বৃহস্পতিবার, ৩ এপ্রিল ২০২৫ | ২০ চৈত্র ১৪৩১
Dhaka Prokash

মানুষ গড়ার কারিগর একটি ভাল বই

বই আমাদের জীবনে সার্বজনীন একটি শব্দ। শব্দটির সাথে আমরা যেমন পরিচিত তেমনি বস্তুটির সাথেও আমরা পরিচিত। প্রতিটি ঘরে ঘরে সবাই আমরা বইয়ের সাথে পরিচিত। তবে প্রকৃত বিষয় হলো, বইয়ের অনেক রকম প্রকারভেদ আছে। সেই প্রকারভেদের মধ্যে কিছু বই আছে, যা পড়ে উত্তীর্ণ হওয়া যায়। কিছু বই আছে পড়ে নিজেদের সমৃদ্ধ করা যায়। কিছু বই পড়ে নিজেকে গড়ে তোলা যায়। অর্থাৎ নিজেকে সমৃদ্ধ করা, নিজের মনের ক্ষুধা নিবারণ করা এবং নিজেকে গড়ে তোলা। এটির জন্য যে বইয়ের দরকার, সেই প্রকারের বইগুলি আমাদের দেশে খুবই প্রয়োজন। শুধু প্রয়োজন বললে ভুল হবে, সেই বইয়ের পাঠক আমাদের খুবই প্রয়োজন। তবে দুঃখজনকভাবে সত্যি হলো, সেই ধরণের বই এবং বইয়ের পাঠক আমাদের দেশে সন্তোষজনক নয়। যেদিন এ ধরণের বই এবং বইয়ের পাঠক আমাদের দেশে সন্তোষজনক হবে, সেদিন কিন্তু আমাদের সামাজিক, বৈশ্বিক, নৈতিক অর্থাৎ সামগ্রিক উন্নতির জন্য আমাদের আর কোন আক্ষেপ করতে হবে না। সেটি ধারাবাহিকভাবেই এগিয়ে যাবে। আমার মনে হয়, বর্তমানে আমাদের ভিতর যে ডিজিটাল আগ্রাসী, পুরো দেশে বা পুরো বিশ্বে বিরাজ করছে, এতে এরকম হার্ড কপি, সৃজনশীল মানুষ গড়ার কারিগর যে বই, সেই বইয়ের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখার জন্যই আমাদের লড়াইয়ের মুখোমুখি হওয়া দরকার। সেজন্য আমাদের অনেক বেশি পরিশ্রম করতে হবে।

একটি বিষয় আমি বলতে চাই যে, আন্তর্জাতিকভাবে বইয়ের যে ক্ষেত্রটি সেখানে আমরা সেভাবে পৌঁছাতে পারিনি। আগে আমাকে প্রতিযোগিতার মাঠে যেতে হবে। তারপরে প্রতিযোগিতার মাঠে আমি কতটা এগিয়ে, কতটা পিছিয়ে আছি, সেটি বুঝতে পারবো। এখনও প্রতিযোগিতার ক্ষেত্রে পৌঁছানোর মতো অবস্থায় আমরা আসিনি এবং সেটির জন্য যে প্রস্তুতি দরকার, সেই প্রস্তুতি আমরা আসলেই কতটুকু ভালভাবে নিচ্ছি অথবা সেই সুযোগ আমাদের হচ্ছে, সেটিও প্রশ্নের ব্যাপার।

বই শব্দটির সাথে প্রাথমিকভাবে দুটি জিনিস দরকার। একটি হচ্ছে বইয়ের ভিতরের কনটেন্ট। অন্যটি হলো, বাইরের খোলশ বা প্রোডাকশন। প্রোডাকশন হচ্ছে প্রকাশকের ব্যাপার। সেই প্রোডাকশনের মান উন্নয়ন এবং কোন ধরণের মানের অর্থাৎ মাঝারি অথবা তার চেয়ে বেশি বা কম, সেটি নির্ভর করে খরচের উপর। ব্যয় বৃদ্ধি করে প্রোডাকশন উন্নত করা যায়। সেটি আমরা আন্তর্জাতিক বইকে অনুসরণ করে আমরা করতে পারি বা করার চেস্টা করতে পারি।

