শুক্রবার, ৪ এপ্রিল ২০২৫ | ২১ চৈত্র ১৪৩১
Dhaka Prokash

‘কবিতা’য় জুবায়েদ মোস্তফার ‘বন্ধন’

ছেলেটি খুব ভালো। মেধাবীও বটে। পড়ালেখা করেছেন চট্টগ্রাম বিভাগের ব্রাক্ষ্মণবাড়িয়া জেলার সুহিলপুর ইউনিয়নের জিল্লুর রহমান উচ্চ বিদ্যালয়ে। সেখান থেকে এসএসসিতে ভালো ফলাফল করেছেন। তাও আবার বিজ্ঞানে। এরপর পড়েছেন বাংলাদেশ গ্যাস ফিল্ড স্কুল অ্যান্ড কলেজে। এটি জেলাটির অন্যতম সেরা বিদ্যায়তন। কলেজেও তিনি ভালো ফল করেছেন। তারপর উচ্চশিক্ষার স্বপ্ন নিয়ে বাংলাদেশের অন্যতম সেরা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি শিক্ষা-গবেষণা প্রতিষ্ঠান বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র হয়েছেন মেধা ও যোগ্যতায় লড়াই করে। ও বলাই হলো না, নামটি তার জুবায়েদ মোস্তফা। তিনি এসএসসি ও এইচএসসি বিজ্ঞান-২০১৬ এবং দুটি বছর পর।
এখন লোকপ্রশাসন বিভাগের ছাত্র। দ্বিতীয় বর্ষে পড়েন। সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের অন্যতম নামকরা ও সেরা বিভাগ এটি বরাবর, বাংলাদেশের সব বিশ্ববিদ্যালয়ে। জুবায়েদ আসলে একজন কবি। ছোটকাল থেকে তার সাহিত্যপ্রীতি আছে। ভালোবাসেন পড়তে। অসাধারণ তার মেধাশক্তি, লেখার প্রতি নিবেদন। এখনো পট করে বলে দিতে পারেন-“আমার প্রথম লেখাটি হলো ‘বন্ধন’। একটি দারুণ কবিতা। বন্ধুরা পড়ে, খুব ভালো বলেছে। শিক্ষকরাও নিয়মিত লিখতে উৎসাহ দিয়েছেন। মা, বাবাও খুব খুশি।”
বিশ্ববিদ্যালয়ের অবারিত আলোবাতাস, মুক্ত আবহাওয়া, চারপাশের জীবনঘনিষ্ঠতা, প্রেম ও অপ্রেম তাকে কবিতায় ঠেলে দিয়েছে-লাজুক মুখে জানাতে ভুললেন না জুবায়েদ। তবে লেখাপড়ায় তিনি বরাবরই মনোযোগী বলেছেন গর্বভরে-‘আমি কিন্তু সায়েন্সের ছাত্র।’ ভালোবাসেন বন্ধুদের সঙ্গে বেড়াতে, কখনো একা একা হেঁটে বেড়াতে। উদাস দুপুর, বিষন্ন বিকেল, মায়াবী রাত, আলোঝরা ভোর তাকে মন্ত্রের মতো মুগ্ধ করে রাখে। সেসব তিনি রচিত হয় তার কবিতা। কখনো উঠে আসে ভালোবাসার মানুষ, কোনোদিন লিখে চলেন তিনি বেদনাভরা কাব্য। লেখার জন্য পড়েনও দেদার। কী পড়েন? ‘ভালোবাসি কবিতা পড়তে। তাও আবার নামকরা লেখকদের’, বললেন মৃদু হেসে।
অন্যদের মতো কবিতাগুলোকে নিজের খাতায় বন্দী করে রাখেননি। জুবায়েদ মোস্তফা একজন লেখক হিসেবে নাম করেছেন বই প্রকাশ করে। মোট তিনটি কাব্যগ্রন্থ আছে তার। প্রথমটি হলো ‘অগ্নিবীণা’। ২০২০ সালে বেরিয়েছে। করোনাভাইরাসের আক্রমণে কোভিড ১৯ রোগে যখন চরাচর বিপযন্ত, তখন সাহস করে বইটি প্রকাশক খুঁজে দিয়েছেন তিনি। ফলে ভালো চলেছে জানালেন খুশি মনে। নামটি