রবিবার, ৬ এপ্রিল ২০২৫ | ২৩ চৈত্র ১৪৩১
Dhaka Prokash

রাজশাহীতে সরিষা চাষের রেকর্ড লক্ষ্যমাত্রা

সাম্প্রতিক সময়ে ভোজ্যতেল নিয়ে তেলবাজির খবর সবারই জানা। তবে এর পুনরাবৃত্তি যেন না ঘটে সে লক্ষ্যে ভোজ্যতেল আমদানি নির্ভর থেকে স্বনির্ভরতা অর্জনে রাজশাহীতে তিন বছরের বিশেষায়িত পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হচ্ছে। যে পরিকল্পনায় বছরের ব্যবধানে সরিষা আবাদে যুক্ত হচ্ছে প্রায় সাড়ে ১৫ হাজার হেক্টর জমি। মাঠপর্যায়ে কৃষকদের দেওয়া হচ্ছে বিভিন্ন ধরনের প্রণোদনা। স্বল্প সময়ে লাভজনক এই আবাদে চাষিদের সুদিন ফিরবে বলে আশাবাদী সংশ্লিষ্টরা।

রাজশাহী কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্যমতে, গত মৌসুমে রাজশাহী জেলায় ২৪ হাজার ৯৫০ হেক্টর জমিতে সরিষা চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল। উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছিল ৩৬ হাজার ১৭৮ মেট্রিক টন। ত্রি-বার্ষিক বিশেষায়িত পরিকল্পনায় এই মৌসুমে আবাদের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৪০ হাজার ২৫০ হেক্টর। যা গত বছরের চেয়ে ১৫ হাজার ৩০০ হেক্টর বেশি। আর উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৬৩ হাজার ৯৯৭ মেট্রিক টন। যা সরিষার আবাদ বৃদ্ধিতে কৃষি দপ্তরের নেওয়া বছরের ব্যবধানে সর্বোচ্চ আবাদ পরিকল্পনা।

রাজশাহী কৃষি সম্প্রসারণ সূত্রে জানা যায়, ভোজ্যতেল আমদানি নির্ভর। দেশীয় উৎপাদন মোট চাহিদার মাত্র ১০ শতাংশ পূরণ করতে সক্ষম। করোনা মহামারি পরবর্তী সময়ে ভোজ্যতেল নিয়ে তেলবাজির চিত্র সবার জানা। যেটা নিয়ে সরকারও বিব্রতকর পরিস্থিতির সম্মুখীন হয়েছে। এ কারণে তেলের দেশীয় উৎপাদন মোট চাহিদার অন্তত ৪০ শতাংশ পূরণে কৃষি দপ্তরের বিশেষায়িত ত্রি-বার্ষিক পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হচ্ছে।

রাজশাহীতে আমন ও বোরো ধান চাষের মাঝামাঝিতে কৃষকদের সরিষা চাষে উদ্বুদ্ধ করা হচ্ছে। পহেলা নভেম্বর থেকে পুরোদমে রাজশাহীতে সরিষা রোপণ শুরু হবে। তবে আমন কেটে এরই মধ্যে অনেকে সরিষা রোপণ করছেন। ত্রি-বার্ষিক পরিকল্পনাকে সামনে রেখে সরিষা বীজের সংরক্ষণও বাড়ানো হয়েছে। এতে চলতি মৌসুমে কৃষকরাও সরিষার সর্বোচ্চ দাম পাচ্ছেন।

সরিষার বর্তমান বাজার পরিস্থিতির খোঁজ নিয়ে জানা যায়, মৌসুমের শুরুতে প্রতি মণ কাঁচা সরিষা ২০০০-২৭০০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। বর্তমানে জেলায় শুকনো সরিষা ৩ থেকে সাড়ে ৪ হাজার টাকা মণ দরে বিক্রি হচ্ছে। এতে সরিষার বীজ এবার বাড়তি দরেই কিনতে হচ্ছে।

রাজশাহীতে সাধারণত ৭ জাতের উচ্চফলনশীল সরিষা আবাদ করে থাকেন চাষিরা। এগুলো হলো- বিনা সরিষা ৪, ৯ ও ১০ এবং (উফশি) জাতের বারি সরিষা- ১৪, ১৫, ১৭ ও ১৮।

রাজশাহীর বাঘা উপজেলার পাকুড়িয়া গ্রামের চাষি ইউসুফ আলী বলেন, আড়াই বিঘা জমিতে সরিষা চাষ করেছিলাম। এর আগে কোনোদিন সরিষার এত দাম পায়নি। সরিষা ২৮ শ' টাকা মণ দরে বিক্রি করেছি কাঁচা অবস্থায়। আর কিছু রেখেছিলাম। যা এখন ৪ হাজার টাকা মণ দরে দাম হাঁকছে।

