শুক্রবার, ৪ এপ্রিল ২০২৫ | ২১ চৈত্র ১৪৩১
Dhaka Prokash

এখন আমাদের প্রিয় ভুবন

বিশ্ববিদ্যালয়ে ইফতার জমে এখানে, সেখানে, পথের ধারে; বিভাগ, অনুষদের ক্যান্টিনে। টিএসসিতে। তবে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে কেন্দ্রীয় খেলার মাঠে। সে গল্প

আমি সফিকুল আহসান ইমন। পড়ি পরিবেশ বিজ্ঞান ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা বিভাগে-‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়’-এ। আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়টি খুব ভালো। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিতে অন্যতম সেরা। অনেকেই জানেন না, বঙ্গবন্ধুর নামে বেশ কটি বিশ্ববিদ্যালয় হলেও একমাত্র আমাদেরটিই বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি হিসেবে তার জন্মস্থান গোপালগঞ্জে আছে। আরেকটি হলো, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়। সবার মতো আমরাও রোজার দিনে ক্যাম্পাসে ইফতার করি-যারা থাকি হলে, কাজ করেন আমার মতো ক্যাম্পাসে আবার ক্যাম্পাস ছাড়তে, ছাড়তে যেসব আড্ডাবাজের বেলা হয়ে যায়। তবে এখানে কেন্দ্রীয় খেলার মাঠই আমাদের রোজার সবচেয়ে বড় আনন্দ আয়োজনের কেন্দ্র। ওখানেই ইফতার করি সবাই মিলে। শত, শত বন্ধু-স্বজন। দাওয়াত রইলো। এই মাঠটি নিয়ে বলি, এটি আমাদের খেলার মাঠ। যেকোনো অন্ত:বিশ্ববিদ্যালয় ক্রীড়া প্রতিযোগিতার কেন্দ্র। খেলাগুলো হয় বিভাগগুলোর মধ্যে। তার বাদে, প্রতি সন্ধ্যায় অন্যান্য সময়ে, এখন তো বটেই ঘাসের ওপর বসে, শুয়ে আড্ডা, গিটারের গান, খালি গলার সঙ্গীত, প্রেম, গুলতানি, জ্ঞান বিতরণ, পিকনিকও হয়। তবে এখন শুরু থেকে প্রতি দুপুর থেকে আমরা চলে আসি কজনের বা অনেকের দলে এই মাঠে। এখানে-সেখানে কিনে আনা, বান্ধবীদের বানানো ইফতারগুলো সাজানো হতে থাকে। বেলা গড়ায়, সময় আগায়, আমাদের শরীর ক্লান্ত এগুতে চায় না। ফলে মাগরিবের আজানের আগে, আগে সময় থমকে থাকে। আমাদের অপেক্ষার পালা মুয়াজ্জিনের আজানের সুমধুর ধ্বনির জন্য। অনেকেই জানেন, প্রায় সবার অভিজ্ঞতায় আছে, ছাত্র-ছাত্রীরা কোনো কিছু ভাগ না করে খেতে পারেন না। চিরকালের অভাবী মানুষগুলোর যে জীবন, তার সাথে আমাদের প্রায়ই হয় দেখা। ফলে এখানেও তাই। গোল হয়ে, বইয়ের ভাষায় বর্গাকারে ছোট, ছোট কাছাকাছি দলে প্রায় দিনই বসি। আমার কথা বাদ-অনলাইনে লিখতে হয় বলে, বিশ্ববিদ্যালয়ের খোঁজ-খবর রাখতে গিয়ে, সবাইকে জানাতে গিয়ে, নানা অনিয়ম ও অন্যায়ের বিপক্ষে কলম ধরতে, ধরতে দম ফেলার