বৃহস্পতিবার, ৩ এপ্রিল ২০২৫ | ২০ চৈত্র ১৪৩১
Dhaka Prokash

সংকট মোকাবিলায় স্থানীয় জনসাধারণের ক্ষমতায়ন জরুরি

এ বছর ৬০ শতাংশ বৃষ্টি কম হয়েছে। আমি মনে করি কথাটি অসম্পূর্ণ। কোথায় কম হয়েছে? গড় হিসেবে যদি বলি, নভেম্বর-ডিসেম্বর মাসে যে বৃষ্টি হওয়ার কথা, তার তুলনায় দশগুণ বেশি বৃস্টি হয়েছে। জুলাই আগস্ট মাসে যে বৃষ্টি হওয়ার কথা তার তুলনায় অর্ধেক হয়েছে। তার মানে এটির প্রথম কথা আপেক্ষিক। মানুষ ও পরিবেশের জন্য আপেক্ষিক। এখন শরৎকাল শুরু হয়েছে।

এই সময়েও কিন্তু বৃষ্টি হয়। দক্ষিণ বাংলাদেশে বৃষ্টি হয় জুনের ১৫ তারিখ। ঢাকায় বৃষ্টি হয় জুলাইয়ের ৪/৫তারিখের দিকে। দিনাজপুরে বৃষ্টি হতো জুলাই মাসে। জুলাই আগস্ট বৃষ্টি হতো কিন্তু সেপ্টেম্বরে বৃষ্টি হতো না। ঢাকাতে সেপ্টেম্বরের ১৫ তারিখ পর্যন্ত ভালো বৃষ্টি হতো। বাংলাদেশের একেক জায়গায় বৃষ্টিপাতের বৈশিষ্ট্য একেক রকম। যেমন সুনামগঞ্জের উত্তরে মেঘালয়ে এপ্রিল থেকে বৃষ্টি শুরু হয়। এখন বৃষ্টি এবং বৃষ্টির সঙ্গে রিলেট করে বন্যা তার সঙ্গে বাংলাদেশের জন্য জরুরি যেটি সেটি হচ্ছে ফসলের সময়কাল।

বাংলাদেশে বিদেশিরা বোঝে না আমাদের কথা। কারণ, আমাদের কমপক্ষে তিনটি ফসলের সময়কাল আছে। ধানের জন্য আমরা বলি, আউশ, আমন ও বোরো। চৈত্র মাসের শেষ থেকে আষাঢ় মাস পর্যন্ত। নভেম্বর মাস থেকে এপ্রিল মাস পর্যন্ত শুকনা মৌসুম। বৃষ্টি হওয়ার কথা নয়। বোরো ধান লাগানোর সময় সেজন্য সেচ দিতে হবে। সেচ আসবে কোথা থেকে? সেচ আসবে ভূগর্ভস্থ পানি থেকে। বর্তমানে আমরা গ্রাউন্ড ওয়াটারের উপর অতিরিক্ত নির্ভরশীল। যে কারণে বর্তমান সরকার বলছে ভূগর্ভস্থ পানি কমিয়ে সারফেস ওয়াটার ব্যবহার করতে হবে। দ্বিতীয় সময়কাল হচ্ছে আউশের সময়। এটি এপ্রিলের মাঝামাঝি সময় থেকে মে পর্যন্ত। যেটি জুলাই আগস্ট পর্যন্ত ধান কাটা হবে। এটির পরিমাণ খুব কম এবং নিচু জায়গাতে এটি হয় এবং এই জায়গাগুলোতে পাট হয়। এখন বৈশাখ জ্যৈষ্ঠ মাসে বৃষ্টি হলে পাট এবং আউশ করা সম্ভব।

