মঙ্গলবার, ৪ মার্চ ২০২৫ | ১৯ ফাল্গুন ১৪৩১
Dhaka Prokash

ফলন বাম্পার হলেও অধিক তাপে ছোট হয়ে গেছে আম

আমের রাজধানী নামে খ্যাত চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও রাজশাহীতে এবার বাগানে বাগানে ভরা আম। ছোট-বড় বাগান, সড়কের পাশের সব গাছের ডালে ডালে আম ঝুলে আছে।

অন্য বছরের তুলনায় এবার আমের ফলন বেশি হয়েছে। পরিমাণে বেশি। কিন্তু আবহাওয়ার নেতিবাচক প্রভাবে (অত্যাধিক তাপ) আকারে ছোট হয়ে গেছে।

আম বাগানমালিক ও ব্যবসায়ীরা বলছেন, বেশি ফলন হলেও অত্যধিক তাপে ক্ষতি হয়েছে। গুটি ও গোপালভোগ আম বাজারে পাওয়া গেলেও এখনো ভালো জাতের খিরসাপাত আম পাকেনি। তবে এ সপ্তাহে পাকতে পারে।

গত কয়েক দিন সরেজমিনে চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও রাজশাহীর বিভিন্ন এলাকা ঘুরে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে এমন চিত্রই পাওয়া গেছে।

কিন্তু ররিবার (২১ মে) রাজধানীর মতিঝিল, পল্টন, কারওয়ান বাজারে গেলে দেখা যায়, খুচরা আম ব্যবসায়ীরা ডাকছেন, 'লন লন, হিমসাগর আম ভালো আম। চাঁপাই ও রাজশাহীর আম। কেজি ১২০ টাকা।' যা আকৃতি বেশ বড়। কেজিতে ৪ থেকে ৫টা হবে। ব্যবসায়ীরা ডালিতে, ক্যারেটে থরে থরে সাজিয়ে আম বিক্রি করছেন।

বাস্তবে এসব আম চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও রাজশাহী এলাকার নয়, এগুলো সাতক্ষীরার আম যা খিরসাপাতের ভিন্ন জাত। আমবাগান ও ব্যবসায়ীরা জানান, ভৌগলিকগত কারণে চাঁপাইনবাবগঞ্জ ও রাজশাহীতে মে মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহে কিছু গুটি আম পাকে। এরপর গোপালভোগ উঠে। কিন্তু ভালো আম খিরসাপাত গাছ থেকে পাড়া শুরু হয় মে মাসের শেষ সপ্তাহ থেকে। যা জুনের দ্বিতীয় সপ্তাহ পর্যন্ত পাওয়া যাবে।

এরকম আমের ব্যাপারে জানতে চাইলে কারওয়ান বাজারের ফল ব্যবসায়ী আমির হোসেন ঢাকাপ্রকাশ-কে বলেন, ‘হিমসাগর আম, ১০০ থেকে ১২০ টাকা কেজি। মিরপুর আড়ত থেকে কিনে বিক্রি করা হচ্ছে।'

মতিঝিলের ফল ব্যবসায়ী সোবহান বলেন, ‘লন লন ভালো আম। ১২০ টাকা কেজি। আবহাওয়া আর মাটির গুণে দেশের অন্যান্য জেলার তুলনায় সাতক্ষীরার আম আগেভাগেই পাকে।'

আমের ব্যাপারে জানতে চাইলে চাঁপাইনবাবগঞ্জের রামচন্দ্রপুর হাটের মোক্তার, ফটিকসহ অনেকে ঢাকাপ্রকাশ-কে বলেন, এবছর আমের ফলন ভালো হয়েছে। গুটি ও গোপালভোগ আম বাজারে কিছু উঠেছে। ৫০ থেকে ৬০ টাকা কেজি। কিন্তু এখনো খিরসাপাত আম উঠেনি। সবচেয়ে ভালো আম কোনটি এমন প্রশ্নের জবাবে তারা বলেন, ‘জিআই সনদপ্রাপ্ত খিরসাপাত আম খুবই ভালো। সবার পছন্দ এটি। এরপর ল্যাংড়া, ফজলি বিভিন্ন জাতের আম পাওয়া যাবে। হাইব্রিড আম্রপলিসহ বিভিন্ন আমও রয়েছে। মে মাসের শেষ সপ্তাহ বা জুনের প্রথম সপ্তাহে খিরসাপাত আম পাওয়া যাবে। তারপর ল্যাংড়া, ফজলি আসবে বাজারে।