পবা উপজেলার কৃষক আব্দুল গণি জানান, তিনি দেড় বিঘা জমিতে সরিষার আবাদ করেছিলেন। পরিবারের চাহিদা পূরণ করে কিছু বিক্রি করেছিলেন কাঁচা অবস্থায়। এক মাস আগেই তিনি সরিষা সাড়ে ৩ হাজার টাকা মণ দরে বিক্রি করেছেন। বীজের সরিষার দাম ৪ হাজার টাকার উপরে। আগে সরিষার দাম এত হয়নি।

এ বিষয়ে রাজশাহী জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মোজদার হোসেন বলেন, স্থানীয়ভাবে তেলের চাহিদা ৪০ শতাংশ পূরণে দেশব্যাপী কৃষি দপ্তরের একটি পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হচ্ছে। রাজশাহীতে এটা শুরু হয়েছে। যেখানে কৃষকদের বিভিন্ন ভাগে সহযোগিতা ও উৎসাহিত করা হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, একটি ধান থেকে আরেকটি ধানের জন্য অপেক্ষায় প্রায় ৮০ হাজার হেক্টর জমি সাধারণত পড়ে থাকে। এই সময়ের মধ্যে সরিষা চাষ সম্ভব। খরচ কম এবং লাভজনক এই আবাদের ত্রি-বার্ষিক পরিকল্পনার মধ্যে প্রথম বছরেই ৪০ হাজার ২৫০ হেক্টরের টার্গেট করা হয়েছে। তবে এটা ৫০ হাজার হেক্টর ছাড়িয়ে যাবে। এই তিন বছরে ২৪ হাজার হেক্টর থেকে ৮০ হাজারের বেশি হেক্টর জমিতে সরিষা চাষ বৃদ্ধি করা হবে।

এসজি

Header Ad
Header Ad

সাবেক রেলমন্ত্রী মুজিবুল হকের বাড়িতে হামলা ও অগ্নিসংযোগ

ছবি: সংগৃহীত

সাবেক রেলমন্ত্রী ও কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম আসনের সাবেক সংসদ সদস্য মুজিবুল হকের পৈত্রিক বাড়িতে হামলা, ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে। শনিবার (৫ এপ্রিল) বিকেলে চৌদ্দগ্রাম উপজেলার শ্রীপুর ইউনিয়নের বসুয়ারা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে একদল দুর্বৃত্ত হঠাৎ মুজিবুল হকের বাড়িতে প্রবেশ করে। তারা বাড়ির নিচতলার কাঁচের জানালা, আসবাবপত্র, লেপ-তোশক ভাঙচুর করে এবং পরে অগ্নিসংযোগ করে। এছাড়া বাড়ির বাইরে রাখা একটি মোটরসাইকেলেও আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়।

ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে চৌদ্দগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হিলাল উদ্দিন বলেন, “ঘটনার খবর পেয়ে আমরা পুলিশের একটি দল ও যৌথবাহিনী নিয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। কে বা কারা এ হামলার সঙ্গে জড়িত, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।”

এ বিষয়ে সাবেক মন্ত্রীর ভাতিজা তোফায়েল আহমেদ অভিযোগ করে বলেন, “স্থানীয় জামায়াত-শিবিরের নেতাকর্মীরাই পরিকল্পিতভাবে এ হামলা চালিয়েছে।”

তবে এ ঘটনায় এখনো পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করা হয়নি।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক প্রতিবেশী জানান, “আছরের নামাজের পরপরই ১৫-২০ জন যুবক মুজিবুল হকের বাড়িতে প্রবেশ করে। তারা হঠাৎ করেই ভাঙচুর শুরু করে এবং কিছুক্ষণ পর চিৎকার করতে করতে বেরিয়ে যায়।”

উল্লেখ্য, মুজিবুল হক দীর্ঘদিন রেলমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেছেন এবং চৌদ্দগ্রাম এলাকায় একজন প্রভাবশালী রাজনৈতিক ব্যক্তি হিসেবে পরিচিত।