আমাদের প্রধান ফসল হচ্ছে আমন। ইদানিং প্রধান ফসল হচ্ছে বোরো। আমন ধান লাগানো হয় জুলাইয়ের ১৫ তারিখ থেকে কোনো কোনো জায়গায়। বেশির ভাগ জায়গায় আগস্টের ১ তারিখ থেকে আগস্টের ৩১ তারিখ পর্যন্ত এ আমনের আবাদ চলে। এটি সেপ্টেম্বরের ১৫ থেকে ২০ তারিখের মধ্যে লাগালেও হবে। যত দেরি করে লাগাবে ফলন তত কমতে থাকে। এই ফসলটি হচ্ছে বৃষ্টি নির্ভর ফসল। আমরা যদি জুলাই মাসের ১৫ তারিখে লাগাতে পারতাম। রোপা ধান জুলাই আগস্টের বৃষ্টি এবং সেপ্টেম্বরে যতটুকু বৃষ্টি হয় তার উপর নির্ভর করে। আমার মতে এই যে ঋতু নির্ভর ফসল, পুরোনো বাংলায়, এখন থেকে পঞ্চাশ বছর আগে, প্রত্যেকটি ফসলের সঙ্গে, ঋতুর সঙ্গে সম্পর্ক ছিল। আম পাকবে কখন, তাল পাকবে কখন, প্রত্যেকটি ধানের ভ্যারাইটি সময়ের সঙ্গে, বৃষ্টির সঙ্গে নির্ভরশীল ছিল। আমাদের বৃষ্টি মোটামোটি জুনের মাঝামাঝি থেকে জুলাই আগস্ট সেপ্টেম্বরের ১৫ তারিখ পর্যন্ত প্রচুর বৃষ্টি হতো।

এই সময়ের ফসল ছিল আমন ধান।কৃষক আমন ধান পেত, তার জন্য সেচ অল্প দিলেও দিতে হতো, কিন্তু আল্লাহ বিনা পয়সায় পানি দেন বৃষ্টির মাধ্যমে। আমরা বোরো ধানের প্রচলন করেছি। যেটি ডিসেম্বর, জানুয়ারি, ফেব্রুয়ারিতে লাগানো হয় এবং এপ্রিল-মে মাসে কাটি এবং এই সময়ে প্রাকৃতিকভাবে বৃষ্টি হওয়ার কথা নয়। যে কারণে এর জন্য পুরো সেচ দিতে হয়।

এ বছর ধানের জন্য ভয় নেই। কারণ, এ বছর ধানের তেমন কোনো ক্ষতি হয়নি। বন্যা হয়েছে মে মাসের শেষে, জুলাই মাসে। তখন বোরো ধান কেটে নিয়ে চলে আসছি। আমন ধান লাগানো হয়নি। এখন লাগানো হচ্ছে।

এ বছর ২০২২সালে বর্ষাকালে বৃষ্টি স্বাভাবিক থেকে অনেক কম হওয়ার কারণে রোপা ধান ঠিকমত তৈরি করতে পারেনি। গত ১৫ দিন ধরে দেখছি স্থানীয় পর্যায়ে বৃষ্টি হচ্ছে।

আমাদের বর্ষাকালে বৃষ্টি যখন নামে তখন সারাদেশ জুড়ে নামে। শরৎকালে বৃষ্টি যখন নামে তখন উত্তরায় বৃষ্টি হচ্ছে কিন্তু আজিমপুরে বৃষ্টি নেই। আজিমপুরে বৃষ্টি হচ্ছে তো সাভারে বৃষ্টি নেই। টুকরো টুকরো জায়গায় বৃষ্টি হচ্ছে। আবার যেখানে সেচের ব্যবস্থা আছে, কৃষক বাধ্য হয়ে বর্ষাকালে সেচের ব্যবস্থা করছে। আমাদের ভয় হচ্ছে এই সেচটি হচ্ছে ভূগর্ভস্ত পানি থেকে। তাহলে এখনই যদি ভূগর্ভস্থ পানি দিয়ে সেচ করি, তাহলে জানুয়ারি-ফেব্রুয়ারিতে যখন বোরো ধানের জন্য সেচ করতে যাব, তখন কিন্তু ভূগর্ভস্থ পানির সমস্যা হতে পারে।

আরেকটি বিষয় হচ্ছে দক্ষিণ পশ্চিমাঞ্চল দিয়ে যতটুকু পানি আসত গঙ্গা, মধুমতি ও কুমার দিয়ে তার পরিমাণ খুব কমে গেছে। দক্ষিণ পশ্চিম বাংলায় সাতক্ষীরা বরগুনা বাগেরহাট দিয়ে প্রচণ্ড লবনাক্ততা বেড়েছে।

