শুক্রবার, ৪ এপ্রিল ২০২৫ | ২১ চৈত্র ১৪৩১
Dhaka Prokash

কৃষক-জেলের জীবন, জীবিকার ৬২ বছর

বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় এই দেশের মানুষের ক্ষুধা, দারিদ্রতা ও খাবারের যোগানের কারিগর। ৬২ বছরে পা দিয়েছে। লিখেছেন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে রাকিবুল হাসান

বাংলাদেশের প্রধান ও প্রথম বিশেষায়িত বিশ্ববিদ্যালয়। কৃষি, মৎস্য, কামার, কুমার জেলেদের বিশ্ববিদ্যালয়-‘বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়’। পুরো এশিয়া মহাদেশ ও সারা বিশ্বের অন্যতম নামকরা বিশ্ববিদ্যালয়টির আজ ৬২ বছর। সর্বশেষ স্বীকৃতি তারা পেয়েছেন নব প্রচলিত কৃষিক্ষেত্রে গুরুত্বপূণ ব্যক্তি বা এগ্রিকালচারালি ইম্পর্টেন্ট পারসন (এআইপি) সম্মাননা। লাভ করেছেন উপাচার্য ও নামী গবেষক অধ্যাপক ড. লুৎফুল হাসান। তিনি বলেছেন, “কৃষি শিক্ষা, গবেষণা ও সস্প্রসারণ’-এর পথিকৃৎ বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্ম ১৯৬১ সালের ১৮ আগষ্ট। এই দিনে বাংলাদেশের কৃষি শিক্ষক, গবেষক, কর্মকর্তাদের আমি আমাদের ভালোবাসা জানাই।”

দক্ষিণ এশিয়ার সবচেয়ে বড় ও বিশ্বের অন্যতম সেরা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য আজ শিক্ষকদের নিয়ে ভোরে দেশের জাতীয় পতাকা উড়িয়েছেন প্রশাসন ভবনের সামনে। পায়রা উড়িয়েছেন শান্তির প্রতীক হিসেবে, সব শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন, বঙ্গবন্ধুর ম্যুারালে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন। নিয়মিত কাজ বিশ্ববিদ্যালয়ের-গাছের চারা রোপণ করেছেন তারা, ছাত্র-ছাত্রীদের সংগঠনগুলোর মধ্যে গাছের চারা বিলিয়েছেন, গবেষণা জমিগুলোতে নানা ধরণের ফসলের বীজ বুনেছেন ও গবেষণা পুকুরগুলোতে ছেড়েছেন নানা গবেষণায় পাওয়া মাছের পোনা। সবখানেই তাদের অনস্বীকার্য অবদান।

এখন দেশের কৃষি, মৎস্য ও সংশ্লিষ্ট খাতগুলোর মেরুদন্ড-বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের মোট জায়গা ১২শ ৫০ একর। এখানেই আছে দেশের প্রধান গবেষণা প্রতিষ্ঠানগুলো। যেমন মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট। ময়মনসিংহ শহর থেকে ৪ কিলোমিটার দক্ষিণে তারা, ব্রহ্মপুত্র নদের তীরে। আজ থেকে ১০-১৫ বছর আগেও এ দেশের সব কৃষি, মৎস্য খাতের ছাত্র, ছাত্রীরা এখানেই উচ্চতর শিক্ষা লাভ করেছেন। এখনো ১১শর বেশি ছেলেমেয়ে তারা ভর্তি করেন। পুরো দেশে তাদের তৈরি ৫০ হাজার ছাত্র, ছাত্রী চাকরি করছেন। প্রতিটি সিটই অমূল্য।

কৃষি বিজ্ঞান ও সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রগুলোতে স্বয়ংসম্পূণ অনন্য এই বিশ্ববিদ্যালয়। কৃষি, ভেটেরিনারি, পশুপালন, কৃষি অর্থনীতি, গ্রামীণ সমাজবিজ্ঞান, কৃষি প্রকৌশল, কৃষি প্রযুক্তি, মাৎস্যবিজ্ঞান কী পড়ানো হয় না? মোট ৪৩টি বিভাগ আছে। সেমিস্টার পদ্ধতিতে। ৯ হাজার ৮শ ১৮ জন ছাত্র, ছাত্রী প্রথম বর্ষ থেকে মাস্টার্সে পড়ছেন। তাদের জন্য আছেন দেশবরেণ্য মোট ৫শ ৬৬ জন অধ্যাপক। আছে ১৪টি হল।

