রবিবার, ৬ এপ্রিল ২০২৫ | ২৩ চৈত্র ১৪৩১
Dhaka Prokash

বশেমুরবিপ্রবি’র সাংবাদিক সমিতির বর্তমান কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা

গোপালগঞ্জের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (বশেমুরবিপ্রবি) সাংবাদিক সমিতির বর্তমান কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করা হয়েছে। মেয়াদ শেষ হওয়ার পরেও অবৈধভাবে ক্ষমতা দখল, উপদেষ্টাদের সঙ্গে অসদাচরণ এবং রাতে অফিসে সাধারণ সম্পাদক পরান কর্তৃক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাগর দের উপর হামলাসহ একাধিক কারণে এই কমিটিকে বিলুপ্ত করা হয়৷

শুক্রবার (১৫ এপ্রিল) বশেমুরবিপ্রবি সাংবাদিক সমিতির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি এবং আজীবন উপদেষ্টা মো. রেজোয়ান হোসেন স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ বিষয়টি জানানো হয়। 

উক্ত বিজ্ঞপ্তিতে শাফিউল কায়েস (আহ্বায়ক), সাগর দে (সদস্য সচিব) ও আব্দুস সালাম (সদস্য) কে নিয়ে তিন সদস্য বিশিষ্ট আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয়, “বশেমুরবিপ্রবি সাংবাদিক সমিতি-২০১৫ সালে গঠন করা হয়েছিল বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিকদের স্বার্থ রক্ষার্থে এবং বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মরত সাংবাদিকদের মধ্যে একতা ও সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্ক তৈরির লক্ষ্যে। কিন্তু জিনিয়া-পরান কমিটি বিভিন্ন সময়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যান্য সাংবাদিক সংগঠনের সঙ্গে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সরাসরি কলহে লিপ্ত হতে দেখা যায়, যা সংগঠনের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ম করে এবং সাংবাদিক সমিতি যে লক্ষ্যে গঠন করা হয়েছিল তার সম্পূর্ণ পরিপন্থী কাজ এটি। জিনিয়া-পরান ক্ষমতায় আসার পর থেকে সাংবাদিক সমিতির একক নিয়ন্ত্রণ হাতে নিতে বিভিন্ন কৌশলে সংগঠনের সিনিয়রদের মাইনাস করার খেলায় মেতে ওঠে।

বৃহস্পতিবার (১৪ এপ্রিল) সাংবাদিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মাইনুদ্দিন পরান সামান্য মতবিরোধের জেরে সাগর দে কে জনসম্মুখে বেধড়ক মারধর করে এবং দ্রুত পালিয়ে যায়। এমন ঘটনা সাংবাদিক সমিতির ইতিহাসে এই প্রথম। এ ছাড়াও কিছুদিন আগে সাংবাদিক সমিতির সদস্য শাফিউল কায়েসকে নিউজ সংক্রান্ত বিষয় নিয়ে এবং ব্যক্তিগত আক্রোশের জেরে নানাভাবে হেনস্থা করা হয়। সমিতিতে নতুন সদস্য নিয়োগের ক্ষেত্রে জিনিয়া-পরান কমিটি তাদের অনুগতদের সমিতিতে অন্তর্ভুক্ত করে দলীয়করণ শুরু করে, যাতে করে একচেটিয়া সিদ্ধান্ত গ্রহণে সুবিধা হয়। মেয়াদ শেষ হবার পরেও সাংগঠনিক সম্পাদক নিয়োগসহ নানা স্বেচ্ছাচারিতার প্রমাণ পাওয়া গেছে এই কমিটির বিরুদ্ধে।

এ ছাড়াও মুজিববর্ষ উপলক্ষে একটি ম্যাগাজিন প্রকাশের জন্য ২০১৯ সালে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছ থেকে একটি ভালো অঙ্কের টাকা পায় সাংবাদিক সমিতি। এ ছাড়াও সাংবাদিক সমিতির সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনার লক্ষ্যে একটি বাৎসরিক বাজেট পাস করার জন্য এই কমিটি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সঙ্গে কয়েকবার সাক্ষাৎ করেছে। তবে সাক্ষাতের ফলাফল কি, টাকা আদৌ পাওয়া গেছে কিনা, পাওয়া গেলেও কত টাকা পাওয়া গেছে সে সম্পর্কে উপদেষ্টারা বা সমিতির অন্যান্য সদস্যরা অবগত নয়। সর্বশেষ সাংবাদিক সমিতির একচ্ছত্র নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে জিনিয়া-পরান কমিটির মেয়াদ শেষ হওয়ার পরেও ক্ষমতায় আঁকড়ে থাকার জন্য কার্যনির্বাহী মিটিং ডেকে তাদের ক্ষমতায় থাকার মেয়াদ বাড়িয়ে নেওয়ার মতো গঠনতন্ত্র বিরোধী ও স্বৈরাচারী নজির স্থাপন করে।”

