শুক্রবার, ৪ এপ্রিল ২০২৫ | ২১ চৈত্র ১৪৩১
Dhaka Prokash

বেরাবিতে মোটর সাইকেলে বহিরাগতদের অপকর্ম

নারী জাগরণের অগ্রদূত বেগম রোকেয়া সাখাওয়াত হোসেনের পূণ্যস্মৃতিতে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে ‘বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় (বেরোবি)’। আছে তার জন্মস্থান রংপুরে। তবে এই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও বসবাসের সুবিধা মারাত্নক হুমকিতে সরেজমিন প্রতিবেদনের মাধ্যমে জেনেছেন প্রতিনিধি ইভান চৌধুরী।

ইভান চৌধুরী নিজে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন ছাত্র। জানিয়েছেন, ‘আমাদের রংপুরের এই একমাত্র সরকারী বিশ্ববিদ্যালয়ের ভেতরে বহিরাগতদের প্রবেশ ও অবস্থান খুব বেড়েছে। তারা বেপরোয়া গতিতে মোটর সাইকেল চালাচ্ছেন। ফলে পথচারী ছাত্র, ছাত্রী ও শিক্ষকরা আহত হবার ঝুঁকিতে রয়েছেন। এমনকি সারা জীবনের জন্য পঙ্গু হয়ে যেতে পারেন যে কেউ। এর বাদেও তারা ক্যাম্পাসের ভেতরে ছিনতাইয়ে লিপ্ত হয়েছেন। তাতে আমাদের জানমালের বিনাশের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। ছাত্রীদের পড়ালেখা ও জীবনের ক্ষতি করছেন অনেক বহিরাগত। তারা তাদের যখন, তখন যেখানে-সেখানে উত্যক্ত করছেন।’

ইভান জানিয়েছেন, দীঘদিন ধরে বেরোবিতে মোটর সাইকেল নিয়ে বহিরাগতদের প্রবেশ ও তাদের গতিসীমা লংঘনের অভিযোগগুলো করা হয়েছে ছাত্র, ছাত্রীদের পক্ষ থেকে শিক্ষকদের কাছে। প্রশাসন এই বিষয়ে ওয়াকিবহাল। তবে তারা কোনো প্রতিকার করছেন না। তারা যান চলাচলের জন্য স্পিড ব্রেকারসহ নানামুখী উদ্যোগ নিতে পারেন। তবে সেদিকেও যাচ্ছেন না। ছাত্র, ছাত্রীদের পাশাপাশি আরো অভিযোগ, তারা কোনো বিষয়েই কোনো ভালো পদক্ষেপ গ্রহণ করছেন না। তাতে এই বাজে যুবকের দলের সাহস বেড়ে চলেছে। তারা আরো অন্যায় করছে।

ছাত্র, ছাত্রীরা জানিয়েছেন, অনেক বহিরাগত মাদক সেবক বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের নানা নির্জন এলাকাকে তাদের মাদক নেবার জন্য উপযুক্ত স্থান বলে বেছে নিয়েছে। তারা এখানে মাদক নেয়। কোনো সময় তারাসহ কোনো বহিরাগত কোনো অন্যায় করলে ধরতে গেলে মোটর সাইকেল নিয়ে দ্রুত পালিয়ে চলে যায়। অনেক সময় ভয়, ভীতি দেখায়। এসব কারণে তাদের জন্য এই বিশ্ববিদ্যালয়ের সুনাম কমছে।

বেশ কজন ছাত্রী অভিযোগ করেছেন, হামেশাই তাদের যেখানে সেখানে মোটরসাইকেল নিয়ে এসে উত্যক্ত করে ও বাজে মন্তব্য করে বহিরাগতরা। এরপর কোনো কোনো সময় তারা ছেলে সহপাঠী বা সিনিয়র, জুনিয়রদের জানালে বা কোনো শিক্ষক প্রতিকারের জন্য এগিয়ে এলে ওরা পালায়। ঝামেলা করে। এর স্থায়ী সমাধান করতে হবে।