আকাশের দিকে তাকালে দেখবেন একদম নীল আকাশ। কিন্তু এই সময়ে কিছু কালো মেঘ থাকবার কথা। কাজেই নীল আকাশ নিয়ে রবীন্দ্রনাথের ভাষায় কাব্য করা যেতে পারে। কিন্তু খাদ্যের ক্ষেত্রে সমস্যা হতে পারে। বাংলাদেশ সরকার এ ব্যাপারে সজাগ। যে কারণে চালের উপরে ট্যাক্স কমিয়ে খাদ্য আমদানি করছে। দেশে প্রচুর চাল আমদানি হচ্ছে। সরকার ধারণা করছে বাংলাদেশে চালের মজুত এ পর্যন্ত যত ছিল তার চেয়ে বেশিই আছে। অর্থাৎ আমাদের খাদ্য ঘাটতির ভয় নেই বলেই সরকার আশ্বস্ত করছে।

আমাদের সারাদেশ জুড়েই সবজি হয়। কৃষকরা সবজি লাগানো শুরু করেছে। ফুলকপি, বাঁধাকপি শিম ইত্যাদি লাগানো শুরু হয়ে গিয়েছে এবং আগাম ফসল বাজারে আসা শুরু হয়েছে। সরকারকে শুধু এটুকুই বলতে চাই যে, তারা যেন মাঠ পর্যবেক্ষণ করেন। সে অনুযায়ী সেচের ব্যবস্থা, জলাবদ্ধতার ব্যবস্থা, বন্যার ব্যবস্থাপনা শক্তিশালী হাতে ধরতে হবে, স্থানীয় জনসাধারণকে ক্ষমতায়ন করে এ কাজ করতে হবে। এ ছাড়া কোনো উপায় নেই।

লেখক: শিক্ষাবিদ,পরিবেশবিদ ও পানিসম্পদ বিশেষজ্ঞ

 

Header Ad
Header Ad

সাতক্ষীরায় মদপানে দুই যুবকের মৃত্যু, হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ৯

ছবি: সংগৃহীত

সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলায় মদপানের ফলে দুই যুবকের মৃত্যু হয়েছে। একই ঘটনায় আরও ৯ জন গুরুতর অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। এদের মধ্যে দুজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে।

মঙ্গলবার (২ এপ্রিল) দিবাগত রাত ১২টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ওই দুই যুবকের মৃত্যু হয়। এর আগে, ঈদের সন্ধ্যায় তারা মদপান করেন এবং রাতের মধ্যে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়েন।

মৃতদের মধ্যে রয়েছেন আশাশুনি উপজেলার তেতুলিয়া গ্রামের জাফর আলী খাঁর ছেলে জাকির হোসেন টিটু (৪০) ও সোহরাব গাজীর ছেলে নাজমুল গাজী (২৬)।

এ ঘটনায় অসুস্থদের মধ্যে রয়েছেন ব্রাহ্মণ তেতুলিয়া গ্রামের সাইদ সরদারের ছেলে ফারুক হোসেন, মোকামখালী গ্রামের কুদ্দুস সরদারের ছেলে ইমরান, মিত্র তেতুলিয়ার মর্জিনা খাতুনের ছেলে ইকবাল, কামরুলের ছেলে লিফটন, আজিবার সরদারের ছেলে রবিউল, শহীদ গাজীর ছেলে তুহিন, আনিসের ছেলে নাজমুলসহ আরও কয়েকজন।

গুরুতর অসুস্থদের মধ্যে ফারুক হোসেনকে সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এবং ইমরানকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে।

স্থানীয়রা জানিয়েছেন, ঈদের দিন সন্ধ্যায় আশাশুনির তেতুলিয়া শ্মশানঘাট মাঠে বসে জাকির হোসেন টিটু, নাজমুল গাজীসহ মোট ১১ জন একসঙ্গে মদপান করেন। মদপানের পর তারা বাড়ি ফিরে যান এবং ঘুমিয়ে পড়েন।

এরপর রাত ১২টার দিকে একে একে সবাই মারাত্মক অসুস্থ হয়ে পড়লে তাদের আশাশুনি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় জাকির হোসেন টিটু ও নাজমুল গাজী মারা যান। বাকি ৯ জনের চিকিৎসা চলছে।

আশাশুনি থানার ডিউটি অফিসার এসআই ফিরোজ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, "অতিরিক্ত মদ্যপানের কারণে দুইজনের মৃত্যু হয়েছে। তবে মৃত্যু অন্য কোনো কারণে হয়েছে কিনা, তা ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পাওয়ার পর নিশ্চিত হওয়া যাবে।"

নিহতদের মধ্যে একজনের মরদেহ উদ্ধার করে সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় বিস্তারিত তদন্ত চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