শুধু এই আম ব্যবসায়ী নয়, নাটোরের সোহেলও জানান, দেখেন ধান ক্ষেতেও ভালো আম হয়েছে। সড়কের পাশের গাছে আম ঝুলছে। অনেক বেশি আম ধরেছে। কিন্তু তাপের কারণে বড় হয়নি। অন্যন্য আম বাগানমালিকরাও বলছেন, খিরসাপাত আম পেতে আরও কয়েক দিন অপেক্ষা করতে হবে। তারা বলছেন, এবার প্রচন্ড তাপের কারণে আম বড় হয়নি। তবে যারা পানি দিয়েছে তাদের আম হয়ত একটু বড় হবে।

আমনুরার মতিউর রহমান বলেন, এবারে আম্রপালি আমও ভালো হয়েছে। সব সময় লেগে থেকেছি বাগানে। ১০ বিঘায় (৩৩ শতকে এক বিঘা) চার লাখ টাকা আশা করছি। তবে অন্য বছরের তুলনায় সাইজে ছোট হয়েছে। এ জন্য কেজিতে বেশি লাগবে। আগে ৭ থেকে ৮টা লাগলেও এবারে কেজিতে ১০টা লাগবে। তাই ফলন বেশি হলেও ওজনে বেশি হবে না।

এদিকে, রাজশাহীর আম বাগানমালিক ও ব্যবসায়ীরাও বলছেন, প্রশাসনের তরফ থেকে বাগান থেকে আম নামানোর ঘোষণা দিয়েছে। তবে আমের মোকাম বানেশ্বর বাজারসহ বিভিন্ন বাজারে বেচাকেনা তেমন জমেনি। বিমানবন্দর থানার বায়া বাজারের মিজানুর রহমান মিজান তার গাছের আম দেখিয়ে বলেন, সরকারের ঘোষণা অনুযায়ী গুটি আম বাগান থেকে পাড়া শুরু হয়েছে। এগুলো তেমন ভালো স্বাদের না। গোপালভোগও পাড়তে শুরু করেছে। তবে ভালো মানের খিরসাপাত আম পেতে হলে আরও কয়েক দিন অপেক্ষা করতে হবে।

আম বাগানে বেশি পরিশ্রম করতে হয় না। এ জন্য বরেন্দ্র অঞ্চলেও আম বাগানের পরিধি বাড়ছে। চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুরের সীমানা ছাড়িয়ে নওগা জেলার সাপাহারে ব্যাপকভাবে আমের বাগান করা হচ্ছে।

জানতে চাইলে সাপাহারের মইনুলসহ অনেকে বলেন, বাণিজ্যিকভাবেই এই এলাকায় আম্রপলিসহ বিভিন্ন জাতের আম বাগান করা হচ্ছে। কম পরিশ্রমে (খাটনি) ধানের চেয়ে আমে দামও ভালো পাওয়া যাচ্ছে। এ জন্য নওগাঁর বিভিন্ন থানাতেও আম বাগান বাড়ছে। তারা আরও জানান, ঢাকার বিভিন্ন আড়তে আম পাঠানো হচ্ছে।

ফলন বেশি হলেও এবার আম সাইজে ছোট কেন? এমন প্রশ্নের জবাবে চাঁপাইনবাবগঞ্জ আম গবেষণা কেন্দ্রের মূখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মো. মোখলেসুর রজমান ঢাকাপ্রকাশ-কে বলেন, এবারে আমের ভালো ফলন হয়েছে। প্রায় গাছে আম ধরেছে। কিন্তু বৃষ্টি হয়নি। অত্যধিক তাপের কারণে আম সাইজে ছোট হয়ে গেছে। আবহাওয়ার প্রভাবে এই খারাপ অবস্থা হয়েছে। তবে যারা একটু সেচ দিতে পেরেছে তাদের আম একটু বড় হয়েছে।

এক প্রশ্নের উত্তরে এই আম গবেষক বলেন, ভালোমানের অর্থাৎ খিরসাপাত আম পাওয়া যাবে কয়েক দিন পর। বর্তমানে ঢাকাতে যে আম দেখা যাচ্ছে তা এই এলাকার না। সাতক্ষীরার যে হিমসাগর বলা হয় তা খিরসাপতের মতো জাত।