Header Ad
Header Ad

পরকীয়া করলে পাথর নিক্ষেপে মৃত্যুদণ্ডের আইন করতেন অপু বিশ্বাস

অভিনেত্রী অপু বিশ্বাস। ছবি: সংগৃহীত

চলচ্চিত্র অঙ্গনের আলোচিত অভিনেত্রী অপু বিশ্বাস ফের আলোচনায়। সম্প্রতি একটি ঈদ-পরবর্তী টেলিভিশন অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে পরকীয়ার বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান ব্যক্ত করেছেন এই ঢালিউড তারকা। অনুষ্ঠানের র‌্যাপিড ফায়ার পর্বে তিনি জানান, যদি তার হাতে সুপার পাওয়ার থাকতো, তাহলে পরকীয়া বন্ধে এমন আইন করতেন, যাতে দোষীদের দশজনের সামনে পাথর নিক্ষেপ করে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হতো।

অপু বিশ্বাস বলেন, "সমাজে এখন পরকীয়ার মাত্রা বেড়ে গেছে। অনেক মেয়ে জেনেও পরের স্বামীর সঙ্গে সম্পর্কে জড়াচ্ছেন। এগুলো আগের চেয়ে এখন অনেক বেশি দেখা যাচ্ছে।"

তিনি আরও বলেন, "অনেক নারী প্রলোভনে পড়ে পরকীয়ায় জড়াচ্ছেন। ফেসবুক, মেসেঞ্জারসহ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অপব্যবহার এর পেছনে অন্যতম কারণ।"

 

অভিনেত্রী অপু বিশ্বাস। ছবি: সংগৃহীত

অনুষ্ঠানে নিজের ব্যক্তিগত এক অভ্যাসের কথা জানিয়ে অপু বিশ্বাস বলেন, “আমি মানুষকে খুব সহজে বিশ্বাস করি, মন খুলে সব কথা বলে ফেলি। এটা আমার একটি দুর্বলতা, যেটা পরিবর্তন করা দরকার।”

র‌্যাপিড ফায়ার পর্বে অন্যান্য তারকাদের সম্পর্কে মন্তব্য করতেও বলা হয় তাকে। শাকিব খানকে তিনি ‘সৃষ্টিশীল ও ব্যবসায়ী’, মৌসুমীকে ‘অ্যাডরেবল হট’ এবং আফরান নিশোকে ‘একটু দাম্ভিক’ বলে অভিহিত করেন।

উল্লেখ্য, অপু বিশ্বাস এর আগেও বিভিন্ন সাক্ষাৎকারে পরকীয়ার বিরুদ্ধে কঠোর মন্তব্য করেছেন। সমাজে পারিবারিক অবক্ষয়ের অন্যতম কারণ হিসেবে তিনি বরাবরই পরকীয়াকে দোষারোপ করে আসছেন।

Header Ad
Header Ad

বিএনপির দল পুনর্গঠনে তরুণ ও শিক্ষিত নেতৃত্বের অগ্রাধিকার

ছবি: সংগৃহীত

আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) দল পুনর্গঠনের উদ্যোগে শিক্ষিত ও তরুণ নেতৃত্বকে গুরুত্ব দিচ্ছে। দলটির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান রাষ্ট্র সংস্কারের ৩১ দফা এবং সাম্প্রতিক গণ-অভ্যুত্থানের চেতনার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে আধুনিক ও বিজ্ঞানভিত্তিক চিন্তাধারায় দলকে গড়ে তুলতে কাজ করছেন। এ লক্ষ্যে উচ্চশিক্ষিত, রাজনৈতিকভাবে সচেতন এবং ক্লিন ইমেজধারী তরুণদের গুরুত্বপূর্ণ স্থানে আনার পরিকল্পনা রয়েছে।

বিএনপির একাধিক নেতা জানিয়েছেন, নির্বাচনের আগে দলীয় প্রার্থী তালিকায় জনপ্রিয় তরুণ নেতাদের স্থান দেওয়া হবে। যদি দল রাষ্ট্রক্ষমতায় আসে, তবে এ তরুণ নেতারা তারেক রহমানের নেতৃত্বে দেশের পুনর্গঠনে বড় ভূমিকা রাখবেন। দলের অভ্যন্তরীণ সূত্র বলছে, দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে এমন নেতারা এবার গুরুত্ব হারাবেন এবং যারা দীর্ঘদিন দলের জন্য নিঃস্বার্থভাবে কাজ করেছেন, বিশেষ করে যারা ওয়ান-ইলেভেন থেকে এখন পর্যন্ত নির্যাতিত হয়েছেন, তাদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।

জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, যুগোপযোগী সংস্কারের জন্য তরুণ, দক্ষ ও শিক্ষিত নেতৃত্ব অপরিহার্য। একই কথা বলেন তারেক রহমানের উপদেষ্টা মাহাদী আমিন, যিনি জানান যে একদল পেশাজীবী, শিক্ষাবিদ ও রাজনীতিক ইতোমধ্যে ৩১ দফা বাস্তবায়নে তারেক রহমানের সঙ্গে কাজ করছেন।

ঢাকা, ময়মনসিংহ, রাজশাহী, রংপুর, খুলনা, চট্টগ্রাম, সিলেট, বরিশাল ও ফরিদপুর বিভাগের সম্ভাব্য তরুণ ও অভিজ্ঞ নেতাদের তালিকাও ইতোমধ্যে প্রস্তুত করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছেন তাবিথ আউয়াল, ইশরাক হোসেন, নিপুণ রায়, আফরোজা আব্বাস, শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস, ব্যারিস্টার শাকিলা ফারজানা, সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, শামা ওবায়েদসহ অনেকে। তাদের দলের বিভিন্ন স্তরে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দেওয়ার চিন্তাভাবনা চলছে।

দলীয় নেতারা বলছেন, তারেক রহমান যুক্তরাজ্য থেকে দেশে ফেরার পর কারা তার সঙ্গে মিশন চালাবেন, সে ব্যাপারে এখনই প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। বিএনপি মনে করছে, তরুণ ও মেধাবীদের সঙ্গে নিয়ে দলকে নতুন আঙ্গিকে গড়ে তুললে তা দেশের গণতান্ত্রিক ভবিষ্যতের জন্য ইতিবাচক হবে।

দলের চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল একথা স্পষ্ট করে বলেন, “ভবিষ্যৎ পৃথিবী তরুণ, শিক্ষিত ও মেধাবীদের। আমার ধারণা, দলীয় মনোনয়ন থেকে দলীয় পদ-পদবি—সব ক্ষেত্রেই তরুণদের প্রাধান্য থাকবে।”

Header Ad
Header Ad

সর্বশেষ সংবাদ

সাবেক রেলমন্ত্রী মুজিবুল হকের বাড়িতে হামলা ও অগ্নিসংযোগ
পরকীয়া করলে পাথর নিক্ষেপে মৃত্যুদণ্ডের আইন করতেন অপু বিশ্বাস
বিএনপির দল পুনর্গঠনে তরুণ ও শিক্ষিত নেতৃত্বের অগ্রাধিকার
যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের রপ্তানি আরও বাড়বে: প্রেসসচিব
টাঙ্গাইলে ধান ক্ষেতে মিলল ৭০ বছর বয়সী এক বৃদ্ধার মরদেহ
বগুড়ার সাতটি আসনে জামায়াতের প্রার্থী ঘোষণা
রংপুরে বিএনপির দুই গ্রুপের সংঘর্ষে প্রাণহানি, আহত অন্তত ২০
গত ২৫ বছর ‘জয় বাংলা’ বলিনি, এখন থেকে বলব: কাদের সিদ্দিকী
বিরামপুরে ভয়াবহ আগুনে সনাতন পরিবারের সর্বস্ব পুড়ে ছাই
রাতেই ঢাকাসহ ৭ অঞ্চলে ৬০ কিমি বেগে ঝড়-বৃষ্টি হতে পারে
মোদির প্রতিক্রিয়া শেখ হাসিনার ফেরত নিয়ে নেতিবাচক ছিল না: প্রেস সচিব
নওগাঁ হাসপাতালের পরিচ্ছন্নতা ও সমন্বয়ের বিষয়ে অসোন্তোষ স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক
প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের অধীনে চাকরি, পদ ২৫৫
‘বিদেশি কিছু গণমাধ্যম অর্থ উপার্জনের উদ্দেশে বাংলাদেশকে নিয়ে মিথ্যা ও উদ্দেশ্যমূলক সংবাদ প্রচার করছে’
সারা দেশে ৩২৯ উপজেলায় হচ্ছে টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ: মহাপরিচালক
২৭৭ জনকে নিয়োগ দেবে পানি উন্নয়ন বোর্ড, এইচএসসি পাসেও আবেদন
ভূমিকম্পে মিয়ানমারে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৩৩৫৪
পাকিস্তানকে হোয়াইটওয়াশের লজ্জায় ডুবালো নিউজিল্যান্ড
স্বর্ণভর্তি ব্যাগ ফেরত দিয়ে সততার দৃষ্টান্ত গড়লেন অটোরিকশাচালক খায়রুল
ঈদের ছুটি শেষে বেনাপোল বন্দরে আমদানি-রপ্তানি শুরু