বইয়ের ভিতরের কনটেন্ট যেটি অর্থাৎ লেখা, সেটি সম্পূর্ণভাবেই লেখকের মেধা অথবা অনুভূতির ব্যপার। এই বিষয়টি আন্তর্জাতিক পর্যায়ে পৌঁছেছে কিনা, সেটি যাচাই করার সুযোগই আমাদের হয় নাই অথবা কম হয়েছে। আন্তর্জাতিকভাবে বইকে সকলের কাছে পৌঁছাতে হলে, আমাদের যে জিনিসটি লাগবে সেটি হচ্ছে ভাল অনুবাদ। বিভিন্ন ভাষায় ভাল অনুবাদ। ভালভাবে অনুবাদ করে সেই দেশ থেকে বইটি যদি প্রকাশ করা যায়, কিংবা আমাদের দেশ থেকে প্রকাশিত হলেও সেটি যদি সেই প্রকাশকের বিভিন্ন দেশে প্রকাশ করার সুযোগ থাকে, তখনই আসলে পরীক্ষা ক্ষেত্রটি তৈরি হবে। তখনই আমরা বুঝতে পারবো আন্তর্জাতিক অঙ্গনের পাঠকরা সেটি পড়তে পারছে কি না, ভাল বলছে কি ভাল বলছে না। দুর্ভাগ্যজনক সত্য হলো, সেটুকু অব্ধি আমরা এখনও যেতে পারি নি। গেলেও সেটি একেবারেই নগন্য।

আমরা বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বই ছড়িয়ে দিতেও চেস্টা করছি, শুধুমাত্র বাংলা ভাষাভাষী, বাংলা অধ্যুষিত এলাকায়, বাংগালি পাঠকদের জন্য। বই ছড়িয়ে পড়লেও পাঠকরা এক জায়গাতেই রয়ে গিয়েছে। সেটি হচ্ছে সবাই বাঙ্গালি পাঠক। ভিন্ন ভাষাভাষির পাঠকদের মধ্যে আমরা আমাদের বই এখনও সেভাবে ছড়াতে পারছি না।

তবে আমাদের সবসময়ই আশাবাদী থাকতে হবে এবং সেই লক্ষ্য অর্জনে প্রচেস্টা অব্যাহত রাখতে হবে। বই দিবসে সেটিই আমাদের প্রত্যাশা।

 

লেখক: বাংলাদেশ জ্ঞান ও সৃজনশীল প্রকাশক সমিতির সভাপতি

Header Ad
Header Ad

বাংলাদেশি পণ্যের ওপর ৩৭ শতাংশ শুল্ক আরোপ করল যুক্তরাষ্ট্র

ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান রপ্তানি গন্তব্য যুক্তরাষ্ট্র দেশটির বাজারে প্রবেশকারী বাংলাদেশি পণ্যের ওপর ৩৭ শতাংশ শুল্ক আরোপের ঘোষণা দিয়েছে। স্থানীয় সময় বুধবার (৩ এপ্রিল) বিকেল ৪টায় হোয়াইট হাউসে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এ সিদ্ধান্ত জানান। এতদিন বাংলাদেশি পণ্যের ওপর যুক্তরাষ্ট্রে গড়ে ১৫ শতাংশ শুল্ক কার্যকর ছিল।

নতুন শুল্ক আরোপের ফলে বাংলাদেশের রপ্তানি, বিশেষ করে তৈরি পোশাক খাতে বড় ধরনের নেতিবাচক প্রভাব পড়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে। বাংলাদেশ থেকে প্রতি বছর প্রায় ৮৪০ কোটি ডলারের পণ্য যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানি হয়, যার মধ্যে ৭৩৪ কোটি ডলারই তৈরি পোশাক। নতুন শুল্ক কার্যকর হলে বাংলাদেশি পণ্যের প্রতিযোগিতা সক্ষমতা হ্রাস পেতে পারে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

ডোনাল্ড ট্রাম্প তার ঘোষণায় উল্লেখ করেন, বিভিন্ন দেশ মার্কিন পণ্যের ওপর উচ্চ শুল্ক আরোপ করায় পাল্টা ব্যবস্থা হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রও এসব দেশের আমদানিকৃত পণ্যে শুল্ক বাড়াচ্ছে। নতুন শুল্ক হার অনুযায়ী, ভারতের পণ্যের ওপর ২৬ শতাংশ, পাকিস্তানের ওপর ২৯ শতাংশ, চীনের ওপর ৩৪ শতাংশ এবং ভিয়েতনামের ওপর ৪৬ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হয়েছে। এ ছাড়া, মিয়ানমার, লাওস ও কম্বোডিয়ার পণ্যের ওপর যথাক্রমে ৪৪, ৪৮ ও ৪৯ শতাংশ শুল্ক নির্ধারণ করা হয়েছে।

 