অপর এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘প্রকৃত আম বাগানের মালিক বা ব্যবসায়ীরা আমে কেমিক্যাল দিতে পারে না। তারা সময় মতো বাজারে ছাড়েন যাতে পুষ্টিগুণের স্বাদ পায়। এবার জেলা প্রশাসন থেকে আম পাড়ার সময় নির্ধারণ করে দেয়নি। তা না করলেও স্বাভবিক সময়ে বাগানের আম পাকলে তা পাড়া হবে।

মূখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা আরও বলেন, শুধু আম নয়, অন্যান্য ফলও ছোট হয়ে গেছে। এ নিয়ে ভাবতে হবে। কিভাবে পরিস্থিতি মোকাবেলা করা যায়, বিভিন্ন ফলের স্বাভাবিক ফলন হয় সে ব্যাপারে কাজ করতে হবে।

উল্লেখ্য, চাঁপাইনবাবগঞ্জের আঞ্চলিক উদ্যানতত্ত্ব গবেষণা কেন্দ্র বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট এর অন্তর্গত উদ্যানতত্ত্ব গবেষণা কেন্দ্র। বিএআরআইর অধীনে একটি আঞ্চলিক প্রতিষ্ঠান যা মূলত উদ্যানতাত্ত্বিক ফসল যেমন- আম, কুল, বেল, ডালিমের রোগ বালাই দমন ও উৎপাদন বৃদ্ধি করার জন্য প্রযুক্তি উদ্ভাবন করে থাকে। ফলন বৃদ্ধি ও গুণগত মান বৃদ্ধির জন্য বহুমাত্রিক গবেষণা করে থাকে।

আরইউ/এএস

Header Ad
Header Ad

বিরামপুরে কাভার্ড ভ্যান-ইজিবাইক সংঘর্ষে স্কুলছাত্রসহ নিহত ২

দুর্ঘটনা কবলিত ইজিবাইক। ছবি: সংগৃহীত

দিনাজপুরের বিরামপুরে কাভার্ড ভ্যানের সঙ্গে ইজিবাইকের মুখোমুখি সংঘর্ষে সায়েম ইসলাম (১৬) নামে দশম শ্রেণির শিক্ষার্থীসহ দুই জন নিহত হয়েছে। সোমবার (৩ মার্চ) বিকেলে দিনাজপুর-গোবিন্দগঞ্জ আঞ্চলিক মহাসড়কের বিরামপুর পৌর শহরের বিছকিনি এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন, নবাবগঞ্জ উপজেলার সাঁকোপাড়া গ্রামের মজিবরের ছেলে ইজিবাইক চালক নুরুজ্জামান হোসেন (৩৫) এবং একই উপজেলার সোনাকানি গ্রামের আনোয়ারের ছেলে ইফতেখার রহমান সায়েম ইসলাম (১৬) ও বিরামপুর আদর্শ হাইস্কুলের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী।

বিরামপুর থানার উপ-পুলিশ পরিদর্শক মো. মাজেদ আলী জানায়, বিকেলে কোচিং শেষে ইজিবাইকে চড়ে বাড়ি ফেরার পথে উপজেলার পৌর শহরের বিছকিনি এলাকায় একটি কাভার্ড ভ্যানের সঙ্গে ইজিবাইকটির মুখোমুখি সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এতে ঘটনাস্থলে শিক্ষার্থী সায়েম নিহত হন এবং আহত অবস্থায় ইজিবাইকের চালককে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়ার পথে তারও মৃত্যু হয়।

বিরামপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মমতাজুল হক বলেন, ঘাতক কাভার্ড ভ্যানের চালক পালিয়ে যায়।আইনি প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

Header Ad
Header Ad

ট্রাম্পের ২৯ মিলিয়ন ডলার অর্থায়নের অ‌ভিযোগ সত্য নয়: পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়

ছবি: সংগৃহীত

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সম্প্রতি বাংলাদেশে রাজনৈতিক পরিস্থিতি শক্তিশালী করতে ইউএসএআইডির মাধ্যমে ২৯ মিলিয়ন ডলার অর্থায়নের দাবি করেছেন। তবে, বাংলাদেশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এই অভিযোগকে মিথ্যা বলে উল্লেখ করেছে।