বাংলার ছাত্র কামরুল ইসলাম নয়ন বলেছেন, ‘বহিরাগত মোটর সাইকেল আরোহীদের উচ্চম্বরে হর্ণ বাজানোতে আমাদের টেকা দায়। তাতে পড়ালেখার অনেক ক্ষতি হয়। পরিবেশ নষ্ট হয়ে যাচ্ছে।’ তিনি আরো জানিয়েছেন, ‘তারা অবাধে মাদক নিয়ে এসে আমাদের ক্যাম্পাসকে মাদকাসক্তদের আস্তানা বানিয়ে ফেলছে। ওরা কেউ, কেউ মাদক বিক্রি করে। ফলে ছাত্ররা মাদকাসক্ত হয়ে যাচ্ছে। তাতে তাদের জীবন অন্ধকার হয়ে যাচ্ছে।’ আরো বলেছেন, ‘সন্ধ্যার পর প্রতিদিন কটি নিদিষ্ট নির্জন স্থানে মাদকাসক্তি হয়। ফলে এগুলো নিয়ন্ত্রণ করতে শিক্ষকদের উদ্যোগী হতে হবে।’

‘বিশ্ববিদ্যালয়ে যানবাহন চলাচল নীতিমালা প্রয়োগ ও নিয়ন্ত্রণ করতে হবে’-জানিয়েছেন তিনি।

বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি এই বিষয়ে বলেছেন, আমাদের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র পরিবহন বাস আছে। শিক্ষকদেরও। এর বাদে অন্য যেসব বাহন আছে, সবগুলোতে স্টিকার ব্যবহার করতে হবে বলে নির্দেশ দিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। তবে অনেকে তাদের স্টিকারগুলো ইচ্ছে করে, ক্ষমতা দেখাতে ব্যবহার করেন না। ফলে কে বহিরাগত আর কে ক্যাম্পাসের মোটর সাইকেল চালক খুঁজে বের করতে কষ্ট হয়। কোনো, কোনো সময় সমস্যাও হয়। এসব সংকট আছে। কাটিয়ে উঠতে হবে। ব্যক্তিগত গাড়িগুলো সনাক্ত করতে বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্যোগ নেই।

দিনে, দিনে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে বহিরাগত মোটর সাইকেল প্রবেশ ও যাতায়াত এবং বেপরোয়া গতি ও অন্যকে সংকটে ফেলার কাজ বেড়ে চলেছে। এই বহিরাগতরা খারাপ-বলেছেন ছাত্র, ছাত্রীরা।

এই বিষয়গুলোতে তিনি কথা বলেছেন অধ্যাপকদের সঙ্গে। নাম প্রকাশ না করে তারাও জানিয়েছেন, আমাদের বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন বা প্রক্টর অফিসের ক্যাম্পাসের ভেতরে যান চলাচল ও প্রবেশের বিষয়ে কোনো নির্দিষ্ট নির্দেশনা এখনো নেই। এটি দুঃখজনক ও বিপদজনক। তাতে তারাও বহিরাগতদের হাতে পরিবার নিয়ে থাকতে গিয়ে সমস্যার মুখে পড়ছেন। ক্লাস করাতে পারেন না শিক্ষকরা। কেননা বাইরে মোটর সাইকেলের উচ্চ শব্দ হয়। ছাত্র, ছাত্রীরাও মনোযোগ দিতে পারেন না। তারা খারাপ পথে চলে যান।

বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক গোলাম রাব্বানী এই সমস্যাগুলোর সমাধানের বিষয়ে জানিয়েছেন, ‘এই অভিযোগগুলো সত্য। আমার বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন জানে, বহিরাগত যুবকরা মোটর সাইকেলে এসে আমাদের এখানে অপ্রীতিকর ঘটনাগুলো ঘটিয়ে চলেছে। আমরা অভিযোগও পেয়েছি। এই সমস্যাগুলোর সমাধানের জন্য প্রক্টরিয়াল বডি নিয়ে আমি প্রায়ই বিশ্ববিদ্যালয়ে অভিযান চালাই। কদিন আগে কয়েকজনকে আটক করেছি। মুচলেকা নিয়ে ছেড়েছি। আমরা প্রশাসনের মাধ্যমে শীঘ্রই আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের ভেতরে বহিরাগতদের মোটর সাইকেল প্রবেশ ও তাদের আসা নিয়ন্ত্রণ করব। কড়াকড়ি আরোপ করব। বেপরোয়া যানবাহন চলাচলে নিয়ন্ত্রণ আনতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থাও নেব।’

