শনিবার, ৫ এপ্রিল ২০২৫ | ২১ চৈত্র ১৪৩১
Dhaka Prokash

নতুন বছরে নতুন চ্যালেঞ্জ

টানটান উত্তেজনাপূর্ণ একটি বছর পার করল বিশ্ব। জাতীয় ও আন্তর্জাতিক প্রেক্ষাপটে গেল বছর বেশ উদ্বেগ-উৎকণ্ঠাও ছড়িয়েছিল। নতুন বছর কেমন যাবে তা হয়তো জ্যোতির্বিদরাই ভালো বলতে পারবেন। তবে বিশ্ব খাদ্য সংস্থা আগাম সতর্ক বার্তা দিয়েছে।

সংস্থাটি বলেছে, ২০২৩ সালে বাংলাদেশসহ বিশ্বের বেশ কয়েকটি দেশ দুর্ভিক্ষের কবলে পড়তে পারে। খাদ্য সংকট যে ভয়াবহ রূপ নেবে সে কথা নির্দ্বিধায় বলা যায়। কারণ, খাদ্য উৎপাদনকারী দুটি বড় দেশ রাশিয়া ও ইউক্রেন যুদ্ধে অবতীর্ণ হয়েছে। যুদ্ধ এখনো চলছে। করোনা অতিমারির কারণে সারাবিশ্ব যখন অর্থনৈতিক সংকটে হিমশিম খাচ্ছিল ঠিক সেই মুহূর্তে বিশ্বের উপর একটি যুদ্ধ চাপিয়ে দিল রাশিয়া। এ যেন গোদের উপর বিষফোঁড়া।

রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ নানামুখি নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। সারা বিশ্বে খাদ্য ও জ্বালানি সংকট ভয়ঙ্কর রূপ নিয়েছে। আমদানি-রপ্তানি খাত ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। বৈদেশিক বিনিয়োগ, কর্মসংস্থানের বড় ধরনের আঘাত এসেছে। বিদ্যমান পরিস্থিতিতে অনুন্নত-উন্নয়নশীল দেশই নয়, উন্নত দেশগুলোকেও আগামী বছরের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার বিষয় নিয়ে নতুন করে ভাবতে হচ্ছে। এরমধ্যে সবচেয়ে বেশি ভোগাবে খাদ্য সংকট ইস্যুটি।

বিশ্বের অন্যতম প্রধান খাদ্যশস্য উৎপাদনকারী দেশ ইউক্রেন রাশিয়া গেল বছর খাদ্য উৎপাদন করতে পারেনি। বাংলাদেশ ইউক্রেন থেকে বিপুল পরিমাণ গম আমদানি করত। রাশিয়া থেকেও আমদানি করা হতো। চাল আমদানি করে ভারত, ভিয়েতনাম থেকে। এ বছর উৎপাদন কম হওয়ায় এসব দেশ থেকে আমদানি করা সম্ভব হচ্ছে না। থাইল্যান্ড ও মিয়ানমার থেকে কী পরিমাণ চাল আমদানি করতে পারবে তার ওপর অনেক কিছুই নির্ভর করছে। আবার বিকল্প বাজারও খোঁজা হচ্ছে।

নতুন বছরের শুরু থেকে বাংলাদেশকে বেশ কিছু চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হবে। এরমধ্যে খাদ্যদ্রব্য আমদানির বিষয়টিকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিতে হবে। একইসঙ্গে দ্রব্যমূল্য সাধারণ মানুষের ক্রয়সীমার মধ্যে রাখার কাজটিও অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে করতে হবে। এক্ষেত্রে বাজার মনিটরিং ব্যবস্থা জোরদার করতে হবে। বাজারের লাগামটা ব্যবসায়ীদের হাতে তুলে না দিয়ে সরকারের হাতে রাখতে হবে। উন্নত দেশগুলো কোনো পণ্যের দাম বাড়াতে হলে ক্রেতাসাধারণকে আগেভাগেই জানানো হয়। শুধু তাই নয়, দাম কেন বাড়ানো হচ্ছে তার কারণও ব্যাখ্যা করা হয়। আমাদের দেশে বিনা নোটিশে যখন তখন দাম বাড়ানো হয়। ভোক্তার অধিকার তারা থোরাই কেয়ার করেন।