সোমবার (৩ মার্চ) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে ২৯ মি‌লিয়ন নি‌য়ে ট্রাম্পের এ অ‌ভিযোগ সত্য নয় বলে দা‌বি করেছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলছে, বাংলাদেশে ইউএসএআইডির অর্থায়নে ২৯ মিলিয়ন ডলারের প্রকল্প 'স্ট্রেনদেনিং পলিটিক্যাল ল্যান্ডস্কেপ (এসপিএল) ইন বাংলাদেশ' শীর্ষক একটি প্রকল্প বাস্তবায়িত হয়েছে। সম্প্রতি মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এ প্রকল্পটি নিয়ে কিছু তথ্য দিয়েছেন যা নিয়ে জনমনে ব্যাপক বিভ্রান্তি সৃষ্টি হয়েছে। এ পরিপ্রেক্ষিতে বিষয়টি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় অনুসন্ধান করেছে।

অনুসন্ধান থেকে জানা গেছে যে, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের প্রথম মেয়াদে এই প্রকল্পটি বাস্তবায়নের জন্য ইউএসএআইডি যুক্তরাষ্ট্রে নিবন্ধিত ডেমোক্রেসি ইন্টারন্যাশনালকে (ডিআই) নির্বাচিত করে। প্রকল্প প্রস্তাবনা আহ্বানের পরিপ্রেক্ষিতে অনেক আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান দরপত্র প্রক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করে এবং একটি স্বচ্ছ প্রতিযোগিতামূলক প্রক্রিয়া অনুসরণের মধ্য দিয়ে ইউএসএআইডি সিদ্ধান্তটি গ্রহণ করে। ২০১৭ সালের মার্চে চুক্তি স্বাক্ষরের পর ডিআই প্রকল্পটি বাস্তবায়ন শুরু করে। পরে প্রকল্পটির মেয়াদ বৃদ্ধি করা হয় এবং এর অর্থ আসে ধাপে ধাপে।

শুরুতে এসপিএল প্রকল্পটি ছিল ৫ বছর মেয়াদি এবং বাজেট ১৪ মিলিয়ন ডলার। প্রকল্পটির ব্যবস্থাপনায় ছিল ইউএসএআইডি এবং অর্থায়নে ছিল ইউএসএআইডি ও যুক্তরাজ্যের উন্নয়ন সহায়তাকারী প্রতিষ্ঠান ডিএফআইডি (বর্তমানে এফসিডিও)। এই প্রকল্পে ডিএফআইডির অর্থায়নের প্রতিশ্রুতি ছিল ১০ মিলিয়ন ডলার।

এসপিএল প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য ছিল-রাজনৈতিক সহিংসতা হ্রাস করে শান্তি ও সম্প্রীতি বৃদ্ধি, রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে শান্তিপূর্ণ সহাবস্থান তৈরি, দলগুলোর সক্ষমতা বৃদ্ধি, দলগুলোর অভ্যন্তরীণ গণতন্ত্র চর্চার উন্নয়ন এবং প্রতিনিধিত্বমূলক নেতৃত্বের বিকাশে উৎসাহ প্রদান। প্রকল্পের অধীনে ডিআই বাংলাদেশে জরিপ কার্যক্রমও পরিচালনা করে।

উল্লেখ্য, ইউএসএআইডির প্রকল্পের ক্ষেত্রে মার্কিন সরকারের আর্থিক ব্যবস্থাপনা নীতি অনুসরণ করাটা বাধ্যতামূলক। এতে আর্থিক নিরীক্ষার প্রক্রিয়াটি কঠোরভাবে অনুসরণ করা হয়। প্রকল্প শেষ হয়ে যাওয়ার কয়েক বছর পরও এ-সংক্রান্ত নথিপত্র সংরক্ষণ করা হয়। প্রয়োজনে পুনর্নিরীক্ষা করা হয়।

অনুসন্ধান থেকে দেখা যায় যে, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের প্রথম মেয়াদে যুক্তরাষ্ট্রে নিবন্ধিত ডেমোক্রেসি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশে এসপিএল প্রকল্পটি বাস্তবায়ন শুরু করে। তাই এটি বাংলাদেশের দুইজন ব্যক্তির মালিকানাধীন কোনো সংস্থাকে প্রদান করার অভিযোগটি সত্য নয়। বস্তুত এ ধরনের প্রকল্প বাস্তবায়িত হয় বাংলাদেশ ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের দ্বিপাক্ষিক উন্নয়ন সহযোগিতা চুক্তির মাধ্যমে। এ ক্ষেত্রে ব্যক্তি বিশেষের কোনো কিছু করার ক্ষমতা থাকে না।