এ ব্যাপারে বশেমুরবিপ্রবি সাংবাদিক সমিতির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি এবং আজীবন উপদেষ্টা মো. রেজোয়ান হোসেন জানান, ‘দীর্ঘদিন এই কমিটির নামে অনেক অভিযোগ ছিল। মেয়াদ শেষ হবার পরেও অবৈধভাবে ক্ষমতা দখল করে রেখেছিল এরা। প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি হিসেবে কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করেছি এবং একটি নিরপেক্ষ ও সর্বজন গ্রাহ্য সাংবাদিক সমিতি গঠনের জন্য আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা করেছি।’

তিনি আরও বলেন, ‘এমন ঘটনা সাংবাদিক সমিতিতে এই প্রথম। ক্ষমতার অপব্যবহার চুড়ান্ত পর্যায়ে গেলে একজন সেক্রেটারি তার সংগঠনের সদস্যকে পেটাতে পারে।’

এদিকে এ বিষয়ে বিলুপ্ত কমিটির সাবেক সাধারণ সম্পাদক পরান বলেন, ‘কমিটি বিলুপ্ত যে করেছে সেটা সম্পূর্ণ অনিয়ম৷ সমিতির বাকি সদস্য যারা আছে তারা বাকি সিদ্ধান্ত নিবে৷ এই যে সিদ্ধান্তের সঙ্গে সালাম নামের যে ছেলের নাম আসছে সে নিজেও জানে না এটা৷ এ রকম একটা বিষয় সম্পূর্ণ অনিয়ম অগণতান্ত্রিক এবং তার (উপদেষ্টা) কোনো এখতিয়ারই নেই এটা করার৷ কমিটির কোনো সিদ্ধান্ত নিতে হলে সেটা কার্যনির্বাহী কমিটি সিদ্ধান্ত নিবে৷’

হামলার ব্যাপারে জানতে চাইলে তিনি জানান, ‘হামলা বলতে এখানে কোনও হামলার ঘটনা ঘটেনি৷ সমিতির যে ইন্টার্নাল মিটিং ছিল সেখানে মতবিরোধ ছিল৷ এতটুকুই৷ মতবিরোধে কিছু উচ্চবাচ্চ হইছে৷ যাস্ট এটাই৷ ওই ধরনের কিছু ঘটেনি৷ এটাকে অন্যখাতে প্রবাহিত করার জন্য এমন ঘটনা সাজানো হয়েছে৷”

এসআইএইচ

Header Ad
Header Ad

আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন চাইলেন আওয়ামীপন্থি ৯৩ আইনজীবী

ছবি: সংগৃহীত

বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন চলাকালে হামলা, ভাঙচুর ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগে আওয়ামীপন্থি ৯৩ জন আইনজীবী ঢাকার একটি আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করেছেন। রোববার (৬ এপ্রিল) দুপুরে ঢাকা মহানগর দায়রা জজ জাকির হোসেন গালিবের আদালতে তারা আত্মসমর্পণ করে জামিন চান। দুপুর ২টায় এ বিষয়ে শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে।

জামিন আবেদনকারীদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য ব্যক্তিরা হলেন—ঢাকা বারের সাবেক সভাপতি সাইদুর রহমান মানিক, গাজী শাহ আলম, মাহবুবুর রহমান, আবু সাইদ সাগর, আসাদুর রহমান রচি, সাইবার ট্রাইব্যুনালের পিপি নজরুল ইসলাম শামিম ও মোরশেদ হোসেন শাহীন।

আসামি আইনজীবী মোরশেদ হোসেন শাহীন সাংবাদিকদের বলেন, “আমি আওয়ামী লীগের শতাধিক নেতাকর্মীর পক্ষে আইনজীবী হিসেবে মামলা পরিচালনা করেছি। এ কারণে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে আমার বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। এটি আইন ও ন্যায়বিচারের পরিপন্থি।”