বহুজাতিক কোম্পানি ইউনিলিভার সাম্প্রতিক সময়ে তাদের প্রায় সব পণ্যের দাম বাড়িয়েছে। এই কোম্পানি সারা বিশ্বেই তাদের পণ্য বিক্রি করছে। উন্নত দেশে তারা কোনো পণ্যের দাম বাড়ালে ক্রেতাদের আগাম নোটিশ করে। আর বাংলাদেশে এর উল্টোচিত্র। এ নিয়ে গণমাধ্যমে রিপোর্ট করলে মামলার ভয় দেখায়। আসলে ক্রেতারা বেনিয়া গোষ্ঠীর হাতে জিম্মি। তারা কথায় কথায় ক্রেতাদের পকেট কাটবে। কিন্তু কোনো জবাবদিহি করবে না।

আমাদের দেশীয় কোম্পানিগুলিও মওকা খোঁজে। সুযোগ পেলেই এরা দাম বাড়িয়ে দেয়। কখনো কখনো সরকারকেও জিম্মি করে পণ্যের দাম বাড়িয়েছে। এ অবস্থা থেকে কাটিয়ে ওঠার জন্য সরকারকে সুযোগ সন্ধানী ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে। অবশ্য প্রতিযোগিতা কমিশন ইতিমধ্যেই বড় কয়েকটি কোম্পানির বিরুদ্ধে মামলা করেছে। এই মামলা যেন শুধু লোক দেখানো না হয়!
অব্যাহত অর্থনৈতিক মন্দাবস্থার কারণে দেশে রিজার্ভের পরিমাণ দ্রুত কমে গেছে। রিজার্ভ বাড়ানোর জন্য রেমিটেন্স প্রবাহ বাড়াতে হবে।

গত বছর বিপুল সংখ্যক জনশক্তি বিদেশে রপ্তানি হয়েছে। যা বিগত বছরগুলোর তুলনায় দেড়গুণ বেশি। নতুন বছরে নিশ্চয়ই একটা ইতিবাচক ফল পাওয়া যাবে। ব্যাংকে তারল্য সংকট কিংবা ডলার সংকট ব্যবসায়ীরাই সৃষ্টি করেন। দেশের বাজারও নিয়ন্ত্রণ করেন তারা। তারা যদি সরকারের সঙ্গে সহযোগিতামূলক মনোভাব নিয়ে অগ্রসর না হয় তাহলে সংকট থেকে উত্তরণের পথ নেই। বিষয়টা সরকারকে গুরুত্ব দিয়ে ভাবতে হবে। দেশের অর্থনীতির চাকা সচল রাখতে পারলে অন্য সমস্যাগুলো কাটিয়ে ওঠা দুরহ হবে না।

অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে অস্থিরতা কাটিয়ে ওঠার পাশাপাশি সরকারকে রাজনৈতিক উত্তাপ প্রশমনের উদ্যোগ নিতে হবে। এক্ষেত্রে সরকারকে অনেক বেশি কৌশলী হতে হবে। ধারণা করা হচ্ছে, নতুন বছর রাজনৈতিক অঙ্গণ উত্তপ্ত হয়ে উঠবে। গেল বছরের রাজনৈতিক সংঘাতের উত্তাপ নতুন বছরে আরও বেশি ছড়িয়ে পড়তে পারে। দেশের জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে। নির্বাচনকে ঘিরে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে নানা হিসাবনিকাশ চলছে। জোট গঠন নিয়েও প্রধান প্রধান দলগুলো সলাপরামর্শ করছে। নির্বাচনের দিনক্ষণ চূড়ান্ত না হলেও ২০২৪ সালের জানুয়ারি মাসে অনুষ্ঠিত হবে।

