রবিবার, ৬ এপ্রিল ২০২৫ | ২৩ চৈত্র ১৪৩১
Dhaka Prokash

বাংলাদেশ নিজের শক্তিতে দাঁড়িয়েছে

চলমান বিশ্ব অর্থনৈতিক সংকট সত্ত্বেও বাংলাদেশের অর্থনীতি জোর কদমেই এগিয়ে চলেছে। অন্য অনেক দেশের মতোই কোভিড-১৯ এর কারণে বেশ খানিকটা থমকে দাঁড়িয়েছিল বাংলাদেশের অর্থনীতি। প্রায় দেড় দশক ধরে গড়ে সাড়ে ৬ শতাংশেরও বেশি হারে বেড়ে চলা এই অর্থনীতি ২০২০-২১ সালে কমে ৪ শতাংশের মতো হারে বেড়েছিল। এরপর স্বচেষ্টায় ঘুরে দাঁড়াচ্ছিল এই অর্থনীতি। কিন্তু ২০২২ সলের শুরুর দিকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ ফের আমাদের অর্থনীতিকে চাপের মধ্যে ফেলে দেয়। বিশেষ করে দীর্ঘদিন ধরে যে ম্যাক্রো অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রেখেছিল বাংলাদেশ, তা বড় ধরনের বাধার মুখে পড়ে। রিজার্ভ কমতে থাকে। টাকার দামও কমে। মূল্যস্ফীতি বাড়ে। অনানুষ্ঠানিক খাতের কোটি পরিবারের গরিব ও কম আয়ের মানুষের জন্য বিনা অথবা কম মূল্যে খাবার সরবরাহের মতো বিরাট সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচি হাতে নিতে হয় সরকারকে।

শক্তিশালী কৃষি খাত, রপ্তানি এবং প্রবাস আয় বাংলাদেশের অর্থনীতিকে এ সব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে সচল রাখতে বড় ভূমিকা রেখে চলেছে। সে কারণেই বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অর্জনকে প্রশংসার চোখে দেখে সারাবিশ্ব। এর প্রকাশ ঘটে কয়েক দিন আগে বাংলাদেশ সফরে আসা বিশ্বব্যাংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক অ্যাক্সেল ফন ট্রোটসেনবার্গের কথায়। বিশেষ করে পদ্মা সেতুর অর্থায়ন নিয়ে বিশ্বব্যাংকের ভূমিকায় যে অস্বস্তি বাংলাদেশের ছিল, তা যেন অনেকটাই কেটে গেছে। নিজের অর্থে ওই সেতু নির্মাণ করে বিশ্বের কাছে যে আত্মশক্তিতে বলীয়ান অগ্রযাত্রার নজির বাংলাদেশ রেখেছে, তার প্রভাব মনে হয় বিশ্বব্যাংকের ওপর মহলেও পড়েছে। তাই আমি অবাক হইনি যখন তিনি বলেন, ‘সামষ্টিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থাপনা, রপ্তানি বহুমুখীকরণ, আর্থিক খাত, জ্বালানি এবং জলবায়ু সহনশীলতার খাতে জোরালো সংস্কারের মাধ্যমে বাংলাদেশ দীর্ঘমেয়াদি প্রবৃদ্ধি অর্জন করতে পারে।’

অন্তর্ভুক্তিমূলক ও টেকসই উন্নয়নে বাংলাদেশের সফলতার ট্র্যাক রেকর্ডই যে এমন আশাবাদের উৎস, সেটিও তার আনুষ্ঠানিক বক্তব্যে উঠে এসেছে। তিনি এ দেশকে ‘৫০ বছরে বিশ্বের শ্রেষ্ঠ উন্নয়ন গল্পের একটি’ হিসেবে অভিহিত করেছেন।

বিশ্বব্যাংক ব্যবস্থাপনা পরিচালকের এই আশাবাদ এমনি এমনি তৈরি হয়নি। এর ভিত্তি বাংলাদেশের উদ্যোক্তা জনগণ এবং সাহসী নেতৃত্বই তলে তলে তৈরি করেছেন।