এই দেশের কৃষি, গবেষণা, মৎস্য ভুবনে বহু বছর ধরে প্রধান ভূমিকা রেখে চলেছেন তারা। কৃষক ও জেলের জীবন, জীবিকা তারা। দেশের মানুষের ভাত, মাছের ব্যবস্থা করেন। গবেষণা ভুবনে তাদের সাফল্য অবিশ্বাস্য ও চমকপ্রদ। ‘জৈব সার’ তাদের আবিস্কার। দুই, একটি আবিস্কার করা ফসল হলো-বাউকুল, বাউধানগুলো, বাকৃবি সরিষা, নব জাতের সয়াবিনের বীজ, বাকৃবি আলু, বাকৃবি কচু।

বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় হারিয়ে যাওয়া তারা বাইম, গুচি বাইম, বড় বাইম, কুঁচিয়া, গাঙ মাগুর, বাকৃবি কই, বাকৃবি বাটা মাছ’কে দীর্ঘ গবেষণার মাধ্যমে উন্নত কৃত্রিম প্রজনন পদ্ধতিতে দেশের ও দশের কাছে ফিরিয়ে দিয়েছে।

কটি ফসল পদ্ধতির মধ্যে আছে-পুকুর, জমিতে মাছ ও সবজির সমন্বিত চাষ, বিদ্যুতহীন হিমাগার ব্যবস্থা।

দেশের খাদ্য অর্থনীতির প্রধান শক্তি বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপকদের আবিষ্কার ও ভূমিকা কোনোদিন শেষ হবে না।

কলা, আনারসের উন্নত জাত আবিস্কার, শুকনো মৌসুমে বোরো ধান চাষ পদ্ধতি আবিস্কার তাদের আরো সাফল্য।

এই দেশের ফসলগুলোর জন্ম থেকে খাবার হিসেবে খাওয়া নির্ভর করে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ওপর।

দেশে গবাদিপশুর ভ্রূণ প্রতিস্থাপন ব্যবস্থা আবিষ্কার ও প্রচলন করেছেন তারা।

শিক্ষকরা আরো তৈরি করেছেন ছাত্র, ছাত্রীদের নিয়ে মাটি পরীক্ষার সরঞ্জাম।

মাছের রোগ প্রতিরোধকল্পে ঔষধি গাছের ব্যবহার তাদের নব আবিস্কার।

হাওড়াঞ্চলে সমন্বিত চাষাবাদ কৌশল গড়েছেন।

ইলিশের জীবন রহস্য উন্মোচন করেছেন।

হারিয়ে যাওয়া ব্ল্যাক বেঙ্গল গোটের জীবন রহস্য উন্মোচন তাদের অনন্য কীর্তি। আরো কত যে সাফল্য আছে।

‘বাংলাদেশ এগ্রিকালচারার ইউনিভার্সিটি জার্মপ্লাজম সেন্টার’ অত্যন্ত পরিণত হয়েছে দিনে, দিনে।

তাদের আছে বহু সংগঠন।

অসংখ্য কৃতি ছাত্র, ছাত্রী ও গবেষক আছেন।

এআইপি-বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. লুৎফুল হাসান জন্মদিনে তাদের সকল ছাত্র, ছাত্রী ও শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী এবং এই দেশের কৃষক, কামার, কুমার, জেলেকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। তিনি আরো বলেছেন, ‘আপনারা জানেন, আমাদের অবদানে জন্মভূমি বাংলাদেশ খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ হয়েছে। খাদ্য স্বয়ংসম্পূর্ণ করার যে চ্যালেঞ্জগুলো আমরা গ্রহণ করেছিলাম, মোকাবেলা করেছি, তাতে জয়লাভ করেছি। এই বিপুল জনসংখ্যার দেশ থেকে আমরা খাদ্য রপ্তানি করতে সক্ষম হচ্ছি। বাংলাদেশের মানুষের ক্ষুধাকে জয় করেছি, খাবারের অভাব পূরণ করে দিয়েছি। দেশে মঙ্গার অবসান ঘটিয়েছি। মানুষের মাঝে নিরাপদ খাদ্য পৌঁছে দিয়ে চলেছি। আমাদের সকল ছাত্র, ছাত্রীরা দক্ষতার সঙ্গে নানা খাতে দেশে ও বিদেশে সুনামের সঙ্গে চাকরি এবং কাজ করে যাচ্ছেন। তাদের মাধ্যমেই আমরা বিশ্বমানের বিশ্ববিদ্যালয়ে পরিণত হয়েছি। আগামী দিনগুলোতে আরো সুনাম অজন করব।’

