শুক্রবার, ৪ এপ্রিল ২০২৫ | ২১ চৈত্র ১৪৩১
Dhaka Prokash

‘হাওয়া’র রাজনীতি ও রাজনীতির ‘হাওয়া’

আবু নাছের ভূঁইয়া

বাংলাদেশের মাথাপিছু আয় ৫শ ৩২ ডলারে আসতে ১৯৭২ ‘৭৩ সাল থেকে শুরু করে ২০০৬ সাল পর্যন্ত ৩৪ বছর সময় লেগেছে। আর ২০০৭-’০৮ সাল থেকে ২০১৯-২০ সালে পৌঁছে, ১১ বছরে মাথাপিছু আয় প্রায় চারগুণ হয়েছে। অনেক বেড়ে হয়েছে ২ হাজার ৬৪ মার্কিন ডলার। গত একটি বছর ২০২১-’২২ অর্থ বছরে আমাদের মাথাপিছু আয় প্রায় সাড়ে ৮শ ডলারের বেশি হয়েছে। এখন জনপ্রতি বাংলাদেশীদের মাথাপিছু আয় ২ হাজার ৯০০ ডলার। নেতৃত্বের দূরদর্শিতা ও ক্যারিশমায় শেখ হাসিনা চমক দেখিয়েছেন। কাল যেখানে আঁধার ছিল, আজ সেখানে আলো। কাল যেখানে মন্দ ছিল, আজ সেখানে ভালো।

আন্তর্জাতিক তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি দুর্নীতি হয় ২০০১ থেকে ২০০৬ বেগম খালেদা জিয়ার শাসনামলে। ২০০১ সালে যুদ্ধাপরাধী জামায়াতকে জোটে নিয়ে নির্বাচনের বৈতরণী পার হয়ে ক্ষমতায় এলেন বিএনপি প্রধান বেগম খালেদা জিয়া।

প্রধানমন্ত্রী হলেও তার দেশের অর্থনীতি, রাজনীতি ও শাসন ব্যবস্থায় একচ্ছত্র আধিপত্য স্থাপন করে এবং দুর্নীতির বরপুত্র তারেক জিয়া ও তার কলঙ্কজনক অধ্যায়ের আঁতুড়ঘর হিসেবে অধিক পরিচিত হাওয়া ভবন গড়ে উঠেছে, খবরে প্রকাশ।

হাওয়া ভবনের কল্যাণে জর্জ মিয়া নাটক থেকে শুরু করে এমন কোন খাত নেই যে খাতে চরম দুর্নীতি, দুর্দশার চিত্র বাংলাদেশ দেখেনি। যোগাযোগ ব্যবস্থা, বিদ্যুৎ, স্বাস্থ্যখাত, অর্থনীতি, ব্যবসা, বাণিজ্য, সন্ত্রাস, জঙ্গি, মদদদাতাসহ প্রায় সব ক্ষেত্রেই তখনকার বাংলাদেশ ছিল দুর্নীতিতে ঠাসা। পেছনে কলকাঠি নাড়াতেন হাওয়া ভবনের তারেক জিয়া ও তার দোসররা। আওয়ামী লীগের নেতারা কর্মকান্ডগুলোতে ‘দুর্নীতির বরপুত্র’, ‘তারেক জিয়া মি. ১০ পার্সেন্ট’ ইত্যাদিতে অভিহিত করতেন। তখন দুর্নীতিতে বাংলাদেশ ৫ বার বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হয়েছে। মোটা দাগে শিরোনাম হয়েছে দেশীয় ও আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমগলোতে। প্যারাডাইস পেপারস, উইকিলিকস-সব মাধ্যমেই উঠে আসেন বেগম খালেদা জিয়ার সুপুত্র। সীমাহীন দুর্নীতির তথ্য ছড়ালো তার জীবনে। তিনি কী ভেবেছিলেন এভাবেই বাংলাদেশে অন্ধকারের রাজত্ব প্রতিষ্ঠা করবেন? ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলার মাধ্যমে ক্ষমতার রাজনীতি থেকে চিরতরে সরিয়ে দিতে চেয়েছিলেন শেখ হাসিনা ও তার আওয়ামী লীগকে।

খালেদা জিয়া সরকারের দু:শাসন, সীমাহীন দুর্নীতি ও অরাজকতার মধ্যে এক-এগারোর সরকার দেশে আবির্ভূত হয়েছে। দুর্নীতির দায়ে গ্রেফতার হয়েছেন তারেক জিয়াও। অথচ তার উল্টো চিত্র আজকের বাংলাদেশ। এ দেশের প্রধানমন্ত্রী ও জননেত্রী শেখ হাসিনা সৎ এবং দুর্নীতিমুক্ত থাকায় বিশ্ব দরবারে অনন্য উচ্চতায় আসীন হয়েছেন।