ছবি: সংগৃহীত

এদিকে, বিদেশি গাড়ি আমদানিতেও ২৫ শতাংশ শুল্ক আরোপ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। ট্রাম্প এই সিদ্ধান্তকে ‘যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক স্বাধীনতা দিবস’ হিসেবে অভিহিত করে বলেন, এটি দেশের শিল্পখাতের পুনর্জন্মের দিন। তার মতে, যুক্তরাষ্ট্র দীর্ঘদিন ধরে বাণিজ্য বাধার সম্মুখীন হয়েছে এবং নতুন এই শুল্ক নীতির মাধ্যমে দেশের অর্থনৈতিক স্বার্থ রক্ষা করা হবে।

বাংলাদেশের জন্য এই শুল্ক বৃদ্ধির ফলে রপ্তানিতে বড় ধরনের প্রভাব পড়তে পারে। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় বাংলাদেশকে কূটনৈতিক পর্যায়ে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে এবং নতুন রপ্তানি বাজারের সন্ধান করতে হবে।

Header Ad
Header Ad

বিমসটেক সম্মেলনে যোগ দিতে থাইল্যান্ডের উদ্দেশে ঢাকা ছাড়লেন প্রধান উপদেষ্টা

বিমসটেক সম্মেলনে যোগ দিতে থাইল্যান্ডের উদ্দেশে ঢাকা ছাড়লেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। ছবি: সংগৃহীত

বঙ্গোপসাগরীয় দেশগুলোর আঞ্চলিক সহযোগিতা জোট (বিমসটেক) শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দিতে থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককের উদ্দেশে ঢাকা ছেড়েছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

বৃহস্পতিবার (৩ এপ্রিল) সকাল ৮টা ৫৫ মিনিটে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ব্যাংককের উদ্দেশে রওনা হন তিনি। প্রধান উপদেষ্টার প্রেস উইং এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

বিমসটেক সম্মেলনে অংশ নিতে ৩-৪ এপ্রিল থাইল্যান্ডে অবস্থান করবেন প্রধান উপদেষ্টা। এ সফরে তার সঙ্গে রয়েছেন পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন ও পররাষ্ট্রসচিব মো. জসীম উদ্দিন।

সফরের অংশ হিসেবে ড. ইউনূস ভারতসহ বিমসটেক সদস্য রাষ্ট্রগুলোর নেতাদের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করবেন। এছাড়া, সম্মেলনের সময় দুটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর অনুষ্ঠানেও উপস্থিত থাকবেন তিনি।

বিমসটেক সম্মেলনের ফাঁকে ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির দ্বিপাক্ষিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। ব্যাংকক সময় শুক্রবার (৪ এপ্রিল) বিকেল ৩টা ৪৫ মিনিটে এই বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। দুই দেশের মধ্যে চলমান সম্পর্কের নানা দিক ও ভবিষ্যৎ সহযোগিতার বিষয়ে বৈঠকে আলোচনা হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

বিমসটেক শীর্ষ সম্মেলনের শেষ দিনে আনুষ্ঠানিকভাবে পরবর্তী দুই বছরের জন্য সংস্থাটির চেয়ারম্যানের দায়িত্ব গ্রহণ করবে বাংলাদেশ। এর ফলে বাংলাদেশ বিমসটেকের কার্যক্রমের কেন্দ্রবিন্দুতে চলে আসবে এবং সংস্থার ভবিষ্যৎ নীতিনির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে।

প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূস ৪ এপ্রিল সম্মেলন শেষে ঢাকায় ফিরে আসবেন বলে জানা গেছে।

Header Ad
Header Ad

ব্যাংককে হচ্ছে ইউনূস-মোদির বৈঠক

ব্যাংককে হচ্ছে ইউনূস-মোদির বৈঠক। ছবি: সংগৃহীত

বঙ্গোপসাগরীয় দেশগুলোর আঞ্চলিক সহযোগিতা জোট (বিমসটেক) শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দিতে আজ বৃহস্পতিবার (৩ এপ্রিল) থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককে যাচ্ছেন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস। এই সফরের ফাঁকে তার সঙ্গে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক হতে যাচ্ছে বলে নিশ্চিত করেছে সরকারি সূত্র।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, বৈঠকটি আগামী শুক্রবার (৪ এপ্রিল) অনুষ্ঠিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। যদিও এখনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসেনি, তবে সরকারি সূত্রগুলো বৈঠকটি প্রায় চূড়ান্ত বলে জানিয়েছে।

আজ বুধবার রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে এক সংবাদ সম্মেলনে প্রধান উপদেষ্টার হাই রিপ্রেজেনটেটিভ খলিলুর রহমান বলেন, "আমরা সরকারিভাবে এই বৈঠকের জন্য অনুরোধ করেছি। আমাদের আশা করার যথেষ্ট কারণ রয়েছে যে, বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হবে।"

সরকারি বার্তা সংস্থা বাসসও প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের বরাত দিয়ে একই তথ্য নিশ্চিত করেছে।