এই নির্বাচনের সব প্রস্তুতি ২০২৩ সালের ডিসেম্বরেই শেষ করতে হবে। সেক্ষেত্রে সরকার এবং নির্বাচন কমিশনের সবচয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হবে সব রাজনৈতিক দলকে নির্বাচনে আনা। সেই সঙ্গে একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন সম্পন্ন করা। কোনো কারণে অন্যতম প্রধান বিরোধীদল বিএনপি নির্বাচনে না এলে নির্বাচনের গ্রহণযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন উঠবে। সরকার নিশ্চয়ই আগামী নির্বাচনকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে চাইবে না।

নতুন বছরে গণমাধ্যমকেও অনেক বড় চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হবে। সেই চ্যালেঞ্জ হচ্ছে সত্যনিষ্ঠ সংবাদ প্রকাশের চ্যালেঞ্জ। সুসাংবাদিকতার চ্যালেঞ্জ। গেল বছরের সাংবাদিকতা আগের বছরগুলোর মতোই নানা কারণে প্রশ্নবিদ্ধ ছিল। সত্যনিষ্ঠ সংবাদ প্রকাশের ক্ষেত্রে অনেক বাধা-বিপত্তি ছিল। সাংবাদিকতার নামে হলুদ সাংবাদিকতা, এজেন্ডা সাংবাদিকতা, তোষামোদী সাংবাদিকতা বেশিমাত্রায় হয়েছে। এতে সত্যনিষ্ঠ সাংবাদিকতা কখনো কখনো মুখ থুবড়ে পড়েছে। আমরা এ অবস্থার অবসান চাই।

গণমাধ্যম হচ্ছে রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ। কিন্তু এই স্তম্ভ নড়বড়ে হয়ে গেলে পুরো রাষ্ট্রীয় কাঠামোই নড়বড়ে হয়ে যায়। দেশের স্বার্থে, উন্নয়নের স্বার্থে এবং গণতন্ত্রের স্বার্থে গণমাধ্যমকে স্বাধীন মতপ্রকাশের অধিকার দিতে হবে।

দ্বিধাহীন চিত্তে একটি কথা বলতে চাই। আমাদের মুক্তিযুদ্ধ কিন্তু এখনো চলছে। আমরা এখনো একটি যুদ্ধের মধ্যেই আছি। এখনো প্রতিক্রিয়াশীল শক্তি সক্রিয়। এখনো পাকিস্তানপন্থীরা ষড়যন্ত্রের জাল বিস্তার করে চলেছে। উগ্র মৌলবাদী গোষ্ঠী বাংলাদেশের ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্রের ভাবমূর্তিতে কুঠারাঘাত করতে চায়। এসব অপশক্তির বিরুদ্ধে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী সব মানুষের ঐক্য দরকার। এই ঐক্য সৃষ্টিতে গণমাধ্যম অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ‚ ভুমিকা রাখতে পারে। আমরা নিশ্চয়ই এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে প্রস্তুত।
ঢাকাপ্রকাশ-এর পাঠক, লেখক, বিজ্ঞাপনদাতা, শুভাকাঙ্ক্ষী ও শুভানুধ্যায়ীদের জানাই নতুন বছরের শুভেচ্ছা। সবাই ভালো থাকুন, সুস্থ থাকুন। ঢাকাপ্রকাশ-এর সঙ্গে থাকুন।

মোস্তফা কামাল: প্রধান সম্পাদক, ঢাকাপ্রকাশ ও কথাসাহিত্যিক। 

 

Header Ad
Header Ad

এক দিনেই পাঁচ রাষ্ট্রপ্রধানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন ড. ইউনূস

শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রী হরিনি অমরসুরিয়ার সঙ্গেও বৈঠক করছেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। ছবি: সংগৃহীত