সময় থাকে না কোনো, কোনো দিন। অন্য সময়ও নানা খবরের খোঁজে ছুটতে হয়। তাই সবাই খুব ভালোবাসেন। এই বিশ্ববিদ্যালয়ে সাংবাদিক হিসেবে এ আমার কাজ, পবিত্র দায়িত্ব। তবে অন্যসময় আসি বন্ধুদের ভুবনে। জুনিয়ররা থাকে, সিনিয়ররাও আসেন। সবাই চেনেন, জানেন। বাকিদের মতো ফ্রি থাকলে কাজ করি দেদার। খবরের কাগজ বা পাতলা ওয়ান টাইমের থালা কিনে আনি। সব বাংলাদেশীর মতো আমি, আমরাও খাই-ছোলা, মুড়ি, পেঁয়াজু, বেগুনী, আলুর চপ, জিলাপি মিশিয়ে। দারুণ মজা। কোনো বান্ধবীকে যদি পাই পরিবেশনে, তাহলে তো খুব, খুবই মজা হয়। তারা যদি বানিয়ে আনে হল থেকে, কোনো সিনিয়র বা জুনিয়র যদি দেন-আরো ভালো হয় খেতে। মফস্বল শহরে ফলের আকাল নেই, দামও নেই শহর ঢাকার মতো। ফলে তরমুজ, আনারস, পেয়ারা তো পেটে পড়েই, ভালো, ভালো দেশী ফল খাই জুত করে। আপনারা কী খান? এবার বলি, আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের সংগঠনগুলোর প্রাণকেন্দ্র কিন্তু এই আড্ডাগুলো। ফলে তাদের ইফতার আয়োজন হয়। নানা জেলা এবং গোপালগঞ্জের ছেলেমেয়েদের মিলনমেলায় ইফতারের জুড়ি নেই। অপ্রতিদ্বদ্বী তারা এমন আয়োজনে। ইফতার হয় আরো অনেক জায়গাতে, বিশ্ববিদ্যালয়ের ভেতরে। প্রশাসন ভবনের মাঠে, আমাদের লেকের ধারে, টিলার নীচে, ওপরে, ফুড পয়েন্টে। সেসবের প্রতিটিতে আড্ডা জমে টানা। আসবেন নাকি? এখানেও আমার সাংবাদিকতা। পেট পূজার গল্প হলো না। হায় কপাল! আমার এক বছরের জুনিয়র বিভাগের সাইম রায়হানের কাছ থেকে লেখার জন্য মন্তব্য চাইলাম। খুব ভালো ছাত্র সে। বলে দিলো পাকা-‘ইফতার করতে ক্যাম্পাসে এই মাঠই আমার মতে সেরা ও সবচেয়ে ভালো লাগে। বন্ধুদের নিয়ে খাওয়ার মজাই অন্যরকম, দারুণ। সারা দিন রোজা রেখে সবাই মিলে ইফতার করতে খুব ভালো লাগে।’ তার এক বছরের জুনিয়র পরিসংখ্যান প্রথম বর্ষের রাব্বি বলেছে, ‘ভাইয়া, আপনাকে আমার মতামত নেবার জন্য থ্যাংকস। আমারও খুব ভালো লাগে। বলে বোঝানোর মতো নয়, তারও বেশি। বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ব বাসনাটি আমারও ছিল। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো প্রযুক্তিভিত্তিক, বিজ্ঞানের ভুবনে পড়ার সুযোগ পেয়ে নিজেকে কৃতার্থ মনে করছি। এবার বলি, ইন্টারমিডিয়েট থেকেই, ভর্তির আগে তো বটেই- ফেসবুক ও খবরের পাতায় ফিচার অনেক পড়েছি ছাত্র, ছাত্রীরা টিএসসি, ক্যাম্পাসের নানা ক্যাফেটোরিয়াতে, মাঠে ইফতার করেন। আমাদের কেন্দ্রীয় খেলার মাঠ সে তুলনায় অনেক ভালো। সেসব আশার দিনের পূর্ণতায় নিজেকে সৌভাগ্যবান মনে হয়।’