সম্প্রতি ইউরোপের একটি গবেষণা সংস্থা ‘পিপলস এন্ড পলিটিক্স’ বিশ্বের পাঁচটি সরকার ও রাষ্ট্রপ্রধানকে চিহ্নিত করেছেন, যাদের কোনো দুর্নীতেই স্পর্শ করেনি। তাদের বিদেশে কোন ব্যাংক একাউন্ট নেই, উল্লেখ করার মতো সম্পদই নেই। ১৭৩টি দেশের সরকার ও রাষ্ট্রপ্রধানকে ১শ নম্বরের ভিত্তিতে নম্বর প্রদান করা হয়েছে। তালিকায় প্রথম স্থান অধিকার করেছেন জার্মানির সাবেক চ্যান্সেলর অ্যাঞ্জেলা মার্কেল। তার স্কোর ৯০। দ্বিতীয় সিঙ্গাপুরের প্রধানমন্ত্রী লি সিয়েন লুং, তার ৮৮। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ৮৭ স্কোর পেয়ে তালিকাটিতে তৃতীয়। নরওয়ের প্রধানমন্ত্রী ইরনা সোলবার্গ, ইরানের প্রেসিডেন্ট হাসান রুহানী চতুর্থ ও পঞ্চম। তাদের স্কোর ৮৫ এবং ৮১। প্রতিবেদনটিতে আরও বলা হয়েছে, বাংলাদেশের ৭৮ শতাংশ মানুষই মনে করেন, শেখ হাসিনা দুর্নীতিমুক্ত, লোভ-লালসার ঊর্ধ্বে। ছোটখাটো কোনো দুর্নীতিই তাকে স্পর্শ করতে পারেনি।

১/১১তে গ্রেফতারের পর জিজ্ঞাসাবাদে তারেক জিয়া বিভিন্ন দুর্নীতির কথা স্বীকার করেছেন। ২০০৮ সালে তিনি মুচলেকা দিয়ে জামিনে মুক্ত হয়েছে। মুচলেকা দিয়ে লন্ডনে চলে যান। সেই থেকে লন্ডনে বসবাস। এর মধ্যে তার মা জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলা, জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলা, মানি লন্ডারিং মামলা, ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলাসহ অন্যান্য মামলাগুলোর রায়ে যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত হয়েছেন। দন্ডপ্রাপ্ত পলাতক আসামী হিসেবে লন্ডনে জীবনযাপন করছেন। কেন? কোথা থেকে আসে তারেক রহমানের গাড়ি-বাড়ি? বাংলায় প্রবাদ আছে ‘কয়লা ধুলেও ময়লা যায় না।’ তারেক রহমানের ক্ষেত্রে যথাযথ। লন্ডনে বসে টাকা কামাচ্ছেন। বিএনপির লন্ডন শাখায় নির্বাচন, মনোনয়ন, রাজনীতি চলছে। তিনি স্কাইপের মাধ্যমেও সচল রেখেছেন।

বিএনপি ২০১৪ সালের নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে পারেনি। ২০১৮ নির্বাচনে মনোনয়নের নামে তারেক রহমান সেখানে খুলে বসেছেন নির্বাচন কেন্দ্র। মনোনয়ন।

বিএনপির দুর্দিনে, নেতা, কর্মীরা ৩০০ আসনে ৯০০ জন মনোনয়ন পেয়ে যান। টাকার শক্তি রাজনৈতিক শক্তির চেয়েও অধিক! ব্যবসায়ী বা অন্য যে কোনো পেশার, যাদের রাজনৈতিক সম্পৃক্ততার চেয়ে টাকার শক্তি বেশি ও তারেক জিয়া। তার চাহিদায় মনোনয়ন দেন কী?

দলের খারাপ অবস্থায় বিএনপি আইনজীবী সানাউল্লাহ মিয়া, চাঁদপুরে এহসানুল হক মিলন, নারায়ণগঞ্জে তৈমুর আলম খন্দকারের মত ত্যাগী নেতারা মনোনয়ন থেকে বঞ্চিত হয়েছেন।

আবার যারা মনোনয়ন হারান, তাদের অনেকের কর্মীরা বিএনপির অফিসগুলোতে হামলা, ভাঙচুর, তালা লাগানোর মতো ঘটনা ঘটিয়েছেন। তিন বারের প্রধানমন্ত্রী, সেক্টর কমান্ডার জিয়াউর রহমানের বিধবা স্ত্রী ৭৬ বছরের বছরের বৃদ্ধ মা পড়ে আছেন জেলে, কেন?