বঙ্গোপসাগরীয় দেশগুলোর আঞ্চলিক সহযোগিতা জোট বিমসটেকের দ্বিতীয় দিনে পাঁচ রাষ্ট্রপ্রধানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। শুক্রবার (৪ এপ্রিল) বিমসটেক সম্মেলন শেষে প্রথমে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে বৈঠক করেন তিনি।

এরপর থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী পেতংতার্নের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে মিলিত হন ড. ইউনূস। থাই প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশকে দুই বছরের জন্য বিমসটেকের সভাপতি নির্বাচিত হওয়ায় অভিনন্দন জানান এবং পারস্পরিক সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

পরে ভুটানের প্রধানমন্ত্রী শেরিং তোবগের সঙ্গে বৈঠকে বসেন ড. ইউনূস। আঞ্চলিক উন্নয়ন ও পারস্পরিক সহায়তা নিয়ে আলোচনা করেন তারা। একই দিন শ্রীলঙ্কার প্রধানমন্ত্রী হরিনি অমরসুরিয়ার সঙ্গে হোটেল সাংগ্রিলায় বৈঠক করেন ড. ইউনূস, যেখানে অর্থনৈতিক উন্নয়নে সহযোগিতার বিষয়টি উঠে আসে।

বিকেলে মিয়ানমারের সরকার প্রধানের সঙ্গে হেঁটে হেঁটে বিভিন্ন ইস্যুতে আলাপ করেন ড. ইউনূস।

এদিকে, বৈঠকের পর নরেন্দ্র মোদি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে পোস্ট করেন—“বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছি। ভারত বাংলাদেশের সঙ্গে গঠনমূলক ও জনকেন্দ্রিক সম্পর্কের প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।” তিনি আরও বলেন, “বাংলাদেশে শান্তি, স্থিতিশীলতা, অন্তর্ভুক্তি ও গণতন্ত্রের প্রতি ভারতের সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করেছি। সীমান্ত নিরাপত্তা ও সংখ্যালঘুদের সুরক্ষা নিয়ে আলোচনা করেছি।”

উল্লেখ্য, ১৯৯৭ সালে প্রতিষ্ঠিত বিমসটেক বর্তমানে বাণিজ্য, প্রযুক্তি, পরিবহন, জ্বালানি ও সন্ত্রাসবাদ দমনের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ আন্তঃআঞ্চলিক জোট হিসেবে কাজ করছে।

Header Ad
Header Ad

যুক্তরাষ্ট্র চলতি বছর ৬৮২ ভারতীয়কে ফেরত পাঠিয়েছে

ছবি: সংগৃহীত

চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে মার্চ পর্যন্ত যুক্তরাষ্ট্র মোট ৬৮২ জন ভারতীয়কে ফেরত পাঠিয়েছে। এদের মধ্যে অধিকাংশই অবৈধভাবে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের চেষ্টা করেছিলেন। শুক্রবার (৪ এপ্রিল) ভারতের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী কীর্তিবর্ধন সিংহ লোকসভায় এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, সীমান্তে আটক হওয়া ভারতীয়দের নথিপত্র যাচাইয়ের পর যুক্তরাষ্ট্র তাদের প্রত্যাবাসন করে। একই সঙ্গে ভারত সরকার অবৈধ অভিবাসন ও মানব পাচার নিয়ে উদ্বিগ্ন এবং এই সমস্যা মোকাবিলায় মার্কিন প্রশাসনের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রেখে চলছে। অপরাধমূলক অভিবাসন চক্রের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলেও জানান তিনি।

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, শিক্ষার্থী, পর্যটক এবং পেশাদারদের আমেরিকা যাতায়াতে যাতে কোনো সমস্যা না হয়, সেদিকেও নজর দিচ্ছে মোদী সরকার। মার্কিন কর্তৃপক্ষ যে ভারতীয় নাগরিকদের তালিকা পাঠায়, তা গুরুত্ব সহকারে যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়।

এদিকে, জালিয়াতির দায়ে অভিযুক্ত ট্রাভেল এজেন্টদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নিতে সক্রিয় হয়েছে ভারত সরকার। মানব পাচারচক্রের সঙ্গে এজেন্টদের যোগসূত্র রয়েছে কি না, তা-ও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

Header Ad
Header Ad

কাকে বিয়ে করলেন জনপ্রিয় অভিনেতা শামীম?