ওএস।

Header Ad
Header Ad

চিত্রনায়িকা পরীমণির বিরুদ্ধে গৃহকর্মীর জিডি

চিত্রনায়িকা পরীমণি। ছবি: সংগৃহীত

চিত্রনায়িকা পরীমণির বিরুদ্ধে গৃহকর্মীকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে। ঢাকার ভাটারা থানায় গৃহকর্মী পিংকি আক্তার এই অভিযোগে একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন।

বৃহস্পতিবার (৩ এপ্রিল) পিংকি আক্তার এ জিডি করেন। অভিযোগে বলা হয়েছে, পরীমণির এক বছরের মেয়ে সন্তানকে খাবার খাওয়ানো নিয়ে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে গৃহকর্মীকে মারধর করা হয়।

 

ছবি: সংগৃহীত

ভাটারা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মাজহারুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, চিত্রনায়িকা পরীমণির বিরুদ্ধে নির্যাতনের অভিযোগে গৃহকর্মী থানায় জিডি করেছেন। পুলিশ ঘটনাটি তদন্ত করে দেখছে।

Header Ad
Header Ad

পেঙ্গুইন ও পাখিদের উপরেও ট্রাম্পের শুল্ক আরোপ!

ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের শুল্ক নীতির বিস্তৃতি এতদূর গিয়েছে যে, জনমানবহীন দ্বীপপুঞ্জও এর আওতায় এসেছে। ভারত মহাসাগরে অবস্থিত অ্যান্টার্কটিকার জনশূন্য হার্ড ও ম্যাকডোনাল্ড দ্বীপপুঞ্জের ওপরও যুক্তরাষ্ট্র শুল্ক আরোপ করেছে।

এই দ্বীপপুঞ্জে মানুষের কোনো বসবাস নেই, সেখানে শুধু পেঙ্গুইন, সিল এবং পরিযায়ী পাখিরা বসবাস করে। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য নীতির অংশ হিসেবে এই দ্বীপপুঞ্জের ওপরও ১০ শতাংশ শুল্ক বসানো হয়েছে। এর পাল্টা হিসেবে দ্বীপগুলোও যুক্তরাষ্ট্রের পণ্যে একই হারে শুল্ক আরোপ করেছে!

অস্ট্রেলিয়ার সরকারের ওয়েবসাইটের তথ্য অনুযায়ী, হার্ড ও ম্যাকডোনাল্ড দ্বীপ বিশ্বের অন্যতম প্রত্যন্ত ও দূরবর্তী জনশূন্য অঞ্চল। আবহাওয়া পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করে অস্ট্রেলিয়ার পশ্চিমাঞ্চলের ফ্রেম্যান্টল বন্দর থেকে সেখানে পৌঁছাতে জাহাজে কমপক্ষে ১০ দিন সময় লাগে। দ্বীপগুলোর বাসিন্দারা শুধুই বিভিন্ন প্রজাতির সংরক্ষিত পাখি, সিল এবং পেঙ্গুইন।

ট্রাম্পের এই শুল্ক নীতির বিস্তার নিয়ে অনেকে বিস্মিত। জনমানবহীন দ্বীপপুঞ্জের সঙ্গে শুল্ক-সংক্রান্ত বিরোধ সত্যিই নজিরবিহীন।

সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান

Header Ad
Header Ad

নেতাকর্মীদের মাঠে নামার নির্দেশ, আবারও শেখ হাসিনার উসকানি!

সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ছবি: সংগৃহীত

সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দলীয় নেতাকর্মীদের বিপদের মুখে ফেলে দিয়ে অতীতে ভারতে পালিয়ে গিয়েছিলেন। এবার তিনি ফের একই কৌশলে মাঠে নেমেছেন। আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয় উদ্ধারের জন্য তিনি নেতাকর্মীদের সংঘবদ্ধ হয়ে রাজপথে নামার নির্দেশ দিয়েছেন।

একটি টেলিফোন কথোপকথনে শেখ হাসিনা স্পষ্টতই বলেছেন, সামনে ও পেছনে দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে মাঠে নামতে হবে। সামনের গ্রুপ আক্রান্ত হলে পেছনের গ্রুপকে প্রতিহত করতে হবে এবং হামলাকারীদের চরম শিক্ষা দিতে হবে।

বুধবার গণমাধ্যমের হাতে আসা একটি ফোনালাপে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয় যে কোনো মূল্যে পুনরুদ্ধারের জন্য নির্দেশ দেন শেখ হাসিনা। দিল্লি থেকে টেলিফোনে যুবলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও ভোলা-৩ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য, বর্তমানে বিদেশে পলাতক নুরুন্নবী চৌধুরী শাওনকে তিনি এই নির্দেশ দেন।

এই নির্দেশনার পর আওয়ামী লীগের ভেতরেই ক্ষোভের সঞ্চার হয়েছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বেশ কয়েকজন নেতা গণমাধ্যমকে জানান, ‘শেখ হাসিনার ভুল সিদ্ধান্ত এবং কিছু হাইব্রিড আওয়ামী লীগারের দুর্নীতির কারণে দল আজ এই পরিস্থিতিতে পড়েছে। অথচ নেত্রীর এবং তার পরিবারের কোনো ক্ষতি হয়নি। তারা নিরাপদে আছেন, কিন্তু সাধারণ নেতাকর্মীরা পথে পথে মার খাচ্ছেন। এখন তিনি আবার তাদের বিপদে ঠেলে দিতে চান।’

টেলিফোন কথোপকথনে শেখ হাসিনাকে বলতে শোনা যায়, ‘তোমরা এত বড় বড় কথা বলো, অথচ এখনো কেন্দ্রীয় কার্যালয় উদ্ধার করতে পারলা না! ৫০ থেকে ১০০ জন লোক গেলে কি তোমাদের সবাইকে মেরে ফেলা হবে? লাখ লাখ লোক ঢাকায় আনার কথা বলো, অথচ একটা অফিস উদ্ধার করতে পারো না! যেভাবেই হোক, দলীয় কার্যালয় পুনরুদ্ধার করতে হবে—এটাই আমার শেষ কথা।’

জবাবে নুরুন্নবী চৌধুরী শাওন জানান, পরিকল্পনা করা হলেও কিছু কারণে সেটি বাস্তবায়ন করা হয়নি। তিনি আরও বলেন, ‘আপনার নির্দেশেই আমরা কাজ করব। শুধু ভোলা থেকেই ২০ লাখ লোক ঢাকায় সমবেত হবে। যখনই আপনার ডাক আসবে, আমরা তিন থেকে চার লাখ লোক নিয়ে ঢাকায় আসব।’

টেলিফোন আলাপে শেখ হাসিনা আরও কিছু নির্দেশনা দেন। তিনি বলেন, ‘ছোট ছোট বিক্ষোভের দরকার নেই, বড় আকারে মিছিল করতে হবে। সামনে একটি গ্রুপ থাকবে, পেছনে আরেকটি গ্রুপ। কেউ হামলা করলে পাল্টা আক্রমণ চালিয়ে তাদের শিক্ষা দিতে হবে। কেউ কাউকে কিছু দেবে না, নিজেদের অধিকার নিজেরাই আদায় করতে হবে।’

ফাঁস হওয়া কথোপকথনে শেখ হাসিনা বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বিরুদ্ধেও ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, ‘ড. ইউনূস সব জায়গায় মিথ্যা কথা বলছে। আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের হত্যা এবং তাদের বাড়িঘরে হামলার তথ্য সংগ্রহ করো। ছবি তোলো, ভিডিও করো এবং ইন্টারন্যাশনাল ক্রিমিনাল কোর্টে মামলা করার প্রস্তুতি নাও।’

জবাবে নুরুন্নবী চৌধুরী শাওন জানান, ইতোমধ্যে কিছু তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে, এবং এ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