উল্লেখ্য, এক যুগেরও বেশি আগে ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ’ গড়ার যে অভিযাত্রা শুরু হয়েছিল, তার পরিণতিতে একদিকে যেমন অন্তর্ভুক্তিমূলক ও টেকসই প্রবৃদ্ধি এসেছে, অন্যদিকে আমাদের আর্থ-সামাজিক ভিত্তিটিও অতীতের যেকোনো সময়ের তুলনায় শক্তিশালী হয়েছে। সেই নিজস্ব শক্তির কল্যাণেই বাংলাদেশ করোনাজনিত সংকট সাফল্যের সঙ্গে মোকাবিলার পাশাপাশি সাম্প্রতিক সময়ের ভূ-রাজনৈতিক অস্থিরতাজনিত অর্থনৈতিক চাপ সামলানোর ক্ষেত্রেও বেশিরভাগ দেশের চেয়ে বেশি সুসংহত অবস্থায় রয়েছে।

গেল ডিসেম্বরে ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ দিবস’ উপলক্ষে বক্তৃতায় তাই প্রধানমন্ত্রী পরবর্তী দুই দশকের মধ্যে ‘স্মার্ট বাংলাদেশ’ গড়ে তোলার নতুন অভিযাত্রা শুরুর ঘোষণা দিয়েছেন। জানিয়েছেন, তার সরকার ‘স্মার্ট সিটিজেন, স্মার্ট ইকোনমি, স্মার্ট গভর্নমেন্ট ও স্মার্ট সোসাইটি’—এই চারটি ভিত্তি মজবুতকরণের মাধ্যমে ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত বাংলাদেশ গঠনের জন্য এরই মধ্যে কাজ করতে শুরু করেছে। এই পরিকল্পনা ও প্রত্যয় আশাব্যঞ্জক তো বটেই, একই সঙ্গে আমাদের নিজস্ব সামাজিক পুঁজি ও সম্ভাবনাময় আর্থ-সামাজিক ভিত্তির সম্মিলনে যে আত্মশক্তি পুরো সমাজে সঞ্চারিত হয়েছে, তার প্রতিফলনও এখানে ঘটেছে।

এই আত্মবিশ্বাস অবশ্যই ভিত্তিহীন নয়। স্বাধীনতার পর থেকে এ যাবৎ মৌলিক সামষ্টিক অর্থনৈতিক সূচকগুলোর পরিবর্তনের দিকে একটু নজর দিলেই এই আত্মবিশ্বাসের উৎসর সন্ধান মেলে। স্বাধীনতার পরে একেবারে শূন্য থেকে যাত্রা শুরু করেছিলেন বঙ্গবন্ধু। ১৯৭২-এ মাথাপিছু আয় ছিল ৯১ ডলারের কম (কারেন্ট ইউএস ডলারে)।

বিশ্বব্যাংকের তথ্য থেকে দেখা যায়, চার বছরেরও কম সময়ে বঙ্গবন্ধুর দূরদর্শী নেতৃত্বের কল্যাণে ১৯৭৫-এ সেই মাথাপিছু আয় ২৬০ ডলার ছাড়িয়ে যায় (অর্থাৎ প্রায় তিন গুণ বেড়ে যায়)। বঙ্গবন্ধুকে হারিয়ে উল্টোপথে যাত্রা শুরু করেছিল অর্থনীতি। মাথাপিছু আয় বাড়ার বদলে কমতে শুরু করে। ১৯৭৫-এর পর্যায়ে উঠে আসতে অপেক্ষা করতে হয়েছিল আরও ১৩-১৪ বছর। তার পরও আগের সেই গতি ফিরে পেতে সময় লেগেছে আরও বেশি। মাঝখানে ১৯৯৬ থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত কিছুটা উল্লম্ফন ঘটানো সম্ভব হয়েছিল আবারও বঙ্গবন্ধুর আদর্শের কল্যাণমুখী সরকার ক্ষমতা গ্রহণের পর। কিন্তু আবারও এই অভিযাত্রায় ছেদ পড়ে। তবে ২০০৯ সালে বঙ্গবন্ধুকন্যা দ্বিতীয়বারের মতো দেশের দায়িত্বভার কাঁধে নেওয়ার পর আর পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। ওই সময় মাথাপিছু আয় ছিল ৬৩০ ডলার। ১৩ বছরের মধ্যে (২০২১ সালে) তা বেড়ে হয় দুই হাজার ৪৫৭ ডলার। সর্বশেষ ২০২২-এর হিসাব বলছে, এই আয় এখন দুই হাজার ৮০০ ডলার ছাড়িয়েছে। স্বাধীনতার পর থেকে এই হিসাবে মাথাপিছু আয় যতটুকু বেড়েছে তার ৮০ শতাংশের বেশিই বেড়েছে গত ১৩-১৪ বছরে। অর্থাৎ ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ’ বাস্তবায়নের সাম্প্রতিক সময়ের অভিযাত্রার ফলে আমাদের মাথাপিছু আয় বৃদ্ধিতে নাটকীয় গতি সঞ্চারিত হয়েছে। একই কথা প্রযোজ্য রপ্তানি ও আমদানির ক্ষেত্রেও।