Header Ad
Header Ad

অতিরিক্ত ও সহকারী পুলিশ সুপার পদের ১২৪ কর্মকর্তাকে বদলি

ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশ পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার পদমর্যাদার ১১৭ ও সহকারী পুলিশ সুপার পদমর্যাদার ৭ কর্মকর্তাকে বদলি করা হয়েছে।

সোমবার (৩ মার্চ) পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বাহারুল আলমের সই করা পৃথক দুটি প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।

এতে বদলি করা কর্মকর্তাদের ১৯ মার্চের মধ্যে বর্তমান কর্মস্থলের দায়িত্ব বুঝিয়ে দিতে বলা হয়েছে। না হলে পরদিন থেকে তাদের তাৎক্ষণিক অবমুক্ত (স্ট্যান্ড রিলিজ) হিসেবে গণ্য করা হবে।

সরকার পতনের পর পুলিশ বাহিনীতে রদবদলের ধারাবাহিকতায় এর আগেও কয়েক দফায় বড় রদবদল হয়েছে।

অন্তর্বর্তী সরকার গত বছরের ২০ নভেম্বর আগের পুলিশ প্রধান মো. ময়নুল ইসলামকে সরিয়ে নতুন পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) হিসেবে দায়িত্ব দেয় বাহারুল আলমকে।

নতুন আইজিপি দায়িত্বে আসার পর বাহিনীতে রদবদলের ধারাবাহিকতায় আরেকটি আদেশ এলো।

এসব কর্মকর্তাকে ডিএমপি, এসবি, সিআইডি, র‌্যাব, জেলা পুলিশ, পুলিশ সদর দপ্তর, পিবিআই, এপিবিএন ও ট্যুরিস্ট পুলিশে বদলি করা হয়েছে।

বদলি কর্মকর্তাদের নামের তালিকা ১ ও তালিকা ২ দেখতে ক্লিক করুন।

Header Ad
Header Ad

সর্বশেষ সংবাদ

বিরামপুরে কাভার্ড ভ্যান-ইজিবাইক সংঘর্ষে স্কুলছাত্রসহ নিহত ২
ট্রাম্পের ২৯ মিলিয়ন ডলার অর্থায়নের অ‌ভিযোগ সত্য নয়: পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়
অতিরিক্ত ও সহকারী পুলিশ সুপার পদের ১২৪ কর্মকর্তাকে বদলি
সম্ভবত ডিসেম্বরের মধ্যেই নির্বাচন হবে: প্রধান উপদেষ্টা
ছয় মাসে ১০ হাজার ৪৭৫ কোটি টাকার সম্পদ জব্দ করেছে দুদক
জাতিসংঘকে শাপলা চত্বর ও সাঈদীর রায়কেন্দ্রিক হত্যাকাণ্ড নথিভুক্ত করার অনুরোধ
নুর ভাই নিজেই তার দল বিলুপ্ত করে আমাদের সাথে যুক্ত হতে আগ্রহী: হান্নান মাসউদ
দুই দিনের মধ্যে সয়াবিন তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক হবে: বাণিজ্য উপদেষ্টা
নওগাঁ ও পাবনায় বাস ডাকাতির ঘটনায় ছয়জন গ্রেপ্তার
টাঙ্গাইলে সালিশি বৈঠকে সংঘর্ষ, ৭০ দোকান ভাঙচুর, থমথমে পরিস্থিতি
শেখ হাসিনা স্টেডিয়ামের নতুন নাম ন্যাশনাল ক্রিকেট গ্রাউন্ড
২০৩০ দশকে এআই মানবসভ্যতাকে ধ্বংস করতে পারে: ইলন মাস্ক
দেশে প্রথমবার জিকা ভাইরাসের ক্লাস্টার শনাক্ত, আক্রান্ত ৫
বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইটের নতুন নাম বাংলাদেশ স্যাটেলাইট-১
দল না পাওয়া সেই আজিঙ্কা রাহানে কেকেআরের নতুন অধিনায়ক
ওএসডি হলেন দেশের ২৯ সিভিল সার্জন
উপদেষ্টা হিসেবে ফারুকী ঠিক আছেন: প্রিন্স মাহমুদ
খাদ্যপণ্যের দাম গত রমজানের তুলনায় সহনীয় পর্যায়ে: প্রেস সচিব
প্রাথমিকের ৬৫৩১ শিক্ষক নিয়োগে কোনো বাধা নেই: আপিল বিভাগ
ভোক্তা পর্যায়ে কমলো এলপি গ্যাসের দাম