গণতন্ত্র মঞ্চের অন্যতম নেতা ও বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক বলেন, ‘শেখ হাসিনা ও তার পরিবারের বেশির ভাগ সদস্য এবং আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতারা এখন বিদেশে আরামে আছেন। অথচ তারা দেশে থাকা নেতাকর্মীদের উসকানি দিচ্ছেন, যাতে তারা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ফের রাস্তায় নামে। কিন্তু একজন দুর্নীতিবাজ নেত্রীর জন্য সাধারণ নেতাকর্মীরা কেন ঝুঁকি নেবে?’

তিনি আরও বলেন, ‘আওয়ামী লীগ যে কৌশলে রাজনীতিতে ফেরার চেষ্টা করছে, সেটি সফল হবে বলে মনে হয় না। সাড়ে ১৫ বছরের অপশাসন, দুর্নীতি, লুটপাট, খুন-গুমের কোনো অনুশোচনা তাদের মধ্যে নেই। বরং তারা নিজেদের শাসনামলকে গৌরবান্বিত করার চেষ্টা করছে।’

উল্লেখ্য, ছাত্র-জনতার ব্যাপক গণ-অভ্যুত্থানের মুখে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা ক্ষমতাচ্যুত হন এবং দিল্লিতে পালিয়ে যান। সেখান থেকেই তিনি বিভিন্ন সময়ে দলের নেতাকর্মীদের টেলিফোনে নির্দেশনা দিচ্ছেন। সম্প্রতি তার একাধিক ফোনালাপ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে, যা নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা চলছে।

Header Ad
Header Ad

সর্বশেষ সংবাদ

চিত্রনায়িকা পরীমণির বিরুদ্ধে গৃহকর্মীর জিডি
পেঙ্গুইন ও পাখিদের উপরেও ট্রাম্পের শুল্ক আরোপ!
নেতাকর্মীদের মাঠে নামার নির্দেশ, আবারও শেখ হাসিনার উসকানি!
টাঙ্গাইলে ট্রাকচাপায় আনসার কমান্ডার নিহত
লোহাগাড়ায় সড়ক দুর্ঘটনা: না ফেরার দেশে প্রেমা, নিহত বেড়ে ১১
নিষেধাজ্ঞায় পড়লেন মেসির দেহরক্ষী, ঢুকতে পারবেন না মাঠে
শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ চাইলো বাংলাদেশ
ঈদ আনন্দে মুখরিত রংপুরের বিনোদন কেন্দ্রগুলো
লুটপাটের পর পুড়িয়ে দেওয়া হলো বিএনপি সমর্থকের বসতবাড়ি, গ্রেপ্তার ৯
ব্যাংককে ড. ইউনূস ও নরেন্দ্র মোদির দ্বিপক্ষীয় বৈঠক শুরু
দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট ইউন সুক ইওলকে অপসারণ করল আদালত
গাইবান্ধায় আওয়ামী লীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগের দুই নেতা গ্রেপ্তার
সংস্কার শেষে অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন আয়োজন করাই প্রধান লক্ষ্য: প্রধান উপদেষ্টা
নির্বাচন দিয়ে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত করতে হবে: টুকু
যৌথবাহিনীর অভিযান: ৭ দিনে গ্রেপ্তার ৩৪১
রাজধানীতে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার ধাক্কায় প্রাণ গেলো নারীর
ঈদের ছুটিতে কক্সবাজারে পর্যটকের ঢল, হোটেলে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগ
ব্যাংককে ড. মুহাম্মদ ইউনূস-নরেন্দ্র মোদির বৈঠক আজ
রাশিয়ার হয়ে ইউক্রেন যুদ্ধে অংশ নেওয়া ময়মনসিংহের ইয়াসিন নিহত
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে শুল্ক ইস্যুর ইতিবাচক সমাধান হবে: প্রধান উপদেষ্টা