ওএস।

Header Ad
Header Ad

চিত্রনায়িকা পরীমণির বিরুদ্ধে গৃহকর্মীর জিডি

চিত্রনায়িকা পরীমণি। ছবি: সংগৃহীত

চিত্রনায়িকা পরীমণির বিরুদ্ধে গৃহকর্মীকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে। ঢাকার ভাটারা থানায় গৃহকর্মী পিংকি আক্তার এই অভিযোগে একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন।

বৃহস্পতিবার (৩ এপ্রিল) পিংকি আক্তার এ জিডি করেন। অভিযোগে বলা হয়েছে, পরীমণির এক বছরের মেয়ে সন্তানকে খাবার খাওয়ানো নিয়ে কথা কাটাকাটির একপর্যায়ে গৃহকর্মীকে মারধর করা হয়।

 

ছবি: সংগৃহীত

ভাটারা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মাজহারুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, চিত্রনায়িকা পরীমণির বিরুদ্ধে নির্যাতনের অভিযোগে গৃহকর্মী থানায় জিডি করেছেন। পুলিশ ঘটনাটি তদন্ত করে দেখছে।

Header Ad
Header Ad

পেঙ্গুইন ও পাখিদের উপরেও ট্রাম্পের শুল্ক আরোপ!

ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের শুল্ক নীতির বিস্তৃতি এতদূর গিয়েছে যে, জনমানবহীন দ্বীপপুঞ্জও এর আওতায় এসেছে। ভারত মহাসাগরে অবস্থিত অ্যান্টার্কটিকার জনশূন্য হার্ড ও ম্যাকডোনাল্ড দ্বীপপুঞ্জের ওপরও যুক্তরাষ্ট্র শুল্ক আরোপ করেছে।

এই দ্বীপপুঞ্জে মানুষের কোনো বসবাস নেই, সেখানে শুধু পেঙ্গুইন, সিল এবং পরিযায়ী পাখিরা বসবাস করে। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য নীতির অংশ হিসেবে এই দ্বীপপুঞ্জের ওপরও ১০ শতাংশ শুল্ক বসানো হয়েছে। এর পাল্টা হিসেবে দ্বীপগুলোও যুক্তরাষ্ট্রের পণ্যে একই হারে শুল্ক আরোপ করেছে!

অস্ট্রেলিয়ার সরকারের ওয়েবসাইটের তথ্য অনুযায়ী, হার্ড ও ম্যাকডোনাল্ড দ্বীপ বিশ্বের অন্যতম প্রত্যন্ত ও দূরবর্তী জনশূন্য অঞ্চল। আবহাওয়া পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করে অস্ট্রেলিয়ার পশ্চিমাঞ্চলের ফ্রেম্যান্টল বন্দর থেকে সেখানে পৌঁছাতে জাহাজে কমপক্ষে ১০ দিন সময় লাগে। দ্বীপগুলোর বাসিন্দারা শুধুই বিভিন্ন প্রজাতির সংরক্ষিত পাখি, সিল এবং পেঙ্গুইন।

ট্রাম্পের এই শুল্ক নীতির বিস্তার নিয়ে অনেকে বিস্মিত। জনমানবহীন দ্বীপপুঞ্জের সঙ্গে শুল্ক-সংক্রান্ত বিরোধ সত্যিই নজিরবিহীন।

সূত্র: দ্য গার্ডিয়ান

Header Ad
Header Ad

নেতাকর্মীদের মাঠে নামার নির্দেশ, আবারও শেখ হাসিনার উসকানি!

সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ছবি: সংগৃহীত

সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দলীয় নেতাকর্মীদের বিপদের মুখে ফেলে দিয়ে অতীতে ভারতে পালিয়ে গিয়েছিলেন। এবার তিনি ফের একই কৌশলে মাঠে নেমেছেন। আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয় উদ্ধারের জন্য তিনি নেতাকর্মীদের সংঘবদ্ধ হয়ে রাজপথে নামার নির্দেশ দিয়েছেন।

একটি টেলিফোন কথোপকথনে শেখ হাসিনা স্পষ্টতই বলেছেন, সামনে ও পেছনে দুই ভাগে বিভক্ত হয়ে মাঠে নামতে হবে। সামনের গ্রুপ আক্রান্ত হলে পেছনের গ্রুপকে প্রতিহত করতে হবে এবং হামলাকারীদের চরম শিক্ষা দিতে হবে।

বুধবার গণমাধ্যমের হাতে আসা একটি ফোনালাপে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয় যে কোনো মূল্যে পুনরুদ্ধারের জন্য নির্দেশ দেন শেখ হাসিনা। দিল্লি থেকে টেলিফোনে যুবলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও ভোলা-৩ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য, বর্তমানে বিদেশে পলাতক নুরুন্নবী চৌধুরী শাওনকে তিনি এই নির্দেশ দেন।

এই নির্দেশনার পর আওয়ামী লীগের ভেতরেই ক্ষোভের সঞ্চার হয়েছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বেশ কয়েকজন নেতা গণমাধ্যমকে জানান, ‘শেখ হাসিনার ভুল সিদ্ধান্ত এবং কিছু হাইব্রিড আওয়ামী লীগারের দুর্নীতির কারণে দল আজ এই পরিস্থিতিতে পড়েছে। অথচ নেত্রীর এবং তার পরিবারের কোনো ক্ষতি হয়নি। তারা নিরাপদে আছেন, কিন্তু সাধারণ নেতাকর্মীরা পথে পথে মার খাচ্ছেন। এখন তিনি আবার তাদের বিপদে ঠেলে দিতে চান।’

টেলিফোন কথোপকথনে শেখ হাসিনাকে বলতে শোনা যায়, ‘তোমরা এত বড় বড় কথা বলো, অথচ এখনো কেন্দ্রীয় কার্যালয় উদ্ধার করতে পারলা না! ৫০ থেকে ১০০ জন লোক গেলে কি তোমাদের সবাইকে মেরে ফেলা হবে? লাখ লাখ লোক ঢাকায় আনার কথা বলো, অথচ একটা অফিস উদ্ধার করতে পারো না! যেভাবেই হোক, দলীয় কার্যালয় পুনরুদ্ধার করতে হবে—এটাই আমার শেষ কথা।’

জবাবে নুরুন্নবী চৌধুরী শাওন জানান, পরিকল্পনা করা হলেও কিছু কারণে সেটি বাস্তবায়ন করা হয়নি। তিনি আরও বলেন, ‘আপনার নির্দেশেই আমরা কাজ করব। শুধু ভোলা থেকেই ২০ লাখ লোক ঢাকায় সমবেত হবে। যখনই আপনার ডাক আসবে, আমরা তিন থেকে চার লাখ লোক নিয়ে ঢাকায় আসব।’

টেলিফোন আলাপে শেখ হাসিনা আরও কিছু নির্দেশনা দেন। তিনি বলেন, ‘ছোট ছোট বিক্ষোভের দরকার নেই, বড় আকারে মিছিল করতে হবে। সামনে একটি গ্রুপ থাকবে, পেছনে আরেকটি গ্রুপ। কেউ হামলা করলে পাল্টা আক্রমণ চালিয়ে তাদের শিক্ষা দিতে হবে। কেউ কাউকে কিছু দেবে না, নিজেদের অধিকার নিজেরাই আদায় করতে হবে।’

ফাঁস হওয়া কথোপকথনে শেখ হাসিনা বর্তমান অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বিরুদ্ধেও ক্ষোভ প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, ‘ড. ইউনূস সব জায়গায় মিথ্যা কথা বলছে। আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের হত্যা এবং তাদের বাড়িঘরে হামলার তথ্য সংগ্রহ করো। ছবি তোলো, ভিডিও করো এবং ইন্টারন্যাশনাল ক্রিমিনাল কোর্টে মামলা করার প্রস্তুতি নাও।’