অধ্যাপক ড. লুৎফুল হাসান একজন নামকরা কৃতি শিক্ষক, গবেষক ও শিক্ষা প্রশাসক। তিনি লবণাক্ততা সহিষ্ণু তিনটি সরিষা আবিস্কার করেছেন। বাউধান-৩ আবিস্কারক দলের অন্যতম গবেষক। বিশ্ববিদ্যালয়ের জেনেটিকস অ্যান্ড প্লান্ট ব্রিডিং বিভাগের অধ্যাপক।

ওএফএস।

Header Ad
Header Ad

চিত্রনায়িকা পরীমণির বিরুদ্ধে গৃহকর্মীর জিডি

চিত্রনায়িকা পরীমণি। ছবি: সংগৃহীত

চিত্রনায়িকা পরীমণির বিরুদ্ধে গৃহকর্মীকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে। ঢাকার ভাটারা থানায় গৃহকর্মী পিংকি আক্তার এই অভিযোগে একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন।

বৃহস্পতিবার (৩ এপ্রিল) পিংকি আক্তার এ জিডি করেন। অভিযোগে বলা হয়েছে, পরীমণির এক বছরের মেয়ে সন্তানকে খাবার খাওয়ানো নিয়ে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে গৃহকর্মীকে মারধর করা হয়।

 

ছবি: সংগৃহীত

ভাটারা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মাজহারুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, চিত্রনায়িকা পরীমণির বিরুদ্ধে নির্যাতনের অভিযোগে গৃহকর্মী থানায় জিডি করেছেন। পুলিশ ঘটনাটি তদন্ত করে দেখছে।

Header Ad
Header Ad

পেঙ্গুইন ও পাখিদের উপরেও ট্রাম্পের শুল্ক আরোপ!

ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের শুল্ক নীতির বিস্তৃতি এতদূর গিয়েছে যে, জনমানবহীন দ্বীপপুঞ্জও এর আওতায় এসেছে। ভারত মহাসাগরে অবস্থিত অ্যান্টার্কটিকার জনশূন্য হার্ড ও ম্যাকডোনাল্ড দ্বীপপুঞ্জের ওপরও যুক্তরাষ্ট্র শুল্ক আরোপ করেছে।

এই দ্বীপপুঞ্জে মানুষের কোনো বসবাস নেই, সেখানে শুধু পেঙ্গুইন, সিল এবং পরিযায়ী পাখিরা বসবাস করে। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য নীতির অংশ হিসেবে এই দ্বীপপুঞ্জের ওপরও ১০ শতাংশ শুল্ক বসানো হয়েছে। এর পাল্টা হিসেবে দ্বীপগুলোও যুক্তরাষ্ট্রের পণ্যে একই হারে শুল্ক আরোপ করেছে!

অস্ট্রেলিয়ার সরকারের ওয়েবসাইটের তথ্য অনুযায়ী, হার্ড ও ম্যাকডোনাল্ড দ্বীপ বিশ্বের অন্যতম প্রত্যন্ত ও দূরবর্তী জনশূন্য অঞ্চল। আবহাওয়া পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করে অস্ট্রেলিয়ার পশ্চিমাঞ্চলের ফ্রেম্যান্টল বন্দর থেকে সেখানে পৌঁছাতে জাহাজে কমপক্ষে ১০ দিন সময় লাগে। দ্বীপগুলোর বাসিন্দারা শুধুই বিভিন্ন প্রজাতির সংরক্ষিত পাখি, সিল এবং পেঙ্গুইন।

ট্রাম্পের এই শুল্ক নীতির বিস্তার নিয়ে অনেকে বিস্মিত। জনমানবহীন দ্বীপপুঞ্জের সঙ্গে শুল্ক-সংক্রান্ত বিরোধ সত্যিই নজিরবিহীন।

সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান

Header Ad
Header Ad

নেতাকর্মীদের মাঠে নামার নির্দেশ, আবারও শেখ হাসিনার উসকানি!

সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ছবি: সংগৃহীত

সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দলীয় নেতাকর্মীদের বিপদের মুখে ফেলে দিয়ে অতীতে ভারতে পালিয়ে গিয়েছিলেন। এবার তিনি ফের একই কৌশলে মাঠে নেমেছেন। আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয় উদ্ধারের জন্য তিনি নেতাকর্মীদের সংঘবদ্ধ হয়ে রাজপথে নামার নির্দেশ দিয়েছেন।

একটি টেলিফোন কথোপকথনে শেখ হাসিনা স্পষ্টতই বলেছেন, সামনে ও পেছনে দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে মাঠে নামতে হবে। সামনের গ্রুপ আক্রান্ত হলে পেছনের গ্রুপকে প্রতিহত করতে হবে এবং হামলাকারীদের চরম শিক্ষা দিতে হবে।

বুধবার গণমাধ্যমের হাতে আসা একটি ফোনালাপে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয় যে কোনো মূল্যে পুনরুদ্ধারের জন্য নির্দেশ দেন শেখ হাসিনা। দিল্লি থেকে টেলিফোনে যুবলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও ভোলা-৩ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য, বর্তমানে বিদেশে পলাতক নুরুন্নবী চৌধুরী শাওনকে তিনি এই নির্দেশ দেন।

এই নির্দেশনার পর আওয়ামী লীগের ভেতরেই ক্ষোভের সঞ্চার হয়েছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বেশ কয়েকজন নেতা গণমাধ্যমকে জানান, ‘শেখ হাসিনার ভুল সিদ্ধান্ত এবং কিছু হাইব্রিড আওয়ামী লীগারের দুর্নীতির কারণে দল আজ এই পরিস্থিতিতে পড়েছে। অথচ নেত্রীর এবং তার পরিবারের কোনো ক্ষতি হয়নি। তারা নিরাপদে আছেন, কিন্তু সাধারণ নেতাকর্মীরা পথে পথে মার খাচ্ছেন। এখন তিনি আবার তাদের বিপদে ঠেলে দিতে চান।’

টেলিফোন কথোপকথনে শেখ হাসিনাকে বলতে শোনা যায়, ‘তোমরা এত বড় বড় কথা বলো, অথচ এখনো কেন্দ্রীয় কার্যালয় উদ্ধার করতে পারলা না! ৫০ থেকে ১০০ জন লোক গেলে কি তোমাদের সবাইকে মেরে ফেলা হবে? লাখ লাখ লোক ঢাকায় আনার কথা বলো, অথচ একটা অফিস উদ্ধার করতে পারো না! যেভাবেই হোক, দলীয় কার্যালয় পুনরুদ্ধার করতে হবে—এটাই আমার শেষ কথা।’

জবাবে নুরুন্নবী চৌধুরী শাওন জানান, পরিকল্পনা করা হলেও কিছু কারণে সেটি বাস্তবায়ন করা হয়নি। তিনি আরও বলেন, ‘আপনার নির্দেশেই আমরা কাজ করব। শুধু ভোলা থেকেই ২০ লাখ লোক ঢাকায় সমবেত হবে। যখনই আপনার ডাক আসবে, আমরা তিন থেকে চার লাখ লোক নিয়ে ঢাকায় আসব।’

টেলিফোন আলাপে শেখ হাসিনা আরও কিছু নির্দেশনা দেন। তিনি বলেন, ‘ছোট ছোট বিক্ষোভের দরকার নেই, বড় আকারে মিছিল করতে হবে। সামনে একটি গ্রুপ থাকবে, পেছনে আরেকটি গ্রুপ। কেউ হামলা করলে পাল্টা আক্রমণ চালিয়ে তাদের শিক্ষা দিতে হবে। কেউ কাউকে কিছু দেবে না, নিজেদের অধিকার নিজেরাই আদায় করতে হবে।’