Header Ad
Header Ad

ইরানের ড্রোন-ক্ষেপণাস্ত্র নেটওয়ার্কের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা

ছবি: সংগৃহীত

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ইরান, চীন এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের (ইউএই) একাধিক ব্যক্তি ও সংস্থার ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে। ইরানের অস্ত্র সংগ্রহ নেটওয়ার্কের সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে স্থানীয় সময় মঙ্গলবার (২ এপ্রিল) মার্কিন ট্রেজারি বিভাগ এই নিষেধাজ্ঞার ঘোষণা দেয়।

এই পদক্ষেপকে ইরানের ওপর আরও চাপ সৃষ্টির একটি অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে। এর আগে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানকে সতর্ক করে বলেছিলেন, নতুন পারমাণবিক চুক্তিতে রাজি না হলে দেশটির ওপর বোমা হামলা চালানো বা নতুন শুল্ক আরোপ করা হতে পারে।

মার্কিন ট্রেজারি বিভাগ ও বিচার বিভাগ যৌথভাবে জানিয়েছে, ইরানের ড্রোন কর্মসূচির অন্যতম প্রধান নির্মাতার জন্য মানববিহীন এয়ার ভেহিকল (ইউএভি)–এর উপকরণ সংগ্রহের সঙ্গে যুক্ত ছয়টি সংস্থা ও দুই ব্যক্তির ওপর নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে।

মার্কিন ট্রেজারি সেক্রেটারি স্কট বেসেন্ট এক বিবৃতিতে বলেন, "ইরান তাদের ড্রোন এবং ক্ষেপণাস্ত্র রাশিয়াসহ তাদের প্রক্সিদের সরবরাহ করছে। রুশ বাহিনী এগুলো ইউক্রেনের বিরুদ্ধে ব্যবহার করছে, যা বেসামরিক নাগরিক, মার্কিন বাহিনী ও মিত্রদের জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে।"

তিনি আরও বলেন, "আমরা ইরানের সামরিক-শিল্প কমপ্লেক্স এবং তাদের ড্রোন, ক্ষেপণাস্ত্র ও প্রচলিত অস্ত্রের বিস্তার ব্যাহত করতে কাজ চালিয়ে যাব।"

মার্কিন ট্রেজারি বিভাগ জানিয়েছে, নতুন নিষেধাজ্ঞার আওতায় এসেছে একটি ইরান-ভিত্তিক সংস্থা, দুইজন ইরানি নাগরিক, একটি চীন-ভিত্তিক সংস্থা এবং চারটি সংযুক্ত আরব আমিরাত-ভিত্তিক সংস্থা।

এ বিষয়ে জাতিসংঘে ইরানের মিশনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলেও তারা তাৎক্ষণিকভাবে কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি।

Header Ad
Header Ad

বিশ্বব্যাপী অপপ্রচার ছড়াচ্ছে আওয়ামী লীগের দোসররা: রিজভী

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী। ছবি: সংগৃহীত

বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী অভিযোগ করেছেন, আওয়ামী লীগের দোসররা বিশ্বব্যাপী অপপ্রচার চালিয়ে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার চেষ্টা করছে। তিনি বলেন, "পরাজিত শক্তি নিউইয়র্ক টাইমসে মিথ্যা তথ্য দিয়ে রিপোর্ট করিয়েছে। ফ্যাসিবাদের দোসররা হাজার হাজার কোটি টাকার মালিক হয়ে গেছে। তারা এই অবৈধ টাকা ব্যবহার করে বাংলাদেশকে কলঙ্কিত করতে চায়।"

বুধবার (২ এপ্রিল) সকালে নয়াপল্টনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব মন্তব্য করেন।

রিজভী আহমেদ অভিযোগ করেন, "শেখ হাসিনা জঙ্গি দমনের নামে একটি নাটক সাজিয়ে বিশ্ববাসীকে বিভ্রান্ত করেছেন। এটি মূলত ক্ষমতায় টিকে থাকার একটি রাজনৈতিক কৌশল ছিল। এমনকি একজন সাবেক আইজিপির বইয়েও এটি উঠে এসেছে।"

তিনি আরও বলেন, "বাংলাদেশে উগ্রবাদের কোনো উত্থান ঘটেনি। বরং বর্তমানে দেশে ফ্যাসিবাদের কোনো ছোবল নেই, মানুষ নির্বিঘ্নে ধর্মপালন করতে পারছে, কথা বলতে পারছে। এবার মানুষ নির্ভয়ে ঈদ উদযাপন করেছে, যা অতীতে সম্ভব হয়নি।"