তার রেখেছেন বাংলাদেশের জাতীয় ও বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলামের অসামান্য ও ইতিহাস খ্যাত ‘অগ্নিবীণা’র নামে। এরপর এসেছে পাঠকদের নাগালে তার ‘আলো-আঁধারের সন্ধিক্ষণ’। এও কবিতার বই। পরের বইমেলায় আগের বইটি ভালো-কিনে বন্ধুরা, জুনিয়র, সিনিয়র এবং শিক্ষক ও গ্রামের আত্মীয়জনেরা বলার পর দ্রুত বের করেছেন তুমুল উৎসাহে। সেজন্য কষ্ট অবশ্য কম করেননি। মানেও খারাপ রাখেননি। এরপর বলেছেন, ‘খেয়াল করেছেন? আমার বইগুলোর নামগুলো কিন্তু খুব ভালো। এও ভালো চলার অন্যতম কারণ। কাউকে বলি না। আপনারা সাক্ষাৎকার নিতে এসেছেন বলে জানালাম।’ তাতে তার সিনিয়র ও বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যতম ছাত্র সফিকুল আহসান ইমনও অবাক বনে গিয়েছেন। ছেলেটি তো খুব ভালো কবি হবে-মনে, মনে জানিয়েছেন তিনি।
কবি জুবায়েদ মোস্তফার শেষ বইটি এসেছে এবারের বইমেলাতে। নামটি হলো ‘রঙিন ফুলের স্বপ্ন’। এও খুব ভালো বই। অনেকে পড়ে জানিয়েছেন। সেসব কানে এসেছে ইমনেরও। তবেই না তাকে নিয়ে লিখতে ছুটেছেন। কবি বলেছেন, ‘আমাদের ক্যাম্পাসের আড্ডায়, ক্লাসের অবসরে ও নানা আয়োজনে অনেকেই আমার স্বরচিত কবিতা শুনতে চান। পড়ি।’ এই বইটিও বিশ্ববিদ্যালয়ের বন্ধুরা বলেছেন ভালো হয়েছে। ফলে ক্যাম্পাসে এখন ‘কবি’ জুবায়েদ মোস্তফা বড় কবি, বেশ নামকরা মানুষ। মেয়েরা যখন দুটি একটি লাইন আওড়ে দেন তার বই থেকে, খুব ভালো লাগে, চমকেও যান। আরো ভালো লিখতে হবে সেই কলাকৌশল শেখান শিক্ষকরা। তাতে তার মান বাড়ে।
এত, এত গল্পে দারুণ একটি খবর তো দেওয়াই হলো না। ‘ভোরের পাখি ও বাংলার প্রকৃতি’ নামে তার একটি কবিতা আছে। সেটি অত্যন্ত উচ্চমানের। এই কবিতাটি কবি জুবায়েদ মোস্তফাকে অনুরোধ করে ছাপিয়েছেন ভারতের কলকাতার একটি সাহিত্য পত্রিকা। ফলে কবি পেয়েছেন ‘কলকাতা মহানগী সাহিত্য পরিষদ পুরস্কার’। তরুণ কবি হিসেবে এ অনন্য অর্জন।
কবি বলেছেন, ‘আমার কবিতাগুলো মানুষের জীবনের প্রতিচ্ছবি। মানুষের জীবনের, প্রকৃতির বন্দনা করি। কোনো কবিতাতে কেউ যখন নিজেকে খুঁজে পান, তখন আমার কবি জীবন স্বার্থক হয়।’ পরিবারের মা-বাবা-ভাই-বোনকে তার অনুপ্রেরণা বলে গর্ব করলেন তিনি-‘তারাই আমার সবচেয়ে বড় পাঠক। প্রতিটি কবিতা পড়েন ও খুব ভালো বলেন।’
কবিজীবনের স্বপ্ন? ‘আমি কোনোদিন নিজেকে অন্য কারো সাথে তুলনা করি না। সবসময় নিজের লেখা ও ভুবন নিয়ে ব্যস্ত থাকতে হয়। ফলে নিজেকে আরো পড়ে, ভেবে ও লিখে ছাড়িয়ে নিয়ে যেতে ভালো লাগে আমার। জীবনের শেষ ক্ষণ পর্যন্ত কবিতা লেখা চলবে।’
ওএস।