জানা যায়,  ৪ আগস্ট আদালত চত্বরে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনের সময় আইনজীবীদের ওপর হামলা, চেম্বার ভাঙচুর এবং হত্যাচেষ্টার অভিযোগে ৬ ফেব্রুয়ারি ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলা দায়ের করেন আইনজীবী সমিতির কার্যনির্বাহী সদস্য মোহাম্মদ আলী বাবু। মামলায় আওয়ামীপন্থি ১৪৪ জন আইনজীবীকে আসামি করা হয়। এদের মধ্যে ১১৫ জন হাইকোর্ট থেকে ৮ সপ্তাহের অন্তর্বর্তীকালীন জামিন পেয়েছিলেন, যার মেয়াদ সোমবার শেষ হচ্ছে।

আসামিদের তালিকায় রয়েছেন—আওয়ামী লীগের আইন বিষয়ক সম্পাদক কাজী নজিবুল্লাহ হিরু, সাবেক পিপি মো. আব্দুল্লাহ আবু, সমিতির সাবেক সভাপতি মোখলেছুর রহমান বাদল, মিজানুর রহমান মামুন, আব্দুর রহমান হাওলাদার, খন্দকার গোলাম কিবরিয়া জুবায়ের, মো. ফিরোজুর রহমান মন্টু, সাবেক সংসদ সদস্য সানজিদা খানমসহ অনেকে।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, ওইদিন আসামিরা লাঠিসোটা, অস্ত্রসহ ভয়ভীতির পরিবেশ তৈরি করে আদালত এলাকায় বোমা বিস্ফোরণ ঘটান এবং ‘শেখ হাসিনার ভয় নাই, রাজপথ ছাড়ি নাই’ বলে স্লোগান দিতে থাকেন। এক পর্যায়ে আসামি আনোয়ার শাহাদাৎ শাওন হেলমেট পরে একজন আইনজীবীর দিকে পিস্তল তাক করে হত্যার চেষ্টা করেন।

এ ঘটনায় আদালতের সামনে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এবং আইনজীবী সমাজে উত্তেজনা তৈরি হয়। মামলার শুনানিতে উচ্চ আদালতের নির্দেশনার আলোকে পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট আইনজীবীরা।

Header Ad
Header Ad

আরাফাত রহমান কোকোর শাশুড়ি মুকরেমা রেজা আর নেই

প্রয়াত আরাফাত রহমান কোকোর শাশুড়ি এবং বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার পুত্রবধূ সৈয়দা শামিলা রহমান সিঁথির মা এস ইউ এফ মুকরেমা রেজা ইন্তেকাল করেছেন। ছবি: সংগৃহীত

প্রয়াত আরাফাত রহমান কোকোর শাশুড়ি এবং বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার পুত্রবধূ সৈয়দা শামিলা রহমান সিঁথির মা এস ইউ এফ মুকরেমা রেজা ইন্তেকাল করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। শনিবার রাত ৩টা ৪৫ মিনিটে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৭১ বছর।

পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, শারীরিক নানা জটিলতায় ভুগে এক সপ্তাহ আগে মুকরেমা রেজা হাসপাতালে ভর্তি হন। তাঁর একমাত্র কন্যা শামিলা রহমান গত ৩০ মার্চ লন্ডন থেকে ঢাকায় ফেরেন মায়ের চিকিৎসার জন্য।

আজ রোববার বাদ আসর রাজধানীর বনানী ডিওএইচএস মাঠে মরহুমার জানাজা অনুষ্ঠিত হবে এবং পরে বনানী কবরস্থানে দাফন করা হবে বলে পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে। মুকরেমা রেজা দুই পুত্র ও এক কন্যা রেখে গেছেন। তাঁর স্বামী প্রকৌশলী এইচ এম হাসান রেজা রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (সাবেক ডিআইটি) কর্মকর্তা ছিলেন। তিনি ২০১৭ সালের মার্চে ইন্তেকাল করেন।

মুকরেমা রেজার মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ও মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তাঁরা পৃথক শোকবার্তায় মরহুমার রুহের মাগফিরাত কামনা করেন এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

Header Ad
Header Ad

ইভ্যালির রাসেল-শামীমার ৩ বছরের কারাদণ্ড

ইভ্যালির এমডি মোহাম্মদ রাসেল ও তার স্ত্রী চেয়ারম্যান শামীমা নাসরিন। ছবি: সংগৃহীত

প্রতারণার মামলায় ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ইভ্যালির ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মোহাম্মদ রাসেল ও তার স্ত্রী চেয়ারম্যান শামীমা নাসরিনকে তিন বছর করে সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। দণ্ডের পাশাপাশি প্রত্যেককে ৫ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড, অনাদায়ে আরও ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