আওয়ামী লীগ সরকারের কঠোর সমালোচনা করে বিএনপির এই নেতা বলেন, "আওয়ামী লীগ বসে নেই, তারা কালো টাকা ব্যবহার করে দেশের ভাবমূর্তি নষ্ট করছে। তারা অন্তর্ঘাতমূলক কর্মকাণ্ড চালাচ্ছে। বিদেশে পালিয়ে থাকা আওয়ামী লীগের নেতারাই দেশকে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করছে।"

তিনি আরও বলেন, "শেখ হাসিনার নির্দেশে মুগ্ধ ফাইয়াজদের গুলি করে হত্যা করা হয়েছে, কিন্তু এ নিয়ে তার কোনো অনুশোচনা নেই। প্রশাসনের চারপাশে আওয়ামী লীগের দোসররা বসে আছে, যার ফলে দেশে গণতন্ত্র ও সুশাসন ভূলুণ্ঠিত হয়েছে।"

রিজভী আহমেদ দ্রুত প্রয়োজনীয় সংস্কার করে একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচন দেওয়ার দাবি জানান। তিনি বলেন, "নির্বাচনী সরকারই হচ্ছে বৈধ সরকার। নির্বাচন নিয়ে গড়িমসি সাধারণ জনগণের কাছে গ্রহণযোগ্য হবে না। নির্বাচন নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি হলে ধোঁয়াশার সৃষ্টি হবে।"

তিনি নোবেলজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে দ্রুত নির্বাচনের জন্য কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান।

Header Ad
Header Ad

সর্বশেষ সংবাদ

সাতক্ষীরায় মদপানে দুই যুবকের মৃত্যু, হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ৯
ইরানের ড্রোন-ক্ষেপণাস্ত্র নেটওয়ার্কের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা
বিশ্বব্যাপী অপপ্রচার ছড়াচ্ছে আওয়ামী লীগের দোসররা: রিজভী
দায়িত্ব নেওয়ার পর দেশে জঙ্গিবাদের উত্থানের ঘটনা ঘটেনি: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
আখাউড়ায় ট্রেনের ছাদে টিকটক বানাতে গিয়ে দুর্ঘটনা, নিহত ২
বাংলাদেশকে ভেঙে ফেলার আহ্বান ভারতের ত্রিপুরার রাজপরিবার প্রধানের
বিএনপি কখনোই নির্বাচনের পরে সংস্কারের কথা বলেনি: মির্জা ফখরুল
বিরামপুরে জমি নিয়ে বিরোধ, চাঁদা দাবি ও হামলার ঘটনায় আটক ৫
হলিউডের জনপ্রিয় অভিনেতা ভ্যাল কিলমার আর নেই
ময়মনসিংহে সিনেমা হলে যান্ত্রিক ত্রুটির জেরে দর্শকদের ভাঙচুর
সেভেন সিস্টার্স নিয়ে ড. ইউনূসের মন্তব্যে ভারতীয় রাজনীতিবিদদের তীব্র প্রতিক্রিয়া
মিয়ানমারের ভূমিকম্পে এক ইমামের ১৭০ স্বজনের মৃত্যু
ঈদের আনন্দে যমুনার দুর্গম চরে গ্রাম-বাংলার ঘুড়ি উৎসব, আনন্দে মেতে উঠে বিনোদনপ্রেমীরা!
ইমামকে ঘোড়ার গাড়িতে রাজকীয় বিদায়, দেওয়া হলো ৯ লাখ টাকার সংবর্ধনা
লন্ডনে একসঙ্গে দেখা গেলো সাবেক চার আওয়ামী মন্ত্রীকে
ঢাকায় ফিরছে ঈদযাত্রীরা, অনেকে ছুটছেন শহরের বাইরে
চট্টগ্রামের লোহাগাড়ায় আবারও সড়ক দুর্ঘটনা, নিহত ৭
বিটিভিতে আজ প্রচারিত হবে ঈদের বিশেষ ‘ইত্যাদি’
ঈদের ছুটিতে ফাঁকা ঢাকা, নেই যানজটের চিরচেনা দৃশ্য
মাদারীপুরে তিন মোটরসাইকেলের সংঘর্ষে নিহত ৪, আহত ২