ছবি: সংগৃহীত

জনপ্রিয় অভিনেতা শামীম হাসান সরকার অবশেষে বিয়ের পিঁড়িতে বসেছেন।

শুক্রবার (৪ এপ্রিল) সন্ধ্যায় নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক প্রোফাইলে একটি পোস্ট দিয়ে বিয়ের খবর জানিয়েছেন তিনি। স্ত্রীর সঙ্গে তোলা একটি ছবি দিয়ে প্রোফাইল পিকচার পরিবর্তন করে ক্যাপশনে লিখেছেন— "আলহামদুলিল্লাহ কবুল। আপনারা আমাদের জন্য দোয়া করবেন।"

এরপর পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে তোলা ছবি কাভার ফটো হিসেবে পোস্ট করেছেন এই অভিনেতা। ছবিতে অন্তর্বর্তী সরকারের রেল উপদেষ্টা ফাওজুল কবির খানকেও দেখা গেছে।

 

তবে স্ত্রীর পরিচয় সম্পর্কে ফেসবুক পোস্টে কিছু উল্লেখ করেননি শামীম।

Header Ad
Header Ad

সর্বশেষ সংবাদ

এক দিনেই পাঁচ রাষ্ট্রপ্রধানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করলেন ড. ইউনূস
যুক্তরাষ্ট্র চলতি বছর ৬৮২ ভারতীয়কে ফেরত পাঠিয়েছে
কাকে বিয়ে করলেন জনপ্রিয় অভিনেতা শামীম?
ঢাকার পথে প্রধান উপদেষ্টা প্রফেসর ইউনূস
মানিকগঞ্জে বাঁশঝাড়ে কার্টনে মিললো তরুণীর লাশ
ঈদুল আজহার সম্ভাব্য তারিখ প্রকাশ
দেশে তীব্র তাপপ্রবাহ নিয়ে বড় দুঃসংবাদ
হাসিনাকে ফেরানো নিয়ে আলোচনা হয়েছে তবে এ বিষয়ে আর কিছু বলা সম্ভব নয় : বিক্রম মিশ্রি
মার্কিন গাড়ি আমদানিতে ২৫% শুল্ক আরোপের ঘোষণা কানাডার
প্রথম ধাপে ১ লাখ ৮০ হাজার রোহিঙ্গাকে ফেরত নেবে মিয়ানমার
বিমসটেকের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব নিল বাংলাদেশ
চিকেনস নেকে ভারী যুদ্ধাস্ত্র মোতায়েন করল ভারত
চিত্রনায়িকা পরীমণির বিরুদ্ধে গৃহকর্মীর জিডি
পেঙ্গুইন ও পাখিদের উপরেও ট্রাম্পের শুল্ক আরোপ!
নেতাকর্মীদের মাঠে নামার নির্দেশ, আবারও শেখ হাসিনার উসকানি!
টাঙ্গাইলে ট্রাকচাপায় আনসার কমান্ডার নিহত
লোহাগাড়ায় সড়ক দুর্ঘটনা: না ফেরার দেশে প্রেমা, নিহত বেড়ে ১১
নিষেধাজ্ঞায় পড়লেন মেসির দেহরক্ষী, ঢুকতে পারবেন না মাঠে
শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ চাইলো বাংলাদেশ
ঈদ আনন্দে মুখরিত রংপুরের বিনোদন কেন্দ্রগুলো