স্বাধীনতা-উত্তরকালে বার্ষিক রপ্তানির পরিমাণ (কারেন্ট প্রাইস হিসাবে) ১২০ গুণেরও বেশি বেড়ে ৫০ বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়েছে, আর এই প্রবৃদ্ধির ৬১ শতাংশ হয়েছে গত ১৩-১৪ বছরে। একইভাবে আমদানি যে ৮৩ গুণ বেড়েছে তার ৬৯ শতাংশই ঘটেছে ২০০৮-০৯ পরবর্তী সময়ে। রেমিট্যান্স প্রবাহেও এই সর্বশেষ ১৩-১৪ বছরে সবচেয়ে বড় উল্লম্ফন আমরা দেখেছি (পাঁচ দশকের মোট প্রবৃদ্ধির ৬০ শতাংশ এই সময়ে ঘটেছে)। আমাদের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ সাম্প্রতিক সময়ের বৈশ্বিক সংকটের কারণে কিছুটা ক্ষয়িত হয়েছে। তবে মনে রাখতে হবে বিশ্বব্যাংকের হিসাব মতে, এই রিজার্ভের পরিমাণ ২০০৮-০৯ ছিল ছয় বিলিয়নেরও কম, আর পরের ১২-১৩ বছরে তা বেড়ে হয়েছে ৪৬ বিলিয়ন ডলারেরও বেশি।

ড. আতিউর রহমান: বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক গভর্নর

আরএ/

Header Ad
Header Ad

গাজায় গণহত্যার প্রতিবাদ: ক্যাম্পাসে ক্যাম্পাসে ক্লাস-পরীক্ষা বর্জনের ডাক

ছবি কোলাজ: ঢাকাপ্রকাশ

গাজার জনগণের ওপর ইসরায়েলি বাহিনীর নৃশংস হামলা ও গণহত্যার প্রতিবাদে দেশের বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা আগামী ৭ এপ্রিল, সোমবার, ‘নো ওয়ার্ক, নো স্কুল’ কর্মসূচি পালনের ঘোষণা দিয়েছেন। তারা গাজার নিরীহ মানুষদের প্রতি সংহতি প্রকাশ করতে এবং আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের উদাসীনতার বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতে একত্রিত হচ্ছেন।

বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা প্রথমে এই কর্মসূচি ঘোষণা করেন। ইস্ট ওয়েস্ট বিশ্ববিদ্যালয়, ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়, ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি, ড্যাফোডিল ইউনিভার্সিটি ও অন্যান্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এই আন্দোলনে যোগ দেয়। তারা জানান, গাজার উপর ইসরায়েলি বাহিনীর চলমান বোমাবর্ষণ, নিরীহ মানুষের হত্যা, শিশুদের হত্যা এবং স্বাস্থ্যকর্মীদেরও টার্গেট করা হচ্ছে। শিক্ষার্থীরা বিশ্বশক্তিদের মদদে এই গণহত্যার প্রতিবাদ জানাতে এবং সব ধরনের ক্লাস, ল্যাব ও পরীক্ষা বর্জন করবেন।

এছাড়া, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা এই কর্মসূচির সঙ্গে একাত্মতা ঘোষণা করেছেন। তারা বলেন, "বিশ্বব্যাপী মানবাধিকার ভূলুণ্ঠিত হচ্ছে, এবং মুসলিম বিশ্বের পরাশক্তিরা নির্বিকার। আমরা গাজার নির্যাতিত জনগণের প্রতি সংহতি জানাচ্ছি এবং তাদের পাশে দাঁড়াচ্ছি।" একই সঙ্গে তারা বিশ্বব্যাপী অনুষ্ঠিতব্য “দ্য ওয়ার্ল্ড স্টল ফর গাজা” কর্মসূচিতে অংশগ্রহণের ঘোষণা দিয়েছেন।

ঢাকা মেডিকেল কলেজের শিক্ষার্থীরা তাদের বিবৃতিতে গাজার শিশু ও সাধারণ মানুষের ওপর ইসরায়েলি বাহিনীর বর্বরোচিত হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন। তারা বলেন, “এটি এক মানবাধিকার লঙ্ঘন, যা আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে অত্যন্ত লজ্জাজনক। মুসলিম বিশ্ব ও অন্যান্য আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলির নির্বিকার ভূমিকা আমাদের হতাশ করেছে।”

রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (রুয়েট) ও ঢাকা প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (ডুয়েট) শিক্ষার্থীরাও এই কর্মসূচির প্রতি তাদের সমর্থন জানিয়েছেন। তারা বলেন, “এটি শুধুমাত্র রাজনৈতিক বিষয় নয়, এটি একটি মানবিক সংকট। বিশ্বব্যাপী এই গণহত্যার বিরুদ্ধে সকলকে একত্রিত হতে হবে।”

সারাদেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা এই আন্দোলনে যোগ দিতে প্রস্তুত। তারা নিজেদের কর্মসূচিতে দাবি জানাচ্ছেন, "গাজার মজলুম মানুষদের জন্য কথা বলুন, তাদের পাশে দাঁড়ান।" তারা জানান, ৭ এপ্রিল সারা দেশে এই প্রতিবাদ কর্মসূচি সফল করার জন্য সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, সরকারি-বেসরকারি অফিস ও আদালত বন্ধ থাকবে।

অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক আনু মোহাম্মদ, এনসিপির নেতা সারজিস আলম এবং ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় নেতা আবু সাদিক কায়েমসহ বিভিন্ন সামাজিক ও রাজনৈতিক সংগঠনও এই আন্দোলনে অংশগ্রহণের আহ্বান জানিয়ে ফেসবুকে সমর্থন প্রকাশ করেছেন।

উল্লেখ্য, গাজার ওপর ইসরায়েলি হামলা অব্যাহত রেখেছে, এবং সারা বিশ্বে এটি গভীর উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। এর মধ্যে গাজার খান ইউনিসে এক ভবনে বোমা হামলায় ৮ জন নিহত হয়েছে, এবং অন্য স্থানগুলোতেও বিপুল পরিমাণ হতাহতের ঘটনা ঘটেছে।

Header Ad
Header Ad

যুক্তরাষ্ট্রের শুল্কের প্রভাব সামাল দেওয়া কঠিন হবে না: অর্থ উপদেষ্টা

অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদ। ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের নতুন শুল্ক আরোপের ফলে অর্থনীতিতে যে প্রভাব পড়বে তা সামাল দেওয়া কঠিন হবে না বলে জানিয়েছেন অর্থ উপদেষ্টা সালেহউদ্দিন আহমেদ। ঈদ উপলক্ষে টানা ৯ দিনের ছুটি শেষে প্রথম কার্যদিবস রোববার (৬ এপ্রিল) সচিবালয়ে এসে তিনি সাংবাদিকদের একথা বলেন।

তিনি বলেন, ‘সরকার শুল্কের বিষয়ে মার্কিন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনার জন্য প্রয়োজনীয় উদ্যোগ নিয়েছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র কর্তৃক আরোপিত নতুন শুল্কের কারণে অর্থনীতির ওপর যে প্রভাব পড়বে, তা সামাল দেওয়া কঠিন হবে না। আমরা আশাবাদী এর থেকে ভালো কিছু বেরিয়ে আসবে।’

এত দিন যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশি পণ্যের ওপর গড়ে ১৫ শতাংশ শুল্ক ছিল। গত ২ এপ্রিল ৩৭ শতাংশ শুল্ক আরোপের ঘোষণা দিয়েছে ট্রাম্প প্রশাসন।

অর্থ উপদেষ্টা বলেন, রমজান ও ঈদের সময় পণ্যের দাম স্থিতিশীল ছিল, যা জনসাধারণকে স্বস্তি দিয়েছে।

তিনি আরও বলেন, ‘এবার মানুষের ঈদ ভালো কেটেছে। মার্চ মাসে দেশে ৩ বিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স এসেছে। ফলে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভও বেড়েছে। দেশের অর্থনৈতিক পরিস্থিতির উন্নতি হচ্ছে।’

Header Ad
Header Ad

বিদেশি শীর্ষ বিনিয়োগকারীদের নিয়ে প্রধান উপদেষ্টার বৈঠক বুধবার

প্রধান উপদেষ্টা. ড. মুহাম্মদ ইউনূস। ছবি: সংগৃহীত

প্রধান উপদেষ্টা. ড. মুহাম্মদ ইউনূস আগামী ৯ এপ্রিল (বুধবার) রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় শীর্ষ বিনিয়োগকারীদের নিয়ে বৈঠক করবেন বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) নির্বাহী পরিচালক চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুন।

