদে আছেন, কিন্তু সাধারণ নেতাকর্মীরা পথে পথে মার খাচ্ছেন। এখন তিনি আবার তাদের বিপদে ঠেলে দিতে চান।’

টেলিফোন কথোপকথনে শেখ হাসিনাকে বলতে শোনা যায়, ‘তোমরা এত বড় বড় কথা বলো, অথচ এখনো কেন্দ্রীয় কার্যালয় উদ্ধার করতে পারলা না! ৫০ থেকে ১০০ জন লোক গেলে কি তোমাদের সবাইকে মেরে ফেলা হবে? লাখ লাখ লোক ঢাকায় আনার কথা বলো, অথচ একটা অফিস উদ্ধার করতে পারো না! যেভাবেই হোক, দলীয় কার্যালয় পুনরুদ্ধার করতে হবে—এটাই আমার শেষ কথা।’

জবাবে নুরুন্নবী চৌধুরী শাওন জানান, পরিকল্পনা করা হলেও কিছু কারণে সেটি বাস্তবায়ন করা হয়নি। তিনি আরও বলেন, ‘আপনার নির্দেশেই আমরা কাজ করব। শুধু ভোলা থেকেই ২০ লাখ লোক ঢাকায় সমবেত হবে। যখনই আপনার ডাক আসবে, আমরা তিন থেকে চার লাখ লোক নিয়ে ঢাকায় আসব।’

টেলিফোন আলাপে শেখ হাসিনা আরও কিছু নির্দেশনা দেন। তিনি বলেন, ‘ছোট ছোট বিক্ষোভের দরকার নেই, বড় আকারে মিছিল করতে হবে। সামনে একটি গ্রুপ থাকবে, পেছনে আরেকটি গ্রুপ। কেউ হামলা করলে পাল্টা আক্রমণ চালিয়ে তাদের শিক্ষা দিতে হবে। কেউ কাউকে কিছু দেবে না, নিজেদের অধিকার নিজেরাই আদায় করতে হবে।’

ফাঁস হওয়া কথোপকথনে শেখ হাসিনা বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বিরুদ্ধেও ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, ‘ড. ইউনূস সব জায়গায় মিথ্যা কথা বলছে। আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের হত্যা এবং তাদের বাড়িঘরে হামলার তথ্য সংগ্রহ করো। ছবি তোলো, ভিডিও করো এবং ইন্টারন্যাশনাল ক্রিমিনাল কোর্টে মামলা করার প্রস্তুতি নাও।’

জবাবে নুরুন্নবী চৌধুরী শাওন জানান, ইতোমধ্যে কিছু তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে, এবং এ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

গণতন্ত্র মঞ্চের অন্যতম নেতা ও বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক বলেন, ‘শেখ হাসিনা ও তার পরিবারের বেশির ভাগ সদস্য এবং আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতারা এখন বিদেশে আরামে আছেন। অথচ তারা দেশে থাকা নেতাকর্মীদের উসকানি দিচ্ছেন, যাতে তারা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ফের রাস্তায় নামে। কিন্তু একজন দুর্নীতিবাজ নেত্রীর জন্য সাধারণ নেতাকর্মীরা কেন ঝুঁকি নেবে?’

তিনি আরও বলেন, ‘আওয়ামী লীগ যে কৌশলে রাজনীতিতে ফেরার চেষ্টা করছে, সেটি সফল হবে বলে মনে হয় না। সাড়ে ১৫ বছরের অপশাসন, দুর্নীতি, লুটপাট, খুন-গুমের কোনো অনুশোচনা তাদের মধ্যে নেই। বরং তারা নিজেদের শাসনামলকে গৌরবান্বিত করার চেষ্টা করছে।’

উল্লেখ্য, ছাত্র-জনতার ব্যাপক গণ-অভ্যুত্থানের মুখে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা ক্ষমতাচ্যুত হন এবং দিল্লিতে পালিয়ে যান। সেখান থেকেই তিনি বিভিন্ন সময়ে দলের নেতাকর্মীদের টেলিফোনে নির্দেশনা দিচ্ছেন। সম্প্রতি তার একাধিক ফোনালাপ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে, যা নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা চলছে।

Header Ad
Header Ad

সর্বশেষ সংবাদ

চিত্রনায়িকা পরীমণির বিরুদ্ধে গৃহকর্মীর জিডি
পেঙ্গুইন ও পাখিদের উপরেও ট্রাম্পের শুল্ক আরোপ!
নেতাকর্মীদের মাঠে নামার নির্দেশ, আবারও শেখ হাসিনার উসকানি!
টাঙ্গাইলে ট্রাকচাপায় আনসার কমান্ডার নিহত
লোহাগাড়ায় সড়ক দুর্ঘটনা: না ফেরার দেশে প্রেমা, নিহত বেড়ে ১১
নিষেধাজ্ঞায় পড়লেন মেসির দেহরক্ষী, ঢুকতে পারবেন না মাঠে
শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ চাইলো বাংলাদেশ
ঈদ আনন্দে মুখরিত রংপুরের বিনোদন কেন্দ্রগুলো
লুটপাটের পর পুড়িয়ে দেওয়া হলো বিএনপি সমর্থকের বসতবাড়ি, গ্রেপ্তার ৯
ব্যাংককে ড. ইউনূস ও নরেন্দ্র মোদির দ্বিপক্ষীয় বৈঠক শুরু
দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট ইউন সুক ইওলকে অপসারণ করল আদালত
গাইবান্ধায় আওয়ামী লীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগের দুই নেতা গ্রেপ্তার
সংস্কার শেষে অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন আয়োজন করাই প্রধান লক্ষ্য: প্রধান উপদেষ্টা
নির্বাচন দিয়ে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত করতে হবে: টুকু
যৌথবাহিনীর অভিযান: ৭ দিনে গ্রেপ্তার ৩৪১
রাজধানীতে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার ধাক্কায় প্রাণ গেলো নারীর
ঈদের ছুটিতে কক্সবাজারে পর্যটকের ঢল, হোটেলে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগ
ব্যাংককে ড. মুহাম্মদ ইউনূস-নরেন্দ্র মোদির বৈঠক আজ
রাশিয়ার হয়ে ইউক্রেন যুদ্ধে অংশ নেওয়া ময়মনসিংহের ইয়াসিন নিহত
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে শুল্ক ইস্যুর ইতিবাচক সমাধান হবে: প্রধান উপদেষ্টা