ফাঁস হওয়া কথোপকথনে শেখ হাসিনা বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বিরুদ্ধেও ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, ‘ড. ইউনূস সব জায়গায় মিথ্যা কথা বলছে। আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের হত্যা এবং তাদের বাড়িঘরে হামলার তথ্য সংগ্রহ করো। ছবি তোলো, ভিডিও করো এবং ইন্টারন্যাশনাল ক্রিমিনাল কোর্টে মামলা করার প্রস্তুতি নাও।’

জবাবে নুরুন্নবী চৌধুরী শাওন জানান, ইতোমধ্যে কিছু তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে, এবং এ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

গণতন্ত্র মঞ্চের অন্যতম নেতা ও বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক বলেন, ‘শেখ হাসিনা ও তার পরিবারের বেশির ভাগ সদস্য এবং আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতারা এখন বিদেশে আরামে আছেন। অথচ তারা দেশে থাকা নেতাকর্মীদের উসকানি দিচ্ছেন, যাতে তারা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ফের রাস্তায় নামে। কিন্তু একজন দুর্নীতিবাজ নেত্রীর জন্য সাধারণ নেতাকর্মীরা কেন ঝুঁকি নেবে?’

তিনি আরও বলেন, ‘আওয়ামী লীগ যে কৌশলে রাজনীতিতে ফেরার চেষ্টা করছে, সেটি সফল হবে বলে মনে হয় না। সাড়ে ১৫ বছরের অপশাসন, দুর্নীতি, লুটপাট, খুন-গুমের কোনো অনুশোচনা তাদের মধ্যে নেই। বরং তারা নিজেদের শাসনামলকে গৌরবান্বিত করার চেষ্টা করছে।’

উল্লেখ্য, ছাত্র-জনতার ব্যাপক গণ-অভ্যুত্থানের মুখে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা ক্ষমতাচ্যুত হন এবং দিল্লিতে পালিয়ে যান। সেখান থেকেই তিনি বিভিন্ন সময়ে দলের নেতাকর্মীদের টেলিফোনে নির্দেশনা দিচ্ছেন। সম্প্রতি তার একাধিক ফোনালাপ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে, যা নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা চলছে।

Header Ad
Header Ad

সর্বশেষ সংবাদ

চিত্রনায়িকা পরীমণির বিরুদ্ধে গৃহকর্মীর জিডি
পেঙ্গুইন ও পাখিদের উপরেও ট্রাম্পের শুল্ক আরোপ!
নেতাকর্মীদের মাঠে নামার নির্দেশ, আবারও শেখ হাসিনার উসকানি!
টাঙ্গাইলে ট্রাকচাপায় আনসার কমান্ডার নিহত
লোহাগাড়ায় সড়ক দুর্ঘটনা: না ফেরার দেশে প্রেমা, নিহত বেড়ে ১১
নিষেধাজ্ঞায় পড়লেন মেসির দেহরক্ষী, ঢুকতে পারবেন না মাঠে
শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ চাইলো বাংলাদেশ
ঈদ আনন্দে মুখরিত রংপুরের বিনোদন কেন্দ্রগুলো
লুটপাটের পর পুড়িয়ে দেওয়া হলো বিএনপি সমর্থকের বসতবাড়ি, গ্রেপ্তার ৯
ব্যাংককে ড. ইউনূস ও নরেন্দ্র মোদির দ্বিপক্ষীয় বৈঠক শুরু
দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট ইউন সুক ইওলকে অপসারণ করল আদালত
গাইবান্ধায় আওয়ামী লীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগের দুই নেতা গ্রেপ্তার
সংস্কার শেষে অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন আয়োজন করাই প্রধান লক্ষ্য: প্রধান উপদেষ্টা
নির্বাচন দিয়ে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত করতে হবে: টুকু
যৌথবাহিনীর অভিযান: ৭ দিনে গ্রেপ্তার ৩৪১
রাজধানীতে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার ধাক্কায় প্রাণ গেলো নারীর
ঈদের ছুটিতে কক্সবাজারে পর্যটকের ঢল, হোটেলে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগ
ব্যাংককে ড. মুহাম্মদ ইউনূস-নরেন্দ্র মোদির বৈঠক আজ
রাশিয়ার হয়ে ইউক্রেন যুদ্ধে অংশ নেওয়া ময়মনসিংহের ইয়াসিন নিহত
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে শুল্ক ইস্যুর ইতিবাচক সমাধান হবে: প্রধান উপদেষ্টা