রোববার (৬ এপ্রিল) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. মিনহাজুর রহমান এ রায় দেন।

বাদীপক্ষের আইনজীবী সাকিবুল ইসলাম জানান, আসামিরা পলাতক রয়েছেন। আদালত তাদের বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানাসহ গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন।

মামলা সূত্রে জানা গেছে, ইভ্যালি বিভিন্ন মাধ্যমে চমকপ্রদ বিজ্ঞাপন দিয়ে বিভিন্ন পণ্য বিক্রয় করে। এতে আকৃষ্ট হয়ে মুজাহিদ হাসান ফাহিম তাদের প্রতিষ্ঠান থেকে ২০২১ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি ইয়ামাহা আর ওয়ান ফাইভ বাইক অর্ডার করেন। যার মূল্য পরিশোধ করেন। তবে কর্তৃপক্ষ ৪৫ দিনের মধ্যে বাইকটি সরবরাহ করতে ব্যর্থ হয়। পরে তিনি ধানমন্ডি অফিসে যোগাযোগ করেন। কর্তৃপক্ষ পাঁচ লাখ টাকার চেক প্রদান করে। তবে ব্যাংক হিসেবে পর্যাপ্ত পরিমাণ অর্থ না থাকায় চেকটি নির্ধারিত তারিখে ব্যাংকে জমা না দিতে অনুরোধ করেন। আসামিদের কথা বিশ্বাস করে তিনি চেকটি ব্যাংকে জমা দেননি। পরবর্তীতে বাদি টাকা আদায়ের জন্য তাগাদা দিতে থাকেন। তবে তারা কোনো টাকা তাকে ফেরত দেননি। এর পর লিগ্যাল নোটিশ পাঠিয়েও কাজ হয়নি।

এ ঘটনায় মুজাহিদ হাসান ফাহিম ২০২৪ সালের জানুয়ারি মাসে আদালতে রাসেল ও শামীমার বিরুদ্ধে মামলা করেন।

Header Ad
Header Ad

সর্বশেষ সংবাদ

আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন চাইলেন আওয়ামীপন্থি ৯৩ আইনজীবী
আরাফাত রহমান কোকোর শাশুড়ি মুকরেমা রেজা আর নেই
ইভ্যালির রাসেল-শামীমার ৩ বছরের কারাদণ্ড
স্ত্রীকে নিয়ে চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুর গেলেন মির্জা ফখরুল
বিশ্বজুড়ে ট্রাম্প-মাস্কবিরোধী বিক্ষোভ, যুক্তরাষ্ট্রসহ ইউরোপের রাজপথে উত্তাল জনতা
চীনের গণমাধ্যমে দেয়া সাক্ষাৎকারে যা বললেন প্রধান উপদেষ্টা
ট্রাম্প প্রশাসনের শুল্কারোপের প্রভাব বড় নয়, সামাল দেয়া সম্ভব: অর্থ উপদেষ্টা
রাশিয়ার দাবি ইউক্রেনে একদিনে ৪৩০ সেনা হতাহত
সরকারি সফরে রাশিয়া ও ক্রোয়েশিয়া গেলেন সেনাপ্রধান
ডিসেম্বরের মধ্যেই নির্বাচন চায় হেফাজত, বিএনপির সঙ্গে একমত
চীনের পাল্টা শুল্কারোপে মার্কিন শেয়ারবাজারে ধস, বিশ্ববাজারে বাড়ছে উত্তেজনা
সাবেক রেলমন্ত্রী মুজিবুল হকের বাড়িতে হামলা ও অগ্নিসংযোগ
পরকীয়া করলে পাথর নিক্ষেপে মৃত্যুদণ্ডের আইন করতেন অপু বিশ্বাস
বিএনপির দল পুনর্গঠনে তরুণ ও শিক্ষিত নেতৃত্বের অগ্রাধিকার
যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের রপ্তানি আরও বাড়বে: প্রেসসচিব
টাঙ্গাইলে ধান ক্ষেতে মিলল ৭০ বছর বয়সী এক বৃদ্ধার মরদেহ
বগুড়ার সাতটি আসনে জামায়াতের প্রার্থী ঘোষণা
রংপুরে বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষে প্রাণহানি, আহত অন্তত ২০
গত ২৫ বছর ‘জয় বাংলা’ বলিনি, এখন থেকে বলব: কাদের সিদ্দিকী
বিরামপুরে ভয়াবহ আগুনে সনাতন পরিবারের সর্বস্ব পুড়ে ছাই