Header Ad
Header Ad

চিত্রনায়িকা পরীমণির বিরুদ্ধে গৃহকর্মীর জিডি

চিত্রনায়িকা পরীমণি। ছবি: সংগৃহীত

চিত্রনায়িকা পরীমণির বিরুদ্ধে গৃহকর্মীকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে। ঢাকার ভাটারা থানায় গৃহকর্মী পিংকি আক্তার এই অভিযোগে একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন।

বৃহস্পতিবার (৩ এপ্রিল) পিংকি আক্তার এ জিডি করেন। অভিযোগে বলা হয়েছে, পরীমণির এক বছরের মেয়ে সন্তানকে খাবার খাওয়ানো নিয়ে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে গৃহকর্মীকে মারধর করা হয়।

 

ছবি: সংগৃহীত

ভাটারা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মাজহারুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, চিত্রনায়িকা পরীমণির বিরুদ্ধে নির্যাতনের অভিযোগে গৃহকর্মী থানায় জিডি করেছেন। পুলিশ ঘটনাটি তদন্ত করে দেখছে।

Header Ad
Header Ad

পেঙ্গুইন ও পাখিদের উপরেও ট্রাম্পের শুল্ক আরোপ!

ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের শুল্ক নীতির বিস্তৃতি এতদূর গিয়েছে যে, জনমানবহীন দ্বীপপুঞ্জও এর আওতায় এসেছে। ভারত মহাসাগরে অবস্থিত অ্যান্টার্কটিকার জনশূন্য হার্ড ও ম্যাকডোনাল্ড দ্বীপপুঞ্জের ওপরও যুক্তরাষ্ট্র শুল্ক আরোপ করেছে।

এই দ্বীপপুঞ্জে মানুষের কোনো বসবাস নেই, সেখানে শুধু পেঙ্গুইন, সিল এবং পরিযায়ী পাখিরা বসবাস করে। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য নীতির অংশ হিসেবে এই দ্বীপপুঞ্জের ওপরও ১০ শতাংশ শুল্ক বসানো হয়েছে। এর পাল্টা হিসেবে দ্বীপগুলোও যুক্তরাষ্ট্রের পণ্যে একই হারে শুল্ক আরোপ করেছে!

অস্ট্রেলিয়ার সরকারের ওয়েবসাইটের তথ্য অনুযায়ী, হার্ড ও ম্যাকডোনাল্ড দ্বীপ বিশ্বের অন্যতম প্রত্যন্ত ও দূরবর্তী জনশূন্য অঞ্চল। আবহাওয়া পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করে অস্ট্রেলিয়ার পশ্চিমাঞ্চলের ফ্রেম্যান্টল বন্দর থেকে সেখানে পৌঁছাতে জাহাজে কমপক্ষে ১০ দিন সময় লাগে। দ্বীপগুলোর বাসিন্দারা শুধুই বিভিন্ন প্রজাতির সংরক্ষিত পাখি, সিল এবং পেঙ্গুইন।

ট্রাম্পের এই শুল্ক নীতির বিস্তার নিয়ে অনেকে বিস্মিত। জনমানবহীন দ্বীপপুঞ্জের সঙ্গে শুল্ক-সংক্রান্ত বিরোধ সত্যিই নজিরবিহীন।

সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান

Header Ad
Header Ad

নেতাকর্মীদের মাঠে নামার নির্দেশ, আবারও শেখ হাসিনার উসকানি!

সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ছবি: সংগৃহীত

সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দলীয় নেতাকর্মীদের বিপদের মুখে ফেলে দিয়ে অতীতে ভারতে পালিয়ে গিয়েছিলেন। এবার তিনি ফের একই কৌশলে মাঠে নেমেছেন। আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয় উদ্ধারের জন্য তিনি নেতাকর্মীদের সংঘবদ্ধ হয়ে রাজপথে নামার নির্দেশ দিয়েছেন।

একটি টেলিফোন কথোপকথনে শেখ হাসিনা স্পষ্টতই বলেছেন, সামনে ও পেছনে দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে মাঠে নামতে হবে। সামনের গ্রুপ আক্রান্ত হলে পেছনের গ্রুপকে প্রতিহত করতে হবে এবং হামলাকারীদের চরম শিক্ষা দিতে হবে।

বুধবার গণমাধ্যমের হাতে আসা একটি ফোনালাপে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয় যে কোনো মূল্যে পুনরুদ্ধারের জন্য নির্দেশ দেন শেখ হাসিনা। দিল্লি থেকে টেলিফোনে যুবলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও ভোলা-৩ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য, বর্তমানে বিদেশে পলাতক নুরুন্নবী চৌধুরী শাওনকে তিনি এই নির্দেশ দেন।

এই নির্দেশনার পর আওয়ামী লীগের ভেতরেই ক্ষোভের সঞ্চার হয়েছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বেশ কয়েকজন নেতা গণমাধ্যমকে জানান, ‘শেখ হাসিনার ভুল সিদ্ধান্ত এবং কিছু হাইব্রিড আওয়ামী লীগারের দুর্নীতির কারণে দল আজ এই পরিস্থিতিতে পড়েছে। অথচ নেত্রীর এবং তার পরিবারের কোনো ক্ষতি হয়নি। তারা নিরাপদে আছেন, কিন্তু সাধারণ নেতাকর্মীরা পথে পথে মার খাচ্ছেন। এখন তিনি আবার তাদের বিপদে ঠেলে দিতে চান।’

টেলিফোন কথোপকথনে শেখ হাসিনাকে বলতে শোনা যায়, ‘তোমরা এত বড় বড় কথা বলো, অথচ এখনো কেন্দ্রীয় কার্যালয় উদ্ধার করতে পারলা না! ৫০ থেকে ১০০ জন লোক গেলে কি তোমাদের সবাইকে মেরে ফেলা হবে? লাখ লাখ লোক ঢাকায় আনার কথা বলো, অথচ একটা অফিস উদ্ধার করতে পারো না! যেভাবেই হোক, দলীয় কার্যালয় পুনরুদ্ধার করতে হবে—এটাই আমার শেষ কথা।’

জবাবে নুরুন্নবী চৌধুরী শাওন জানান, পরিকল্পনা করা হলেও কিছু কারণে সেটি বাস্তবায়ন করা হয়নি। তিনি আরও বলেন, ‘আপনার নির্দেশেই আমরা কাজ করব। শুধু ভোলা থেকেই ২০ লাখ লোক ঢাকায় সমবেত হবে। যখনই আপনার ডাক আসবে, আমরা তিন থেকে চার লাখ লোক নিয়ে ঢাকায় আসব।’

টেলিফোন আলাপে শেখ হাসিনা আরও কিছু নির্দেশনা দেন। তিনি বলেন, ‘ছোট ছোট বিক্ষোভের দরকার নেই, বড় আকারে মিছিল করতে হবে। সামনে একটি গ্রুপ থাকবে, পেছনে আরেকটি গ্রুপ। কেউ হামলা করলে পাল্টা আক্রমণ চালিয়ে তাদের শিক্ষা দিতে হবে। কেউ কাউকে কিছু দেবে না, নিজেদের অধিকার নিজেরাই আদায় করতে হবে।’

ফাঁস হওয়া কথোপকথনে শেখ হাসিনা বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বিরুদ্ধেও ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, ‘ড. ইউনূস সব জায়গায় মিথ্যা কথা বলছে। আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের হত্যা এবং তাদের বাড়িঘরে হামলার তথ্য সংগ্রহ করো। ছবি তোলো, ভিডিও করো এবং ইন্টারন্যাশনাল ক্রিমিনাল কোর্টে মামলা করার প্রস্তুতি নাও।’