কথায় আছে, ‘ঢেঁকি স্বর্গে গেলেও ধান ভানে।’ তারেক জিয়া লন্ডনে গিয়েও কৃতকর্ম থেকে নিজেকে সরাতে পারেননি। একই আসনে একাধিক ব্যক্তিকে মনোনয়ন দিয়ে তিনি বিএনপির মধ্যে বিশৃঙ্খলা তৈরি করেছিলেন। বিএনপির রাজনীতিকে কলুষিত করেছেন। এত কিছুর পরেও তারেকের কোনো পরিবর্তন হয়নি কেন? তিনি যদি ২০১৮ নির্বাচনের মনোনয়ন নিয়ে লন্ডনে কাজ করতে পারেন, তাহলে দেশে ফিরতে পারলে কী করবেন? এমনসব নীতি অবলম্বন করার কারণেই সমালোচকরা বলেন, বিএনপি এলিটদের ক্লাব।

উইকিলিকসের একটি তথ্য, ঢাকায় মার্কিন দূতাবাস ২০০৮ সালের ৩ নভেম্বর তৎকালীন রাষ্ট্রদূত জেমস. এফ. মরিয়ার্টি তার দেশ মার্কিন যুক্তনাষ্ট্রের উচ্চ মহলে একটি গোপন তারবার্তায় তারেক সম্পর্কে লিখেছেন, সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার ছেলে তারেক রহমান মার্কিন সরকারের তিনটি লক্ষ্য- গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা, উন্নয়ন ও জঙ্গিবাদ নির্মূলের মিশনকে প্রচণ্ডভাবে হুমকির সম্মুখীন করেছেন, আইনের প্রতি তার প্রকাশ্য অশ্রদ্ধা বাংলাদেশে জঙ্গিদের মূল শক্ত করতে সহায়তা করেছে।’

লেখক : শিক্ষক, সাংবাদিক ও গবেষক।

ছবিটি প্রতীকি।

 

Header Ad
Header Ad

এক দিনেই পাঁচ রাষ্ট্রপ্রধানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন ড. ইউনূস

শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রী হরিনি অমরসুরিয়ার সঙ্গেও বৈঠক করছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। ছবি: সংগৃহীত

বঙ্গোপসাগরীয় দেশগুলোর আঞ্চলিক সহযোগিতা জোট বিমসটেকের দ্বিতীয় দিনে পাঁচ রাষ্ট্রপ্রধানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। শুক্রবার (৪ এপ্রিল) বিমসটেক সম্মেলন শেষে প্রথমে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে বৈঠক করেন তিনি।

এরপর থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী পেতংতার্নের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে মিলিত হন ড. ইউনূস। থাই প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশকে দুই বছরের জন্য বিমসটেকের সভাপতি নির্বাচিত হওয়ায় অভিনন্দন জানান এবং পারস্পরিক সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

পরে ভুটানের প্রধানমন্ত্রী শেরিং তোবগের সঙ্গে বৈঠকে বসেন ড. ইউনূস। আঞ্চলিক উন্নয়ন ও পারস্পরিক সহায়তা নিয়ে আলোচনা করেন তারা। একই দিন শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রী হরিনি অমরসুরিয়ার সঙ্গে হোটেল সাংগ্রিলায় বৈঠক করেন ড. ইউনূস, যেখানে অর্থনৈতিক উন্নয়নে সহযোগিতার বিষয়টি উঠে আসে।

বিকেলে মিয়ানমারের সরকার প্রধানের সঙ্গে হেঁটে হেঁটে বিভিন্ন ইস্যুতে আলাপ করেন ড. ইউনূস।

এদিকে, বৈঠকের পর নরেন্দ্র মোদি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে পোস্ট করেন—“বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছি। ভারত বাংলাদেশের সঙ্গে গঠনমূলক ও জনকেন্দ্রিক সম্পর্কের প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।” তিনি আরও বলেন, “বাংলাদেশে শান্তি, স্থিতিশীলতা, অন্তর্ভুক্তি ও গণতন্ত্রের প্রতি ভারতের সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেছি। সীমান্ত নিরাপত্তা ও সংখ্যালঘুদের সুরক্ষা নিয়ে আলোচনা করেছি।”

উল্লেখ্য, ১৯৯৭ সালে প্রতিষ্ঠিত বিমসটেক বর্তমানে বাণিজ্য, প্রযুক্তি, পরিবহন, জ্বালানি ও সন্ত্রাসবাদ দমনের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ আন্তঃআঞ্চলিক জোট হিসেবে কাজ করছে।