রোববার (৬ এপ্রিল) রাজধানীর বেইলি রোডে ফরেন সার্ভিস অ্যাকাডেমিতে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান তিনি।

চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুন বলেন, আপনারা নিশ্চয়ই লক্ষ্য করেছেন বিনিয়োগের ব্যাপারে প্রধান উপদেষ্টা খুবই আগ্রহী। তিনি নিজেই চেয়েছিলেন বিদেশি বড় বড় বিনিয়োগকারী যারা আসবেন (চীন, জাপান ও দক্ষিণ কোরিয়া থেকে) তাদের সঙ্গে পৃথক দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করবেন।

তিনি বলেন, আগামীকাল ৭ এপ্রিল থেকে ১০ এপ্রিল পর্যন্ত চার দিনব্যাপী সম্মেলনে আয়োজক বাংলাদেশসহ অর্ধশতাধিক দেশের সাড়ে ৫ শতাধিক শীর্ষ পর্যায়ের কর্মকর্তা অংশগ্রহণ করবেন।

বিডার নির্বাহী পরিচালক বলেন, সম্মেলনে দেশি-বিদেশি পাঁচজন বিনিয়োগকারীকে পুরস্কার দেওয়া হবে।

তিনি আরও বলেন, সম্মেলন অনুষ্ঠানটি ফেসবুক ও ইউটিউবে প্রচারিত হবে। এ ছাড়া, বিদেশি বিনিয়োগকারীদের ইন্টারভিউ নিতে মিডিয়া কর্নার থাকবে বলেও সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়।

Header Ad
Header Ad

সর্বশেষ সংবাদ

গাজায় গণহত্যার প্রতিবাদ: ক্যাম্পাসে ক্যাম্পাসে ক্লাস-পরীক্ষা বর্জনের ডাক
যুক্তরাষ্ট্রের শুল্কের প্রভাব সামাল দেওয়া কঠিন হবে না: অর্থ উপদেষ্টা
বিদেশি শীর্ষ বিনিয়োগকারীদের নিয়ে প্রধান উপদেষ্টার বৈঠক বুধবার
এসএসএফের সাবেক ডিজি ও তার স্ত্রীর ফ্ল্যাট-জমি জব্দ, ৩৪ ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ
আওয়ামীপন্থি ৮৪ আইনজীবীকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ, ৯ জনের জামিন
গাজার গণহত্যার বিরুদ্ধে সোমবার দেশবাসীকে রাজপথে নামার আহ্বান সারজিসের
ইতিহাস সৃষ্টি করে মার্চে এলো ৩২৯ কোটি ডলার রেমিট্যান্স
দুদকের সাবেক অ্যাম্বাসেডর থেকে আসামি হতে যাচ্ছেন সাকিব!
গাজায় ইসরায়েলি মিসাইলের আঘাতে মরদেহ উড়ছে আকাশে! (ভিডিও)
মা হারালেন অভিনেত্রী জ্যাকুলিন ফার্নান্দেজ
‘দুর্নীতির অভিযোগ উড়িয়ে দিতে পারেননি বলেই টিউলিপ পদত্যাগ করেছেন’
মানিকগঞ্জে কার্টনবন্দি নারীর মরদেহের পরিচয় পাওয়া গেছে
বিসিএসের সুস্পষ্ট রোডম্যাপ দাবিতে পিএসসির সামনে চাকরিপ্রার্থীদের অবস্থান কর্মসূচি
নারী বিশ্বকাপ বাছাইপর্ব শুরু বুধবার, কঠিন পরীক্ষার সামনে বাংলাদেশ
কাল হোয়াইট হাউজে বৈঠকে বসছেন ট্রাম্প-নেতানিয়াহু
এরদোগানের দলে যোগ দিয়ে তুরস্কের রাজনীতিতে ওজিল
টাঙ্গাইলে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক ক্রীড়া দিবস পালিত
বাংলাদেশসহ ১৩ দেশের নাগরিকদের জন্য সৌদি আরবের ভিসা নিষেধাজ্ঞা
ভারতের বিতর্কিত ওয়াকফ বিল নিয়ে মুসলমানদের আপত্তির মূল কারণ কী (ভিডিও)
আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন চাইলেন আওয়ামীপন্থি ৯৩ আইনজীবী