জবাবে নুরুন্নবী চৌধুরী শাওন জানান, ইতোমধ্যে কিছু তথ্য সংগ্রহ করা হয়েছে, এবং এ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

গণতন্ত্র মঞ্চের অন্যতম নেতা ও বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হক বলেন, ‘শেখ হাসিনা ও তার পরিবারের বেশির ভাগ সদস্য এবং আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতারা এখন বিদেশে আরামে আছেন। অথচ তারা দেশে থাকা নেতাকর্মীদের উসকানি দিচ্ছেন, যাতে তারা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ফের রাস্তায় নামে। কিন্তু একজন দুর্নীতিবাজ নেত্রীর জন্য সাধারণ নেতাকর্মীরা কেন ঝুঁকি নেবে?’

তিনি আরও বলেন, ‘আওয়ামী লীগ যে কৌশলে রাজনীতিতে ফেরার চেষ্টা করছে, সেটি সফল হবে বলে মনে হয় না। সাড়ে ১৫ বছরের অপশাসন, দুর্নীতি, লুটপাট, খুন-গুমের কোনো অনুশোচনা তাদের মধ্যে নেই। বরং তারা নিজেদের শাসনামলকে গৌরবান্বিত করার চেষ্টা করছে।’

উল্লেখ্য, ছাত্র-জনতার ব্যাপক গণ-অভ্যুত্থানের মুখে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা ক্ষমতাচ্যুত হন এবং দিল্লিতে পালিয়ে যান। সেখান থেকেই তিনি বিভিন্ন সময়ে দলের নেতাকর্মীদের টেলিফোনে নির্দেশনা দিচ্ছেন। সম্প্রতি তার একাধিক ফোনালাপ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে, যা নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা চলছে।

Header Ad
Header Ad

সর্বশেষ সংবাদ

চিত্রনায়িকা পরীমণির বিরুদ্ধে গৃহকর্মীর জিডি
পেঙ্গুইন ও পাখিদের উপরেও ট্রাম্পের শুল্ক আরোপ!
নেতাকর্মীদের মাঠে নামার নির্দেশ, আবারও শেখ হাসিনার উসকানি!
টাঙ্গাইলে ট্রাকচাপায় আনসার কমান্ডার নিহত
লোহাগাড়ায় সড়ক দুর্ঘটনা: না ফেরার দেশে প্রেমা, নিহত বেড়ে ১১
নিষেধাজ্ঞায় পড়লেন মেসির দেহরক্ষী, ঢুকতে পারবেন না মাঠে
শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ চাইলো বাংলাদেশ
ঈদ আনন্দে মুখরিত রংপুরের বিনোদন কেন্দ্রগুলো
লুটপাটের পর পুড়িয়ে দেওয়া হলো বিএনপি সমর্থকের বসতবাড়ি, গ্রেপ্তার ৯
ব্যাংককে ড. ইউনূস ও নরেন্দ্র মোদির দ্বিপক্ষীয় বৈঠক শুরু
দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট ইউন সুক ইওলকে অপসারণ করল আদালত
গাইবান্ধায় আওয়ামী লীগ ও স্বেচ্ছাসেবক লীগের দুই নেতা গ্রেপ্তার
সংস্কার শেষে অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন আয়োজন করাই প্রধান লক্ষ্য: প্রধান উপদেষ্টা
নির্বাচন দিয়ে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত করতে হবে: টুকু
যৌথবাহিনীর অভিযান: ৭ দিনে গ্রেপ্তার ৩৪১
রাজধানীতে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার ধাক্কায় প্রাণ গেলো নারীর
ঈদের ছুটিতে কক্সবাজারে পর্যটকের ঢল, হোটেলে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগ
ব্যাংককে ড. মুহাম্মদ ইউনূস-নরেন্দ্র মোদির বৈঠক আজ
রাশিয়ার হয়ে ইউক্রেন যুদ্ধে অংশ নেওয়া ময়মনসিংহের ইয়াসিন নিহত
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে শুল্ক ইস্যুর ইতিবাচক সমাধান হবে: প্রধান উপদেষ্টা