Header Ad
Header Ad

যুক্তরাষ্ট্র চলতি বছর ৬৮২ ভারতীয়কে ফেরত পাঠিয়েছে

ছবি: সংগৃহীত

চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে মার্চ পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র মোট ৬৮২ জন ভারতীয়কে ফেরত পাঠিয়েছে। এদের মধ্যে অধিকাংশই অবৈধভাবে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের চেষ্টা করেছিলেন। শুক্রবার (৪ এপ্রিল) ভারতের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী কীর্তিবর্ধন সিংহ লোকসভায় এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, সীমান্তে আটক হওয়া ভারতীয়দের নথিপত্র যাচাইয়ের পর যুক্তরাষ্ট্র তাদের প্রত্যাবাসন করে। একই সঙ্গে ভারত সরকার অবৈধ অভিবাসন ও মানব পাচার নিয়ে উদ্বিগ্ন এবং এই সমস্যা মোকাবিলায় মার্কিন প্রশাসনের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রেখে চলছে। অপরাধমূলক অভিবাসন চক্রের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলেও জানান তিনি।

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, শিক্ষার্থী, পর্যটক এবং পেশাদারদের আমেরিকা যাতায়াতে যাতে কোনো সমস্যা না হয়, সেদিকেও নজর দিচ্ছে মোদী সরকার। মার্কিন কর্তৃপক্ষ যে ভারতীয় নাগরিকদের তালিকা পাঠায়, তা গুরুত্ব সহকারে যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়।

এদিকে, জালিয়াতির দায়ে অভিযুক্ত ট্রাভেল এজেন্টদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নিতে সক্রিয় হয়েছে ভারত সরকার। মানব পাচারচক্রের সঙ্গে এজেন্টদের যোগসূত্র রয়েছে কি না, তা-ও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

Header Ad
Header Ad

কাকে বিয়ে করলেন জনপ্রিয় অভিনেতা শামীম?

ছবি: সংগৃহীত

জনপ্রিয় অভিনেতা শামীম হাসান সরকার অবশেষে বিয়ের পিঁড়িতে বসেছেন।

শুক্রবার (৪ এপ্রিল) সন্ধ্যায় নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক প্রোফাইলে একটি পোস্ট দিয়ে বিয়ের খবর জানিয়েছেন তিনি। স্ত্রীর সঙ্গে তোলা একটি ছবি দিয়ে প্রোফাইল পিকচার পরিবর্তন করে ক্যাপশনে লিখেছেন— "আলহামদুলিল্লাহ কবুল। আপনারা আমাদের জন্য দোয়া করবেন।"

এরপর পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে তোলা ছবি কাভার ফটো হিসেবে পোস্ট করেছেন এই অভিনেতা। ছবিতে অন্তর্বর্তী সরকারের রেল উপদেষ্টা ফাওজুল কবির খানকেও দেখা গেছে।

 

তবে স্ত্রীর পরিচয় সম্পর্কে ফেসবুক পোস্টে কিছু উল্লেখ করেননি শামীম।

Header Ad
Header Ad

সর্বশেষ সংবাদ

এক দিনেই পাঁচ রাষ্ট্রপ্রধানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন ড. ইউনূস
যুক্তরাষ্ট্র চলতি বছর ৬৮২ ভারতীয়কে ফেরত পাঠিয়েছে
কাকে বিয়ে করলেন জনপ্রিয় অভিনেতা শামীম?
ঢাকার পথে প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ইউনূস
মানিকগঞ্জে বাঁশঝাড়ে কার্টনে মিললো তরুণীর লাশ
ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ
দেশে তীব্র তাপপ্রবাহ নিয়ে বড় দুঃসংবাদ
হাসিনাকে ফেরানো নিয়ে আলোচনা হয়েছে তবে এ বিষয়ে আর কিছু বলা সম্ভব নয় : বিক্রম মিশ্রি
মার্কিন গাড়ি আমদানিতে ২৫% শুল্ক আরোপের ঘোষণা কানাডার
প্রথম ধাপে ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গাকে ফেরত নেবে মিয়ানমার
বিমসটেকের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব নিল বাংলাদেশ
চিকেনস নেকে ভারী যুদ্ধাস্ত্র মোতায়েন করল ভারত
চিত্রনায়িকা পরীমণির বিরুদ্ধে গৃহকর্মীর জিডি
পেঙ্গুইন ও পাখিদের উপরেও ট্রাম্পের শুল্ক আরোপ!
নেতাকর্মীদের মাঠে নামার নির্দেশ, আবারও শেখ হাসিনার উসকানি!
টাঙ্গাইলে ট্রাকচাপায় আনসার কমান্ডার নিহত
লোহাগাড়ায় সড়ক দুর্ঘটনা: না ফেরার দেশে প্রেমা, নিহত বেড়ে ১১
নিষেধাজ্ঞায় পড়লেন মেসির দেহরক্ষী, ঢুকতে পারবেন না মাঠে
শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ চাইলো বাংলাদেশ
ঈদ আনন্দে মুখরিত রংপুরের বিনোদন কেন্দ্রগুলো