গত বছরের ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর ৮ আগস্ট অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস। এরপর থেকে বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক কিছুটা শীতল রয়েছে।

২০২৩ সালের সেপ্টেম্বরে জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যোগ দিলেও দুই নেতা মুখোমুখি হননি। মোদি দেশে ফিরে যাওয়ার পর ইউনূস নিউইয়র্কে পৌঁছান। তবে দায়িত্ব গ্রহণের পর মোদি তাকে অভিনন্দন জানিয়ে চিঠি পাঠান এবং গত ২৬ মার্চ বাংলাদেশের স্বাধীনতা দিবসেও শুভেচ্ছা জানান।

বিমসটেক শীর্ষ সম্মেলনের ফাঁকে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হলে দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক টানাপোড়েন কিছুটা কমবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

সংবাদ সম্মেলনে খলিলুর রহমান আরও জানান, বিমসটেক শীর্ষ সম্মেলনের শেষ দিনে সংগঠনের পরবর্তী চেয়ারপারসন হিসেবে দায়িত্ব নেবেন বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা মুহাম্মদ ইউনূস। তিনি থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব গ্রহণ করবেন এবং আগামী এক বছর বিমসটেকের কার্যক্রম পরিচালনার নেতৃত্বে থাকবে বাংলাদেশ।

এছাড়া সম্মেলনে বিমসটেকভুক্ত বিভিন্ন দেশের সরকারপ্রধানদের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করবেন অধ্যাপক ইউনূস। তিনি দুটি চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের সময়ও উপস্থিত থাকবেন।

প্রধান উপদেষ্টা আগামী ৪ এপ্রিল ব্যাংকক থেকে ঢাকার উদ্দেশে রওনা দেবেন বলে জানা গেছে।

সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম এবং উপ-প্রেস সচিব আবুল কালাম আজাদ মজুমদার।

Header Ad
Header Ad

সর্বশেষ সংবাদ

বাংলাদেশি পণ্যের ওপর ৩৭ শতাংশ শুল্ক আরোপ করল যুক্তরাষ্ট্র
বিমসটেক সম্মেলনে যোগ দিতে থাইল্যান্ডের উদ্দেশে ঢাকা ছাড়লেন প্রধান উপদেষ্টা
ব্যাংককে হচ্ছে ইউনূস-মোদির বৈঠক
সাতক্ষীরায় মদপানে দুই যুবকের মৃত্যু, হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ৯
ইরানের ড্রোন-ক্ষেপণাস্ত্র নেটওয়ার্কের ওপর যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা
বিশ্বব্যাপী অপপ্রচার ছড়াচ্ছে আওয়ামী লীগের দোসররা: রিজভী
দায়িত্ব নেওয়ার পর দেশে জঙ্গিবাদের উত্থানের ঘটনা ঘটেনি: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
আখাউড়ায় ট্রেনের ছাদে টিকটক বানাতে গিয়ে দুর্ঘটনা, নিহত ২
বাংলাদেশকে ভেঙে ফেলার আহ্বান ভারতের ত্রিপুরার রাজপরিবার প্রধানের
বিএনপি কখনোই নির্বাচনের পরে সংস্কারের কথা বলেনি: মির্জা ফখরুল
বিরামপুরে জমি নিয়ে বিরোধ, চাঁদা দাবি ও হামলার ঘটনায় আটক ৫
হলিউডের জনপ্রিয় অভিনেতা ভ্যাল কিলমার আর নেই
ময়মনসিংহে সিনেমা হলে যান্ত্রিক ত্রুটির জেরে দর্শকদের ভাঙচুর
সেভেন সিস্টার্স নিয়ে ড. ইউনূসের মন্তব্যে ভারতীয় রাজনীতিবিদদের তীব্র প্রতিক্রিয়া
মিয়ানমারের ভূমিকম্পে এক ইমামের ১৭০ স্বজনের মৃত্যু
ঈদের আনন্দে যমুনার দুর্গম চরে গ্রাম-বাংলার ঘুড়ি উৎসব, আনন্দে মেতে উঠে বিনোদনপ্রেমীরা!
ইমামকে ঘোড়ার গাড়িতে রাজকীয় বিদায়, দেওয়া হলো ৯ লাখ টাকার সংবর্ধনা
লন্ডনে একসঙ্গে দেখা গেলো সাবেক চার আওয়ামী মন্ত্রীকে
ঢাকায় ফিরছে ঈদযাত্রীরা, অনেকে ছুটছেন শহরের বাইরে
চট্টগ্রামের লোহাগাড়ায় আবারও সড়ক দুর্ঘটনা, নিহত ৭