জবাবে নুরুন্নবী চৌধুরী শাওন জানান, ইতোমধ্যে কিছু তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে, এবং এ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

গণতন্ত্র মঞ্চের অন্যতম নেতা ও বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক বলেন, ‘শেখ হাসিনা ও তার পরিবারের বেশির ভাগ সদস্য এবং আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতারা এখন বিদেশে আরামে আছেন। অথচ তারা দেশে থাকা নেতাকর্মীদের উসকানি দিচ্ছেন, যাতে তারা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ফের রাস্তায় নামে। কিন্তু একজন দুর্নীতিবাজ নেত্রীর জন্য সাধারণ নেতাকর্মীরা কেন ঝুঁকি নেবে?’

তিনি আরও বলেন, ‘আওয়ামী লীগ যে কৌশলে রাজনীতিতে ফেরার চেষ্টা করছে, সেটি সফল হবে বলে মনে হয় না। সাড়ে ১৫ বছরের অপশাসন, দুর্নীতি, লুটপাট, খুন-গুমের কোনো অনুশোচনা তাদের মধ্যে নেই। বরং তারা নিজেদের শাসনামলকে গৌরবান্বিত করার চেষ্টা করছে।’

উল্লেখ্য, ছাত্র-জনতার ব্যাপক গণ-অভ্যুত্থানের মুখে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা ক্ষমতাচ্যুত হন এবং দিল্লিতে পালিয়ে যান। সেখান থেকেই তিনি বিভিন্ন সময়ে দলের নেতাকর্মীদের টেলিফোনে নির্দেশনা দিচ্ছেন। সম্প্রতি তার একাধিক ফোনালাপ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে, যা নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা চলছে।

Header Ad
Header Ad

সর্বশেষ সংবাদ

চিত্রনায়িকা পরীমণির বিরুদ্ধে গৃহকর্মীর জিডি
পেঙ্গুইন ও পাখিদের উপরেও ট্রাম্পের শুল্ক আরোপ!
নেতাকর্মীদের মাঠে নামার নির্দেশ, আবারও শেখ হাসিনার উসকানি!
টাঙ্গাইলে ট্রাকচাপায় আনসার কমান্ডার নিহত
লোহাগাড়ায় সড়ক দুর্ঘটনা: না ফেরার দেশে প্রেমা, নিহত বেড়ে ১১
নিষেধাজ্ঞায় পড়লেন মেসির দেহরক্ষী, ঢুকতে পারবেন না মাঠে
শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ চাইলো বাংলাদেশ
ঈদ আনন্দে মুখরিত রংপুরের বিনোদন কেন্দ্রগুলো
লুটপাটের পর পুড়িয়ে দেওয়া হলো বিএনপি সমর্থকের বসতবাড়ি, গ্রেপ্তার ৯
ব্যাংককে ড. ইউনূস ও নরেন্দ্র মোদির দ্বিপক্ষীয় বৈঠক শুরু
দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট ইউন সুক ইওলকে অপসারণ করল আদালত
গাইবান্ধায় আওয়ামী লীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগের দুই নেতা গ্রেপ্তার
সংস্কার শেষে অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন আয়োজন করাই প্রধান লক্ষ্য: প্রধান উপদেষ্টা
নির্বাচন দিয়ে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত করতে হবে: টুকু
যৌথবাহিনীর অভিযান: ৭ দিনে গ্রেপ্তার ৩৪১
রাজধানীতে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার ধাক্কায় প্রাণ গেলো নারীর
ঈদের ছুটিতে কক্সবাজারে পর্যটকের ঢল, হোটেলে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগ
ব্যাংককে ড. মুহাম্মদ ইউনূস-নরেন্দ্র মোদির বৈঠক আজ
রাশিয়ার হয়ে ইউক্রেন যুদ্ধে অংশ নেওয়া ময়মনসিংহের ইয়াসিন নিহত
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে শুল্ক ইস্যুর ইতিবাচক সমাধান হবে: প্রধান উপদেষ্টা